

সংস্কারের নাম করে অনেক রাজনৈতিক দল নির্বাচন বিলম্বিত করতে চায় বলে মন্তব্য করে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন, নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশে এক ডলারও বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত হবে না। মব সন্ত্রাস করে যে মানুষ হত্যা চলছে তাও বন্ধ করা যাবে না। সুতরাং প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসের উচিত খালেদ জিয়ার প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাঁর প্রত্যাশা অনুযায়ী নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা।
শনিবার বিকেলে বরুড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির দ্বি -বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আমলে বাংলাদেশ থেকে ৩০ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। বিএনপি নির্বাচিত হলেই এইসব পাচার হওয়া টাকা আবার বাংলাদেশে ফেরত আনা হবে। যে কারণেই একটি সুষ্ঠ নির্বাচন দ্রুত প্রয়োজন।
সম্মেলনে উদ্বোধক ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক সাবেক এমপি জাকারিয়া তাহের সুমন।
অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান বক্তা বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, বিশেষ অতিথি কেন্দ্রীয় বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম, কেন্দ্রীয় সদস্য ও জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাবেক ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু ,জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক নজরুল ইসলাম ভূইয়া ,মহানগর বিএনপি নেতা আমিরুজ্জামান আমির,জেলা বিএনপি নেতা মোস্তফা জামান, সরওয়ার জাহান দোলন বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


নওগাঁর
পত্নীতলায় বোরকা পরে নারী সেজে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়েছেন। ঘটনাটি
বুধবার (১ মার্চ) রাতে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকার মেসার্স মামুন ফিলিং স্টেশনে ঘটে।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
ভিডিওটি ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও নানা মন্তব্য।
ফিলিং
স্টেশনের মালিকের ছেলে অভি জানান, তেল সংকটের কারণে ওই রাতে পাম্পে গ্রাহকদের প্রচণ্ড
ভিড় ছিল। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছিল যানবাহন
চালকদের। এ অবস্থায় তেল বিক্রি ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমসিম খেতে হয় কর্মীদের।
এমন
সময় বোরকা পরিহিত অবস্থায় এক ব্যক্তি তেল নিতে পাম্পে আসেন। উপস্থিত সাধারণ মানুষের
সন্দেহ হলে বিষয়টি দ্রুত ধরা পড়ে। পরে পরিস্থিতি উত্তেজনাকর হয়ে উঠলে ওই যুবককে দ্রুত
সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
অভি
আরও জানান, তেল সংকটে দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে নারীদের আগে তেল পাওয়ার সুযোগ থাকায় হয়তো
ওই যুবক নারী সেজে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে যুবকের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রনালয় এবং
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, জনগণের
আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য। জনগণ চায় প্রকৃত সংস্কার শেষে
জাতীয় নির্বাচন। বিগত ফ্যাসিবাদের সময় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যেভাবে বৈষম্য করা হয়েছে,
অন্তর্বর্তী সরকার তা করবে না। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো রংপুর ও রাজশাহী বিভাগেও
যাতে সমানভাবে উন্নয়ন হয়, সেভাবে কাজ করবে এ সরকার।
আজ বুধবার
(২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা শহরের সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
মাঠে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ বলেন, শিল্পের বিকাশ ছাড়া অর্থনৈতিক প্রবাহ এবং উন্নয়ন অসম্ভব। এ লক্ষ্যে
উত্তরবঙ্গে যেন শিল্পের বিকাশ ঘটে এজন্য স্থলবন্দর শক্তিশালী করণে সরকার কাজ করবে।
এরই মধ্যে সুগার ও টেক্সটাইল মিল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই
অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য। জনগণ চায় প্রকৃত সংস্কার শেষে জাতীয় নির্বাচন। সেই
লক্ষ্য বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোতে আমরা হাত
দিচ্ছি।
জেলা প্রশাসক
মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র
আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আবু সাঈদ লিওনসহ অনেকে এসময় বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন।
এ সময়
উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান ।
অনুষ্ঠানে
দুই হাজার মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
সজীব ভূঁইয়া।
পরে নীলফামারী
সার্কিট হাউসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত জেলা সদরের গোড়গ্রাম
ইউনিয়নের রুবেল ইসলাম ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচন্ডি ইউনিয়নের নাঈম ইসলামের স্বজনদের
হাতে দুই লাখ করে মোট চার লাখ টাকার করে চেক তুলে দেন তিনি।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৮
আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক
ও অপরিবর্তিত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
আজ
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে একটি সিটি স্ক্যান করার পর এক ব্রিফিংয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালের নিউরোসার্জন ড. মো. আব্দুল আহাদ জানান, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গুলির অনেক
অংশ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে স্প্লিন্টারের কিছু অংশ মস্তিষ্কে থেকে গেছে। মস্তিষ্কে
অক্সিজেনের স্বল্পতা ছিল এবং সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে আছে।
তিনি
আরও বলেন, হাদির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। সকালে তার পুনরায় সিটি স্ক্যান করা হয়েছে।
এতে দেখা গেছে, মস্তিষ্কে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। মস্তিষ্কের পাশাপাশি কিডনির কার্যক্ষমতাও
কাজ করছিল না, যদিও পরে কিডনির কার্যক্ষমতা ফিরে এসেছে। এ ছাড়া গুলি মস্তিষ্কের টেম্পোরাল
ব্যারিয়ার ভেদ হয়ে গেছে।
হাদিকে
এক্সপার্ট হাতে গুলি করা হয়েছে জানিয়ে আব্দুল আহাদ বলেন, খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করা
হয়েছে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে রক্তনালিগুলো রয়েছে, সেগুলোর পাশ দিয়েই গুলি
ভেদ করে গেছে। গুলির অনেকটাই সরিয়ে ফেলা গেছে। তবে অপারেশনের পরেও স্প্লিন্টারের কিছু
অংশ মস্তিষ্কে থেকে গেছে। মস্তিষ্কে অক্সিজেনের স্বল্পতা ছিল এবং সেখানে রক্ত জমাট
বেঁধে আছে। লাইফ সাপোর্টে ফুসফুস অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে।
তিনি
আরও বলেন, হাদি বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। এ অবস্থায় পরিবার তাকে বিভিন্ন
জায়গায় নেওয়ার চেষ্টা করছে। মেডিকেল বোর্ড যদি কোনো সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে বিদেশে
নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে পরিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ইতোমধ্যে বিদেশে তার
চিকিৎসা সংক্রান্ত কেস সামারি পাঠানো হয়েছে।
এদিকে
বিভিন্ন গ্রুপে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে আসছেন। তাদের
মুঠোফোন নম্বর, বাসার ঠিকানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
এ কারণে তাদের মধ্যে এই অনিরাপত্তা কাজ করছে।
গত
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকের সামনে
শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। ঘটনার পর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা
হয়। পরে রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল
বোর্ড বর্তমানে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রেখেছে।
মন্তব্য করুন


ধর্ম-বর্ণ ও মতের পার্থক্য থাকলেও বাংলাদেশের সব মানুষ একই পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগে বিমানবন্দরে দেওয়া নিজের একটি বক্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. ইউনূস বলেন, তখন বলেছিলাম আমরা একটা পরিবার। আমাদের নানামত, নানা ধর্ম থাকবে, নানা রীতিনীতি থাকবে কিন্তু আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। এটাতে জোর দিয়েছিলাম। আমাদের শত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আমরা পরস্পরের শত্রু নই। আমাদের জাতীয়তা, পরিচয়ের প্রশ্নে এক জায়গায় চলে আসি। আমরা বাংলাদেশি, এক পরিবারের সদস্য।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শপথ গ্রহণের পরে শুনতে আরম্ভ করলাম, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। তখন মনটা খারাপ হয়ে গেল। এর পরপরই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গেলাম। সেখানেও বললাম, আমরা একই পরিবারের সদস্য।
তিনি বলেন, সব দাবিদাওয়া বাদ দিলেও একটা দাবি পরিষ্কার আমাদের সকলের সমান অধিকার, বলার অধিকার, ধর্মের অধিকার, কাজকর্মের অধিকার। সেটা এসেছে সংবিধান থেকে। নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেটা নিশ্চিত করা।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, শুনলাম এখনো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে।
তাই আমি সবাইকে নিয়ে বসলাম, এটা থেকে কীভাবে উদ্ধার করা যায়।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সেটা পুরো জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছিল। তখন তৃপ্তি পেলাম, একটু তো কাজ করেছি।
ভুল তথ্যের বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আবার নতুন কথা, হামলা হচ্ছে, অত্যাচার শুরু হচ্ছে। বিদেশি গণমাধ্যম বলব না প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, এটা হচ্ছে। আমি খোঁজ নিচ্ছি, কী হচ্ছে? সবদিকে দেখলাম এটা হচ্ছে না। এক খবরে বলা হচ্ছে, আরেক খবরে বলা হচ্ছে হচ্ছে না, তথ্যের মধ্যে ফারাক আছে। এটা ঠিক না। এটার অবসান হতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা যে তথ্য পাচ্ছি তা ভুল হতে পারে। তথ্যের ওপর বসে থাকার কিছুই নাই, এটার অর্থ অন্ধের মতো বসে থাকা। ভেতরে গিয়ে দেখতে হবে। খোঁজ নিতে হবে তথ্যের গরমিল কেন? তাতে ওরা যা বলছে, তা কি মিথ্যা প্রচার? না আমরা যা বলছি তা মিথ্যা প্রচার। সত্যটা কোথায়।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্যের কোনো ফারাক নেই। সেখানে সঠিক তথ্য কীভাবে পাব, সেটা আমাদের জানার। প্রকৃত তথ্য, অনেক সময় সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা করে লাভ নেই। কর্তা যা চায়, সেভাবে বলে। আসলটা মন খুলে বলতে চাই না। আমরা আসল খবরটা জানতে চাই। সেই প্রক্রিয়াটা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এত বড় দেশে যেকোন ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু প্রকৃত তথ্য জানতে চাই। তাৎক্ষণিক খবর পেলে যাতে সমাধান করা যায়। যেদিক থেকেই দোষী দোষীই। তাকে বিচারের আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, প্রথম কথাটা হলো না হওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করা। আর হয়ে গেলে তাৎক্ষণিক প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। আমি যা বলছি, তা দেশের বেশির ভাগ মানুষ মনে করে। আমরা এক পরিবারের মানুষ হিসেবে সামগ্রিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারি। সেখানে তথ্য ও প্রতিকার হলো বড় বিষয়।
তিনি বলেন, আমি পেলাম তথ্য কিন্তু প্রতিকার পেলাম না। সমস্যা হয়ে গেলে সমাধান করতে হবে। আজকের আলোচনা খোলাখুলি, আমরা সবাই আলোচনা করব। আমাদের লক্ষ্যে কোনো গোলমাল নেই। তথ্য প্রবাহ কীভাবে পাব, দোষীকে কীভাবে ধরব, যাতে সবাই সঠিক তথ্যটা পেয়ে যায়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই, যার নাম দিয়েছি নতুন বাংলাদেশ। এটা আমাদের করতে হবে। আপনাদের কথা বলে সন্তুষ্ট করে আজকের মতো বিদায় দিলাম তা নয়। এটা দ্রুত করতে হবে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে দেখলে হবে না, আমাদের বর্তমানেই করতে যেতে হবে।
সংখ্যালঘু সমস্যার বিষয়ে অবাধ, সত্য তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা যায়, সে বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের পরামর্শ চান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কীভাবে নিরাপদে সংগ্রহ করব, যে তথ্য দিচ্ছে সে যেন বিব্রত না করে তাও নিশ্চিত হতে হবে।
মন্তব্য করুন


শনিবার
(১০ আগস্ট) বিকেলে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ
জাহাঙ্গীর আলম কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পরিদর্শন করেন।
এ
সময় কুমিল্লা সেনানিবাসের সিনিয়র কর্মকর্তারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান, কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো: সাইদুল ইসলাম ।
থানা পরিদর্শন শেষে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেনের সাথে কথা বলেন।
উল্লেখ্য যে, সরকার পতনের পর সারাদেশে হামলা-সহিংসতায় থানাগুলোতে
লুটপাট-ভাংচুর হয়। এর ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। সম্প্রতি সেনাবাহিনীর
পাহারা ও সহযোগিতায় থানায় আবার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসতে শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’এর উদ্বোধনী খামে স্বাক্ষর করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় রাষ্ট্রীয় বাসভবন যমুনায় এই স্বাক্ষর করেন তিনি। এ সময় যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে তারুণ্যের উৎসবের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচি আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত চলমান থাকবে।
তারুণ্যের উৎসব বিপিএল ২০২৫-এর সহযোগিতায় বিভিন্ন কমিউনিটি এনগেজমেন্টের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে খেলাধুলার প্রসারে কাজ করবে। এর মধ্যে থাকবে তরুণদের জন্য স্থানীয় ক্রীড়া টুর্নামেন্ট এবং কমিউনিটি ক্রিকেট ক্লিনিক, যা তাদের অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। বিভিন্ন ফ্যান জোনে ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল থাকবে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক রান্নার পরিচিতি ও স্থানীয় ব্যবসার প্রচার করা হবে, যা দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে। তরুণদের মধ্যে খেলাধুলার প্রসারে কাজ করবে। এর মধ্যে থাকবে তরুণদের জন্য স্থানীয় ক্রীড়া টুর্নামেন্ট কমিউনিটি ক্রিকেট ক্লিনিক, যা তাদের অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। ফ্যান জোনগুলোতে দেশি শিল্পীদের সৃষ্টিশীলতা প্রদর্শনের জন্য শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। এটি অনেক শিল্পীকে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেবে এবং একই সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিক শিল্পের উদযাপন হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরে অভিবাসন ও বিনিয়োগ অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আগামীকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টা তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা সফর। এই সফরে অনেকগুলো সমঝোতা স্বাক্ষর হবে। এই সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হবে। সফরের মূল ফোকাস অভিবাসন নিয়ে আলাপ, দ্বিতীয় ফোকাস হচ্ছে বিনিয়োগ।
রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফর নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচবি শফিকুল আলম বলেন, মালয়েশিয়া আমাদের জনশক্তি খাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। আমরা আমাদের অভিবাসন এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পারি-যাতে মালয়েশিয়া আমাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক জনশক্তি নেয়। এগুলো নিয়ে কিছু আলাপ হবে এবং এটার আলোকে কিছু চুক্তি স্বাক্ষর হবে। তিনি বলেন,মালয়েশিয়ার বড় বড় যেসব কোম্পানি আছে—তাদের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে কথা হবে। আগামী ১২ আগস্ট একটি বিজনেস কনফারেন্স আছে। এরপর ১৩ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টাকে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি কেবাংসান (ইউকেএম) সম্মানসূচক ডিগ্রি দেবে। এই অনুষ্ঠানে আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীম উপস্থিত থাকবেন । মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ১২ আগস্ট একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আছে। সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের যে সুসম্পর্ক আছে, সেটা একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহা-পরিচালক শাহ আসিফ রহমান বলেন, আগামী ১১ থেকে ১৩ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। তার সঙ্গে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল যাচ্ছেন। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন হারুন।
তিনি আরও জানান, সফরের প্রথম দিন প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হবে, সেখানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল প্রধান উপদেষ্টাকে গ্রহণ করবেন। ১২ আগস্ট পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। বৈঠকের পর দুদেশের প্রতিনিধি পর্যায়ে বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য যে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হবে তা হলো প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা; এলএনজি ও পেট্রোলিয়াম সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণসহ জ্বালানি সহযোগিতা; বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) ও ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ মালয়েশিয়া (আইএসআইএস); বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) ও চিপ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিমোস (এমআইএমওএস) এর সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক চেম্বার এফবিসিসিআইর সঙ্গে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক চেম্বারের মধ্যে সমঝোতা।
সম্ভাব্য এক্সচেঞ্জ নোটগুলো হলো হালাল ইকোসিস্টেম, দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমি এবং উচ্চ শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বিষয়ক নথি সই।
মন্তব্য করুন


রিদপুরের মধুখালীতে নকল সার, কীটনাশক, ছত্রাকনাশক ও ভেজাল ভিটামিন ওষুধ প্রস্তুত ও প্যাকেজিংয়ের একটি অবৈধ কার্যক্রমের সন্ধান পেয়েছে প্রশাসন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) বাগাট ইউনিয়নের উত্তর বাগাট গ্রামে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল কৃষি উপকরণ, বিভিন্ন নামি কোম্পানির নকল প্যাকেট, খালি কৌটা এবং প্যাকেজিংয়ের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে ঘটনাস্থল থেকেই দাউদ মোল্লা (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করে।
অভিযান পরিচালনা করেন মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু রাসেল। সঙ্গে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব এলাহী এবং মধুখালী থানার এসআই তন্ময়সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্র্যান্ডের স্টিকার ব্যবহার করে নকল ও ভেজাল কৃষি উপকরণ তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছিল—যা কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারত। অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করা হয় এবং দাউদ মোল্লাকে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয়।
তিনি আরও বলেন, কৃষি উপকরণ আইনের ২০০৯ সালের ৪৩ ধারায় তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব ইলাহীও অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


ইরান–ইসরায়েল
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশ থেকে ওই অঞ্চলের কিছু রুটের ফ্লাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এতে করে মধ্যপ্রাচ্যের
বিভিন্ন দেশে যেতে প্রস্তুত থাকা বিপুলসংখ্যক কর্মী চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। বিশেষ করে
যেসব কর্মীর ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের
সহায়তার জন্য হটলাইন চালু করেছে সরকার।
আজ
রোববার ( ০১ মার্চ ) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছু অনেক কর্মীর ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এর ফলে অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের
প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক হটলাইন চালু
করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব কর্মী ফ্লাইট বাতিল বা ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় পড়েছেন,
তাঁরা যেকোনো সময় টোল ফ্রি হটলাইন নম্বর ১৬১৩৫–এ যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা
নিতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত হটলাইনের মাধ্যমে কর্মীদের
প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ দেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয়ের
জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের
পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্মীদের আতঙ্কিত না হয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ
দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব কর্মীর ভিসা বা ফ্লাইট সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিয়েছে,
তাঁদের দ্রুত হটলাইনে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক–সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন যে সরকার এখন প্রবাসীদের নিজস্ব ব্যবহারযোগ্য ফোন ছাড়াও বিদেশ থেকে অতিরিক্ত দুইটি নতুন মোবাইল আনার সুযোগ দিচ্ছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ফোন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে কোনো নতুন আইন করা হয়নি, অথচ সামাজিকমাধ্যমে এ নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। গুজব ও ভিত্তিহীন প্রচারণা থেকে দূরে থাকতে তিনি প্রবাসীদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, বিদেশ থেকে একাধিক ফোন আনলেই ট্যাক্স দিতে হবে—এমন কোনো নতুন নিয়ম চালু হয়নি। পূর্বের সরকার যেখানে প্রবাসীদের ব্যবহৃত ফোনের সঙ্গে মাত্র একটি নতুন সেট আনতে দিত, বর্তমান সরকার সুবিধা বাড়িয়ে দুইটি নতুন সেট আনার অনুমতি দিয়েছে। অর্থাৎ, প্রবাসীরা এখন ব্যক্তিগত ফোনসহ মোট তিনটি ডিভাইস আনতে পারবেন। তবে যদি দুইটির বেশি নতুন ফোন আনা হয়, তাহলে শুধু অতিরিক্ত সেটের জন্যই শুল্ক দিতে হবে। এনবিআর ব্যাগেজ রুল সংশোধনের মাধ্যমেই এই নতুন সুবিধা কার্যকর হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এই সুবিধা কেবল তাদের জন্য যারা বিএমইটি (প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়) থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বিদেশে গেছেন। অন্য যাত্রীদের ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে।
ফোন রেজিস্ট্রেশন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, নতুন কোনো আইন না হলেও ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে যে কেউ নতুন মোবাইল ব্যবহার করলে ৬০ দিনের মধ্যে সেটি নিবন্ধন করতে হবে—এটি দেশের সব নাগরিকের জন্যই প্রযোজ্য। অপহরণ, হুমকি, চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণের মতো অপরাধ ঠেকাতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য কাউকে হয়রানি করা নয়, বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গুজব ও গিবত ইসলামের দৃষ্টিতে মারাত্মক পাপ। কেউ কেউ মিথ্যা প্রচার করছে যে প্রবাসীরা নাকি দেশে সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাকতে পারবেন—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি এসব অসত্য ও কুৎসামূলক প্রচারণা বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন