

মো: মাসুদ মিয়া,কচুয়া :
ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থী হ্রাস ও স্কুলমুখী করতে কাজ করছেন পোভার্টি ইরাডিকেশন প্রোগ্রাম (পিইপি)। সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পড়াশুনা ও শিক্ষাসামগ্রীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিচালনায় সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমাতে কাজ করছে পিইপি’র আওতাধীন কচুয়া সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প (কেআইডিপি)। পিইপি প্রকল্পের অধীনে সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার হ্রাস করার লক্ষ্যে এ প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।
জানা যায়, ১৯৮৩ সালে কেআইডিপি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১০টি প্রকল্প নিয়ে কাজ শুরু করে। তন্মধ্যে শিক্ষা,গবাদিপশু,ঘর মেরামত, স্যানিটেশন,কৃষি কাজে সহায়তা,কাঠ ও ফলজ চারা বিতরণ,রাস্তা বনায়ন,ল্যাসিম কর্মসূচি,পোল্ট্রি ও ক্ষুদ্রঋন পরিচালিত হয়। যার মধ্যে শিক্ষা কর্মসূচি এ উপজেলায় ৭টি ও মতলব উপজেলা ১টি সহ মোট ৮টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (সিডিসি) স্কুল রয়েছে। প্রতিটি স্কুলে ৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। শিক্ষকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ৮জন শিক্ষক নিয়মিত ভাবে পাঠদান করাচ্ছেন। ওই প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই থেকে শুরু করে শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে টিফিন করা হয় ও যার গড় প্রতি শিক্ষার্থীদের ব্যয় ১৫ টাকা এবং সপ্তাহে ৫দিন টিফিনের ব্যবস্থা রয়েছে। শুধু তাই নয়, শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে নৃত্য,গান,কবিতা আবৃতি সহ নানামূখী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে কচুয়া উপজেলা ৭টি স্কুলে ২১০জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেনি থেকে দ্বিতীয় শ্রেনি পর্যন্ত পড়াশুনা করা হয় এবং প্রতিদিন তাদের টিফিন করা হয় । এছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে এ বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে এমন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।
স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, দক্ষ শিক্ষদের মাধ্যমে এ স্কুলে আমাদের সন্তানদের পাঠদান করানো হচ্ছে। তাছাড়া এখনো নানা ধরনের সুবিধা রয়েছে। বিনামূল্যে তাদের পড়াশুনা খরচ ও অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করেন। এছাড়া বিদ্যালয় আঙ্গিনায় অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই আমাদের সন্তানদের সিডিসি স্কুলে পড়াশুনা ও ভর্তি করা হয়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাথী আক্তার,রাবেয়া আক্তার ও কোহিনুর সহ অন্যান্য শিক্ষকরা জানান, আমরা সবসময় চেষ্টা করি এসব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে। তাছাড়া এসব শিক্ষার্থীরা দুপুরের টিফিন পেয়ে খুশি। নিয়মিত ভাবে তাদের পাঠদান করানো হচ্ছে। ভবিষ্যতে কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনায় আমরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শেনিকক্ষে আরো কিভাবে ভালো কিছু করা যায় সেই লক্ষে কাজ করব।
কেআইডিপি’র চাঁদপুর জেলা মাঠ সমন্বয়কারী মো. আলাউদ্দিন বলেন, কেআইডিপির অনেক ধরনের কর্মসূচি রয়েছে তার মধ্যে শিক্ষা কর্মসূচি অন্যতম। সুবিধা বঞ্চিত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া থেকে রক্ষা ও তাদের স্কুলমূখী করার জন্য এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাছাড়া প্রতি শিক্ষকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ করে তারা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাচ্ছেন। দারিদ্র্য দূরীকরনের পাশাপাশি শিক্ষার হার অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে এ সংস্থা।
মন্তব্য করুন


