

দেশে
ফেরার পর সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি
ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার
(২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১টা ৫০ মিনিটের দিকে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ পোস্টটি প্রকাশ
করা হয়।
পোস্টে
তারেক রহমান দেশে ফেরার সময় পাওয়া শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও সহযোগিতার জন্য সর্বস্তরের
মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ফেসবুক
পোস্টটি প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে
পড়ে। নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মন্তব্য ও শেয়ার দিয়ে তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
দলীয়
সূত্র জানায়, তারেক রহমানের এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশকে দেশে ফেরার পর তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক
প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আগামী
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং একই দিন বিকেলে
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আইন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয়
সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হবে।
আসিফ
নজরুল বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এই শপথ পরিচালনা
করবেন বলে তিনি ধারণা করেন।’ তবে বিষয়টি নিশ্চিত করে পরে জানানো
হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইন
উপদেষ্টা বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পরপরই সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুুর ১২টার
মধ্যে বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে।’
আইন
উপদেষ্টা জানান, ঐতিহ্যগতভাবে বঙ্গভবনে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হলেও এবার তা জাতীয়
সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় (সাউথ প্লাজা) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি এই অভিপ্রায়
ব্যক্ত করেছে।’
আইন
উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি, রাষ্ট্রপতি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ
বাক্য পাঠ করাবেন।
মন্ত্রিসভার
শপথের জন্য দক্ষিণ প্লাজাকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান এবং জুলাই ঘোষণা ও জুলাই সনদের মতো ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর সাথে
সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ও দক্ষিণ প্লাজা বিভিন্ন কারণে স্মরণীয়।’
এ
ছাড়া প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ ওসমান হাদির জানাজাসহ নানা কারণে স্মৃতিবিজড়িত
এই স্থানটি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এসব বিষয় বিবেচনা
করেই সেখানে হয়তো শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
শপথ
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিষয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘কনভেনশন অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগ আমন্ত্রণের বিষয়টি দেখছে।
তবে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ
জানানো হয়েছে। কিন্তু বিদেশি কোনো প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত কি না, সে বিষয়ে আমার জানা
নেই।’
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সোমবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এ সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। ড. ইউনূস গত ৮ আগস্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জ্যাক সুলিভান বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং রাজনৈতিক, নির্বাচন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার উদ্যোগের জন্য অধ্যাপক ড. ইউনূসের প্রশংসা করেন।
এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করায় অধ্যাপক ইউনুসকে ধন্যবাদ জানান তিনি এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অব্যাহত মার্কিন সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন।
ফোনালাপের সময় তারা বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বাংলাদেশে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা কাটিয়ে উঠতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সুলিভান অধ্যাপক ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য মার্কিন সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক সফরের সময় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, আগামী জানুয়ারির মধ্যে ছয়টি প্রধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট পাওয়ার প্রত্যাশা করছি। এরপর সংস্কার ও নির্বাচনের জন্য জাতিকে প্রস্তুত করতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ভারত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১০টি সমঝোতা স্মারক ও নথি
সই করেছে ।
শনিবার (২২ জুন) দুপুরে নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
মোদীর সঙ্গে একান্ত ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে তাদের উপস্থিতিতে এসব সমঝোতা স্মারক সই
হয়।
এর মধ্যে পাঁচটি নতুন সমঝোতা স্মারক সই, তিন সমঝোতা স্মারক নবায়ন এবং ভবিষ্যৎ কাজের ক্ষেত্র হিসেবে যৌথ কার্যক্রমের দুটি নথিতে সই করে উভয় দেশ।
‘ডিজিটাল অংশীদারত্ব’ এবং ‘টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সবুজ অংশীদারত্ব’ বিষয়ক দুটি সমন্বিত রূপকল্পকে সামনে রেখে কাজ করবে ভারত এবং বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দুই যৌথ কার্যক্রমের নথি সই করে বাংলাদেশ।
এ দুটি হলো—বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল অংশীদারত্বের বিষয়ে অভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা এবং
টেকসই ভবিষ্যতের জন্য বাংলাদেশ-ভারত সবুজ অংশীদারত্বের বিষয়ে অভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা বিষয়ক
নথি সই।
নতুন পাঁচটি সমঝোতা স্মারক হলো—বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সুনীল অর্থনীতি ও
সমুদ্র সহযোগিতার বিষয়ে দুদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক; ভারত মহাসাগরের ওশানোগ্রাফির
ওপর যৌথ গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে বাংলাদেশের বিওআরআই ও ভারতের সিএসআইআরের মধ্যে
সমঝোতা স্মারক; বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগের ওপর সমঝোতা স্মারক; যৌথ ছোট
স্যাটেলাইট প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি
মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভারতের ন্যাশনাল স্পেস প্রোমোশন অ্যান্ড অথোরাইজেশন সেন্টারের মধ্যে
সমঝোতা স্মারক এবং ডিফেন্স স্টাফ কলেজের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক।
নবায়নকৃত তিন সমঝোতা স্মারক হলো—মৎস্যসম্পদ সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক; দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক এবং স্বাস্থ্য ও ওষুধ খাতে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা
স্মারক।
এর আগে সকাল ৯টায় রাষ্ট্রপতি ভবনে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তাকে স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মোটর বহরকে পাহারা দিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের গেট থেকে ফোরকোর্টে নিয়ে যায়।
এরপর এখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার
দেওয়া হয়। এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। সশস্ত্র সালাম গ্রহণের
পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গার্ড অব অনার পরিদর্শন করেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লাইন অব
প্রেজেন্টেশনে দুদেশের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের
পরিচয় করিয়ে দেন।
রাষ্ট্রপতি ভবনের এ কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের জাতির পিতা
মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজঘাট যান। সেখানে তিনি মহাত্মা গান্ধীর সমাধিসৌধে
পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে শেখ হাসিনা হায়দ্রাবাদ হাউসে যান। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
মোদীর সঙ্গে একান্ত ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্ধারণের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা
তারেক রহমান-কে দিয়েছে সরকারি সংসদীয় দল। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবন-এর এলডি হলে আয়োজিত
সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
এর
আগে সংসদের সরকারি দলের সভাকক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সংসদীয় দলের
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদ নেতা তারেক রহমান।
সংবাদ
সম্মেলনে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, “স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের জন্য আমরা সংসদ
নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছি। তিনিই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। আশা করছি আগামীকালই বিষয়টি
জানা যাবে। সংসদ উপনেতার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী।”
তিনি
জানান, সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। সংসদে এমপিরা
কীভাবে আচরণ করবেন এবং কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
চিফ
হুইপ বলেন, যেহেতু বর্তমানে সংসদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নেই, তাই প্রথমে খালি চেয়ার
দিয়ে অধিবেশন শুরু হবে। পরে সংসদ নেতা জ্যেষ্ঠ কোনো নেতাকে সভার সভাপতিত্বের জন্য প্রস্তাব
করবেন, অন্য একজন তা সমর্থন করবেন এবং তার সভাপতিত্বেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের
প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
তিনি
আরও জানান, ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার জন্য এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-কে প্রস্তাব
দেওয়া হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে এখনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে জানান
চিফ হুইপ। তিনি বলেন, এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সব দলের সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ
কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি নির্ধারণ করবে কোন অধ্যাদেশ বহাল থাকবে এবং কোনগুলো বাতিল
হবে।
নূরুল
ইসলাম মনি জানান, প্রথম দিনের অধিবেশনে কার্য উপদেষ্টা কমিটি, প্রিভিলেজ কমিটি ও হাউস
কমিটি গঠন করা হবে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষে অধিবেশন মুলতবি করা হবে। ডেপুটি স্পিকার
নির্বাচনের পর পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী গঠন করা হবে।
তিনি
বলেন, শোকপ্রস্তাবের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-সহ দেশি-বিদেশি বরেণ্য
ব্যক্তিদের স্মরণ করা হবে। এছাড়া জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের সম্পর্কেও আলোচনা থাকবে।
সংবাদ
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকার দলীয় হুইপ জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন
আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এবং এ.বি.এম
আশরাফ উদ্দিন (নিজাম)।
মন্তব্য করুন


১১ দিনের সরকারি সফরে আজ মঙ্গলবার
(১৫ অক্টোবর) ঢাকা ছেড়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান । এ সময় তিনি
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর করবেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)-এর
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
সফরকালে তিনি জাতিসংঘ সদর দফতর, যুক্তরাষ্ট্র
ও কানাডার উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে অংশ নেবেন ও পারস্পারিক
সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করবেন।
বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন সংক্রান্ত
বিষয়ে আলোচনা, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং ভবিষ্যত
কর্মপন্থা নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
আইএসপিআর জানায়, সেনা প্রধান আগামী
২৫ অক্টোবর দেশে ফিরবেন।
মন্তব্য করুন


ইরানসহ
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জানমালের
নিরাপত্তা ও সার্বিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
রবিবার ( ০১ মার্চ ) সকালে সচিবালয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা কী অবস্থায় আছেন এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাদের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এদিকে
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ
যাত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের
সার্বিক দেখভালের বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন।
অতিরিক্ত
প্রেসসচিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিমানমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সরাসরি
কাজ করছেন। বিমান প্রতিমন্ত্রী সকাল থেকেই বিমানবন্দরে অবস্থান করে যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা
তদারকি করছেন এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীও এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর দুর্গাপূজা আয়োজনের সার্বিক
প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জে রামকৃষ্ণ
মিশন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা নারায়ণগঞ্জে পূজা উৎসব আয়োজনের জন্য ৩২
লাখ টাকা এবং প্রতিটি মণ্ডপে পাঁচশ কেজি চাউল দেয়া হয়েছে বলে জানান।
তিনি বলেন,
এখানে পূজামণ্ডপকে ঘিরে নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা রাখা হয়েছে। ২৪ তারিখ
থেকে আনসার সদস্যরা থাকবে এবং তাদের সাথে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য,
পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও থাকবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সারাদেশে ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপ রয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে
পূজা উদযাপন কমিটির ৭জন, ৮জন আনসার এবং পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা থাকবে।
এছাড়া মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৮০ হাজার ভলেন্টিয়ার থাকবে।
মন্তব্য করুন


হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ
রোববার ( ২২ ফেব্রুয়ারি ) সচিবালয়ে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে ।
মন্তব্য করুন


আজ (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগরসহ সারা
দেশে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক নকল ও ভেজাল পণ্যের উপর তদারকিসহ
বন্যার ত্রাণসামগ্রী (মুড়ি, চিরা, গুড় ইত্যাদি) ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল
ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
উল্লেখ্য, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাতে
অধিদপ্তরের ৬ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৬ টি টিম কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর বনানী বাজার, কল্যাণপুর,
কলাবাগান ও মোহাম্মদপুর টাউনহল এলাকায় বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
আজ দেশের ৫২টি জেলায় অধিদপ্তরের ৫৭টি
টিম কর্তৃক পরিচালিত এ অভিযানে ১১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৬,২১,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানান, ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অধিদপ্তরের এসকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকার যে ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে-বিচার ও সংস্কার দৃশ্যমান করার মধ্য দিয়ে তাদের
নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। এজন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন অন্তর্বর্তী সরকার
ততটুকু সময় পেতে পারে।
আজ
শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিরতিতে এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমন কথা বলেন।
আখতার
হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে বিচার ও সংস্কারের দৃশ্যমান রোডম্যাপ সরকারকে উপস্থাপন
করতে হবে। আমরা নির্বাচন প্রলম্বিত করার পক্ষে নয়, তবে তার আগে বিচার এবং সংস্কারকে
যেন অবশ্যই দৃশ্যমান করা হয়। সে ব্যাপারে আমরা জোরালো বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। আমরা
এখন পর্যন্ত সংবিধানের বিষয়ে আলোচনা করেছি। এখন পর্যন্ত বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন,
জনপ্রশাসন, দুদক এবং পুলিশ সংস্কার কমিশনের মতো বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারিনি। তবে
পুলিশ সংস্কার কমিশিনের রিপোর্ট কেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি সে বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন
করেছি। আমাদের মতামতগুলো জানাতে চেয়েছি।
বর্তমান সংবিধানের অধীনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত সম্ভব
নয় উল্লেখ সম্ভব নয় উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে একচ্ছত্র
ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সাংবিধানিকভাবেই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ
তৈরি হয়েছে। আমরা ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা বলেছি এবং সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের কথা
আমরা বলেছি। কীভাবে নতুন একটি সংবিধান পুনর্লিখন করা যায়। গণপরিষদ নির্বাচনের বাস্তবতা
নিয়ে আমরা কথা বলেছি।
এনসিপি’র
দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬টি বিষয়ের মধ্যে
১২৯টি বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। যেসব বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি সেসব বিষয়ে আমাদের অবজারভেশন
রয়েছে। এসব বিষয়ে সংযোজন, বিয়োজনের নোট আমরা ঐকমত্য কমিশনে দিয়েছি। আমরা মূলত এখন পর্যন্ত
তিনটি বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথমত, প্রটেকশন অব সিটিজেন (নাগরিকদের নিরাপত্তা)। আমরা দেখেছি,
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রে নাগরিকদের নিরঙ্কুশ অধিকার কখনো স্বীকৃত হয়নি। সেসব
বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কথা বলেছি।
দ্বিতীয়ত,
আমরা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে কথা বলেছি। আমরা প্রতিনিয়ত দেখেছি, যখনই ক্ষমতা
হস্তান্তরের একটি সময় এসেছে তখনই দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। একটা সরকার
থেকে অন্য সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর কীভাবে হবে এই বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা
হচ্ছে।
তৃতীয়ত,
সংসদের স্থিতিশীলতার নামে আর্টিকেল ১৭ দিয়ে আমাদের কন্ঠ রোধ করে রাখা হয়েছে- এ বিষয়ে
কথা হয়েছে। আমাদের সংসদকে আরো বেশি কীভাবে কার্যকর করা যায় ওই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কথা
হয়েছে।
উক্ত বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
এনসিপি’র
পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক
সরোয়ার তুষার, জ্যেষ্ট যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী,
মুখ্য সংগঠক (দাক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।
মন্তব্য করুন