

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ার মনপুরা-নয়াকান্দি মাঠে ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি কাটার অভিযোগে ভেকু বিকল করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকালে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পি দত্ত রনি।
জানা গেছে, উপজেলার মনপুরা-নয়াকান্দি উত্তর পূর্ব বিলে সরকারি খাল বন্ধ করে একই এলাকা চকমোহাম্মদ গ্রামের ছিকু মিয়ার ছেলে ইউসুফ মিয়া ও মনপুরা গ্রামের আব্দুল মালেকের পুত্র ইউনুস মিয়া ভেকু বসিয়ে মাটি কেটে বিক্রি করে। এ সংবাদ পেয়ে প্রশাসনের লোকজন তা বিকল করে দেয়।
কচুয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) বাপ্পি দত্ত রনি জানান, ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি বিক্রি করা বেআইনী। কোথাও অবৈধ ভাবে মাটি বিক্রি করলে অভিযানের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


প্রায় এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার
পর কুমিল্লার ১৮টি থানার কার্যক্রম সোমবার শুরু হয়।
কর্মবিরতিতে থাকা পুলিশ
কর্মকর্তা ও সদস্যরা কাজে যোগ দেওয়ায় থানার কার্যক্রমে গতি এসেছে আর এদিকে১ যঙয ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের উপস্থিতিতে সড়কে
দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থী ও আনসার সদস্য কমতে শুরু করেছে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১৩
আগষ্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান জানান, গতকাল (সোমবার) থেকে
জেলার ১৮ থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রায় সব পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাগণ ডিউটি
করছেন। সেবা গ্রহীতাদের তারা বিভিন্ন সেবা প্রদান করা শুরু করেছেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন, আমরা ইতোপূর্বে
থানার অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমগুলো শুরু করেছি। আমাদের কোতোয়ালি মডেল থানায় ১০৪ জন
অফিসার ফোর্স কর্মরত আছেন সবাই কাজে যোগদান করেছেন । সোমবার ও আজ মঙ্গলবার এ দুই
দিনে ৬টি অভিযোগ এবং ১৯টি জিডি করা হয়েছে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায়। যেকোনো
সেবা প্রত্যাশীরা জিডি কিংবা অভিযোগ অনায়াসেই আমাদের ডিউটি অফিসারের কাছে গিয়ে
করতে পারবেন। আমি এবং আমার ডিউটি অফিসাররা এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছি।
থানার সেবা আমরা চালু করেছি। কোতোয়ালি মডেল থানার কোন হামলা হয়নি।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংয়ের এক তরুণীর সঙ্গে কুমিল্লার
নাঙ্গলকোটের আরিম নামে এক তরুণের ৬ মাস আগে রং নাম্বারে পরিচয় হয় । তারপর ঢাকায় বিয়ে
করে।
এরপর স্ত্রীকে নিয়ে আরিফ কুমিল্লার
নাঙ্গলকোটে তার গ্রামের বাড়িতে আসলে পরিবার এ বিয়ে মানতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বাড়ি
থেকে বের হয়ে স্ত্রীকে রেলস্টেশনে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী আরিফ। স্ত্রীর দাবি নিয়ে
সেই তরুণী এখন অনশন করছে স্বামীর বাড়িতে।
প্রেমিক আরিফ (২১) কুমিল্লার নাঙ্গলকোট
উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের উরুকচাউল গ্রামের আবদুস ছাত্তারের ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণী জানান,
৬ মাস আগে রং নম্বরে তাদের দুজনের পরিচয় হয়। এরপর তাদের দেখা হয়। তারপর প্রেম। আরিফের
সঙ্গে তার বাড়িতে যান তিনি। কিন্তু আরিফের বাবা তাদের দুজনকে বের করে দেয়। এরপর প্রেমিক
তাকে নিয়ে রেলস্টেশনে যায়। সেখানে রেখে পালিয়ে যায় আরিফ। পরে স্ত্রীর স্বীকৃতি চেয়ে
অনশনে বসেছেন তিনি। স্ত্রীর অধিকার না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন।
আরিফের মা সেলিনা বেগম জানান, মেয়েটি
যদি বিয়ের প্রমাণ দেখাতে পারে তাহলে স্ত্রী হিসেবে মেনে নেবেন তারা।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী
বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৯৬ কেজি গাঁজাসহ তিনজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (৩১ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন হাউজিং এষ্টেট এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ জামাল
উদ্দিন (৫২), ২। মোঃ ইউসুফ মিয়া (৪০) এবং ৩। মোঃ আবু বক্কর (২২) নামক তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ৯৬ কেজি গাঁজা, মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি
প্রাইভেটকার ও একটি জীপ গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ জামাল উদ্দিন
(৫২) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত নুরু মিয়া এর ছেলে,
২। মোঃ ইউসুফ মিয়া (৪০) চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানার জিরি গ্রামের মৃত ইয়াকুব মিয়া
এর ছেলে এবং ৩। মোঃ আবু বক্কর (২২) চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানার মুন্সীখিল গ্রামের
মোঃ মুজিবুর রহমান এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিসিক শিল্প নগরীতে ‘মর্ডান ড্রাগ’ নামক একটি কারখানায় মাঝরাতে ঝটিকা
অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে সরকারি লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়া সম্পূর্ণ অবৈধ
ও মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ২১ পদের ভেজাল ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় কোনো
বৈধ টেকনিশিয়ান ছাড়া নিজেই এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরির অপরাধে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলামকে
হাতেনাতে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার
(২০ জুন) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের একটি চৌকস দল বিসিক এলাকার
ওই কারখানায় এই বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান।
জেলা
প্রশাসন ও ঔষধ প্রশাসন সূত্র জানায়, মর্ডান ড্রাগ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটির সরকারিভাবে
মাত্র দুটি সাধারণ ওষুধ তৈরির বৈধ অনুমোদন ছিল। কিন্তু কারখানার ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে
দেখা যায়, সেখানে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে শিশুখাদ্য ও শিশুদের সিরাপসহ ২১ ধরনের জটিল রোগের
ভেজাল ওষুধ তৈরি ও বোতলজাত করা হচ্ছিল। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, কারখানায় ওষুধ তৈরির
জন্য স্বীকৃত কোনো ফার্মাসিস্ট বা ল্যাব টেকনিশিয়ান ছিল না। মালিক জুবায়ের ইসলাম নিজেই
ইচ্ছেমতো উপাদান মিশিয়ে এসব ক্ষতিকর ওষুধ তৈরি করতেন। অভিযানে সেখানে কেবল একজন নামমাত্র
শিক্ষানবিশ কেমিস্টের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তৈরি করা এসব ভেজাল ওষুধ ডিলারের মাধ্যমে
দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের ফার্মেসিতে সরবরাহ করা হতো।
অভিযানে
অংশ নেওয়া কুমিল্লা ঔষধ প্রশাসনের অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার বলেন, "জব্দ করা
ওষুধের তালিকায় বেশ কয়েকটি নামী বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধও রয়েছে। ল্যাবে পরীক্ষা
ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এই ওষুধগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং মানবদেহের জন্য
রীতিমতো বিষসদৃশ। এ ঘটনায় ওষুধ আইন অনুযায়ী কঠোর নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।"
আটকের
পর অপরাধের কথা স্বীকার করে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম বলেন, "২১টির মধ্যে
১৫টিরও বেশি ওষুধ তৈরির কোনো বৈধ কাগজপত্র বা অনুমতি আমাদের ছিল না। আমরা মূলত বিভিন্ন
সাধারণ হারবাল কাঁচামাল এবং কেমিক্যাল ব্যবহার করে নিজেদের মতো করে এসব ওষুধ তৈরি করে
আসছিলাম।"
ভেজাল
ও নকল ওষুধের এই বড় আস্তানায় অভিযান পরিচালনার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা হাসান মাহমুদ এবং কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারসহ পুলিশের একটি দল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায়
বিসিকসহ কুমিল্লার সর্বত্র এই ধরনের ভেজালবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে
জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ার হরিপুর গ্রামে শুক্রবার রাতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নবীর হোসেন নামের এক প্রবাসীর ৪টি ছোট-বড় ঘর, ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর জন্য জমারাখা নগদ ৬ লক্ষ টাকা ও পাসপোর্ট সহ মূল্যবান মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রবাসীর স্ত্রী পারভীন বেগম জানান নগদ টাকাসহ প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে তাদের।
সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার মধ্যরাতে প্রবাসীর বসতঘরে আগুনের লেলিহান দেখে প্রবাসীর স্ত্রীর ডাক চিৎকার দিলে লোকজন ছুটে এসে প্রায় ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রন আনলেও ততক্ষনে নগদ টাকা, মূল্যবান কাগজপত্রসহ আসবাবপত্র পুড়ে যায়। আগুন নিভাতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী পারভীন বেগম, প্রতিবেশী শওকত হোসেন সহ ৫জন গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মীরা প্রায় ঘন্টা পর ঘটানাস্থলে পৌছানোর আগেই এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
অগ্নিকান্ডের সঠিক কারন জানা না গেলেও ক্ষতিগ্রস্থ প্রবাসীর স্ত্রী পারভীন বেগম একই বাড়ির সফিউল্যা’র স্ত্রী সায়েরা বেগমের গোয়াল ঘরে কয়েলের আগুন থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি করেন। এদিকে সফিউল্লাহর স্ত্রী সায়েরা বেগম ওই রাতে তাদের গোয়াল ঘরে মশার কয়েল জ¦ালানোর কথা শিকার করলেও কিভাবে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা বলতে পারেননি। তাদেরও একটি গরু ওই অগ্নিকান্ডে মারা যায় এবং অপর একটি গরু অগ্নিদগ্ধ হয় বলে জানান।
কচুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি এবং অগ্নিকান্ডের রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


প্রেমিকার অনশনের খবর পেয়ে প্রেমিক পালিয়ে যায়। নিরুপায় হয়ে প্রেমিকার বাবা মেয়ের প্রেমিকসহ তার দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের তাড়াশের তালম ইউনিয়নে।
রোববার (১৪ এপ্রিল) রাতে তাড়াশ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। আর মামলার প্রধান আসামি প্রেমিক মো. মহিবুল্লাহ (২৪) ও তার দুই বন্ধু।
আসামি মহিবুল্লাহ তালম ইউনিয়নের আব্দুল মমিনের ছেলে ও ঢাকার একটি কলেজের সম্মান তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে সে পলাতক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪ বছর ধরে মহিবুল্লাহর সঙ্গে একই গ্রামের প্রতিবেশী এক স্কুলছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক চলছে। প্রেমিক মহিবুল্লাহ বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রেমিকা মহিবুল্লাহকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে টালবাহানা শুরু করে। গত শনিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে প্রেমিক মহিবুল্লাহর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে প্রেমিকা।
আর এদিকে প্রেমিকার অনশনের খবর পেয়ে পালিয়ে যায় প্রেমিক। পাশাপাশি তার বাবা-মাসহ স্বজনরা বাড়িতে তালা মেরে সটকে পড়েন।
তারপর বিয়ের দাবি পূরণ না হওয়ায় মেয়ের প্রেমিক ও তার দুই বন্ধুর নামে ধর্ষণ মামলা করেছেন বাবা।
বিষয়টি নিয়ে প্রেমিক মহিবুল্লাহ ও তার স্বজনদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে তাড়াশ থানার ওসি মো: নজরুল ইসলাম জানান, মামলাটি তদন্তের জন্য থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো: সিরাজুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর জন্য রাষ্ট্রের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, এই মৃত্যুর জন্য রাষ্ট্রের ব্যর্থতার দায় অবশ্যই আছে, আমরা তা অস্বীকার করছি না।
শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের চেক বিতরণ ও সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, যেসব ভাই-বোন স্বজন হারিয়ে এসেছেন, তাদের ক্ষতি কোনো রাষ্ট্রই পূরণ করতে পারবে না। এই মৃত্যুর জন্য রাষ্ট্রের ব্যর্থতার দায় অবশ্যই আছে, আমরা তা অস্বীকার করছি না। নিহতদের পরিবারের যেকোনো প্রয়োজনে রাষ্ট্র সজাগ থাকবে। কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও সেবার ক্ষেত্রে নিহতদের পরিবার যাতে অগ্রাধিকার পায়, সেটি সরকার নিশ্চিত করবে।
কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আট লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পদুয়ার বাজার এলাকায় আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণ করা হবে।
জেলা প্রশাসন কুমিল্লা ও বিআরটিএ কুমিল্লা সার্কেল যৌথ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক।
আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয় এবং সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
ছাত্র সমাজে দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব সৃষ্টি ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে দুর্নীতি দমন কর্তৃক চাঁদপুরের কচুয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার উপজেলার কোমরকাশা জামালিয়া কমপ্লেক্স দাখিল মাদ্রাসায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মাদ্রাসার সুপার মো. আবু ছালেহ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক মানিক সরকার।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাদ্রাসার সহ-সুপার মো. বোরহান উদ্দিন,শিক্ষক গৌতম সরকার,শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাছান সহ আরো অনেকে। এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও এলাকার গন্যমান্র ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে খিচুড়ি নিয়ে বিরোধের জের ধরে শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আল-আমিনকে হত্যার দায়ে মোঃ নেয়ামত উল্লাহ নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
রোববার (৩১ মার্চ) দুপুরবেলা কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোছা: ফরিদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন: কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন শালধর (সামারচর) গ্রামের মোঃ মোসলেম সরদারের ছেলে মোঃ নেয়ামত উল্লাহ (১৮)।
মামলার বিবরণে জানাযায়, ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী মাগরিবের নামাজের শেষে শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ভিকটিম আল-আমিন (৯) মাহফিলের কথা বলে বাড়ীতে ফিরে না আসায় তাঁর পিতাসহ আত্মীয় স্বজন বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে না পেয়ে পরদিন কোতয়ালী মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পরেরদিন শালধরের জৈনক দেলোয়ার হোসেন এর বাগানের পাশে পুকুরে ছোট শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে শোর চিৎকার করে মোঃ আল আমিন এর পিতা। আল-আমিন এর মরদেহ পুকুর থেকে উপরে তুলে দেখেন আল-আমিনের ঘাড়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এ ব্যাপারে ২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী ভিকটিম মোঃ আল আমিন এর পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন শালধর গ্রামের মৃত মালু মিয়ার ছেলে মোঃ ফয়েজ আহমেদ ও অজ্ঞাতনামা আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সারওয়ার আলম তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি মোঃ নেয়ামত উল্লাহ (১৮) ও মোঃ শাহ জাহানকে আটক করে।
পরবর্তীতে মামলাটি বিচারে আসলে রাষ্ট্রপক্ষে ১৫জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ নেয়ামত উল্লাহ এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধানমতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০১ ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপর আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী এপিপি মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আশা করছি উচ্চ আদালত উক্ত রায় বহাল রাখবেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৩০ কেজি গাঁজা ও ৩ বোতল বিদেশী মদ সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
২৮ আগস্ট রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন
উত্তর রামপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আসামী ১। মোঃ মোজাম্মেল
হোসেন (২৯) এবং ২। মোঃ মাসুদ (৩২) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময়
আসামীদের কাছ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা, ৩ বোতল বিদেশী মদ ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি
প্রাইভেটকার গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ মোজাম্মেল
হোসেন (২৯) নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার বিন্না দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত কালাচাঁন
মিয়া এর ছেলে এবং ২। মোঃ মাসুদ (৩২) ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার বারহা গ্রামের মৃত হারুন
অর রশিদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত
প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও বিদেশী
মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন