

মো: মাসুদ মিয়া,কচুয়া :
ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থী হ্রাস ও স্কুলমুখী করতে কাজ করছেন পোভার্টি ইরাডিকেশন প্রোগ্রাম (পিইপি)। সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পড়াশুনা ও শিক্ষাসামগ্রীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিচালনায় সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমাতে কাজ করছে পিইপি’র আওতাধীন কচুয়া সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প (কেআইডিপি)। পিইপি প্রকল্পের অধীনে সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার হ্রাস করার লক্ষ্যে এ প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।
জানা যায়, ১৯৮৩ সালে কেআইডিপি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১০টি প্রকল্প নিয়ে কাজ শুরু করে। তন্মধ্যে শিক্ষা,গবাদিপশু,ঘর মেরামত, স্যানিটেশন,কৃষি কাজে সহায়তা,কাঠ ও ফলজ চারা বিতরণ,রাস্তা বনায়ন,ল্যাসিম কর্মসূচি,পোল্ট্রি ও ক্ষুদ্রঋন পরিচালিত হয়। যার মধ্যে শিক্ষা কর্মসূচি এ উপজেলায় ৭টি ও মতলব উপজেলা ১টি সহ মোট ৮টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (সিডিসি) স্কুল রয়েছে। প্রতিটি স্কুলে ৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। শিক্ষকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ৮জন শিক্ষক নিয়মিত ভাবে পাঠদান করাচ্ছেন। ওই প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই থেকে শুরু করে শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে টিফিন করা হয় ও যার গড় প্রতি শিক্ষার্থীদের ব্যয় ১৫ টাকা এবং সপ্তাহে ৫দিন টিফিনের ব্যবস্থা রয়েছে। শুধু তাই নয়, শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে নৃত্য,গান,কবিতা আবৃতি সহ নানামূখী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে কচুয়া উপজেলা ৭টি স্কুলে ২১০জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেনি থেকে দ্বিতীয় শ্রেনি পর্যন্ত পড়াশুনা করা হয় এবং প্রতিদিন তাদের টিফিন করা হয় । এছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে এ বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে এমন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।
স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, দক্ষ শিক্ষদের মাধ্যমে এ স্কুলে আমাদের সন্তানদের পাঠদান করানো হচ্ছে। তাছাড়া এখনো নানা ধরনের সুবিধা রয়েছে। বিনামূল্যে তাদের পড়াশুনা খরচ ও অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করেন। এছাড়া বিদ্যালয় আঙ্গিনায় অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই আমাদের সন্তানদের সিডিসি স্কুলে পড়াশুনা ও ভর্তি করা হয়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাথী আক্তার,রাবেয়া আক্তার ও কোহিনুর সহ অন্যান্য শিক্ষকরা জানান, আমরা সবসময় চেষ্টা করি এসব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে। তাছাড়া এসব শিক্ষার্থীরা দুপুরের টিফিন পেয়ে খুশি। নিয়মিত ভাবে তাদের পাঠদান করানো হচ্ছে। ভবিষ্যতে কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনায় আমরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শেনিকক্ষে আরো কিভাবে ভালো কিছু করা যায় সেই লক্ষে কাজ করব।
কেআইডিপি’র চাঁদপুর জেলা মাঠ সমন্বয়কারী মো. আলাউদ্দিন বলেন, কেআইডিপির অনেক ধরনের কর্মসূচি রয়েছে তার মধ্যে শিক্ষা কর্মসূচি অন্যতম। সুবিধা বঞ্চিত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়া থেকে রক্ষা ও তাদের স্কুলমূখী করার জন্য এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাছাড়া প্রতি শিক্ষকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ করে তারা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাচ্ছেন। দারিদ্র্য দূরীকরনের পাশাপাশি শিক্ষার হার অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে এ সংস্থা।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে নিবেদিত সংগঠন “আমরা কুমিল্লার তরুণ প্রজন্ম” আদর্শ-সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জি এম হেলাল এবং সদস্য সচিব হয়েছেন মো: রাজিবুল ইসলাম। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদর্শ- সদর উপজেলায় তারা সমাজসেবা, শিক্ষা প্রসার এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে তরুণদের সম্পৃক্ত করে গঠনমূলক কাজ করতে চায়। অচিরেই একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
আহ্বায়ক জি.এম হেলাল বলেন, “আমরা আদর্শ-সদর উপজেলায় আর্তমানবতার সেবায় কাজ করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।” সদস্য সচিব মো: রাজিবুল ইসলাম বলেন, “কমিটি গঠনের পরপরই আমরা একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করব এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ শুরু করব।”
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন:
যুগ্ম আহ্বায়ক : মো: জালাল হোসাইন, মো:আলামিন, মো: মহিউদ্দিন ফরহাদ, জোবায়ের আহমেদ হ্রদয়, ইসমাইল হোসেন শুভ, নূর মোহাম্মদ জীবন, শামসুল আরেফিন জিসান ও মো: আফ্রিদি, সদস্য: মো: রাকিবুল ইসলাম, আনোয়ার রেজা সাকি, রুহুল আমিন হাসান রাব্বি, আহফাজুল কবির নেজামি, এনামুল হক জিসান, মো: কাইয়ুম হোসেন ও মো: মাহফুজুর রহমান
সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক পিয়ারে মাহবুব এবং জেলা সদস্য সচিব সাজ্জাদ খানের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে কার্যক্রম সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গায় এক স্কুল শিক্ষকের অকাল মৃত্যুতে শোক সইতে না পেরে রেললাইনে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তার বৃদ্ধা মা। রাজশাহী থেকে খুলনাগামী সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের কাছাকাছি ছুটে গেলেও ট্রেন চালকের দক্ষতা এবং স্থানীয় জনগণের দ্রুত প্রচেষ্টায় এ যাত্রায় তিনি রক্ষা পান।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের হাজরাহাটি এলাকার মৃত সালেহারের ছেলে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। যিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে স্ট্রোকজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যু সংবাদ শুনেই মা ছকিনা খাতুন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং শোকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি ছুটে যান চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশনের পাশে ফার্মপাড়া রেলগেটের কাছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনটি যখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসছিল, ঠিক তখনই ছকিনা খাতুন রেললাইনের দিকে যেতে শুরু করেন। ওই মুহূর্তে কর্তব্যরত ট্রেনচালক পরিস্থিতি দ্রুত আঁচ করতে পেরে দক্ষতার সঙ্গে জরুরি ব্রেক করে ট্রেনটি থামিয়ে দেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় এলাকাবাসী এবং লোকজন দ্রুত ছুটে গিয়ে তাকে রেললাইন থেকে নিরাপদে উদ্ধার করেন। বর্তমানে বৃদ্ধা ছকিনা খাতুনকে স্থানীয়ভাবে দেখভাল করা হচ্ছে। শোকের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার জন্য পরিবারের সদস্যরা তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) উপপরিদর্শক “ জগদ্বীশ কুমার” বলেন, শুনেছি ওই বৃদ্ধা নারীর সন্তান মারা গেছেন। শোকে তিনি সুইসাইড করতে রেললাইনে আসছিলেন। সকাল সোয়া ৯টার দিকে ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গা স্টেশন ছেড়ে গেলে রেললাইনে মাথা দেওয়া এক নারীকে ড্রাইভার দেখতে পায়। তখন ট্রেনের গতি ধীরে ছিল। এ জন্য ট্রেনটি থামিয়ে দেন ড্রাইভার। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেন। তবে এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিসা বৈদ্য বাজার এলাকা হতে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ ৩জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৮ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিসা বৈদ্য বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: কক্সবাজার জেলার সদর থানার পাহাড়তলী গ্রামের রশিদ আলম এর ছেলে মোঃ হাশেম (২০), একই গ্রামের মৃত ফয়েজ আহমেদ এর ছেলে মোঃ ফয়সাল (৩০) এবং একই থানার বৈদ্যঘোনা গ্রামের আব্দুল হাকিম এর ছেলে মোঃ জাহেদ হোসেন (২৭)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত মাইক্রোবাস ব্যবহার করে কক্সবাজার, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা মূল্যের ৪৯টি স্বর্ণের বার উদ্বার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। স্বর্ণের বার গুলো সহ ফজলে রাব্বী নামে এক যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শুল্ক, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুবাই থেকে ঢাকায় আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট আনুমানিক ভোর ৪টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেন।
বারগুলো ঢাকা কাস্টম হাউসের শুল্ক গুদামে জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। শুল্ক আইনে আটক ফজলে রাব্বীর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ দা দিয়ে কেটে নিয়ে পালিয়ে যায়
স্ত্রী জাকিয়া। এ ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় স্বামী ফিরোজকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনেরা। এদিকে পলাতক স্ত্রীকে আটক করেছে ভূঞাপুর থানা
পুলিশ।
বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার রাউৎবাড়ী গ্রামে নিজ বাড়িতে
এ ঘটনা ঘটে। আহত ফিরোজ (২৯) উপজেলার রাউৎবাড়ী গ্রামের মৃত শাহজাহান ছেলে এবং
জাকিয়া (২৬) একই উপজেলার জিগাতলা গ্রামের মো. জামিলের মেয়ে। ফিরোজ পেশায় একজন এক্সকেভেটর
(বেকু) চালক। এ ঘটনায় আহত ফিরোজকে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
হাসপাতালে এবং পরে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকে (কলেজ) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করেন।
এদিকে ঘটনার পর স্ত্রী জাকিয়া পালিয়ে যায়। এছাড়া কর্তনকৃত পুরুষাঙ্গটি খুঁজে
পাওয়া যাচ্ছে না। ডাক্তারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে কর্তন হওয়া পুরুষাঙ্গ উদ্ধার করে জোড়া
লাগাতে না পারলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান , প্রায় এক যুগ আগে ফিরোজ ও জাকিয়া ভালবেসে বিয়ে করেন।
তাদের ঘরে পাঁচ বছরের পুত্র সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই একে অপরকে পরকীয়া
প্রেমের সন্দেহে নিয়ে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। এ নিয়ে একাধিক গ্রাম্য শালিস হয়।
সম্প্রতি গোবিন্দাসী ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানার মাধ্যমে
তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। সেখানে শালিসে ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও পরবর্তীতে ৩ লাখ
টাকা না দিতে পেরে ফিরোজ স্ত্রীকে আবারও বাড়িতে নিয়ে আসে।
এদিকে কিছুদিন যাইতে না যাইতে আবারও তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। এর ফলশ্রুতিতে
বুধবার সকালে স্ত্রী জাকিয়া তার স্বামী ফিরোজের পুরুষাঙ্গ কেটে দ্বিখণ্ডিত করে ছেলেকে
সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে পলাতক স্ত্রী জাকিয়াকে উপজেলার জিগাতলার নিজ গ্রাম
থেকে আটক করে পুলিশ।
প্রতিবেশী আলমগীর বলেন, ঘরের ভিতর গিয়ে দেখি স্বামী ফিরোজের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেছে।
ঘর রক্ত দিয়ে ভেসে গেছে। পরে স্বজনেরা উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনার
পর থেকেই স্ত্রী পলাতক রয়েছে।
ফিরোজের ফুফাতো ভাই রবিন জানায় ,আমি পুকুরের পাড়ে গোসল করতেছিলাম, তখন কেরু
কাকার বউ এসে এ দুর্ঘটনার কথা জানায় । পরে আমরা ৪-৫ জন এসে ভাইকে ধরে নিয়ে সিএনজি করে
ভূঞাপুর হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে উন্নত চিকিৎসার জন্য
টাঙ্গাইল নিয়ে যাওয়া হয়।
ফিরোজের মা ফরিদা বেগম বলেন, সকালে ফিরোজকে ঘুমে দেখে আমি তার ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে
বের হই। হঠাৎ সাড়ে ৯ টার দিকে ফিরোজের বৌ আমাকে ফোন দিয়ে বলে, তাড়াতাড়ি বাড়িতে
যান। আপনার ছেলে যেন কেমন করছে। একথা বলেই সে ফোন কেটে দিয়ে পালিয়ে যায়। আমার ছেলের
সাথে যা করেছে তার উপযুক্ত বিচার চাই।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসান উল্লাহ বলেন, ঘটনাটি স্থানীয়দের
মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় শান্তিপূর্ন ভাবে কচুয়া উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার ৬টি কেন্দ্রে এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছর ২ হাজার ৪শ ৯৬ জন পরীক্ষার্থী কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশন বৃত্তি পরীক্ষা অংশগ্রহন করেন।
এদিকে কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ৬৪৭ জন, পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৮৩জন, সাচার উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৫৩জন, রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৮৮ জন, তেগুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩২০জন ও আশেক আলী খান উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২০৩ জন পরীক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন। অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারো শতভাগ স্বচ্ছতা-নিরপেক্ষতা ও সুষ্ঠ পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহন করা হয়েছে।
এসময় চাঁদপুর জেলা কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ, কচুয়া উপজেলা কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের সভাপতি মানিক ভৌমিক,সাবেক সভাপতি মফিজুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক আমির হোসেন মজুমদার, শিক্ষা সচিব আলমগীর চৌধুরী, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রিয়তোষ পোদ্দার, সাবেক সভাপতি রাকবুল হাসান সহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ প্রতিটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এদিকে শান্তিপূর্ন ভাবে কচুয়া উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় সংগঠনের সভাপতি মানিক ভৌমিক, সাধারন সম্পাদক আমির হোসেন মজুমদার সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করায় ১২ পুত্রবধূকে সম্মাননা দেওয়া হয়। মাদারীপুরে ব্যতিক্রমধর্মী এ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘পাশে আছি মাদারীপুর’নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। পুত্রবধূরা সম্মাননা পুরস্কার পেয়ে
খুবই আনন্দিত। আয়োজকদের দাবি, সমাজে বর্তমানে পারিবারিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে এ ব্যতিকর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
আজ শনিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মাদারীপুর সমন্বিত সরকারি অফিস ভবনের জেলা শিশু একাডেমির হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। ‘পুত্রবধূ ও শ্বশুর-শাশুড়ির ঐকান্তিক অনবদ্য ও চিরায়ত সম্পর্কের বন্ধনে’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে সেরা ১২ পুত্রবধূকে সম্মাননা দিয়েছে সংগঠনটি।
উক্ত অনুষ্ঠানে পাশে আছি মাদারীপুরের প্রতিষ্ঠাতা বায়জীদ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম মুন্সী, আবৃত্তি সংগঠন মাত্রা’র সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন লিটন, নিরাপদ চিকিৎসা চাই এর মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান পারভেজ।
জানা যায়, মাদারীপুর ডাসার উপজেলার পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামের মৃত জোনাব আলী হাওলাদার ও মেহেরুন্নেসা বেগমের ছেলে মৃত অহিদুল হাওলাদারের স্ত্রী মোসা. মরিয়ম অহিদ। তিনি জনপ্রতিনিধি। ডাসার উপজেলার কাজীবাকাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) মহিলা সংরক্ষিত আসন ১, ২, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। স্বামী মারা গেলেও শ্বশুর-শাশুড়ি নিয়েই এক সঙ্গে থেকে তিনি তাদের সেবা যত্ন করছেন।
মাদারীপুর শহরের ২ নম্বর শকুনি এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন খান ও মৃত রিজিয়া সুলতানার ছেলে রাজন মাহমুদের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা আকাশী। তিনি একজন মিডিয়াকর্মী। তিনি নিজের কাজের পাশাপাশি শ্বশুরকে নিজ হাতে খাওয়ানোসহ সব সেবা যত্ন করে থাকেন।
অন্য সম্মননাপ্রাপ্ত পুত্রবধূরা হলেন, মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের মধ্য পেয়ারপুর গ্রামের সৈয়দ আলী মাস্টার ও মাহমুদা বেগমের ছেলে মাসুদুর রহমানের স্ত্রী রাবেয়া রহমান মুক্তা, মাদারীপুর শহরের মাস্টার কলোনি এলাকার আনোয়ার হোসেন ও রাশিদা বেগমের ছেলে রেজওয়ানের স্ত্রী রিমা, মাদারীপুর শহরের উকিলপাড়া এলাকার আশ্রাফ আলী ও সাহানা বেগমের ছেলে এহসানুল হক মামুনের স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার, মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়া এলাকার আ. রব জমাদার ও শামীমা বেগমের ছেলে আরাফাত ইসলামের স্ত্রী সামসুন নাহার, মাদারীপুর শহরের ২ নম্বর শকুনি এলাকার কাজী হাফিজুর রহমান ও রহিমা খাতুনের ছেলে কাজী হাবিবুর রহমানের স্ত্রী আরিফা আফরোজ অন্তরা, মাদারীপুর সদর উপজেলার পাচখোলা ইউনিয়নের মুক্তিসেনা রোড এলাকার হায়দার আলী খান ও কহিনুর বেগমের ছেলে সাকিন খানের স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া, মাদারীপুর সদর উপজেলার গৌরবর্দী এলাকার আ. আজিজ মিয়া ও ফিরোজা বেগমের ছেলে বি এম মহিউদ্দিনের স্ত্রী মিসেস ফারজানা, মাদারীপুর সদর উপজেলার পাচখোলা ইউনিয়নের পূর্ব পাচখোলা গ্রামের আলী আকবর মোড়ল ও নাদিরা বেগমের ছেলে আ. সোবহান মোড়লের স্ত্রী আছমা খাতুন, মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার চর বদরপাশা গ্রামের মো. নওসের ও আম্বিয়া বেগমের ছেলে মো. আমির এর স্ত্রী সাবিকুন্নাহার আক্তার, মাদারীপুর শহরের মাস্টার কলোনির শেফালী বেগমের ছেলে আজাদ চৌকিদারের স্ত্রী লাবনী আক্তার আশা। তারা সবাই গৃহিণী।
আয়োজক বায়জীদ মিয়া জানান, বর্তমানে আমাদের সমাজে পরিবারগুলো ব্যক্তি কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। আবহমান বাংলার যে ঐতিহ্য একান্নবর্তী পরিবার সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতেই এই বিশেষ সম্মাননা পুরস্কারের আয়োজন করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই কমিটি মাদারীপুরের ২৩ জন পুত্রবধূর মধ্যে থেকে সেরা ১২ জন পুত্রবধূকে মনোনীত করে। আজ এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই সেরা ১২ পুত্রবধূকে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
সেরা পুত্রবধূ লাবণী আক্তার আশা বলেন, এই সম্মাননা স্মারক পেয়ে আমরা আনন্দিত। আগামীতে আমরা শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সবার প্রতি আরও যত্নবান হবো। এ পুরস্কার প্রাপ্তি দেখে সমাজের অন্যান্য গৃহবধূরাও অনুপ্রাণিত হবেন বলে আশা করছি।
সম্মাননাপ্রাপ্ত আরিফা আক্তার অন্তরার শ্বশুর কাজী হাফিজুর রহমান বলেন, এই সম্মাননার আয়োজন করায় আমরা খুব খুশি। শুধু পুত্রবধূদের একার দায়িত্ব না, শ্বশুর-শাশুড়ি-পুত্রবধূ-ছেলে সবাই মিলেমিশে যে যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করাই হচ্ছে সবার কর্তব্য। আমার পুত্রবধূ সব সময় আমাদের খেয়ার রাখেন, যত্ন নেন। আমরা এক সঙ্গে থাকি। তবে বর্তমান সমাজে শ্বশুর-শাশুড়ি নিয়ে কেউ থাকতে চান না। ছেলের বিয়ের পর আলাদা হয়ে যায়। তাই এ আয়োজনের মাধ্যমে অন্যপুত্রবধূরাও উৎসাহ পাবেন। তারা তাদের শ্বশুর-শাশুড়ি নিয়ে এক সঙ্গে থেকে তাদের দায়িত্ব কর্তব্য পালন করবেন। আশা করছি এই আয়োজন প্রতিবছরই অনুষ্ঠিত হবে।
সম্মাননাপ্রাপ্ত সামসুন নাহারের শাশুড়ি শামীমা বেগম বলেন, পুত্রবধূ সম্মাননার মতো এমন আয়োজন আর কোথাও করতে শুনিনি। এটি ব্যতিক্রম আয়োজন। তবে বর্তমান সমাজে এ আয়োজনের দরকার আছে। কারণ বর্তমানে কেউ শ্বশুর-শাশুড়ি নিয়ে এক সঙ্গে থাকতে চান না। কোনো না কোনো উসিলা দিয়ে আলাদা হয়ে যায়। এটা একজন মা-বাবার জন্য কতাটা কষ্টকর, তা বোঝানো যাবে না। তবে আমরা সবাই এক সঙ্গে থাকি। তাই এই আয়োজন দেখে সমাজের আরও পুত্রবধূরা শ্বশুর-শাশুড়িকে সেবা করবেন, যত্ন নেবেন, এক সঙ্গে থাকবে বলে আশা করছি।
আয়োজক বায়জীদ মিয়া জানান, বর্তমানে আমাদের সমাজে পরিবারগুলো ব্যক্তি কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। আবহমান বাংলার যে ঐতিহ্য একান্নবর্তী পরিবার সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতেই এ বিশেষ সম্মাননা পুরস্কারের আয়োজন করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই কমিটি মাদারীপুরের ২৩ জন পুত্রবধূর মধ্যে থেকে সেরা ১২ জন পুত্রবধূকে মনোনীত করে। আজ এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই সেরা ‘১২ পুত্রবধূকে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তারুণ্য পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা সোহাগ হাসান জানান, মাদারীপুরে এই সেরা ১২ জন পুত্রবধূকে সম্মাননা পেতে দেখে অন্যান্য পুত্রবধূ ও শশুর শাশুড়িরাও অনুপ্রাণিত হবেন। তাই এই ব্যতিক্রম আয়োজনকে সাধুবাদ জানাই।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা চকবাজার এলাকায় সাধারণ পোলাও
এর চালকে "চাষী ভাই সুগন্ধি চিনিগুড়া চাল" ব্রান্ডের নামে প্যাকেটে
ভরে বিক্রি করা সময় ভোক্তা অধিদপ্তরের তদারকি টিমের হাতে ধরা পড়ল।
আজ (৩০মে) কুমিল্লার চকবাজার এলাকায়
অভিযানের সময় দেখা যায়, মেসার্স এস আর রাইছ এজেন্সি নামের একটি প্রতিষ্ঠান বাজার
থেকে কেনা মদিনাসহ অন্যান্য সাধারণ চিনিগুড়া চাল স্কয়ার কোম্পানির "চাষী"
ব্রান্ডের আদলে "চাষী ভাই" নামের প্যাকেটে নিজেরাই মোড়কীকরণ করে
বিক্রয় করছে। ভোক্তাদের সাথে এমন প্রতারণা করায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়। এ সময় অনুমোদনহীন নকল মোড়ক জব্দ করা হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানটি এমন
কাজ আর করবেন না মর্মে লিখিত অঙ্গীকার করেন।
এছাড়াও কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে
আজ চকবাজার এলাকার বিভিন্ন মসলার বাজারও তদারকি করা হয়। নানা অনিয়মের অভিযোগে
মোট তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম।
অভিযান পরিচালনা করার সময় চকবাজার মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
গাজীপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে সাংবাদিক তুহিনকে জবাই করে হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লার
দেবীদ্বারে মানববন্ধন করেছে উপজেলায় কর্মরত
সাংবাদিকরা।
আজ শনিবার সকাল ১১ টার সময় স্বাধীনতা চত্বরে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার দেবীদ্বার প্রতিনিধি এ বিএম আতিকুর রহমান বাশার, দৈনিক সমকালের দেবীদ্বার প্রতিনিধি সৈয়দ খলিলুর রহমান বাবুল, সাংবাদিক মাসুদ রানা, আনন্দ টিভি'র দেবিদ্বার ব্রাহ্মনপাড়া প্রতিনিধি মাহফুজ আহম্মেদ সরকারসহ অনন্যরা।
মানববন্ধনে বক্তারা, সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে ফাসিঁর দাবী জানান, সেই সাথে সারা দেশে সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধে অন্তবর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন৷
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় নিখোঁজের একদিন পর রেল সড়কের পাশ থেকে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার বিকেলে নিখোঁজ জামশেদ ভূঁইয়ার লাশ পালপাড়া রেললাইনে পাশে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। এ দিন সন্ধ্যায় লাশ উদ্ধার এর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম ।
নিহত জামশেদ ভূইয়া কুমিল্লা নগরীর ৩ নম্বর ওয়ার্ড কালিয়াজুরী ভূইয়া বাড়ি সাবেক কমিশনার মরহুম আব্দুল কুদ্দুস ভুইয়ার তৃতীয় পুত্র।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৩ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় বাসা হতে মাগরিবের নামাজ আদায় করার জন্য বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই বিষয় কোতোয়ালি মডেল থানায় তার বড় ভাই একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, গত সপ্তাহে একই এলাকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সুমাইয়া আক্তার ও তার মা তাহমিনা বেগম হত্যার শিকার হয়েছিলেন। সপ্তাহ না পেরোতেই আবারো একই এলাকায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ব্যবসায়ী।
এই বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় নিহত জামশেদ ভূঁইয়ার ভাই থানায় অভিযোগ করেছিলেন । তিনি বলেছিলেন মাগরিবের নামাজ পড়তে গিয়ে তার ভাই বাসায় ফেরেননি । রোববার সন্ধ্যায় আমরা লাশ উদ্ধার করেছি। হত্যার রহস্য উদঘাটনে আমরা কাজ করছি।
মন্তব্য করুন