

দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ভিসা সহজ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। দুবাই ইমিগ্রেশনের জেনারেল ডিরেক্টরেট অব রেসিডেন্সি অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাফেয়ারস (জিডিআরএফএ)-এর ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ আহমদ আল মারীর সঙ্গে এক বৈঠকে এ অনুরোধ জানান দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) জিডিআরএফএ’র সদর দপ্তরে সাক্ষাৎ করে কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান, ডিরেক্টর জেনারেলের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ডিরেক্টর জেনারেল মারী নবনিযুক্ত কনসাল জেনারেলকে দুবাইয়ে স্বাগত জানান এবং তার দায়িত্ব পালনকালে দুবাই ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ডিরেক্টর জেনারেল আহমদ আল মারী ও কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান দুবাইয়ে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কল্যাণ এবং অধিক সংখ্যক বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ভিসা সহজ করাসহ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দুবাই ও অন্যান্য আমিরাতসমূহের অবকাঠামোগত উন্নয়নে অবদানের বিষয়ে ডিরেক্টর জেনারেল আহমদ আল মারী বাংলাদেশিদের প্রশংসা করেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৯০ হাজার সেনাসদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আড়াই হাজারেরও বেশি নৌবাহিনীর সদস্য এবং বিমানবাহিনীর একটি অংশ নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবে। প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি কোম্পানি সেনা সদস্য অবস্থান করবে বলে জানা গেছে।
গত শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিন বাহিনীর প্রধানরা নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা “ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে” অবহিত করেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা তিন বাহিনীর প্রধানদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—দেশের জনগণ যেন নির্ভয়ে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে।”
বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সামরিক বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে “ড. ইউনূস” বলেন, গত ১৫ মাসে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নিষ্ঠা ও পরিশ্রম দেখিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়।
এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানরা আগামী ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আয়োজন উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টাকে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল “ওয়াকার-উজ-জামান”, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লায় নানা আয়োজনে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
এরপর কুমিল্লা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক মু.রেজা হাসান।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন করে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ রোববার
(১৬ নভেম্বর) ২য় নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ এর অফিসিয়াল ট্রফি উন্মোচন করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী সব দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি
বাসভবন যমুনায় ট্রফিটি তিনি উন্মোচন করেন।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নারী কাবাডি টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো।
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজন
করছে। টুর্নামেন্টটি ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর
স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে কেবল টুর্নামেন্ট শুরুর
বার্তা নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারীদের ক্রীড়াচর্চার প্রচারে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান
নেতৃত্বকেও উদ্যাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. ইউনূস ঢাকায় বিশ্বকাপ আয়োজনের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, অনুপ্রেরণামূলক এবং বিশ্বমানের টুর্নামেন্ট নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সব দলকে তিনি স্বাগত জানান
এবং আয়োজন সফল করার জন্য আয়োজক, ক্রীড়াবিদ এবং অংশীদারদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
এ বছরের নারী কাবাডি বিশ্বকাপে বিশ্বব্যাপী ক্রীড়ানুরাগীরা
একত্রিত হচ্ছেন এবং শীর্ষ জাতীয় দলগুলো আট দিনের তীব্র প্রতিযোগিতা ছাড়াও সংস্কৃতি
বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন
যে, প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে, সরবরাহ, নিরাপত্তা, দলের থাকার ব্যবস্থা এবং দর্শকদের
অংশগ্রহণের জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা রয়েছে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন, প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। এছাড়া নিরাপত্তা, দলগুলোর থাকার ব্যবস্থা এবং দর্শকের অংশগ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।
টুর্নামেন্টটি আনুষ্ঠানিকভাবে আগামীকাল উদ্বোধন করা
হবে এবং ২৪ নভেম্বর ফাইনাল পর্যন্ত প্রতিদিন ম্যাচ আয়োজন করা হবে।
এতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, চীনা তাইপে, জার্মানি, ইরান, ভারত, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জাঞ্জিবার।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, সরকার সক্রিয়ভাবে নারী ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করেছে এবং প্রতিযোগিতামূলক খেলায় তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ করেছে। নারী ক্রীড়াবিদদের সাফল্য দেশের জন্য গর্বের বিষয় এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শক্তিশালী অনুপ্রেরণা।
মন্তব্য করুন


মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ ছাড়া ব্রেইল বইসহ বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা নিয়েও তিনি কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। ইউনেস্কো ২০০০ সাল থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করে আসছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেইক ল্যাঙ্গুয়েজ কাউন্ট ফর সাসটেউনেবল ডেভেলপমেন্ট’ যুক্তিযুক্ত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ ও দেশের ভাষাসমূহের মর্যাদা রক্ষায় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে, যা দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।
ড. ইউনূস আরো বলেন, শত বছরের শোষণে ও শাসনে জর্জরিত বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম জয়যাত্রা ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিতে। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল। এ দিনে আমাদের মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণোৎসর্গ করেছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ আরো অনেকে।
পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, ১৯৫৬ সালে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় এবং ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এই দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
প্রফেসর
ইউনূস সবাইকে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৫ এর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
জানান। তিনি এ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। সূত্র: বাসস
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের
ভৈরবে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি
দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
আজ শনিবার সকাল
১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের মধ্যচর গ্রামের পূর্বপাড়া
ও পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উভয়পক্ষের আহতরা
হলেন, সেলিম মিয়া (৩৫), হজকরুনি (৪৫), জনিয়া বেগম (২৪), ইমন (২২) সাদ্দাম মিয়া (৩০),
সাজু (৫৪), সবুজ মিয়া (৩৩), শরীফ (২৫), মাহবুর (৩৪), পাবেল (২৬), ইকবাল মিয়া (৫১),
সালমান ফরাজি (১৭)। এছাড়া বাকি আহতরা স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে
ফিরে যান।
আহতদের মধ্য
গুরুতর অবস্থা থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সবুজ মিয়া, সাদ্দাম, সালমান ফরাজিকে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র
জানায়, ভৈরব উপজেলার মধ্যচর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে স্থানীয় যুবকদের আয়োজনে একটি ফুটবল
টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। এ ফুটবল খেলায় ৯ জানুয়ারি শুক্রবার বিকালে ঈদগাহ মাঠে উপজেলার
ভাটিকৃষ্ণ নগর গ্রামের সঙ্গে মধ্যেচর গ্রামের যুবকদের সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
এ খেলা চলাকালে ভাটিকৃষ্ণনগর যখন পরপর দুটি গোল দেয় এর উত্তেজনার জেরে দুপক্ষের লোকজন
মধ্য মাঠেই মারামারি ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় মাতব্বরা পরিস্থিতি সামাল দেয়। শনিবার সকালে
ঘটনাটি মীমাংসার জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজন বৈঠকে বসলে এমন সময় মধ্যচর গ্রামের পূর্বপাড়া
ও পশ্চিমপাড়ার লোকজন দেশীয়অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা সংঘর্ষ চলার
পর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সেনাবাহিনী ও পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শিমুলকান্দি
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আল আমিন বলেন, শুক্রবারের ফুটবল খেলায় গোল
দেওয়ার উত্তেজনায় দুপক্ষের মধ্য মারামারি ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে শনিবার সকালে ফের গ্রামের
দুপক্ষের মধ্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ভৈরব
থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, গত শুক্রবার বিকেলে ফুটবল
খেলাকে কেন্দ্র করে মধ্যচর গ্রামের দুপক্ষের মধ্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে ফেনী-১ (ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী
ও পরশুরাম) আসন থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া
হয়েছে।
সোমবার
(২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মনিরা হকের কাছে
মনোনয়ন জমা দেন বিএনপির জাতীয় ও স্থানীয় নেতারা।
এ
সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু,
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মুন্সি
রফিকুল আলম মজনু, জাতীয় নির্বাহী কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সহসম্পাদক বেলাল আহমদ, কর্মসংস্থান
বিষয়ক সহসম্পাদক রেহানা আক্তার রানু। এ ছাড়া নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব, অ্যাডভোকেট
শাহানা আক্তার শানু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল,
জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের সাধারণ সম্পাদক ড. নিজাম উদ্দিন, ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক
গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, এয়াকুব নবী, আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব
নঈমুল্লাহ চৌধুরী বরাত, ছাত্রদলের সভাপতি সালাহ উদ্দিন মামুন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ
সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম দুলাল সহ জেলা বিএনপি ও ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলা
বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।
রফিকুল
আলম মজনু সাংবাদিকদের বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে আজ আমরা মনোনয়নপত্র জমা দিলাম।
আশা করছি ফেনীর পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী উপজেলার জনগণ বেগম খালেদা জিয়াকে বিপুল
পরিমাণ ভোটে জয়যুক্ত করবেন।
মন্তব্য করুন


সরকার দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল-কলেজের আট হাজার ৮০৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।
বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বলা হয়,৮৮০৭ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে স্কুলের সাত হাজার ৭১৪ জন এবং কলেজের এক হাজার ৯৩ জন।
মাউশি সূত্র আরো জানায়, প্রতি দুই মাস পর পর মাউশিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এবার যারা হচ্ছেন তাদের বেশিরভাগই গত বছর নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী।
সভা সূত্রে বিস্তারিত জানা গেছে, স্কুল পর্যায়ের সাত হাজার ৭১৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে ঢাকার ৭২৭ জন, বরিশালের ৫৭৫ জন, ময়মনসিংহের এক হাজার ৩০৪ জন, খুলনার এক হাজার ৪৪৫ জন, চট্টগ্রামের ৭২৯ জন, কুমিল্লার ৬৬২ জন, রাজশাহীর ৭০২ জন, রংপুরের এক হাজার ১২৭ জন এবং সিলেটের ৪৪৩ জন রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
প্রায় দেড় যুগের নির্বাসিত জীবন শেষে বাংলাদেশে ফিরে আসা তারেক রহমান এখন দেশের শাসনভার
গ্রহণের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন বলে অভিহিত করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
আজ
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) ‘তারেক রহমান: ফ্রম এক্সাইল টু এজ অব পাওয়ার’—
শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে বড় জয়ের মধ্যদিয়ে তারেক রহমানের
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
এতে
বলা হয়, ২০০৮ সালে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে লন্ডনে যাওয়ার পর টানা ১৭ বছর বিদেশে অবস্থান
করেন তারেক রহমান। গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে তিনি দেশে ফেরেন। এরপর তিনি দেশের মাটিতে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে সক্রিয় হন এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয়
নির্বাচনে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী হিসেবে উঠে
আসেন।
১৯৬৫
সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় জন্ম তারেক রহমানের। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক
সম্পর্ক বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করলেও তা শেষ করেননি। পরে তিনি বস্ত্র ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসায়
যুক্ত হন।
রয়টার্স
বলছে, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা
তৈরি হয়েছে, এর প্রেক্ষাপটেই তারেক রহমানের নব উত্থান ঘটেছে। এই পরিবর্তনকে বাংলাদেশের
রাজনৈতিক ধারায় এক অভাবনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে দেখছেন অনেকে।
ভোটের
প্রচারে তারেক রহমান একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার
করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ক্ষমতায় গেলে এমন সাংবিধানিক সংস্কার আনা হবে, যাতে কোনো ব্যক্তি
দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে না পারেন। তার মতে, এতে করে স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা
রোধ করা সম্ভব হবে।
অর্থনৈতিক
পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও তারেক রহমান বেশ কিছু অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন। তিনি দরিদ্র পরিবারের
জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর কথা বলেছেন, পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শুধু তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর না থেকে খেলনা, চামড়াজাত
পণ্যসহ নতুন শিল্প খাত গড়ে তুলে অর্থনীতিকে বহুমুখী করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেছেন
তিনি।
দ্বিপাক্ষিক
পররাষ্ট্রনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রশ্নে রয়টার্সকে তারেক রহমান জানান, তিনি
‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব’ নীতিতে বিশ্বাসী। কোনো একক দেশের ওপর
অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপির
চেয়ারম্যান।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য ক্ষমতায় আসা
নয়, বরং বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মেরুকরণে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে।
একদিকে তিনি তার বাবা জিয়াউর রহমান ও মা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করছেন,
অন্যদিকে নিজেকে একজন নীতিনির্ধারক ও ভবিষ্যতমুখী নেতা হিসেবে তরুণ ভোটারদের কাছে তুলে
ধরার চেষ্টা করছেন।
মাঠপর্যায়ে
বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি এবং ভোটারদের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তাকে এই নির্বাচনের
প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বা ‘ফ্রন্টরানার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে রয়টার্সের
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখন
দেখার বিষয়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তারেক রহমানের দীর্ঘ ‘নির্বাসন থেকে ক্ষমতার পথে’
যাত্রা চূড়ান্ত পরিণতি পায় কি না।
মূলত,
শেখ হাসিনার শাসনামলে তারেক রহমান একাধিক দুর্নীতি মামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হন এবং
অনুপস্থিতিতেই কয়েকটি মামলায় দণ্ডিত হন। ২০০৪ সালে শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড
হামলার ঘটনায় ২০১৮ সালে তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি সব অভিযোগ
বরাবরই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন এবং হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর
সব মামলায় তিনি খালাস পান।
লন্ডনে
বসে তিনি দেখেছেন, কিভাবে একের পর এক নির্বাচনে তার দল কোণঠাসা হয়েছে, শীর্ষ নেতারা
কারাগারে গেছেন, কর্মীরা নিখোঁজ হয়েছেন, দলীয় কার্যালয় বন্ধ হয়ে গেছে।
দেশে
ফিরে তিনি সংযত ও পরিমিত ভাষায় কথা বলছেন, উসকানিমূলক বক্তব্য এড়িয়ে যাচ্ছেন এবং সংযম
ও সমঝোতার আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি ‘রাষ্ট্রের ওপর জনগণের মালিকানা’
ফিরিয়ে আনা এবং প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের কথা বলছেন— যা নতুন সূচনার আশায় থাকা বিএনপি সমর্থকদেরও
করেছে উজ্জীবিত।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর কাছে এ নোটিশ পাঠানো হয়। জামালপুরের মেলান্দহ সিভিল জজ আদালতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক মো. আহমাদুল কবির সাকিল নোটিশটি জারি করেন।
নোটিশে বলা হয়, গত ১৯ জানুয়ারি দুপুরে উপজেলার ডিগ্রিরচর বাজার এলাকায় এমপি প্রার্থী ছামিউল হক ফারুকী মিছিল, জনসমাবেশ এবং প্রচারমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন—এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগটি যাচাই করে প্রাথমিকভাবে এর সত্যতা মিলেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ অবস্থায় তাকে আগামী ২২ জানুয়ারি সশরীরে হাজির হয়ে লিখিতভাবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে ছামিউল হক ফারুকীর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে,বাংলাদেশি ভোটার বিদেশে বসবাস করলেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
সম্প্রতি এ নিয়ে ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি হয়েছে যাতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিধান রয়েছে।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য আবেদন:প্রবাসী ব্যক্তি ভোটদানের জন্য কমিশনের ঘোষিত সময়সূচির প্রজ্ঞাপন ঘোষণার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের জন্য রিটার্নিং অফিসারের নিকট বিধি অনুসারে আবেদন করতে পারবেন।বিধান অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান সংক্রান্ত রিটার্নিং অফিসার স্থানীয়ভাবে প্রচার করবেন। আর বিদেশে অবস্থিত দূতাবাস, হাইকমিশন ও মিশনসমূহ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পদ্ধতিগতভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর করণীয়: রিটার্নিং অফিসার উল্লিখিত আবেদন প্রাপ্তির পর পরই সংশ্লিষ্ট ভোটারের নিকট একটি পোস্টাল ব্যালট পেপার এবং তার সঙ্গে একটি খাম পাঠাবেন। এই খামের ওপর ভোটার থেকে যথারীতি পূরণকৃত খামটি ডাক বিভাগের উপযুক্ত কর্মকর্তার দ্বারা সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে ডাকযোগে প্রেরণের প্রত্যয়নসহ তারিখ উল্লেখ থাকবে। সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালট পেপার গ্রহণ এবং চিঠির ওপর এ সম্পর্কে রাবার স্ট্যাম্পের সিল ব্যবহার করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার সঙ্গে সঙ্গে ডাকযোগে ভোটদানের যোগ্য ব্যক্তিদের নিকট পোস্টাল ব্যালট পেপার প্রেরণ করবেন।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটের নিয়ম: যার নিকট ব্যালট পেপার প্রেরণ করা হবে তার নাম, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার নাম এবং ভোটার তালিকায় বর্ণিত ক্রমিক নম্বর ইস্যুকৃত ব্যালট পেপারের মুড়িপত্রে লিপিবদ্ধ করবেন।) উল্লিখিত ভোটার সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে যাতে ভোট প্রদান করতে পারেন তা নিশ্চিত করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষকে ডাকযোগে ব্যালট পেপার প্রেরণ ও প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে ।
মন্তব্য করুন