

কিশোরগঞ্জ
জেলার ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে রয়েছে ৯টি লোহার দানবাক্স। আর প্রতি তিন মাস পর পর দানবাক্সগুলো
খোলা হয়। এবার চার মাস ১০ দিন পর শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছে।
এতে ২৭ বস্তা টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বার্ণালংকা অলংকার সহ রয়েছে মনোবাসনা পূর্ণ করতে
বিভিন্ন চিঠি ।
পাগলা
মসজিদের দান বাক্সে পাওয়া একটি চিরকুটে প্রেমিক তার প্রেমিকাকে জীবনসঙ্গী করে পেতে
লিখেছেন, “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আমি একটা মেয়েকে ভালবাসি কিন্তু মেয়েটা আমাকে
ভালো বাসে না। আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যে আল্লাহ্ তাকে যেন আমার জীবন সঙ্গী
হিসাবে কবুল করেন। মেয়েটার নাম মোছাঃ সারভীন আক্তার আমার নাম সাইফুল ইসল্লাম আপনারা
আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমাদেরকে কবুল করেন।“
আরেকটি
চিরকুটে লেখা ছিল, “আল্লাহ আমি যেন একটা মানসম্মত নাম্বার পাই। একটা ভালো কলেজে ভর্তি
হতে পারি। আমার মাথার সব খারাপ চিনতা দুর হয়ে যায়। আল্লাহ আমার মা-বাবারে ভালো রাখে
রেখ। আমি যেন রফিকুল ইসলাম কলেজে ভর্তি হতে পারি।“
মন্তব্য করুন


পাওনা
৩৬ হাজার টাকা না দেওয়ায় পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হয় কুমিল্লা হোমনা উপজেলার বড় ঘাগুটিয়া
ইউনিয়নের ঘাগুটিয়া গ্রামের শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে
সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
হত্যাকাণ্ডের
পরই রহস্য উদঘাটনে এবং খুনিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ।
এর একদিন পর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হোমনার শ্রীমদ্দি চরেরগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূলহোতা আক্তার হোসেনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আক্তার হোসেন (২৭) হোমনা শ্রীমদ্দি চরের গাঁও এলাকার হক মিয়ার ছেলে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর হত্যাকারী আক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, নিহত মাহমুদার সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর মাহমুদা তার পরকীয়া প্রেমিক আক্তার হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা ধার নিতো। সর্বশেষ আক্তার হোসেনের নিহত মাহমুদার কাছে ৩৬ হাজার টাকা পাওনা ছিল। আক্তার সেই টাকা মাহমুদার কাছে ফেরত চাইলে টাকা ফেরত দেব-দিচ্ছি করে আক্তারকে ঘোরাতে থাকেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কয়েক দফা বাগবিতণ্ডা হয়।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আক্তারকে তার পাওনা টাকা ফেরত দেবেন বলে বাড়িতে ডাকেন মাহমুদা। পরে রাতে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন মাহমুদা, হত্যাকারী আক্তার, মাহমুদার ছেলে সাহাত এবং মাহমুদার ভাতিজি তিশা।
খাওয়া শেষে তিশা ও সাহাত ঘুমিয়ে পড়ে। তখন আক্তার তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে মাহমুদা রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ফের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে মাহমুদাকে মাথায় আঘাত করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন আক্তার। আর ভাবতে থাকেন তিশা ও সাহাত তো সন্ধ্যায় তাকে দেখেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা যদি আক্তারের কথা বলে দেয় সেই আশঙ্কা থেকে তাদের দুজনকেও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ তিনটি এক খাটের ওপর রেখে পালিয়ে যান তিনি।
হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন, তিনজনকে হত্যার ঘটনায় নিহত মাহমুদার বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করার পর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে নামে পুলিশ। তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ হত্যাকারী আক্তারকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার রাতে আক্তারকে তার নিজবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার বিকেলে আদালতে তোলা হলে ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এর আগে, বুধবার রাতের কোনো একসময় তিনজনকে হত্যা করে মরদেহ একটি খাটের ওপর ফেলে রাখা হয়।
নিহতরা হলেন বড় ঘাগুটিয়া এলাকার মো. শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
এ
ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতেই নিহত মাহমুদার বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে হোমনা থানায় একটি
হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে শনিবার বিকেলে তাকে আদালতে তোলা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০ কেজি
গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন
নাজিরা বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ নূর নবী এবং ২।
মোঃ আব্দুর রহীম উল্লা নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের
কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ নূর নবী
(৬৫) চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার পূর্ব হাসনাবাদ গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম এর
ছেলে এবং ২। মোঃ আব্দুর রহীম উল্লা (২৬) একই জেলার আকবর শাহ থানার বিশ্ব কলোনী কাচাঁবাজার
গ্রামের মোঃ আজিজুল হক এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর
যোগসাজসে জব্দকৃত মিনি ট্রাক ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন লালমাই গোলচত্ত্বর এলাকা হতে ১৪৭ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১১ নভেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন লালমাই গোলচত্ত্বর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১৪৭ বোতল ফেন্সিডিল ও ০৩ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী থানার বালিপাড়া গ্রামের মোঃ জামান হাওলাদার এর ছেলে মোঃ সোহাগ হাওলাদার (৪০)।
প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ পিরোজপুর, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল, গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা আন্দোলনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গুলিতে নিহত কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার ১১জন শহীদের বাড়ি বাড়ি যান কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় তিনি প্রথমে উপজেলার ভানী ইউনিয়নের সূর্যপুর গ্রামের নিহত কাদির হোসেন সোহাগের বাড়িতে যান। ওখানে সোহাগের মা ও তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। পরে গত ২০ জুলাই নারায়ণগঞ্জের চিটাগং রোডে পুলিশের গুলিতে নিহত ১০ বছরের শিশু মোঃ হোসাইন গ্রামের বাড়ি উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের বেতুয়া গ্রামে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকে এক এক করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনে দেবিদ্বার উপজেলার ১১ নিহতদের বাড়িতে যান হাসনাত আবদুল্লাহ এবং তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেন।
সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহদুপুরে যান দেবিদ্বার সদরে গুলিতে নিহত সেচ্ছাসেবকদল নেতা রুবেল মিয়ার বাড়িতে। সেখানে নিহত রুবেলের নবজাতক সন্তানকে কোলে তুলে নেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দেবিদ্বারে আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী নাজমুল হাসান নাহিদ, মুক্তাদির জারিফ সিক্ত, শরীফ আল বান্না, সাজেদুল রাসেদ রাফসান, সিয়াম ইসলাম ও ডাঃ আল আমিন সহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৫-২৬ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে জিটিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি সেলিম রেজা মুন্সী কে সভাপতি এবং দৈনিক কুমিল্লার ডাকের সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সর্ব সম্মতিক্রমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নতুন কমিটিতে বিভিন্ন পদে নিম্নলিখিত সাংবাদিকরা দায়িত্ব পেয়েছেন : সহ-সভাপতি: আনোয়ার হোসেন (বৈশাখী টিভি), জাকারিয়া মানিক (দৈনিক পূর্বাশা), নেকবর হোসেন (দৈনিক আজকের জীবন)।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আসিফ মান্না (সাপ্তাহিক মেগোতি), রাসেল সোহেল (ডেইলি বাংলাদেশ মিরর)
সাংগঠনিক সম্পাদক : রেজাউল করিম রাসেল (দৈনিক সংগ্রাম)। কোষাধ্যক্ষ : মাসুদ আলম (এখন টিভি)। দপ্তর সম্পাদক : মহসিন কবির (ঢাকা ট্রিবিউন)। পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক : জসিম উদ্দিন চৌধুরী। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক : ম্যাক রানা (দৈনিক পূর্বাশা)। প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক : মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ (এশিয়ান টিভি)। সমাজকল্যাণ সম্পাদক : আব্দুল মোতালেব নিখিল (মোহনা টিভি)। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক : হাবিবুর রহমান মুন্না (ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস)। আইটি বিষয়ক সম্পাদক : উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল (দৈনিক আজকের কুমিল্লা)। নির্বাহী সদস্য পদে রয়েছেন : জহিরুল হক বাবু (কুমিল্লা নিউজ), আশিকুর রহমান আশিক (জাগরণ টিভি), আরিফ মজুমদার (বাংলা টিভি), আবু সুফিয়ান (এনটিভি), রবিউল বাশার খান (দৈনিক আজকের দর্পণ), তৌহিদ হোসেন সরকার (ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস), আব্দুল্লাহ আল মারুফ (বাংলা ট্রিবিউন), মহিউদ্দিন আকাশ (আকাশ টিভি)
এই কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি : মাসুক আলতাফ চৌধুরী। উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য হিসেবে রয়েছেন : হুমায়ুন কবির রনি (একুশে টিভি), মোঃ মোবারক হোসেন (গোমেতি সংবাদ), ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু (দৈনিক আজকের কুমিল্লা), দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ (নাগরিক টিভি, আজকের পত্রিকা ও বাসস)
মন্তব্য করুন


বরগুনার আমতলীতে সেতু ভেঙে যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস পানিতে ডুবে নিহত ৭ জনের দাফন
সম্পন্ন হয়েছে।
আজ রোববার সকালে মাদারীপুর জেলার শিবচরের ভদ্রাসন ইউনিয়ন ও ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়নের
পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে রাত তিনটার দিকে মরদেহ বাড়িতে
পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শনিবার রাত তিনটার দিকে গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচরে পৌঁছায় দুর্ঘটনায় নিহত
৭ জনের মরদেহ। এ সময় জড়ো হন প্রতিবেশীরাও। পরে রোববার সকালে ভদ্রাসন ইউনিয়নের সাহা
পাড়া, ওমেদপুর ও ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়নের ক্রোকচর গ্রামে জানাজা শেষে নিজ নিজ গ্রামের
পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় শিবচর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের দাফন কার্য সম্পন্ন করতে ১০
হাজার করে মোট ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
জানা যায়, বরগুনার আমতলীতে বোনের মেয়ে হুমায়রা আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ
দিতে বুধবার রাজধানী ঢাকা থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মাদারীপুরের শিবচরের ভদ্রাসনের
গ্রামের বাড়িতে আসেন ব্যাংক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ। মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ভাগ্যক্রমে
তিনি বেঁচে গেলেও প্রাণ হারায় তার স্ত্রী শাহানাজ আক্তার মুন্নী ও দুই মেয়ে তাহিয়া
ও তাসদিয়া। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা কেড়ে নেয় ব্যাংক কর্মকর্তার বোন, ভাবী, দুই ভাগ্নেসহ
একই পরিবারের ৭ জনকে।
নিহতরা হলেন - শিবচরের ভদ্রাসনের গ্রামের আবুল কালাম আজাদ-এর স্ত্রী শাহানাজ
আক্তার মুন্নী (৪০) ও তার দুই মেয়ে তাহিয়া (০৭) এবং তাসদিয়া (১১)। একই এলাকার মৃত ফকরুল
আহম্মেদের স্ত্রী ফরিদা বেগম (৪০), সোহেল খানের স্ত্রী রাইতি আক্তার (৩০), বাবুল মাদবরের
স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০) এবং রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রুমি বেগম (৪০)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , আমতলীর কাউনিয়ার মনিরুল ইসলামের মেয়ে হুমায়ারার সঙ্গে
একই এলাকার সেলিম ইসলামের ছেলে সোহাগের বিয়ে শুক্রবার দুপুরে সম্পন্ন হয়। শনিবার দুপুরে
কনেপক্ষ আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার সময় বহনকারী মাইক্রোবাসটি লোহার সেতু ভেঙে পানিতে ডুবে
যায়। এ ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ৭ জনই মাদারীপুরের শিবচরের।
মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান বলেন, বৌভাত অনুষ্ঠানে যোগ
দিতে গিয়ে একসঙ্গে একই পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু খুবই দুঃখজনক। শোকবহ পরিবারের পাশে থাকবে
জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এ ব্যাপারে জনপ্রতিনিধিকেও বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইলে বাসার সামনে থেকে ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট পুলিশ সুপার মোহা. ইমামুর রশীদের মুঠোফোন ছিনতাই হয়।
শহরের ক্লাব রোডের সরকারি বাসার সামনে থেকে তার মুঠোফোনটি ছিনতাই করা হয়।
পৌনে ১২টার দিকে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, সকালে পুলিশ সুপার কবুতরের খোঁজে তার বাসার সামনে বের হন। পরে এক ছিনতাইকারী তার হাত থেকে মুঠোফোন নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকার মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ইতোপূর্বেও কয়েক দিন পরপর শহরের ক্লাব রোড, জেলা সদর রোড ও বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পাস থেকে ছিনতাই এর ঘটনা ঘটছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ জানান, যেহেতু অস্ত্র ঠেকিয়ে মুঠোফোন নেওয়া হয়নি তাই এটাকে ছিনতাই বলা যাবে না।
এ বিষয়ে ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট পুলিশ সুপার মোহা. ইমামুর রশীদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরে মেঘনা নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এসময় ৫ জেলেকে আড়াই হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও ১ লাখ ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ১০ কেজি জাটকা জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অভিযান শেষে রাত ১০টায় চাঁদপুর কোস্টগার্ড স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেশমা খাতুন।
অর্থদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মনোহরখাদীর লুৎফর রহমান, ইদ্রিস আলী ও কুদ্দুস আলী, মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদের মেহেদী হাসান ও লোকমান।
অভিযানে সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান, কোস্ট গার্ড ও নৌ-পুলিশ বিশেষ কম্বিং অপারেশন এই অভিযান পরিচালনা করে।
জব্দকৃত জাল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট এবং জব্দ জাটকা গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস ব্যবসায়ী ইপিজেট এলাকার শাহআলম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতার করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইপিজেট পুলিশ ফাঁড়ীর এসআই (নিরস্ত্র) নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁন।
গত বুধবার ২৮ ই মার্চ কুমিল্লা জেলার মাসিক অপরাধ সভায় বর্নিত হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন সহ সকল আইনানুগ কার্যক্রম সম্পাদন করার কারনে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে তাকে পুরষ্কারের ঘোষনা দেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বিপিএম।
এ সময় এসআই (নিরস্ত্র) নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁনের হাতে মামলার রহস্য উদঘাটনে শ্রেষ্ঠ অফিসারের পুরস্কার ও সম্মামনা স্বারক তুলে দেন পুলিশ সুপার, কুমিল্লা।পুরস্কার পেয়ে অনুভূতি ব্যক্ত করে এসআই (নিরস্ত্র) নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁন বলেন,
ক্লুলেস মামলায় রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা করেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর ভূইয়া এবং ইপিজেট পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ মোঃকবির হোসেন । তাদের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেয়েছি।
আজকের এই পুরস্কার সামনের দিকে আমার কাজের স্পৃহাকে আরো বাড়িয়ে দেবে। সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।আমি সবার কাছে দোয়া চাই, যেন আগামীতে দেশ ও মানুষের মানবতার সেবায় কাজ করে যেতে পারি।
সদর দক্ষিণ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর ভূইয়া বলেন সৎ ও সাহসি কাজের পুরুষ্কার কাজে গতিপথ বৃদ্ধি করে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এসআই (নিরস্ত্র) নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁন এবং তার টিমের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-২৫ (০২)২০২৪খ্রি. ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড সংক্রান্ত ক্ল-লেস হত্যা মামলার ঘটনায় জড়িত মূল হত্যাকারী আসামী আলাউদ্দিনসহ মোট ০৪ জন আসামীকে গ্রেফতার এবং আসামী আলাউদ্দিন ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি বিজ্ঞ আদালতে গ্রহণের মাধ্যমে মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছেন।
এতে জনমনে কুমিল্লা জেলা পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা শিশু পার্ক এমন এক জায়গায় যেখানে আনাগোনা সব বয়সী মানুষের হয়, ছোট থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত।
শিশুরা এসে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এখানে অনেক রাইড,দোলনা সহ অনেক কিছু যেমন আছে বয়সী ব্যক্তিরা এসেও যেন এখানে দু'দন্ড গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে পারে তেমন পরিবেশ রয়েছে।
সারা দেশের দেয়ালগুলো শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতিতে সুন্দরভাবে সেজে উঠেছে।
কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই শিশু পার্কের দেয়ালগুলো এর ব্যতিক্রম নয়।
বর্ণিল ক্যালিগ্রাফি আর গ্রাফিতিতে ভরে উঠেছে শিশু পার্কের প্রবেশের তোরণ।
মন্তব্য করুন