

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, পরিস্থিতি জটিল না হলে গ্যাস-বিদ্যুতের
দাম বাড়ানো হবে না। আমরা চাই দাম সহনীয় রাখতে। চেষ্টা করবো জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে।
আপাতত নির্বাহী আদেশে আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। যে সব প্রকল্প
চুক্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে, সেগুলো বন্ধ থাকবে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদ
সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বিদ্যুৎ জ্বালানি
ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর দুপুরে প্রথম সচিবালয়ে
আসেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, নির্বাহী আদেশে
আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। দাম সমন্বয় করতে হলে বাংলাদেশ এনার্জি
রেগুলেটরি কমিশনে পাঠানো হবে। অতিরিক্ত যেকোন ব্যয় বন্ধ করে মিতব্যয়িতা নীতি গ্রহণ
করতে হবে, কিন্তু কাজ কমানো যাবে না। কম অর্থে বেশি কাজ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকায়
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ৫০ লাখ মানুষের সমাগম
হবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও অভ্যর্থনা কমিটির সদস্য সচিব
রুহুল কবির রিজভী।
আজ
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত অভ্যর্থনা মঞ্চ পরিদর্শন
শেষে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী
বলেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান আসবেন। আজকেই আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিভিন্ন জেলা
থেকে লোক আসা শুরু হয়েছে। সুতরাং ২৫ ডিসেম্বর এখানে মানুষের মহামিলন ও মহামেলায় পরিণত
হবে। এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত। যে জনসমাগম হবে তাদের সংবর্ধনা নেওয়ার পর তার মা দেশনেত্রী
খালেদা জিয়া যিনি দীর্ঘদিন নিপীড়ন নির্যাতন সহ্য করেছেন, আজকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন,
তাকে দেখে তিনি বাসায় যাবেন। তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তার প্রথম দায়িত্ব সরকারের, এরপর
দলের।
এদিকে
দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা তারেক রহমানের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বিএনপির সর্বস্তরে
আনন্দের জোয়ার বইছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘনিয়ে আসায় তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত
নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে স্লোগান
ও প্ল্যাকার্ড হাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা মঞ্চ পরিদর্শনে আসছেন। তারা জানান, নেতাকে
বরণ করে নিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ সময় মঞ্চের সামনে পুলিশের পাশাপাশি
সেনাবাহিনীকেও টহল দিতে দেখা যায়। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দফায় দফায় গাড়িতে
করে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন টিম মঞ্চ এলাকা পরিদর্শন করছে।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসস্থ দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টার (ইবিআরসি)-এ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩৮তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান ইবিআরসিতে পৌঁছালে তাঁকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড: জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট ও পাপা টাইগার, দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টার অভ্যর্থনা জানান।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনের শুরুতেই সেনাবাহিনী প্রধান ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা স্মরণ করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। সেই সাথে নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার জন্য ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সকল সদস্যদের প্রতি আহবান জানান। এছাড়াও, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে সেনাবাহিনী প্রধান এ রেজিমেন্টের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া; কমান্ড্যান্ট ও পাপা টাইগার, ইবিআরসি; মিলিটারি সেক্রেটারি; অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল; কমান্ড্যান্ট, বিআইআরসি; চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ চা বোর্ড; সেনাসদর ও চট্টগ্রাম এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ; সকল পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডারগণ ও ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জনস্বার্থকে
প্রাধান্য দিয়ে সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগী করা হবে বলে জানিয়েছেন,তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম।
আজ
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে কেবল টিভি
ডিজিটালাইজেশন, টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট (টিআরপি) সেবাপ্রদান এবং ওভার দ্য টপ (ওটিটি)
প্লাটফর্ম-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন-বিষয়ক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জানিয়েছেন,তথ্য
ও সম্প্রচার বলেন, কেবল টিভি ডিজিটালাইজেশন, টিআরপি সেবাপ্রদান এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের
সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের
সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে কোন মন্ত্রণালয় কোন কাজটি করবে সেটি অ্যালোকেশন অব
বিজনেস দ্বারা নির্ধারিত। তিনি দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতার ভিত্তিতে
সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায়
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ
সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সম্প্রচার-ব্যবস্থা যুগোপযোগী ও জনবান্ধব করতে প্রযুক্তি
মূল্যায়ন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এই পরিকল্পনায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনকে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত
করা যায়, এ বিষয়ে দুই মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এর পাশাপাশি লাইসেন্সিং, মনিটরিং
ও মনিটাইজেশনের বিষয়েও দুই মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ
করেন।
সভায়
উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, সংশ্লিষ্ট দপ্তর-সংস্থার
কর্মকর্তা, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) প্রতিনিধি এবং কেবল
অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) প্রতিনিধিগণ।
মন্তব্য করুন


ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজের নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ বুধবার(১৫নভেম্বর) থেকে ২০২৪ সালের সরকারি ও বেসরকারি হজযাত্রীদের নিবন্ধন শুরু হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার (হজ এজেন্সি) হজযাত্রীরা ১৫ই নভেম্বর থেকে আগামী ১০ই ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে পারবেন।
আগামী ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত সব হজযাত্রী নিবন্ধন করতে পারবেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বশেষ নিবন্ধনের ক্রমিক হল ৯১০০৯৬।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৬ই জুন (১৪৪৫ হিজরি সনের ৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এই চলতি বছরের মতো আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। তার মধ্যে সরকারি মাধ্যমের কোটায় ১০ হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি এজেন্সির কোটায় এক লাখ ১৭ হাজার জন হজ পালন করতে পারবেন বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে।
সরকারি ভাবে আগামী বছর হজে যেতে সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। বিশেষ হজ প্যাকেজের মধ্যমে হজ পালনে খরচ হবে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা।
অপরদিকে বেসরকারি ভাবে এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে সাধারণ প্যাকেজে হজ পালনে সর্বনিম্ন খরচ হবে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা। বিশেষ প্যাকেজের মাধ্যমে হজ পালনে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৩০০ টাকা খরচ হবে ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের সকল নাগরিককে কয়েকজন
বিচ্ছিন্ন উগ্র গোষ্ঠীর দ্বারা সংঘটিত নব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে দৃঢ় সতর্ক থাকার
আহ্বান জানিয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন, অগ্নিসংযোগ
ও জানমাল ধ্বংসের সকল কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তারা দৃঢ় ও দ্ব্যর্থহীনভাবে নিন্দা প্রকাশ
করে।
আজ শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া
বিবৃতিতে জানানো হয়, ইতিহাসের এই সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক রূপান্তরের
মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। যারা বিশৃঙ্খলাকে পুঁজি হিসেবে নেয় এবং শান্তির পথ উপেক্ষা
করে—এমন অল্প কয়েকজনের কারণে এই অগ্রযাত্রা কোনভাবেই ব্যাহত হতে দিতে পারি না এবং দেওয়া
হবে না। আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট কেবল রাজনৈতিক অনুশীলন নয়; এগুলো একটি গুরুতর জাতীয়
অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে সেই স্বপ্নের সঙ্গে, যার জন্য শহীদ
শরিফ ওসমান হাদি তার জীবন উৎসর্গ করেছেন। হাদির আত্মত্যাগ ও স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে
হলে সংযম, দায়িত্বশীলতা এবং ঘৃণা প্রত্যাখ্যানের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার প্রয়োজন বলে
সরকার উল্লেখ করেছে।
সংবাদমাধ্যমের ওপর সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী
বিবৃতিতে জানানো হয়, দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো ও নিউ এজ-এর সাংবাদিকদের পাশে রয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকার। সাংবাদিকরা যে সন্ত্রাস ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তার জন্য গভীর
দুঃখও প্রকাশ করা হয়েছে। সন্ত্রাসের মুখেও
সাংবাদিকদের সাহস ও সহনশীলতা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সাংবাদিকদের
ওপর হামলা মানেই সত্যের ওপর হামলা এবং এ ঘটনায় পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দেওয়া
হয়েছে।
এছাড়াও, ময়মনসিংহে এক হিন্দু ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার
ঘটনায় গভীর নিন্দা জানিয়ে সরকার বলেছে, নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের সহিংসতার স্থান নেই।
এই নৃশংস অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতির শেষাংশে সংকটময় এই মুহূর্তে প্রত্যেক নাগরিকের
প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরকার বলেছে, সহিংসতা, উসকানি ও ঘৃণাকে প্রত্যাখ্যান ও প্রতিরোধের
মাধ্যমে শহীদ হাদির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের
অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম বলেছেন, আমাদের
অনিরাপদ করলে বাংলাদেশে ভারত
ও ভিনদেশের স্বার্থ রক্ষাকারীদের নিরাপদে থাকতে দেওয়া হবে না।
আজ সোমবার
(১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বদলীয়
প্রতিরোধ সমাবেশে তিনি এই কথা
বলেন।
মাহফুজ
আলম বলেন, আমাদের হাতে যখন মুজিববাদী,
১৪ দলীয় সন্ত্রাসীদের প্রত্যেকের
বাড়ি চুরমার করে দেওয়ার ক্ষমতা
ছিল, তখন আমরা নিজেদের
সংবরণ করার কারণে আজ
তারা এটি করার সাহস
করেছে। ক্ষমা করে যদি ভুল
করে থাকি, তাহলে আমরা প্রতিজ্ঞা নেব,
আর ক্ষমা করবো না।
তিনি
বলেন, দেশের ভেতরের রাজনৈতিক লড়াই কেউ কেউ
দেশের বাইরে নিয়ে গেছে, তাদের
হুঁশিয়ার করতে চাই, মুক্তির
লড়াইও কিন্তু দেশের বাইরে যাবে।
মাহফুজ বলেন, আমাদের গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। একটা লাশ পড়লে আমরা কিন্তু লাশ নেব। কোনো সুশীলতা করে লাভ নেই। অনেক ধৈর্য হয়েছে। অনেক রিকনসিলিয়েশন, অনেক কথা বলেছি। আমরা বলেছি, আইসিটি ট্রাইব্যুনালে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিচার করুন। কিন্তু একদিকে বিচার চলছে, অন্যদিকে আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে ভারত পালিয়ে আশ্রয় নেবেন, ভারত থেকে সন্ত্রাস করবেন, ভাইয়ের ওপর গুলি চালাবেন, আমরা এটা বরদাশত করব না।
বাংলাদেশে ভারতের এবং ভিনদেশিদের স্বার্থ যারা রক্ষা করবে, তাদের নিরাপদে থাকতে দেওয়া হবে না। আমরা যদি নিরাপদ না থাকি, এই দেশে আমাদের শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
ক্ষমতায় গেলে সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠা
করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
শনিবার
(১৫ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন
তিনি। খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে উপস্থিত হয়েছেন দেশ ও দেশের বাইরের
প্রথিতযশা আলেম ও ইসলামী চিন্তাবিদরা।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে আল্লাহ এক এবং হযরত
মুহাম্মদ (সা.) শেষ নবী। তিনি উল্লেখ করেন, মুসলিম জাতির মধ্যে বিভাজনের কারণে ফিলিস্তিন ও মিয়ানমারে মুসলমানরা
নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ যদি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন এবং সকলে
সহযোগিতা করেন, তাহলে খতমে নবুওয়ত কমিটির দাবির বিষয়ে বিএনপি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। যারা রাসুলুল্লাহ (সা.)কে স্বীকার করে
না, তাদেরকে বিএনপি মুসলিম হিসেবে মনে করে না।
সম্মেলনের
মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী বলেন, কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা এবং খতমে নবুওয়তের পবিত্র আকিদা রক্ষার দাবি নিয়ে আয়োজিত এ মহাসম্মেলনে বিভিন্ন
দেশ থেকে আগত শীর্ষ আলেমরা অংশগ্রহণ করেছেন।
মহাসম্মেলনে
সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত খতমে নবুয়ত পরিষদের আহ্বায়ক ও খতমে নবুয়ত
সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশের আমির মধুপুরের পীর মাওলানা আবদুল হামিদ।
সম্মিলিত
খতমে নবুওয়ত পরিষদের উদ্যোগে এই মহাসম্মেলন হচ্ছে।
খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ এই মহাসম্মেলনের তত্ত্বাবধান
করছে।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার দেশে
প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীতে মানুষের ঢল নেমেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল
থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে
রওনা দেন দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এ ছাড়া লাখ লাখ নেতাকর্মী জড়ো হন রাজধানীর ৩০০
ফিটে।
তারেক
রহমান রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ইতিমধ্যে
তিনি বিমানবন্দর থেকে সেখানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখানে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য
রাখবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
জানা
গেছে, তারেক রহমান সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় থাকা তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
তার
আগমন উপলক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল এলাকায় নিরপাত্তা জোরদার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা
বাহিনী। হাসপাতালের সামনে থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের।
এভারকেয়ারের
সামনে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, ভোর ৫টা থেকেই অনেকে এখানে অবস্থান শুরু করেছেন।
দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ীই তারা এখানে অবস্থান নিয়েছেন।
বিএনপির
ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী এমএ কাইয়ুমের অনুসারী মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, মায়ের
কোলে ছেলে ফিরে আসছে। এতে শুধু বিএনপির নেতাকর্মীরা না পুরো দেশবাসী খুশি। দলীয় নির্দেশনা
অনুযায়ী আমরা ভোর ৫টা থেকে এখানে অবস্থান নিয়েছেন।
আজ
সকাল থেকে এভারকেয়ারের সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়তে
শুরু করে নেতাকর্মীদের ভিড়। নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালের মূল ফটকের প্রায় ১০০ মিটার
এলাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে নেতাকর্মীদের অনেক রাস্তার একপাশে অবস্থান নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কমনওয়েলথের পূর্ণ সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি আয়োরকর বচওয়ের সঙ্গে তার বৈঠকে এ অনুরোধ জানান তিনি।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা সুসংহত করা এবং নির্বাচন কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা অত্যাবশ্যক—বিশেষ করে কমনওয়েলথের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধের জবাবে মহাসচিব বচওয়ে আশ্বস্ত করে জানান, নির্বাচন এবং এর পরবর্তী উত্তরণ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশকে কমনওয়েলথ সর্বাত্মক সহায়তা দেবে। তিনি উল্লেখ করেন, ৫৬ সদস্যের এই সংগঠন—যার মধ্যে জি–৭ ও জি–২০–এর দেশও রয়েছে—একসঙ্গে কাজ করার বিস্তর সুযোগ তৈরি করে।
এছাড়া তিনি জানান, বাংলাদেশ সফরে তিনি প্রধান বিচারপতি, আইন ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নানান গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তার কথায়, বাংলাদেশের আগামীর যাত্রা নিয়ে তিনি আশাবাদী।
মহাসচিব আরও বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে একাধিক পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শুরু করেছে কমনওয়েলথ।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
পর্যবেক্ষণের সময় শতভাগ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রতি
আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
তিনি
বলেন, যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন, অনুগ্রহ করে তারা শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করবেন।
একই সঙ্গে আপনাদের পক্ষে যারা কাজ করবেন তাদেরকেও এ কথা জানিয়ে দেবেন। নির্বাচন কমিশনের
একটাই এজেন্ডা-আর তা হল জাতিকে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া। তাই
সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করা সকলের জাতীয় দায়িত্ব।
আজ
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর ) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৪০টি পর্যবেক্ষক
সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ চলাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান
নির্বাচন কমিশনার স্বচ্ছতার সঙ্গে সকলকে রিপোর্ট করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন,
নির্বাচনে কমিশনের নিজস্ব সুপারভাইজারি মেকানিজম থাকবে, অফিশিয়াল মেকানিজম থাকবে। কিন্তু
আপনাদের চোখ দিয়েও আমরা এই নির্বাচনকে দেখতে চাই। যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন, তারা
নির্বাচন সংক্রান্ত কাজগুলো স্বচ্ছভাবে হচ্ছে কিনা এবং আচরণ বিধিমালা ও আইনগুলো সঠিকভাবে
পালন করা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে আমাদের জানাবেন।
সিইসি
বলেন, যাদেরকে নিয়োগ করবেন তারা যাতে দলীয় প্রচার-প্রচারণা করে কাউকে প্রভাবিত করতে
না পারেন, সে বিষয়টা খেয়াল করবেন। মনে রাখবেন, তাদের দায়িত্ব হবে পর্যবেক্ষণ করা; নির্বাচনে
হস্তক্ষেপ করা নয়।
তিনি
বলেন, আপনাদেরকে সহযোগী হিসেবে পেতে চাই। আমরা জাতিকে ওয়াদা দিয়েছি একটি সুষ্ঠু, সুন্দর
এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার। কিন্তু এটা ইলেকশন কমিশনের একার পক্ষে সম্ভব
নয়। অতীতের ভুলভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।
নির্বাচনের
প্রতিটি স্তরে পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা থাকবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, প্রচারকালীন পরিস্থিতি,
কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বা প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিশের দায়িত্ব পালন এবং ভোটারদের কেন্দ্রে
আসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে কিনা-ইত্যাদি সম্পর্কে তারা রিপোর্ট দেবেন। তবে সেটি হতে হবে
শতভাগ সত্যনির্ভর। কেননা এই রিপোর্টের ওপরই অনেক কিছু নির্ভর করবে।
এএমএম
নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে তাও সংশোধন
করা হবে। এ বিষয়েও আপনারা সুপারিশ দিতে পারবেন। আমরা স্বচ্ছতার সঙ্গে ভোটারবান্ধব পরিবেশে
নির্বাচনের আয়োজন করতে চাই।
সংলাপে
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, আব্দুর রহমানেল
মাছউদ, তাহমিদা আহমেদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ কমিশনের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন