

নতুন প্রজন্মের তারকা ফারহান আহমেদ জোভান ও তানজিন তিশা জুটি হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। হঠাৎ করেই অজানা কারণে দুজনের যৌথ পথচলায় ছেদ পড়েছে। অবশেষে সেই বিরতি ভেঙে ফের এক ফ্রেমে দাঁড়ালেন জোভান-তিশা জুটি।
আর এই কাজটি করেছেন তরুণ নির্মাতা ইমরোজ শাওন। যোবায়েদ আহসানের রচনায় সিএমভির ব্যানারে নির্মিত বিশেষ এই নাটকটির নাম ‘কাপল অব দ্য ক্যাম্পাস’।
সদ্য শুটিং শেষ হওয়া এই নাটকে জোভান অভিনয় করেছেন রাকিব চরিত্রে আর তিশারে নাম রিদা। দুজনে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস ক্লাবের নেতৃত্বে অন্যজন সাংস্কৃতিক ক্লাবের।
নাটকটি প্রসঙ্গে নির্মাতা ইমরোজ শাওন
বলেন, তার মানে
এই নয়, দুটি দলের প্রধান বলে তাদের মধ্যে মধুর বা প্রেমময় সম্পর্ক
গড়ে উঠেছে। গল্পে মূলত তাদের দেখা যাবে বিরোধী অবস্থানে। এমনকি দুর্ঘটনাও ঘটে তাদের এই বিরোধের জেরে।
গল্পটা প্রেমের বটে, তবে এটি দেখলে মূলত ক্যাম্পাস জীবনে ফিরে যাবেন দর্শকরা।
প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘কাপল অব দ্য ক্যাম্পাস’ নাটকটি শিগগিরই উন্মুক্ত হবে সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে।
মন্তব্য করুন


পরিবার
গঠনে উৎসাহ দিতে আল হাবতুর গ্রুপে কর্মরত আমিরাতি নাগরিকদের জন্য ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান
দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দুবাইয়ের ধনকুবের ও আল হাবতুর গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
খালাফ আল হাবতুর। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
ঘোষণা
অনুযায়ী, চলতি বছর আল হাবতুর গ্রুপে কর্মরত কোনো আমিরাতি নারী বা পুরুষ বিয়ের সিদ্ধান্ত
নিলে তিনি এই আর্থিক সহায়তা পাবেন। এছাড়া বিয়ের পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে সন্তানের জন্ম
হলে এই অনুদান দ্বিগুণ করা হবে।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে খালাফ আল হাবতুর বলেন, বিবাহ ও পরিবার গঠন শুধু ব্যক্তিগত
বিষয় নয়, এটি সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ব। এর মাধ্যমেই জাতি গড়ে ওঠে এবং কমিউনিটি টিকে
থাকে।
তিনি
বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার তরুণদের পারিবারিক জীবন শুরু করতে নিয়মিত সহায়তা
দিয়ে আসছে। তবে নাগরিকদের বিয়ে ও পরিবার গঠনে উৎসাহ দিতে সবার পক্ষ থেকেই বাস্তব উদ্যোগ
প্রয়োজন।
এই
প্রেক্ষাপটেই নিজের উদ্যোগের কথা জানিয়ে আল হাবতুর বলেন, চলতি বছর আল হাবতুর গ্রুপে
কর্মরত যেকোনো আমিরাতি যুবক বা তরুণী বিয়ে করলে তাকে ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান দেওয়া
হবে। পাশাপাশি বিয়ের দুই বছরের মধ্যে সন্তান জন্ম নিলে এই সহায়তা দ্বিগুণ করা হবে।
সর্বশেষ
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখে
পৌঁছেছে। এর মধ্যে স্থানীয় নাগরিকদের হার আনুমানিক ১৫ শতাংশ।
ফেডারেল
ও স্থানীয় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আমিরাতি নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে
এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতে তাদের অংশগ্রহণ ও ভূমিকা বাড়াতে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী তানজিন তিশার সঙ্গে প্রেম অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের। প্রেমের খবর, আত্মহত্যা চেষ্টাকাণ্ডে দেশের সংবাদকর্মীদের হুমকি দিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী। দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনালাপে এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলেঅভিনেত্রী তানজিন তিশার সঙ্গে প্রেম অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের। প্রেমের খবর, আত্মহত্যা চেষ্টাকাণ্ডে দেশের সংবাদকর্মীদের হুমকি দিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী। দেশের একটি বেসরকারি টেলিশন সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনালাপে এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। পরে মুহূর্তেই সেই
অডিও নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তোপের মুখে পড়েন এ অভিনেত্রী। গণমাধ্যমকর্মীরা প্রতিবাদে
সরব হন। নেট দুনিয়ায় অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে নিয়ে নেটিজেনরা নানা ট্রল ও সমালোচনা
করেন।
অভিনেত্রী
তানজিন তিশা হাসপাতাল থেকে ফিরে আজ একটি স্ট্যাটাস দেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে
এবারের পোস্টটি সাংবাদিকদের উদ্দেশে দিয়েছেন তিশা। ১৮ নভেম্বর (শনিবার) দুপুর ১টা ৩৩
মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেন এ অভিনেত্রী। ওই স্ট্যাটাসে
তার ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
ঘটনার
একদিন পর নিজের ভুল বুঝতে পারেন অভিনেত্রী তিশা। ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে চাইলেন
ক্ষমা। অভিনেত্রী তিশা লিখেছেন, বিগত কয়েকদিনের অসুস্থতা এবং আমার পারসোনাল লাইফ নিয়ে
নানান ভিত্তিহীন কথা ও সংবাদ এবং পরিচিত-অপরিচিত বিভিন্ন ফোন কলে আমি অনেকটাই মেন্টালি
পাজলড ছিলাম। এমন সময়ে এক সাংবাদিক ভাইয়ের সাথে কথা বলতে গিয়ে আমি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে উত্তেজিত হয়ে কিছু কথা বলে ফেলি, যা আসলে ইনটেনশনালি ছিল না। সাংবাদিক ভাইদের
উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, আমার সফলতার একটা অংশজুড়ে আপনারাও আছেন এবং আপনাদের প্রতি
আমার শ্রদ্ধা ও সন্মান সমসময়ই ছিল এবং থাকবে। আমার অনাকাঙ্ক্ষিত কথায় আপনারা কষ্ট পেয়ে
থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
মন্তব্য করুন


ফুটবল ইতিহাসের
প্রথম বিশ্বকাপের ট্রফিটি নিয়ে বছরের পর বছর কম আলোচনা হয়নি। বারবার এটি চুরির চেষ্টা
হয়েছে। একবার জানা গিয়েছিল, ট্রফিটি গলিয়ে সেটি থেকে প্রাপ্ত সোনা নাকি বিক্রি করা
হয়েছে। ৬০ বছর পর ফিফা মিউজিয়ামে এর অংশবিশেষ পাওয়া গেছে।
ফরাসি শিল্পী
আবেল লাফ্লুরে তৈরি করেছিলেন জুলে রিমে ট্রফি। এটাকে গ্রিক দেবী নায়ক ‘নিকি’কে আকারে
ফুটিয়ে তোলা ছিল। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে
এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্বাগতিকরা। ট্রফিটির উচ্চতা ছিল প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার, ওজন প্রায়
চার কেজি এবং এটি সোনা দিয়ে মোড়ানো ছিল। বিশ্বকাপের পর থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এই ট্রফি
নিয়ে নাটকীয়তা কম হয়নি।
বিশ্বযুদ্ধের
সময় নাৎসীদের হাত থেকে বিশ্বকাপ ট্রফি রক্ষা করতে ফিফার কর্মকর্তা এটিকে একটি পরিত্যক্ত
জুতার বাক্সে লুকিয়ে রেখেছিলেন। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রদর্শনীর সময় এটি চুরি হয়েছিল।
পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি এবং তার কুকুর পিকলস ট্রফি উদ্ধার করে। ১৯৮৩ সালে ব্রাজিলের
রিও দে জেনেরিওতে এটি চুরি হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয় যে ট্রফিটি গলিয়ে স্বর্ণ বিক্রি
করা হয়েছে। যদিও ওই বিবৃতিতে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।
যাই হোক, ফিফা
মিউজিয়ামের সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে। ট্রফির মূল চার-পাশের
লাপিস লাজুলি বেসটি ফিফার আর্কাইভে বহু বছর ধরে সংরক্ষিত ছিল! এটিকে কেউ চুরি করতে
পারেনি। আসলে ১৯৫৮ সালে ট্রফির বেস বদলানো হয়েছিল, এবং নতুন বেসে আটটি সাইড রাখা হয়েছিল
যাতে ভবিষ্যতের বিজয়ীদের নাম লেখা যায়। মূল বেসটি তখনই আর্কাইভে রাখা হয়েছিল, কিন্তু
সেটা দীর্ঘ সময় কারও নজরেই আসেনি।
এই মুহূর্তে
জুলে রিমে ট্রফির এই চার-পাশের বেসটি ফিফা মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে, যা ফুটবল ইতিহাসের
এক অমূল্য স্মারক। এটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্বকাপের প্রাথমিক দিনগুলির উত্তেজনা,
চমক এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার স্মৃতি। সময়ের সাথে বিশ্বকাপ ট্রফি আরও আধুনিক হয়েছে, আরও
মূল্যবান হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের এই নিদর্শন মনে করিয়ে দেবে কিভাবে একটি বিশ্বকাপ
ট্রফি কীভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।
মন্তব্য করুন


গতকাল
(৩ ডিসেম্বর) বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তার জিম ট্রেনার প্রেমিক
নূপুর শিখরে। মুম্বাইয়েই বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।
আমিরের
প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ৪ হাত এক হলো। ইরা
বিয়েতে সাবেকি সাজই বেছে নিয়েছিলেন।
যদিও
আর ৫জন কনের মতো লেহেঙ্গা বা শাড়ি পরেননি আমিরকন্যা। ইরার পরনে ছিল নীল ও গোলাপির
কম্বিনেশনে তৈরি ডিজাইনার পোশাক।
তবে
ইরার স্বামী নূপুর শিখরের সাজে ছিল অন্য চমক। শেরওয়ানি, পঞ্জাবি নয় কালো রঙের গেঞ্জি
ও সাদা হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের মঞ্চে এসে উঠলেন জামাই!
