

ঢাকা
মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) শাহবাগ থানায় কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো.
আরশাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ডিএমপির
পুলিশ কমিশনার মো: মাইনুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা
হয়।
ডিএমপি
জানায়, গত ৩১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে ঢাকার
নিউ মডেল ডিগ্রী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে
ধরেন পরিদর্শক আরশাদ হোসেন। তার এমন অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে
জনগণের বিরূপ ধারণা সৃষ্টিসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে তাকে
সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র
প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)
খুলনা বিভাগীয় প্রধান এবং শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে একই স্টাইলে
মাথায় গুলি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
সোমবার
(২২ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায় প্রকাশ্যে এ ঘটনা ঘটে।
আহত
মোতালেব শিকদার সোনাডাঙ্গা শেখপাড়া পল্লী মঙ্গল স্কুল এলাকার মৃত মোসলেম শিকদারের
ছেলে।
স্থানীয়রা
জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় মোতালেব শিকদারকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তার অবস্থাকে আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন।
এদিকে
দুপুরে সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতু
বলেন, এনসিপির খুলনা বিভাগীয় প্রধান ও শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে
একটু আগে গুলি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির
খুলনা জেলা ও মহানগরের সংগঠক সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন, সোনাডাঙ্গা এলাকায় মোতালেব
শিকদার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
নিয়ে গেছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ
বিষয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) অনিমেষ মণ্ডল গণমাধ্যমকে বলেন,
মোতালেব নামে এক ব্যক্তিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করলে উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তার মাথার সিটি স্ক্যানের
জন্য শেখপাড়া সিটি ইমেজিং সেন্টারে নেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
রাজধানী ঢাকার রাস্তাঘাটে আছড়ে পড়েছে অগণিত
জনতার ঢেউ। মানিক মিয়া
অ্যাভিনিউ রূপ নিয়েছে জনসমুদ্রে।যতদূর
চোখ যায়, চারদিকে শুধু
মানুষ আর মানুষ।
জাতীয়
সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের দক্ষিণ
প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে সকাল
থেকেই সমবেত হতে থাকেন শোকাহত
মানুষেরা।
মানিক
মিয়া অ্যাভিনিউ ঘুরে দ্য ডেইলি
স্টারের সংবাদদাতা জানান, দিনের শুরুতেই মানুষের সারি তৈরি হতে
থাকে এবং সময় গড়ানোর
সঙ্গে সঙ্গে তা আরও দীর্ঘ
হয়।
ধানমন্ডি
৩২ নম্বর এলাকা থেকে শোকাহত মানুষের
লাইন আসাদ গেট পেরিয়ে
কারওয়ান বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। প্রধান সড়কের
সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি রাস্তা ও গলিপথে মানুষ
ধৈর্যের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অনেকের হাতে ছিল দলীয়
পতাকা ও প্ল্যাকার্ড, আবার
অনেকেই নীরবে দোয়া করছিলেন।
জনসমাগম
কেবল সড়কেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন
এলাকায় মানুষকে উড়াল সড়কের ওপর
এবং আশপাশের ভবনের ছাদে দাঁড়িয়ে জানাজার
কার্যক্রম একনজর দেখার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
বিএনপি
সমর্থকদের পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দলের
সঙ্গে যুক্ত নন, এমন সাধারণ
নাগরিকদেরও পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যা
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের ব্যাপক প্রভাবের প্রতিফলন। বয়স্ক মানুষ, নারী ও তরুণ—সব বয়সের মানুষই
উপস্থিত ছিলেন; অনেককেই শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা
করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত দেখা
যায়।
এই অভূতপূর্ব জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও চলাচল স্বাভাবিক
রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন
করা হয়। আশপাশের সড়কে
যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। বিশৃঙ্খলা
এড়াতে কর্তৃপক্ষ সবাইকে শান্ত থাকার এবং নির্দেশনা মেনে
চলার আহ্বান জানায়।
অনেক
শোকাহত মানুষ খালেদা জিয়াকে দেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাস গড়ে দেওয়া এক
