বইছে মৃদু শৈত প্রবাহ, হিমেল হাওয়ায় কাবু জনজীবন

বইছে মৃদু শৈত প্রবাহ, হিমেল হাওয়ায় কাবু জনজীবন
সংগৃহীত ছবি

কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের দাপট। বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। হিমেল হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। 

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গতকাল ছিল  ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অপর দিকে ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীত উপেক্ষা করে বাড়ী থেকে বের হলেও কাজ পাচ্ছে না অনেকে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুর্যের দেখা মিলছে না। দিনের অধিকাংশ সময় থাকছে মেঘাচ্ছন্ন। এ সময় উওরীয় হিমেল হাওয়ায় ঠাণ্ডার তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি কাশিসহ - শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের মিরাজুল বলেন, এই ঠান্ডায় বাইরে  কাজ করতে যাচ্ছি। খুবই সমস্যা হচ্ছে,দুদিন ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগছি। শীতকালে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোয় মুসকিল হয়েছে। অভাবের সংসার, ছেলেদের গরমের কাপড় কিনবো তাও পারছি না।

কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান বলেন, ধরলা নদী বেষ্টিত এই ইউনিয়ন। এখানকার মানুষ বেশীরভাগ দিনমজুর। এখানে এ যাবত সরকারিভাবে ৩১০ টি কম্বল বরাদ্দ পেয়েছি। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, জানুয়ারি মাস জুড়েই তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ মাসের ২৫ তারিখের পর তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০

প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদোন্নতি বঞ্চিতদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদন

প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদোন্নতি বঞ্চিতদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদন
সংগৃহীত

পদোন্নতি বঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের আবেদন পর্যালোচনা কমিটি আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পেশ করেছেন।

কমিটি প্রধান জাকির আহমেদ খান কমিটির অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদনটি পেশ করেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে চাকরিতে নানাভাবে বঞ্চনার শিকার এবং উল্লেখিত সময়কালের মধ্যে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাগণের আবেদন পর্যালোচনাপূর্বক সুপারিশ প্রণয়নের জন্য সরকার গত ১৬ সেপ্টেম্বর সাবেক অর্থ সচিব এবং বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের সাবেক বিকল্প নির্বাহী পরিচালক জাকির আহমেদ খানকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে।

কমিটি নির্ধারিত ৯০ দিনের পূর্বেই প্রতিবেদন পেশ করায় কমিটির সদস্যদের প্রধান উপদেষ্টা ধন্যবাদ জানান।

প্রতিবেদনটি পেশ করার সময় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা
সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমাদের তরুণ বিপ্লবীরা দেশের মানুষের মনে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জাগিয়ে দিয়েছে তা পূরণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শহীদদের আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করতে চাই।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেছেন, আজ আমরা বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম মাস উদযাপন করছি। ইতিহাসের অন্যতম গৌরবময় বিপ্লবের জন্য শত শত ছাত্র এবং সর্বস্তরের মানুষ সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমাদের বাংলাদেশকে এর পূর্ণ গৌরবে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমাদের।

তিনি বলেন, আমি সেই সাহসী তরুণ, শ্রমিক, দিনমজুর, পেশাজীবীদের স্মরণ করছি যারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিল। স্মরণ করছি আন্দোলন চলাকালে নিহত সাংবাদিকদের। আজ আমি এই বিপ্লবে শাহাদাত বরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আমি অভিবাদন জানাই হাজার হাজার মানুষকেও যারা আহত হয়েছেন, প্রাণঘাতী আঘাতের শিকার হয়ে চিরজীবনের জন্য পঙ্গু হয়েছেন, কিংবা চক্ষু হারিয়েছেন।

গত মাসে আমাকে যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তখন আবু সাঈদ, মুগ্ধ এবং সমস্ত জানা এবং অজানা শহীদদের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমার সকল সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’

ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার প্রিয় তরুণেরা, তোমরা তোমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের শপথ নিয়েছিলে। শহর ও গ্রামীণ জনপদের দেয়ালে আঁকা তোমাদের স্বপ্নগুলো এখনো নানা রঙের সাজ নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’

তিনি আরো বলেন, বিপ্লবের সময়, তোমরা পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে বন্ধুদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ঘুমহীন রাত কাটিয়েছো এবং দিনে নিষ্ঠুর শাসনকে প্রতিহত করার জন্য পরস্পরের থেকে চির বিদায় নিয়ে রাস্তায় নেমেছো। বিপ্লব শেষ হওয়ার পর তোমরা দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও তাদের উপাসনালয় পাহারা দিয়েছো এবং সারাদেশে ট্রাফিক পরিচালনা করার দায়িত্ব নিয়েছো। আমি জানি তোমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাই এখন সময় পড়াশোনায় ফেরার। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়েছে। আমি তোমাদেরকে ক্লাস ও ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কেননা বিপ্লবের সুফল ঘরে তুলতে আমাদের একটি সুশিক্ষিত ও দক্ষ প্রজন্মের দরকার।

তিনি বলেন, মাত্র একমাস হলো অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। তা সত্ত্বেও আমরা বিপ্লবের প্রকৃত লক্ষ্য অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। আমাদের প্রথম কাজ জুলাই ও আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। গণহত্যার বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করার জন্য আমরা জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তারা এদেশে এসেছেন এবং তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের প্রধান দায়িত্বগুলির মধ্যে একটি হল বিপ্লবের সময় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হাজার হাজার মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা। হাসিনার দুর্বৃত্তরা তাদের চোখ লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ায় অসংখ্য তরুণ শিক্ষার্থী দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করবো তাদের চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে। আমরা শহীদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির জন্য ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছি। মূল তালিকা হয়ে গেছে। এখন শুধু দূর-দূরান্তে যাদের লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে তথ্যগুলিতে পূর্ণাঙ্গতা দেওয়া হচ্ছে। আহত শত শত মানুষ যাদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন, তাদের ব্যয়বহুল চিকিৎসা এবং শহীদদের পরিবারের দেখাশোনার জন্য একটি ফাউন্ডেশন এখন তৈরির শেষ পর্যায়ে আছে। যাদের শাহাদাতের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে আমরা তাদের কখনোই ভুলবো না।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস সবশেষে বলেন, আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা নিলাম শহিদদের রক্ত এবং আহত ভাইবোনদের আত্মত্যাগকে জাতি হিসাবে আমরা কিছুতেই ব্যর্থ হতে দেবো না। যে সুযোগ তারা আমাদের জন্য তৈরি করে দিয়েছেন সে সুযোগকে আমরা কখনো হাতছাড়া হতে দেবো না। আজ তাদের স্মৃতিময় দিনে আবারও প্রতিজ্ঞা করলাম তাদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ আমরা গড়বোই। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের সহায় হোন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০

আপত্তিকর অবস্থায় ধরার অভিযোগে নির্যাতন, পরে আত্মহত্যার চেষ্টা ছাত্রীর

আপত্তিকর অবস্থায় ধরার অভিযোগে নির্যাতন, পরে আত্মহত্যার চেষ্টা ছাত্রীর
সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক স্কুলছাত্রী ও এক তরুণকে গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রকাশ্যে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ওই ছাত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে বলে দাবি তার পরিবারের।

গতকাল শুক্রবার রাতে নির্যাতনের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই দুপুরে উপজেলার একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী (১৩)।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে প্রকাশ্যে এমন ঘটনার তিন দিন পার হলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৮ জুলাই ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের বাইরে থেকে এবং তরুণকে তাঁর বাড়ি থেকে ডেকে বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আগের দিন তাঁদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়েছিলেন বলে কয়েকজনের দাবি। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি দেবদারুগাছের সঙ্গে গামছা দিয়ে তাঁদের একসঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তাঁদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়া, অপমান ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে ওই ছাত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বর্তমানে সে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছে।

এ সময় উপস্থিত কয়েকজন ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় নয়ন বাড়ৈ, জয় শিকদার, মিশন রায়সহ আরও কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ। এ ব্যাপারে নয়ন বাড়ৈয়ের ভাষ্য, ‘আপত্তিকর অবস্থায় ধরার পর এলাকার কয়েক যুবক আমার বাড়ির ওপর দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাঁদের বিদ্যালয়ে নিয়ে অভিভাবকদের হাতে তুলে দিই। তবে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়টি আমার জানা নেই।

স্থানীয় লোকজনের দাবি, নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়া, অপমান ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে ওই ছাত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে তাকে স্থানীয় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখান থেকে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে ওই ছাত্রী সেখানে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার দিন বিদ্যালয়ে ছিলেন না দাবি করে প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রজিত সরকার বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতিও ঢাকায় ছিলেন। তিনি ফিরে এলে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি মিলিটারির গুলি, ৫৫ বছর পর শরীর থেকে অপসারণ

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি মিলিটারির গুলি, ৫৫ বছর পর শরীর থেকে অপসারণ
ছবি

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার মন্নাস আলী ছিলেন ২০ বছরের তরুণ। সেসময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে লক্ষ্য করে গুলি করলে সেটি তার পেটে লাগে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়; কিন্তু তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

সেই সময় থেকে গুলিটি তার পেটেই ছিল। সারাজীবন এজন্য তাকে অনেক ভোগান্তি ও কষ্ট পোহাতে হয়েছে। কিন্তু টাকার অভাব আর ভয়ের কারণে গুলিটি আর বের করা হয়নি।

এখন যন্ত্রণা অসহ্য পর্যায়ে এসে ঠেকেছে। ৫৫ বছর পর শনিবার দুপুরে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মন্নাস আলীর গুলিটি বের করেছেন।

মন্নাস আলীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, তিনি সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেওয়া দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) তানজিরুল ইসলাম রায়হান। মন্নাস আলীর বাড়ি উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের হরিয়াউন্দ গ্রামে।

স্বজনরা বলেন, ১৯৭১ সালে দুর্গাপুরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী একটি ক্যাম্প স্থাপন করে। সে সময় গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা তিন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করে মাটিচাপা দেন।

এর প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আশপাশের গ্রামগুলোতে ব্যাপকভাবে হামলা চালায়। হামলার সময় তারা অর্ধশতাধিক মানুষকেও আটক করে। পরে তাদেরকে একটি ঘরের ভেতরে আটকে রেখে বাইরে থেকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় এবং নির্বিচারে গুলি করা হয়।

এতে অধিকাংশই নিহত হন। মাত্র কয়েকজন দৌড়ে পালিয়ে প্রাণ রক্ষা করতে পারেন। মন্নাস আলীও তাদের মধ্যে একজন ছিলেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ছোড়া একটি গুলি তার পেটে বিদ্ধ হয়।

মন্নাস আলীর ছেলে আবুল হোসেন বলেন, “বাবা বেশিরভাগ সময়ই অসুস্থ থাকতেন। টাকার অভাবে আমরা চিকিৎসা করাতে পারিনি। বাবাও গুলি বের করা নিয়ে ভয় পেতেন। সবার সহযোগিতায় বাবার শরীর থেকে গুলিটি বের করা হয়েছে। আমরা সবার কাছে দোয়া চাই।

মন্নাস আলীর পুত্রবধূ হামিদা খাতুন বলেন, “আমার শ্বশুর সব সময় বলতেন, তার শরীরে গুলি রয়েছে। আজ গুলি বের করার পর আমরা নিজের চোখে সেটি দেখলাম। বাবা বলতেন, মৃত্যুর পর যেন গুলি বের না করে তাকে দাফন করা হয়। আল্লাহ আমাদের দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছেন, আজ গুলিটি বের হয়েছে।

দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন, “টাকার অভাবে তিনি এতদিন চিকিৎসা নিতে পারেননি। আমরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারটি করেছি।উদ্ধার হওয়া গুলির বিষয়ে থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে বলে জানান চিকিৎসক।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০

গবেষণা ও উদ্ভাবনে মনোযোগী হতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

গবেষণা ও উদ্ভাবনে মনোযোগী হতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগী  হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১২ মে)সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে 'ট্রান্সফর্মিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্সি শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ও গবেষণায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বৈশ্বিক মান বজায় রাখতে পারছে কিনা এমন একটি প্রশ্ন অনেকের আলোচনায় ফুটে উঠেছে। দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা হচ্ছে, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে র‌্যাংকিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি।

তিনি আরো বলেন, ‘র‌্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত গবেষণা, প্রকাশনা, সাইটেশন এবং উদ্ভাবন এই বিষয়গুলোকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কোথায় এ বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের শিক্ষাবিদগণ নিশ্চয় আরো চিন্তাভাবনা করবেন। শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ না দিলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়বে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পা দিয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চলমান এই সময়ে এ আই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স ও অটোমেশন, ইন্টারনেট অব থিংস, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট অব থিংস, বিগ ডাটা, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স, ন্যানো টেকনোলজি, পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, এসব উন্নততর প্রযুক্তি একদিকে আমাদের চিন্তার জগৎ নিয়ন্ত্রণ করছে, অন্যদিকে শাসন করছে মানুষের কর্মক্ষেত্র বা কর্মসংস্থান। এর ফলে নিত্যনতুন প্রযুক্তির ব্যবহার প্রথাগত চাকুরির বাজারে বেকারত্ব বাড়াচ্ছে যেমন তেমনি তৈরি করছে নিত্য নতুন কর্মসংস্থানও।'

তারেক রহমান বলেন, 'চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কর্মসংস্থানের নতুন বাজারে প্রবেশ করতে হলে  আমাদের মুখস্ত বিদ্যা এবং সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের প্রচলিত ধারার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ, শিক্ষা শুধু ব্যক্তির পরিবর্তনের জন্যই নয়, বরং বর্তমানে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন এবং বিশ্বমানের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা তৈরিরও প্রধান নিয়ামক। ফলে উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাকে অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে আরও শক্তিশালী সংযোগ গড়ে তুলতে হবে। কারিকুলাম প্রণয়নে শিল্পখাতের চাহিদাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।'

তিনি বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বিশ্ববাসীর সামনে যে বার্তাটি স্পষ্ট করেছে, সেটি হলো শিক্ষা কেবল স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে জ্ঞানের চর্চা কেবল একটি নির্দিষ্ট বিষয়েই আবদ্ধ নয়। বরং আমরা দেখি, ডাটা সায়েন্সের সাথে বায়োলজি বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে হয়তো সমাজবিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটছে। এই সংযোগের ফলে জ্ঞানের সীমানা প্রতিনিয়ত প্রসারিত ও গতিশীল হচ্ছে। এই পরিবর্তনের গতি প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের নিবিড় সম্পর্ক থাকা জরুরি।

শিক্ষা কারিকুলাম ঢেলে সাজানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী বের হয়। উচ্চশিক্ষা নিয়েও অনেককে বেকার থাকতে হয়। অর্থাৎ বেকারত্বের সংখ্যা উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেশি। এর কারণ সম্পর্কে নানামত রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে অনেকেই একমত একাডেমিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করতে না পারাই শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বেশির অন্যতম কারণ।'

তিনি বলেন, 'প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা কারিকুলাম ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া বেকারত্ব নিরসন সম্ভব নয়। সময়োপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম ছাড়া বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার একাডেমিক সিলেবাসকে সময়োপযোগী করার কাজ শুরু করেছে।'

বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে বর্তমান সরকার এপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ড্রাষ্ট্রি-একাডেমিয়া বিষয়ে সহযোগিতা বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপন করে এই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীগণ পুঁথিগত বিদ্যা অর্জনের পাশাপাশি হাতে কলমে শিক্ষা লাভ করে শিক্ষার্থী অবস্থাতেই কর্মদক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন। ফলে শিক্ষা জীবন শেষে তাকে আর বেকার থাকতে হবে না '

তিনি বলেন, 'কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেটিভ বিজনেস আইডিয়া বাণিজ্যিকীকরণ করতে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় সিড ফান্ডিং বা ইনোভেশন গ্রান্ট প্রদান করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, ক্যাম্পাস থেকে ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা তৈরি করা। ফলে এই উদ্যোক্তারা নতুন এবং সৃজনশীল ব্যবসায়িক ধারণা বাস্তবায়ন করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় কর্মদক্ষতা অর্জনের ফলে এমনও হতে পারে তিনি আর চাকুরির জন্য অপেক্ষা না করে  নিজেই একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আরো কয়েকজনের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবেন। এসব উদ্যোগ ছাড়াও সরকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইন্সস্টিটিউট, সায়েন্স পার্ক প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞান মেলা, ইনোভেশন ফেয়ার, প্রোডাক্ট সোর্সিং ফেয়ারসহ এ ধরনের শিক্ষা ও দক্ষতা বিষয়ক আয়োজনকে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। শুধু উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেই নয়, স্কুলপর্যায় থেকেই সরকার শিক্ষা কারিকুলামে কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে। '

প্রধানমন্ত্রী বৃটিশ লেখক টম উইনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘আজকের এই কর্মশালার বিষয়বস্তুর সঙ্গে ব্রিটিশ লেখক 'গুডউইন' যিনি বিশেষ করে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে 'বিজনেস স্ট্রাটেজিস্ট এন্ড এনালিস্ট' হিসেবে স্বনামধন্য, তার একটি বিখ্যাত মন্তব্য বেশ প্রাসঙ্গিক বলেই আমার কাছে মনে হয়েছে। তিনি বলছেন, বিশ্বে বহুল ব্যবহৃত ট্যাক্সি কোম্পানি উবারের নিজের কোনো ট্যাক্সি নেই। বিশ্বে অপ্রতিদ্বন্দ্বী সোশ্যাল মিডিয়া 'ফেসবুক' নিজে কনটেন্ট তৈরি করে না। বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন বিজনেস প্লাটফর্ম 'আলিবাবা'র কোনো 'মজুদ পণ্য' নেই।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় আবাসন প্রোভাইডার 'এয়ারবিএনবির নিজেদের কোনো রিয়েল এস্টেট নেই।' অর্থাৎ ইনোভেটিভ আইডিয়া দিয়ে তারা যার যার ক্ষেত্রে বিশ্ব শাসন করছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত: এক একটি 'স্মার্ট ইন্টারফেস'। তারা সেবা দিচ্ছে না, বরং যারা সেবা দিতে চায় এবং যারা সেবা নিতে চায়, তাদের এক জায়গায় নিয়ে আসছে। এটিই প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান।

শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন কিংবা গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার অর্থ বরাদ্দ দেবে এটাই স্বাভাবিক। তবে আমি জানি, ব্রিটেনসহ বিশ্বের অনেক দেশেই যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাই তাদের অনেকেই কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের 'গবেষণা এবং উদ্ভাবন' কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। এ জন্যই অনেকে বলে থাকেন, ‘শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর এলামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড।'

তিনি বলেন, 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বর্তমানে  যারা দেশে-বিদেশে, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে ও অর্থ-বিত্তে প্রতিষ্ঠিত সেসব এলামনাইকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও গবেষণা' উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়ার জন্য আমি উপস্থিত শিক্ষাবিদদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানাই।'

 

মেধাভিত্তিক দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের সামর্থ সীমাহীন না হলেও সীমিত সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে অবশ্যই আমাদের পক্ষেও নতুন কিছু করা সম্ভব। আমি বিশ্বাস করি, আমাদেরও প্রচুর মেধাবী মানুষ রয়েছেন যারা সুযোগ বা সুবিধা পেলে তাদের পক্ষেও বিশ্বমানের কিছু করা অসম্ভব নয়। মেধা পাচার রোধ করে মেধার বিকাশ ও মেধার লালন করে আমরা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চাই। '

ফ্যাসিবাদ-স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আমাদের তারুণ্য বারবার রাজপথে নেমে এসেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, 'স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী জনগণ বারবার অধিকার আদায়ের মিছিলে শামিল হয়েছে। এভাবেই দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর হাজারো প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এই সরকার বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চায়। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ গড়তে চায়।'

তিনি বলেন, 'জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, মেধা, যোগ্যতা এবং সৃজনশীলতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের সম্ভাবনাকে বিকশিত করার সুযোগ পাবে। আমরা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যা আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যত বাংলাদেশকেও আলোকিত করবে। সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বার্থে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষকে আমরা অবশ্যই আলিঙ্গন করবো।'

তিনি বলেন, 'তবে আমরা যেন আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে না ফেলি। আমি এ ব্যাপারে শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী পেশাজীবী তথা সকল শ্রেণি পেশার মানুষের প্রতি সতর্ক ও সজাগ থাকার আহবান জানাচ্ছি।'

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ক্রেস্ট উপহার দেন কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, ইউজিসির সচিব ফখরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা
সংগৃহীত ছবি

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মাত্র ১৮ ঘণ্টার এই সংক্ষিপ্ত সফর শেষে চীনের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া ত্যাগ করছেন প্রধানমন্ত্রী।

সোমবার (২২ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া ত্যাগ করছেন।

এর আগে গত রোববার (২১ জুন) রাতে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি রেগুলার ফ্লাইটে মালয়েশিয়া পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

বিমানবন্দরে মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরসঙ্গী দলে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা পদমর্যাদার ১০ জনসহ মোট ২৩ জন অফিশিয়াল ডেলিগেশন ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, মালয়েশিয়ার এই সফল সফর বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। মালয়েশিয়ার কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার প্রতিনিধি দল সরাসরি চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

চীনেও দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০

বিদ্যুৎস্পর্শে যুবদল নেতার মৃত্যু

বিদ্যুৎস্পর্শে যুবদল নেতার মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

বরগুনার পাথরঘাটায় বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে এক যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে উপজেলার হাতেমপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ওই যুবদল নেতার নাম মো. আতিকুর রহমান শাহিন (৪০)। তিনি স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মৃত গনি মিয়ার ছেলে। তিনি পাথরঘাটা পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ির সামনে থাকা মসজিদে পাম্পের মাধ্যমে পানি দেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন শাহিন। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাথরঘাটা থানার ওসি এনামুল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০

পীর ‘সেজে’ কবরস্থানে আস্তানা গাড়লেন হত্যা মামলার আসামি

পীর ‘সেজে’ কবরস্থানে আস্তানা গাড়লেন হত্যা মামলার আসামি
সংগৃহীত ছবি

প্রায় দুই বছর কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়ে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বসবাস গ্রামের শতবর্ষী কবরস্থান এলাকার জঙ্গলে আস্তানা গড়ে তুলেছেন গয়াছ মিয়া (৩৫) নামে এক হত্যা মামলার প্রধান আসামি। মাথায় সাদা পাগড়ি, হাতে লোহার রড- নিজেকে ‘স্বপ্নে আদিষ্ট পীর পরিচয় দিচ্ছেন গয়াছ মিয়া। স্থানীয়রা বলছেন, এই আস্তানা ঘিরে চালানো হয় মাদকসেবন ও নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ড।

জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের বাসিন্দা গয়াছ মিয়া প্রায় এক বছর ধরে গ্রামের শতবর্ষী পঞ্চায়েতি কবরস্থানের একটি বড় গাছের নিচে বাঁশ-বেত দিয়ে তৈরি দোতলা ঘরে বসবাস করছেন। মাথায় সাদা পাগড়ি ও হাতে লোহার রড নিয়ে চলাফেরা করেন। নিজেকে পরিচয় দেন একজন ‘পীর হিসেবে।

২০২০ সালের ৪ এপ্রিল তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই যুবককে ছুরিকাঘাত করেন গয়াছ মিয়া। এতে জাকির হোসেন নামে একজন নিহত হন। গুরুতর আহত হন জিহান মিয়া নামে আরেকজন। পরে পুলিশ গয়াছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। কিছুদিন কারাভোগের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ‘স্বপ্নে আদিষ্ট পীর পরিচয়ে কবরস্থানের নির্জন জঙ্গলে তিনি আস্তানা গড়ে তুলেছেন। সেখানে গাঁজা-মদের আসরসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

গত ১৭ জুন এলাকাবাসী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এতে গয়াছ মিয়ার আস্তানা উচ্ছেদ, কবরস্থান রক্ষা এবং মসজিদের সম্পত্তি উদ্ধারের দাবি জানানো হয়।

বাজিতপুর গ্রামের এক বাসিন্দা গণমাধ্যমকে, গয়াছ মিয়া কবরস্থানে আস্তানা গড়ে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করেন। তার ভয়ে এলাকার চারটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক নিয়ে চলাফেরা করে।

সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবে পরিচিত গয়াছ মিয়া জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর কবরস্থান এলাকার জঙ্গলে বসবাস শুরু করেন। তার হাতে প্রায়ই লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা ওই পথ দিয়ে যাতায়াতে ভয় পাচ্ছে।

বাজিতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহীন আলম অভিযোগ করেন, সন্ধ্যার পর ওই এলাকায় মাদকসেবী ও জুয়াড়িদের আনাগোনা দেখা যায়। বিষয়টি স্থানীয়দের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাজিতপুর জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি সুনুর মিয়া বলেন, পবিত্র কবরস্থানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

এদিকে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গয়াছ মিয়া। তার দাবি, স্বপ্নে এক অলি-আউলিয়ার নির্দেশ পেয়ে তিনি সেখানে অবস্থান করছেন। তিনি কোনো মাদক বা জুয়ার আসর পরিচালনা করেন না। বরং আধ্যাত্মিক সাধনায় সময় কাটান এবং মানুষের উপকারের চেষ্টা করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, কিছু লোক তার বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে এবং ভিটেমাটি বিক্রি করে দিয়েছে। ফলে আশ্রয়হীন হয়ে তিনি কবরস্থানের জঙ্গলে বসবাস করছেন।

গয়াছ মিয়ার ছুরিকাঘাতে খুন হওয়া জাকির হোসেনের বাবা রুহুল আমিন গণমাধ্যমকে বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে গয়াছ আমার ছেলেকে খুন করেছে। কিন্তু বুঝতে পারছি না কীভাবে মাত্র দুই বছর পরই সে জামিনে বের হয়ে গেল? এখন এলাকায় আমাকে দেখলেই সে নানা হুমকি-ধমকি দেয়, অকথ্য গালমন্দ করে। আমার এক ছেলে খুন হয়েছে, তাই ভয়ে এখন আর কিছু করতে চাই না। ছোট ছেলে গ্রিস থেকে কিছুদিন আগে বাড়িতে এসেছে, তাকেও সে হুমকি দিয়েছে।

গয়াছ মিয়ার বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া এবং জমি দখলের দাবির বিষয়ে তিনি জানান, তার ঘরবাড়িতে কেউ আগুন দেয়নি এবং জায়গা-জমিও কেউ জোরপূর্বক বিক্রি করেনি।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদার গণমাধ্যমকে বলেন, কিছু লোকজন গয়াছ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত ও অন্যান্য অভিযোগ করেছেন। আবার অনেকে বলছেন তিনি বন বিভাগের জায়গায় আছেন। জায়গার বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন দেখবে। আর মাদকের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হত্যা মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি অনেক আগের ঘটনা। খোঁজখবর না নিয়ে বিস্তারিত বলা যাবে না।

এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরুপ রতন সিংহ সাংবাদিকদের বলেন, থানার ওসি এ বিষয়ে আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। লিখিত অভিযোগের বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০

তালাবদ্ধ ঘরে মিলল ছাত্রদল নেতার স্ত্রীর মরদেহ

তালাবদ্ধ ঘরে মিলল ছাত্রদল নেতার স্ত্রীর মরদেহ
সংগৃহীত ছবি

সাভারে ছাত্রদল নেতার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে তার স্ত্রী রিয়া মনির (১৯) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে ওই ছাত্রদল নেতা আত্মগোপনে রয়েছেন।

সোমবার ( ০৯জুন ) বিকেলে পৌরসভার ছায়াবিথি মহল্লার ডা. তৌহিদুজ্জামানের বাড়ির দ্বিতীয় তলার তালাবদ্ধ  ফ্ল্যাট থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

পরিবারের দাবি, রিয়ার স্বামী সদ্যঘোষিত পৌর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রনি ইসলাম স্ত্রীকে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছেন। নিহত রিয়া মনি (১৯) নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানা এলাকার রৌফ চৌধুরীর মেয়ে। তার বাবা-মা দুজনই প্রবাসী।

থানা ​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভার পৌরসভার ছায়াবিথি মহল্লার ডা. তৌহিদুজ্জামানের ভাড়া বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে রনি ও রিয়া দম্পতি ভাড়া থাকতেন।  কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জেরেই রিয়াকে হত্যা করে ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায় রনি।

​নিহতের মামা সাদ্দাম হোসেন বলেন, রনি ইসলাম সম্প্রতি পৌর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে রিয়ার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।

পারিবারিক বিরোধের জেরেই রনি রিয়াকে হত্যা করে বাইরে থেকে তালা মেরে পালিয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া রিয়াকে হত্যার বিষয়টি মুঠোফোনে রনি তার মাকে জানালে হত্যার কথা প্রকাশ পায়। পরে বিকেলে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে লাশটি উদ্ধার করেন। ঘটনার পর থেকেই রনি ইসলামের মুঠোফোনটি বন্ধ রয়েছে এবং তিনি আত্মগোপনে আছেন। নিহতের নানি জাহানারা বেগম বলেন, ‘রিয়ার বাবা-মা দুজনই প্রবাসী।

আমাদের মেয়েকে ওই রনি পরিকল্পিতভাবে খুন করে পালিয়ে গেছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার ও রনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

​সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী বলেন, ‘খবর পেয়ে বিকেলে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে রিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, ​রাজনৈতিক পদধারী নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পলাতক পৌর ছাত্রদল নেতা রনি ইসলামের বিষয়ে জানতে ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তারা রিসিভ করেননি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০

নিজ বাড়ির উঠান থেকে বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নিজ বাড়ির উঠান থেকে বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরশহরে আলম মিয়া (৬০) নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলম মিয়া ওই এলাকার মৃত মোখছেদ শেখের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলম মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। রাতের কোনো একসময় তার স্ত্রী বাড়ির উঠানে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং গলাকাটা অবস্থায় পড়েছিলেন। পরে স্ত্রীর চিৎকার শুনে তাদের ছেলে মো. আশরাফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবাকে উদ্ধার করেন।

এরপর রাত সাড়ে তিনটার দিকে স্বজনরা ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বর্তমানে নিহতের মরদেহটি তার নিজ বাড়িতে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘোড়াঘাট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কাজ চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১৭ বছরে পা দিলেন বিশ্বের দীর্ঘজীবী নারী

কুমিল্লা ময়নামতিতে ডিবির অভিযানে ৬ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

হিজাব পরে চুরি করতে গিয়ে অস্ত্রসহ যুবক আটক

বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অর্থের লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

নিখোঁজ নারীকে খুঁজতে গিয়ে ফিল্টারের ছবিতে বিভ্রান্তি, পরে মিলল জীবিত

এখন আমি বলতে পারব, হলিউড স্টাইলে কাজ করেছি: জায়েদ খান

নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে

অনলাইন জুয়া সাইটের অ্যাডমিনসহ গ্রেফতার ২

ছবির সঙ্গে বরের চেহারার মিল না থাকায় বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

১০

মাকে হত্যা করে প্রতিবেশীকে ফাঁসানোর চেষ্টা, ৩ বছর পর কারাগারে মেয়ে

১১

এনসিপির সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: উপস্থিত ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও নাভিদ নওরোজ শাহ্

১২

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৩

মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নারীকে নির্যাতন

১৪

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১৯

১৫

শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

১৬

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

৮ মাসে পুরো কোরআন লিখলেন কুমিল্লার জান্নাত

১৮

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ: সবুজের ছায়ায় ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার

১৯

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া, গ্রেপ্তার করল ডিবি

২০