ইরা
ও নূপুরের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নূপুরের সাজপোশাক
নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। নূপুরের এই সাজ দেখে অবাক সবাই। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে
পারে, কেন কালো টি-শার্ট আর হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের আসরে এসেছিলেন বর। আসলে প্রায় ৮ কিলোমিটার
দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে আসেন নুপূর। রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে তাদের। আর স্বাক্ষর করার
সময় স্যান্ডো গেঞ্জিই পরে ছিলেন নুপূর।
আপাতত
রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে করেছেন এই জুটি। আগামী ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হবে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
সোমবার
(১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক
কার্যালয়ে এসে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে
সেখানে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী
কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা
কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ড. মাহদী
আমিন এবং বিএনপির চেয়ারম্যানের প্রেসসচিব সালেহ শিবলী।
এ
সময় ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সৌজন্য
সাক্ষাতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে দলীয় সূত্রে
জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়ক জায়েদ খান সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্টেজ পারফর্মেন্স করেছেন। আর এবার দুবাই থেকে সমুদ্রসৈকতে ডিগবাজি দিলেন জায়েদ খান।
তবে ডিগবাজি দিতে গিয়ে কোমরে ব্যথা পেয়েছেন এই ঢালিউড তারকা।
জায়েদ খানের ফেসবুক ওয়ালে ভিডিওটিও দেখলে এমনটিও দেখা যায়। ব্যথা পেলেও এই নায়ক বললেন
দর্শকের জন্য সারপ্রাইজ আসছে।
সূত্রের খবর, কোনো এক বলিউড নায়িকার সঙ্গে একটি কাজে দেখা মিলবে এই নায়কের। জায়েদের বিপরীতে থাকবেন একজন জনপ্রিয় বলিউড হিরোইন। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনই কিছু বলতে চান না চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সময় এলে সেই খবরটি দেবেন বলে জানালেন জায়েদ খান।
সিনেমায় অভিনয়ের বাইরে জায়েদ খান নিয়মিত স্টেজ পারফর্মেন্স, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। দেশ-বিদেশে তো স্টেজ প্রোগ্রাম লেগেই আছে। ভারতীয় নায়িকা পূজা ব্যানার্জির সঙ্গেও একটি সিনেমায় দেখা যাবে তাকে।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেতা সোনু সোদ মানবিক কাজের জন্য বরাবরই প্রশংসিত । এই অভিনেতাকে গরীবের ‘মাসিহা’ (ত্রানকর্তা) বলা হয়ে থাকে। করোনাকালীন সময় তিনি দুই হাত উজাড় করে সাহায্য করেছেন অসহায়দের।
তাছাড়াও বিভিন্ন সময় নিজের মানবিক কাজের জন্য শিরোনামে উঠে আসে তার নাম। এবারও তিনি এলেন লাইমলাইটে। জয়পুরের একটি ২২ মাস বয়সী ছেলের জীবন বাঁচানোর উদ্যোগ নিয়েছেন অভিনেতা সোনু সোদ। শিশুটির জীবন বাঁচাতে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ইনজেকশনের ব্যবস্থা করলেন এই অভিনেতা।
আর সেই ইনজেকশেনর দাম ১৭ কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে।
জানা গেছে, জয়পুরের এই শিশুটি ‘স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি টাইপ-২’রোগে আক্রান্ত। পেশির সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে যে মোটর নিউরোন, তা নষ্ট হওয়ার কারণেই মেরুদণ্ডের এই বিরল রোগ হয়। এই রোগের চিকিৎসা খুবই খরচসারপেক্ষ।
২২ মাসের এই শিশুটি এমনই জটিল রোগে ভুগছে। সেই শিশুর চিকিৎসা সাহায্যের হাত বাড়ান সোনু সুদ। বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থের ব্যবস্থা (ক্রাউডফান্ডিং) করেন অভিনেতা। মাত্র তিন মাসের মধ্যে নয় কোটি টাকা জোগাড় করেন তিনি। শিশুটিকে সুস্থ জীবন দান করার জন্য এভাবেই ১৭ কোটি টাকার ইনজেকশনের ব্যবস্থা করেন তিনি।
খুবই অল্প সময়ের মধ্যে এই বড় অঙ্কের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন অভিনেতা সোনু সোদ। আর তাই বরাবরের মতোই ভক্ত অনুরাগীদের প্রশংসায় ভাসছেন অভিনেতা।
এর আগেও বিভিন্ন ভাবে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সোনু সোদ। চিকিৎসায় সাহায্য করে প্রায় ৯ জনের জীবন বাঁচিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী ও মডেল রিশতা লাবণী সীমানা (৩৯) মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৬টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন সীমানার ছোট ভাই এজাজ বিন আলী। ৩৯ বছর বয়সে শেষ হলো অভিনেত্রীর পথচলা।
গত ২১ মে রাতে আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী সীমানা। সে রাতেই ধানমন্ডির এক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানেই তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানা যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরদিন ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানে অস্ত্রোপচার হয় অভিনেত্রীর। এরপর সীমানার চিকিৎসা চলছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে।
অভিনেত্রী সীমানা দুই সন্তানের মা। বড় ছেলের নাম শ্রেষ্ঠ। ছোট সন্তান স্বর্গের বয়স তিন। ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে কাজ শুরু করেন সীমানা।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়িকা পূজা চেরির মা ঝর্ণা রায় এ বছরের ২৪ মার্চ সকালে মিরপুরের নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন। অভিনেত্রী পূজা চেরি মাকে হারানোর বেদনা এখনও সামলাতে পারেননি।
আজ মা দিবস। জীবনের প্রথম মাকে এছাড়া দিবসটি পালন করতে হচ্ছে। তাই মায়ের মুখটাই বেশি মনে পরছে পূজার।
সামাজিকমাধ্যমে পূজা লেখেন, মামুনি দেখেছো? তুমি কি পচা কাজ করেছো। সকালে ঘুম থেকে উঠেই অঝরে চোখ থেকে জল পরতে দিলে! সারাজীবনই তো এই জল পরবে মা। কি করে থামাবো? উফ খুব কষ্ট হচ্ছে মামুনি। আর লিখতে পারছি না। বুকটা ফেটে যাচ্ছে। ভালো থেকো মামুনি। আর মনে রেখো, তোমার হাতে লাঠিটা অনেক মিস করে। অনেক অনেক অনেক। ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা।
অন্য একটি পোস্টে পূজা লেখেন, আমি তো এতো ভেঙ্গে পরার মতো মেয়ে না। তবে আজকে কেনো এতো ভেঙ্গে পরছি!
এছাড়া ‘বিশ্ব মা দিবস’ উপলক্ষে দেশের একটি গণমাধ্যমে মাকে নিয়ে পূজা বলেন, মায়ের ডানায় নিজেকে সবচেয়ে নিরাপদ ভাবতাম আমি। আমাদের বয়সের পার্থক্য অনেক। তবুও ছিলাম বন্ধু আমরা। আমি যেমন মাকে বিশ্বাস করতাম, মাও বিশ্বাস করতেন আমাকে। সারাক্ষণ আমার আশপাশেই থাকতেন। প্রায়ই বলতেন, পূজা আমার হাতের লাঠি, আমার শক্তি। আমার মন এখনও পুরোপুরি বিশ্বাস করতে চায় না যে, আমার মা আর নেই। মনে হয় আমার সঙ্গেই আছেন মা।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব মা দিবসে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে অঝোরে কাঁদলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
সন্তানদের কৃতিত্বের জন্য বিশ্ব মা দিবসে শোবিজ ও বিভিন্ন অঙ্গনের ১১ রত্নগর্ভাকে ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
রোববার (১২ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
এদিন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর মা গাজালা চৌধুরীকেও পুরস্কৃত করা হয়।
এসময় নিজের মাকে সম্মানিত হতে দেখে অঝোরে কাঁদতে থাকেন মেহজাবীন। এরপর মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন মেহজাবীন।
অভিনেত্রী মেহজাবীন বলেন, নিজের কাজের জন্য মাকে সম্মানিত হতে দেখার আনন্দটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা সন্তানই যখন তার মা সম্পর্কে কথা বলতে যায় তখন সবার চোখেই পানি চলে আসে। আজকে আমার যে অবস্থান তার পেছনে আমার মায়ের অবদান অনেক। আমাকে এখানে আসতে সহযোগিতা করতে গিয়ে মা যে কতটা ত্যাগ করেছেন সেটা হয়ত আমি এখানে বলতে পারব না! সেই ত্যাগের কথা বলে তাকে ছোট করতে চাই না এই মঞ্চে।
মন্তব্য করুন