

থার্টি
ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাতে কিছু সড়ক বন্ধ থাকবে। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব
সড়ক ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। সড়কগুলো
হলো-
১।
৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে শাহবাগ, নীলক্ষেত ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, বকশী বাজার
ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং চাঁনখারপুল, শহিদুল্লাহ হল ক্রসিং দিয়ে কোনো প্রকার যানবাহন
প্রবেশ করবে না।
২।
৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়
প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়া
অন্য যে কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন কেবলমাত্র পুরনো হাইকোর্ট-দোয়েল চত্বর-শহীদ মিনার-জগন্নাথ
হলের দক্ষিণ গেট-পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। এসব এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যান্য
সব ক্রসিং বন্ধ থাকবে।
৩।
৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে মহাখালী
এলাকা-ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নম্বর রোড ক্রসিং, চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিং, ঢাকা
গেট, শুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, ডিওএইচএস বারিধারা-ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং ও
নতুন বাজার ক্রসিং এলাকাগুলোতে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে এসব এলাকা থেকে
বের হওয়ার ক্ষেত্রে ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।
৪।
৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায়
যানবাহনযোগে প্রবেশের জন্য কামাল আতার্তুক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী
ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।
সড়ক ব্যবহার সংক্রান্তে যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে ডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬০, এডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬১, এসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৭২, এসি ট্রাফিক (মহাখালী) ০১৩২০-০৪৪৩৭৫, এসি ট্রাফিক (বাড্ডা) ০১৩২০-০৪৪৩৭৮, ডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬০, এডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬১, ডিসি (গুলশান) ০১৩২০-০৪১৪২০ ও ডিসি (রমনা) ০১৩২০-০৩৯৪৪০ এসব নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতা, ক্ষোভ ও
বিচারপ্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে।
রোববার
(১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির এক মতবিনিময়
সভায় তারা রাষ্ট্রীয় বিচারহীনতা, অবহেলা এবং পুনর্বাসনের অভাবের চিত্র তুলে ধরেন।
সভায়
নারায়ণগঞ্জের শহীদ আবুল হাসান সজলের ভাই রনি বলেন, আমার ভাইকে আমার চোখের সামনে গুলি
করা হয়েছে। আমাকে সে হাসপাতালে শুয়ে জিজ্ঞেস করেছে, হাসিনার পতন হইছে কি না? আমি বলছি,
পালাইছে। সে বলছে, আলহামদুলিল্লাহ। ভবিষ্যতে যে সরকারই আসুক, আমরা যেন বিচার পাই।
শহীদ
মিরাজের বাবা আব্দুর রব বলেন, আমার সন্তান মিরাজের বয়স ২৯ ছিল। মোবাইলে ভিডিও করে সে
সবাইকে দেখাতে চেয়েছিল। তাকে মেরে ফেলেছে। আমার আহ্বান, আগামীতে যারা পার্লামেন্টে
যাবে, সে সময় জুলাই সনদ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে বাস্তবায়ন করবেন।
সংক্ষিপ্ত
কিন্তু গভীর বেদনার ভাষায় শহীদ পরিবারের সদস্য তামান্না বলেন, আমার দুইটা সন্তান বাবা
বলে ডাকতে পারে না। আনোয়ারুল ইসলাম জীবন নামে একজন শহীদের ভাই অভিযোগ করে বলেন, আমার
ভাইকে আমার চোখের সামনে ৫ আগস্ট মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
আন্তর্জাতিক
ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে গিয়েছিলাম, সেখানে তামিম নামে একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছে,
আমার ভাই কোন দল করত। আমি বলেছি, সে বিএনপি করত। আমার মামলা নেওয়া হয়নি, বরং আমাকে
লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি তারেক রহমান স্যারকে বলি, আমার ভাই বিএনপি করত, এটা কি অপরাধ?
আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন, বাংলাদেশের সব শহীদের বিচার দৃশ্যমান করবেন। শহীদ পরিবারগুলো
যেন হেনস্তা না হয়। এই ইন্টেরিম সরকার কোনো বিচার করতে পারেনি। ছাত্রদের রক্তের ওপর
দিয়ে তারা ক্ষমতায় এসেছে। শহীদদের জন্য তারা কিছুই দৃশ্যমান করতে পারেনি।
জুলাইয়ে
গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ শাহিন বলেন, রাজপথে যখন আমরা আন্দোলনে নেমেছিলাম, জনাব তারেক রহমান
বলেছিলেন, ‘দফা এক, দাবি এক: খুনি হাসিনার পদত্যাগ’। হাসিনা যদি আমাদের দাবি মেনে নিত,
পদত্যাগ করত, এত রক্ত কখনোই ঝরত না। আহত ও নিহত পরিবারদের জন্য জনাব তারেক রহমান ছাড়া
আর কেউ কিছু দিতে পারবে না।
শহীদ
আহনাফের মা বলেন, আমার ছেলে ৪ আগস্ট মিরপুরে আন্দোলনরত অবস্থায় ডান বুকে গুলি লেগে
মারা যায়। তার স্বপ্ন ছিল ব্যান্ড শিল্পী হবে। তার কোনো স্বপ্নই পূরণ হলো না। জনাব
তারেক রহমান, আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন তাহলে আমাদের সব শহীদের হত্যার বিচার করবেন। আমার
ছেলের খুনি তার নিজের ঘরে বসবাস করছে, তার কোনো বিচার হচ্ছে না। আজ আমাদের সন্তানের
রক্তের ওপর বসে যারা আমাদের সঙ্গে বেইমানি করছে, আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার যে
শহীদদের হত্যার বিচার করবে, সেটা আমরা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। অনেকেই বলে, বিএনপি
ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হবে। আপনিও তো অনেক নির্যাতিত হয়েছেন। আপনি ক্ষমতায়
এলে যেন এই বিচার হয়। আপনার কাছে সব শহীদ যেন সমান থাকে শুধু নিজের দলের না। আমরা কোনো
দল করি না।
শহীদ
আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা বলেন, আমার ছেলে জীবিত থাকলে এবার ইন্টার পরীক্ষা দিত। আমার
ছেলে শহীদ হওয়ার ১৪ দিন পর আমার ছোট ছেলের ব্রেন ক্যানসার ধরা পড়ে। আমরা বিএনপি পরিবার
আমার ছেলের পুরো ক্যানসারের খরচ বহন করেছে। আমি কোনো রাজনীতি করি না। আমার ছেলে মারা
যাওয়ার সাত মাসের মাথায় আমার স্বামী স্ট্রোক করে মারা যায়। তারেক রহমান আমাকে ফোন করে
বলেছেন, তিনি আমার পাশে আছেন। গত ১৭ মাসে তাদের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি, কৃতজ্ঞতা
থেকে তা স্বীকার করতেই হবে বিএনপির পরিবার আমাদের পাশে ছিল। কিন্তু এই ইন্টেরিম সরকার
কী করেছে? আমি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে তিন দিন গিয়েছি। আমার ছেলে চিকিৎসা পায় না,
অথচ উনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিতে যান এটা কীভাবে হয়? আমাদের পরিবার পাশে না থাকলে আমার
ছেলের চিকিৎসা করতে পারতাম না। আমি তারেক রহমান স্যারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।
শহীদ
শাহরিয়ার হাসান আলভির বাবা বলেন, আলভি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ৪ আগস্ট মিরপুরে
গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। রাষ্ট্রের জন্য আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি। কিন্তু
এই ১৮ মাসে একটি হত্যার বিচারও আমরা দেখিনি। ট্রাইব্যুনালের নামে সেখানে বাণিজ্য চলছে,
বিচার হচ্ছে না। তারেক রহমানের কাছে আমার দাবি, আমাদের শহীদ পরিবার কীভাবে ভালো থাকবে
সেটা উনি নিশ্চিত করবেন।
শহীদ
ইমাম হাসান তাইমের ভাই বলেন, যাত্রাবাড়িতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল,
সেটা ছিল আমার ভাই। আমার বাবা একটা কথা বলেছিল, একটা মানুষকে হত্যা করতে কয়টা গুলি
লাগে, স্যার? গুলি করে পাখির মতো মানুষ মারা হয়েছে। আমাদের শহীদ পরিবারকে মনে হয় ইন্টেরিম
সরকারকে বলতে হবে, বিচার দাও, না হলে মানচিত্র খাবো। আমরা বিচারের জন্য প্রতিটি দ্বারে
দ্বারে গিয়েছি। আমি নাহিদ ভাইয়ের কাছে গিয়েছি, উনার কারণে আমার ভাইয়ের তিন খুনি পালিয়ে
গেছে। আমি আসিফ ভাইয়ের কাছেও গিয়েছি। তারেক রহমানের কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ, আপনি যখন
ক্ষমতায় যাবেন, শহীদদের হত্যার বিচার করবেন। অনেক শহীদের সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে
গেছে। আমি বহুবার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছি। আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা যেন আমাদের সঙ্গে
অবিচার না করেন। আল্লাহ তায়ালা ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না।
রংপুরে
শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, আমার ছোট ভাই আবু সাঈদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের
মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার হত্যার বিচার এখনো হয়নি। যেসব হত্যা মানুষ চোখে দেখেনি,
সেগুলোর বিচার কীভাবে হবে? জনাব তারেক রহমানের কাছে আমার আবেদন, আহত ও নিহত পরিবারগুলোকে
যেন পুনর্বাসন করা হয়।
সবশেষে
মীর মুগ্ধের বাবা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে দানব-নরপিশাচ মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত করতে
চাই। আগামী দিনে যে সরকার আসবে, যারা আহত হয়েছে, শহীদ হয়েছে, শহীদ পরিবারের মধ্যে যারা
আর্থিক সংকটে আছে, তাদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানাব। মতবিনিময় সভাজুড়ে
শহীদ পরিবারগুলোর বক্তব্যে উঠে আসে বিচারহীনতার ক্ষোভ, রাষ্ট্রীয় অবহেলার বেদনা এবং
