

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের চারটি জেলায় সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে মাঠে নেমেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ঢাকা ছাড়াও গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক দায়িত্ব পালন করছে বাহিনীটি।
আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে বিজিবির টহল দল কাজ করছে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের চলমান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধেই এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গত এক সপ্তাহ ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার মতো নাশকতামূলক ঘটনা ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশ, র্যাবের পাশাপাশি বিজিবিও মাঠে রয়েছে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ছিল গত ১৩ নভেম্বর। ওই দিনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ‘লকডাউন’কর্মসূচি ঘোষণা করলে ৭ নভেম্বর রাত থেকে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা শুরু হয়।
এ মামলার রায় ঘোষণার নতুন তারিখ হিসেবে আগামী সোমবার (১৭ নভেম্বর) নির্ধারণ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১। রায়কে কেন্দ্র করে পুরো রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরগুলোতে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপটি
আজ সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত হয়েছে।
শনিবার (২৫ মে) রাত ৭টা ১০ মিনিটের
পর এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।
বিডব্লিউওটি জানায়, ঘূর্ণিঝড় রেমাল
সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি-১ শক্তিমাত্রার ঝড় হিসেবে ২৬ মে দিবাগত রাত থেকে ২৭ মে সকালের
মধ্যে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
বিডব্লিউওটির প্রধান আবহাওয়া গবেষক
খালিদ হোসেনের সই করা এক বার্তায় বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিঘা থেকে
বাংলাদেশের পটুয়াখালীর মাঝামাঝি যে কোনো জায়গা দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে। তবে এর সর্বোচ্চ
ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট।
বার্তায় বলা হয়, এ ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ
শক্তিমাত্রা হতে পারে ক্যাটাগরি-১। তবে আশা করা যায় ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটারের বেশি
এটি গতিবেগ পাবে না। তবে আশঙ্কার ব্যাপার হচ্ছে এটি তার পূর্ণ শক্তিতে উপকূল অতিক্রম
করতে পারে।
এদিকে আবহাওয়াবিদ মো. আজিজুর রহমান
বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল ‘সিভিয়ার সাইক্লোনে’ পরিণত হতে পারে। ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার
বেগে এটি অতি প্রবল আকার ধারণ করে আঘাত হানতে পারে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে।
মন্তব্য করুন


ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের ছোট ধলিয়া গ্রামে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) গভীর রাতে একটি বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গ্রামের বাসিন্দা মাইনুদ্দিন (৪৮)–এর বাড়িতে রাতের অন্ধকারে ডাকাতদল হামলা চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্য ও পুলিশ জানায়, একটি সংঘবদ্ধ দল প্রথমে বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢোকে এবং পরে মূল দরজা খুলে আরও ১০–১২ জন সদস্য ঘরে প্রবেশ করে। তারা ঘরে থাকা ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, প্রায় দুই লাখ টাকা, একটি আইফোন এবং সিসিটিভির ডিভিআর বক্স নিয়ে যায়। ডাকাতদের উপস্থিতি দেখে গৃহবধূ আকলিমা (৩৮) চিৎকার করলে তারা রড ও রেঞ্জ দিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতদের ফেলে যাওয়া একটি ধারালো দা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সামসুজ্জামান বলেন, ডাকাতির বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান যে সকালে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ডাকাতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


অন্য
কার্যদিবসের মতোই আরেকটি দিনের সূচনা করতে বাড়ি থেকে সকালে বের হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান। বাড়ির দরজা খুলে উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে মুচকি হেসে বললেন, ‘চলেন যুদ্ধে
যাই।’
আজ
রোবববার ( ৮ মার্চ ) , সকালে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের সূচনা করতে বাড়ি থেকে বের
হওয়ার সময় ব্যতিক্রম এই দৃশ্যপট দেখা গেছে।
এ
সময় প্রতিদিনের মতো প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান
রুমন।
তিনি
জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন তিন শব্দের এই লাইন বললেন, তখন সেখানে উপস্থিত
ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা হতচকিত হয়ে পড়েন। পরক্ষণেই উপস্থিত কারো-ই বুঝতে বাকি রইলা না
যে তিনি দেশ পরিচালনার কাজকে ‘যুদ্ধ’ বলে বুঝিয়েছেন। তিন শব্দের চমকপ্রদ
লাইনে দেশ গঠনে তাঁর প্রতিদিনের সংগ্রামের কথা বলেছেন।
অতিরিক্ত
প্রেস সচিব জানিয়েছেন, তিনি সকাল ৮টা ৪২মিনিটে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্দেশ্যে
রাজধানীর গুলশানের বাড়ি থেকে বের হন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে
তাঁর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রস্তুত থাকেন। প্রতিদিনের মতো
সেই প্রস্তুতি নিয়ে তারা যখন প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন, ঠিক তখন বাড়ির দরজা
খুলেই চিরাচরিত হাস্যোজ্জ্বল মুখে সবার উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন তিনি।
আতিকুর
রহমান রুমন জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আজও সারাদিন
বেশ কয়েকটি বৈঠক আছে তাঁর।
প্রধানমন্ত্রীর
আজকের অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা উপদেষ্টা
মাহদী আমিন ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকের
কথা রয়েছে। এছাড়াও তিনি আরো কয়েকটি বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামের
উলিপুরে ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা ফুটিয়ে তুলে আবারও আলোচনায় এসেছেন এক স্কুলশিক্ষক।
উলিপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে, উলিপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাফর সাদিক উপজেলার পুব নাওডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা।
চলতি
বোরো মৌসুমে তিনি নিজস্ব প্রায় ১৭ বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করছেন। এর মধ্যে
ব্রি ধান-১১৩ ব্যবহার করে বেগুনি রঙের ধানের চারা লাগিয়ে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের আকৃতি
ফুটিয়ে তুলেছেন। দূর থেকেই স্পষ্ট দেখা যায় এই নকশা, যা পথচারীদের দৃষ্টি কাড়ছে।
আগেও
জাফর সাদিক ধানক্ষেতে জাতীয় ফুল, জাতীয় পতাকা এবং বাংলাদেশের মানচিত্রের নকশা তৈরি
করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। পেশায় শিক্ষক হলেও কৃষির প্রতি তার রয়েছে গভীর অনুরাগ। নিয়মিত
পাঠদানের পাশাপাশি তিনি নিজেই জমিতে চাষাবাদ করেন এবং সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে দেশপ্রেম
তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয়রা
তার এ উদ্যোগকে অনুপ্রেরণাদায়ক মনে করছেন। এসএসসি পরীক্ষার্থী রাকিব হাসান, শরিফ উদ্দিন
ও আমিনুল ইসলাম বলেন, দূর থেকে এখানে দেখতে এসেছি। ধানখেতে এমন নকশা দেখে খুব ভালো
লাগছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে।
স্থানীয়
বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, একজন শিক্ষক হয়ে কৃষিকাজে এমন সৃজনশীলতা দেখানো সত্যিই
অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি আমাদের এলাকার গর্ব।
জাফর
সাদিক বলেন, শিক্ষকতা আমার পেশা, কৃষি আমার নেশা, আর দেশপ্রেম আমার বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস
থেকেই কৃষি ক্ষেত্রকে দেশপ্রেম জাগানোর একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছি। বিদ্যালয়ে
আমি বইয়ের মাধ্যমে ইতিহাস শেখাই, আর মাঠে মাটির মাধ্যমে সেই ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা
করি।
উলিপুর-রাজারহাট
সড়কের পাশে অবস্থিত তার এই ধানক্ষেত প্রতিদিন শত শত মানুষের নজর কাড়ছে। অনেক পথচারী
থেমে ছবি তুলছেন এবং স্বাধীনতার রক্তঝরা ইতিহাস স্মরণ করছেন। জাফর সাদিক বলেন, মানুষের
আগ্রহই আমার কাজের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর জানিয়েছেন, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা সিটির সঙ্গে ৯ মার্চ পৌরসভা, জেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনও আছে। পরিস্থিতি ভালো আছে।
তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বুধবার (৬ মার্চ) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আলমগীর বলেছেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। যে সব জায়গা থেকে চাহিদা এসেছে সেখানে বেশি ফোর্স দিয়েছি। অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটও দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের মূল্যায়ন পরিবেশ ভালো। আশাকরি নির্বাচন ভালোভাবেই হবে। আমাদের প্রস্তুতি সব দিক থেকেই ভালো।
তিনি বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিষয়টা হলো আমাদের প্রকল্পে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। জনবল রাখা হয়নি। এজন্য নিয়মিত কর্মকর্তাদের দিয়েই বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির সহায়তায় রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকি। আমাদের আর্থিক, জনবলের সীমাবদ্ধতা আছে। এজন্য অনেকগুলো ইভিএমই কাজ করছে না। অচল হয়ে যাচ্ছে। ইভিএম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যেগুলো সচল পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোই ব্যবহারের জন্য পাঠানো হচ্ছে।
সিটি ভোটে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না, সে ধরনের কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ভোটের ক্ষেত্রে উত্তেজনা থাকেই। সব প্রার্থীই চায় নির্বাচনে জেতার জন্য। তবে এরকম কোনো ইয়ে নাই ওখানে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হবে, এ ধরনের তথ্য আমাদের কাছে নাই। তারপরও সতর্কতা হিসেবে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন থেকে তারা যে অতিরিক্ত ফোর্স চেয়েছে সেভাবে দিয়েছি। নিয়ন্ত্রণের বাইরে পরিস্থিতি চলে গেলে কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা বন্ধ না করলে আমরা (কমিশন) বন্ধ করে দেবো।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ,
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে
জ্বালানির যে সংকট তার আঁচ বাংলাদেশকেও স্পর্শ করেছে। কিন্তু এতে জনগণের যাতে ভোগান্তি
শিকার করতে না হয়, সেজন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। শনিবার ( ১১ এপ্রিল ) যশোর মেডিকেল
কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
অনিন্দ্য
ইসলাম অমিত বলেন, কৃষক যাতে কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হন তার জন্য সরকার কাজ করছে। কৃষকদের
নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। জনগণের যাতে ভোগান্তি শিকার
করতে না হয়, সেজন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
তিনি
বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে যশোরে স্থবির হয়ে থাকা উন্নয়নের চাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
সফরের মধ্য দিয়ে আবার সচল হবে। ২০০৬ সালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে এক ঐতিহাসিক জনসভায় যশোরে
৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই মেডিকেল কলেজ
হাসপাতাল যশোরবাসী আজও পায়নি। গত নির্বাচনের আগেও আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছিল, নির্বাচিত
হলে যশোরে এই হাসপাতাল আমরা করবো। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর
স্থাপন করবেন।
প্রতিমন্ত্রী
জানান, ২৭ এপ্রিল সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোর বিমানবন্দর থেকে শার্শা উপজেলার
উলাশীতে যাবেন। সেখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাশী খালের পুনঃখনন
কাজে অংশ নেবেন তিনি। এরপর যশোর শহরে ফিরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর
স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন শেষে যশোর
ঈদগাহ ময়দানে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করবেন।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের যশোর সফরের প্রস্তুতি উপলক্ষে তিনি শনিবার সকালে যশোরের জেলা প্রশাসকের
সম্মেলনকক্ষে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানদের সাথে বৈঠক করেন। পরে যশোর মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের স্থান পরিদর্শন শেষে শার্শা উপজেলার উলাশী
খাল পরিদর্শন করেন।
এসময়
যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির
সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ
ও এসএসএ-এর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গণভবনকে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের
জাদুঘর নির্মাণের জন্য উপদেষ্টাদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) গণভবন পরিদর্শনের
সময় এই নির্দেশ দেন তিনি।
‘‘গণভবনে ক্ষমতাচ্যুত ‘স্বৈরশাসক’ শেখ
হাসিনা গত ১৫ বছর ধরে বাস করেছিলেন, যা দমন ও তার নৃশংস শাসনের প্রতীক হয়ে উঠেছে’’
বলে উল্লেখ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
গণভবনের ধ্বংসাবশেষ পরিদর্শনকালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘তার (শেখ হাসিনা) দুঃশাসনের স্মৃতি এবং জনগণ যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল, যখন তারা তাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করেছিল, সেসব জাদুঘরের রাখা উচিত হবে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার কয়েক মুহূর্ত পর ৫ আগস্ট গণভবনে কয়েক লাখ বিক্ষোভকারী হামলা চালায়। বিক্ষোভকারীরা গণভবনের দেয়াল ও কক্ষে গ্রাফিতি এঁকে এবং খুনি হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী নোট লিখে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আয়নাঘর, যেখানে হাসিনার কুখ্যাত নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গোপনে শত শত ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধী কর্মীকে আটক করেছিল, তার একটি রেপ্লিকাও গণভবনের জাদুঘরে নির্মাণ করা উচিত। আয়নাঘরের উচিত দর্শকদের গোপন বন্দিদের নির্যাতনের কথা মনে করিয়ে দেওয়া।
গণভবন পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ।
এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী
মাহফুজ আলমও উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূস উপদেষ্টাদের জাদুঘর বিশেষজ্ঞদের
সঙ্গে পরামর্শ করতে বলেন। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাদুঘরের জন্য প্রস্তাব চূড়ান্ত
করতে বলেন তিনি।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০০৯ সাল
থেকে শুরু হওয়া হাসিনার শাসনের অপকর্মগুলো জাদুঘরে যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
হয়েছে।
আজ
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা
অনুষ্ঠিত হয়।
সভায়
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তারেক
রহমান এর আগে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস
করতে আসেন।
কার্যালয়ের
মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রীকে
স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী
নিজের কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের
সময় দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান কার্যালয়ের পুরনো অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নাম ধরে কাছে ডেকে কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী
একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা কার্যালয় চত্বরে রোপণ এবং মহান আল্লাহপাকের কাছে শুকরিয়া
আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা জানিয়েছেন, তিনি
দল থেকে নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে লড়াই করবেন। তার নির্বাচনী
আসন ঢাকা-৯।
শনিবার
(২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক বার্তায় তিনি এ কথা
জানান।
বার্তায়
তিনি নির্বাচনী আসনের (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদাবা) বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি
আপনাদের ঘরের মেয়ে।
খিলগাঁওয়েই
আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। আমার স্বপ্ন ছিল একটি রাজনৈতিক দলের প্ল্যাটফর্ম থেকে সংসদে
গিয়ে আমার এলাকার মানুষের ও দেশের সেবা করা। তবে বাস্তবিক প্রেক্ষাপটের কারণে আমি কোনো
নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
‘আমি আপনাদের এবং দেশের মানুষকে ওয়াদা
করেছিলাম যে আপনাদের জন্য ও নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার জন্য আমি লড়বো।
পরিস্থিতি
যাই হোক না কেন, আমি আমার সেই ওয়াদা রক্ষা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র
প্রার্থী হিসাবে ঢাকা-৯ থেকে অংশগ্রহণ করবো।’
তাসনিম
জারা বলেন, ‘একটা দলের প্রার্থী হলে সেই দলের স্থানীয় অফিস থাকে, সুসংগঠিত কর্মী বাহিনী
থাকে। সরকার ও প্রশাসনের সাথে নিরাপত্তা বা অন্যান্য বিষয়ে আপত্তি ও শঙ্কা নিয়ে কথা
বলার সুযোগ থাকে।
তবে
আমি যেহেতু কোনো দলের সাথে থাকছি না, তাই আমার সে সব কিছুই থাকবে না।’
‘আমার একমাত্র ভরসা আপনারা। আপনাদের
মেয়ে হিসেবে আমার সততা, নিষ্ঠা, এবং নতুন রাজনীতি করার অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রেক্ষিতে
আপনারা যদি স্নেহ ও সমর্থন দেন, তবেই আমি আপনাদের সেবা করার সুযোগ পাবো।’
দুইটি
বিশেষ বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক. নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে
আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী আমাদের ঢাকা-৯ আসনের ৪৬৯৩ জন ভোটারের সমর্থনযুক্ত স্বাক্ষর
একটি নির্দিষ্ট ফর্মে প্রয়োজন। আগামীকাল এই স্বাক্ষর সংগ্রহের কাজ শুরু করবো।
মাত্র
এক দিনে এত মানুষের সাক্ষর গোছানো প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত সাহায্য
ছাড়া এটা করতে পারবো না। এই কাজে যারা আগামীকাল বসার জায়গা দিয়ে বা স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে
সাহায্য করতে চান, তারা অনুগ্রহ করে এই গ্রুপে যুক্ত হন। আপনাদেরকে নির্দিষ্ট স্থান
ও লোকেশন জানিয়ে দেওয়া হবে: https://www.facebook.com/share/g/1DCkLvMvRX/
দুই.
কিছুদিন আগে নির্বাচনী ফান্ডরেইজিংয়ের সময় আপনারা অনেকে ডোনেট করেছেন। আমার এই পরিবর্তিত
সিদ্ধান্তের কারণে (স্বতন্ত্র হিসেবে লড়াই করা) যারা ডোনেট করা অর্থ ফেরত পেতে চান,
তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা। যারা বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়েছেন তারা অর্থ ফেরত পেতে
নিচে দেয়া এই ফর্মটি পূরণ করুন: https://forms.gle/NKTkkNVZvUvyrsGYA। আপনাদের ট্রাঞ্জাকশন
আইডি ও ডিটেইলস ভেরিফাই করার পরে অর্থ ফেরত দেয়া হবে। আর যারা ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠিয়েছিলেন,
তাদেরকে শীঘ্রই জানাবো কী প্রক্রিয়ায় আপনাদের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনী
ইশতেহার অনুযায়ী প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’
দেয়ার ক্ষেত্রে তিনটি পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ বিষয়টি জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী
বলেন, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্ড
দেয়া হবে। পরিবারে নারীদের গুরুত্ব বাড়ানো এবং স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল
লক্ষ্য।
জাহিদ
হোসেন দাবি করেন, কার্ড দেয়ার প্রক্রিয়াটি এতটাই স্বচ্ছ হবে, যাতে দুর্নীতির কোনো সুযোগ
থাকবে না।
এদিকে
ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে কয়েকটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার কথা রয়েছে। দুই
জন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীসহ ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা
কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর
সভাপতিত্বে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সচিবদের সমন্বয়ে এ কমিটি করা হয়েছে।
আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিটিকে প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
মন্তব্য করুন