

ঢালিউডের
আলোচিত ও সমালোচিত অভিনেত্রী পরীমণি বরাবরের মতোই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। ব্যক্তিগত
কিংবা পেশাগত কোনো মুহূর্ত শেয়ার করলেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের মাঝে। বয়সভেদে আট
থেকে আশি- সব শ্রেণির দর্শকের নজর কাড়তে তার জুড়ি নেই।
সম্প্রতি
একটি জুয়েলারি শোরুম উদ্বোধনের কাজে মালয়েশিয়ায় যান পরীমণি। কাজের ফাঁকে অবসর সময় কাটাতে
তিনি ছুটে যান দেশটির জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা ল্যাংকাউই দ্বীপে। সেখানে কাটানো কিছু মুহূর্তের
ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী।
শেয়ার
করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, সৈকতের সামনে নীল আকাশের নিচে গ্ল্যামার ছড়াচ্ছেন পরীমণি।
ছোট প্যান্ট ও স্লিভলেস টপসে তাকে দেখা গেছে, সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ সানগ্লাস। ছবির ক্যাপশনে
অভিনেত্রী লেখেন, ‘শীত নাই’।
দেশে
যখন তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে, তখন পরীমণির এসব ছবি যেন উষ্ণতার পরশ ছড়িয়েছে নেটিজেনদের
মাঝে। মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-অনুরাগীরা তার সৌন্দর্য ও ফিটনেসের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৮
আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান
হাদির এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরেই অপারেশন
করবার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর) ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের
এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে লেখা হয়, আপনারা দোয়া করুন আল্লাহ যেন তাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ নসিব করেন।
মন্তব্য করুন


দেড়
যুগের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন যেমন বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় স্থান
নিয়েছে, তেমনি রয়টার্স, আল জাজিরাসহ বিভিন্ন বিদেশি গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ২৫ ডিসেম্বর ) দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে রয়টার্সের একটি খবরের শিরোনাম
ছিল- ভোটের আগে নির্বাসন থেকে ফিরলেন শীর্ষ প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত
বাংলাদেশ নেতা।
খবরটিতে
বলা হয়, প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ঢাকায় ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান। তার দল আশা করছে এতে সমর্থকরা উদ্দীপ্ত হবেন। আরও বলা হয়, ফেব্রুয়ারি
১২ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে তাকে।
তারেক
রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে সড়ক জুড়ে লাখো সমর্থকদের উপস্থিতি এবং কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার
কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।
ভারতীয়
গণমাধ্যমে এনডিটিভির সংবার শিরোনাম ছিল- খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান বাংলাদেশে
ফিরলেন: নির্বাসনের সময়টি যেমন ছিল।
তারেক
রহমান দেশে ফিরেছেন এবং এ উপলক্ষ্যে সারা দেশ থেকে নজিরবিহীন মানুষের ঢল নেমেছে, এমন
বর্ণনা উঠে আসে এনডিটিভির প্রতিবেদনে। এর পাশাপাশি ২০০৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত
তারেক রহমানের বিষয়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এতে আলোচনা করা হয়।
এএফপির
প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল- খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরলেন
১৭ বছর পর।
বাংলাদেশে
দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা পরিবারের উত্তরসূরি এবং সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের নেতা
তারিক রহমান দেশে ফিরছেন, এমন বর্ণনা উঠে এসেছে প্রতিবেদনটিতে। তার মা খালেদা জিয়ার
শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, তারেক জিয়া তার মায়ের থেকে বিএনপির দায়িত্ব
বুঝে নেবেন এমন ধারণা করা হচ্ছে।
কাতারভিত্তিক
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সংবাদের শিরোনাম ছিল- ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ফিরলেন বাংলাদেশের
বিরোধীদলীয় নেতা তারেক রহমান।
তারেক
রহমানের পরিচিতি এবং দেশে ফেরার পটভূমির পাশাপাশি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির
চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে আল জাজিরার এই প্রতিবেদনে।
বিবিসি
বাংলার ওয়েবসাইটে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর লাইভ প্রকাশ করা হয়। এর
শিরোনাম ছিল- ১৭ বছর পর ঢাকায় তারেক রহমান। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান
দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর আজ এসেছেন
দেশের
মাটিতে।
তাকে ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ
বিএনপির সিনিয়র নেতারা।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছে। নারী-পুরুষ, শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ শহীদদের স্মরণে জাতীয় স্মৃতিসৌধে আসতে শুরু করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মৃতিসৌধ এলাকা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে মানুষের স্রোত আরও বেড়ে যায়।
ফুল হাতে উচ্ছ্বসিত মানুষ একে একে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধার পাশাপাশি বিজয়ের আনন্দও ছড়িয়ে পড়ে। শিশুদের উপস্থিতি ছিল বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো—অনেকে মুখে ও হাতে লাল-সবুজের রং এঁকেছেন, কেউবা জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন।
শীত উপেক্ষা করে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারাও স্মৃতিসৌধে এসে শহীদ সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তাদের মাথায় ও পোশাকে লাল-সবুজের ছোঁয়া ছিল স্পষ্ট। অনেক মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে দেখা করে সালাম জানান এবং কুশল বিনিময় করেন।
এর আগে, মহান বিজয় দিবসের সূচনালগ্নে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান তারা।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার প্রদান করে। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সেনা কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
এদিকে, মহান বিজয় দিবস দেশব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্যাপনের অংশ হিসেবে ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা নিয়ে প্যারাশুটিং করে বিশ্বরেকর্ড গড়ার আয়োজন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর উদ্যোগে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে পৃথক ফ্লাই-পাস্ট প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি আয়োজন করা হবে বিশেষ বিজয় দিবস ব্যান্ড শো।
এছাড়া ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার দেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে সকাল ১১টা ৪০ মিনিট থেকে পতাকাবাহী স্কাইডাইভ প্রদর্শন করবেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের সর্ববৃহৎ পতাকা-প্যারাশুটিং প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে, যা একটি নতুন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে
মন্তব্য করুন


গুচ্ছভুক্ত ২৪টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ২৭ এপ্রিল শনিবার থেকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার জন্য যাদের ছবি/সেলফি বা উভয়টি জিএসটির ফটো গাইডলাইন অনুযায়ী গৃহিত হয়নি, তাদের ৮ এপ্রিলের রাত ১০টার মধ্যে অবশ্যই জিএসটির ফটো গাইডলাইন অনুসরণ করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ছবি/সেলফি অথবা উভয়টি আপলোড সম্পন্ন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে। অন্যথায় ভর্তি পরীক্ষায় তাদের অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ থাকবে না।
জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সকল তথ্য জানানো হয়েছে।
গুচ্ছভুক্ত ২৪টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ এপ্রিল শনিবার থেকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ২৭ এপ্রিল এ ইউনিট-বিজ্ঞান, ৩ মে শুক্রবার বি ইউনিট-মানবিক এবং ১০ মে শুক্রবার সি ইউনিট-বাণিজ্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এবং অন্য ২টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের জিএসটি ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনপ্রক্রিয়া গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হয়েছে। এবার মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৩৪৬টি আবেদন জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদের ‘ক’ ইউনিটে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৯৯টি, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ‘সি’ ইউনিটে ৪০ হাজার ১১৬টি এবং মানবিক অনুষদের ‘বি’ ইউনিটে ৯৪ হাজার ৬৩১টি আবেদন জমা পড়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলতে নামবে বাংলাদেশ ফুটবল দল। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে শুরু হয় এই ম্যাচের টিকিট বিক্রি। শুরু হওয়ার পর মাত্র ছয় মিনিটেই শেষ হয়ে যায় সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) প্রতিযোগিতা কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য, সাবেক জাতীয় ফুটবলার গোলাম গাউস বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,
“মাত্র ছয় মিনিটেই সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বুকিং হয়ে গেছে। এখন ক্রেতারা পেমেন্ট সম্পন্ন করছেন, এর মধ্যেই অর্ধেকের বেশি পেমেন্ট শেষ হয়েছে। সাধারণ গ্যালারির কোনো টিকিট অবিক্রিত নেই; এখন রেড বক্স ও হসপিটালিটি টিকিট পাওয়া যাচ্ছে।”
এর আগে ঘরের মাঠে সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ছিল ৪০০ টাকা। কিন্তু ভারত ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ বিবেচনা করে টিকিটের মূল্য বাড়িয়ে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাফুফে।
দাম বাড়লেও উৎসাহী সমর্থকদের চাহিদায় কোনো ভাটা পড়েনি। টিকিট বিক্রি শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে এবার টিকিট সংগ্রহে ভোগান্তি বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আগামী ১৮ নভেম্বরের ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, যারা আগের অ্যাওয়ে ম্যাচে শিলংয়ে ভারতের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল। এই ম্যাচটি ঘিরে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে এখন তীব্র উত্তেজনা ও প্রত্যাশা বিরাজ করছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে
কোনো শঙ্কা নেই। নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি
বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে,
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এবং সবার সহযোগিতায়। গতকালই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের
সঙ্গে দেখা করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি। তারাও পুরোপুরি প্রস্তুত।’
আজ
সোমবার ( ১৫ ডিসেম্বর ) সকালে রাজধানীর গুলশান-১ এ অবস্থিত আলোকিতে ‘জেনভোট ফেস্টিভ্যাল’
উদ্বোধনের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে
ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল এফেয়ার্স)
ফিলিপ বার্নিয়ার আর্ক্যান্ড, বৃটিশ হাইকমিশনের হেড অব পলিটিক্যাল টিমোথি ডাকেট, সুইডেন
দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ইভা স্মেডবার্গ, আইএফইএস কান্ট্রি ডিরেক্টর পল গেরিন
ও ইসি সচিব আখতার হোসেনসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন,
‘নির্বাচন পর্যন্ত শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী তাদের সম্পূর্ণ প্রস্তুতির কথা গতকালই আমাদেরকে জানিয়েছে। আপনারা সব দুশ্চিন্তা
ঝেড়ে দিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। সঠিক সময়ে, সঠিকভাবে একটা সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক
নির্বাচন আমরা দেখতে পাব।’
সিইসি
বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন। কারণ, প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিরা পোস্টাল
ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, যা গত ৫৪ বছরেও হয়নি। এছাড়া, প্রায় ১০ লাখ
কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরও ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এমনকি কারাবন্দি এবং সরকারি কর্মচারী, যারা নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রের বাইরে পোস্টিংয়ে আছেন,
তাদের জন্যও ভোটের ব্যবস্থা করেছি আমরা। এবার একসঙ্গে একদিনে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।
তাই এই সব কারণে এটি ঐতিহাসিক নির্বাচন হতে যাচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘আমরাও সাহস করে নেমে পড়েছি।
আমাদের এই সাহসের সাহসী পদক্ষেপের সঙ্গে তরুণরা এতে অংশ নিলে সফল হব। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ
নির্বাচন আমরা সবাই মিলেই করব।’সিইসি দেশের তরুণদের ভোটে অংশগ্রহণের
গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমি সবসময় তারুণ্যের শক্তিতে বিশ্বাসী। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন
আমরা তারুণ্যের শক্তির ওপর ভর করে দেখি। ১৯৭০ ও ১৯৭১ সালে, এবং চব্বিশের জুলাই-অগাস্টে
তরুণদের ভূমিকা দেখিয়েছে যে তারা দেশের জন্য কতদূর যেতে পারে।’
প্রধান
নির্বাচন কমিশনার তরুণদের সাহস, শক্তি ও সৃষ্টির প্রতীক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘তোমাদের
যে সৃজনশীলতা ও চিন্তাধারা, এটা ছাড়া দেশ গড়া সম্ভব নয়। যখন আমি ভাবি আমাদের বিশাল
একটি তরুণ জনগোষ্ঠী রয়েছে, এটা আমাকে উৎসাহিত করে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিশ্চিত
হতে।’এ সময় তিনি দেশের তরুণ সমাজকে ভোটে অংশ নিয়ে একটি সুন্দর
ভবিষ্যৎ সম্পন্ন বাংলাদেশ গঠনের আহ্বানও জানান।
আজকের
‘জেনভোট ফেস্টিভ্যাল’-এ তরুণদের ভোটদানে উৎসাহিত করতে মক
ভোটিং, কমিকস, ক্যারিকেচার, আর্ট ফেস্টিভ্যালসহ নানা আয়োজন রয়েছে। ভোট সংক্রান্ত তথ্য
প্রদানের জন্য বসেছে স্টল এবং তরুণ ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ভোটারদের জন্য আকর্ষণীয়
সেশনও আয়োজন করা হয়েছে।
এই
উদ্যোগে সহযোগী হিসেবে রয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, সুইডিশ
এম্ব্যাসি, ক্যানাডিয়ান তহবিল বা সিএফএলআই এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল
সিস্টেমস।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবুর বাবা মো. শমসের আলীর জানাজা আজ শুক্রবার বাদ জুমা কুমিল্লা টাউন হল মাঠে হয়। এতে হাজারো মানুষ অংশ নেন।
জানাজায় অংশ নেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
জানাজায় আরও অংশ নেন কুমিল্লার সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. কাইমুল হক রিংকু, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবু নাছের মানিক প্রমুখ।
জানাজায় উদবাতুল বারী আবু বলেন, আমার বাবা আলী ম্যানশনে ব্যবসা করতেন। তাঁকে মাফ করে দিবেন। পরে বুড়িচং উপজেলার দেবপুরের কাছিয়াতলী এলাকায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়।গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় মো. শমসের আলী কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারে মারা যান।
মন্তব্য করুন


দেশের
গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন
বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
জাতীয়
মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেকের ইমামতিত্বে বুধবার বেলা ৩টায় রাজধানীর
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায়
উপস্থিত ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার বড়ো ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ
পরিবারের অন্য সদস্যরা, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাবৃন্দ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও
বিমানবাহিনীর প্রধানগণ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও বিদেশি অতিথি, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার লাখো মানুষ।
নামাজে
জানাজাকে ঘিরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের সব এলাকায় বিপুল জনসমাগম ঘটে। নীরবতা
ও শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের মানুষ দেশের এই শীর্ষ রাজনৈতিক নেত্রীকে শেষ বিদায়
জানাতে উপস্থিত হন।
এর
আগে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল
থেকে গুলশানে তাঁর বড়ো ছেলে তারেক রহমানের বাসভবনে নেয়া হয়। সেখানে পরিবারের সদস্য,
স্বজন ও দলীয় নেতা-কর্মীরা শেষ বারের মতো তাঁকে শ্রদ্ধা জানান। এরপর বেগম জিয়ার মরদেহ
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আনা হয়।
নামাজে
জানাজা শেষে বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর
রহমানের পাশে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে।
জানাজা
ও দাফন অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় আশপাশের এলাকায় যান চলাচল
নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
বেগম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ এক দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেত্রীকে হারাল,
যিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও বিরোধী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রেখে গেছেন।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
গতকাল বৃহস্পতিবার ( ১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ব্যারোনেস জেনি চ্যাপম্যানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারা কুক।
বৈঠকে আসন্ন নির্বাচন, অবৈধ অভিবাসন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, রোহিঙ্গা সংকটসহ বিমান ও নৌ খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের ইস্যু বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সময়মতোই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক নতুন ভোটার প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। গত ১৬ বছরের স্বৈরতন্ত্রের সময়ে টানা তিনটি ‘কাটাছেঁড়া’ নির্বাচনের কারণে তারা ভোট দিতে পারেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অধ্যাপক ইউনূস জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় এবং পরে নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন বাতিল করায় আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে লাখো মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে ‘জুলাই সনদ’ বাংলাদেশে একটি ‘নতুন সূচনা’ করেছে।
ব্রিটিশ মন্ত্রী চ্যাপম্যান অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি জুলাই সনদ নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান সংলাপকেও ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের অপব্যবহার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। তিনি নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তাঁর সরকার নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আরও বেশি বাংলাদেশিকে বৈধ পথে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিতে উৎসাহিত করছে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে দুই নেতা মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ক্যাম্পের তরুণেরা আশা-আকাঙ্ক্ষা হারিয়ে ক্রমশ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, তাদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়া দুদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা জানান, বঙ্গোপসাগরে গবেষণার জন্য বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণা জাহাজ কিনছে।
মন্ত্রী চ্যাপম্যান দুদেশের বিমান যোগাযোগ আরও জোরদারের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এয়ারবাস ইন্টারন্যাশনালের প্রধান শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন।
মন্তব্য করুন


রাজবাড়ীর পাংশায়
ট্রাকের ধাক্কায় সজিব প্রামাণিক ও মিরাজ শেখ নামে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন।
গত বুধবার রাত
১০টার দিকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের আজিজ সরদার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বিশ্বাস
পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সজিব পাংশা
কুড়াপাড়ার সাইদুলের ছেলে এবং মিরাজ একই এলাকার ইব্রাহিমের ছেলে।
পাংশা হাইওয়ে
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান মুরাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,
নিহত দুই মোটরসাইকেল আরোহী বিশ্বাস পাড়া এলাকার শাখা সড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাচ্ছিলেন।
এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু
হয়।
মন্তব্য করুন