

বাংলাদেশ ব্যাংক হলো এমন এক ব্যাংক যেখানে চাকুরী করার স্বপ্ন থাকে হাজারো যুবকের । এখানে চাকুরি করার সুযোগ পাওয়া মানে সোনার হরিণ হাতে পাওয়া । কিন্তু, হঠাৎ করে কি এমন হলো যে কারণে অতি সম্প্রতি অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চাকরি ছেড়েছেন ৫৭জন কর্মকর্তা।
গত মঙ্গলবার দেয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক অফিস আদেশে জানানো হয় এ তথ্যটি
।
এ অফিস আদেশ নিয়ে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসসহ
(বিসিএস) অন্য চাকরিতে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকরি ছেড়েছেন এই
কর্মকর্তারা।
৫৭ জনের মধ্যে থাকা বাকি কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজন গত ৩১ মার্চ,
১৫ ও ১৬ এপ্রিল একজন করে, ১৮ এপ্রিল ২ জন এবং ২১ এপ্রিল ৪ জনের পদত্যাগ কার্যকর করা
হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ছাড়াও পদত্যাগ করা
কর্মকর্তাদের কয়েকজন অন্যান্য জেলা শহরের ছিলেন । এর মধ্যে খুলনা ও বরিশাল অফিসে ৩
জন করে, সিলেট অফিসে ২ জন, মতিঝিল, চট্টগ্রাম ও রংপুর অফিসে একজন করে কর্মরত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী জানুয়ারিতে ফিফা বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকায় ট্রফিটি প্রদর্শন করা হবে, তবে সবকিছুই নির্ভর করছে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকার ওপর। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলেই ফিফার এই বহুল প্রতীক্ষিত ট্রফি সফর বাস্তবায়ন করবে আয়োজক সংস্থা।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আশা করছে, এবারের ট্রফি সফর আগের তুলনায় অনেক বেশি দর্শক সম্পৃক্ততা তৈরি করবে। তারা মনে করছে, বিভিন্ন প্রচারণা, প্রদর্শনী এবং অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আরও স্মরণীয় আয়োজন করা সম্ভব হবে।
বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম জানান, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বাড়ায় এবার ফিফা সদস্য দেশগুলোকে বরাদ্দ দেওয়া টিকিটের সংখ্যাও বাড়তে পারে। ফলে বাংলাদেশ থেকেও ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখার আরও বড় সুযোগ পেতে পারেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, ট্রফির সফর শুধু একটি প্রদর্শনী নয়, বরং বাংলাদেশের ফুটবলকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার একটি সুযোগও বটে। যথাযথ নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এ সফরটি দেশের ফুটবল ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
মন্তব্য করুন


মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত শেষে মাদকবিরোধী বক্তব্য দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
সোমবার মাউশির সহকারী পরিচালক তপন কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্কুল-কলেজসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী প্রচারণা জোরদার করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জাতীয় সংগীত শেষে নিয়মিত মাদকবিরোধী সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও অনুরোধ করা হলো।
এর আগে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা দেয়া হয়।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদের ‘পরিবেশ না থাকায় পরিবারের চাপে’ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
বুধবার বিকেএমইএর পক্ষ থেকে জেলা পুলিশ ও শিল্প পুলিশ-৪ কে ছয়টি পুলিশ ভ্যান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “কারো কেন নির্বাচন করবেন না, এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটি যার যার ব্যক্তিগত বিষয়।”
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থী মাসু নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেন।
এ সময় জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে ভারত সরকারের তলব প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমরা ভারতের কর্মকর্তাদেরও তলব করেছিলাম। সাধারণত একজন তলব করলে অপর রাষ্ট্রও তলব করে।”
সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির বিষয়ে তিনি বলেন, “আপনারা তার জন্য দোয়া করবেন, যেন তিনি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।”
উপদেষ্টা জেলা পুলিশ ও শিল্প পুলিশের কাছে ভ্যান হস্তান্তরের উদ্যোগকে প্রশংসনীয় ও দৃষ্টান্তমূলক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও শিল্পাঞ্চলে শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই পুলিশ ভ্যান হস্তান্তর সেই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প আমাদের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি। নিরাপদ শিল্পাঞ্চল, চিকিৎসা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় শিল্প মালিকদের সঙ্গে প্রশাসনের সম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি। বিকেএমইএর এই উদ্যোগ সেই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।”
উপদেষ্টা পুলিশের কার্যক্রম শক্তিশালী করতে এবং জুলাই বিপ্লবের ক্ষতিপূরণ হিসেবে যানবাহন হস্তান্তর কার্যক্রমের গুরুত্বও উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন


বলিউডের ‘দেশি গার্ল’ প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও মার্কিন পপ তারকা নিক জোনাসের প্রেম আর দাম্পত্য জীবন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের যেন শেষ নেই। বিয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করলেও প্রিয়াঙ্কার ব্যক্তিগত জীবন এখনও বলিউডে আলোচনার কেন্দ্রে। বিশেষ করে নিকের সঙ্গে তার প্রেমের শুরুটা ঠিক কীভাবে—সে প্রশ্ন বহুদিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছিল অনুরাগীদের মনে।
অবশেষে সেই কৌতূহলের জবাব দিলেন খোদ প্রিয়াঙ্কা নিজেই।
সম্প্রতি জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা কপিল শর্মার অনুষ্ঠান ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’-এর চতুর্থ সিজনে অতিথি হিসেবে হাজির হন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। অনুষ্ঠানের একটি প্রমো ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে নিক জোনাসের সঙ্গে তার প্রথম পরিচয়ের গল্প শেয়ার করতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে।
ভিডিওতে দেখা যায়, মঞ্চে উঠেই কপিল শর্মারের ফিটনেস দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রিয়াঙ্কা। মজা করে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘তুমি এতটা ফিট হলে কীভাবে?’ কপিলও সুযোগ হাতছাড়া করেননি। রসিকতার সুরে তিনি জানান, চারজন নায়িকার সঙ্গে সিনেমায় অভিনয় করাই নাকি তার ফিটনেসের রহস্য।
আড্ডার এক পর্যায়ে কপিল সরাসরি প্রশ্ন করেন—নিক জোনাসের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগটা কীভাবে হয়েছিল? দর্শকদের দীর্ঘদিনের এই কৌতূহল উসকে দিয়ে কপিল মজা করে বলেন, ‘আপনি কি পায়রা পাঠিয়ে নিককে প্রেমের চিঠি পাঠিয়েছিলেন?’
প্রিয়াঙ্কা হেসে উত্তর দেন, ‘পায়রা নয়, তবে টুইটারের পাখির মাধ্যমেই আমাদের আলাপ শুরু হয়েছিল।’ অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারেই (বর্তমান এক্স) তাদের প্রেমের সূত্রপাত—এ কথাই স্পষ্ট করে দেন তিনি।
প্রিয়াঙ্কার এই উত্তর শুনে কপিল নিজের ভাগ্য নিয়ে রসিকতা করতে ভুললেন না। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘আমিও তো টুইটারে আছি, কিন্তু আমাকে কেউ প্রেমপত্র পাঠায় না—উল্টো আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়!’
মন্তব্য করুন


সিঙ্গাপুর, চীন এবং ভারত থেকে আগত ২১ জন চিকিৎসক ও নার্সের একটি প্রতিনিধিদল রোববার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
বিদেশি মেডিকেল টিমগুলো সম্প্রতি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা দিতে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।
চিকিৎসকরা দ্রুত সাড়া দেওয়ায় এবং চিকিৎসা সহায়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি এই জাতীয় সংকটকালীন সময়ে তাঁদের নিষ্ঠা ও সংহতির প্রশংসা করেন এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
‘এই টিমগুলো কেবল দক্ষতা নয়, হৃদয় নিয়েই এসেছে’ বলেন অধ্যাপক ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, তাঁদের উপস্থিতি আমাদের মানবিক ঐক্যের প্রতিফলন এবং বিপদের সময় বৈশ্বিক অংশীদারত্বের মূল্য প্রমাণ করে।
আহত—যাদের মধ্যে অনেকেই শিশু— তাদের জরুরি চিকিৎসা এবং ট্রমা কেয়ার নিশ্চিত করতে এই মেডিকেল টিমগুলো স্থানীয় চিকিৎসকদের সঙ্গে মিলেমিশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস টিমগুলোর দ্রুত আগমন এবং কাজ শুরু করার জন্য কূটনৈতিক সমন্বয়ের প্রশংসা করেন।
তিনি সফররত চিকিৎসকদের মিশন বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিনি চিকিৎসকদের প্রতি অনুরোধ জানান যে, তারা যেন ভার্চুয়ালি হলেও বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক বজায় রাখেন—প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা, চিকিৎসা শিক্ষা বিনিময়, এবং স্বাস্থ্য খাতে সক্ষমতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে স্থায়ী সম্পৃক্ততার জন্য।
প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের অংশীদারিত্ব জনস্বাস্থ্য এবং জরুরি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম এই দুঃসময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য চিকিৎসক ও নার্সদের ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক সায়েদুর রহমান বলেন, বিদেশি চিকিৎসকরা দ্রুত সাড়া দেওয়ার কারণে অনেক জীবন রক্ষা পেয়েছে।
সাক্ষাৎকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আবারও প্রমাণ হলো, চিকিৎসকের কোনো সীমান্ত নেই।’
সাক্ষাতে সিঙ্গাপুর থেকে আগত চিকিৎসকদের ১০ জন, চীনের ৮ জন এবং ভারতের ৪ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
অন্যান্যদের মধ্যে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং সিঙ্গাপুর মিশনের প্রধানও উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র-বাসস)
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর রাজনৈতিক আবহ এখন যেন কেবলই এক অনুভূতিতে সিক্ত—সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা। গত কয়েকদিন ধরে কান্দিরপাড় থেকে বিভিন্ন মাদ্রাসা, দলীয় কার্যালয় থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষের ঘর—সব জায়গায় প্রতিফলিত হচ্ছে এক স্বতঃস্ফূর্ত প্রার্থনার ধ্বনি। আর এই নিরন্তর দোয়ার আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কুমিল্লা–৬ আসনের প্রভাবশালী নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, বরং ধর্মপ্রাণ এক মানুষ হিসেবে তার এই দোয়ার ধারাবাহিক প্রয়াস যেন কুমিল্লার বহু মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ছিল এই কর্মসূচির টানা ৬ষ্ঠ দিন। দুপুরের পর এতিম ও দুস্থ শিশুদের জন্য খাবার বিতরণ করা হয়। এরপর বিকেলে কান্দিরপাড়স্থ বিএনপি কার্যালয়ের ভেতর জমকালো কোনো আয়োজন নয়—সরল কিন্তু গভীর এক ধর্মীয় পরিবেশ। ছোট্ট জায়গার ভেতরে মানুষের কণ্ঠে কোরআন তিলাওয়াত এবং পরে সম্মিলিত দোয়া—“হে আল্লাহ… আমাদের নেত্রীকে সুস্থতা দান করো…”
এই দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এসএ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, জেলা যুবদলের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রুমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য–সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম-আহবায়ক সালমান সাইদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য–সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক সাজ্জাদ হোসেন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমানসহ অঙ্গ–সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাজী ইয়াছিনের এই ধারাবাহিক দোয়ার আয়োজন কেবল রাজনৈতিক আনুগত্য প্রকাশ নয়—এটি একজন মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। হাজী ইয়াছিনের এই ব্যাকুলতা নিছক আনুষ্ঠানিক আহবান নয়—এটি হৃদয়ের তাগিদ থেকে উৎসারিত। তিনি নিজের ব্যক্তিগত সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে যেভাবে এতিম শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করছেন এবং প্রতিদিন দোয়া–কোরআনখানি আয়োজন করছেন—তা আমাদের সকলের কাছে অনুপ্রেরণামূলক।
এদিকে বিকালে নগরীর কান্দিরপাড় কেন্দ্রিয় জামে মসজিদে কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ মসজিদে জেলা ছাত্রদল এবং দলীয় কার্যালয়ে জেলা ও মহানগর যুবদল দেশনেত্রী বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়ার আয়োজন করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
ঝিগাতলা এলাকা থেকে জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) নেত্রী জান্নাত আরা রুমির ঝুলন্ত
মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি এনসিপির ঢাকা
মহানগর দক্ষিণের (ধানমন্ডি থানা) সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার
সকালে ঝিগাতলার জান্নাতী ছাত্রী হোস্টেল থেকে তার মরদেহ
উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে
পাঠানো হয়।
হাজারীবাগ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, ঝিগাতলা পুরান কাঁচা বাজারের পাশে অবস্থিত একটি
ছাত্রী হোস্টেল থেকে জান্নাত আরা
রুমির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে
এটি আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড—তা
নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি
তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, রুমি পারিবারিকভাবে মানসিক
চাপে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা
গেছে।
নিহত
জান্নাত আরা রুমি নওগাঁ
জেলার পত্নীতলা থানার নাজিরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মো.
জাকির হোসেন এবং মা নুরজাহান
বেগম।
নিহতের
সাবেক স্বামী মো. বিপ্লব সরকার
জানান, চার থেকে পাঁচ
মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ
হয়। এর আগেও রুমির
আরেকটি বিয়ে হয়েছিল, সেখানেও
তার ডিভোর্স হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রথম
স্বামীর ঘরে রুমির আট
বছরের একটি মেয়ে এবং
তার সঙ্গে সংসারে সাড়ে তিন বছরের
একটি ছেলে রয়েছে। দীর্ঘ
কয়েক মাস ধরে রুমির
সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ
ছিল না।
জান্নাত
আরা রুমি আগে একটি
বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে ২০২৪ সালের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং
এর পর এনসিপির রাজনীতিতে
যুক্ত হন।
হাজারীবাগ
থানার উপপরিদর্শক কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ
ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে সিলিং
ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায়
ঝুলতে দেখতে পায়। হোস্টেলের কাজের
বুয়া সকালে দরজায় ধাক্কা দিলে দরজা খুলে
যায় এবং ভেতরে ঢুকেই
এ দৃশ্য দেখতে পান।
তিনি
আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে
পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ
তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


যেকোনো
মূল্যে দেশে নির্বাচন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)
মিলনায়তনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি
যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক
রহমান বলেন, “ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশের কল্যাণে আমরা যদি ঐকবদ্ধ না হই তাহলে দেশ ধ্বংস
হয়ে যাবে। ষড়যন্ত্র থামানো যাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, তাই নির্বাচন যেকোনো মূল্য
নির্বাচন হতে হবে।”
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে
তিনি বলেন, “গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর যে দুষ্কৃতকারীদের
হামলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন তিনি, এই হামলার পেছনে কারও
কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কি না ভেবে দেখতে হবে।”এ সময় তিনি কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে
বিএনপির এক কর্মীর ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন এবং বলেন, এসব ঘটনা ঘটিয়ে কেউ হয়তো ফায়দা
লোটার চেষ্টা করছে। অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, “অতীতে আওয়ামী
স্বৈরাচার যেভাবে দেশ পরিচালিত করেছেন, আমরা সেভাবে দেশ পরিচালিত করবো না। আমরা তার
পরিবর্তন আনবো, কল্যাণ করবো। সেজন্য এই দেশ গড়ার পরিকল্পনা আমরা আপনাদের সামনে তুলে
ধরেছি। ইনশাআল্লাহ আমরা নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করবো।”
দলীয়
নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “মানুষের কাছে আমাদের যেতে হবে।
একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনারা মানুষের সঙ্গে মেশেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের
বসে থাকলে চলবে না।”বিএনপির দায়িত্ব ও করণীয় তুলে ধরে তারেক
রহমান বলেন, “আমাদের এখন বড় দায়িত্ব হলো বিএনপির প্রত্যেকটি পরিকল্পনা জনগণের কাছে
পৌঁছে দেওয়া। বিএনপির একজন নেতা হিসেবে, একজন কর্মী হিসেবে আমাদের পরিকল্পনাগুলো জনগণের
কাছে নিয়ে যেতে হবে। শুধু জনগণের দোরগোড়ায় নিলে হবে না, এই কাজের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে।”
মন্তব্য করুন


চব্বিশের
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ
ট্রাইব্যুনাল-১।
আজ সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন
সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ঐতিহাসিক এই রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের
অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
বহুল আলোচিত এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ এনে শেখ
হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি চান প্রসিকিউশন।
অন্যদিকে, আসামিদের নির্দোষ দাবি করে খালাস চান তাদের পক্ষে
রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। এছাড়া রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের
খালাস চান তার আইনজীবী।
এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম,
প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এস. এইচ. তামিম শুনানি করেন। এছাড়া শুনানিতে বি.
এম. সুলতান মাহমুদ, শাইখ মাহদি, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটরা
উপস্থিত ছিলেন।
পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে শুনানি করেন
রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। আর রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী
আবদুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ।
ঐতিহাসিক এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু
সাঈদের বাবাসহ স্বজনহারা পরিবারের অনেকে। এছাড়া স্টার উইটনেস হিসেবে সাক্ষ্য দেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। মোট ৫৪ জন সাক্ষী এই মামলায়
সাক্ষ্য দেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান
কামাল ও আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গত ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর
আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
একপর্যায়ে দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে (অ্যাপ্রোভার)
রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।
এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদনের শুনানির জন্য ২ মার্চ দিন ধার্য করেন আদালত।
সোমবার (৩ মার্চ) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি সুপারিশপ্রাপ্ত এ শিক্ষকদের নিয়োগ বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে মেধার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
গত
বছরের ৩১ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও
চট্টগ্রাম বিভাগের (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ
হন ৬ হাজার ৫৩১ জন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।
মন্তব্য করুন