

বয়স
মাত্র ৯ বছর, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অরিনা। দুই মাসের চেষ্টায় নিজের হাতে নির্ভুলভাবে
লিখেছে পবিত্র কোরআন শরিফ। ১১৪টি সুরা সংবলিত ৩০ পারার কোরআন শরিফটি দেখে বোঝার উপায়
নেই, এটি ছাপা না হাতে লেখা।
খুলনা
মহানগরীর খালিশপুরের গোয়ালখালী এলাকার ব্যবসায়ী মো. শুকুর আলী খান ও রাশিদা বেগম দম্পতির
ছোট মেয়ে অরিনা সাফা খান। তার বয়সী শিশুরা যখন খেলাধুলা আর মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত, সেই
সময়ে নিজের হাতে কোরআন লিখেছে অরিনা। সমগ্র কোরআন শরিফ লেখা শেষ করেছে মাত্র ২ মাসে।
হাতে
লেখার কারণে এ কোরআন যেন আরও যত্ন, ভক্তি ও আন্তরিকতায় মোড়া। শিশু অরিনা কাজটি করেছে,
আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায়।
খুলনার
বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিনা। ৪র্থ শ্রেণিতে
পড়ার সময়ও নিজের হাতে পবিত্র কোরআন লিখে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছিল। কোরআনের হাফেজ না হয়েও
সুরেলা কণ্ঠে অসংখ্য সুরা মুখস্ত তেলাওয়াত করে অরিনা। ইসলামী গান গেয়েও অনেক পেয়েছে
পুরস্কার অরিনা।
অরিনার
মা রাশিদা বেগম বলেন, ছোটবেলা থেকেই অরিনার বড় বোন আরবি ভাষা লিখতে ও শিখিয়েছে তাকে।
সেই থেকে আরবি লেখা প্রিয় হয়ে ওঠে তার। বড় হয়ে গরিব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়
অরিনা, আসতে চায় সবার উপকারে।
মন্তব্য করুন


বিপিএলের ব্যস্ততা শেষ হয়েছে শুক্রবার। এখন আবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরছে দেশের ক্রিকেট।পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে এসেছে শ্রীলঙ্কা দল। তাদের বিপক্ষে সিরিজ শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি দিয়ে।
এই সিরিজের টিকিটের মূল্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) । তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টির সবগুলোই হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিট কেনা যাবে ১৫০০ টাকায়।
সর্বনিম্ন মূল্য গ্রিন ও ওয়েস্টার্ন গ্যালারির, এখানে খেলা দেখতে ২০০ টাকা খরচ করতে হবে। এছাড়া ক্লাব হাউজ ৫০০ ও ইস্টার্ন গ্যালারির জন্য খরচ করতে হবে ৩০০ টাকা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও রিকাভিবাজারের কাউন্টার থেকে টিকিট কেনা যাবে। সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে বুথ।
আগামী ৪ মার্চ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় ম্যাচ ৬ মার্চ, দুটি ম্যাচই হবে সন্ধ্যা ছয়টায়। ৯ মার্চ তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শুরু হবে বিকেল তিনটায়। এরপর তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেলবে শ্রীলঙ্কা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
আজ কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বিবির বাজার এলাকায় এক বিশেষ অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই উৎপাদন ও ক্ষতিকর রং ব্যবহারের দায়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে বড় অংকের জরিমানা করা হয়েছে।
২৪ ফেব্রুয়ারী,রোজ-মঙ্গলবার দুপুরে বিবির বাজার এলাকায় অবস্থিত ‘কাশফুল ফুড প্রডাক্ট’ নামক সেমাই কারখানায় এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে কারখানাটিতে একাধিক গুরুতর অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়- অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই তৈরি ও সংরক্ষণ করা হচ্ছিল, শিশুখাদ্যে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ শিল্প-রং ব্যবহার করা হচ্ছিল,কারখানায় উৎপাদিত সফট ড্রিংক পাউডারে (ট্যাংক) অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি এসপারটাম মেশানো হচ্ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ।
ভোক্তা অধিদপ্তর জানায়,কোনো বৈধ হালাল সনদ না থাকা সত্ত্বেও প্যাকেটের গায়ে ‘হালাল’ লোগো ব্যবহার করে সাধারণ ক্রেতাদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি।
উক্ত প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী এসব অপরাধের দায়ে ‘কাশফুল ফুড প্রডাক্ট’কে ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে ভবিষ্যতে এই ধরণের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
ভোক্তা অধিদপ্তর আরও জানায়,"জনস্বার্থ এবং রমজানে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের এই অভিযান পুরো মাসব্যাপী জেলাজুড়ে অব্যাহত থাকবে।"
উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া। উক্ত অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো: জুয়েল মিয়া, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, কুমিল্লা ক্যাব প্রতিনিধি মো: কাজী মাসুদ আলম।
সহযোগিতায় ছিলেন র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লা-এর একটি চৌকস দল।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল নেমেছে। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।
ভরা পর্যটন মৌসুমের পাশাপাশি আজ বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারির সরকারি ছুটি। বৃহস্পতিবার একদিন বিরতি দিয়ে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এজন্য কক্সবাজারের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজে ঠাঁই নেই বললেই চলে। হোটেলে রুম না পেয়ে ব্যাগ ও লাগেজ নিয়ে অনেক পর্যটক সৈকতে বা হোটেলের বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি জানান, কক্সবাজার সৈকতের নিকটবর্তী ৫ শতাধিক হোটেলে-মোটেলে কোনো রুম খালি নেই। হোটেলের কক্ষ খালি না পেয়ে অনেকে ছুটছেন শহরের দিকে।পর্যটন মৌসুমে বিনোদনপ্রেমিদের চাপ বাড়ায় প্রতিটি স্পটে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে টুরিস্ট পুলিশ।
টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিওনের অধিনায়ক আপেল মাহমুদ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় টুরিস্ট পুলিশ তৎপর আছে। পর্যটক হয়রানির অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সামরিক
বাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা চেয়ে বলেছেন, আগামী
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখরভাবে আয়োজন
করতে হবে।
আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) মিরপুর সেনানিবাসে ডিএসসিএসসি কমপ্লেক্সে সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) কোর্স ২০২৫-এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এখন নির্বাচনের
সময়। আমরা প্রস্তুত, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের সামরিক
বাহিনী, পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা প্রয়োজন। এটি একটি বড় প্রয়াস। অভ্যুত্থান
থেকে নির্বাচনের পথে যাত্রা। এটি হবে শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর, আনন্দ ও মিলনের সময়। মানুষ
তাদের আশা ও আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করতে পারবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পুলিশের প্রত্যেক
সদস্যকে দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে নির্বাচনী দায়িত্ব
পালন করতে হবে।
তিনি
আজ রোববার ( ০৪ জানুয়ারি ) দুপুরে ডিএমপি ট্রেনিং একাডেমি রাজারবাগে নির্বাচনী দায়িত্বে
পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।
এ
সময় তিনি নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে পুলিশের করণীয় বিষয়ে
দিক-নির্দেশনা দেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যেখানে পুলিশের
ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনের সময় মাঠে অবস্থানরত প্রত্যেক পুলিশ সদস্যই
হবে জনগণের আস্থার প্রতীক। পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।’উপদেষ্টা
বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে
সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে পুলিশের সক্ষমতা
ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিএমপি ট্রেনিং একাডেমিতে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ
কর্মশালার ২৩তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে
উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) বাহারুল আলম, ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিপি (ডেভেলপমেন্ট)
সরদার নুরুল আমিন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো.
সরওয়ার।
এছাড়া
এ সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য,
এ পর্যন্ত ২২টি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। যেখানে ১৮ হাজার ১৫০ জন সফলভাবে প্রশিক্ষণ
সম্পন্ন করেছে। ডিএমপির ১৯টি ভেন্যুতে ২৮টি ব্যাচে ২৪ হাজার ৩৪২ জনকে এই প্রশিক্ষণ
দেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


এলিট ফোর্স র্যাবের অতিরিক্ত
মহাপরিচালক (এডিজি, অপারেশনস) হলেন কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন।
র্যাবের একাধিক সূত্র এ
তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেছে তিনি বর্তমান এডিজি মাহাবুব আলমের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
কর্নেল মোমেন বর্তমানে প্রতিরক্ষা
গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরে কর্মরত আছেন। আর মাহাবুব আলম ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি
পেয়ে নিজ বাহিনীতে ফেরত যাচ্ছেন। এরপর তিনি গাজীপুরে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি
লি.-এ পরিচালক হিসেবে যোগ দিবেন।
এর আগেও র্যাবে বিভিন্ন
দায়িত্ব পালন করেন আব্দুল্লাহ আল মোমেন। সর্বশেষ তিনি র্যাব-১ এর অধিনায়ক ছিলেন। দীর্ঘদিন
এ দায়িত্ব সাফল্যের সঙ্গে পালন করেন তিনি। গত বছরের জুনে তিনি লে. কর্নেল থেকে পদোন্নতি
পেয়ে কর্নেল হন এবং নিজ বাহিনীতে ফিরে যান।
আব্দুল্লাহ আল মোমেন বিভিন্ন
সময়ে র্যাবে আরও কয়েকটি পদে দায়িত্ব পালন করেন। র্যাব-১২ অধিনায়ক, র্যাব-২ কোম্পানি
কমান্ডার এবং র্যাব সদরদপ্তরের গোয়েন্দা শাখায় উপপরিচালক হিসেবে কাজ করেন তিনি।
র্যাবে ভালো কাজের স্বীকৃতি
হিসেবে তিনি ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক’ (পিপিএম) অর্জন
করেন।
আগামী বুধবার মোমেন তার দায়িত্ব
বুঝে নিতে পারেন।
র্যাব-১-এ দায়িত্ব পালনকালে
মোমেনের বেশ কটি অভিযান আলোচিত হয়। রাজধানীর উত্তরার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একটি
অংশ কেনাবেচায় জড়িত গোলাম ফারুক নামের এক প্রতারককে গ্রেফতার করেন তিনি। ট্রান্সজেন্ডার
নারী বিউটি ব্লগার সাদ মুআ-কে যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ফুয়াদ আমিন ইশতিয়াক
ওরফে সানিসহ তার দুই সহযোগীকে আটকও তার নেতৃত্বে হয়।
দেশের প্রথম ‘মাদক বিজ্ঞানী’ওনাইসী
সাঈদ ওরফে রেয়ার সাঈদকে গুলশান থেকে আটক; মানব পাচার, করোনা সার্টিফিকেট নিয়ে বিদেশগামীদের
সঙ্গে প্রতারণা, সিকিউরিটি কোম্পানি খুলে প্রতারণা, ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি সহজের
সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমকে আটকসহ বিভিন্ন অভিযানের নেতৃত্ব দেন র্যাব-১-এর
এই সাবেক অধিনায়ক।
এছাড়া অবৈধভাবে ভারতে কিডনি
কেনাবেচা চক্রের মূলহোতা শহিদুল ইসলাম মিঠুকে গ্রেফতার করেন মোমেন।
সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা
কিছুদিন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশেও (বিজিবি) সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে
৪৬ বিজিবির অধিনায়ক থাকাকালে তিনি একজন সহকর্মীর (সৈনিক) জীবন বাঁচাতে নিজেই চালকের
আসনে বসে অ্যাম্বুলেন্স চালিয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। অধিনায়ক হিসেবে সহকর্মীর প্রতি
এমন সহানুভূতিশীলতা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এবং বেশ প্রশংসিত হন তিনি।
জানা গেছে, আব্দুল্লাহ আল
মোমেন ১৯৯৭ সালে ৩৬ বিএম লং কোর্সে সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে কমিশন লাভ করেন। কর্মজীবনে
তিনি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট ও সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন
করেন। শান্তিরক্ষা মিশনে লাইবেরিয়া ও গণতান্ত্রিক কঙ্গোতে কাজ করেন এই সেনা কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রেসিডেন্ট ও ডা. জুবাইদা রহমানকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) এর বোর্ড অব ডাইরেক্টরস কমিটি গঠন করা হয়।
আজ বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিএনপির ফেসবুক পেইজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) গঠনতন্ত্র মোতাবেক কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির পরিবর্তে নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি বোর্ড অব ডাইরেক্টরস কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির
তালিকা-
• তারেক রহমান (প্রেসিডেন্ট)
• ডা. জুবাইদা রহমান (ভাইস প্রেসিডেন্ট)
• অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর
• অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান ডাইরেক্টর (এডমিন)
• অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম ডাইরেক্টর (ফাইন্যান্স)
• ডা. সৈয়দা তাজনীন ওয়ারিস সিমকী ডাইরেক্টর (প্ল্যানিং)
ডাইরেক্টর
(প্রোগ্রাম)
• ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ
• ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন
• প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম
• কৃষিবিদ ড. খন্দকার মাহফুজুল হক বাচ্চু
• অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান
• অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী
• আমিরুল ইসলাম কাগজী
ডাইরেক্টর
• ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
• অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম
• কৃষিবিদ আনোয়ারুননবী মজুমদার বাবলা
• কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম
• ব্যারিস্টার মীর হেলাল
• অধ্যাপক ড. শেখ মনির উদ্দিন
• প্রকৌশলী একেএম জহিরুল ইসলাম
• কৃষিবিদ শফিউল আলম দিদার
• প্রকৌশলী উমাশা উমায়ন মনি চৌধুরী
• সাংবাদিক হাফিজ আল আসাদ সাঈদ খান।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস 'সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৫' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
আজ রোববার
(২০ জুলাই)) সেনা সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন
তিনি।
প্রথম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাগণ পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।
পদোন্নতি পর্ষদের বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা শুরুতেই স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনানীদের, যাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। এছাড়াও, তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে সকল আহত ও শহীদ সেনা সদস্যদের। একই সাথে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যূত্থানে শহীদ ও আহত সকল ছাত্র জনতাকে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস পদোন্নতির জন্য অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া সৎ, নীতিবান, পেশাদার এবং নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পন্ন অফিসারগণই উচ্চতর পদোন্নতির দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে যে সকল অফিসার সামরিক জীবনের বিভিন্ন স্তরে যোগ্য নেতৃত্ব প্রদানে সফল হয়েছেন সে সকল অফিসারকে পদোন্নতির জন্য নির্বাচন করার নির্দেশনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা।
ড.
ইউনূস বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে সেনা সদস্যগণ বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব বেশ কিছু সময় ধরে পালন করে আসছেন। দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই ত্যাগের জন্য তিনি সেনাপ্রধান থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি এবং চীফ অব জেনারেল স্টাফ।
নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় সেনা প্রধান অধ্যাপক
ড. ইউনূসের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
এসময়
সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর উপস্থিত কর্মকর্তাগণের সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ এবং পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আরও চার
সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
আজ
বুধবার (৭ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের
উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
গ্রেপ্তারকৃতরা
হলেন- বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমত আরা হ্যাপি (৪০), ৩৩ নং ওয়ার্ড
যুবলীগের সভাপতি আজিম মো. মাহবুব আলম (৫৩), কোতোয়ালী থানা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম সাগর (৩২) ও মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ
সম্পাদক তানজিম রহমান আকাশ দেওয়ান (৩২) ।
ডিবি
সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার (৬ মে) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে ইসমত আরা হ্যাপিকে
গ্রেপ্তার করে ডিবি-ওয়ারী বিভাগের একটি টিম। অন্যদিকে ডিবি-লালবাগ বিভাগের একটি দল
কোতয়ালী এলাকা থেকে আজিম মো. মাহবুব আলমকে গ্রেপ্তার করে।
কোতোয়ালী
থানাধীন ইসলামপুর এলাকা থেকে মো. সাইফুল ইসলাম সাগরকে গ্রেপ্তার করে ডিবি-সাইবার বিভাগের
একটি টিম। একই দিনে ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগের একটি আভিযানিক
দল মোহাম্মদপুর থানাধীন বসিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তানজিম রহমান আকাশ দেওয়ানকে গ্রেপ্তার
করে।
ডিবি
বলছে, গ্রেপ্তার সবার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। তারা
সংঘবদ্ধ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বিনষ্টের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করা এবং রাজধানীর বিভিন্ন
স্থানে ঝটিকা মিছিল করার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারদের
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির হত্যাচেষ্টায়
জড়িতকে ধরিয়ে দিতে পারলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এমন তথ্য জানান।
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির জন্য দোয়া চেয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘তাকে হত্যাচেষ্টায়
জড়িতদের ধরিয়ে দিতে পারলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার। সবাই তার জন্য দোয়া
করবেন। সবার দোয়ায় তিনি আমাদের মধ্যে আবার ফিরে আসতে পারবেন।’
তিনি
বলেন, ‘আসামি ধরার প্রক্রিয়া চলমান আছে। আশা করছি, সবার সহযোগিতায় খুব তাড়াতাড়ি তাকে
ধরতে পারব।’
উপদেষ্টা
বলেন, ‘ফ্যাসিস্টদের গ্রেপ্তারের সংখ্যা বাড়াতে হবে। এতদিন শুধু সরকারি কর্মচারীদেরই
হাতিয়ার দেওয়া হতো। এখন যারা নির্বাচনে অংশ নেবেন, তারাও যদি হাতিয়ার চান, তাহলে তাদের
লাইসেন্স দেওয়া হবে। তাদের কোনো হাতিয়ার আমাদের কাছে জমা থাকলে ফেরত দেওয়া হবে।’
তিনি
বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সম্মুখসারির যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর।
সরকারের পক্ষ থেকে তাদের নিরাপত্তায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
মন্তব্য করুন