

বিবেক হচ্ছে কুমিল্লাস্হ একটি সামাজিক সংগঠন। সমাজের মানুষের সহযোগিতার কল্যাণে এ প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ বছর ধরে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে কাজ করে আসছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান হলেন ইউসুফ মোল্লা টিপু যিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব।
শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এর উদ্যোগে বিবেকের একটি টিম কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বারেশ্বর গ্রামে অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এসে দাঁড়িয়েছে।
বন্যায় কুমিল্লার আমড়াতলি ইউনিয়নের একটি পরিবার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পরিবারটির ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা নিয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু ।
সহযোগিতার
হাত নিয়ে বিবেকের এই উদ্যোগ সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


আজ
২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। আজ থেকে ১৭ বছর আগে এই দিনে দেশের সীমান্তরক্ষী
বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় বিদ্রোহের নামে সংঘটিত
হয় বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। এতে বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদসহ
৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নির্মমভাবে নিহত হন।
মেজর
জেনারেল সাকিল আহমেদের স্ত্রীসহ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও ওই দিন প্রাণ হারান। পরদিন
২৬ ফেব্রুয়ারিও হত্যাযজ্ঞ চলতে থাকে। ২০০৯ সালের এই মর্মান্তিক দিনটিকে গত বছর থেকে
‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
আজ
বুধবার সকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনাদের
রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা জানাবেন। দিবসটি শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ, দোয়া এবং রাষ্ট্রীয়
শ্রদ্ধা জানানোর দিন হিসেবে পালন করা হয়। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর একটি স্বাধীন
তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও জড়িতদের
বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করা হয়।
দিবসটি
উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেন, ‘আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি,
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ
সংঘটিত হয়েছিলো। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলো। ২০০৯ সালের
পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি।
২০২৪
সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’
হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা
করছি। তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ
করছি।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত
কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকান্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব
বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিলো- নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরী
বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকান্ডের পর নানারকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত
করার চেষ্টা হয়েছিলো। তবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে
জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকান্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য।’তিনি
আরও বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে
আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই
শপথে বলীয়ান হতে হবে।
দেশ
এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে
দাঁড়াবো- এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি
ঢাকার পিলখানায় বিডিআরের একটি অংশ সদর দপ্তর দখল করে নেয়। তারা মহাপরিচালক মেজর জেনারেল
সাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং ১৭ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যা করে। বেসামরিক
লোকজনের ওপর গুলি চালানো হয়। অনেক সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারকে জিম্মি করা হয়।
স্থাপনা ও সম্পদ ভাঙচুর এবং মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করা হয়।
জানা
যায়, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ওই ঘটনায় সদর দপ্তরে আটকে পড়া সেনা কর্মকর্তাদের উদ্ধারে
তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ ছিল না। তথাকথিত বিদ্রোহী সেনাদের
সঙ্গে আলোচনা ও অস্ত্র সমর্পণের নামে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের
কার্যক্রম গোটা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। পরবর্তী সময়ে ঘটনার শিকার, ভুক্তভোগী এবং ভাগ্যক্রমে
বেঁচে ফেরা সেনা কর্মকর্তা ও অন্যরা ওই ঘটনার ভয়াবহতার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী।
আজ
বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ-সংক্রান্ত পরিপত্র থেকে বিষয়টি
জানা গেছে।
পরিপত্রে
বলা হয়েছে, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। নিয়োজিত থাকবে ১৪
ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, মোট সাতদিন।
এছাড়া
মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৫–১৬
জন। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৭–১৮ জন। মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রতি সাধারণ
ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬ জন। গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ভোটকেন্দ্রে
থাকবে ১৭ জন।
দুর্গম
ও বিশেষ এলাকায় সাধারণ ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬–১৭
জন। আর গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবে ১৭ থেকে ১৮ জন।
ইসি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৫ জানুয়ারি
থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে।
প্রার্থিতা
প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা
প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি।
প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
মন্তব্য করুন


জুলাই
গণঅভ্যুত্থানকেন্দ্রিক প্লাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-৮
আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানী বিজয়নগরের কালভার্ট এলাকায় অস্ত্রধারীরা তাকে
গুলি করে। তখনই ওসমান বিন হাদীকে উদ্ধার করে ২টা ৩৫ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা
হয়।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের (ডিসি) উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর
রশিদ বলেন, প্রাথমিকভাবে যতটুকু জানা গেছে, দুপুরের দিকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র
ওসমান বিন হাদী এবং তার সঙ্গে আরেকজন রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। তাদের রিকশা কালভার্ট রোড
এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল যোগে দুইজন এসে ওসমান হাদীকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে
যায়। বিস্তারিত ঘটনা জানতে চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ঢামেক
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) ডা. মোশতাক আহমেদ মোবাইল ফোনে বাংলানিউজকে
জানান, শরিফ ওসমান হাদীর অবস্থা খুবই গুরুতর। তার মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তিনি এখন
কোমায় (গভীর অচেতনাবস্থায়) আছেন।
এদিকে
ওসমান বিন হাদী গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। ঢামেক হাসপাতালে জড়ো হন জুলাই
অভ্যুত্থানের আন্দোলনকারীরা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এখন শরিফ ওসমান বিন
হাদীর ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানাচ্ছেন তারা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যাদুর্গতদের
পাশে দাঁড়াতে দলের নেতাকর্মীদের অনুরোধ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমান।
সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে
তারেক রহমান এ অনুরোধ জানান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমান বলেন, বিরতিহীন ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলের কারণে তিস্তা নদীর
তীরবর্তী লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা জেলার নিম্নাঞ্চলের
বিস্তীর্ণ এলাকা আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। তিস্তাসহ ওই অঞ্চলের নদীগুলোর পানি
বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই আকস্মিক বন্যায় প্রায় লক্ষাধিক মানুষ ইতোমধ্যে
গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন। বন্যাকবলিত মানুষ চরম দুর্দশার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। এলাকায়
মানুষের মধ্যে অস্বস্তি ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাস্তাঘাট, জমির ফসল পানিতে ডুবে গেছে।
আমি বন্যা উপদ্রুত ও আশপাশের জেলাগুলোর বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মী
ও সমর্থকদের অনুরোধ জানাচ্ছি, তারা যেন বন্যার্তদের সর্বাত্মক সহযোগিতায় সক্রিয়ভাবে
এগিয়ে আসেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে
তারেক রহমান বলেন, একই সাথে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দ্রুততার সাথে বন্যা কবলিত
এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনাসহ নদী ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ
করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


ঋণখেলাপির
তালিকায় কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করে
জারি করা রুল দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত।
একইসঙ্গে
ঋণখেলাপির তালিকা থেকে কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম
বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে চেম্বার আদালতের আদেশও বহাল রাখা হয়েছে।
বুধবার
(১৪ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের আদালত এ আদেশ দেন।
প্রিমিয়ার
ব্যাংকের আইনজীবী ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার বলেন, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণ পুনঃতফসিল
করেছেন। এ কারণে তিনি আর ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবেন না।
মুন্সীর
আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ মামুন বলেন, আমরা স্টে ভ্যাকেটের জন্য চেম্বার আদালতে
আবেদন দিয়েছিলাম। চেম্বার বিচারপতি আবেদনটি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠাননি। আমরা
বলেছি ঋণ পরিশোধ করে দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংকের
আইনজীবীও ছিল। কোর্ট বললেন, ‘আমি এটাকে আপিল বেঞ্চে দিচ্ছি না। আপনারা হাইকোর্টে যান।’
আইনজীবী
আরো বলেন, আমাদের নমিনেশন চ্যালেঞ্জ করেনি।
নির্বাচন
করতে আজ পর্যন্ত বাধা নেই। তবে হাসনাত আপিল করেছে। আমরাও আপিল করেছি। সেখানে কি হবে
সেটা পরবর্তী বিষয়।
এর
আগে গত ৮ জানুয়ারি ঋণখেলাপির তালিকা থেকে কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল
আহসান মুন্সীর নাম বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার আদালত।
পরে
এই আদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি।
আদালতে
প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার। অপরপক্ষে ছিলেন আইনজীবী
সাইফুল্লাহ মামুন।
এর
আগে, ঋণখেলাপির তালিকায় কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর
নাম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ
দেন। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এই নির্বাচন কোনো একক দলের বিজয়ের
জন্য নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের সম্মান, নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।
তিনি
বলেন, আমরা জামায়াতের শাসন কায়েম করতে চাই না, আমরা চাই একটি মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত
ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এইচজে সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে
আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন
তিনি।
জামায়াত
আমির বলেন, দেশের মানুষ ১২ তারিখের নির্বাচনের পর ১৩ তারিখ থেকে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন
দেখতে চায়।
এই
পরিবর্তন আসবে সমাজের আকাঙ্ক্ষা, মায়েদের নিরাপত্তা, নারীদের সম্মান এবং দেশের সার্বিক
ইজ্জতের ওপর ভর করে।
তিনি
বলেন, আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদ মানবো না, কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারও দেখতে চাই না।
চৌদ্দগ্রামের
মানুষ ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে ভালোভাবে চেনেন উল্লেখ করে জামায়াত আমির
বলেন, তার কাজই তার পরিচয়। জনগণ যদি তাকে নির্বাচিত করে, তাহলে চৌদ্দগ্রাম মন্ত্রিপরিষদে
একজন সিনিয়র সদস্য পাবে ইনশাআল্লাহ।
নারী
ও মায়েদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা মায়ের প্রতি অসম্মান দেখায়, তাদের হাতে
কি দেশের কোটি কোটি মা নিরাপদ থাকতে পারে?
সমাজের সবাইকে নারীদের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন,
জুলাইয়ের আন্দোলনে যে যুবকরা জীবন দিয়েছে, তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শিক্ষা
দিয়েছে।
জামায়াত
আমির বলেন, ভবিষ্যৎ সরকার হবে জনকল্যাণমূলক এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে হবে আপসহীন। তিনি
বলেন, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু যারা সংশোধন হবে না, তাদের বিষয়ে কোনো মায়া
দেখানো হবে না।
কওমি
মাদ্রাসা বন্ধের অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায়
গেলে কওমি মাদ্রাসার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট আলেমদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া
হবে। দেশে বসবাসকারী সব ধর্মের মানুষ পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করবে।
তারুণ্যের
বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, এই বাংলাদেশ গড়া হবে যুবসমাজের হাতেই।
১১ দলের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ৬২ জনই তরুণ-এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ। এটা
হবে তারুণ্যের বাংলাদেশ, যৌবনের বাংলাদেশ।
ঐক্যের
সরকার গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোকেও
জাতীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হবে। তবে শর্ত থাকবে দুর্নীতি পরিহার,
ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং জুলাই আন্দোলনের সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন।
মন্তব্য করুন


সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রয়েছে এমন ব্যক্তি বা সত্তার এবং
তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।
আজ রোববার (১১ মে) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে
এই খসড়া অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ।
বৈঠকের সারসংক্ষেপে বলা হয়, কতিপয় সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ
এবং উহাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করার
নিমিত্ত সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী
কার্যের সহিত জড়িত রয়েছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন
দ্বারা, ঐ ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে
তালিকাভুক্ত করতে পারে। তবে বর্তমান আইনে কোন সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে
কোন বিধান নেই।
এই বিষয়টি স্পষ্টীকরণসহ বিধান সংযোজন আবশ্যক হেতু সন্ত্রাস বিরোধী
আইন, ২০০৯ কে সময়োপযোগী করে আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজন।
বর্ণিত প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাস বিরোধী আইন সংশোধন করে সত্তার কার্যক্রম
নিষিদ্ধ করা, প্রয়োজনীয় অভিযোজন করা এবং অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধকরণের
বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের নিবন্ধন
বাতিল করে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
আজ শুক্রবার
(২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে আমার বাংলাদেশ-এবি পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর
অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি জানান।
এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ
ইসলাম বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক আলোচনার
মূল বিষয় হলো সংস্কার, নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগের
বিচার। এই তিনটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক এবং এর মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক রূপান্তর
সম্ভব। ৫ আগস্ট দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে, তারা আর রাজনীতি করতে পারবে না। জনগণই তাদের ভাগ্য
নির্ধারণ করবে, যা ভোটের মাধ্যমে অথবা
গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে। ইতিহাসে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, যেখানে জনগণ মুজিববাদ ও আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান
করেছে। জনরোষের ভয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তাই তাদের রাজনীতি
করার নৈতিক ভিত্তি নেই। এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের রাজনীতি থেকে বের করে
দেওয়াই একমাত্র উপায়। অবিলম্বে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল এবং তাদের সাংগঠনিক
কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা উচিত।
নাহিদ ইসলাম সংস্কারের
প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, দেশের সব রাজনৈতিক দল সংস্কারের কথা বলছে। একটি মৌলিক
সংস্কারের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা ও ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ প্রশস্ত করতে হবে।
অন্যথায় জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না।
মন্তব্য করুন


মা
বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এর
আগে বিমানবন্দর থেকে সোয়া তিন ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রা শেষে পূর্বাচলের ৩০০ ফুট সড়কে আয়োজিত
সংবর্ধনা সমাবেশের মঞ্চে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে তারেক
রহমান মঞ্চে উঠে দাঁড়ান। এ সময় তার সামনে লাখো নেতাকর্মী–সমর্থকের
উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা।
সেখানে
প্রায় ১৬ মিনিট বক্তব্য দেওয়ার পর তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন ও তার মা বেগম খালেদা জিয়াকে
দেখতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন।
বিমানবন্দর
থেকে যে জাতীয় পতাকার রঙে সাজানো বাসে করে তিনি পূর্বাচলের সংবর্ধনা মঞ্চে এসেছিলেন,
সেই বাসেই হাসপাতালে যান তিনি।
বিকাল
৪টা ২৫ মিনিটে বাসটি এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে রওনা দেয়। তবে মঞ্চ থেকে বাসে উঠতে
তাকে বেশ বেগ পেতে হয়। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর ভিড়ের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
দীর্ঘ সময় ধরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে তাকে নিরাপদে বাসে তুলে দেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আল্লাহর রহমতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয়
সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ তথা বিএনপির বিজয় হবে। জনগণের বিপুল সমর্থন ও জাতীয় ঐক্য
সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে বিএনপি এমন একটা সরকার পরিচালনা করবে যে সরকারের মালিক হবে সকল
জনগণ।
আজ
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় চকরিয়ার সাহারবিল ইউনিয়নের বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে
অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, জনগণ তাদের রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত পাবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের
মধ্য দিয়ে।
আপনার
ভোট আপনি দিবেন, যাকে খুশি তাকে দিবেন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে দিবেন। গণতন্ত্রকে
শক্তিশালী করবেন। বাংলাদেশে যেন আর কোনদিন এই কথা শুনতে না হয় কেউ গুম হয়েছে।
কোন
মাকে যেন তার সন্তান হারানোর বেদনা অনুভব করতে না হয়। বিএনপি এমন একটা বাংলাদেশ বিনির্মাণ
করবে যে বাংলাদেশে আর কোন মানুষ গুম হবেনা। যারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন তাদের
মর্যাদাবান করতে হবে।
তিনি
আরো বলেন, বিএনপি কর্মসূচি, বিএনপির প্ল্যান, পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্র চিন্তা যদি মানুষের পছন্দ হয় তাহলে অবশ্যই তারা বিএনপিকে
ভোট দিবে।
অন্য
যে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন করছেন তারাও তাদের কর্মসূচি, পরিকল্পনা প্রকাশ করবে। জনগণ
তাদেরটা পছন্দ করলে তাদেরই ভোট দিবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য। এমনই হওয়া উচিত।
কিন্তু একটা দল তা না করে তাদের ভোট দিলে মরলে পরে জান্নাত পাবেন বলে ধোঁকাবাজি করছে
তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আপনাদের সাথে আছি। আমি জেলে
থাকার কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে পারিনি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, সেবার আমার
স্ত্রী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদকে আমার চাইতে বেশি ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। এ কারণে
আমি এবং আমার পরিবার আজীবন আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সুতরাং এতে করে বুঝতে পারি আপনারা
আমাকে ভালোবাসেন। এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে আমার জীবন বিপন্ন হতে
বসেছিল। আমরা গণতন্ত্রকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। কেউ মুক্ত পরিবেশে কথা বলতে পারেনি। তাদের
ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন- মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী,
সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজসহ অসংখ্য
নেতাকর্মী।
মন্তব্য করুন