

মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম:
সারা দেশে ষষ্ঠ পর্বে ৫০টি মডেল মসজিদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রৌমারী উপজেলায় মডেল মসজিদ শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন।
বেলা ১১ টায় রৌমারী মডেল মসজিদ হলরুমে শুভ উদ্বোধন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এমপি, সংসদ সদস্য কুড়িগ্রাম-৩ এমএ মতিন, উপ-প্রকল্প পরিচালক নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফেরদৌস-উজ জামান, সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী গণপূর্ত বিভাগ রংপুর মো. মিছবাহ উদ্দিন, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী গণপূর্ত সার্কেল রংপুর শেখ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক সাইদুল আরিফ, পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান, রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভির আহম্মেদ, রৌমারী উপজেলা রাজীবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো, রৌমারী থানার অফিসার ইন্চার্জ রুপকুমার সরকার, রাজীবপুর থানার অফিসার ইন্চার্জ মোজাহারুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হোরায়রা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মন্তব্য করুন


জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে ক্যানসার রোগীর নাম ভাঙিয়ে চাঁদার টাকা তোলার সময় এক নারীসহ তিন ভুয়া সমন্বয়ককে আটক করে পুলিশ দিয়েছে স্থানীয়রা।
গতকাল মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে পৌরসভার মুল বাড়ী রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সমন্বয়ক দাবি করা ব্যক্তিরা হলেন- সরিষাবাড়ী মাহমুদা সালাম মহিলা কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বৈশাখী আক্তার। পোগলদিঘা ইউনিয়নের চর পোগলদিঘা গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে রিফাদ হাসান। তিনি সরবান হাসান টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী, একই ইউনিয়নের রুদ্র বয়ড়া একুশে মোড় এলাকার সুরুজ আলীর ছেলে সিফাত আহমেদ। তিনি আলহাজ্ব মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: চাঁদ মিয়া জানান, বিকেলে তারা তিনজন সমন্বয়ক পরিচয়ে একজন ক্যানসার রোগীর সাহায্যের জন্য বিভিন্ন জায়গায় টাকা উত্তোলন করছিলেন। এ সময় স্থানীয়রা তাদের আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে তাদের থানায় আনা হয়। তারা সরিষাবাড়ীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষার্থী। এমন প্রতারণা আর করবে না, এ মর্মে অভিভাবকরা তাদের জিম্মায় সন্ধ্যায় মুচলেকা দিয়ে আটকদের নিয়ে যান। এ সময় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ফেনী
জেলার পরশুরাম উপজেলায় হাত-পা ও মুখ বেঁধে উম্মে সালমা লামিয়াকে (৭) হত্যাকাণ্ডের নতুন
তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। শিশুটির সৎ মা রেহানা আক্তারকে ফাঁসাতে আপন মা আয়েশা আক্তার হত্যাকাণ্ডের
পরিকল্পনা করেছিলেন। আয়েশা আক্তার কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ
জানিয়েছে, মেয়েকে হত্যার ঘটনায় আয়েশা নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠান।
পরশুরাম
মডেল থানার ওসি মো. শাহাদাত হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
গতকাল
বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ফেনী জেনারেল হাসপাতালে লামিয়ার ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে পরশুরামের
বাঁশপদুয়া গ্রামে তার দাফন করা হয়।
ওসি
মো: শাহাদাত হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) হত্যার শিকার হয় শিশু লামিয়া।
রাতে তার বাবা মো: নূর নবী বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে পরশুরাম থানায় একটি মামলা দায়ের
করেন। সে রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের মা আয়েশা আক্তার ও সৎ মা রেহানা আক্তারকে
হেফাজতে নেয় পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদ
শেষে বৃহস্পতিবার সকালে আয়েশাকে গ্রেপ্তার দেখায় পরশুরাম মডেল থানা।
ওসি
শাহাদাত হোসেন আরও জানান, শিশু লামিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তার আপন ও সৎ মাকে
জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় নূর নবীর প্রথম স্ত্রী ও নিহত লামিয়ার মা আয়েশা আক্তার হত্যাকাণ্ডে
জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে নূর নবীর করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গত
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে হেলমেট পরা ২ যুবক পরশুরাম পৌরসভার পশ্চিম বাঁশপদুয়া এলাকার
এয়ার আহামদের ভাড়া বাসায় এসে নিজেদের পল্লী বিদ্যুতের লোক দাবি করে দরজা খুলতে বলে।
লামিয়া দরজা খুলে দিলে তারা ঘরের ভেতরে ঢুকে তাকে টেপ দিয়ে হাত-মুখ-পা বেঁধে হত্যা
করে। লামিয়ার বড় বোন ফাতেমা আক্তার নিহা (১২) এ ঘটনা দেখে পালিয়ে পাশের একটি বাড়িতে
আশ্রয় নেয়। তবে ওই ২ যুবককে এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। হেফাজতে নেওয়ার পর নূরের ২য়
স্ত্রী রেহানাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঘটনার সঙ্গে তার জড়িত থাকার বিষয়ে কোনো তথ্য
পাওয়া যায়নি। যে কারণে রেহানাকে বাদীর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের
মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে বলেও জানান ওসি শাহাদাত।
নিহত
লামিয়ার বাবা নূর নবী বলেন, বিচ্ছেদের পরও আমার সাবেক স্ত্রী আয়েশার সাথে বিরোধ চলে
আসছিল। আমাকে ও আমার বর্তমান স্ত্রীকে ফাঁসাতেই আয়েশা এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন।
তিনি
আয়েশার শাস্তি দাবি করেছেন।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি:
কাজের
সন্ধানে ভারতের দিল্লিতে গিয়ে ফিরে আসার সময় বিএসএফের হাতে আটক ২৪ জন বাংলাদেশী নারী-পুরুষ
ও শিশুকে ফেরত এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার
(২৩ মে) রাত ১.৩০ মিনিটে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বালাতাড়ী সীমান্তের ৯৩২ নম্বর
সীমানা পিলারের পাশে বিজিবি- বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফের
পক্ষে ভারতীয় ৩ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের এসি এসএইচএল সিমতি এবং বিজিবি'র পক্ষে লালমনিরহাট
১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর হাসনাইন নেতৃত্ব দেন। এছাড়াও পতাকা বৈঠকের সময়
নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাছেন আলী, ইউপি সদস্য আব্দুল আলিম, ইউপি সদস্য
মহির উদ্দিন বালারহাট বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার সাইদুর রহমান সহ বিজিবি
সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘন্টাব্যাপি
এ বৈঠক শেষে বিএসএফ আটক বাংলাদেশী ২৪ নারী- পুরুষ ও শিশুদেরকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজিবির
কাছে হস্তান্তর করে। পরে বিজিবি তাদের কে ক্যাম্পে নিয়ে এসে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
করেছে।
বিজিবি
সুত্র জানায়, লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বালারহাট বিওপির প্রতিপক্ষ
ভারতীয় ৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীন করলা ক্যাম্পে ভারতে অভিবাসনরত কিছু নাগরিককে বাংলাদেশে
পুশইন করার জন্য জড়ো করা হয়েছে মর্মে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ
কর্ণেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি জানতে পারেন। তখন অবৈধভাবে কোন নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইন
না করার জন্য প্রতিপক্ষ বিএসএফকে কঠোর বার্তা প্রদান করা হয়। বার্তায় বিএসএফকে আরও
জানানো হয় যে, প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশী নাগরিক হলে তাদের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত সাপেক্ষে
প্রচলিত নিয়মানুযায়ী তাদেরেকে গ্রহণ করা হবে। কিন্তু কোন অবস্থাতেই বাংলাদেশী নয় এমন
কোন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের ভূখন্ডে ঢুকতে দেয়া হবে না। এর প্রেক্ষিতে বিএসএফ প্রাথমিকভাবে
২৪ জনের (পুরুষ- ১২ জন তন্মধ্যে শিশু -৪ জন, মহিলা-১২ জন তন্মধ্যে শিশু-৪ জন ) নামের
তালিকা লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নে প্রদান করে। উক্ত তালিকা যাচাই-বাছাই করে
পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়
জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে তাদেরকে পরিবারের নিকট
হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভারত
থেকে ফেরত আসা ওই ২৪ জন হলেন, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার দাসিয়ার ছড়া সমন্বয়টারী
গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে তাজুল ইসলাম (২৫) তার স্ত্রী আম্বিয়া বেগম(১৯) মেয়ে তাসলিমা
(৭) মাতা তানেকা বেগম(৪৬) বোন তাহেরা খাতুন(৭), দাসিয়ার ছড়া কামালপুর গ্রামের আছর আলীর
ছেলে মানব আলী (২৩) তার স্ত্রী রুমি বেগম (২০), একই গ্রামের নজির হোসেনের ছেলে আব্দুল
কাদের (৩১) তার স্ত্রী সাথী বেগম(২৮) ছেলে শহিদুল (৯) মেয়ে কাজলী (২), উপজেলার আরাজী
নেওয়াশী গ্রামের কাজী উদ্দিনের ছেলে জায়দুল হক (৫৫) তার স্ত্রী আন্জুমা বেগম (৪৩) ছেলে
আশিক বাবু (১৪) মেয়ে জান্নাতি খাতুন (১৯) জামাতা রবিউল (২২) ও ১০ মাস বয়সী নাতি জুনায়েদ,
উপজেলার ভাঙ্গামোড় বটতলা গ্রামের নজির হোসেনের ছেলে হাসেন আলী (৩৫) তার স্ত্রী আলমিনা
বেগম (২৯) মেয়ে হাছিনা (১৩) ছেলে আরিফ (৪) আরমান (২) এবং জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার গোপালপুর
গ্রামের আব্দুস ছালাম (৫০)।
এ
প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের উপ- অধিনায়ক মেজর হাসনাইন জানান, যথাযথ
প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ২৪ বাংলাদেশী নারী- পুরুষ ও শিশুদেরকে ফেরত
আনা হয়েছে। স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধি দের সহায়তায় তাদেরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২১ মার্চ রাতেকুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আজগর আলী (৩০), ২। মোঃ নাঈম হোসেন হৃদয় (২৬) এবং ৩। শেখ মোঃ মেহতাব দ্বীন (৪৮) নামক ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ আজগর আলী (৩০) গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর থানার জানবাগ গ্রামের আব্দুল গফুর মোল্লা এর ছেলে, ২। মোঃ নাঈম হোসেন @ হৃদয় (২৬) একই জেলার কাশিয়ানী থানার পদ্মবিলা গ্রামের মোঃ আতর আলী এর ছেলে এবং ৩। শেখ মোঃ মেহতাব দ্বীন (৪৮) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী জেলার কুমারখালী গ্রামের শেখ মোঃ নাছির উদ্দিন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী মোঃ আজগর আলী এর বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন থানায় ৮ টি মাদক মামলা সহ মোট ৯ টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় বাজি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার যশপুর বিওপি এলাকায় একটি বিশেষ টহল পরিচালনা করে। এ সময় সীমান্তের প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাহাড়পুর নামক স্থানে মালিকবিহীন অবস্থায় বিভিন্ন প্রকার অবৈধ ভারতীয় বাজি জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত বাজিগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ৭৬ লাখ ১৬ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। তবে অভিযানের সময় এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। বিজিবি আরও জানায়, জব্দকৃত অবৈধ বাজি বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
মন্তব্য করুন


শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সদরঘাট নগরীর পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে ১টি দেশি অস্ত্র, ৪টি ছুরি, ২টি তালা কাটার যন্ত্র ও ২টি রেঞ্চসহ ডাকাতি প্রস্তুতিকালে দলের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সদরঘাট থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আরিফ হাসান মেহেদী নামে ডাকাত দলের ১ সদস্য স্বীকার করেছে- কয়েকদিন আগে মেহেদীবাগস্থ আমিরবাগ আবাসিকের এক বাসা থেকে চুরি করা স্বর্ণ তার কাছে রয়েছে।
পরে তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে ডবলমুরিং থানাধীন বারেক বিল্ডিং এলাকার সানাই সিনেমা হলের খালি জায়গার ঝোপের ভিতরে মাটির নিচে লুকানো অবস্থায় ৫১ ভরি ১২ আনা ৩ রত্তি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
মন্তব্য করুন


সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ ইয়ংস্টার সোশ্যাল অর্গানাইজেশন (BYSO) এর উদ্যোগে কুমিল্লায় এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয় কুমিল্লা শহরের কান্দিরপাড়ে অবস্থিত চায়না গার্ডেন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড কনফারেন্স হলে।
ইফতার মাহফিলে কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি তাসনিম আহমেদ এর নেতৃত্বে জেলা শাখার সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলা শাখা ও স্কুল ইউনিটের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ এবং সংগঠনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।
উপস্থিত অতিথিরা সংগঠনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। ইফতার মাহফিলটি সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে দেশ ও জাতির কল্যাণ, সংগঠনের সফলতা এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
BYSO দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা, মানবিক সহায়তা এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
সোশ্যাল মিডিয়ায় “Cumilla24” নাম ব্যবহার করে একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ পূর্বের নাম ‘গোল্ড ফ্যাশন’ সম্প্রতি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছে।
জানা যায়, ওই পেজ থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয় যেখানে একজন বিদেশী নারীকে নিউজ পাঠ করতে দেখা যায়। ভিডিওটিতে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমনকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করা হয়।
এমন বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রচারণাকে আইনগতভাবে অপরাধ উল্লেখ করে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, “এই ধরনের মিথ্যা প্রচারণা একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ, যা দল ও নেতার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।”
নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের কাছে উক্ত ভুয়া ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এবং জনগণকে এসব ভুয়া পেজের বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


পাওনা
৩৬ হাজার টাকা না দেওয়ায় পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হয় কুমিল্লা হোমনা উপজেলার বড় ঘাগুটিয়া
ইউনিয়নের ঘাগুটিয়া গ্রামের শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে
সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
হত্যাকাণ্ডের
পরই রহস্য উদঘাটনে এবং খুনিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ।
এর একদিন পর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হোমনার শ্রীমদ্দি চরেরগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূলহোতা আক্তার হোসেনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আক্তার হোসেন (২৭) হোমনা শ্রীমদ্দি চরের গাঁও এলাকার হক মিয়ার ছেলে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর হত্যাকারী আক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, নিহত মাহমুদার সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর মাহমুদা তার পরকীয়া প্রেমিক আক্তার হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা ধার নিতো। সর্বশেষ আক্তার হোসেনের নিহত মাহমুদার কাছে ৩৬ হাজার টাকা পাওনা ছিল। আক্তার সেই টাকা মাহমুদার কাছে ফেরত চাইলে টাকা ফেরত দেব-দিচ্ছি করে আক্তারকে ঘোরাতে থাকেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কয়েক দফা বাগবিতণ্ডা হয়।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আক্তারকে তার পাওনা টাকা ফেরত দেবেন বলে বাড়িতে ডাকেন মাহমুদা। পরে রাতে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন মাহমুদা, হত্যাকারী আক্তার, মাহমুদার ছেলে সাহাত এবং মাহমুদার ভাতিজি তিশা।
খাওয়া শেষে তিশা ও সাহাত ঘুমিয়ে পড়ে। তখন আক্তার তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে মাহমুদা রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ফের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে মাহমুদাকে মাথায় আঘাত করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন আক্তার। আর ভাবতে থাকেন তিশা ও সাহাত তো সন্ধ্যায় তাকে দেখেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা যদি আক্তারের কথা বলে দেয় সেই আশঙ্কা থেকে তাদের দুজনকেও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ তিনটি এক খাটের ওপর রেখে পালিয়ে যান তিনি।
হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন, তিনজনকে হত্যার ঘটনায় নিহত মাহমুদার বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করার পর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে নামে পুলিশ। তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ হত্যাকারী আক্তারকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার রাতে আক্তারকে তার নিজবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার বিকেলে আদালতে তোলা হলে ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এর আগে, বুধবার রাতের কোনো একসময় তিনজনকে হত্যা করে মরদেহ একটি খাটের ওপর ফেলে রাখা হয়।
নিহতরা হলেন বড় ঘাগুটিয়া এলাকার মো. শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
এ
ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতেই নিহত মাহমুদার বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে হোমনা থানায় একটি
হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে শনিবার বিকেলে তাকে আদালতে তোলা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় করা মামলার দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্তে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বলে দাবি পুলিশের।
মঙ্গলবার রাতে প্রধান আসামি হেলাল উদ্দিন এবং বুধবার রাতে কাউসার কে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন লাকসাম রেলওয়ে থানার ওসি জসীমউদ্দিন।
আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে ওসি জসীমউদ্দিন বলেন, “ঈদের দিন গেইটে দায়িত্বপ্রাপ্ত গেইটম্যান হেলাল উদ্দীন ও মেহেদী হাসান দায়িত্ব পালন না করে এক হাজার টাকায় বদলি হিসেবে অস্থায়ী গেইটম্যান কাউসার ও স্থায়ী গেইটম্যান নাজমুলকে ঠিক করেন; যাদের সেদিন ডিউটিই ছিল না।
তিনি আরো বলেন, “কাউসার ও নাজমুল ওই রাতে পদুয়ার বাজার লেভেলক্রসিংয়ের গেইটম্যানের কক্ষে থাকলেও তারা রাত পৌনে ৩টায় ঢাকা মেইল ট্রেন আসার আগে গেইট বন্ধ করেনি। তবে কেন তারা সেটি করেননি তা নিয়েও তদন্ত চলছে।
এছাড়াও পদুয়ার বাজার রেললেভেল ক্রসিংয়ের গেইটের কক্ষে মাদকের সংশ্লিষ্টতাও খুঁজে দেখা হচ্ছে বলে দাবি ওসি জসীম উদ্দিনের।
তিনি বলেন, গেইটম্যান আগের স্টেশন থেকে সিগন্যাল পেয়েছেন কি-না সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামি মেহেদী হাসান এখনো পলাতক আছেন। হেলালকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার পদুয়ার বাজার লেভেলক্রসিংয়ের গেইটম্যান হেলাল উদ্দিন ও ওয়েম্যান মেহেদী হাসানকে আসামি করে লাকসাম রেলওয়ে থানায় মামলা করেন আহত বাসযাত্রী শেফালী আক্তার। শেফালী দুর্ঘটনায় নিহত সোহেল রানার খালা। তার বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে।
গত (২১ মার্চ ) শনিবার রাত ৩টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন আটজন।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনটি ক্রসিং পার হওয়ার সময় চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরগামী মামুন স্পেশাল পরিবহনের একটি বাস রেললাইনে উঠে পড়লে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাসটিকে ছেঁচড়ে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় ট্রেন।
এ ঘটনায় পদুয়ার বাজার এলাকায় রেলের গেইটের দুই দায়িত্বরত কর্মচারী হেলাল ও মেহেদীকে বরখাস্ত করা হয় এবং তিন টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের দাবি, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ট্রেন আসার সময় বাজার রেলওয়ে ওভার পাশে লেভেল ক্রসিং এ গেইট সময়মত বন্ধ করতে পারেনি গেইটম্যান। এতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে ।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশ সুপার তহুরা জান্নাত কে বলেন, এখন পর্যন্ত দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার দ্বিতীয় আসামি মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন