

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কক্সবাজারের পাবলিক হলে আয়োজিত দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে ছাত্র-নাগরিকের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একটি সুষ্ঠু ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে প্রশাসন, চিকিৎসকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন উল্লেখ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ দাবি বা প্রত্যাশা পূরণে ‘দাদাগিরি’র মতো প্রশাসন বা চিকিৎসকদের ওপর চাপ প্রয়োগ না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
হাসনাত বলেন, ‘যখন ভাঙার সময় আসে তখন আমরা এক
হয়ে যাই। যেমন ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময়, একাত্তরের যুদ্ধে, নব্বইয়ের অভ্যুত্থানে
কিংবা ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে আমরা সবাই এক হয়ে লড়েছিলাম। এসময় আমরা কাউকে জিজ্ঞেস
করিনি কে সরকারি চাকরি করে- কে করে না, কে বিসিএস ক্যাডার- কে ক্যাডার না। এভাবে
পৃথিবীর সবকিছুতেই ভাঙার সময় এক হয় মানুষ, কিন্তু যখন গড়ার সময় আসে তখন বিভাজন
সৃষ্টি হয়। ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত আমাদের মাঝে কোনো বিভেদ
ছিল না। যখন রাষ্ট্র সংস্কার ও পুনর্গঠনের সময় এসেছে তখনই বিভাজন তৈরি করছি। এই
জায়গা থেকে আমাদের বের হতে হবে। বাংলাদেশের প্রশ্নে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ’
ফ্যাসিস্টদের সরাতে শত শত ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন উল্লেখ করে এ সমন্বয়ক আরও বলেন, ‘তারা তো কোনো পদ-পদবি চাননি। আন্দোলন শেষে আমরা যখন রাষ্ট্র ও সরকার মেরামতের কাজে হাত দিয়েছি, তখন অনেকেই পদ-পদবির জন্য উঠে-পড়ে লেগেছেন।
মতবিনিময় সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের
চট্টগ্রামের সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি, কক্সবাজারের সমন্বয়ক শাহেদ ওয়াহেদ,
শাহেদ মাহমুদ লাদেস, সাহাব উদ্দিন চৌধুরী, ফাহমিদা হাসানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ফেনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে ১৮ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব।
আজ (৬ অক্টোবর) ফেনী র্যাব-৭ এর একটি টিম অভিযান চালিয়ে আটক করে জাহেদ হোসেন (২৩) ও আয়েশা আক্তার (৪৪)-কে। জাহেদ টেকনাফ উপজেলার জাহিদি মোডা নোয়াপাড়া এলাকার নুর হোসেনের ছেলে। আর আয়েশা কক্সবাজার সদর উপজেলার পাহাড়তলি এলাকার উসমান গনির স্ত্রী।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদে মাদক পরিবহণের খবর পেয়ে তারা সাদা পোশাকে রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে এক নারী ও এক পুরুষ পালানোর চেষ্টা করলে র্যাব তাদের আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ১৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে লাকসাম রেলওয়ে থানা (জিআরপি) পুলিশের কাছে মাদকসহ আটককারীদের হস্তান্তর করেছে।
মন্তব্য করুন


ঝালকাঠিতে
প্রেমিকার রান্না করা নুডুলস খাওয়ার পর সজল দেবনাথ (১৯) নামে এক কলেজছাত্রের রহস্যজনক
মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার
(১১ নভেম্বর) সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজলের মৃত্যু হয়। সজল
দেবনাথ ঝালকাঠি সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও ঝালকাঠি সদরের জেলেপাড়া এলাকার
বাসিন্দা সনাতন দেবনাথের ছোট ছেলে।
সজলের
পরিবার জানায়, রবিবার রাতে জগদ্ধাত্রী পূজার উৎসবে অংশ নিয়ে সজল বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন।
রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ অস্বাভাবিক আওয়াজ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তার কক্ষে গিয়ে
দেখেন, সজলের পা বাঁধা অবস্থায় এবং তার কথিত প্রেমিকা তিথি খাটের নিচে লুকিয়ে আছেন।
দ্রুত তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও
তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সজলের
বড় বোন অভিযোগ করেন, তিথি তার বাসা থেকে সজলের জন্য নুডুলস নিয়ে আসেন, যা খাওয়ার পরই
সজলের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবারের ধারণা, নুডুলসে কোনো বিষাক্ত পদার্থ থাকতে
পারে, যা সজলের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
এ
বিষয়ে প্রেমিকা তিথি জানান, তাদের দু’বছরের সম্পর্ক রয়েছে এবং জগদ্ধাত্রী পূজার দিন
তারা কিছুক্ষণ সময় কাটান। তবে সজলের আচরণ নিয়ে মতবিরোধের কারণে তাদের মধ্যে তর্ক হয়
এবং তিথি অভিযোগ করেন, সজল তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। ঘটনার দিন রাতে সজলের সঙ্গে
কাটালেও তিনি ঘটনাটি আড়াল করেন।
ঝালকাঠি
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এটিএম মেহেদী হাসান সামি বলেন, গভীর রাতে হাসপাতালে
আনার পর দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসা করা হলেও সজলকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর
সঠিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
ঝালকাঠি
সদর থানার পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করেছেন।
মন্তব্য করুন


ফাতেমাতুজ
জোহরা
তন্বী,
প্রতিবেদক
:
প্রতিবছর ১৯ আগস্ট বিশ্বজুড়ে এই দিনটি উদযাপন করা হয় ফটোগ্রাফির গুরুত্ব, ইতিহাস এবং এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সৃজনশীল মানুষদের সম্মান জানাতে।
১৮৩৯ সালের এই দিনে ফ্রান্স সরকার ‘ডাগুয়েরোটাইপ’ (Daguerreotype) নামে পরিচিত প্রথম কার্যকর ফটোগ্রাফি প্রযুক্তিকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করে। সেই স্মৃতিতেই প্রতি বছর ১৯ আগস্ট পালন করা হয় বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস।
আজকের দিনে, বিশ্বজুড়ে পেশাদার এবং শৌখিন ফটোগ্রাফাররা বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, প্রদর্শনী এবং কর্মশালার মাধ্যমে ফটোগ্রাফির গুরুত্ব তুলে ধরছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ #WorldPhotographyDay ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ মানুষ শেয়ার করছেন তাঁদের প্রিয় মুহূর্তগুলোর ছবি।
বাংলাদেশেও দিবসটি ঘিরে বিভিন্ন স্থানে ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। অনেক তরুণ আলোকচিত্রী তাঁদের তোলা ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে সমাজের বাস্তবতা, সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্য তুলে ধরছেন।
একজন ফটোগ্রাফার শুধু ছবি তোলেন না, তিনি সমাজের এক নিঃশব্দ ভাষ্যকার। ফ্রেমের ভেতরে একটি মুহূর্তকে ধরে রেখে তিনি ইতিহাসের সাক্ষ্য দেন। এই বিশেষ দিনে, তাঁদের প্রতি রইল অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় মিশুক চালক সাব্বির হোসেনকে হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও গ্রেফতারকৃত আসামীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। রবিবার দুপুরে এলাকাবাসীর আয়োজনে কচুয়া-সাচার-গৌরিপুর সড়কের পালাখাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাব্বির হত্যার গ্রেফতারকৃত আসামীদের দ্রুত ফাঁসির কার্যকর দাবি জানাচ্ছি। কোনো ভাবে তারা যেন আইনের ফাঁকফোকড় দিয়ে জামিন না পায় তারও দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের মা জাহানারা বেগম,উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ডা. মাসুদুর রহমান বাবুল,পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি করেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুুস,যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন,অহিদ রাজা প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি বুধবার বিকালে মিশুক নিয়ে সাব্বির বাড়ি থেকে বের হলেও আর বাড়ি ফিরেনি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে পালাখাল-সেঙ্গুয়া সড়কের পাশে ডোবা থেকে মিশুক চালক সাব্বির হোসেনের হাত পা বাধা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা জাহানার বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করলে তারই প্রেক্ষিতে ৯জন আসামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার চরজোকা এলাকার ভয়ংকর মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতা মিলন ফকিরসহ মানব পাচার চক্রের সদস্য রিজাউল ফকির ও তাসলিমা বেগম কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ এর আভিযানিক দল।
র্যাব জানান, চক্রের মূলহোতা মিলন ফকির দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়া থেকে মানব পাচারের কাজ করে আসছে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বেকারত্ব ও দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে তার চক্রের অন্যান্য সদস্যদের মাধ্যমে বিদেশে ভালো চাকরী দেওয়ার লোভ দেখিয়ে মানব পাচার করে আসছিল। এই চক্রটি ফরিদপুরের ভাংগা থানার গোয়ালদী গ্রামের সহিদুল শেখ (৪৮) এর ছেলে জুবায়েদকে ১২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইতালিতে মোটা টাকার বেতনের চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে আসে। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে বাঁচার জন্য জুবায়েদের হত দরিদ্র বাবা-মা জায়গা-জমি বন্ধক রেখে অনেক কষ্ট করে টাকা জোগার করে উপরোক্ত মানব পাচার চক্রের সদস্য রিজাউল ফকির ও তাসলিমা বেগমকে দেয়। গত ২০২২ সালের আগস্ট মাসের ২৯ তারিখে আসামীরা পরস্পর যোগসাজসে জুবায়েদকে পাচারের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে নিয়ে লিবিয়া পাঠিয়ে দেয় । এরপর থেকে জুবায়েদের আর খোঁজ না পেয়ে তার বাবা-মা মূলহোতা মিলনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সে আরো দশ লক্ষ টাকা দাবী করে তার ছেলেকে ফিরিয়ে দেবার কথা বলে। এরই মধ্যে হঠাৎ করে জুবায়েদ একদিন ফোন করে বলে তাকে প্রচুর অত্যাচার করেছে এবং ট্রলারে করে তাকে সাগরে নিয়ে যাচ্ছে। তার বাবা-মা এতে আতঙ্কিত হয়ে মূলহোতা মিলনকে আরো ছয় লক্ষ টাকা দিলেও তার ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৬/৭/৮ ও ১০ ধারায় মামলা দায়ের করেন। এই মানব পাচারের সাথে জড়িত চক্রটির মূলহোতা মিলন ফকিরসহ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার লক্ষ্যে র্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ, সিপিএসসি কোম্পানি এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তাদের অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করেন। আজ (৫ মে) নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানা এলাকা থেকে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা এজাহারনামীয় ১নং আসামী মিলন ফকির (৪২), মানব পাচার চক্রের সদস্য ২নং আসামী রিজাউল ফকির (৬৫), ৩নং আসামী তাসলিমা বেগম (৫৫) কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানাধীন চরজোকা এলাকার মোঃ রিজাউল ফকির এর ছেলে মিলন ফকির, মৃত আলিম উদ্দিন ফকির এর ছেলে রিজাউল ফকির, রিজাউল ফকির এর স্ত্রী তাসলিমা বেগম।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য ফরিদপুর জেলার ভাংগা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২৬ নভেম্বর রাতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন চাপাপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী মোঃ বকুল মিয়া নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর হেফাজত
হতে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি অটো মিশুক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ বকুল মিয়া (৩৮) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বিবির বাজার গ্রামের মৃত সামছু
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত অটো মিশুক ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা কান্দিরপাড়স্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) হাজী মোস্তাক মিয়া।
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় ভোক্তা অধিদপ্তরের একটি অভিযানে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অনিয়ম ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আজ বুধবার (২৮ মে) দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার ও প্রযুক্তিবিদ (টেকনোলজিস্ট) না থাকায় “কুমিল্লা তিতাস মেডিকেল” প্যাথলজিকে ৫০,০০০ টাকা এবং আল নুর হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে রেডিওলজিস্ট না থাকায় ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা তিতাস মেডিকেলে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া রিএজেন্ট ব্যবহার
করা হচ্ছিল এবং সেখানে কোনো রেজিস্টার্ড মেডিকেল টেকনোলজিস্ট কর্মরত ছিলেন না। অন্যদিকে,
আল নুর হাসপাতালে এক্স-রে পরীক্ষার সময় কোনো রেডিওলজিস্ট উপস্থিত না থাকায় রোগীদের
সেবা বিঘ্নিত হচ্ছিল। এছাড়া, প্রতিষ্ঠান দুটি রোগীদেরকে প্রতিশ্রুতিসম্মত সেবা প্রদান
করতে ব্যর্থ হয়।
ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর অধীন এ অনিয়মের জন্য মোট ৭০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পাশাপাশি, ভবিষ্যতে সঠিকভাবে সেবা প্রদান ও নিয়ম মেনে চলার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া
হয়।
জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে
এই অভিযান পরিচালিত হয়। তাকে সহযোগিতা করেন অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা
জেলা পুলিশের একটি টিম।
ভোক্তা
অধিদপ্তর জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো প্রতিষ্ঠানই
ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে রেয়াত পাবে না।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাসে ভারী ভর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যার প্রবল স্রোতে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে গোমতী নদীর উপর ইস্পাত ও কাঠের সংমিশ্রণে নির্মিত অস্থায়ী সেতু।
বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার আসমানিয়া বাজার সংলগ্ন ওই সেতুটি ভেসে যাওয়ার দৃশ্যটি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় সেতুটির উপর দিয়ে পারাপাররত মানুষগুলোকে দিকবিদিক ছুটতে দেখা যায়। সেতুটি প্রথমেই পূর্বদিকে হেলে যায়, তারপর কিছুক্ষণ ভেসে তা নদীতে বিলিন হয়ে যায়।
সেতুটি ভেসে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে প্রায় ২২টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। এতে করে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এলাকাসীর মাঝে। দুর্বল অবকাঠামোয় নির্মাণ ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারনে সেতুটি এনিয়ে দুই বার ভেঙে যায় বলে জানান তারা।
পথচারীরা জানান, সেতুটি ভেঙে পড়ায় আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। বিকল্প নৌকায় যাতায়াত করতে গেলে এখন টাকা ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও দেখেছি, এখনো পরিদর্শনে যেতে পারিনি। প্রবল স্রোতে ও কচুরিপানার চাপে সেতুটি ভেসে যায়। তাছাড়া নতুন ব্রিজের কাজ চলমান হওয়ায় নদীর দুপাশ সরু হওয়ায় ওই অংশে স্রোতের চাপ বেড়ে যাওয়ায় অস্থায়ী সেতুটি ভেসে যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে অস্থায়ী সেতুটি পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ৩ নং কালিকাপুর ইউনিয়নের ছুপুয়া গ্রামে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিদেশী পিস্তলসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের নোয়াপুর গ্রামের আবদুল মোতালেবের ছেলে নাজমুল হাসান(২০) ও একই গ্রামের আবুল কালামের ছেলে রাকিব হোসেন(২০)। ছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ত্রিনাথ সাহা।
চৌদ্দগ্রাম থানার কর্মরত এসআই(নিঃ)লিটন চাকমা ও এএসআই(নিঃ)মোঃ নজরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সনিয়ে (৬ই মার্চ) দুপুর ১২.১৫ মিনিটে উপজেলার ৩নং কালিকাপুর ইউনিয়নের ছুপুয়া বাজারের পূর্ব পাশে পাকা রাস্তার উপর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একটি কাগজের বক্সের ভেতর কসটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ১ টি বিদেশী পিস্তল, ০২টি ম্যাগজিন, ২২ রাউন্ড গুলি সহ ২ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো, উপজেলার ৩নং কালিকাপুর ইউনিয়নের নোয়াপুর গ্রামের আব্দুল মোতালেব এর ছেলে মোঃ নাজমুল হাসান (২০)ও আব্দুল কালাম এর ছেলে মোঃ রাকিব হোসেন(২০)। পলাতক আসামি মোঃ রাহাত(২০) ০৮নং মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের ওমর আলীর ছেলে।
বুধবার সন্ধ্যায় তথ্যটি নিশ্চিত করে বিষয়টি নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা তন্ময় বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন