

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভারতের সাথে আমদানিকৃত ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ১৬৫০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ সিরাজগঞ্জে এসে পৌঁছেছে। চুক্তিকৃত ৫০ হাজার টন পেঁয়াজের প্রথম চালান এটি।
এর আগে, গতকাল রবিবার (৩১ মার্চ) বিকেলে ভারত থেকে ৪২টি রেলওয়ে ওয়াগনে এ পিঁয়াজ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এসে পৌছায়। এরপর কাগজ পত্র যাছাই বাচাই শেষে রাত্রে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্য রওনা হয়।
সোমবার(১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পেয়াজ নিয়ে সিরাজগঞ্জ বাজার রেল ইয়ার্ডে পৌঁছায় রেলওয়ে ওয়াগনগুলো। সকাল ৯টা থেকে পিঁয়াজ খালাস করা শুরু হয়। খালাসকৃত পিঁয়াজ ঢাকা, গাজিপুর ও চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট জায়গা থেকে টিসিবি এর মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রিকরা হবে। এতে প্রায় ৩০টি জেলায় পিঁয়াজের মুল্য স্থিতিশীল হবে।
টিসিবি ডিলার আব্দুর রব রাইস এজেন্সির মোহাম্মদ সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিনের নিয়মিত ডিলার। টিসিবির নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থান থেকে ভোক্তাদের মাঝে ৪০ টাকা করে পিঁয়াজ বিক্রি করা হবে এবং একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ কেজি করে নিতে পারবেন।
টিসিবি'র অতিরিক্ত পরিচালক গোলাম খোর্শেদ জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের সাথে টিসিবির কর্তৃক ৫০ হাজার মেট্রিক টন আমদানির প্রথম চুক্তি হিসাবে ১৬৫০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ সিরাজগঞ্জে পৌছানোর পর ডিলারদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। তার মধ্যে ১০০০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ ঢাকা জেলায় ১০০ জন ডিলার এবং বাকী ৬৫০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ গাজিপুর ও চট্রগ্রামে পর্যায়ক্রমে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
মন্তব্য করুন


দেশের ১০ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। আজ শনিবার (১ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক সতর্কবার্তায় এ কথা জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেট জেলায় পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেগে বৃষ্টি বা বজ্রসহ অস্থায়ী দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর (পুনঃপ্রকাশিত) সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ঝড় ও বৃষ্টির প্রভাবে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে, তাই লোকজনকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের
সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির
সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান
ফুয়াদ। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে পৃথকভাবে এ
সংক্রান্ত আবেদন করেন তারা।
প্রধান
নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ
ও মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিত আবেদন জমা দেন কাজী রেহা কবির
সিগমা।
কাজী
রেহা কবির সিগমা আবেদনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করে
তিনি নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন এবং এরই মধ্যে ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছেন
বলে উল্লেখ করেছেন।
আইনানুগ
গণসংযোগ কার্যক্রমে ভীতি সৃষ্টি ও বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম
থানার পুলিশ ন্যক্কারজনকভাবে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়ে তিনি জানান, ১৬ ডিসেম্বর
দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার এক নিরপরাধ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে ভুয়া মামলায় কিশোরগঞ্জ
আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে তার কর্মীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এবং নির্বাচনী কার্যক্রম
মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
গ্রেপ্তার
মো. কিয়ামত আলী (৫০) একজন নিরীহ ও জনপ্রিয় ব্যক্তি উল্লেখ করে সিগমা বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে
আগে কোনো মামলা বা অভিযোগ ছিল না।
তাকে
২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর দায়ের করা একটি মামলায় আসামি দেখানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা
ও বানোয়াট। ওই মামলায় কিয়ামত আলী এজাহারভুক্ত আসামি নন। অষ্টগ্রাম থানার খুব কাছাকাছি
বসবাস করলেও গত এক বছরে পুলিশ কখনো তার খোঁজ নেয়নি। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, শুধু তার
কর্মীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি
তদন্ত করে অবিলম্বে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আসন্ন নির্বাচন
সুষ্ঠু ও প্রশ্নাতীত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সিইসির হস্তক্ষেপ কামনা করেন
তিনি। এদিকে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন
কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার
আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়টি তুলে ধরেন।
প্রার্থী
নিরাপত্তার শঙ্কা নিয়ে ইসিতে আসছেন, এ বিষয়ে কমিশন কী ব্যবস্থা নিচ্ছে—জানতে
চাইলে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘ব্যারিস্টার ফুয়াদ এসেছিলেন। তার অভিযোগ
হচ্ছে, পুলিশ তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছে না। আমরা সার্বিকভাবে সব প্রার্থীর নিরাপত্তার
বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি।
সব
প্রার্থী বিজয়ী হতে পারবেন না। জনগণ যাকে বেশি ভোট দেবেন, তিনিই বিজয়ী হবেন।’
সব প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের আচরণ বিধিমালা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর হাজারীবাগের জিগাতলায় একটি ছাত্রী হোস্টেল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ধানমণ্ডি শাখার নারী নেত্রী জান্নাতারা রুমী (৩২)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে জিগাতলা এলাকার একটি নারী হোস্টেলের পঞ্চম তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুমীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়। পরে সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত রুমী এনসিপির ধানমণ্ডি শাখার একজন নারী নেত্রী ছিলেন।
এদিকে মৃত্যুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া রুমীর কয়েকটি পোস্ট ঘিরে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া সর্বশেষ স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছিলেন,
“ইয়া আল্লাহ, হাদি ভাইকে আমাদের খুব দরকার”,
যার সঙ্গে দুটি কান্নার ইমোজি যুক্ত ছিল।
এর একদিন আগে দেওয়া আরেকটি পোস্টে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন,
“একদিন ভোর হবে, সবাই ডাকাডাকি করবে কিন্তু আমি উঠব না—কারণ আমি ভোরে উঠি না।”
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলের দিকে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার দুর্গাপুর পদ্মবিল এলাকায় পুলিশের একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। কয়েকদিন ধরে এলাকায় সড়কে গাছ ফেলে পথচারী ও যানবাহন থামিয়ে ডাকাতির ঘটনা বাড়তে থাকায় পুলিশ গোপনে নজরদারি শুরু করে। এ–সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত হলে পুলিশ ভিন্ন কৌশলে অভিযান সাজায়।
গ্রেপ্তার হওয়া দুই ব্যক্তি হলেন—মহেশপুরের বেগমপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে সোহেল রানা (২৮) এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ নফর কান্দি গ্রামের মসলেম খলিফার ছেলে আলী হোসেন (৩৫)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুজন দীর্ঘদিন ধরে মহেশপুর ও আশপাশের সড়কে গাছ ফেলে পথ আটকে ডাকাতি ও ছিনতাই করছিল।মহেশপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, গোপন সূত্র থেকে খবর পাওয়া যায় যে পদ্মবিল এলাকায় ডাকাতদলের দুই মূল সদস্য লুকিয়ে আছে। তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা ছদ্মবেশে এলাকায় অবস্থান নেয়—কেউ জেলের পোশাকে বিলে ঘোরাফেরা করতে থাকে, আবার কেউ কৃষক সেজে আশপাশে নজরদারি করে। কিছুক্ষণ পর লক্ষ্য করা যায় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি ঘোরাফেরা করছে। মুহূর্তেই পুলিশ তাদের পিছু নিয়ে ধরে ফেলে।
ওসি আরও জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তাদের মাধ্যমে চক্রের অন্য সদস্যদেরও শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় বাস দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় বাসের মালিক ইউসুফ মাঝিকে (৫১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে তাঁকে রাজধানীর সায়েদাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইউসুফ মাঝির বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, গত শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী সিডিএম পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। বাসে আগুন লেগে যায় এবং পাশের মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশা দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে, বাসের যাত্রী এক শিশু ও এক নারী নিহত হন। আরও ২৬ জন যাত্রী আহত হন।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, ইউসুফ মাঝিকে রোববার কুমিল্লা আদালতে নেওয়া হয়। এরপর আদালতের বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
দুটি সংসদীয় আসনে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত প্রার্থী পরিবর্তন করে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে
বিএনপি। দলটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম নগরের আংশিক)
আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১০
(পাহাড়তলী–হালিশহর) আসনে প্রয়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের ছেলে
সাঈদ আল নোমান চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন। অন্যদিকে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর–পতেঙ্গা)
আসনে নির্বাচন করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শনিবার
(২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক
সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। এর আগে শনিবার সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের
জলিল গেট এলাকায় নিজ বাড়িতে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় দলীয়
মনোনয়নপত্র তুলে ধরেন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী।
দলীয়
সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম-১০ আসনে পূর্বঘোষিত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পরিবর্তে
সাঈদ আল নোমানকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-১১
(বন্দর–পতেঙ্গা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এ
বিষয়ে মাহবুবের রহমান শামীম বাংলানিউজকে জানান, চট্টগ্রামে দুটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন
করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৪
আসনে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনে সাঈদ আল নোমানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন
দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীই নির্বাচন করবেন।
উল্লেখ্য,
গত ৩ নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি সংসদীয় আসনে দলের প্রার্থী
তালিকা ঘোষণা করেন। সে সময় চট্টগ্রাম-৪ আসনে কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১০
আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বতী সরকারের
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত সার্চ কমিটিও গঠন হয়ে
গেছে। প্রজ্ঞাপনে হয়তো প্রধান উপদেষ্টা স্বাক্ষরও করেছেন। আজ অথবা কালকের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন
জারি হবে। আমাদের নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর)
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এ কথা বলেন তিনি।
আইন উপদেষ্টা আসিফ
নজরুল বলেন, সার্চ কমিটি হয়ে গেলে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। এরপর ভোটার তালিকা সংশোধন
করা হবে। ভোটার তালিকা নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন ছিল। আগের নির্বাচনগুলো ছিল ভুয়া। ফলে ভোটার
তালিকা নিয়ে কারও কোনো মাথা ব্যথা ছিল না। আমরা তো ভুয়া নির্বাচন করব না। আমরা অসাধারণ,
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করব। ফলে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর
সঙ্গে কথা বলে প্রধান উপদেষ্টা সবকিছু ঠিক করবেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রূপগঞ্জ থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল্লাহ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রাকিব মোল্লা, আওয়ামী লীগ কর্মী লিটন মিয়া, মোহর আলী, ফয়সাল আহাম্মেদ এবং যুবলীগ কর্মী দীন ইসলাম।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাবজেল হোসেন জানান, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে এই ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের বিষয় তদন্তের জন্য গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।
আজ
রোববার (৩০ নভেম্বর) কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান ও অন্য সদস্যরা
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। এ সময় উপস্থিত
ছিলেন কমিশনের সদস্য মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ যুগ্মসচিব (অব.),
ড. এম আকবর আলী ডিআইজি (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী
অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের
সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতি দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে
ছিল। আপনারা সত্য উদ্ঘাটনে যে ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা স্মরণে রাখবে। জাতির পক্ষ থেকে
আপনাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ইতিহাসের এই ভয়াবহতম ঘটনা নিয়ে জাতির
অনেক প্রশ্ন ছিল, এই কাজের মধ্য দিয়ে সেসব প্রশ্নের অবসান ঘটবে। এই প্রতিবেদনে শিক্ষণীয়
বহু বিষয় এসেছে। জাতির জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে এটি।
কমিশন
প্রধান ফজলুর রহমান বলেন, তদন্তকাজ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ত্রুটিমুক্ত করার স্বার্থে সর্বোচ্চ
পেশাদারত্ব বজায় রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যখন কাজ শুরু করি তখন ১৬ বছর আগের এই
ঘটনার বহু আলামত ধ্বংস হয়ে গেছে।
এই
ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকে বিদেশে চলে গেছেন।
আমরা
দুটো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছি। সাক্ষীদের ডাকলাম, কারো কারও ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বক্তব্য
শুনেছি আমরা। যতক্ষণ তিনি বলতে চেয়েছেন। যারা তদন্তে জড়িত ছিল তাদের সঙ্গে কথা করেছি।
তাদের তদন্তের রিপোর্ট কালেক্ট করেছি, অন্যান্য এলিমেন্ট কালেক্ট করেছি।
তিনি
বলেন, এই তদন্তের মাধ্যমে বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে জনমনে থাকা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর
খোঁজা হয়েছে, উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে কার কী ভূমিকা ছিল। কেন সেনাবাহিনী দাঁড়িয়ে
থাকল অ্যাকশন নিল না। তদন্তে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বহিঃশক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা ও তৎকালীন
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সরাসরি জড়িত থাকার শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে। এসময় কমিশনের
ফাইন্ডিংস সম্পর্কে জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, এই ঘটনা কিছু বাহ্যিক ও প্রকৃত কারণ
বের করেছে কমিশন।
তিনি
বলেন, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছিল
তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের রক্ষা করতে স্থানীয়
আওয়ামী লীগ সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। তারা ২০-২৫ জনের একটি মিছিল নিয়ে পিলখানায় ঢুকেছে
এবং বের হবার সময় সেই মিছিলে দুই শতাধিক মানুষ ছিল।
তিনি
বলেন, পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন
সিগন্যাল’ ছিল।
তিনি
এই ঘটনার দায় নিরূপণের ক্ষেত্রে বলেন, দায় তৎকালীন সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সেনাপ্রধানেরও।
এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে সমাধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব এবং গোয়েন্দা
সংস্থাগুলোরও রয়েছে চরম ব্যর্থতা। ওই হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
(তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন) যেসব বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে শেখ হাসিনা বৈঠক করেছে,
তাদের সঠিক নাম পরিচয় ও তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি।
কমিশন
তাদের প্রতিবেদনে বেশকিছু সুপারিশ করে, যাতে করে ভবিষ্যতে বাহিনীগুলোতে এই ধরনের ঘটনা
এড়ানো যায় এবং এই ঘটনার ভিকটিমরা ন্যায় বিচার পায়।
বৈঠকে
অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার
প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল
আব্দুল হাফিজ ও স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি।
মন্তব্য করুন


কর্মবিরতির পরে
রাজধানীর সড়কে ট্রাফিকের কাজে ফিরেছে পুলিশ।
বিগত দিনে সারাদেশে বিভিন্ন থানায় হামলা হয়। সেই সাথে পুলিশ সদস্যদের মারধর ও হত্যার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের পুলিশ শূন্য ট্রাফিক সিগন্যাল ও সড়কে যান চলাচলের শৃঙ্খলার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় ছাত্র-জনতা।
সড়কে ট্রাফিক পুলিশ ফিরলেও কিছু কিছু পয়েন্টগুলোতে এখনো দায়িত্ব পালন করছে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১২ আগস্ট) দেখা যায় রাজধানীর আগারগাঁও, খামারবাড়ি, ফার্মগেট, কাওরানবাজার, শাহবাগসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ। অনেক জায়গায় পুলিশের সাথে আছে শিক্ষার্থীরা। আবার কিছু পয়েন্টে এখনোও ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছে শুধু শিক্ষার্থীরা।
এদিকে ঢাকাসহ সারাদেশের থানাগুলো চালুর চেষ্টা করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর। ১৫ আগস্টের (বৃহস্পতিবার) মধ্যে কাজে যোগ দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তাদের পলাতক দেখানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।
মন্তব্য করুন