

মন্তব্য করুন


রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কারা অভ্যন্তরে অবস্থান করছে সেনাবাহিনী।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সকাল থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজান দেখা দেয়। দুপুরে সেই উত্তেজনা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, একজন কয়েদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে সেনাবাহিনীর সহায়তা কামনা করে। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে কারাগারের ভিতরে প্রবেশ করে। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
জানা গেছে, সকালে এক বন্দির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বন্দিদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রংপুর জেলা প্রশাসক মোবাশ্বের হাসান ও ৬৬ পদাধিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা কারাগারের ভেতরে অবস্থান করছেন।
এদিকে, কারাগারের বাইরে র্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে সেনা সদস্যরা।
রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান সাংবাদিকদের জানান, কয়েদিদের দু’পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
পবিত্র
ঈদ-উল-আযহা ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে আজ সোমবার (২ জুন) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
(বিআরটিএ) এর চেয়ারম্যানের নির্দেশনা ও পরিচালকের উপদেশ অনুযায়ী যাত্রী সাধারণের যাতায়াত
নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখা, যানজটমুক্ত রাখা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করা ও ফিটনেসবিহীন
যানবাহন নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে, জেলা প্রশাসন কুমিল্লা, জেলা পুলিশ কুমিল্লা ও বিআরটিএ,
কুমিল্লা সার্কেল, কুমিল্লার সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ
সময় বাস টার্মিনালের বিভিন্ন কাউন্টারে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শনী নিশ্চিত করা হয় এবং
যাত্রী সাধারণকে হয়রানি করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়। সেই সাথে যাত্রী সাধারণের
সাথে হয়রানিমূলক আচরণের জন্য শাস্তির বিধান সম্পর্কে অবহিত করা করা হয়। উক্ত বিশেষ
অভিযানে যাত্রী সাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
আজকের
অভিযানে সড়ক পরিবহন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের জন্য ৫ টি মামলা ও ১০,০০০/- (দশ হাজার
টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।
উক্ত
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন,জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শ্রী রতন
কুমার,এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যায়েদ হোছাইন, বিআরটিএ কুমিল্লার মোটরযান পরিদর্শক
মোঃ সাইফুল ইসলাম ।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা প্রায় ১০০ ফুট দূরে গিয়ে পড়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরও দুজন।
আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১টা দিকে পৌরসভার মৌলভীপাড়া এলাকায় রেললাইনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত মসুদা আক্তার (৫০) ও সানজিদা আক্তার চুমকি (২৮) সম্পর্কে মা-মেয়ে। আহত বদিউল আলম ও তার নাতি সাফওয়ান চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা পৌর সদরের মৌলভীপাড়ার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বদিউল আলম তার পরিবার নিয়ে মেয়ের নানা শ্বশুর মারা যাওয়ার সংবাদে মুরাদপুর ইউনিয়নের গুপ্তাখালীতে জানাজায় অংশগ্রহণ করতে যায়। তার সঙ্গে ছিল স্ত্রী, মেয়ে, ছেলে ও নাতি। জানাজা শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে নিহতের বাড়ির সামনেই রেললাইন পার হতে গিয়ে রেললাইনের উপরে হঠাৎ সিএনজিচালিত অটোরিকশার ইঞ্জিন বিকল হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। অনেক ধাক্কাধাক্কি করার পরও সিএনজিটি ওঠাতে পারেনি।
এ সময় রেললাইন দিয়ে ঢাকামুখী মহানগর এক্সপ্রেস আসছিল। এই বুঝে সিএনজির চালক গাড়ি থেকে নেমে যায়। ওই সময় ট্রেন কাছাকাছি চলে আসাতে বদিউল আলম ও তার ছেলে হাসান অটোরিকশা থেকে তড়িঘড়ি করে নেমে গিয়ে গাড়িটিকে ধাক্কা দিয়ে রেললাইন থেকে তোলার চেষ্টা করেন। তখন অটোরিকশার মধ্যে বসা ছিল বদিউল আলমের স্ত্রী মসুদা আক্তার, মেয়ে সানজিদা আক্তার চুমকি (২৮) ও এক বছরের নাতি সাফোয়ান। এক পর্যায়ে মহানগরে এক্সপ্রেস ট্রেনটি সিএনজিটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিটি প্রায় ১০০ ফুট দূরে রেললাইনের বাইরে গিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাস্থলে মাসুদা আক্তারের রক্তাক্ত বোরকা পরে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় একজন যুবক বলেন, দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে এসে দেখি দুর্ঘটনার স্থান থেকে প্রায় ১০০ ফুট দূরে রেললাইনের পশ্চিম পাশে একজন নারী ও পূর্ব পাশে আরেকজন পড়ে আছে। আর দুই রেললাইনের মাঝখানে পড়ে ছিল বাকি দুজন। তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বাকি বদি আলম ও তার নাতি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
এ বিষয়ে রেলওয়ে পুলিশ আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, দুর্ঘটনা খবর পেয়ে রেল পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু ওই সময় ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের তথ্য বরাতে দুপুর ১টার দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় মহানগর এক্সপ্রেস যাওয়ার সময়। ধারণা করা হচ্ছে, মহানগর এক্সপ্রেসের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে কিন্তু মারা যাওয়ার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হয়নি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নাঙ্গলকোটে আলোচিত গণধর্ষনের ঘটনায় জড়িত একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ০৯/০১/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ১ টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানাধীন নুরপুর সাকিনস্থ সেবাখোলা বাজারের খোকন স’মিলের টিনের ঘরের ভিতর দুই নারীকে গনধর্ষণ এর ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম লাকি বেগম (৪০) বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে একটি গনধর্ষণ মামলা দায়ের করে। উক্ত ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ২৯ জানুয়ারী দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন ধামতী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষন মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী মোঃ খোকন (৪২), পিতা-আলী মিয়া, সাং-করের ভোমরা, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত
আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম মায়া খাতুন (২০) এর সাথে ১ নং আসামী
সহিদ (২৬) এর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ঘটনার দিন সকালে আসামী সহিদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে
ভিকটিমকে দেখা করার জন্য আসতে বলে। তখন ভিকটিম মায়া খাতুন তার সাথে অন্য ভিকটিম লাকি
বেগম (৪০)’কে নিয়ে বাঙ্গড্ডা বাজারে গেলে আসামী সহিদ ভিকটিমদ্বয়কে নিয়ে অটোরিক্সাযোগে
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফেরা করে এবং একপর্যায়ে ভিকটিম মায়া খাতুন’কে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব
দেয়। ভিকটিম মায়া উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। পরবর্তীতে
আসামী সহিদ সুযোগ বুঝে ভিকটিমদ্বয়কে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় এবং তার পরিকল্পনা মোতাবেক
সেখানে পূর্ব থেকে ৭-৮ জন অবস্থান করছিল। ভিকটিমদ্বয়কে সেখানে নেয়ার পর আসামী সহিদ’সহ
অন্যান্য ৭-৮ জন আসামী মিলে ভিকটিমদ্বয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ
করে এবং কাউকে কিছু না বলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। পরবর্তীতে ধৃত আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা
গ্রেফতার এড়াতে আত্নগোপনে চলে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের লিডারসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, গাঁজা, মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তারদের প্রিজন ভ্যানে করে অন্যান্য আসামির সঙ্গে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর পাঁচটি পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আশুলিয়ার ইয়ার হোসেন (২০), জামগড়ার সোনা মিয়া (৪৫), একই এলাকার আশরাফুল (১৮), বড় বাবু (১৯), আকাশ (১৮) ও ১৭ বছরের এক কিশোর।
যৌথ বাহিনী জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাং লিডার ইয়ার হোসেন, মাদক ব্যবসায়ী সোনা মিয়াসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইয়ার হোসেন ও সোনা মিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, অনলাইন বেটিং, মাদক ব্যবসা এবং কিশোর গ্যাং কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। অভিযানে ১৬টি দেশীয় অস্ত্র, ৫টি ধারালো অস্ত্র ও কাঁচি, ৪৮টি মোবাইল সিম এবং ৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, দেশীয় অস্ত্র, গাঁজা, মোবাইল ফোন ও অপরাধে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামসহ ৬ জনকে থানায় হস্তান্তর করেছে যৌথ বাহিনী। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ চৌয়ারা বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
কুমিল্লা ডিমসহ নিত্যপণ্যের বাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা
করেন। এসময় অনিয়মের অভিযোগে চার প্রতিষ্ঠানকে ৫৯ হাজার টাকা জরিমানা করা
হয়। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট ও প্যাম্পলেট বিতরণ করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ তদারকি কার্যক্রমে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একে আজাদ ও সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলায় সাদ্রা
দরবার শরীফসহ জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোববার (১৬ জুন)
ঈদুল আজহা উদযাপন করা হবে।
গ্রামগুলোতে ঈদ ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ
বিরাজ করছে।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, শাহরাস্তি
এবং মতলব উত্তর উপজেলা মিলিয়ে প্রায় অর্ধশত গ্রামে আগাম রোজা ও ঈদ উদযাপন হয়ে আসছে।
জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবসহ
আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে এসব গ্রামে।
হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পির মাওলানা ইসহাক (রহ.) প্রথমে তার নিজ
গ্রামে এবং পরে তার অনুসারীরা এমন নিয়ম মেনে রোজা রাখা শুরু করেন। সেই ধারাবাহিকতায়
ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে।
সাদ্রা দরবার শরিফ মাঠের পিরজাদা জাকারিয়া
চৌধুরী আল মাদানী জানান, দরবার শরিফ মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে আমি
নিজেই ইমামতি করবো।
সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা
মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।
হাজীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুর
রশিদ ও ফরিদগঞ্জ থানার ওসি সাইদুল ইসলাম জানান, ঈদুল ফিতর ও
ঈদুল আজহা এসব গ্রামে একদিন আগে হয়ে আসছে। ঈদের জামাতসহ সার্বিক নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত
ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ট্রলি ব্যাগে করে গাঁজা পরিবহনকালে ১৩ কেজি গাঁজাসহ একলাস মীর (৪২) নামে ১ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন ধোলাইপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ট্রলি ব্যাগে করে অভিনব কায়দায় গাঁজা পরিবহন করা হচ্ছিল। এ সময় ১৩ কেজি গাঁজাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত একলাস মীর ১ জন পেশাদার মাদক কারবারি। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম আরও জানান, গ্রেফতারকৃত একলাস মীরের বিরুদ্ধে ১টি মাদক মামলা দায়ের করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় বালক (অনূর্ধ্ব -১৫) ফুটবল প্রশিক্ষণের
সমাপনী ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে
আজ শনিবার (২৪ মে) বিকালে ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম কনফারেন্স কক্ষে প্রশিক্ষণের
সমাপনী ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি
২০২৪-২৫ এর আওতায় জেলা ক্রীড়া অফিস, কুমিল্লার
আয়োজনে এ প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র প্রদান
অনুষ্ঠিত হয়।
এতে কুমিল্লার ৪০ জন বালক ফুটবল প্রশিক্ষণের
সুযোগ পায়। জেলা ক্রীড়া অফিসার ও সদস্য সচিব জেলা ক্রীড়া সংস্থা জনাব সুমন কুমার মিত্রের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক
কমিটির সদস্য আহসানউল্লাহ স্বপন, আরিফ খান,
কাজী গোলাম কিবরিয়া, মাহির তাজওয়ার ওহি, ক্রীড়া সংগঠক মাহবুবুল আলম চপল, জেলা ফুটবল
এসোসিয়েশন এর কোষাধ্যক্ষ সাইফুল আলম বাবু,
সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, জেলা ফুটবল দলের প্রশিক্ষক মোঃ তুহিন, ফুটনল
প্রশিক্ষক পিন্টু দাস, মাধব বণিক সহ অতিথিবৃন্দু।
জেলা ক্রীড়া অফিসার সুমন কুমার মিত্র জানান,
তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভার বিকাশ, বালকদের
মধ্যে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য আজকের এ আয়োজন। এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হতে প্রতিভাবান
খেলোয়াড়েরা পরবর্তীতে জেলা দল, বিভাগীয় দল ও জাতীয় পর্যায়ে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় কলেজ শিক্ষার্থীকে রাস্তা
থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামী মোঃ সাকিব আহম্মেদকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২০ থেকে
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বার
বাড়ীতে কলেজ শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষার্থীর পিতা
বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১ টি মামলা
দায়ের করেন। (যার মামলা নং-২৪, তারিখ-৩০/০৯/২০২৪)।
উক্ত ঘটনায়
জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়
তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ এর অভিযানে
আজ (৫ অক্টোবর) ভোর রাতে নরসিংদী জেলার পলাশ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক
মোঃ সাকিব আহম্মেদকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার হাসনাবাদ এলাকার মোঃ রিপন মিয়ার ছেলে মোঃ
সাকিব আহম্মেদ (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, শিক্ষার্থীর পিতা একজন ব্যবসায়ী। দাউদকান্দি উপজেলার
স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছিল ওই শিক্ষার্থী। কলেজে
যাওয়া আসার সময় গ্রেফতারকৃত আসামী সাকিবের সাথে পরিচয় হয়। এরই প্রেক্ষিতে সাকিব ওই
শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিবাহের প্রস্তাব
দেয়। উক্ত প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে আসামী সাকিব তাকে বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি সহ অপহরণের
ভয় দেখায় এবং গতিবিধি অনুসরণ করতে থাকে। পরবর্তীতে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ
আনুমানিক ৯ টায় ওই শিক্ষার্থী কিছু জিনিস কেনার জন্য কুমিল্লা জেলার
দাউদকান্দি থানাধীন হাসনাবাদ এলাকায় পৌছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আসামী সাকিব ও তার
সহযোগীরা ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে মাইক্রোবাস যোগে গাজীপুর
জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বারবাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্ব থেকে আসামী সাকিব একটি
রুম ভাড়া করে রাখে এবং গত ২০/০৯/২০২৪ তারিখ হতে ২৭/০৯/২০২৪ ইং তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন
সময় ওই শিক্ষার্থীকে ঐ ভাড়া বাসায় আটকে রেখে তার ইচ্ছার
বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে আসামী সাকিব ঐ বাসা থেকে পলায়ন করে আত্নগোপনে
চলে যায় এবং ওই শিক্ষার্থী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার বাসায় যোগাযোগ
করলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে।
র্যাব জানান,
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ধর্ষণের ঘটনার সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে
তথ্য প্রদান করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায়
হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন