

পরিবার
গঠনে উৎসাহ দিতে আল হাবতুর গ্রুপে কর্মরত আমিরাতি নাগরিকদের জন্য ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান
দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দুবাইয়ের ধনকুবের ও আল হাবতুর গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
খালাফ আল হাবতুর। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
ঘোষণা
অনুযায়ী, চলতি বছর আল হাবতুর গ্রুপে কর্মরত কোনো আমিরাতি নারী বা পুরুষ বিয়ের সিদ্ধান্ত
নিলে তিনি এই আর্থিক সহায়তা পাবেন। এছাড়া বিয়ের পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে সন্তানের জন্ম
হলে এই অনুদান দ্বিগুণ করা হবে।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে খালাফ আল হাবতুর বলেন, বিবাহ ও পরিবার গঠন শুধু ব্যক্তিগত
বিষয় নয়, এটি সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ব। এর মাধ্যমেই জাতি গড়ে ওঠে এবং কমিউনিটি টিকে
থাকে।
তিনি
বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার তরুণদের পারিবারিক জীবন শুরু করতে নিয়মিত সহায়তা
দিয়ে আসছে। তবে নাগরিকদের বিয়ে ও পরিবার গঠনে উৎসাহ দিতে সবার পক্ষ থেকেই বাস্তব উদ্যোগ
প্রয়োজন।
এই
প্রেক্ষাপটেই নিজের উদ্যোগের কথা জানিয়ে আল হাবতুর বলেন, চলতি বছর আল হাবতুর গ্রুপে
কর্মরত যেকোনো আমিরাতি যুবক বা তরুণী বিয়ে করলে তাকে ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান দেওয়া
হবে। পাশাপাশি বিয়ের দুই বছরের মধ্যে সন্তান জন্ম নিলে এই সহায়তা দ্বিগুণ করা হবে।
সর্বশেষ
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখে
পৌঁছেছে। এর মধ্যে স্থানীয় নাগরিকদের হার আনুমানিক ১৫ শতাংশ।
ফেডারেল
ও স্থানীয় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আমিরাতি নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে
এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতে তাদের অংশগ্রহণ ও ভূমিকা বাড়াতে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে একটি জায়গা চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত
মন্ত্রণালয়। গণভবনের পাশেই নির্মাণ করা হবে এই বাসভবন। ইতিমধ্যে নকশা প্রণয়নের কাজ
শুরু করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চূড়ান্ত মতামত নিয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন’ তৈরির কাজ শুরু করতে চায় গণপূর্ত অধিদপ্তর।
তবে
সেটি তৈরি হতেও দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। সে সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন
‘যমুনা’ অথবা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবনকে প্রধানমন্ত্রীর
বাসস্থান হিসেবে নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। এটি নির্ভর করবে হবু প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের
ওপর। তিনি চাইলে স্পিকারের বাসভবনের সঙ্গে লাগোয়া ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকেও যুক্ত
করে দেওয়া হবে।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পরই শপথ নেবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন হিসেবে শেরেবাংলানগরের ‘গণভবন’ নির্ধারিত ছিল। জুলাই অভ্যুত্থানের
পর সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’
হিসেবে তৈরির উদ্যোগ নেয় এবং জাদুঘর তৈরির কাজ এখন শেষের পথে।
প্রধানমন্ত্রীর
নতুন বাসভবন যে এলাকায় নির্মিত হচ্ছে, তাতে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের নকশায় কোনো ব্যত্যয়
হবে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে স্থাপত্য অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলরা
এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মন্তব্য করুন


আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে যেভাবে বারবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, তা না হলে হয়তো তাকে এত অল্প সময়ের মধ্যেই হারাতে হতো না। তার মতে, এই মৃত্যুর পেছনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের দায় রয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।ড. আসিফ নজরুল বলেন, একটি প্রহসনমূলক রায়ের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং সেখানে তাকে অমানবিক আচরণের শিকার হতে হয়। তিনি দাবি করেন, যে মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, সেটি যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সাজানো ছিল, তা সর্বোচ্চ আদালতের আপিল ও রিভিউ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়েও একাধিকবার উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই সাজা ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে দেওয়া।তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে যতটুকু করার সুযোগ ছিল, তা করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস ব্যক্তিগতভাবে সব সময় খোঁজখবর রেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়াকে আবার বিদেশে পাঠানোর মতো শারীরিক অবস্থা তৈরি হলে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।আইন উপদেষ্টা আক্ষেপ করে বলেন, যদি সরকার আরও এক বা দুই বছর আগে দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ পেত, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। তবে তিনি বলেন, আল্লাহর ইচ্ছায় বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেছেন, কিন্তু দেশের মানুষের ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধা নিয়ে তিনি বিদায় নিয়েছেন—এটাই সবচেয়ে বড় সান্ত্বনার বিষয়।এ সময় তিনি জানান, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন যেন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তিনি গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান এবং বলেন, বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতার জন্য তারা কৃতজ্ঞ।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
চন্দনাইশে গরু লুট করে নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দিতে আসলে ডাকাতের গুলিতে গরুর মালিক নিহত
হয়েছেন। তার নাম চন্দন দে (৭০)।
বৃহস্পতিবার
(২৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে চন্দনাইশ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড বদুরপাড়াস্থ হিন্দুপাড়ায় এ ঘটনা
ঘটে।
স্থানীয়রা
জানান, সেহেরি শেষে এলাকার মানুষ ঘুমিয়ে যাওয়ার পর একদল ডাকাত বদুরপাড়াস্থ হিন্দুপাড়ায়
হানা দেয়। এসময় ডাকাতদল চন্দন দে’র গোয়াল ঘর থেকে ১টি এবং পার্শ্ববর্তী
নিতু দে’র ঘোয়াল ঘর থেকে ২টিসহ ৩টি গরু লুট করে।
এ
সময় গরুর মালিক চন্দন দে বাঁধা দিতে এগিয়ে আসলে ডাকাতরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে
পালিয়ে যায়। এতে চন্দন দে গুলিবিদ্ধ হয়। এসময় স্থানীয়রা চন্দন দে’কে
গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে
সে মারা যায়।
খবর
পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় এখনো কোন মামলা না হলেও ডাকাতদের ধরতে ইতিমধ্যেই
কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীতে র্যাব ফোর্সের ১৪৮টি দলসহ সারাদেশে ৪৩২টি টহল
দল মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার
(২২ নভেম্বর) সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান
খান এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদানে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার
গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহনকে র্যাব টহলের মাধ্যমে এস্কর্ট প্রদান করে নিরাপদে গন্তব্যে
পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ
গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৮
আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান
হাদির এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরেই অপারেশন
করবার অনুমতি দেয়া হয়েছে। আজ (বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর) ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের
এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে লেখা হয়, আপনারা দোয়া করুন আল্লাহ যেন তাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ নসিব করেন।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর জানান,অবরোধ-হরতালে পরিবহন বা স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগকারীদের ধরিয়ে দিলে অথবা সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। অবরোধ-হরতালে পরিবহন বা স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগকারীদের উপযুক্ত প্রমাণ অথবা সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ ধরিয়ে দিলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন আইজিপি। তবে যিনি তথ্য দেবেন তার পরিচয় গোপন রাখা হবে।
এর আগে সোমবার (৬ নভেম্বর) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, বিভিন্ন স্থানে যারা গাড়িতে আগুন দিচ্ছে, পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করছে, সহিংসতা ও নাশকতা করছে তাদের অনেককে আমরা হাতেনাতে গ্রেফতার করেছি। অনেক প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা পুলিশের হাতে তাদের ধরিয়ে দিয়েছেন। চলমান অবরোধের মধ্যে যারা যানবাহনে আগুন দিচ্ছে ও পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করছে তাদের ধরিয়ে দিলেই ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহর অনেক বড়। অনেক মানুষের বসবাস এখানে। কিছু কিছু ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। পুলিশ কিন্তু অনেক ঘটনা নিবৃত করেছে। অনেককে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে। হাতেনাতে অনেককে আটক করেছে। হাতেনাতে আটক করার ক্ষেত্রে যারা আমাদের সহযোগিতা করেছেন তাদেরও আমরা নগদ পুরস্কার দেবো।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৫.৩০টা থেকে
দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য একটি আবহাওয়ার
পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর যেখানে বলা হয়েছে কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাত ১টার মধ্যে পশ্চিম অথবা
উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ
বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
দেখাতে বলা হয়েছে।
মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিটিতে আগামী তিন দিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা
ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি
হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া
তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা ও
চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপ প্রবাহ এবং টাঙ্গাইল, বগুড়া,বাগেরহাট,
যশোর ও কুষ্টিয়া জেলাগুলোর ওপর দিয়ে তীব্র তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও
বান্দরবান জেলাসহ রংপুর, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগসহ ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের
অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা
অব্যাহত থাকতে পারে।
সর্বোপরি তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়েছে, সারা
দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় একইরকম
থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এক বিবৃতিতেতে এ কথা জানিয়ে আরো বলা হয়েছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে দ্রুত শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে বলে আশাবাদী দক্ষিণ কোরিয়া। কোরিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকারের পতনের গত ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, এই প্রজন্মই দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের
রক্ষাকবচ।
তিনি
তার ভেরিফাইড ফেসবুকে ‘কয়েকটি কথা’শিরোনামে
আজ (৯ মে) একটি পোস্টে এই কথা বলেছেন।
তিনি
সেখানে লিখেছেন, একটি দলের এক্টিভিস্টরা বারবার লীগ নিষিদ্ধের আইনি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে
ছাত্ররা রাজি ছিল না, এটা বলে বেড়াচ্ছেন। মিথ্যা কথা। ক্যাবিনেটে প্রথম মিটিং ছিল আমার।
আমি স্পষ্টভাবে এই আইনের অনেকগুলো ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম। নাহিদ-আসিফও আমার পক্ষে
ছিল স্বভাবতই। দল হিসেবে বিচারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলে একজন উপদেষ্টার জবাব ছিল
ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের মত পশ্চাৎপদ উদাহরণ আমরা আমলে নিতে পারি কি-না। এই যুক্তি যিনি
দিয়েছিলেন, একটি দলের এক্টিভিস্টরা আজ সমানে তার পক্ষে স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রদের
কুপোকাত করতে। অথচ, উনার সাথে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। মিছে বিরোধ লাগানোর অপচেষ্টা
করে কোনো লাভ নেই।
বলে
রাখা ভালো, দু’জন আইন ব্যাকগ্রাউন্ডের
উপদেষ্টা (একজন ইতোমধ্যে মারা গিয়েছেন) ও আমাদের বক্তব্যের পক্ষে ছিলেন। সংস্কৃতি উপদেষ্টাও
পক্ষে ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে কথা হয়েছে। দল হিসেবে লীগের বিচারের প্রভিশন
অচিরেই যুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন উক্ত উপদেষ্টা। উনাকে ধন্যবাদ।
মিথ্যা
বলা বন্ধ করুন। ঘোষণাপত্র নিয়ে আপনাদের দুই মাস টালবাহানা নিয়ে আমরা বলব। ছাত্রদের
দল ঘোষণার প্রাক্কালে আপনারা দলীয় বয়ানের একটি ঘোষণাপত্র নিয়ে আলোচনা শুরু করেছিলেন।
সমস্যা নেই, আমরাও চাই সবাই স্বীকৃত হোক। কিন্তু, এখন সেটাও হতে দিবেন না। দোষ আমাদেরও
কম না। আমরা আপনাদের দলীয় প্রধানের আশ্বাসে আস্থা রেখেছিলাম।
পুনশ্চ:
আমরা নির্বাচন পেছাতে চাইনা। ডিসেম্বর টু জুনের মধ্যে নির্বাচন হবেই।
আপনারা
যদি মনে করেন, ছাত্ররা নিজেদের আদর্শ ও পরিকল্পনা নিতে পারে না বরং এখান থেকে ওখান
থেকে অহি আসলে আমরা কিছু করি। তাহলে আপনারা হয় ছাত্রদের খাটো করে দেখছেন, নয়তো ছাত্রদের
ডিলেজিটিমাইজ করার পরিকল্পনায় আছেন। সেই আগস্ট থেকেই আমরা জাতির জন্য যা ভালো মনে করেছি,
সবার পরামর্শ নিয়েই করেছি। বরং, উক্ত দলকেই আমরা বেশি ভরসা করেছি। সবার আগে উনাদের
সাথেই পরামর্শ করেছি। ভরসার বিনিময়ে পেয়েছি অশ্বডিম্ব। সব দোষ এখন ছাত্র উপদেষ্টা নন্দঘোষ!
আমরা
উক্ত দলকে বিশ্বাস করতে চাই। উক্ত দলের প্রধানকে বিশ্বাস করতে চাই। উনি আমাদের বিশ্বাসের
মূল্য দিয়ে লীগ নিষিদ্ধ প্রশ্নে ও ঘোষণাপত্র প্রকাশে দেশপ্রেমিক ও প্রাগমাটিক ভূমিকা
রাখবেন বলেই আস্থা রাখি। উক্ত দলকে নিয়ে কে কি বলবে জানি না কিন্তু আমরা চাই উক্ত দল
ছাত্রদের সাথে নিয়ে দেশের পক্ষে, অভ্যুত্থানের শত্রুদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐকমত্যের
নেতৃত্ব দিক। দেশপ্রেমিক ও সার্বভৌমত্বের পক্ষের শক্তি হিসাবে নেতৃত্ব দিলে ছাত্ররা
রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় উনাদের সাথে চলবেন।
ঐক্যবদ্ধ
হোন। নেতৃত্ব দিন। এই প্রজন্মকে হতাশ করবেন না।‘এই
প্রজন্ম দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ।’
মাহফুজ
আলম ২০২৪ এর জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম
সংগঠক ছিলেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটির একজন সমন্বয়ক ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলন থেকে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মাহফুজ আলম।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘এখন আবার অন্য একটি গোষ্ঠী কিছু কিছু ষড়যন্ত্র করছে।
যাতে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হয়। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’তিনি
বলেন, ‘গত ১৫-১৬ বছর আপনারা ভোট দিতে পারেননি।
আপনাদের
ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে, কথা বলার স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। যারা কাজটি করেছে
তারা দেশ থেকে চলে গেছে।’
আজ
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার দ্বীপ সরকারি কলেজ মাঠে
স্থানীয় বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক
রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘শুধু ভোট দিলেই চলবে না, ওখানে থাকতে হবে। আপনার
ভোটের হিসাব কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নিয়ে আসতে হবে। দেশটা আমাদের সবার, সব ধর্মের লোককে একসঙ্গে
থেকে আমাদের দেশটা গড়তে হবে। এই দেশই আমাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা।’তিনি
আরো বলেন, ‘সমস্যার সমাধান করতে হলে ধানের শীষকে জেতাতে হবে।
এর
আগে এই এলাকার মানুষ অনেককে দেখেছে, তারা কিন্তু সমস্যার সমাধান করেনি। নদীভাঙন রোধ,
বেড়িবাঁধ, ব্লক বাঁধ এগুলো আমরা (ইনশাআল্লাহ) করব। তবে আপনাদেরও একটা দায়িত্ব আছে।
আপনাদের দায়িত্ব ধানের শীষকে জয়যুক্ত করা।’
এ
সময় তারেক রহমান ঘোষণা দেন বিএনপি সরকার গঠন করলে ধীরে ধীরে হাতিয়ার মানুষের সব সমস্যার
সমাধান করা হবে।
জনসভায়
কেন্দ্রীয় বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নোয়াখালী-৬ হাতিয়ার ধানের শীষের প্রার্থী
মাহবুবের রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলোসহ উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন