

ফেনী জেলার পরশুরামে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) পরিদর্শনকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর বিবিধ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন সেনাপ্রধান। এরপর তিনি হেলিকপ্টার যোগে ফেনী জেলার পরশুরাম এবং সংলগ্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় তিনি উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত সেনা সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়াসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭, ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যগণ যথাক্রমে সিলেট, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এলাকায় বন্যা দুর্গতদের উদ্ধারে মোতায়েন রয়েছে। মোতায়েনরত সেনাসদস্যগণ নিরলসভাবে পানিবন্দী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেই সাথে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধান বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন । শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টা ২০ মিনিটে শপথ নেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২৮ মিনিটে তিনি তার গাড়িবহর নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
এর আগে বিএনপির নেতারা, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।
তার আগে দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ড. ইউনূসকে বহনকারী ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
এরপর বিমানবন্দরে ড. ইউনূস বলেন, আমার ওপর যদি আস্থা এবং বিশ্বাস রাখেন তাহলে এটা নিশ্চিত করতে হবে কারও ওপর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না। যদি বিশৃঙ্খলা করা হয় তাহলে আমি এই দায়িত্বে থাকব না।
নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন বিজয় দিবস শুরু করল। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। যারা এটি করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, তারা (সমন্বয়করা) দেশকে রক্ষা করেছে।
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেন, দেশবাসী কাছে আমার ওপরে বিশ্বাস রাখেন, ভরসা রাখেন, দেশে কারও ওপর কোনো হামলা হবে না।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি করাকে স্বাভাবিক করাকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনূস বলেন, যেজন্য আন্দোলন হয়েছে সেটার ফলাফল যেন ব্যর্থ না হয়। পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। যে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ নতুন করে বিজয় পেল তা যেন পূর্ণতা পায়।
মন্তব্য করুন


আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে বহুজাতিক ভিসা প্রোসেসিং সার্ভিস সংস্থা ভিএফএস গ্লোবাল ঢাকায় সুইডিশ দূতাবাসের সহযোগিতায় বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া বা সুইডেনে যাওয়ার জন্য শেনজেন ভিসা আবেদনের জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম চালু করবে।
রোববার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার সুইডিশ দূতাবাস থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
ঢাকার সুইডিশ দূতাবাস থেকে এক বার্তায় বলা হয়, আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে সব আবেদনকারীদের অবশ্যই ঢাকায় ভিএফএস গ্লোবাল সুইডেনের সঙ্গে শেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে আগাম একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। ওয়াক-ইন আবেদন আর গ্রহণ করা হবে না। অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লটটি আপনার ব্যক্তিগত তাই নিজেকেই বুক করতে হবে।
আপনি যখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন তখন ভিএফএস গ্লোবাল দ্বারা একটি পরিষেবা ফি চার্জ করা হবে। আপনি যদি অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য উপস্থিত না হন বা আপনার নির্ধারিত সময়ের স্লটের ২৪ ঘণ্টা আগে আপনি এটি বাতিল করেন তবে ফি ফেরত দেওয়া হবে না।
আপনার ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য যদি বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া বা সুইডেন ভ্রমণ করা হয় তাহলে অনুগ্রহ করে শুধুমাত্র ঢাকায় ভিএফএস গ্লোবাল সুইডেনের সঙ্গে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন।
অনুসন্ধানের জন্য অনুগ্রহ করে ভিএফএস হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। (+88) 09606 777 333 বা (+88) 09666 911 382 (সর্বজনীন ছুটি ছাড়া রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত)। এছাড়াও আপনি https://vfsforms.mioot.com/forms/CFNC/-এ তাদের যোগাযোগ ফর্মের মাধ্যমে ভিএফএস গ্লোবালে পৌঁছাতে পারেন।
মন্তব্য করুন


খাল
খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী ১৪ জুন কক্সবাজার সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান।
বুধবার
(৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।
বৈঠকে
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধ এলাকার দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা সমস্যা এবং তা থেকে
উত্তরণের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সিটি কর্পোরেশনের কাছে ডিএনডি বাঁধ হস্তান্তরের
বিষয়টি তুলে ধরে পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, ডিএনডি বাঁধ এলাকায় দীর্ঘদিনের একটা জলাবদ্ধতা
ছিল এবং এখনও এই সমস্যা অনেকাংশে রয়ে গেছে। ২০১৬ সালে এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প হাতে
নেওয়া হয়েছিল, যা ২০২৪ সালে এসে শেষ হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই প্রকল্পের সুফল এখন
পর্যন্ত সাধারণ মানুষ খুব একটা পাচ্ছে না, যার কারণে এখনও জলাবদ্ধতা লেগেই আছে।
জলাবদ্ধতার
স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আজ প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ সভা আহ্বান করেছিলেন উল্লেখ করে
মন্ত্রী বলেন, আজকের বৈঠকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের
সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সবার সম্মিলিত আলোচনায় আমরা এই সিদ্ধান্তে
উপনীত হয়েছি যে, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সমাপ্ত করা প্রজেক্টটি আগামী দুই সপ্তাহের
মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি
আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় এবং সবার সম্মিলিত উদ্যোগে
এবার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে। জলাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি এলাকার বর্জ্য অপসারণ
ও বর্জ্যমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও সিটি কর্পোরেশন সরাসরি তদারকি করবে। সবকিছু
মিলিয়ে এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি আলোচনা হয়েছে।
ডিএনডি
এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার আরও উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে শহীদ উদ্দিন
চৌধুরী এ্যানী বলেন, এই এলাকায় আরও ৩০ কিলোমিটার নতুন ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করার
বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনা হয়েছে।
খুব
শিগগিরই এই প্রকল্পের কাজ শুরু করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনগণকে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার
হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাওয়া হবে।
আজ শুক্রবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, টিকিট
জটিলতায় মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান,
বৈঠকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কর্মসংস্থান তৈরি, ভিসা সহজীকরণ এবং উচ্চশিক্ষা, রোহিঙ্গা
সমস্যা নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম
বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের দুই দেশের অর্থনীতিতে অবদান গুরুত্বপূর্ণ। টিকিট জটিলতায়
মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে। এই অঞ্চলকে শান্তিপূর্ণ
দেখতে আসিয়ানকে আরও কার্যকর করতে চায় মালয়েশিয়া।
এর আগে
দুপুর দুইটার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত
জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে
গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ
করবেন আনোয়ার ইব্রাহিম।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার
তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে বিগত সরকারের মতো নতজানু হয়ে নয়, পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে
ভারতের সঙ্গে মাথা উঁচু করে কথা বলবে।
তিনি আজ (৯ ফেব্রুয়ারি) জেলার কাউনিয়া
উপজেলার তিস্তা রেলব্রিজ সংলগ্ন মাঠে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে তিস্তা নদীর পানির হিস্যা
নিয়ে করণীয় শীর্ষক গণশুনানিতে এ কথা বলেন।
রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল
ফয়সালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে প্রধান অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান।
এছাড়াও শুনানিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ
ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ এবং রংপুরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ
উপস্থিত ছিলেন।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, প্রয়োজনে
তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে ভারতকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ প্রয়োগ করা হবে।
তিনি বলেন, আপনারা কেমন আছেন, জিজ্ঞাসা
করবো না, জানি আপনারা ভালো নেই।’
উত্তরবঙ্গের যেখানেই গিয়েছি সবার একটাই দাবি, ‘রিলিফ চাই না, তিস্তায় পানি চাই’। তিস্তা মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত অন্তর্বর্তী
সরকারের সময়ে হবে।
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা বলেন, তিস্তার
চরে জনসংখ্যা অনুপাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের ব্যবস্থা করবে সরকার। উত্তরবঙ্গের
কৃষিজ পণ্য সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন স্থানে কোল্ড-স্টোরেজ নির্মাণ করার পাশাপাশি কৃষিজ
শিল্পের বিকাশের জন্য চিনিকলগুলো চালু করা হচ্ছে।
পীরগাছা থেকে চিলমারীর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি
বাড়াতে তিস্তার উপরে ১৪ শ’
মিটার ব্রিজের সার্ভে করা হয়েছে এবং বর্তমান সরকারের আমলেই তা উদ্বোধন করা হবে বলে
আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা।
ইতোমধ্যে শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে উপজেলাভিত্তিক
আধুনিক লাইব্রেরি এবং উন্নয়ন কাজের জন্য বিশেষ বরাদ্দের ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানালেন
তিনি।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, তিস্তা
আন্তর্জাতিক নদী হওয়ায় এই নদীর ওপর কোনো দেশের একক অধিকার নাই। তিস্তার বাঁধ খুলে দেওয়ার
আগে ভারতের উচিত আমাদেরকে অবশ্যই অবগত করা।
চীনের সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ২০২৫
সালের ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হবে বলে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, তিস্তার ভাঙন রোধে আগামী
সপ্তাহে শুরু হবে ৪৫ কি.মি. তীর-রক্ষা কাজ।
গণশুনানিতে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার জনসাধারণ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, তিস্তার পানির সুষম বণ্টন, তিস্তার সঙ্গে শাখা নদীগুলোর সংযোগ করা, তিস্তার পানির ন্যায্যতায় ভারতের সঙ্গে শক্ত অবস্থান, বন্যা-খরায় পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ, তিস্তার দুই পাড়ে শক্তিশালী বাঁধ নির্মাণসহ আরো নানা দাবি তুলে ধরেন তিনি।
মন্তব্য করুন


অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে। সরকার এ সমস্যা সমাধানের
চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন সালেহউদ্দিন আহমেদ।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় নিবে। সরকার চেষ্টা করছে বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাতে। এ জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি, কয়লা আমদানি করা হচ্ছে। চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের স্মরণ সভার জন্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা খরচ হবে। ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে । ১৪ সেপ্টেম্বর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানে সব শহীদ পরিবারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই ও বিদেশি অতিথিরাও আসবেন।
তথ্য উপদেষ্টা বিষয়টি ঠিক করবেন বলে জানান অর্থ উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


আজ রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর থানার অন্তর্গত পুরাতন মেঘাই গ্রামে যমুনা নদীতে রাতভর প্রবল বর্ষণ ও স্রোতের কারণে স্থানীয় বাঁধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আনুমানিক সকাল ১০ঘটিকায় শহর রক্ষা বাঁধটির ৭০x৩০ বর্গ মিটার এলাকা ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। শহর রক্ষা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাব পড়বে কাজীপুর এলাকাসহ আশপাশের এলাকায়, এমনকি বেশ কয়েকটি গ্রাম পানিতে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বগুড়া অঞ্চলের সিরাজগঞ্জ জেলায় দায়িত্বরত ১১ পদাতিক ডিভিশনের ৪০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির সেনাসদস্যদের একটি দল পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় বাঁধটি প্রাথমিকভাবে মেরামত পূর্বক ভাংগনের হাত থেকে রক্ষা করে।
উল্লেখ্য, যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা
জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো চাপ নেই।
এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে গণমাধ্যমকে সাহসের সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে
হবে।
আজ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দৈনিক
সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা
মো: নাহিদ ইসলাম বলেন, সঠিক তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার না হওয়ায় গুজব ও অপতথ্যের দ্বারা
মানুষ প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত হচ্ছে। গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যমকেই অগ্রণী ভূমিকা
পালন করতে হবে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের
গল্প গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে। আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের জনস্মৃতিতে রাখতে গণমাধ্যমকে
দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বিগত
ফ্যাসিবাদী সরকারের সমালোচনা করে উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেন, ওই সময় অনেক গণমাধ্যমকর্মী
ভয়ে সত্য ঘটনা প্রকাশ করতে পারেননি। এখন সেই সময় কেটে গেছে।
উপদেষ্টা
ফ্যাসিবাদী সরকারের গুম ও দুর্নীতিসহ সকল অপকর্মের তথ্য গণমাধ্যমে প্রচারের জন্য সাংবাদিকদের
প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি
বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। জনগণের কাছে সঠিক
তথ্য পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সরকার গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করে।
গণমাধ্যমের
সংস্কার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, সরকার গণমাধ্যমের সংস্কারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কমিশন
গঠন করেছে। কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গণমাধ্যমের সংস্কার করা হবে।
মতবিনিময়
সভায় পত্রিকার সম্পাদকগণ বলেন, বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ
নেই, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য আশীর্বাদ। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের কার্যকর
ভূমিকা রয়েছে।
তারা
বলেন, গত ১৬ বছর গণমাধ্যম সঠিক ভূমিকা পালন করলে দেশে ফ্যাসিবাদের উত্থান হতো না।
মতবিনিময়
সভায় ইংরেজি পত্রিকার জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়নেরও দাবি জানানো হয়।
মতবিনিময়
সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের
মহাপরিচালক আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ এবং দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় ফুটবল খেলা দেখার চমৎকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন চৌদ্দগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাৎ হোসেন। তাঁর এই দ্রুত ও প্রশংসনীয় উদ্যোগের ফলে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও যুবসমাজের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি চৌদ্দগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠ পরিদর্শনে যান। ঐ সময় মাঠে থাকা ফুটবলপ্রেমী তরুণেরা ইউএনও মহোদয়কে কাছে পেয়ে একসাথে বড় পর্দায় খেলা দেখার জন্য একটি প্রজেক্টরের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবদার জানান।
তরুণদের এই সুস্থ বিনোদন ও ক্রীড়ামুখী আবেগকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন ইউএনও শাহাদাৎ হোসেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে প্রজেক্টর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
মুখের কথার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই প্রতিশ্রুতি; পরিদর্শনের ঠিক পরদিনই প্রজেক্টরের সম্পূর্ণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। বর্তমানে চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুলে ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ দলবেঁধে, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বড় পর্দায় ফুটবল খেলা উপভোগ করছেন।
ইউএনও মহোদয়ের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানীয় তরুণ ও ফুটবলপ্রেমীরা বলেন, "আমাদের ছোট একটা আবদারকে ইউএনও স্যার এত দ্রুত মূল্যায়ন করবেন তা ভাবিনি। প্রজেক্টরের ব্যবস্থা হওয়ায় আমরা সবাই মিলে খেলার আসল আনন্দ উপভোগ করতে পারছি। আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।"
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, যুবসমাজকে মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রেখে মাঠমুখী করতে এবং সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরি করে দিতেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
বলেছেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা শুধু বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারাবিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত
মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উৎস।
‘ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস’ উপলক্ষে
এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা দাবি
থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান
মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন,
৭ জুন ‘ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস’। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
একটি অনন্য মাইলফলক। ৬ দফার মাধ্যমেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির
রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তির দাবি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
তিনি এই মহান দিনে জাতির
পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাঙালির
মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন আমি তাদের স্মৃতির প্রতি
জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা
বাঙালির সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষার দাবিতে যে আন্দোলনের সূত্রপাত
হয়, ৫২’র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার সফল পরিসমাপ্তি ঘটে। রচিত হয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের
ভিত্তি। এরপর ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠন, ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন ও ১৯৬২
সালে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে সর্বদলীয় সম্মেলনে ঐতিহাসিক ৬ দফা
প্রস্তাব পেশ করেন। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রানীতি, রাজস্ব
ও করনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, আঞ্চলিক বাহিনী গঠনসহ এই ৬ দফার মধ্যেই তিনি পূর্ব বাংলার
রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার তুলে ধরেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল
বাঙালির স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের রূপরেখা।
তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা
ঘোষণার পর শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায় এবং তাকে বারবার গ্রেফতার
করে। তা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু ৬ দফার দাবি থেকে পিছপা হননি।
রাষ্ট্রপতি জানান, বঙ্গবন্ধু
রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন।
এজন্য তিনি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নপূরণ তথা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবার প্রতি আহ্বান
জানান।
মন্তব্য করুন