রাঙামাটিতে চুরি ও হারিয়ে যাওয়া ৩২টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
৭ নভেম্বর সোমবার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মারুফ আহমেদ উদ্ধার করা ৩২টি হারানো মোবাইল প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মারুফ আহমেদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রায় ৩২টি চুরি হওয়া কিংবা হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রকৃত মালিকদের কাছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা পুলিশের কাজ। সেই লক্ষ্যে কাজ করছি আমরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযানে ৭৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকার মাদকদ্রব্য,
মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ করেছে।
শনিবার
(৭ ডিসেম্বর) রাতে বিজিবি টহলদল কটক বাজার পোস্টের পালপাড়া ও লক্ষীপুর পোস্টের বলের
ডেবা নামক এলাকায় হতে মাদকদ্রব্য, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ
করা হয়।
আজ
রবিবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অতিরিক্ত পরিচালক মেজর
আরাফাত হোসেন অনি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দেওয়া হয়।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন বিজিবি- ১০ এর অতিরিক্ত পরিচালক মেজর আরাফাত হোসেন অনি জানান, মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান বিজিবি প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে শনিবার একাধিক অভিযানে ৭৩,৯৩,০৮৩/- (তিয়াত্তর লক্ষ তিরানব্বই হাজার তিরাশি) টাকার মাদকদ্রব্য, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী পণ্য উদ্ধার করেছে কটকবাজার ও লক্ষিপুর পোস্টের বিশেষ দল। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের সময় ৪০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে।
আজ বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ বৌয়ারা বাজার বিওপি এর বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮৫/২-এস
হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সূর্যনগর নামক স্থান হতে ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) পিস
ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের সর্বমোট মূল্য ১,২০,০০,০০০/- (এক কোটি
বিশ লক্ষ) টাকা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গরু বহনকারী
ট্রাক উল্টে ব্যবসায়ীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
বুধবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জের পুটিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে
পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মঞ্জুরুল আলম মোল্লা।
তিনি বলেন, একটি ট্রাক ঢাকা থেকে ১৭টি
গরু নিয়ে লাকসামের দিকে যাচ্ছিল। কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির উদ্দেশে যাচ্ছিল তারা।
ইলিয়টগঞ্জের পুটিয়া এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি কাভার্ডভ্যানের পেছনে ধাক্কা দেয়
ট্রাকটি। এ সময় ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আশপাশে ছিটকে পড়ে ট্রাকে থাকা
গরুগুলো। ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে রাসেল নামের একজনের পরিচয় আমরা
পেয়েছি। তিনি গরু ব্যবসায়ী। অন্যজনের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। এ দুর্ঘটনায় দুটি গরু
মারা গেছে। আরও ১৫টি গরু স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে
আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় এনায়েতপুর
কেন্দ্রে পরীক্ষার খাতা দেখতে না দেওয়ায় সহপাঠীদের মারধরে আহত ইমন হোসেন (১৬) নামে
এক এসএসসি পরীক্ষার্থী মারা গেছে। গত ১৮ এপ্রিল তাকে মারধর করা হয়েছিল।
গত শুক্রবার খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইমন উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের
ইমদাদুল মোল্লার ছেলে। সে স্থানীয় খুকনী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায়
অংশ নিয়েছিল।
নিহত ইমনের বাবা ইমদাদুল মোল্লা জানান,
গত ১৭ এপ্রিল এনায়েতপুর ইসলামী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা
চলাকালে কয়েকজন সহপাঠী ইমনের খাতা দেখে পরীক্ষা দিতে চায়। এতে সে রাজি হয়নি। পরদিন
শুক্রবার দুই সহপাঠী তাকে ডেকে নিয়ে যায়। পাশের বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর নতুনপাড়ায়
নিয়ে গিয়ে কয়েকজন মিলে তাকে মারধর করে। মারধরে ইমনের মাথার বাম পাশের খুলি ভেঙে যায়।
গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ও পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। বুধবার তাকে বাড়িতে আনা হয়েছিল। শুক্রবার
অবস্থার অবনতি হলে তাকে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই
সে মারা যায়।
এনায়েতপুর থানার ওসি রওশন ইয়াজদানি
শনিবার বিকেলে বলেন, শিক্ষার্থী ইমনের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় জিডি হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের
পর শুক্রবার রাতে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। শনিবার
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ সুপার বিষয়টি জেনে
বেলকুচি থানায় মামলা করার জন্য সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।ু
মন্তব্য করুন


প্রতি বছরের ন্যায় এবারো মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষার টান দুই বাংলার ভাষাপ্রেমীদের মিলনমেলা বসে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায়।
বুধবার সকালে এ মেলার আয়োজন করা হয়। এসময় দু'দেশের শতশত ভাষাপ্রেমী মানুষ বিজিবি ও বিএসএফের বাধার মুখে প্রবেশ করতে পারেনি।
বেনাপোল চেকপাস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ডে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে সকাল সাড়ে ১১টায় ভারত ও বাংলাদশ ভাষাপ্রমী শতশত মানুষ ফুল দিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
দু'দেশের পক্ষ নেতৃত্ব দেন পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলের এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী ও যশোর-১ আসনর সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন।
ভারতের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলর এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী, শ্রী বীনা মন্ডল সভপতি উত্তর ২৪ পরগঁনা জেলা পরিষদ, সাবেক এমপি মমতা ঠাকুর, শ্রীমতি ইলাবাচী সভাপতি গাইঘাটা পঞ্চায়ত সমিতি, শ্রী সুরজীত বিশ্বাস সাবেক বিধায়ক, শ্রী বিশ্বজিত দাস সাবেক সাংসদ, হাবড়া পৌর মেয়র শ্রী নারায়ন সাহা।
বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান, যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযাদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশী, শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ফারজানা ইসলাম, বেনাপোল পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন, অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, বেনাপাল পোর্ট থানার ওসি শ্রী সুমন ভক্ত, ইমিগ্রেশন ওসি কামরুজ্জামান বিশ্বাস, শার্শা থানার ওসি মনিরুজ্জামান, শার্শা উপজেলা বীর মুক্তিযাদ্ধা কামান্ডার মাজাফ্ফর হোসেন, বিজিবির আইসিপি ক্যাম্পর কামান্ডার মিজানুর রহমান, যুবলীগের সভাপতি অহেদুজ্জামান অহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাহরাব হোসেন।
এছাড়াও সর্বস্তরের জনগণ এতে অংশ নেন।
এরপর দুই দেশের জনগণের জন্য উভয় দেশ থেকে মিষ্টি পাঠানা হয়।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


চলমান অপারেশন অপারেশন ডেভিল হান্টে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে গত গেল ২৪ ঘন্টায় আরো ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে গেল ৬দিনে জেলায় মোট ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।
গ্রেপ্তারকৃরা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী বলে জানা গেছে। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চলমান অপারেশন ডেভিল হান্টে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে মামলা, লিফলেট বিতরন ও নাশকতার অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বুড়িচং পরিহলপাড়ার আওয়ামীলীগ কর্মী মোঃ মহিউদ্দিন (৪৭), চান্দিনা নাওতলা গ্রামের বাসিন্দা শ্রমিকলীগ নেতা মজনু মিয়া (৩৬), হোমনা উপজেলা যুবলীগের সদস্য মোঃ আরিফুল ইসলাম জনি (৪২) ও তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউপির ২নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন (৪০)।
মন্তব্য করুন


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আজ (২৬ আগস্ট ২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জল, স্থল ও আকাশ পথে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
দ্রুততার সাথে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা ও ত্রাণ বিতরণের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ১৫টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
এখানে উল্লেখ্য যে, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ১১ জন মুমূর্ষ রোগীকে উদ্ধারপূর্বক হাসপাতালে স্থানান্তর ও ২৪ জন ব্যক্তিকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়।
প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও ৪,৮৩৯ প্যাকেট ত্রান, ৫০,৪০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি, ৫০০ মোবাইল ফোন ও এক লাখ পিস পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সিলেট, চট্টগ্রাম,ফেনী সদর, ফাজিলপুর, ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী, পরশুরাম ও মধুগ্রাম এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
দুর্যোগপূর্ণ
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল ১০ টায় র্যালি, কেক কাটা ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান মালার শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল হাকিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মোঃ আবদুল্লাহ আল মাহবুব।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী আগত অতিথি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন ও নবীন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আজকের এই দিনে আমি ঘোষণা দিচ্ছি, ২০২৫ সালের শুরুতেই দ্বিতীয় সমাবর্তন করবো। উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণায় জোরদার করার লক্ষ্যে আমরা ইতিমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছি এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি চালু করার। আমাদের ২৩ শতাংশ শিক্ষর্থীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা চেষ্টা করবো আগামী এক বছরের মধ্যেই নতুন ক্যাম্পাসের চারটি হল খুলে দেওয়ার জন্য, যেন আবাসন ব্যবস্থা কিছুটা হলেও লাঘব হয়।
সম্মানিত অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, একজন শিক্ষার্থীর জন্য তার বাবা-মায়ের যে অবদান সেটি কখনো ভুলার নয়। বিশ্ববিদ্যালয় একটা রঙিন জায়গা। একরাশ রঙিন স্বপ্ন নিয়ে তোমরা এখানে পা রেখেছো। এই রঙিন স্বপ্ন পূরণে তোমরা চলার পথে অনেক ভালো কিছু দেখবে, পাশাপাশি অনেক খারাপ কিছুও দেখবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেহেতু ভর্তি হয়েছো, তোমাদের এখনই লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। তাহলেই তোমার চলার পথ মসৃন হবে। আমরা চাই, তোমরা নবীন শিক্ষার্থীরা লক্ষ্য ঠিক করে পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে যাও।
সবশেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
মন্তব্য করুন