

শেরপুর থেকে ঢাকাগামী ট্রাকে ১ হাজার ৩০১ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদসহ তিন যুবককে আটক করেছে র্যাব-১৪ জামালপুর। জব্দকৃত মদের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭০ লাখ টাকা।
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় র্যাব-১৪ জামালপুর কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান র্যাব কর্মকর্তারা। এর আগে ৪ জানুয়ারি শেরপুর থেকে ৩৬৯ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছিল।
আটককৃতরা হলেন—শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী থানা রোড এলাকার মো. মিনাল মিয়া (৩২), মো. রিয়াদ হোসেন (২৮) ও মো. নুরুল আমিন (৩৪)।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শেরপুর সদর উপজেলার মোকছেদপুর নয়াপাড়া এলাকা থেকে ঢাকার দিকে ভারতীয় মদ পাচারের একটি ট্রাকের তথ্য পাওয়া যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব অভিযান চালিয়ে মোকছেদপুর নয়াপাড়া নন্দীর বাজার থেকে বকশীগঞ্জগামী পাকা সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে।
চেকপোস্টে ট্রাকটি থামার সংকেত পেলেও চালক পালানোর চেষ্টা করেন। র্যাবের তৎক্ষণিক ধাওয়ার পর ট্রাক ও তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ১ হাজার ৩০১ বোতল ভারতীয় বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।
জামালপুর র্যাব-১৪ কম্পানি কমান্ডার মেজর আসিফ আল-রাজেক জানান, শেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে ঢাকাগামী ভারতীয় মদ পাচারের একটি শক্তিশালী চক্র গড়ে উঠেছে। সীমান্ত এলাকা থেকে মদ সংগ্রহ করে শেরপুর-জামালপুর বা শেরপুর-ময়মনসিংহ সড়ক ব্যবহার করে রাজধানীতে পাচার করা হয়। তিনি আরও জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে শেরপুর সদর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ মিয়া,কচুয়া:
বছর খানেক আগে জীবিকার তাগিদে পাড়ি জমান মালয়েশিয়া। কিন্তু সেখানে দালালের খপ্পরে পড়েন ইসমাইল। ওই দেশে অবৈধ থাকায় কষ্টে কাটান তিনি। কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়েছন ইসমাইল। অবৈধ থাকায় উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছেন কেউ। পরিবারের দরিদ্রতার কারনে আর্থিক সংকট থাকায় দেশে আনতেও পারছেন না তার পরিবার। বলছি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মেঘদাইর গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান ইসমাইল হোসেনের কথা।
জানা যায়, পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা কাটাতে ঋন করে ছেলে ইসমাইলকে মালয়েশিয়া পাঠান তার পরিবার। কিন্তু সেখানে দালালের খপ্পরে পরে নিঃস্ব হয়ে যায় সে। তাছাড়া ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। ছেলের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৮ লক্ষ টাকা। যা পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অপর দিকে টাকার জন্য ইসমাইলকে দেশে আনতেও পারছেন তার পরিবার। মালয়েশিয়া থেকে ইসমাইলকে দেশে আনতে সরকার সহ সমাজের বিত্তবানদের আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন তার পরিবার। বর্তমানে ইসমাইলের স্ত্রী,২ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে।
ইসমাইলের বাবা সুরুজ মিয়া ও মা খোরশেদা বেগম বলেন, আমাদের ছেলেকে ঋন করে বিদেশে পাঠিয়েছি। ছেলের এমন অবস্থা দেখে আমরা কিছুই করতে পারছি না। তাই ছেলেকে উন্নত চিকিৎসা ও দেশে আনতে সকলের কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করছি।
কেউ আর্থিক সহযোগিতা করতে চাইলে এই নাম্বারে ০১৬৩০৩২৭১৮৩ ও ০১৩২৫০৪২৬১৬ যোগাযোগ করার আহ্বান করা গেল
মন্তব্য করুন


সোমবার
বিকেলে কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে আম রূপালী ও নারিকেল গাছসহ
বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ রোপন করেন সদ্য যোগদানকৃত কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও
দায়রা জজ মোসতাক আহমেদ।
বৃক্ষ
রোপনকালে কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোসতাক আহমেদ বলেন- এ বিশ্বকে
সুশীতল ও বাসযোগ্য করে রাখাসহ মানুষের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য যেসব মৌলিক
চাহিদা রয়েছে তার অধিকাংশই পূরণ করে বৃক্ষ। তাই মানব জীবনে বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা
অপরিসীম।
তিনি
আরও বলেন- গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছপালা ব্যতীত পৃথিবীতে আমাদের অস্তিত্ব কল্পনা
করা কঠিন। দেশের অর্থনীতিও জনজীবনে স্বাচ্ছন্দ আনার জন্য আমাদের প্রত্যেকের অন্তত
দুটি করে বৃক্ষরোপণ করা দরকার।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান সহ জেলা
জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির অন্যান্য বিচারকগণ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
দেড় কোটি টাকা মূল্যের ৬৪ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করেছে ৬০ বিজিবি।
শুক্রবার
(৮ নভেম্বর) বিকালে আদর্শ সদর উপজেলার টিক্কারচর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এক
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সুলতানপুর ব্যাটেলিয়ন (৬০ বিজিবির) অধিনায়ক
লেঃ কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার।
প্রেস
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার দুপুরে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) মাদক বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার টিক্কারচর থেকে হতে ১ কোটি ৫৮ লক্ষ
টাকা মূল্যের ভারতীয় নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ৬৪ হাজার পিস এবং টয়োটা
গাড়ি ১ টি উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া অভিযান চালানোর অধিকার কারও নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান।
রমজানে বাজার অস্থিতিশীল না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
মহাসড়কে যেসব জায়গায় ডাকাতি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেসব জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘রমজান ও ঈদ ঘিরে ডাকাতি আর ছিনতাই রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘মব হচ্ছে এটা অস্বীকার করব না। জনগণকে সচেতন হতে হবে। জনগণ উচ্ছৃঙ্খল হলে তো চলবে না।’
দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর জানিয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মব প্রতিরোধে কাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া কারও অধিকার নেই অভিযান চালানো।’
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি:
উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের নেফরা গ্রামে হৃদয়বিদারক ও আনন্দঘন এক ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ২৮ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া শিশু সাইফুল ইসলাম অবশেষে ফিরে এসেছে তার বাবা-মায়ের কোলে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সন্তানকে ফিরে পেয়ে পরিবার ও আত্মীয়স্বজন আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন।
সাইফুল দরিদ্র কৃষক পরিবার আব্দুল লতিফ ও আমেনা বেগম দম্পতির চতুর্থ সন্তান। নয় বছর বয়সে পরিবারের অভাব অনটনের কারণে প্রতিবেশী এক নারীর সঙ্গে চট্টগ্রামে কাজের উদ্দেশ্যে রওনা হয় সে। কিন্তু পথে ট্রেন থামলে শৌচকর্ম সারতে নেমে যায় সাইফুল। মুহূর্তেই ট্রেন ছেড়ে গেলে নিখোঁজ হয়ে যায় সে। এরপর থেকে আর খোঁজ মেলেনি ছোট্ট সাইফুলের।
ভাগ্যের খেলায় সাইফুল আশ্রয় পায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারি রেলস্টেশনের এক চায়ের দোকানে। সেখানেই কাটে তার দীর্ঘ ২৮ বছর। সম্প্রতি নেফরা গ্রামের এক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপচারিতায় নিজের বাবা-মায়ের নাম ও গ্রামের নাম বলতে পারায় ধীরে ধীরে সাইফুলের খোঁজ মেলে।
পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার বড় ভাই মাহফুজার রহমান ভাটিয়ারি গিয়ে সাইফুলকে বাড়ি নিয়ে আসেন। শনিবার সকালে বাড়ি ফেরার পর শতশত মানুষ ভিড় জমায় তাদের বাড়িতে।
অশ্রুসিক্ত বাবা আব্দুল লতিফ বলেন, “ছেলেকে পেয়ে আমি আল্লাহর দরবারে সেজদায় পড়েছি। বহু বছর দোয়া করেছি, আজ আল্লাহ তা কবুল করেছেন।”
মা আমেনা বেগম বলেন, “সংসারের অভাবে ছেলেকে কাজে পাঠিয়েছিলাম। পথে হারিয়ে যায়। খুঁজেছি বহু জায়গায়। আজ আল্লাহর রহমতে সন্তানকে ফেরত পেলাম।”
এলাকাবাসী জানান, সন্তান হারিয়ে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। দাদী আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে নাতির ফেরার প্রার্থনা করলেও তা আর দেখে যেতে পারেননি।
চায়ের দোকানের মালিক মোস্তাকিন জানান, সাইফুল দীর্ঘদিন তার দোকানে কাজ করেছে। পরবর্তীতে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর লিখিতভাবে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেম বলেন, “পরিবারটি অসহায়। সরকারি-বেসরকারি সহায়তা খুবই প্রয়োজন।”
উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার সাহা বলেন, “২৮ বছর পর সন্তানকে ফিরে পাওয়া সত্যিই আনন্দের বিষয়। জাতীয় পরিচয়পত্রসহ সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পালাখাল মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান মজুমদার জয়।
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোড কর্তৃক এক প্রজ্ঞাপনে হাবিবুর রহমানকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করেছেন।
ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষকবৃন্দ, ছাত্রলীগ ও এলাকাবাসীর পক্ষে ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বিদ্যালয়ের নব নির্বাচিত সভাপতি হাবিবুর রহমান জয় বলেন, শিক্ষার প্রসার কার্যক্রমে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমার উপর যে দায়িত্ব অর্পন করা হয়েছে চেষ্টা করব এই এলাকার শতভাগ শিক্ষিত করার। পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয়টিকে ফলাফলের দিক থেকে দেশের মধ্যে সুনাম বয়ে আনবে।
তিনি আরো বলেন, আমাকে এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পন করায় চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনের সাংসদ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ড.সেলিম মাহমুদ এমপি মহোদয়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
এসময় ইউপি সদস্য মোঃ শাহজালাল মিয়া, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান সর্দার,শিক্ষক প্রতিনিধি নবীর হোসেন ,পালাখাল বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিল্লাল হোসেন,ফাতেমা আইডিয়াল একাডেমীর পরিচালক মাহবুব আলম,উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সৌরভ,পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান অভি,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান হাবীবসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন ‘তরী বাংলাদেশ’এর পক্ষ থেকে জন সাধারণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল
বিকেলে নগরীর পূবালী চত্ত্বর থেকে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন তরী বাংলাদেশ কুমিল্লা এর আহ্বায়ক হাবিবুর
রহমান। পরে কান্দিরপাড়, রানিরবাজার, টাউনহল, নিউমার্কেট এবং ভিক্টোরিয়া কলেজসহ বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন তরীরসদস্যরা।
এসময়
তরী বাংলাদেশ কুমিল্লা এর পক্ষে উপস্থিত
ছিলেন সদস্য সচিব মো. রেজাউল হাসান এবং আহবায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান, মো. কামরুর রশীদ, হানিফ চৌধুরী, ইব্রাহিম খলিল, মো. শরিফুল ইসলাম, রাকিবুল হাসান, জাফর সাদিক এবং রাজিব দাস।
তারা
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং যার যার অবস্থান থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে সচেতন হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তরী
বাংলাদেশ এর আহবায়ক হাবিবুর
রহমান জানান - ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে জনস্বার্থে এই সচেতনতামূলক লিফলেট
বিতরণ কার্যক্রম তরী বাংলাদেশ কুমিল্লা এর বিভিন্ন উপজেলা
শাখাসমূহের মাধ্যমে অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বড় ভাই আর ছোট ভাই ছিলেন বন্ধুর মতো।
কিন্তু তাদের বয়সের ব্যবধান ছিল পাঁচ বছরের। হঠাৎ জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান
বড় ভাই। কিন্তু ছোট ভাই সেই মৃত্যুর শোক সইতে পারলেন না। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে
মারা গেলেন ছোট ভাইও।
কোরবানির দিন গরু জবাই করার পর ছোট
ভাই সাখাওয়াত গরুর মাংস নিয়ে চলে যান বড় ভাইয়ের কবরের পাশে। কবরের পাশে বসে বসে
অশ্রুসিক্ত নয়নে বড় ভাইকে ডাকতে ডাকতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাকে স্থানীয়রা
উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৮ জুন)
সন্ধ্যায় মারা যান ছোট ভাই সাখাওয়াত।
ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড
উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের বগাচতর গ্রামের আব্দুল গাফফার চেয়ারম্যানের বাড়িতে।
মারা যাওয়া দুই ভাই হলেন, ওই এলাকার
মৃত নুরুল আফছারের বড় ভাই মোবারক হোসেন (৩৫) ও ছোট ভাই সাখাওয়াত হোসেন (৩০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচ বছর
বয়সের ব্যবধান বড় ভাই মোবারক হোসেন ও ছোট ভাই সাখাওয়াত হোসেনের। সম্পর্কে দুইজনই
ছিল বন্ধুর মতো। বড় ভাই মোবারক হোসেন হঠাৎ জন্ডিস রোগে আক্রান্ত হন। অনেক চিকিৎসা
করিয়েও মুক্তি পাননি জন্ডিস থেকে। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর বড় ভাই মোবারক হোসেন গত
রবিবার (১৬ জুন) নিজ বাড়িতে মারা যান। ওই দিনই বড় ভাইয়ের দাফন শেষে শোকাবহ হৃদয়ে
ঘরে ফিরে যান ছোট ভাই সাখাওয়াত হোসেন। পরদিন মারা গেলেন তিনিও।
সৈয়দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত)
মমিনুল ইসলাম মামুন জানান, এটি খুবই হৃদয়বিদারক ঘটনা। তারা তিন ভাই। মোবারক ও সাখাওয়া
দুইজন ছিল বন্ধুর মতো। তাই বড় ভাইয়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে এক দিনের ব্যবধানে
মারা গেল ছোট ভাইও। তারা দুইজনই বিবাহিত। মোবারক হোসেনের দুই বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
এলাকার মধ্যে তারা খুব নম্র-ভদ্র ও পরিচিত মুখ ছিল। তাদের এই মৃত্যুতে এলাকায় শোক বইছে।
মন্তব্য করুন


১১৫ বছর বয়সী মোয়াজ্জিন চোখে দেখতে পান না। তবুও দড়ি ও বাঁশ ধরে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত মসজিদে গিয়ে নামাজের জন্য ডাকেন সবাইকে।
অন্ধ মোয়াজ্জিন আব্দুর রহমান মোল্লার বাড়ি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামে। ২০ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারান। এর ৬ বছর পর বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে হজ পালন করেন। দেশে ফিরে নিজ গ্রামে তৈরি করেন একটি মসজিদ। এরপর নিজেই সেই মসজিদের মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
কিন্তু চোখে দেখতে না পাওয়ায় মসজিদে আসা-যাওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দেয় । সমাধানের জন্য বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত টেনে নিয়েছেন রশি ও বাঁশ।
আব্দুর রহমান মোল্লার ছেলে স্কুল শিক্ষক মো: শফিকুল ইসলাম সাইফুল জানান, বাবার বয়স ১১৫ বছর। হজ থেকে আসার পর বাবা যে মসজিদটি স্থাপন করেছেন সেখানে আজান দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু বাড়ি থেকে মসজিদের দূরত্ব প্রায় ২০০ মিটার। তখনই জটিলতা দেখা দেয় আসা-যাওয়া নিয়ে। পরে বাবা বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তায় রশি ও বাঁশ টাঙিয়ে দিতে বলেন।
বাবার দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী রশি ও বাঁশ টাঙিয়ে দেন ছেলেরা। এরপর প্রথম দিকে কয়েকদিন তার ছেলে ও নাতিরা রশি ও বাঁশের সাহায্যে মসজিদ পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে তাকে যাতায়াত ও রাস্তা পার হতে অভ্যস্ত করে তোলেন।
মোয়াজ্জিন আব্দুর রহমান বলেন, ১০ কাঠা জমি বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে মসজিদটি নির্মাণ করেছি। এখন টিউবওয়েলে পানি না ওঠায় অজু করতে সমস্যা হয়। মসজিদের পাশে একটা পানির পাম্পের ব্যবস্থা হলে খুব ভালো হতো।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর জেলার কচুয়ায় জান্নাত আক্তার (৯) নামের এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার রাত ৮টার দিকে পৌরসভার কড়ইয়া গাইন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে সোমবার ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। জান্নাত আক্তার উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের জাফর খন্দকারের মেয়ে।
জান্নাতের বাবা জাফর খন্দকার জানান, তার স্ত্রী খালেদা আক্তারের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য থাকায় প্রায় দু’ বছর যাবৎ তার স্ত্রী খালেদা আক্তার মেয়ে জান্নাতকে নিয়ে কড়ইয়া গ্রামে তার বাপের বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। এ ঘটনায় তদন্তপূর্বক মূল রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।
কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে চাঁদপুরের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
মন্তব্য করুন