

বরিশাল জেলায় বানারীপাড়ায় ৭ম শ্রেণিপড়ুয়া কিশোরী জান্নাতুলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তার মা প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ায়, চক্ষুলজ্জায় সে আত্মহত্যা করেছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাথরুমে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত জান্নাতুল (১৩) বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ধারালিয়া গ্রামের বাসিন্দা, সৌদিপ্রবাসী নাসির উদ্দিন পাপনের মেয়ে। সে ধারালিয়া সৈয়দ বজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয়রা বলছে, জান্নাতুলের মা শান্তা আক্তার সোমবার (১০ জুন) রাতের কোনো এক সময় তার প্রেমিকের হাত ধরে চলে যান। মঙ্গলবার সকালে জান্নাতুল ঘুম থেকে উঠে ঘরে দেখতে না পেয়ে, সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করে মায়ের সন্ধান পায়নি। তার আপত্তি সত্ত্বেও মায়ের অনৈতিক সম্পর্কের কথা জানতেন জান্নাতুল। সমাজে নানা জনের নানা কথা শুনতে হবে ভেবে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জান্নাতুলের দাদি ফিরোজা বেগম জানান, ছেলে সৌদি থাকাবস্থায় জান্নাতের মা শান্তা তাদের সঙ্গেই থাকতেন। ওই ঘরে দুটি সন্তান রয়েছে। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর তাকে বারবার ওই পথ থেকে সরে আসার জন্য বলা হয়। কিন্তু কোনোভাবেই সে কথা শুনতো না। এ কারণে তাদের ঘর ছেড়ে ভাড়া বাসায় গিয়ে ওঠে। সর্বশেষ সোমবার শান্তার বাসায় বেড়াতে যান তিনি। বাড়িতে আসার সময় ছোট নাতিকে নিয়ে তার সঙ্গে নিয়ে আসেন। মঙ্গলবার সকালে খবর পান তার বড় নাতনি জান্নাত গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার মাকেও পাওয়া যাচ্ছে না। আমার নাতনি মেধাবী ছিল। সকালে ঘুম থেকে ওঠে মাকে না দেখে সে বুঝতে পারে তার মা প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছে। লোকলজ্জায় জান্নাত বাথরুমে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে ধারণা করছি। বেলা ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় বানারীপাড়া থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে জান্নাতুলের বাবা, সৌদিপ্রবাসী নাসির উদ্দিন পাপন মোবাইল ফোনে জানান, গত কয়েক মাস আগে বেতাল গ্রামের নাঈম নামের এক যুবককে গভীর রাতে নিজ ঘরে মায়ের সঙ্গে দেখে ফেলে তার মেয়ে। পরে লোকলজ্জার ভয়ে মেয়ে জান্নাতুল মাকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য তার কাছে আকুতি জানায়।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মাইনুল ইসলাম বলেন, নিহত জান্নাতুলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম মর্গে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, বিএনপি যদি সংস্কার প্রস্তাব না মানে তবে এটা তাদের দায়িত্বহীনতার পরিচয়। নতুন করে রাজনৈতিক সংকট তৈরির অপপ্রয়াস। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সম্পর্কে জনগণের মাঝে সংশয় তৈরির অপপ্রয়াস।
আজ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) কুমিল্লায় নিজ নির্বাচনি এলাকা চৌদ্দগ্রামের নির্বাচন কেন্দ্র পরিচালক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় ডা. তাহের বলেন, ‘যদি নির্বাচন না হয় তাহলে যারা পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে, তারাই একটা সুযোগ নিবে। বিগত সরকারের যে বাংলাদেশ, সংস্কারবিহীন যে বাংলাদেশ, মনে হয় যেন বিএনপি সেই জায়গায় ফিরে যেতে চায়। বাংলাদেশকে আওয়ামী জাহেলিয়াতের দিকে ফিরে যেতে এদেশের মানুষ দিবে না।’
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত থেকে যদি সরকার সরে যায়, তাহলে এটা পরিষ্কার হবে যে সরকার আর নিরপেক্ষ নেই। এ সরকার যদি নিরপেক্ষতা হারায় এবং কোনো দলের প্রতি যদি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করে এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা আশঙ্কা তৈরি হবে।’
উপজেলা জামায়াতে আমির মু মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য ও সাবেক জেলা আমির আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা আমির মাওলানা ইব্রাহীম, জামায়াত নেতা আয়ুব আলী ফরায়েজী, সাবেক চৌদ্দগ্রাম উপজেলা দক্ষিণ আমির শাহ মিজানুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি, মোশাররফ হোসেন ওপেলসহ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৮৬ বোতল ফেন্সিডিল ও এক
বোতল বিদেশী মদ’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩১ অক্টোবর রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ বাবু এবং ২। তাইজুল ইসলাম
নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১৮৬ বোতল ফেন্সিডিল, এক বোতল বিদেশী মদ ও মাদক পরিবহণের
কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেঅ: ১। মোঃ বাবু (২৪) গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার তালিয়া
গ্রামের মৃত হযরত আলী এর ছেলে এবং ২। তাইজুল ইসলাম (৩৮) একই গ্রামের মৃত হোসেন মিয়া
এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও বিদেশী মদ সংগ্রহ করে মিনি ট্রাক যোগে দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ছুরিসহ এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের বলদাখাল খিলাল ফ্যাক্টরীর সামনে থেকে মোটরসাইকেল গতিরোধ করে ছিনতাইকালে তাকে আটক করা হয়েছে।এ বিষয়ে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নুরুল আফসার জানান, ৩/৪ জন ছিনতাইকারী দেশীয় অস্ত্রের মুখে ছিনতাই করার সময় মোটরসাইকেল চালকের আত্ম চিৎকারে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। এসময় এক ছিনতাইকারীকে আটক করা হয় এবং কয়েকজন পালিয়ে যায়।আটককৃত ছিনতাইকারী মোঃ আনন্দ (১৮) দাউদকান্দি উপজেলার দক্ষিণ সতানন্দী গ্রামের মোঃ আক্তার মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


এই মুহূর্তে কুমিল্লা গোমতী নদীর পানি বিপদসীমার ১১৩ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। (বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ ঘটিকায়)
আপনারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যান। আদর্শ সদর উপজেলার সকল স্কুল কলেজ মাদ্রাসা খোলা আছে। যেটা কাছে সেটাতে উঠে যান। গোমতী নদীর পাড় থেকে দয়া করে দর্শনার্থীগণ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। উপজেলা প্রশাসন আদর্শ সদর, কুমিল্লা।
মন্তব্য করুন


তুষার ধস আর ‘রকফলের’ ঝুঁকি নিয়েই হিমালয়ের
২২ হাজার ৩৪৯ ফুট উচ্চতার আমা দাবলাম চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বাংলাদেশের যুবক
তৌফিক আহমেদ তমাল।
তিনি চতুর্থ বাংলাদেশি হিসাবে শুক্রবার
(২৫ অক্টোবর) নেপালের ওই পর্বত চূড়ায় ওঠেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।
তমাল কুমিল্লার সন্তান, কুমিল্লার পথিকৃত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রয়াত শরীফ আহমেদ অলীর সন্তান।
তৌফিক আহমেদ তমাল তার ফেসবুকে আমা দাবলামের
চূড়ায় পৌঁছে বাংলাদেশের পতাকা হাতে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেই সঙ্গে তার নিজের অভিজ্ঞতাও
শেয়ার করেন।
তিনি জানান, আমা দাবলাম পৃথিবীর অন্যতম
কঠিন পর্বতগুলোর মধ্যে একটি, চূড়ায় উড়লো বাংলাদেশের পতাকা। আমরা ২২ তারিখ বেজক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করি। ২৩ তারিখ রাতে
থাকি ক্যাম্প-১। পরদিন সকালে আবার যাত্রা শুরু। সুজন হুট করেই শারীরিক ভাবে কিছুটা
অসুস্থ বোধ করায়, ক্যাম্প-২ থেকে সামনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অত:পর আবহাওয়ার অনিশ্চয়তার
কারণে, সিদ্ধান্ত নেই আজই বের হবো, পরে রাত ১১:৪৫ এ ক্যাম্প-০২ থেকে সামিট পুশ দেই,
মিংমা তেনজেনের সঙ্গে। ২৫ তারিখ আমরা পৌঁছে যাই আমা দাবলামের চূড়ায়। আমা দাবলামের এই
অভিযানের সময় ২ দিনের কিছু বেশী।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে একটি কালভার্টের নিচ থেকে ১২ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। এরপর সাপটি বস্তাবন্দি করে বাড়িতে নিয়ে যান স্থানীয় এক যুবক।
বুধবার (২৭ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী বাকশীমূল ইউনিয়নের মীরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় যুবক আলাউদ্দিন সাহসিকতার সঙ্গে অজগরটি ধরে বস্তাবন্দি করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।
স্থানীয়রা জানান, কালভার্টের নিচে বিশাল আকৃতির অজগরটি দেখে প্রথমে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আলাউদ্দিন নামে এক যুবক সাপটি উদ্ধার করেন। এ সময় অনেকেই তাকে সাপটি বিক্রির পরামর্শ দিলেও এলাকাবাসী চায় এটি বন-জঙ্গলে অবমুক্ত করা হোক।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ২৪ শে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী সৈয়দ আজহারুল আমিনকে সভাপতি এবং এস. এন. রাসেলকে সাধারণ সম্পাদক করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার এক বছরের জন্য আংশিক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
৪ জুলাই স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।
নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন সোহান খান সুজন। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পেয়েছেন বিভিন্ন উপজেলা ও এলাকা থেকে উঠে আসা ছাত্রনেতারা। সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন আবু মুসা জুয়েল, এবং সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন হাসান মাহাদী, আমিন প্রধান ও মোঃ সাইফ হোসেন।
সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ মেহেদী হাসান (মুরাদনগর)। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়াজ মাহমুদ, বাবুল হোসেন তায়েফ ও তারেক হাসান চৌধুরী জাস্টিস দায়িত্ব পেয়েছেন। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন মেহেদী হাসান (আদর্শ সদর), সিহাব খান, আদনান আদি এবং মেহেদী হাসান আবির।
দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাইম জামান এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক জোবায়েদ হোসেন। প্রচার সম্পাদক হিসেবে আছেন আবু বকর সিদ্দিক (আসলাম সিদ্দিকি) এবং উপ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন রাহাতুল হাসান।
অর্থ সম্পাদক হিসেবে মাহমুদুল হাসান সিফাত এবং সহ-অর্থ সম্পাদক হিসেবে আরিফুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করবেন। ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারেক হাসান এবং সহ-সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আজিজুল হক। সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে আছেন নাজমুল হোসাইন এবং সহ-সমাজসেবা সম্পাদক সিফাত।
সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আরিফুল হোসাইন এবং সহ সম্পাদক হিসেবে আছেন জুয়েল মিয়া। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে আছেন সাফায়েত মজুমদার এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন জাহিদ সরকার দিপু।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি সংরক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন মোঃ ছায়িম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন সাইফুল ইসলাম এবং গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন জাহিদুল ইসলাম।
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন সুমন সরকার। ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সায়মুন নেছা সায়মা। এ ছাড়া সহ ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন শ্রাবন্তী ইসলাম ফারিয়া এবং নাহিদা চৌধুরী। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ তারেক রহমান।
স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আব্দুল কাদের, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন রায়হান আহমেদ এবং মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন কাইয়ুম হাসান।
কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন শহিদুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন বেলায়ত, সাজ্জাদুর রহমান সজীব, মেহেদী হাসান নাঈম, ইফতেখার আহম্মেদ তালুকদার এবং জুবায়ের আহমেদ মুন্সি।
নতুন কমিটির সভাপতি সৈয়দ আজহারুল আমিন বলেন, “আমরা যারা বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, তারা বিশ্বাস করি– একটি ন্যায্য ও সমঅধিকারের বাংলাদেশ গঠনে ছাত্রদের ভূমিকা অপরিহার্য। এই দায়িত্ব যেন সে লড়াইয়েরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।”
এদিকে কেন্দ্রীয় নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, কুমিল্লার নতুন নেতৃত্ব ছাত্র অধিকার আন্দোলনকে বেগবান করবে এবং সংগঠনকে সাংগঠনিকভাবে আরও সুসংগঠিত করে তুলবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে সিএনজি চালক রাসেলকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
২১ এপ্রিল রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম শুভপুর গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন প্রঃ ইয়াজ উদ্দিন প্রঃ সালাউদ্দিন (২৩) ও একই জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার গান্দাচী গ্রামের আনা মিয়ার ছেলে অলি উল্লাহ প্রঃ অলি (৩০)।
মামলার বিবরণে জানাযায়- ২০১৯ সালের ১৮ জুন আসামীরা পরষ্পর যোগসাজশে হত্যাকাণ্ডের শিকার সিএনজি চালক রাসেল এর সিএনজি গাড়ীটি রিজার্ভ ভাড়া করে মুন্সিরহাট টু বাঙ্গড্ডা বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু রাসেল রাতে বাড়ীতে ফিরে না আসায় তাঁর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করার একপর্যায়ে আসামি একরামুল হক পাগলা মোবাইল করে বলে যে, সিএনজিসহ রাসেলকে অজ্ঞাত স্থানে আটক আছে। তাঁকে ছাড়াইতে হলে এক লক্ষ টাকা লাগবে। আরও বলেন এবিষয়ে কাউকে কিছু বলা যাবেনা। তখন বাদী নিরুপায় হতে অনেক কষ্টে ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে একরামুল হক পাগলার বিকাশ নম্বরে পাঠায়। কিন্তু কুমিল্লা রাজাপাড়া মোড়ে রাসেলকে ইয়াবা ট্যাবলেট খাওয়ার কথা বলে বিমানবন্দর এলাকায় জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে আসামি অলি উল্লাহ প্রঃ অলি প্যান্টের বেল্ট খুলে গলায় পেচিয়ে মাটিতে পেলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং কাঁদা মাটি দিয়ে ঢেকে লাশ গুম করে রাখে। পরে তাদের দেখানো মতে পুলিশ রাসেল এর মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এ ব্যাপারে ভিকটিম রাসেল এর বাবা কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে জয়নাল আবেদীন (৫৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের একরামুল হক পাগলার ছেলে মোঃ শাহীন (২৩), মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন (২১) ও টুংকু মিয়া (১৯) ও একরামুল হক পাগলা (৪৫) সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জনকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ হারুনুর রশিদ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি টুংকু মিয়া, গিয়াসউদ্দিন, মোঃ শাহীন ও একরামুলকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করিলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তৎপর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ হারুনুর রশিদ, এসআই সুজন কুমার মজুমদার ও এসআই মিন্টু দত্ত দুটি চার্জশীট দাখিল করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৫ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন ও মহিউদ্দিন @ টুংকু ও মৃত ওসমান আলীর ছেলে একরামুল হক পাগলা ও নাঙ্গলকোট উপজেলার গান্দাচী গ্রামের আনা মিয়ার ছেলে অলি উল্লাহ প্রঃ অলি'র বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৬৪, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩৭৯, ৫০৬, ৩০২, ২০১, ৪১১, ১০৯ ও ৩৪ ধারা বিধানমতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের একরামুল হক পাগলার ছেলে মোঃ শাহীন মিয়া (১৭) ও ভিকটিম রাসেলের বড়ভাইয়ের দ্বিতীয় স্ত্রী আসমা আক্তার সাথী'র বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় সম্পূরক দোষীপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে ২০১৯ সালের ১২ জুন আসামি গিয়াসউদ্দিন, মহিউদ্দিন @ টুংকু, একরামুল হক পাগলা ও অলি উল্লাহ প্রঃ অলি'র বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ গঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ১৩জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামীদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামী দ্বয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি গিয়াসউদ্দিন ও পলাতক আসামী অলি উল্লাহ প্রঃ অলিকে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। আসামি মহিউদ্দিন প্রঃ টুংকু'র বিরুদ্ধে রাষ্টপক্ষে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন এবং আসামি একরামুল হক পাগলা মামলা চলাকালীন সময়ে মৃত্যু বরণ করিয়াছেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ গিয়াসউদ্দিন আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন এবং অপর আসামি অলি উল্লাহ প্রঃ অলি আদালত কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী অতিঃ পিপি এডভোকেট মোঃ মুজিবুর রহমান বাহার বলেন- আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করবেন।
অপরদিকে, আসামি পক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী বলেন- এ রায়ে আসামিপক্ষ অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি চোর চক্রের ১জনকে গ্রেফতার করাসহ ৭ টি
চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছে।
সোমবার রাত ০১:৩০ নাগাদ গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই (নিঃ)
মোঃ মোরশেদ আলম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ সদর দক্ষিন মডেল থানার কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায়
পেট্রোল ডিউটি সহ ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে জানতে পারেন যে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ
মডেল থানাধীন কোটবাড়ি সালমানপুর দীঘির পূর্বপাড় আবুল হোসেনের গ্যারেজের সামনে রাস্তার
উপর কয়েকজন মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য একত্রিত হয়ে চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয়- বিক্রয়
করতেছে।
উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুকৌশলে
ঘটনাস্থল হতে আসামীগণ পালানোর চেষ্টাকালে অফিসার ও ফোর্সের সহয়তায় আসামী মোঃ খোরশেদ
আলম (৩০) কে ০১টি কালো রংয়ের Hero glamour মোটরসাইকেল যার রেজি: নং-কুমিল্লা ল-১১-৫৯৪৮
সহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ খোরশেদ আলম
(৩০) কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করাকালে জানা যায় যে, তার সঙ্গীয় অপর আসামীগণ মোঃ শিপু
ওরফে শিল্পা ওরফে শিপা (৩৭), রাকিবুল হাসান
প্রকাশ রিয়াদ (২৭) দ্বয়ের হেফাজতে আরো ০৬ টি চোরাই মোটরসাইকেল রয়েছে ।
গ্রেফতারকৃত আসামীর তথ্য মতে সদর দক্ষিন
মডেল থানাধীন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির একটি দক্ষ টিম কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান
পরিচালনা করে এবং অভিযানের এক পর্যায়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন বালুতুপা এলাকার
পলাতক আসামী জসিম ও শিপুদ্বয়ের বসত বাড়ির উঠানে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে
পলাতক আসামী জসিম ও শিপু ঘর থেকে বাহির হয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে পলাতক আসামীদের বসত-বাড়ী
তল্লাশী করে ৬ টি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার জব্দ করা হয় ।
উদ্ধারকৃত ৬ টি চোরাই মোটর সাইকেল
-
(i) ০১ টি নীল কালো রংয়ের YAMAHA
FZS V2 150 CC MOTORCYCLE (ii) ০১ টি লাল কালো রংয়ের BAJAJ DISCOVER 110 CC
MOTORCYCLE (iii) ০১ টি লাল কালো রংয়ের HONDA XBLADE 150 CC MOTORCYCLE (iv) ০১ টি
নীল কালো রংয়ের BAJAJ DISCOVER 125 CC MOTORCYCLE (v) ০১ টি কালো রংয়ের TVS RAIDER
125 CC MOTORCYCLE (vi) ০১টি লাল কালো রংয়ের HERO GLAMOUR MOTORCYCLE
উক্ত ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় এজাহার
দায়ের করলে সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-৩০, তারিখ- ২২/০৪/২০২৪ইং ধারা-৪১৩ পেনাল
কোড, রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
কুমিল্লা:
প্রাকৃতিক
দুর্যোগের কারণে কুমিল্লা বোর্ডে গত ১০ জুলাই স্থগিত হওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা
আগামী ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।
আজ
রোববার (২০ জুলাই) শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রুনা নাসরিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত
৯ জুলাই কুমিল্লা বোর্ডের অধিনে থাকা জেলাগুলোতে হঠাৎ করে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়।
ফেনী, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় বন্যার পানি বৃদ্ধির কারণে শুধুমাত্র ১০ জুলাইয়ের পরীক্ষা
স্থগিত করা হয়। ওই দিনের স্থগিত পরীক্ষাগুলো হলো পদার্য়বিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান
প্রথম পত্র ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র।
কুমিল্লা
শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রুনা নাসরিন বলেন, কুমিল্লা বোর্ডের অধীনস্থ জেলা
সমূহে বন্যা পরিস্থিতি ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ১০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত
করা হয়। স্থগিত পরীক্ষাটি আগামী ১২ আগস্ট সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন