

চুয়াডাঙ্গায় এক স্কুল শিক্ষকের অকাল মৃত্যুতে শোক সইতে না পেরে রেললাইনে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তার বৃদ্ধা মা। রাজশাহী থেকে খুলনাগামী সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনের কাছাকাছি ছুটে গেলেও ট্রেন চালকের দক্ষতা এবং স্থানীয় জনগণের দ্রুত প্রচেষ্টায় এ যাত্রায় তিনি রক্ষা পান।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের হাজরাহাটি এলাকার মৃত সালেহারের ছেলে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। যিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে স্ট্রোকজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যু সংবাদ শুনেই মা ছকিনা খাতুন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং শোকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি ছুটে যান চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশনের পাশে ফার্মপাড়া রেলগেটের কাছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাগরদাঁড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনটি যখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসছিল, ঠিক তখনই ছকিনা খাতুন রেললাইনের দিকে যেতে শুরু করেন। ওই মুহূর্তে কর্তব্যরত ট্রেনচালক পরিস্থিতি দ্রুত আঁচ করতে পেরে দক্ষতার সঙ্গে জরুরি ব্রেক করে ট্রেনটি থামিয়ে দেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় এলাকাবাসী এবং লোকজন দ্রুত ছুটে গিয়ে তাকে রেললাইন থেকে নিরাপদে উদ্ধার করেন। বর্তমানে বৃদ্ধা ছকিনা খাতুনকে স্থানীয়ভাবে দেখভাল করা হচ্ছে। শোকের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার জন্য পরিবারের সদস্যরা তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) উপপরিদর্শক “ জগদ্বীশ কুমার” বলেন, শুনেছি ওই বৃদ্ধা নারীর সন্তান মারা গেছেন। শোকে তিনি সুইসাইড করতে রেললাইনে আসছিলেন। সকাল সোয়া ৯টার দিকে ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গা স্টেশন ছেড়ে গেলে রেললাইনে মাথা দেওয়া এক নারীকে ড্রাইভার দেখতে পায়। তখন ট্রেনের গতি ধীরে ছিল। এ জন্য ট্রেনটি থামিয়ে দেন ড্রাইভার। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেন। তবে এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
মন্তব্য করুন


সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয়
উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
আজ রবিবার (৭ জুলাই) আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের
দ্বিতীয়া তিথিতে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) কুমিল্লা জগন্নাথপুর শ্রী শ্রী
জগন্নাথ দেবের মন্দির ও নগরী ঠাকুরপাড়া রামকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরের যৌথ আয়োজনে শ্রী
শ্রী জগন্নাথপুর মন্দিরে সকাল ৭টা হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের পূজা ও দর্শন
আরতী, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোম যজ্ঞ, ভজন কীর্তন, বাউল সংগীত ও পদাবলী কীর্তন
এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ ও দুপুর ২টায় ধর্মসভা শেষে ভক্ত সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
পৃথক পৃথক রথারোহণ, শুভ আরতি ও মহা হরিনাম সংকীর্তন সহযোগে জগন্নাথ মন্দির হতে চকবাজার-রাজগঞ্জ-কান্দিরপাড়
হয়ে ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির এসে শেষ হয় বর্ণাঢ্য শুভ রথযাত্রা।
ওই শোভাযাত্রায় লাখো পূণ্যার্থী ও ভক্তের সমাগম ঘটে। এতে সকল ধর্মের মানুষের উপস্থিতি
ছিলো চোখে পড়ার মতো। এরপর সন্ধ্যায় গুন্ডিচা মন্দিরে সন্ধ্যারতি কীর্তন ও ভজন কীর্তন
এবং রাত ৮টায় ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ লীলামৃত
ও মহাপ্রসাদ বিতরণ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, জগন্নাথদেব
হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগৎ হচ্ছে বিশ্ব আর নাথ হচ্ছেন ঈশ্বর। তাই জগন্নাথ হচ্ছেন
জগতের ঈশ্বর। তার অনুগ্রহ পেলে মানুষের মুক্তিলাভ হয়। জীবরূপে তাকে আর জন্ম নিতে হয়
না। এই বিশ্বাস থেকেই রথের ওপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমূর্তি রেখে রথ নিয়ে যাত্রা করেন
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
আজ কুমিল্লা জগন্নাথ মন্দিরে বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মধ্য দিয়ে রথযাত্রা উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দুপুর দুইটায় ধর্ম সভা শেষে সাড়ে ৪টায় বেলুন উড়িয়ে রথযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম । এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা-৭ সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।
রথযাত্রা মহোৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম
বলেন- অসম্প্রদায়িক দেশ গড়তেই বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল দেশের
হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকল ধর্ম জাতির মানুষ সম্মিলিতভাবে স্বপ্নের সোনার বাংলা
বিনির্মাণ করবে। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫আগস্ট নির্মমভাবে বঙ্গবন্ধুকে হত্য্যা করে এই
স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করতে চেয়েছিল স্বাধীনতাবিরোধী চক্র৷ পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিলো
ধর্মীয় বিভাজনের ভিত্তিতে৷ এই বিভাজন আমরা মানতে পারিনি বলে পরবর্তীতে অসম্প্রদায়িক
চেতনাকে বুকে ধারণ করে দেশ স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশে তাই কোন ধর্মীয় বৈষম্য থাকবে না৷
শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের সভাপতি
শ্রীমান সুদর্শন দাশ ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে ধর্মসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা
পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার
মু. মুশফিকুর রহমানসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লা সদর উপজেলার জগন্নাথপুরের শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের মন্দির হতে রথযাত্রার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে শ্রী জগন্নাথদেব, বলদেব ও শুভদ্রাদেবের ৩টি পৃথক রথারোহনের মাধ্যমে মাসির বাড়ি পাথুরিয়া পাড়া আগমন করেন। সেখান তিনি প্রায় আটদিন অবস্থান করার পর পুনরায় উল্টো রথে নিজ বাড়ীতে ফিরে যাবেন। প্রতি বছর হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমাগম ঘটে থাকে রথযাত্রা উৎসবে।
এদিকে, আগামী ১৪ জুলাই রবিবার (উল্টো
রথযাত্রা) গুন্ডিচা মন্দিরে সকাল ৭টা হতে যথাক্রমে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেব এর পূজা ও
দর্শন আরতি, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, ভজন কীর্তন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ এবং
দুপুর ২টায় ধর্মসভা শেষে ভক্ত সমাবেশ ও পৃথক পৃথক রথারোহণ, শুভ আরতি ও মহাহরিনাম সংকীর্তন
সহযোগে ঠাকুরপাড়া শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির হতে কান্দিরপাড়, রাজগঞ্জ ও
চকবাজার হয়ে জগন্নাথপুর মন্দির পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা'র মধ্যদিয়ে শেষ হবে রথযাত্রা
মহোৎসব।
মন্তব্য করুন


কবরস্থান থেকে ভেসে আসছিল
নবজাতকের কান্নার আওয়াজ। কিন্তু কাছে যেতে ভয় পাচ্ছিলেন অনেকে। এসময় এগিয়ে যান তাহমিনা
নামের এক স্কুলশিক্ষিকা।
আজ সোমবার (১১ নভেম্বর) সকালে
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঘিলাছড়া ইউনিয়নের নিজ ঘিলাছড়া গ্রামের কবরস্থান থেকে নবজাতকটিকে
উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, কবরস্থান
থেকে নবজাতক উদ্ধারের খবরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটিকে একনজর দেখতে ভিড়
করেন উৎসুক জনতা। পরে নবজাতকটিকে শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
নিয়ে আসেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা
ডা. রাশেদুল হক বলেন, শিশুটির বয়স মাত্র একদিন হবে। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শিশুটি সুস্থ আছে। শিশু উদ্ধারের বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা অফিসকে অবগত করা হয়েছে।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা
জনি রঞ্জন দেব বলেন, হাসপাতালে শিশুটি ভর্তি আছে। তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও খাবারের
ব্যবস্থা করা হয়েছে। মা-বাবার সন্ধান পাওয়া না গেলে সমাজসেবা অফিস থেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত
নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সাইদুর রহমান, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর সহকারী পরিচালক
ডাঃ নিশাত সুলতানা কে উপ-পরিচালক হিসাবে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়াধীন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশ এবং মহামান্য
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ফিডার পদে অভিজ্ঞতার শর্ত প্রমার্জনের পরিপ্রেক্ষিতে বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ক্যাডারের নিম্নোক্ত ৪৪ জন কর্মকর্তাকে উপ-পরিচালক/সমমান পদে পদোন্নতি প্রদান সম্পর্কে
এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উক্ত পদোন্নতি পেয়ে ডাঃ নিশাত সুলতানা কুমিল্লা
টুয়েন্টিফোর টেলিভিশনকে জানান - পদোন্নতি পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের
মুহূর্ত। এটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয় বরং আমার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের
স্বীকৃতি। এই অর্জন আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে
এবং প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নিতে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে
নিয়ে তার পরবর্তী পরিকল্পনা - আমার মূল লক্ষ্য হলো হাসপাতালের
সেবার মান আরও উন্নত করা এবং রোগীসেবাকে আরও মানবিক ও দক্ষ করা। এজন্য আমি কয়েকটি দিককে
অগ্রাধিকার দিতে চাই —
চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন: আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় আরও নির্ভুলতা আনা।
মানবিক সেবা: চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের মধ্যে সহানুভূতি
ও নৈতিকতা জাগ্রত করে রোগীদের প্রতি যত্নশীল মনোভাব বৃদ্ধি করা।
গবেষণা ও শিক্ষা: চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের
বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ বাড়ানো।
পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা: হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
রাখা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেবা সহজলভ্য করা।
কমিউনিটি সংযোগ: সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য
সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা।
আমার বিশ্বাস, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে
আমাদের হাসপাতাল একটি আদর্শ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকা হতে ২৪ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৬ নভেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২৪ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলোঃ ১। গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার গেড়াখোলা গ্রামের আব্দুল মান্নান মোল্লা এর ছেলে মোঃ মিলন মোল্লা (৩২) ২। ময়মনসিংহ জেলার কোতয়ালী থানার চরসত্তরপুর গ্রামের মোঃ চাঁন মিয়া এর ছেলে মোঃ শিমুল হোসেন (২৭)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে গোপালগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নগরীর বাদুরতলা এলাকা থেকে সেনাবাহিনীর অভিযানে পিকআপ ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তিকে
আটক করা হয়েছে।
জানা
যায়, গত ১ মে ২০২৫ তারিখে দেবিদ্বার এলাকা থেকে চট্ট মেট্রো-ন ১২-০৫০১ নম্বরের একটি
পিকআপ ছিনতাই হয়। পরে ছিনতাইকারী মোঃ সম্রাট মালিকের কাছ থেকে গাড়ি ফেরত দেওয়ার
আশ্বাস দিয়ে ১ লাখ টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে মালিককে পুনরায় ৫০,০০০
টাকা নিয়ে কুমিল্লায় আসতে বলা হয়। পিকআপের মালিক আলাউদ্দিন চট্টগ্রামের পাহাড়তলী
এলাকার বাসিন্দা।
সেনাবাহিনীর
টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে বাদুরতলা এলাকা থেকে ছিনতাইকারী
মোঃ সম্রাটকে আটক করে।
আটককৃত
ছিনতাইকারী হলেন- কুমিল্লা চান্দিনার মহিচাইল গ্রামের মোখলেসুর রহমান এর ছেলে মোঃ সম্রাট
(২০)।
সম্রাটকে
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


আজ রবিবার (৬ জুলাই) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল
থানাধীন জীবন্তপুর (মিস্ত্রী পুকুরপাড়) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে নাজমুল
হাসান (৩৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।
এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী নাজমুল হাসান (৩৮) কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দিশাবন্দ পশ্চিমপাড়া গ্রামের খোরশেদ আলম এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ইজিবাইক
ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে
কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে
উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর
অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নগরীর কাটাবিল এলাকার দুই ভাইয়ের এক ব্যাতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুন্নতে খতনা
অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার
রাতে কাটাবিল এলাকার মো: রুবেল গাজির ২ ছেলে আব্দুল্লাহ গাজী ( ৯) এবং আব্দুর রহমান
গাজী ( ৭) এর সুন্নতে খতনা অনুষ্ঠান পালন করা হয়।
রুবেল
গাজীর ২ ছেলের সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে সাউণ্ড বক্স দিয়ে উচ্চ শব্দে গান বাজনা, নাচানাচি,
গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান না করে কোরআন তেলাওয়াত, গজল – ক্বাসিদা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
করে এলাকাবাসীকে নিয়ে ছেলেদের সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠান পালন করেন।
সোমবার
(১৫ জানুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই এলাকার বাসিন্দা কাটাবিল জামে মসজিদ
কমিটির সহ-সভাপতি আহমেদ জোরফান বেলাল।
আহমেদ
জোরফান বেলাল জানান, কুমিল্লা নগরীর প্রায় সব এলাকায় বিয়ে, সুন্নতে খতনা এবং জন্মদিনের
অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে গান বাজনা করা, ডিজে পার্টি করা এবং নাচানাচি করার প্রবণতা দেখা
যায়। সেখানে কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল
এবং গজল দিয়ে সুন্নতে খাৎনার অনুষ্ঠান করা
এখন এ সমাজে বিরল।
মো:
রুবেল গাজী বলেন, আমার সন্তানদের সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে সাউণ্ড বক্সে উচ্চ শব্দে
গান বাজনা ডিজে অনুষ্ঠান এজন্য করিনি কারণ সুন্নতে খতনা আমাদের নবীজীর একটি সুন্নত
তাই এখানে সুন্নত বিরোধী কাজ না করে মিলাদ মাহফিল ও গজলের অনুষ্ঠান এলাকা বাসীকে নিয়ে
একসাথে পালন করেছি। শুক্রবারে আমাদের মসজিদের
ইমাম সাহেব খুৎবাতে বিয়ে, জন্মদিন, সুন্নতে খাৎনায় ডিজে পার্টির মত শরিয়ত বিরোধী কাজ না করে কোরআন তেলাওয়াত, গজল ও মিলাদ মাহফিলের
মাধ্যমে আয়োজন করার জন্য বলেন। ইমাম সাহেবের সে বক্তব্য থেকে আমি অনুপ্রানিত হয়ে এমন
অনুষ্ঠান করেছি।
কাটাবিল
জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা হাফেজ বাইজিদ রাজা রজবি আলক্বাদেরী বলেন, আমি শুক্রবারের
বাংলা খুৎবাতে জন্মদিন, বিয়ের অনুষ্ঠান এবং সুন্নতে খাৎনার অনুষ্ঠানে শরিয়ত বিরোধী
উচ্চ শব্দে গানবাজনা এবং ডিজে পার্টি না করার জন্য কোরআন হাদিস ও ইসলামী শরীয়তের আলোকে বক্তব্য রেখেছি। আমার এ আহবানে সাড়া দিয়ে রুবেল গাজী তার নিজের ২
ছেলের অনুষ্ঠানে এরকম ব্যাতিক্রম অনুষ্ঠান করেছেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত র্যাব কর্মকর্তা মো. মোতালেব হোসেনের কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে এখন শুধু শোকের মাতম। কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী এখনো বিশ্বাস করতে পারছেন না যে মানুষটি হাসিমুখে গ্রামের সবার সঙ্গে সময় কাটিয়ে গত শনিবার কর্মস্থলে ফিরে গেছেন, আজ তিনি ফিরছেন লাশ হয়ে।
অলিপুর গ্রামের প্রয়াত আবদুল খালেক ভূঁইয়ার ১১ সন্তানের মধ্যে সবার ছোট মোতালেব হোসেন। শিক্ষাজীবন শেষে চাকরিতে যোগ দিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন তিনি। স্ত্রী শামসুন্নাহার, বড় ছেলে মো. সাকিব, মেয়ে শামিমা জান্নাত ও ছোট মেয়ে মুনতাহাকে নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। বড় ছেলে সাকিব কলেজে পড়ে, মেয়ে শামিমা জান্নাত এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং ছোট মেয়ে মুনতাহা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটাতে গত শুক্রবার ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন মোতালেব হোসেন। বাড়িতে এলে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকার মানুষের সঙ্গে আন্তরিকভাবে সময় কাটান তিনি। গ্রামের মসজিদ, বাড়ির উঠান কিংবা পাশের বাড়িগুলোতে গিয়ে সবার খোঁজখবর নিতেন তিনি। ছুটি শেষে শনিবার কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারান এই র্যাব কর্মকর্তা। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার ও গ্রামে নেমেছে গভীর শোকের ছায়া। কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী শামসুন্নাহার, সন্তান ও স্বজনেরা। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, বাড়ি ছাড়ার সময় মোতালেবের ছোট মেয়ে বারবার বাবাকে যেতে মানা করছিল। বড় মেয়ে শামিমা জান্নাতও চাইছিল, বাবা আরও কয়েক দিন বাড়িতে থাকুন। অনেক বুঝিয়ে সন্তানদের রেখে দায়িত্বে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বিদায়ই যে শেষ বিদায় হবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।
নিহতের বড় ভাই মো. জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমার আট ভাইয়ের মধ্যে মোতালেব সবার ছোট। লেখাপড়া শেষ করে সে চাকরিতে যোগ দেয়। ছুটিতে বাড়িতে এলে এলাকার সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকত। শুক্রবার বাড়িতে এসেছিল, শনিবার দুপুরে বের হওয়ার সময় তার মেয়ে বারবার আটকাতে চেয়েছিল। অনেক বুঝিয়ে সে চাকরিতে যায়। তার সৎ চাকরির কারণে তেমন কিছুই করতে পারেনি। ধারদেনা করে বাড়ির কাজ ধরেছিল। কিন্তু শেষ করে যেতে পারল না। আমরা আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
নিহতের বোন আনজুম আরা বেগম মুন্নি বলেন, ‘আমার ভাই একজন দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন। পরিবার আর সন্তানের চেয়েও দায়িত্ব ও দেশকে বেশি গুরুত্ব দিতেন। শেষবার যখন বাড়িতে এসেছিল, তখন সন্তানেরা যেন অজানা আশঙ্কায় বারবার তাকে যেতে নিষেধ করছিল। আরও কিছুদিন ছুটি নিয়ে বাড়িতে থাকার অনুরোধ করেছিল। এত অনুরোধের পরও সে চাকরিতে ফিরে গিয়েছিল, আর সেখানেই হত্যার শিকার হলো। আমরা এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমরা আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।’
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে জানাজা শেষে নিজ বাড়ির সামনের মসজিদের পাশেই মোতালেব হোসেনকে দাফন করা হবে।
কালিরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘মোতালেব হোসেন ছিলেন অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। তাঁর এমন মৃত্যু শুধু পরিবারের নয়, পুরো এলাকার জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে কীভাবে বা কখন তাদের মৃত্যু হয়েছে—সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (২ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড্ডা থানার ওসি হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ওসি জানান, উত্তর বাড্ডার পূর্বাঞ্চল এলাকার ৩ নম্বর রোডের ২ নম্বর গলির একটি বাসা থেকে দম্পতির লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃতরা হলেন সাইফুল ইসলাম (৩০) ও তার স্ত্রী শাকিলা। সাইফুল ওই ভবনের দারোয়ান হিসেবে কাজ করতেন এবং শাকিলা একই বাসায় রান্নার কাজ করতেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ২৫ অক্টোবরের পর কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হতে পারে।
স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে আশপাশের লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বাড্ডা থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মাদক কারবারি রুবেল বেপারী (৩৭) ও মিরাজুল ইসলাম (৪২)। দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি চালানোর আড়ালে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকের বড় চালান নিয়ে বিক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিত।
আজ , সোমবার (১৩ অক্টোবর) ভোরে মিরসরাই থানা পুলিশ মহাসড়কের বড়তাকিয়া এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করে ( ১০,০০০ ) পিস ইয়াবাসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয় । গ্রেপ্তার রুবেল বেপারী ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানার চন্দীপুর এলাকার বকু বেপারীর ছেলে ও মিরাজুল ইসলাম (৪২) ঢাকার মুগদা থানাধীন মান্ডা এলাকার আবু বকর মোল্লার ছেলে৷ রুবেল রিল্যাক্স কুং এসি এয়ারকন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের চালক ও মিরাজ সহকারী ছিলেন।
মিরসরাই থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৩ অক্টোবর) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বড়তাকিয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় চেকপোস্টের দিকে আসা রিল্যাক্স কুং এসি এয়ারকন যাত্রীবাহী বাসটি সংকেত দিয়ে থামানো হয়। বাসটি তল্লাশি করে ড্রাইভারের সিটের পাশে বক্সের ভেতরে লুকিয়ে রাখা দুটি প্যাকেট থেকে ( ১০,০০০) পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
মিরসরাই থানার (ওসি) “আতিকুর রহমান” বলেন, ‘রিল্যাক্স কুং এসি এয়ারকন’ নামে একটি বাসের চালক রুবেল বেপারী ও সহকারী মিরাজুল ইসলামকে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ লাখ টাকা। মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত বাসটি জব্দ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, চালক রুবেল ও সহকারী মিরাজ দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি চালানোর আড়ালে অতিরিক্ত টাকার আশায় মাদক ব্যবসা করে আসছিল। ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের শেষে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে৷
মন্তব্য করুন