

চুয়াডাঙ্গায় শুভ ‘বড়দিন’ ও ‘থার্টি ফাস্ট নাইট’ উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গান-বাজনা কিংবা ডিজে পার্টি ,আতশবাজি ফোটানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. কিসিঞ্জার চাকমা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কবির হোসেন, চুয়াডাঙ্গা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা: মার্টিন হীরক চৌধুরী, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার ডিডি ইয়াসিন সোহাইল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদাত হোসেন। এছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক থার্টি ফাস্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে, বাড়ির ছাদে গান-বাজনা কিংবা ডিজে পার্টি, ফানুস ও আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। প্রতিবছরই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষকে স্মরণীয় রঙ্গিন করতে এবং বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রচুর পরিমাণে ফানুস উড়ানো হয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফানুস উড়ানোর জন্য আগুন ধরে বাসস্থানসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফানুস উড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কেউ যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই ২টি বড় উৎসবকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে একাধিক টিম কাজ করবে। উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য চুয়াডাঙ্গাবাসীর সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আজ বলেছেন, ধারাবাহিক সংস্কারের
মধ্য দিয়ে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ নির্বাচন
কমিশন (ইসি) তার লক্ষ্য অর্জনে একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ
বুধবার ( ০৭ জানুয়ারি ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও এফেয়ার্স ব্যুরো কনফারেন্স হলে ২৭টি
সিভিল সোসাইটি সংগঠন নিয়ে গঠিত প্ল্যাটফর্ম অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি
(এএফইডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক নির্বাচনের জন্য নাগরিক
পর্যবেক্ষণ : জাতীয় নির্বাচন, ২০২৬’ প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ২০২৬-এর নির্বাচনটাকে যদি একটি উপমা দিয়ে
বুঝাতে চাই তাহলে বলা যায়, এটা অনেকটা ট্রেনকে লাইনে ফেরত এনে আবার চালানো শুরু করার
মতন। নূন্যতম সংস্কার করে এটাকে একটা গতি দেয়ার কাজটা যদি আমরা করতে পারি, তাহলেই আমাদের
প্রথম ধাপ অর্জিত হবে। তারপরে যত নির্বাচন আসবে তখন আমাদের এই প্রক্রিয়া আরো উন্নত
হবে। কারণ আমাদের সবার প্রত্যাশা অনেক এবং সবই যৌক্তিক প্রত্যাশা। আর জনগণের সেই প্রত্যাশা
পূরনেই কমিশন কাজ করে যাচ্ছে, কেননা এটা কমিশনের অঙ্গীকার।
ইসি
সানাউল্লাহ বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আমাদের একটা বিরাট শূন্যস্থান তৈরি হয়ে
গিয়েছে। তবে এই বাস্তবতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সব ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যাশার
সঙ্গে যৌক্তিকতার একটা সমন্বয় ঘটাতে হবে। আমাদের সবসময় এটা লক্ষ্য থাকে যে কিভাবে নির্বাচন
প্রক্রিয়াকে আরো উন্নত করা যায়। এবারের নির্বাচনে এসে নতুন করে অনেকগুলো বিধান সংযোজিত
হয়েছে, আইনি সংস্কার হয়েছে, বিধির সংস্কার হয়েছে। সংস্কারের মাধ্যমে সঠিক একটা নির্বাচন
ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্যেই কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। এই নির্বাচন ব্যবস্থাতে নতুনভাবে
যেসকল বিষয়গুলো প্রথমবারের মতন এবার সংযোজিত হয়েছে সেগুলো সঠিকভাবে সঞ্চালনা করা গেলে
এবারের নির্বাচনটা ভবিষ্যতে একটা রোল মডেল হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা
থাকবে এবং এটাই স্বাভাবিক। কিšুত্ম তা যেন একটা নির্দিষ্ট সহনশীল পর্যায়ে থাকে সেদিকে
লক্ষ্য রাখতে হবে। এটা বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, খুব স্বাভাবিকভাবেই কিছু সামান্য ত্রুটি
হয়তো থেকে যাবে, তবে সেটাকে ধারাবাহিকভাবে সংস্কার করে এই নির্বাচন থেকে শুরু করে সামনের
বা এর পরেরগুলোকে সম্পূর্ণ নির্ভুল করে ভবিষ্যতের জন্য একটা খুব সুন্দর গ্রাউন্ড তৈরি
করতে হবে। যাতে করে বিচ্যুতির জায়গাগুলো কমিয়ে ফেলতে পারি এবং স্বচ্ছতর জায়গাগুলোকে
যেন আমরা সম্প্রসারিত করতে পারি।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
আপনারা বস্তুনিষ্ঠভাবে আপনাদের দায়িত্ব সম্পাদন করবেন, কারণ আপনারা সুষ্ঠু, সুন্দর
নির্বাচন আয়োজনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ইলেকশন কমিশনের কোথায় ভুল হচ্ছে,
কী কী সীমাবদ্ধতা আছে- সেগুলো কিন্তু আপনারাই কমিশনকে দেখিয়ে সংশোধন করে আরও উন্নতি
করার সুযোগ করে দিচ্ছেন। কমিশন চায় যে অত্যন্ত মৌলিক বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে যেন কোনখানে
কোন ব্যত্যয় না হয়। নির্বাচনের নীতিমালার ভেতরে থেকে যে কাজগুলো আপনাদের করার কথা সেটা
করার জন্যব সব ধরনের সহায়তা নির্বাচন কমিশন থেকে আপনাদেরকে দেওয়া হবে। বক্তব্যে শেষে
তিনি ‘সিটিজেন অবজারভেশন ফর ইনক্লুসিভ এন্ড একাউন্টেবল ইলেকশন ইন বাংলাদেশ : ২০২৬ ন্যাশনাল
ইলেকশন’ প্রজেক্টের উদ্বোধন করেন। এলায়েন্স ফর দি ফেয়ার ইলেকশন
এন্ড ডেমোক্রেসি (এএফইডি)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত আজকের অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে
ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন। সার্বিক সহায়তায় ছিল ইউরোপীয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি)।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন- এএফইডি’র কো-চেয়ার রফিকুল ইসলাম খোকন ও এডভোকেট
রোখসানা খোন্দকার, এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো মহাপরিচালক মো. দাউদ মিয়া, ফার্স্ট সেক্রেটারি
সেবাস্তিয়ান রিগার-ব্রাউন, বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স
ডিয়েপাক এলমার, ইউরোপীয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির (ইপিডি) প্রকল্প পরিচালক আনাস্তাসিয়া
এস উইবাওয়া, ডেমোক্রেসিওয়াচ চেয়ারপারসন এবং এএফইডি’র বোর্ড সদস্য তালেয়া রেহমান ও এএফইডির
সদস্য সচিব মো. হারুন-অর-রশিদসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাঁচ দিনের মাথায় সরকার গঠন করছে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার
সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন
রাষ্ট্রপতি।
মহিলা
বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন আবু জাফর মো.
জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার
গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপি ও সচিবালয়ের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র।
মন্তব্য করুন


বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডের পরনে দেখা যায়, বাংলাদেশের জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের সাব-ব্র্যান্ড “হার স্টোরি”র একটি জ্যাকেটে।
বিভিন্ন দেশের রাজপরিবারের সদস্যসের ফ্যাশন ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরে রয়্যাল ফ্যাশন পুলিশ। গত ৪ মার্চ তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয় বেলজিয়ামের রানি মাথিল্ডের একটি ছবি। সেখানে রাজপরিবারের এই সদস্যের পরনে দেখা যায়, বাংলাদেশের জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের সাব-ব্র্যান্ড “হার স্টোরি”র একটি জ্যাকেটে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের আগস্টে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় এসেছিলেন রানি মাথিল্ডে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দূত হিসেবে ওই এসেছিলেন তিনি। সেই সময় বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানা পরিদর্শনের পর বাংলাদেশের পোশাক খাতের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, সেই সময়ই পোশাকটি সংগ্রহ করেন তিনি।
জানা গেছে, রানি মাথিল্ডে গত ৩ মার্চ পশ্চিম আফ্রিকার রাষ্ট্র আইভরিকোস্টের রাজধানী ইয়ামুসুক্রোতে রাষ্ট্রীয় সফরে পোশাকটি পরেছিলেন। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) দূত হিসেবে ওই রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন তিনি।
রয়্যাল ফ্যাশন পুলিশের ওই পোস্টে অনেকেই রানির “ফ্যাশন সেন্সের” প্রশংসা করেছেন। প্রশংসিত হয়েছে রানির পরিহিত জ্যাকেটটিও। সিল্কে বিভিন্ন রঙের প্রিন্ট আর এমব্রয়ডারি করা জ্যাকেটটিতে রয়েছে রাজকীয় আবেদন। ধাতব সোনালি রঙের একরঙা কো-অর্ডস সেটের ওপর জ্যাকেটটি পরেছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর প্রামাণ্যচিত্র
নির্মাণে সরকার সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয়
গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে কনটেন্ট ক্রিয়েশন, স্ক্রিন প্লে অ্যান্ড ভিজ্যুয়াল প্রোডাকশন
টেকনিকস্ বিষয়ক প্রশিক্ষণ পাঠ্যধারার সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিডিও সংরক্ষণের
ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণের
দায়িত্ব আামাদের সকলের। এ গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করেই আমাদের সৃষ্টিশীল কাজে মনোনিবেশ
করতে হবে। এই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী শাসকের
যেমন বর্বরতার গল্প রয়েছে, তেমনি ছাত্র-জনতার সাহসিকতার গল্পও রয়েছে। তিনি ছাত্র-জনতার
সাহসিকতার গল্প জনসম্মুখে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তথ্য উপদেষ্টা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের
ওপর ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণের জন্য প্রশিক্ষণার্থী ও কোর্স প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগানোর জন্য প্রশিক্ষণার্থীর প্রতি আহ্বান জানান।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক
সুফী জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সচিব মাহবুবা ফারজানা, কোর্স পরিচালক ড. মো. মারুফ নাওয়াজ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সার্চ কমিটির আহ্বায়ক মো. আল আমিন রাকিব তনয়।
অনুষ্ঠানের শেষে উপদেষ্টা প্রশিক্ষণার্থীদের
মাঝে সনদ বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


মহান
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের
জন্ম শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে
তাজউদ্দীন পরিবার।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন তাজউদ্দীনের
জ্যেষ্ঠ কন্যা শারমিন আহমদ এবং পুত্র তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইংএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এ
সময় শারমিন আহমদের লেখা ‘তাজউদ্দীন আহমদ : নেতা ও পিতা’ বইয়ের একটি কপি প্রধান
উপদেষ্টাকে উপহার দেন।
মন্তব্য করুন


গণ-অভ্যুত্থান
পরবর্তী আগামী নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের
মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখতে হবে।
আজ
বুধবার ( ১০ ডিসেম্বর ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা থেকে সারা দেশের উপজেলা নির্বাহী
অফিসারদের (ইউএনও) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচন প্রস্তুতি বিষয়ে দিকনির্দেশনা
প্রদানকালে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন। সকল জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগের কর্মকর্তাগণ এ সময় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। প্রধান উপদেষ্টা এ সময় ইউএনওদের উদ্দেশ্যে
আরও বলেন, ‘ইতিহাস আমাদের নতুন করে একটি সুযোগ দিয়েছে। অন্য জেনারেশন এই সুযোগ পাবে
না। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারব, আর যদি না পারি তাহলে
জাতি মুখ থুবড়ে পড়বে।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘এর আগেও আমরা নির্বাচন দেখেছি। বিগত আমলে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে, যে
কোনো সুস্থ মানুষ বলবে—এটা নির্বাচন নয়, প্রতারণা হয়েছে।’তিনি
বলেন, ‘আগামী নির্বাচন অন্যান্য দায়িত্বের মতো নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব। আমরা
যদি ভালোভাবে এই দায়িত্বটি পালন করতে পারি, তাহলে আগামী নির্বাচনের দিনটি জনগণের জন্যও
ঐতিহাসিক হবে।’
উপজেলা
নির্বাহী অফিসারদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনারা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন
করেন তাহলেই সরকার তার দায়িত্বটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে। আগামী নির্বাচন ও
গণভোট দুটিই জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন আগামী
পাঁচ বছরের জন্য, আর গণভোট শত বছরের জন্য। গণভোট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমরা
বাংলাদেশটাকে স্থায়ীভাবে পাল্টে দিতে পারি। যে নতুন বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে চাই, তার
ভিতটা এর মাধ্যমে গড়তে পারি।’সদ্য যোগদান করা ইউএনওদের উদ্দেশ্যে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের প্রধান দায়িত্ব হলো একটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর নির্বাচন
আয়োজন করা। তিনি ইউএনওদের নিজ নিজ এলাকার সব পোলিং স্টেশন পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট
সব পক্ষ, এলাকাবাসী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের
প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন।
গণভোট
বিষয়ে ভোটারদের সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘ভোটারদের বোঝাতে হবে যে
আপনারা মন ঠিক করে আসুন—‘হ্যাঁ’-তে
দেবেন নাকি ‘না’-তে ভোট দেবেন—মন
ঠিক করে আসুন।’
প্রধান
উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের ধাত্রীর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ধাত্রী ভালো হলে জন্ম নেওয়া শিশুও
ভালো হয়। তিনি কর্মকর্তাদের যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সৃজনশীল হওয়ার পাশাপাশি অপতথ্য
ও গুজব প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
নির্বাচনে
অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার প্রদানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নারীরা
যেন ঠিকভাবে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। শীঘ্রই নির্বাচনের তফসিল
ঘোষণা করা হবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত কখন,
কীভাবে, কোন কাজটি করবেন—তার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি এখন থেকেই
নিন।’
অনুষ্ঠানে
প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর
রশীদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং জনপ্রশাসন সচিব মো. এহছানুল হকসহ
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বিএনপির চেয়ারম্যান
তারেক রহমান।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ১৫ জানুয়ারি ) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত
হবে।
বিএনপির
মিডিয়া সেলের সদস্য এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বাসসকে
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত
বছরের ১৩ জুন যুক্তরাজ্যের লন্ডন সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তারেক
রহমানের প্রথমবার একান্তে বৈঠক হয়। তখন তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
ছিলেন। লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে দুজনের এই বৈঠকের পর উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি
দিয়েছিলেন।
যুক্তরাজ্যে
১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। গত ৩০ ডিসেম্বর
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। এরপর ৯ জানুয়ারি
বিএনপির চেয়ারম্যান হন তারেক রহমান। বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী
কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে দলের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বিএনপির
চেয়ারম্যান হিসেবে আজই প্রথম তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন।
নির্বাচন
কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হবে। একই সঙ্গে সংস্কার তথা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে হবে গণভোট।
জানা
গেছে, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের এই বৈঠকে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি-
বিশেষ করে আগামী সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও
তদুর্ধ্ব সমপদমর্যাদার কমিশন্ড কর্মকর্তাদের (কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে নিয়োজিত
সমপদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা আরও সাড়ে চার মাস
বাড়ানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন
জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
১২ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত
তারা সারা দেশে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’-এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


দেশের আকাশে হিজরি শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত পালিত হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায়। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুঃ আঃ আউয়াল হাওলাদার সভাটির সভাপতিত্ব করেন।
সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে জানানো হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মহাঃ বশিরুল আলম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. কাউসার আহামদ, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ রুহুল আমীন, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আমিনুর রহমানসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সারাদিন সদর ও সদর দক্ষিণ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছে মনিরুল হক চৌধুরী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০ টায় তিনি সদর দক্ষিণ উপজেলার বারোপাড়া ইউনিয়নের বড় ধর্মপুর এলাকায় ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
পরবর্তীতে দুপুর ১২ টায় বিশ্বরোডস্থ কার্যালয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন।
বিকেলে গোলমার্কেট বড় মসজিদে আসরের নামাজ পড়ে মহানগর বিএনপি আয়োজিত দোয়া মিলাদে অংশ নেন। কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে মোনাজাত করেন মনিরুল হক চৌধুরী। দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় মোনাজাতে কাঁদলেন তিনি।
দোয়া মিলাদ শেষে নগরীর কাটাবিল, নুরপুর, গোলমার্কেট এলাকায় ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করেন।
দোয়া ও লিফলেট বিতরণে অংশ নেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়সালুর রহমান পাভেল, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়ার যুগ্ন আহবায়ক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক সেলিম রুবেল, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাদিমুল ইসলাম শিশির, সাবেক কাউন্সিলর সেলিম খান, খলিলুর রহমান মজুমদার, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক শিল্পীসহ মহানগর ও দক্ষিণ জেলার নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন