

নারায়ণগঞ্জে
গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে আল আমিন (১০) ও ইব্রাহিম (৮) নামে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার
(১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরের জল্লারপাড় এলাকার সিটি পার্ক লেক থেকে তাদের
মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত
আল আমিন ও ইব্রাহিম সিরাজগঞ্জ জেলার দত্তকান্দি গ্রামের রিকশাচালক শাহ আলমের ছেলে ও
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশিপুর খিলমার্কেট এলাকার আলমাস মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলো।
স্বজনরা
জানান, বিকেলে দুই ভাই লেকের সামনে মেলায় যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর বাড়ি
ফেরেনি। রাতে অনেক খোঁজাখুজির পর লেকের পাশে পাঞ্জাবি ও জুতা পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের
সদস্যরা চিৎকার করেন। এ সময় স্থানীয়রা দ্রুত পানিতে নেমে খোঁজাখুজি করে প্রথমে আল আমিন
ও পরে ইব্রাহিমের নিথর দেহ উদ্ধার করে সদর জেনারেল হাসপাতালে নিলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক
তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এ
বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, খবর পেয়ে সদর
মডেল থানা পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। লেকের পানিতে গোসল করতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু
হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
“গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন” শীর্ষক সেমিনার ও কর্মশালা কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (০৪ মার্চ) কুমিল্লা সার্কিট হাউজের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এ আয়োজন করে। এতে কুমিল্লা জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম। তিনি কর্মশালার উদ্বোধন করেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মু. রেজা হাসান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সাইফুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন কুমিল্লার সিনিয়র জেলা তথ্য কর্মকর্তা মোঃ নূরুল ইসলাম।
প্রথম সেশনে আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপসচিব) মোঃ আব্দুস সবুর। তার আলোচনার বিষয় ছিল—“বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে প্রেস কাউন্সিল প্রণীত আচরণবিধি প্রতিপালনের গুরুত্ব।”
তিনি বলেন, সংবাদ পরিবেশনে নিরপেক্ষতা, তথ্য যাচাই ও নৈতিক মানদণ্ড অনুসরণ নিশ্চিত করতে হলে প্রেস কাউন্সিলের আচরণবিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। এতে যেমন সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকবে, তেমনি পাঠক-দর্শকের আস্থাও বৃদ্ধি পাবে।
দ্বিতীয় সেশনে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম। তার আলোচনার বিষয় ছিল—“গণমাধ্যমকর্মীদের আইনগত অধিকার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় গণমাধ্যমকর্মীদের করণীয়।”
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের যেমন তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের অধিকার রয়েছে, তেমনি দায়িত্বও রয়েছে সত্য, নির্ভুল ও ভারসাম্যপূর্ণ সংবাদ পরিবেশনের। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইন, নীতিমালা ও বাস্তব সমস্যাবলি নিয়ে মতামত ও প্রশ্ন তুলে ধরেন। প্রধান অতিথি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব প্রশ্নের উত্তর দেন।
মন্তব্য করুন


ব্রেকআপের
পর অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তখন মনে হয় যেন জীবনের সব আনন্দ শেষ হয়ে গেছে, চারপাশের
সবকিছুই হঠাৎ ফাঁকা হয়ে গেছে। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর কষ্ট সহজে মেনে নেওয়া কঠিন,
তাই অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে সেই স্মৃতির ভেতরেই আটকে থাকেন। তবে অতীতের স্মৃতি আঁকড়ে
ধরে নিজেকে কষ্টে ডুবিয়ে রাখা কোনো সমাধান নয়। জীবনে এগিয়ে যেতে হলে সেই দুঃখকে ধীরে
ধীরে ছেড়ে দিতে হয় এবং নতুনভাবে নিজেকে গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হয়। ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা
নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নতুন সম্ভাবনা।
সোমবার
(০৯ মার্চ) বিশ্বজুড়ে অনেকেই দিনটিকে পালন করেন ‘ব্যর্থ প্রেম ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন’
হিসেবে। প্রেমে ব্যর্থতার বেদনাকে পেছনে ফেলে নতুন করে জীবন সাজানোর অনুপ্রেরণা দিতেই
দিনটির প্রচলন হয়েছে।
প্রেম
জীবনের স্বাভাবিক একটি অনুভূতি। কিন্তু সব ভালোবাসার গল্প শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পায়
না। সম্পর্ক ভেঙে গেলে অনেকেই ভেঙে পড়েন, জীবনকে শূন্য মনে হয়। প্রিয় মানুষ হারানোর
কষ্টে কেউ কেউ অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন, স্বাভাবিক জীবনযাপনেও ব্যাঘাত ঘটে। অনেকে আবার
দীর্ঘ সময় ধরে বিচ্ছেদের যন্ত্রণা ভুলতে পারেন না।
তবে
জীবন তো থেমে থাকে না। সেই বাস্তবতাই মনে করিয়ে দেয় ৯ মার্চের এই দিনটি। ‘ব্যর্থ প্রেম
ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন’ মূলত তাদের জন্য, যারা সম্পর্ক ভাঙার
কষ্টে হতাশ হয়ে পড়েছেন। দিনটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয়- একটি সম্পর্কের সমাপ্তি মানেই
জীবনের সমাপ্তি নয়। বরং এটি নতুন করে নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ। অনেকে বলেন, ভ্যালেন্টাইনস
ডে এবং এপ্রিল ফুল ডে’র মাঝামাঝি সময় হওয়ায় ৯ মার্চকে এই
দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। কারণ ভালোবাসার উচ্ছ্বাসের পর এবং মজার এক দিবসের আগে
এই সময়টিকে ধরা হয়েছে আত্মবিশ্লেষণ ও নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক হিসেবে।
এই
দিবসটির সূচনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এর পেছনে রয়েছেন আটলান্টার বাসিন্দা জেফ গোল্ডব্ল্যাট
নামের এক তরুণ। তিনিও একসময় ব্যর্থ প্রেমের কষ্টে ভেঙে পড়েছিলেন। প্রেমিকা তাকে ছেড়ে
চলে যাওয়ার পর তিনি দীর্ঘ সময় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। কোনো কিছুতেই তার আগ্রহ
থাকত না। জীবনটাই তার কাছে অর্থহীন মনে হতে শুরু করে। কিন্তু একসময় তিনি উপলব্ধি করেন,
তিনি একা নন। পৃথিবীতে এমন অসংখ্য মানুষ রয়েছেন যারা প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মানসিক কষ্টে
ভুগছেন। তখনই তার মনে হয়, যদি এমন একটি দিন থাকে যা মানুষকে ব্যর্থতার পর আবার ঘুরে
দাঁড়ানোর সাহস জোগাবে।
এই
ভাবনা থেকেই জেফ একটি কবিতা লেখেন এবং একটি ওয়েবসাইট চালু করে সেখানে তা প্রকাশ করেন।
তার সেই উদ্যোগ অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলে। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে
আলোচনা শুরু হয়। ধীরে ধীরে দিনটি মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে
সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে এই দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিচিত হয়ে
উঠছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে দিনটি নিয়ে আগ্রহ দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞরা
মনে করেন, সম্পর্ক ভাঙা জীবনের স্বাভাবিক একটি ঘটনা। এটি মানুষকে হতাশ করলেও একই সঙ্গে
শেখায় নতুন অভিজ্ঞতা। তাই অতীতের দুঃখে ডুবে না থেকে সামনে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের
কাজ।
আজকের
দিনটি তাই মনে করিয়ে দেয়— অতীতের কষ্ট ভুলে নিজেকে নতুনভাবে
গড়ে তোলার সময় এসেছে। জীবনের সম্ভাবনা অসীম। নতুন স্বপ্ন, নতুন পরিকল্পনা আর ইতিবাচক
চিন্তা নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।
তাই
পুরোনো কষ্টকে বিদায় জানিয়ে নিজেকে ভালো রাখার প্রতিজ্ঞা করার দিন আজ। ব্যর্থ প্রেম
ভুলে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন।
মন্তব্য করুন


আগামী
৩০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী নতুন পরিসরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’
শুরু হতে যাচ্ছে।
আজ
সোমবার (৩০ মার্চ)যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত ক্রীড়াভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন
এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের ক্রীড়া কার্ড ও পুরস্কার
প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিজেই এ কথা বলেন।
তিনি
বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণমূলক অনুষ্ঠান
‘নতুন কুঁড়ি’ ১৯৭৬ সালে শুরু হয়েছিল। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় এই
অনুষ্ঠানটি এক পর্যায়ে অনেকগুলো বছর বন্ধ থাকলেও বর্তমানে অনুষ্ঠানটি বিটিভিতে আবার
চালু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, এবার ভিন্ন আঙ্গিকে শিশু কিশোরদের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করতে আগামী
৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে সারা দেশব্যাপী নতুন পরিসরে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’।'
প্রধানমন্ত্রী
আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বর্তমান সময়ে ক্রীড়া শুধু শখ, বিনোদন কিংবা শরীর চর্চার
বিষয় নয় বরং সারা বিশ্বে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। বাংলাদেশও পিছিয়ে থাকবে না।
২০২৬ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে আমরা দলীয় ইশতেহার প্রকাশ করেছিলাম। আমরা
বলেছিলাম, জনরায়ে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত করবো। জনগণের কাছে দেওয়া সেই প্রতিশ্রুটি বাস্তবায়নের পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে
আজ থেকেই শুরু হলো।'
তারেক
রহমান বলেন, ‘যিনি যে খেলায় ভালো করতে পারবেন, যে খেলায় আনন্দ পাবেন, তারা যাতে তাদের
পছন্দের খেলাটিকে নিশ্চিন্তে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে মনোযোগ দিয়ে খেলাধুলা করতে পারেন
এবং পেশা হিসেবে নিয়ে একজন খেলোয়াড় যাতে নিজের ও পরিবারের জন্য অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা
বা টানাপোড়েনে না ভোগেন, সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার খেলোয়াড়দের ধারাবাহিকভাবে একটি সুনির্দিষ্ট
নীতিমালার ভিত্তিতে বেতন কাঠামোর আওতায় আনার কাজটি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।’
যুব
ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে
উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এ
ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা.
এজেডএম জাহিদ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর
রহমান মিনু, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল
জবিউল্লাহ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান
আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব ব্যয় সরকার বহন করবে । এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে
বিনা মূল্যে সব সেবা ও বেসরকারি হাসপাতালে বিল গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবার
(১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে , বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যেসব ছাত্র-জনতা আহত
হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনা মূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় সরকার
বহন করবে।
এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
হতাহতের ব্যাপারে অনুসন্ধান করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে
একটি কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির সদস্যরা তাদের কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে আগামীকাল
রবিবার বৈঠক করবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অপরদিকে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতাল, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত
ছাত্র-জনতার চিকিৎসা বিল গ্রহণ না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে এসব
বেসরকারি হাসপাতালে চিকিংসাধীন ছাত্র-জনতার সব বিল সরকার বহন করবে বলে জানানো
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রুমিন ফারহানা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার এত দ্রুত অবনতি কীভাবে ঘটল, সেখানে কোনো ধরনের ক্ষতি বা ক্ষতিকর কিছু করা হয়েছিল কি না—এ বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতির জন্য আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে অবশ্যই জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।
নিজের নির্বাচনী এলাকা সরাইল-আশুগঞ্জে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে তিনি এসব মন্তব্য করেন।রুমিন ফারহানা আরও বলেন, তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বেগম জিয়া বাংলাদেশের দৃঢ় ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। অথচ আজ তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
তিনি জানান, যখন শেখ হাসিনার সরকার খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করে, তখন প্রতিটি মামলার তারিখে তিনি আলিয়া মাদরাসা কোর্টে উপস্থিত থাকতেন এবং নিয়মিত কারাগারে গিয়েও সাক্ষাৎ করতেন। তখন তিনি খালেদা জিয়াকে বর্তমানের মতো এত অসুস্থ অবস্থায় দেখেননি।
শেষে তিনি প্রার্থনা করেন—আল্লাহ যেন বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘ জীবন দেন, সুস্থ করেন এবং দল ও দেশের ভার নেওয়ার মতো শারীরিক সক্ষমতা পুনরায় দান করেন।
মন্তব্য করুন


ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউমের’ প্রভাবে মঙ্গল, বুধ এবং বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সোমবার (৪ ডিসেম্বর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আগামী বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল এবং নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। তাছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজশাহী, ময়মনসিংহ, বরিশাল, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের অধিকংশ জায়গায় এবং রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। তখন সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসিফ ইমরান জিসান।
পাঁচজন আসামির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। লুত্ফুজ্জামান বাবরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
মন্তব্য করুন


আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধান
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের
উদ্যোগে আয়োজিত শুভ কঠিন চীবর দান ও জাতীয় বৌদ্ধধর্মীয় মহাসম্মেলন-২০২৪ উপলক্ষে
ঢাকার মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন। সেনাবাহিনী
প্রধান সবাইকে শুভ কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। সেই সাথে
পার্বত্য জেলাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান হতে আগত সকলকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে প্রতিটি ধর্মের নিজ নিজ উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে
উদযাপনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম গ্রহণে সদা প্রস্তুত।
একইসাথে তিনি সম্প্রীতির দেশ গঠনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে থেকে একে
অপরকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায়
উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার জন্য অনুষ্ঠানে আগত ঢাকাস্থ বিদেশী মিশনের সম্মানিত
কূটনীতিকগনকে ধন্যবাদ জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান পার্বত্য জেলা সমূহে শান্তি ও
সম্প্রীতির উন্নয়ন ঘটিয়ে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে পার্বত্য এলাকায়
বসবাসরত পাহাড়ি ও বাঙালিদের সচেষ্ট থাকতে অনুরোধ করেন। এছাড়াও প্রাকৃতিক
সৌন্দর্যমন্ডিত পার্বত্য জেলাসমূহে পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি স্থানীয়
ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবন বৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পার্বত্য জেলাসমূহে অধিকতর স্কুল, কলেজ ও
বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতাকে দেশে ও বিদেশে
ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।
সবশেষে তিনি সারা দেশব্যাপী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীগণ
কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানসমূহ শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীসহ সকল
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করায় বুদ্ধিস্ট
ফেডারেশনের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সেনাসদরে
সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের
প্রতিনিধি দল। সেসময় সেনাবাহিনী প্রধান তিন পার্বত্য জেলায় শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
ও কঠিন চীবর দান উদযাপন উপলক্ষে আর্থিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার
ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসব সমূহ পালন করার
জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস প্রদান
করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ বাংলাদেশ
বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের অনুকূলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে এক কোটি টাকার চেক
অনুদান হিসেবে প্রদান করেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এ বছর পার্বত্য চট্টগ্রামসহ
সারাদেশে ২৬৬টি বৌদ্ধ বিহারে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শুভ কঠিন চীবর
দান পালিত হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব
জেনারেল স্টাফ ও জিওসি ৯ পদাতিক ডিভিশন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানের সভাপতি
শাসনস্তম্ভ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাথের মহোদয়, প্রধান ধর্মদেশক ভদন্ত এস লোকজিৎ মহাথের
মহোদয়সহ বিভিন্ন বিহার থেকে আগত পূজনীয় ভিক্ষুসংঘ, সরকারি ও বেসরকারি উচ্চপদস্থ
কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব, ঢাকাস্থ বিদেশী মিশনের কূটনীতিক ও
সর্বস্তরের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী গন এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যদি রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের আগে কম সংস্কার চায় তাহলে ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর একটু বেশি সংস্কার চাইলে আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাবেক দুই মার্কিন রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মিলাম ও ড্যানিলোভিচ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে ড. ইউনূস সাবেক রাষ্ট্রদূতদের বলেন, ছয়টি কমিশনের সুপারিশ করা সংস্কারের বিষয়ে সংলাপ শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই মাসের সনদে সই করবে। জুলাই সনদ আমাদের পথ দেখাবে। অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই মাসের সনদে প্রদত্ত সুপারিশের কিছু অংশ বাস্তবায়ন করবে। বাকিগুলো রাজনৈতিক সরকারগুলো বাস্তবায়ন করবে।
এ সময় ড. ইউনূস অলাভজনক গোষ্ঠীর কাজ এবং বাংলাদেশে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমর্থন করার জন্য দুই কূটনীতিকের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাধীনতা অধিকারের কাজ এবং দেশকে গণতান্ত্রিক উত্তরণে সহায়তা করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশে এর কাজ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন দুই সাবেক রাষ্ট্রদূত।
১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন মিলাম। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশে ব্যাপক সংস্কার বাস্তবায়ন এবং সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বড় সুযোগ এনে দিয়েছে।
ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রদূত জন ড্যানিলোভিচ বলেন, ভুয়া সংবাদ এবং বিভ্রান্তির হুমকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের ইতিবাচক বক্তব্য ও গুরুতর প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তারা বর্তমান বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট এবং তাদের জন্য সাহায্য হ্রাসের প্রভাব,সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রচেষ্টা এবং আসন্ন নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও আলোচনা করেন।
মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামে যোগ দিতে আগামী ১২ অক্টোবর (রোববার) ইতালির রাজধানী রোম যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, ১২ অক্টোবর রোমে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা। সেখানে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামে যোগ দেবেন তিনি। পাশাপাশি উচ্চ পর্যায়ে অনেকের সঙ্গে বৈঠকও করবেন।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা সভার বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, সভায় ভিসা জটিলতা থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা যায় সে বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আশা করি দ্রুত সমাধান হবে।
শিক্ষার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, দেশে অনেক বেশি বিবিএ গ্র্যাজুয়েট তৈরি হচ্ছে। কিন্তু তা মার্কেটে অতিরিক্ত। তাই সার্বিক পরিস্থিতিতে সায়েন্স ভিত্তিক গ্রাজুয়েশন বাড়ানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে সবার মতামত নেওয়া হয়েছে।
দেশের ৯টি রেজিম কোম্পানিকে সরকার অতি দ্রুতই অবসায়ন করবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।
মন্তব্য করুন