প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।আসাদ গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা
এক ব্যক্তি বলেন, 'খালেদা জিয়া শুধু একটি
দলের নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন
এ দেশের সব মানুষের নেত্রী।'
মন্তব্য করুন


গত ৩০ ডিসেম্বর ভোররাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি অভিযান দল ঢাকার মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মো. আসলাম (৩৮), মো. নাদিম (৩০), মো. ইমতিয়াজ (৩৬), মো. সুমন (৩৫) এবং মো. পলাশ (৪৮) নামের পাঁচজন ব্যক্তিকে ০১টি বিদেশি পিস্তল, ০১টি ম্যাগাজিন, ০৩ রাউন্ড তাজা গুলি, পেট্রোল বোমা এবং মাদকদ্রব্যসহ গ্রেপ্তার করে।
দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যেকোনো তথ্য নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প অথবা যে কোন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট প্রদান করুন।
মন্তব্য করুন


চলতি
জানুয়ারিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ল। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম
৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন
(বিইআরসি)।
আজ
রোববার (০৪ জানুয়ারি) নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি। যা আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর
হবে।
বিইআরসি
চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ভোক্তা পর্যায়ে জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির
দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা থেকে ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ
ছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ
করা হয়েছে। এর আগে ডিসেম্বর মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা
নির্ধারণ করা হয়েছিল। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম তখন ১ টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে ৫৭ টাকা ৩২
পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
বিইআরসির
নতুন দাম নির্ধারণ অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ প্রতি কেজির দাম নির্ধারিত
হয়েছে ১০৮ টাকা ৮৩ পয়সা। গত মাসে এ দাম ছিল ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা। ফলে চলতি মাসে প্রতি
কেজিতে দাম বেড়েছে ৪ টাকা ৪২ পয়সা। এই দরের ভিত্তিতে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের
মূল্য নির্ধারণ করা হবে। বাজারে বর্তমানে বিভিন্ন ওজনের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে
সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রেখে
৮২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি (অটো গ্যাস) প্রতি লিটার
দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা। গত মাসে যা ছিল ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা।
প্রসঙ্গত,
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে বিইআরসি নিয়মিতভাবে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে। এলপিজি
উৎপাদনের প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে
এই দুই উপাদানের দাম প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো, যা সৌদি কার্গো মূল্য
(সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য হিসেবে ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয়
করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের
জন্য ডলারের বিনিময় হার হিসাব করা হয়।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন,
১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান একই সামাজিক-রাজনৈতিক
প্রেক্ষাপট থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপট ২০২৪
সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। প্রকৃতপক্ষে,
এই দুটি গণআন্দোলনের পেছনের পরিস্থিতির মধ্যে খুব সামান্যই পার্থক্য রয়েছে।
আজ শুক্রবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে
জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে
‘নভেম্বর থেকে জুলাই : বিপ্লব থেকে বিপ্লবে’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন
তিনি।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন,
স্বাধীনতার পর একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কার্যকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতা-এই দুই ঘটনার
পটভূমি তৈরি করেছিল। স্বাধীনতার পর যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তারা দুর্নীতি
ও লুটপাটে জড়িয়ে পড়েন। এর ফলেই ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়
এবং প্রায় একই পরিস্থিতি ২০২৪ সালেও পুনরাবৃত্তি ঘটে। ১৯৭৫ সালের পর থেকেই বাংলাদেশ
একটি কার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে- যখন দেশ প্রতিষ্ঠানিক গঠন, সামরিক বাহিনীকে
শক্তিশালীকরণ এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার মতো কার্যক্রম শুরু করে, এসব বিষয়গুলো
আজও প্রাসঙ্গিক।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের
অবদানের কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান কল্যাণমুখী রাজনীতির
সূচনা করেন এবং একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো গঠনে কাজ করেন। আজও দেশ তাঁর স্থাপিত
ভিত্তির ওপর পরিচালিত হচ্ছে, যা আমাদের রাজনৈতিক ও নীতিগত আলোচনায় প্রতিফলিত হয়।
এ সময় জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক
প্রেক্ষাপট ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
সভাপতি রিফাত রশিদ। আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান
মজিবুর রহমান মঞ্জু, কবি ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহার, ড. আবদুল লতিফ মাসুম এবং
লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান।
মন্তব্য করুন


মহান
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি
গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) বাহারুল আলম।
আজ
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) অমর একুশের প্রথম প্রহরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে
পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি এই শ্রদ্ধা জানান।
এ
সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া কাটার সময় লাভলু হোসেন (৪০) নামে এক চিহ্নিত গরু চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে আটককৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দিয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য হাতিবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে গত রোববার (২৩ নভেম্বর) গভীর রাতে গরু চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতীয় সীমান্তে বেআইনিভাবে প্রবেশের চেষ্টার সময়ই তাকে হাতেনাতে ধরে তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) -এর টহলদল। আটককৃত লাভলু হোসেন হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বুড়াসারডুবি গ্রামের মৃত খলিল মিয়ার ছেলে।
বিজিবি জানায়, তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) অধীন বড়খাতা বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) -এর একটি টহলদল হাতিবান্ধা উপজেলার বুড়াসারডুবি এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালায়। এ সময় তারা ভারতীয় সীমান্তে বেআইনিভাবে তারকাঁটার সময় লাভলু হোসেনকে হাতেনাতে আটক করে। আটকের পর বিজিবি লাভলু হোসেনের কাছ থেকে গরু চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি তারকাঁটার বেড়া কাটার প্লাস (কাটার), একটি স্মার্ট ফোন এবং দুটি সিমকার্ড জব্দ করে। চোরাচালানের উদ্দেশ্যে তিনি এই বেড়া কাটছিলেন বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে।
হাতীবান্ধা থানার (ওসি) মাহমুদুন্নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিজিবি আসামিকে থানায় সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ ধারায় মামলা রুজু করে তাকে লালমনিরহাট জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের ছোট ধলিয়া গ্রামে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) গভীর রাতে একটি বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গ্রামের বাসিন্দা মাইনুদ্দিন (৪৮)–এর বাড়িতে রাতের অন্ধকারে ডাকাতদল হামলা চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্য ও পুলিশ জানায়, একটি সংঘবদ্ধ দল প্রথমে বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢোকে এবং পরে মূল দরজা খুলে আরও ১০–১২ জন সদস্য ঘরে প্রবেশ করে। তারা ঘরে থাকা ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, প্রায় দুই লাখ টাকা, একটি আইফোন এবং সিসিটিভির ডিভিআর বক্স নিয়ে যায়। ডাকাতদের উপস্থিতি দেখে গৃহবধূ আকলিমা (৩৮) চিৎকার করলে তারা রড ও রেঞ্জ দিয়ে তাকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতদের ফেলে যাওয়া একটি ধারালো দা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সামসুজ্জামান বলেন, ডাকাতির বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান যে সকালে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ডাকাতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


বিয়ে
কেবল একটি সামাজিক বন্ধন নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বিশ্বাস, রীতি ও সংস্কৃতির বহুস্তরীয়
ইতিহাস। পৃথিবীর নানা প্রান্তে বিয়েকে ঘিরে এমন কিছু প্রথা প্রচলিত আছে, যা অন্য সংস্কৃতির
মানুষের কাছে বিস্ময়কর বা অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তেমনই এক ব্যতিক্রমী বিবাহরীতি
দেখা যায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে যেখানে বিয়ের পর টানা ৭২
ঘণ্টা নবদম্পতিকে টয়লেট ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হয়।
এই
অদ্ভুত রীতিটি মূলত মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপে বসবাসকারী 'তিদোং' নৃগোষ্ঠীর
ঐতিহ্য। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী বিবাহপ্রথাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত হলেও তিদোং
জনগোষ্ঠীর কাছে এটি কোনো নিষ্ঠুর নিয়ম নয়; বরং এটি দাম্পত্য জীবনের পবিত্রতা, ধৈর্য,
পারস্পরিক বোঝাপড়া ও দীর্ঘস্থায়িত্বের প্রতীক।
তিদোংরা
একটি অস্ট্রোনেশীয় নৃগোষ্ঠী, যাদের বসবাস সাবাহ, কালিমান্তান ও আশপাশের উপকূলীয় এলাকায়।
তিদোং সমাজে বিয়ে মানে শুধু দু’জন মানুষের মিলন নয়; এটি দুই পরিবার,
কখনো কখনো গোটা সম্প্রদায়ের সম্পর্কের বন্ধন।
এই
রীতি অনুযায়ী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে নবদম্পতিকে একটি নির্দিষ্ট ঘরে রাখা হয়। সেখানে
তারা বাইরে যেতে পারে না, কোনো শারীরিক পরিশ্রম করতে পারে না এবং সবচেয়ে কঠোরভাবে মানা
হয় টয়লেট ব্যবহার। এই তিন দিনে খাবার ও পানীয়ও সীমিত পরিমাণে দেওয়া হয়, যাতে শরীরের
প্রাকৃতিক চাহিদা কমে। আত্মীয়স্বজন সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকেন, যাতে কেউ নিয়ম ভাঙতে
না পারে।
এই
কঠোর নিয়মের পেছনে রয়েছে গভীর বিশ্বাস। তিদোং সমাজে ধারণা করা হয়, বিয়ের পর প্রথম তিন
দিন এই নিয়ম মেনে চলতে পারলে দাম্পত্য জীবন হয় দীর্ঘস্থায়ী, শান্তিপূর্ণ ও কলহমুক্ত।
বিপরীতে নিয়ম ভঙ্গ করলে সংসারে অশান্তি, দুর্ভাগ্য বা বিচ্ছেদের আশঙ্কা থাকে বলে মনে
করা হয়। তাই এই তিন দিনকে অনেকেই ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য এক ধরনের পরীক্ষা হিসেবে দেখেন।
একসময়
বিয়ে ছিল পারিবারিক ও সামাজিক জোটের প্রতীক। সেই বন্ধনকে অটুট রাখতে নানা শপথমূলক আচার
চালু হয়, যা সময়ের সঙ্গে সাংস্কৃতিক রীতিতে রূপ নেয়। ৭২ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞাও সেই
ঐতিহ্যেরই অংশ।
তবে
আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর স্বাস্থ্যঝুঁকি অস্বীকার করার উপায় নেই। দীর্ঘ সময় প্রস্রাব
বা মলত্যাগ বন্ধ রাখা শরীরের জন্য ক্ষতিকর চিকিৎসাবিজ্ঞানে যা সুপ্রতিষ্ঠিত। সে কারণে
বর্তমানে অনেক তিদোং পরিবার এই রীতিকে শিথিলভাবে পালন করে।
আধুনিক
শিক্ষা, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রভাবে তিদোং সমাজেও পরিবর্তন এসেছে। নতুন
প্রজন্ম আগের মতো কঠোরভাবে এই নিয়ম অনুসরণ না করলেও এটি পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। কারণ
এই রীতি তাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়, পূর্বপুরুষের স্মৃতি ও বিয়ের উৎসবের ঐতিহ্যবাহী আবহের
সঙ্গে এখনো অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে।
মন্তব্য করুন


রোববার (১৪ জুলাই) জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ থেকে প্রত্যয় স্কিম নিয়ে দেওয়া এক
নির্দেশনায় জানানো হয়েছে , সরকারি কর্মচারীদের মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব স্ব-শাসিত,
স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ও তার অঙ্গসংগঠনের কর্মচারীরা নতুন কর্মচারী হিসেবে ১
জুলাই ২০২৫ সাল বা তার পরবর্তীসময়ে চাকরিতে যোগদান করবেন ,তারা বাধ্যতামূলকভাবে সর্বজনীন
পেনশন স্কিমের আওতায় আসবেন।
সরকার এ মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব স্ব-শাসিত,
স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ও তার অঙ্গসংগঠনের প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মচারীরাও সরকারি
কর্মচারীদের মতো যারা নতুন কর্মচারী হিসেবে ১ জুলাই ২০২৫ সাল বা তৎপরবর্তী সময়ে চাকরিতে
যোগদান করবেন তারা বাধ্যতামূলকভাবে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আসবেন।
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের সর্বস্তরের জনগণকে একটি টেকসই পেনশন
ব্যবস্থায় আনার লক্ষ্যে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩ এর আওতায় গত ১৭ আগস্ট
২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন স্কিমের উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন