

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা–০৬ (সদর, সদর দক্ষিণ, সিটি কর্পোরেশন ও সেনানিবাস) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে টানা ১১ দিন ধরে মাঠে অবস্থান করছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে থেকে বিকাল পর্যন্ত নগরীর কান্দিরপাড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তারা আন্দোলনের একাদশ দিন পার করেন। দলীয় কার্যালয়ের সামনে সকাল থেকেই ভিড় জমতে থাকে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের।
নেতাকর্মীরা জানান, ৩ নভেম্বর রাতে মহাসড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। পরদিন ৪ নভেম্বর নগরীর কান্দিরপাড়সহ বিভিন্ন স্থানে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী দিনগুলোতে নারী সমর্থকদের সমাবেশ, গণ–ইফতার, দোয়া মাহফিল, সংবাদ সম্মেলন, তারুণ্যের সমাবেশ, গণস্বাক্ষর কর্মসূচি—সব মিলিয়ে টানা ১১ দিন ধরে একের পর এক কর্মসূচি পালন করে আসছেন তারা।
বৃহস্পতিবারের অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন মহানগর, সদর উপজেলা, সদর দক্ষিণ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী আকবর হোসেনের সাবেক পিএস আমিনুল ইসলাম, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা হাজী নাসির উদ্দিন, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য হাজী শাহজাহান, মামুনুর রশিদ, জগন্নাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম মেম্বার, পাঁচথুবী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কাইয়ূম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম–আহ্বায়ক সালমান সাঈদ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম–আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, আরিফুর রহমান সুমন, আমড়াতলী ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. আলমগীর হোসেন, সদস্য সচিব শাহজাহান সাজু, মহানগর ছাত্রদল নেতা রবিন খাঁনসহ অনেকে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, হাজী ইয়াছিন শুধু রাজনীতিক নন, তিনি দলের সংকটে আশ্রয়দাতা হিসেবে পরিচিত। দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে আইনি ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন, আন্দোলন-সংগঠনে রেখেছেন সক্রিয় ভূমিকা। অথচ এ আসনে এমন একজনের নাম আলোচনায় এসেছে, যিনি এলাকার রাজনীতি বা জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
আমড়াতলী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব শাহজাহান সাজু বলেন, আমরা যাঁর নেতৃত্বে রাজনীতি করি, যিনি হামলা-মামলার সময় আমাদের আশ্রয় দেন, সেই ইয়াছিন ভাইয়ের পরিবর্তে বাইরের কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে আমরা তা মেনে নেব না।
মহানগর যুবদল নেতা মনছুর নিজামী বলেন, কুমিল্লা–৬ আসনে বিএনপির রাজনীতির প্রাণকেন্দ্রে আছেন হাজী ইয়াছিন। তিনি দলের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ নেতা, যাঁকে বাদ দিয়ে এ আসনে কোনো গণভিত্তিক রাজনীতি করা সম্ভব নয়।
যুবদল নেতা আরিফুর রহমান সুমন বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি জানাচ্ছি। গণস্বাক্ষর, ইফতার, দোয়া মাহফিল—সবই তৃণমূলের বার্তা কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে। দল যেন এই বার্তাকে সম্মান জানায়, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।
অবস্থান কর্মসূচি শেষে নেতাকর্মীরা ঘোষণা দেন—তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) নিজস্ব পদ্ধতিতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান)
শ্রেণির ‘সি’ ও ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
আজ
শনিবার (১৯ এপ্রিল) ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে ১১টায় এবং
‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বিকাল ৩টা থেকে শুরু হয়ে ৪টায় শেষ হয় । কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ
মোট ৯টি কেন্দ্রে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবং ২৬টি কেন্দ্রে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, আজকে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে
সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হল ঘুরে দেখেছি।
কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কেন্দ্রগুলোতেও পরীক্ষার পরিবেশ ভাল ছিল। সুষ্ঠু পরীক্ষা
গ্রহণ ও জালিয়াতি প্রতিরোধে আমরা সতর্ক ছিলাম। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি করা
ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটস সদস্যরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের প্রত্যেকেই নিজ
নিজ দায়িত্বের প্রতি আন্তরিক ছিল বলেই ‘সি’ ও ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুন্দরভাবে
সম্পন্ন হয়েছে। সামনের ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষাতে আমরা আরও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা
করবো। পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী,
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ
জানান।
উপ-উপাচার্য
অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, আজকের পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী,
প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট,
সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভর্তি পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ভাল
ছিল। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আগামী ২৫ তারিখ ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হবে। আজকের মতো ঐদিনও সবাই আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।
ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের দাবীর প্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
এ বছর স্বতন্ত্রভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং নিরাপত্তা
নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, সাংবাদিক
সবাই সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ ভর্তি কার্যক্রম
সহজ করতে এগিয়ে এসেছে। আইন-শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্ন না ঘটে, পরিবহন সমস্যা যাতে না হয়, সেজন্য
তারা নিজ উদ্যোগে কাজ করেছে। তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আগামীতেও তারা এভাবে সহযোগিতা
অব্যাহত রাখবেন বলে আমি আশাবাদী।
প্রক্টর
অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে সবাই কঠোর পরিশ্রম করেছেন। সকলের
সহযোগিতায় আমরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা নিতে পেরেছি। আমরা সফল। আগামীতে আমরা আরো ভালো করতে
চেষ্টা করবো।
২৪০
আসনের বিপরীতে ‘সি’ ইউনিটে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ হাজার ৯৫২ জন। তারমধ্যে উপস্থিত ছিল
৭ হাজার ৬৪৬ জন। উপস্থিতির হার ৭৬.৮৩ শতাংশ। অপরদিকে ৩৫০ আসনের বিপরীতে ‘এ’ ইউনিটে
মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩২ হাজার ৬৫৭ জন।
মন্তব্য করুন


অভিনব কৌশলে পিকআপে করে মাদক পরিবহনকালে ২৯ কেজি গাঁজা’সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
গত ০১ নভেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন ধানসিড়ি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে পিকআপের পিছনে কাঠের গুড়ার বস্তার মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী বশির (২০) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২৯ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ০১ টি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী বশির (২০) বি.বাড়িয়া জেলার কসবা থানার শ্রীপুর গ্রামের মোঃ এনামুল হক এর ছেলে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত পিকআপ ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে বি.বাড়িয়া, কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আজিম মাহমুদ খোকন (৪৪) নামে এক যুবদল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী।
শনিবার (২৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার বাম গ্রামে তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নাঙ্গলকোট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক আজিম মাহমুদ খোকন উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের একই গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে শনিবার সকালে যৌথবাহিনী বাম গ্রামে (মজুমদারপাড়া) আজিম মাহমুদের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার কাছে থাকা একটি দেশীয় তৈরি পিস্তল জব্দ করা হয়
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে তিনি যুবদলের নাম ব্যবহার করে ব্যানার, ফেস্টুন তৈরি করছেন। তবে আজিম মাহমুদ যুবদলের সমর্থক হলে হতে পারে কিন্তু তার কোনো পদ-পদবি নেই।
নাঙ্গলকোট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম জানান, আজিম মাহমুদের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা এলাকায় বিষাক্ত মদপানে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ ১৩ আগস্ট বুধবার উপজেলার রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের বাখরাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাখরাবাদ গ্রামের প্রয়াত মহাদেব সরকারের ছেলে তপন চন্দ্র সরকার (৫০) ও একই গ্রামের প্রয়াত নিত্যন চক্রবর্তীর ছেলে পলাশ চক্রবর্তী (৩৮)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোর রাতে স্পিরিট জাতীয় বিষাক্ত অ্যালকোহল (মদ) খেয়ে তপন চন্দ্র সরকার ও পলাশ চক্রবর্তী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদেরকে পরিবারের লোকজন মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে পলাশ চক্রবর্তীকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। অপরজন তপন চন্দ্র সরকারের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। কুমিল্লা নেওয়ার পথে তপন চন্দ্র সরকার মারা যান। আজ বুধবার বিকেলে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ পলাশের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ আসার পূর্বেই তপনের লাশ দাহ করা হয়।
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি হোমিওপ্যাথি দোকানের স্পিরিট জাতীয় অ্যালকোহল (মদ) পানে ২ জন মারা গেছেন। পলাশের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তপনের লাশ দাহ করে ফেলায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পলাশের লাশ ময়না তদন্তের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
বিদায় লগ্নে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহম্মেদ খাঁন।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি কুমিল্লায় দায়িত্ব পালনকালে অভিজ্ঞতা, অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার নাজির আহম্মেদ খাঁন বলেন, “কুমিল্লা আমার কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এখানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমি সবসময় মানুষের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা পেয়েছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা— সবক্ষেত্রে সাংবাদিকরা যে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশ পুলিশের কাজকে আরো গতিশীল করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি ও জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। কুমিল্লাবাসী আমাকে যে ভালোবাসা, সম্মান ও সহযোগিতা দিয়েছে— তা আজীবন স্মরণে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিক নেতারা বিদায়ী পুলিশ সুপারের সৎ, নিষ্ঠাবান ও মানবিক কর্মকৌশলকে প্রশংসা করেন। তারা বলেন, তার নেতৃত্বে কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুসংহত ছিল। বিভিন্ন থানা উন্নয়ন, কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার, অভিযোগ নিষ্পত্তির গতি বৃদ্ধি— এসব উদ্যোগ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।
মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাহবুব আলম বাবু, সিনিয়র সদস্য সহিদউল্লাহ, ওমর ফারুকী তাপস,দিলীপ মজুমদার,দপ্তর সম্পাদক সেলিম রেজা মুন্সি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নেকবর হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদিক হোসেন মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু,বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক বাবুসহ জেলা ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক, ডিবি ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
পরিশেষে বিদায়ী পুলিশ সুপার নাজির আহম্মেদ খাঁনের হাতে কুমিল্লা প্রেস ক্লাব, কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, কুমিল্লা রিপোর্টার্স ক্লাব এবং কুমিল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে স্মারক উপহার তুলে দেওয়া হয়। তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সফলতা কামনা করেন সবাই।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও রোগমুক্তি কামনায় কুমিল্লায় মানবিক ও ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত রয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কুমিল্লার বিভিন্ন এতিমখানায় পশু সদকা প্রদান করা হয়েছে এবং দোয়া, কুরআন খতম ও খাবার বিতরণ চলছে ধারাবাহিকভাবে।
বুধবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হয় এ কর্মসূচির ৭ম দিনের আয়োজন। কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে বিভিন্ন এতিমখানার প্রধানদের হাতে সদকার পশু—খাসি ও ছাগল—তুলে দেওয়া হয়। এ উদ্যোগের পৃষ্ঠপোষক বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলার সাবেক সভাপতি এসএ বারী সেলিম, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, শহীদুল্লাহ রতন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ূম, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব চৌধুরী, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদুল কবির সাজ্জাদ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, মহানগর ছাত্রদল নেতা রবিন খান। এছাড়াও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন এতিমখানার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে কুমিল্লার ১৬টি মাদ্রাসায় সদকা বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। সদকা প্রদান শেষে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন কান্দিরপাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ক্বারী মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। তিনি দোয়ার মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
এছাড়া ধারাবাহিক এ দোয়ার ৭ম দিনেও নগরীর কান্দিরপাড় দলীয় কার্যালয়ে দিনব্যাপী কুরআন খতম ও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদ্রাসার এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
নেত্রীর জন্য ধারাবাহিক আয়োজনে হাজী ইয়াছিনের প্রশংসা করে বক্তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি শুধু ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি—বরং নিজে সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে এ আয়োজনগুলো বাস্তবায়ন করছেন। সাধারণ মানুষ, এতিম শিশু, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী—সবাইকে এ মানবিক উদ্যোগে যুক্ত করেছেন।
দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশব্যাপী মানুষের ভালোবাসা ও প্রার্থনা বেগম খালেদা জিয়ার পাশে রয়েছে। কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে সাধারণ মানুষ—সবাই তার সুস্থতা কামনা করছে।
এই কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় আয়োজক পক্ষ থেকে জানানো হয়—আগামীতেও কুমিল্লার বিভিন্ন মাদ্রাসা, এতিমখানা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সদকা বিতরণ অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় দোয়া ও প্রার্থনা আয়োজন চলবে নিয়মিত।
ছবিঃ কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনায় বিভিন্ন এতিমখানায় পশু সদকা প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


সুশৃঙ্খল সুরক্ষিত মহাসড়ক - এ লক্ষ্যকে নিয়ে দিনরাত কাজ করে যায় হাইওয়ে পুলিশ কারণ মূল উদ্দেশ্য থাকে একটাই দিনশেষে সুরক্ষার সাথে বাড়ি ফেরার নিশ্চয়তা সুনিশ্চিতকরণ ।
শনিবার (২০ এপ্রিল ২০২৪) সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলমের নেতৃত্বে কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশ কর্তৃক কুমিল্লা রিজিয়নের ২২টি হাইওয়ে থানা পুলিশের বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট ডিউটি, অভিযান পরিচালনা এবং স্পিড গান বা স্পিড ডিটেক্টর ব্যবহার সহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় ।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজির নেতৃত্বে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সংশ্লিষ্ট সার্কেল সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, সাব-ইন্সপেক্টর, সার্জেন্ট সহ সকল পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্স মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বডি ওয়ার্ন ক্যামেরায় সজ্জিত হয়ে সারাক্ষণ লাইভ স্ট্রিমিংয়ে থেকে চেকপোস্ট ডিউটি, অভিযান পরিচালনা ও স্পিড গান ব্যবহার করাসহ আজ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ লঙ্ঘন কারী গাড়ির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় গাড়ি আটক ও গ্রেফতার করা হয়।
আজকের এই বিশেষ অভিযানের সময় কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নে ফিটনেস বিহীন বাস, ফিটনেস বিহীন পণ্যবাহী ট্রাক সহ সকল ফিটনেস বিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
শুধু তাই নয়, পণ্যবাহী গাড়িতে যাত্রী পরিবহন করার অপরাধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
পাশাপাশি মহাসড়কে অবৈধভাবে এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে থ্রি হুইলার চালানোর অপরাধে কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৩টি থ্রি হুইলার আটক, ফিটনেস বিহীন ১টি পিকআপ আটক, দুর্ঘটনায় জড়িত ১টি সাউদিয়া বাস আটক ও গাড়ি ১ ড্রাইভারকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ছাড়াও সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ লঙ্ঘনের অপরাধে বিভিন্ন ধারায় মোট ১৭৩টি প্রসিকিউশন দেওয়া হয় এবং একই সাথে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৬৬ ধারায় ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত মোটরযান ও গণপরিবহন চালানোর অপরাধে ২৮টি, ৭৫ ধারায় ফিটনেস সনদ ব্যতীত বা মেয়াদ উত্তীর্ণ ফিটনেস সনদ ব্যবহার করে মোটরযান চালানোর অপরাধে ০৬টি, ৮৭ ধারায় নির্ধারিত গতিসীমার অতিরিক্ত গতিতে মোটরযান চালানো বা স্পীড ডিটেক্টরের সাহায্যে মোটরযানের গতি চিহ্নিত অপরাধে ৫৯টি, ৮৯(১) ধারায় কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী মোটরযান নিষিদ্ধ হর্ণ স্থাপন/ব্যবহার ইত্যাদির অপরাধে ০৭টি, ৮৯(২) ধারায় ঝুঁকিপূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষিত মহাসড়কের চলাচলের অনুপোযোগী যান চালনা ইত্যাদির অপরাধে ৫১টি, ৯২(১) ধারায় মোটরযান চলাচলের সাধারণ নির্দেশাবলী সংক্রান্ত (১ম অংশ) অপরাধে ২০টি এবং ৯২(২) ধারায় (২য় অংশ) অপরাধে ০২টি সহ কুমিল্লা রিজিয়ন কর্তৃক বিভিন্ন অপরাধে সর্বমোট ১৭৩টি প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়।
হাইওয়ে পুলিশ প্রধান এবং বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি মো: শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার) মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কুমিল্লা রিজিয়ন জোরদার ভাবে স্পিড গান বা স্পিড ডিটেক্টর ব্যবহার করা হচ্ছে ।
জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে হাইওয়ে পুলিশের বডি ওয়ার্ণ ক্যামেরার মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে অভিযান সংক্রান্ত এ কার্যক্রম কুমিল্লা রিজিয়নে অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৮০ কি:মি গতিসীমার মধ্যেই যানবাহন সমূহ চালানোর নির্দেশনা সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা সেদিকেও সজাগ দৃষ্টি সদা সর্বদা থাকবে কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ এর । এসময় কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম উল্টোদিকে গাড়ি চালানো এবং মহাসড়কে থ্রি হুইলার ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল অফিসার ইনচার্জদের নির্দেশ প্রদান করেন।
পাশাপাশি তিনি পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নের্তৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সকল গাড়ির ড্রাইভারদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি পরিহার এবং ফিটনেস সার্টিফিকেট থাকা গাড়ি গুলোকেই গতিসীমা মেনে গাড়ি চালানোর জন্য অনুরোধ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ৩৫ লাখ টাকা লুটের মূলহোতা সোলাইমানকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৩।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে রাজধানীর তুরাগের দলিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-৩ এর সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনদ বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানায়, গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তোফায়েল আহম্মেদ (৫৫) নামে এক ব্যক্তি গাড়ি ও জমি বিক্রির নগদ ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে ঢাকার টিকাটুলি থেকে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এশিয়া এয়ারকন পরিবহনের বাসটি দাউদকান্দি উপজেলার শহীদনগর এলাকায় পৌঁছালে একটি মাইক্রোবাস বাসটির গতিরোধ করে।
পরে ২-৩ জন ব্যক্তি ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে বাসে উঠে তোফায়েলকে হাতকড়া পরায় এবং জোর করে নামিয়ে আনে। এক পর্যায়ে তারা তার টাকা ভর্তি ব্যাগ ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঢাকার দিকে পালিয়ে যায়।
র্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানায়, ঘটনার পরদিন দাউদকান্দি থানায় একটি মামলা রুজু হয়।
এ মামলায় এর আগেই র্যাব-৩ রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে ইমরান হোসেন শাওন (২৯) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোলাইমানের নাম উঠে আসে।
গ্রেপ্তার সোলাইমান মাদারীপুরের কালকিনি থানার সাহেব রামপুর গ্রামের কালাম ব্যাপারীর ছেলে। তিনি ঘটনার সময় ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটির চালক ছিলেন।
র্যাব-৩ এর এই কর্মকর্তা জানান, সোলাইমানকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দস্যুতার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কথা নিশ্চিত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২৮.৫ কেজি গাঁজাসহ তিনজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (১৪ নভেম্বর) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি মডেল থানাধীন বলদাখাল এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আসামী ১। মোঃ সুয়েল রানা (২৭); ২। মোঃ সোহেল রানা (২০) এবং ৩। মোঃ সোহেল রানা (২৬) নামের তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২৮.৫ কেজি গাঁজা ও মাদকদ্রব্য পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ সুয়েল রানা (২৭) পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার উত্তর বগুড়া পাড়া গ্রামের মোঃ জমিনুল ইসলাম টুটুল এর ছেলে, ২। মোঃ সোহেল রানা (২০) একই জেলার তেতুলিয়া থানার আজিজ নগর গ্রামের মোঃ মানিক মিয়া এর ছেলে এবং ৩। মোঃ সোহেল রানা (২৬) একই জেলার বোদা থানার বৈরাতি গ্রামের মৃত সোলাইমান আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মিনি ট্রাক ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন কুমিল্লা জেলায়। ফলে এই জেলায় নির্বাচনী কার্যক্রমের পরিধি ও চাপ তুলনামূলকভাবে বেশি। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, নির্বাচন অফিস এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান অগ্রাধিকার হবে। একই সঙ্গে সব ভোটকেন্দ্র শতভাগ সিসিটিভি ফুটেজের আওতায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, নির্বাচন কমিশন, এনএসআই ও ডিজিএফআইসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
মন্তব্য করুন