ভবিষ্যতে একটি দায়বদ্ধ সরকারের প্রতি তাদের প্রত্যাশা।
মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব
করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও মঞ্চে না বসে অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের
সঙ্গে বসেন।
এ
সময় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার তারেক রহমানের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে নিজেদের দুর্দশার
কথা জানান। তিনি নিজেও অনেককে ডেকে নিয়ে কথা বলেন।
মন্তব্য করুন


আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধান
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের
উদ্যোগে আয়োজিত শুভ কঠিন চীবর দান ও জাতীয় বৌদ্ধধর্মীয় মহাসম্মেলন-২০২৪ উপলক্ষে
ঢাকার মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন। সেনাবাহিনী
প্রধান সবাইকে শুভ কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। সেই সাথে
পার্বত্য জেলাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান হতে আগত সকলকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে প্রতিটি ধর্মের নিজ নিজ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে
উদযাপনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম গ্রহণে সদা প্রস্তুত।
একইসাথে তিনি সম্প্রীতির দেশ গঠনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে থেকে একে
অপরকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায়
উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার জন্য অনুষ্ঠানে আগত ঢাকাস্থ বিদেশী মিশনের সম্মানিত
কূটনীতিকগনকে ধন্যবাদ জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান পার্বত্য জেলা সমূহে শান্তি ও
সম্প্রীতির উন্নয়ন ঘটিয়ে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে পার্বত্য এলাকায়
বসবাসরত পাহাড়ি ও বাঙালিদের সচেষ্ট থাকতে অনুরোধ করেন। এছাড়াও প্রাকৃতিক
সৌন্দর্যমন্ডিত পার্বত্য জেলাসমূহে পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি স্থানীয়
ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবন বৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পার্বত্য জেলাসমূহে অধিকতর স্কুল, কলেজ ও
বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতাকে দেশে ও বিদেশে
ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।
সবশেষে তিনি সারা দেশব্যাপী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীগণ
কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানসমূহ শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীসহ সকল
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করায় বুদ্ধিস্ট
ফেডারেশনের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সেনাসদরে
সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের
প্রতিনিধি দল। সেসময় সেনাবাহিনী প্রধান তিন পার্বত্য জেলায় শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
ও কঠিন চীবর দান উদযাপন উপলক্ষে আর্থিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার
ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসব সমূহ পালন করার
জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস প্রদান
করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ বাংলাদেশ
বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের অনুকূলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে এক কোটি টাকার চেক
অনুদান হিসেবে প্রদান করেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এ বছর পার্বত্য চট্টগ্রামসহ
সারাদেশে ২৬৬টি বৌদ্ধ বিহারে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শুভ কঠিন চীবর
দান পালিত হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব
জেনারেল স্টাফ ও জিওসি ৯ পদাতিক ডিভিশন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানের সভাপতি
শাসনস্তম্ভ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাথের মহোদয়, প্রধান ধর্মদেশক ভদন্ত এস লোকজিৎ মহাথের
মহোদয়সহ বিভিন্ন বিহার থেকে আগত পূজনীয় ভিক্ষুসংঘ, সরকারি ও বেসরকারি উচ্চপদস্থ
কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব, ঢাকাস্থ বিদেশী মিশনের কূটনীতিক ও
সর্বস্তরের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী গন এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের দিক নির্দেশনা
বাস্তবায়নে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন
(র্যাব)।
মঙ্গলবার
(২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, যত নাশকতা ও সহিংসতা হচ্ছে বা মামলা হচ্ছে, সেই আসামিদের আমরা দ্রুত আইনের আওতায়
নিয়ে আসছি। সাম্প্রতিক সময় নির্বাচন কমিশনের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের অস্ত্র
উদ্ধার বেগবান হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা ১০টির বেশি বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার, বেশ
কিছু দেশিয় অস্ত্র, গাড়িসহ আটক করতে সক্ষম হয়েছি। যারা নির্বাচনের সহিংসতা করার
চেষ্টা করছে বা নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে তাদের আইনের আওতায়
নিয়ে এসেছি। প্রায় ১০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন কমিশনের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে আমরা
কাজ করে যাব।
মন্তব্য করুন


মহান
মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান
এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকারের (এ কে খন্দকার) নামাজে জানাজায় অংশ নিয়েছেন
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
রবিবার ( ২১ ডিসেম্বর ) রাজধানীর বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশারে এ কে খন্দকারের জানাজা
অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে খন্দকারের ফিউনারেল
প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায়
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাগণ ছাড়াও সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চপদস্থ
সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন।
জানাজা
শেষে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মরহুম এ কে খন্দকারের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ
করে শ্রদ্ধা জানান। এরপর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস কফিনে পুষ্পস্তবক
অর্পণ করে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল
হাসান মাহমুদ খাঁন একে একে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে বিমানবাহিনীর একটি ফ্লাই পাস্টের
মাধ্যমে মরহুম এ কে খন্দকারের প্রতি সম্মান জানানো হয়।
জানাজার
আগে এ কে খন্দকারের পূত্র জাফরুল করিম খন্দকার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
মুক্তিযুদ্ধের
অন্যতম বীর সেনানী এ কে খন্দকার গতকাল শনিবার সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান।
তিনি
ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর-উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিবাহিনীর
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এবং সাবেক মন্ত্রী।
১৯৭১
সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা
অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এ কে খন্দকার। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তাঁর কৌশলগত
সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার সংগ্রামকে আরও সুসংহত করে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে ৬৫৩ জন বিচারিক হাকিমকে ১ জানুয়ারি প্রশিক্ষণ দেবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্টদের পাঠিয়েছেন ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালাম।
প্রশিক্ষণ নিয়ে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী অপরাধসমূহ আমলে নেওয়া ও তা সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের নিমিত্তে সারাদেশে ৩০০ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ৬৫৩ জন প্রথম শ্রেণির বিজ্ঞ বিচারিক হাকিমদের ১ জানুয়ারি ১০টা থেকে দিনব্যাপী আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রিফিং/প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।
ব্রিফিং/প্রশিক্ষণে বিজ্ঞ বিচারিক হাকিমদের নির্ধারিত তারিখ ও স্থানে সকাল ৯টায় নিবন্ধন সম্পন্ন করে দিনব্যাপী ব্রিফিং/প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা।
সরকার পদত্যাগের পর সারাদেশে বিভিন্ন থানায় হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ
জনতা। থানা ও ফাঁড়িতে হামলার পর অস্ত্র-গোলাবারুদ লুট করে নেয় দুর্বৃত্তরা। গত ৪ সেপ্টেম্বর
থেকে লুট ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী। আর এ অভিযানে এখন পর্যন্ত
বিভিন্ন ধরণের ১১১ টি অস্ত্র উদ্ধার ও ৫১ জনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায়
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের
মধ্যে একে-৪৭ একটি, রিভলবার ৭টি, পিস্তল ৩০টি, রাইফেল ৯টি, শটগান ১৫টি, পাইপগান ৩টি,
শুটারগান ১৬টি, এলজি ১৫টি, বন্দুক ৫টি, গ্যাসগান একটি, চাইনিজ রাইফেল একটি, এয়ারগান
একটি, এসবিবিএল ৩টি, এসএমজি ৩টি ও একটি টিয়ার গ্যাস লঞ্চার রয়েছে।
উল্লেখ্য, যৌথ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,
পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী,
কোস্টগার্ড এবং র্যাব রয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সাক্ষাৎতে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় চীনা ভাষা অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ এবং প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
চীনা রাষ্ট্রদূত স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের সঙ্গে গণচীনের পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় হৃদ্যতাপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘ ঐতিহ্যের বিষয়গুলো বিশদভাবে তুলে ধরেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, এর ধারাবাহিকতায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর জুলাই-আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে আহতদের চীন চিকিৎসা সেবা দিয়েছে, সেপ্টেম্বরে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি দু'দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিনিময়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। চাইনিজ রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় চীনের ভাষা অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে চীন ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তিনি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ করে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন। প্রাইমারি শিক্ষার পাশাপাশি ভোকেশনাল ট্রেনিং এর মাধ্যমে মানবসম্পদ তৈরির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এতে করে বেকারত্বের হার হ্রাস পাবে ও নিত্যনতুন কর্মসংস্থান সৃজন হবে। প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি খাতে দক্ষ হয়ে কর্মক্ষেত্রে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারবে। উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ সমাপ্তির পথে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৫ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৫ এর সকল কম্পোনেন্টে চীনের সহযোগিতা সম্প্রসারণে অনুরোধ করেন তিনি।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিভিন্ন প্রকল্পে বিশেষ করে সাউথ সাউথ কো-অপারেশন এর আওতায় অথবা ইআরডির মাধ্যমে সহযোগিতার ধারা অব্যাহত রাখা ও নতুন নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করারর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


যেকোনো
মূল্যে দেশে নির্বাচন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)
মিলনায়তনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি
যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক
রহমান বলেন, “ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশের কল্যাণে আমরা যদি ঐকবদ্ধ না হই তাহলে দেশ ধ্বংস
হয়ে যাবে। ষড়যন্ত্র থামানো যাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, তাই নির্বাচন যেকোনো মূল্য
নির্বাচন হতে হবে।”
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে
তিনি বলেন, “গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর যে দুষ্কৃতকারীদের
হামলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন তিনি, এই হামলার পেছনে কারও
কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কি না ভেবে দেখতে হবে।”এ সময় তিনি কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে
বিএনপির এক কর্মীর ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন এবং বলেন, এসব ঘটনা ঘটিয়ে কেউ হয়তো ফায়দা
লোটার চেষ্টা করছে। অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, “অতীতে আওয়ামী
স্বৈরাচার যেভাবে দেশ পরিচালিত করেছেন, আমরা সেভাবে দেশ পরিচালিত করবো না। আমরা তার
পরিবর্তন আনবো, কল্যাণ করবো। সেজন্য এই দেশ গড়ার পরিকল্পনা আমরা আপনাদের সামনে তুলে
ধরেছি। ইনশাআল্লাহ আমরা নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করবো।”
দলীয়
নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “মানুষের কাছে আমাদের যেতে হবে।
একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনারা মানুষের সঙ্গে মেশেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের
বসে থাকলে চলবে না।”বিএনপির দায়িত্ব ও করণীয় তুলে ধরে তারেক
রহমান বলেন, “আমাদের এখন বড় দায়িত্ব হলো বিএনপির প্রত্যেকটি পরিকল্পনা জনগণের কাছে
পৌঁছে দেওয়া। বিএনপির একজন নেতা হিসেবে, একজন কর্মী হিসেবে আমাদের পরিকল্পনাগুলো জনগণের
কাছে নিয়ে যেতে হবে। শুধু জনগণের দোরগোড়ায় নিলে হবে না, এই কাজের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে।”
মন্তব্য করুন


২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ৩৩ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে একটি
প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর যেসব এসপি ও ইউনিট প্রধানরা বিপিএম-পিপিএম পদক পেয়েছিল তাও বাতিল করা হয়েছে।
এই
একই
কারণে এর আগে ওএসডি করা হয় ১২ ডিসিকে।
ওএসডি করা কর্মকর্তাদের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
নির্বাচনকে সকলের জন্য অংশগ্রহণমূলক, শঙ্কামুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সশস্ত্র
বাহিনীকে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব
পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায়
তিনি এ নিদের্শনা প্রদান করেন।
আন্ত:বাহিনী
জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান
উপদেষ্টা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাঁকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান
মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে: জেনারেল এস এম
কামরুল হাসান অভ্যর্থনা জানান।
সভার
শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল
ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সাথে দেশের
আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করেন। সভায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা
হয়।
মতবিনিময়
সভায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সংশ্লিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ
এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন