

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় মৃত বড়ভাই দছির উদ্দিনকে (৬৫) দেখতে গিয়ে ছোট ভাই হবিবর রহমানের (৫৮) মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিরামপুর উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আঃ রাজ্জাক মন্ডল।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় অসুস্থতা জনিত কারণে বিরামপুর উপজেলার ৬ নং জোতবানী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর খয়েরবাড়ী গ্রামের মৃত নছির উদ্দিনের বড় ছেলে দছির উদ্দিনের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে পাশেই বসবাসরত তার ছোট ভাই হবিবর রহমান তাকে দেখতে যান। দেখাশেষে আজানের সময় নামাজের জন্য মসজিদের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে স্ট্রোক করেন। তাকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে সে মৃত্যুবরন করেন। একই দিনে একই পরিবারের দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) বিরামপুর উপজেলার ৬ নং জোতবানী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর খয়েরবাড়ী গ্রামে জহরের নামাজের পর পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দুটি কবরে তাদের দাফন করা হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা
কচুয়া উপজেলার নবাগত ইউএনও এহসান মুরাদের সাথে কচুয়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে ইউএনও এর কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় নবাগত ইউএনও এহসান মুরাদকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে স্বাগত জানান প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
এসময় কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রিয়তোষ পোদ্দার,সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন,রাকিবুল হাসান,মানিক ভৌমিক,বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি মফিজুল ইসলাম বাবুল,সহ-সভাপতি আফাজ উদ্দিন মানিক,মানিক সরকার,কাউছার আহমেদ, আলী আক্কাস তালুকদার,সাধারন সম্পাদক জিসান আহমেদ নান্নু, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ,আমির হোসেন মজুমদার,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব চন্দ্র শীল,দপ্তর সম্পাদক ওমর ফারুক সায়েম,নির্বাহী সদস্য সনতোষ চন্দ্র সেন,মনির মুন্সী,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা,সদস্য বিল্লাল মাসুম,ফয়সাল আহমেদ সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
প্রেসক্লাবের সভাপতি,সাবেক সভাপতিবৃন্দ ও সাধারন সম্পাদক তাদের বক্তব্যে কচুয়া প্রেসক্লাব ভবন নির্মান কাজের অগ্রগতি সহ কচুয়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের গঠনমুখী ও বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশের চিত্র তুলে ধরে সাংবাদিকতার পেশায় সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদানের জন্য নবাগত ইউএনও এহসান মুরাদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এহসান মুরাদ তার বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের চোখ, চোখ যা দেখে তা নিরেট স্বচ্ছ,সত্য ও বস্তু নিষ্ঠ। এ দেখায় কোনো অস্পষ্টতা থাকে না। কচুয়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা কচুয়ায় আমার কর্মকালীন সময়ে আমার চোখ হিসেবে কাজ করবে এমনটি প্রত্যাশা করছি।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং এর রাত্রীকালীন গ্রাম পাহারা দলের সদস্যদের সহায়তা ২টি অটোরিকশাসহ মহসিন হোসেন নামের এক ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রবিবার ভোরে কচুয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নিন্দপুর গ্রামের চৌরাস্তা এলাকায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ডাকাত মহসিন দাউদকান্দি উপজেলার পিপিয়াকান্দি গ্রামের মৃত ছামিল হোসেনের ছেলে।
জানা যায়, রবিবার ভোররাতে নিন্দপুর গ্রামের চৌরাস্তায় চেক পেয়েন্টে মহসিন ডাকাত ও তার সহযোগীরা অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কমিউনিটি পুলিশং এর রাত্রীকালীন পাহারা দলের সার্বিক সহায়তায় ডাকাত মহসিনকে আটক করা হয় এবং দুটি অটোরিকশা জব্দ করা হয়। এদিকে তার বিরুদ্ধে দাউদকান্দি, মতলব উত্তর ও কচুয়া থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।
কচুয়া থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, কচুয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং এর ব্যবস্থাপনায় গ্রাম পুলিশ ও গ্রামবাসী যৌথভাবে চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে গ্রামে গ্রামে নৈশকালীন পাহারা দেয়। এতে চুরি-ডাকাতি সহ নানা সংঘবদ্ধ অপরাধ বহুলাংশে নিয়ন্ত্রনে আসে। তবে এ প্রক্রিয়া পুরো শীতকাল জুড়ে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় জড়িত নয়ন-পিয়াস বাহিনীর অন্যতম সহযোগী মেঘনার শীর্ষ নৌ-ডাকাত আবুল কালামকে (৪১) গ্রেপ্তার করেছেন র্যাব-১১। এ সময় তার কাছ থেকে অস্ত্র, ও গুলি ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ গ্রেপ্তার করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে এ তথ্য জানায় র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।
গ্রেপ্তারকৃত আবুল কালাম মোট ৩০টি মামলার আসামি বলে জানায় র্যাব।
তাছাড়া, র্যাব-১১-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিভিন্ন দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ এবং গোয়েন্দা নজরদারি চলমান ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় জড়িত মেঘনার শীর্ষ নৌ-ডাকাত আবুল কালামকে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানার মোল্লাকান্দি থেকে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় তার কাছ থেকে একটি পাইপগান, দুটি গুলি, টাকা গণনার একটি মেশিন, বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের বরাত দিয়ে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের মেঘনা নদী ও শাখা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালুমহাল পরিচালনা ও নৌযানে চাঁদাবাজি করে আসছিল নয়ন-পিয়াস ও আবুল কালাম বাহিনীর সদস্যরা। গত এক বছরে নদীতে কয়েক দফা গোলাগুলিতে স্থানীয় কয়েকজন খুন হন। তাদের ভয়ে এলাকার শতাধিক পরিবার গ্রামছাড়া হয়েছিল।
র্যাব কর্মকর্তা সাজ্জাদ জানান, গত ২৫ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৫টার পর মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানা ও গুয়াগাছিয়া অস্থায়ী ক্যাম্পের পুলিশ যৌথভাবে মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশের দলটি স্পিডবোডে করে গজারিয়া থানার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত জামালপুরের মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় পৌঁছামাত্র প্রায় ৪০-৫০ জন ডাকাত সদস্য ৪-৫ টি হাইস্পিডি ট্রলারে এসে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল এবং গুলি ছোঁড়ে। এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি চালায়। পরে পুলিশের প্রতিরোধের মুখে ডাকাত সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
র্যাব জানান, গ্রেপ্তারকৃত আবুল কালামের বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন থানায় তিনটি হত্যা মামলা, ৪টি বিস্ফোরক, ১টি চাঁদাবাজি, ৩টি মাদক, ও ১৮টি অন্যান্য মামলাসহ মোট ৩০টি মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সারাদিন সদর ও সদর দক্ষিণ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছে মনিরুল হক চৌধুরী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০ টায় তিনি সদর দক্ষিণ উপজেলার বারোপাড়া ইউনিয়নের বড় ধর্মপুর এলাকায় ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
পরবর্তীতে দুপুর ১২ টায় বিশ্বরোডস্থ কার্যালয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন।
বিকেলে গোলমার্কেট বড় মসজিদে আসরের নামাজ পড়ে মহানগর বিএনপি আয়োজিত দোয়া মিলাদে অংশ নেন। কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে মোনাজাত করেন মনিরুল হক চৌধুরী। দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় মোনাজাতে কাঁদলেন তিনি।
দোয়া মিলাদ শেষে নগরীর কাটাবিল, নুরপুর, গোলমার্কেট এলাকায় ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করেন।
দোয়া ও লিফলেট বিতরণে অংশ নেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়সালুর রহমান পাভেল, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়ার যুগ্ন আহবায়ক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক সেলিম রুবেল, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাদিমুল ইসলাম শিশির, সাবেক কাউন্সিলর সেলিম খান, খলিলুর রহমান মজুমদার, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক শিল্পীসহ মহানগর ও দক্ষিণ জেলার নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ লিটন মিয়া (৪৫) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
আজ শনিবার (১৯ জুলাই) সকাল ৯ টায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উজিরপুর এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটককৃত লিটন মিয়া (৪৫) চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের সিতুলিয়া এলাকার মো: আবদুল হাকিমের ছেলে।
অভিযান পরিচালনাকালে ৫২.৫ কেজি গাজা, ২০০ পিস ফেনসিডিল বোতল জব্দ করা হয়েছে।
আসামি এবং মাদকদ্রব্যসমূহ উক্ত ব্যক্তিকে চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যোগে ২৮ অক্টোবরের পল্টন ট্র্যাজেডি উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় নগর জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মু. মোছলেহ উদ্দিন এবং পরিচালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান।
সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেল, অফিস সম্পাদক জাকির হোসেন, অর্থ সম্পাদক আমীর হোসাইন ফরায়েজী, কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে মু. মোছলেহ উদ্দিন বলেন, “২৮ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে আওয়ামী বাকশালীরা দেশে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। যারা এ নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়েছে, তাদের অবিলম্বে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”
তিনি ২৮ অক্টোবরের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে ২৮ অক্টোবরের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ
রানা, কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
‘সঠিত তথ্যে ভোটার হবো, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো’ এই স্লোগানে শনিবার কচুয়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিসের আয়োজনে র্যালী, ভোটার তালিকা ভুক্ত, স্মার্ট কার্ড বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে র্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইকবাল হাসানের সভাপতিত্বে ও যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: মাহবুব আলমের পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন, একাডেমিক সুপারভাইজার কে.এম সোহেল রানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মো. জাবের মিয়া, সনতোষ চন্দ্র সেন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদক:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মালবাহী লরির চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবক নিহত হয়েছে।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কংশনগর বাজার এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন (৩৬) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বারপাড়া এলাকার আব্দুল বারেকের ছেলে।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শাহ পরান এ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়রা জানায়, সকাল সাড়ে আটটায় কুমিল্লা থেকে মোটরসাইকেল দিয়ে দেবিদ্বারের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল সাদ্দাম হোসেন। পথমধ্যে কংশনগর মেতিরাফ মসজিদের পাশে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবাহী লরি মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী যুবক সড়কের উপরে পড়ে গেলে লরির একটি চাকা তার মাথাকে পৃষ্ঠ করে দেয়, এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
এ সময় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা কুমিল্লা সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে গাছ ফেলে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শাহপরান জানায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল ও মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেওয়া অজ্ঞাত গাড়িটি পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক মসজিদ হচ্ছে পাগলা মসজিদ। কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এ মসজিদটির ৯টি লোহার দানবাক্স রয়েছে।
প্রতি ৩মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এবার ৩ মাস ২০ দিন পর দানবাক্সগুলো খুলে ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে।
শনিবার ( ৯ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক কাজী মহুয়া মমতাজের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এ সময় ২৩ বস্তা টাকাসহ বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গয়না পাওয়া গেছে। এখন গণনার কাজ চলছে।
এ সময় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, টাকা গণনা কাজে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ.টি.এম ফরহাদ চৌধুরী, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) শেখ জাবের আহমেদ, সহকারী কমিশনার রওশন কবীর, মাহমুদুল হাসান, সামিউল ইসলাম, আজিজা বেগম, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান, রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলাম, ব্যাংকের ৫০ জন স্টাফ, মাদরাসার ১১২ জন ছাত্র, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য অংশ নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ভোলায় গত পাঁচ দিনে ১২টি রাসেলস ভাইপার
সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। ১২টি সাপের মধ্যে এলাকাবাসী
১১টি সাপ মেরে ফেলেছে। আর একটি সাপ বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে এলাকাবাসী।
জেলার সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন,
তজুমদ্দিন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলাসহ চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়ি ও খেলার
মাঠে একের পর এক রাসেলস ভাইপার সাপের দেখা মিলছে। একের পর এক এই সাপ উদ্ধারে জনসাধারণের
মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে সদর উপজেলার শিবপুরের 'গরিবের ডুবাই নামে খ্যাত'
চায়না ইপিজেড বালুর মাঠে একটি, তজুমউদ্দিন উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের একটি বসত বাড়ির
সামনে ও বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের জসিম হাওলাদারের বাড়িতে একটি রাসেলস ভাইপার
পাওয়া যায়।
এছাড়াও গত বুধবার (১৯ জুন) বিকেলে জেলার
তজুমউদ্দিন উপজেলার চৌমুহনী এলাকায় খেলার মাঠ, গত মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকালে সদর উপজেলার
পূর্ব ইলিশায় ইউনিয়নে পাকার মাথা এলাকায় বসত বাড়ির পাশের জালের সঙ্গে পেঁচানো অবস্থায়
একটি রাসেলস ভাইপার উদ্ধার করা হয়। গত মঙ্গলবার রাতে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের
জালু মাঝির বসতঘর, রোববার (১৬ জুন) লালমোহন উপজেলার লর্ড হার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের সৈয়দাবাদ
এলাকায় একটি বাড়ির শৌচাগার, বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা ও সাগর উপকূল উপজেলা চরফ্যাশনের
বিভিন্ন ইউনিয়নে আরও ৫টি রাসেলস ভাইপার সাপ দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে সাপগুলোকে
পিটিয়ে মেরে ফেলে।
এর মধ্যে তজুমউদ্দিন উপজেলায় পাওয়া
একটি সাপ বনবিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে জেলাজুড়ে সর্বসাধারণের মাঝে
রাসেলস ভাইপার আতঙ্ক বিরাজ করছে ।
স্থানীয়রা জানায়, বেশ কয়েকদিন ধরে
জেলার সর্বত্র সাপের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। কিন্তু এর আগে সাগর উপকূল উপজেলা চরফ্যাশনের
কুকরি-মুকড়ি, ঢালচর কিংবা মনপুরা উপজেলায় দেখা মিললেও এবার সদর উপজেলাসহ প্রায় সবস্থানেই
সাপের বিচরণ বেড়েছে। একের পর এক বিষধর রাসেলস ভাইপার সাপের দেখা মিলছে বিভিন্ন এলাকায়।
স্থানীয় জেলে জয়নাল মাঝি বলেন, নদীতে
মাছ শিকার করে ঘাটের দিকে যাওয়ার সময় বালুর মধ্যে এই সাপটি দেখতে পাই। পরে আরও লোকজন
এসে সাপটিকে রাসেলস ভাইপার বলে নাম দেয়। এই সাপ এর আগে আর কখনো দেখিনি। সাপটি দেখতেও
অনেক ভয়ানক। অন্য সাপের থেকে দেখতে আলাদা। সাপটি দেখে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে মেরে ফেলে।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জহিরুল
হক বলেন, রাসেল ভাইপার সাপ লোকালয়ে সাধারণত খুব কমই দেখা যায়। বাচ্চা দেয়ার কারণে হয়তো
ওই সাপটি লোকালয়ে চলে এসেছে। তবে সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন