

সিটি
করপোরেশনসমূহের প্রত্যেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে পাঁচ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান। দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের প্রত্যেক কর্মীকে এ টাকা প্রদান করা হয়। রবিবার
(১৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদ সচিবালয়ে নিজ কক্ষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের
মেয়র ও অন্যান্য সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের হাতে চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ
সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী
মীর শাহে আলম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ অন্যান্য সিটি
করপোরেশনসমূহের প্রশাসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের
প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতা জানিয়ে এ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। দেশের শহরগুলোকে
পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের
এই নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
তিনি
আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার তাদের পরিবারে ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলবে।
পাশাপাশি
নগর সেবায় নিয়োজিত সকল কর্মীর কল্যাণে সরকার ভবিষ্যতেও বিভিন্ন মানবিক ও কল্যাণমূলক
উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকার গত ১০০ দিনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৮৬ হাজার ২৭৭ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে বলে জানান যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী।
রোববার (১৭ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ১০০ দিনের কার্যক্রমের অগ্রগতি সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সচিব।
এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আগে তিনি একইসঙ্গে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। পরে গত ১০ নভেম্বর তিনি শ্রম মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী জানায়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের সরকারি-বেসরকারি কর্মে নিয়োজিত করা এবং আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে দুই লাখ ৬৪ হাজার ৮০ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিগত ১০০ দিনে ১৯ হাজার ৪৫২ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে ৫২ হাজার ১১৫ জন প্রশিক্ষণরত।
যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, বিগত ১০০ দিনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বিপিএসসি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় রাজস্ব ও প্রকল্প খাতে নতুন ৮৬ হাজার ২৭৭ জনের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর মধ্যে রাজস্ব খাতে দুই হাজার ৪৬৮ জন এবং প্রকল্প খাতে (আত্মকর্মী ও উদ্যোক্তা) ৮৩ হাজার ৮০৯ জন। দুই বছরে সরকারিভাবে পাঁচ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সচেতনতাবিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সে মোট সাতটি ব্যাচে দুই হাজার ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক পুলিশ হিসেবে ২৩১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অবশিষ্ট নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
বলেছেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা শুধু বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারাবিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত
মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উৎস।
‘ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস’ উপলক্ষে
এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা দাবি
থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান
মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন,
৭ জুন ‘ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস’। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
একটি অনন্য মাইলফলক। ৬ দফার মাধ্যমেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির
রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তির দাবি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
তিনি এই মহান দিনে জাতির
পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাঙালির
মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন আমি তাদের স্মৃতির প্রতি
জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা
বাঙালির সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষার দাবিতে যে আন্দোলনের সূত্রপাত
হয়, ৫২’র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার সফল পরিসমাপ্তি ঘটে। রচিত হয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের
ভিত্তি। এরপর ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠন, ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন ও ১৯৬২
সালে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে সর্বদলীয় সম্মেলনে ঐতিহাসিক ৬ দফা
প্রস্তাব পেশ করেন। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রানীতি, রাজস্ব
ও করনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, আঞ্চলিক বাহিনী গঠনসহ এই ৬ দফার মধ্যেই তিনি পূর্ব বাংলার
রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার তুলে ধরেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল
বাঙালির স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের রূপরেখা।
তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা
ঘোষণার পর শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায় এবং তাকে বারবার গ্রেফতার
করে। তা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু ৬ দফার দাবি থেকে পিছপা হননি।
রাষ্ট্রপতি জানান, বঙ্গবন্ধু
রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন।
এজন্য তিনি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নপূরণ তথা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবার প্রতি আহ্বান
জানান।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৪ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন জানান, চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে রোববার (৩ মার্চ)। এবার ডিসি সম্মেলন শেষ হবে ৬ মার্চ (বুধবার)।
ডিসি সম্মেলনকে সামনে রেখে এবার ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে ৩৫৬টি প্রস্তাব পাওয়া গেছে।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত বছরের মতো এবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনের মূল ভেন্যু রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন।
সরকারের নীতি-নির্ধারক ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সামনাসামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতিবছর ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, এবার সম্মেলনে মোট ৩০টি অধিবেশন হবে। এরমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে কার্য অধিবেশন ২৫টি। এছাড়া একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়ে একটি ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে দুটি অধিবেশন হবে। কার্য অধিবেশনগুলোতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের মন্ত্রী/উপদেষ্টা/প্রতিমন্ত্রী/সিনিয়র সচিব/সচিবরা উপস্থিত থাকবেন।
এবার সম্মেলনে মোট ৫৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অংশ নেবে। অন্যান্য বছর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে একটি সেশন থাকলেও এবার রাষ্ট্রপতি বিদেশে থাকায় সেটি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
এবার জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে ৩৫৬টি প্রস্তাব পাওয়া নিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোতে জনসেবা বাড়ানো, জনদুর্ভোগ কমানো, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইন-কানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হয়েছে। বেশি সংখ্যক প্রস্তাব সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সংক্রান্ত। এ সংক্রান্ত মোট প্রস্তাব ২২টি।
মন্তব্য করুন


সৌদি
আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এসএফডিএ) জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং দেশীয় বাজারে খাদ্য
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা
আরোপ করেছে। পাশাপাশি ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি
করা হয়েছে। এসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতও রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ
জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও মহামারি সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে
ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়।
সর্বশেষ
সংশোধন অনুযায়ী, কিছু নিষেধাজ্ঞা ২০০৪ সাল থেকে কার্যকর রয়েছে। অন্যগুলো ঝুঁকি মূল্যায়ন
এবং প্রাণীর রোগ, বিশেষ করে উচ্চমাত্রায় সংক্রামক এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (বার্ড ফ্লু)
সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে আরোপ করা হয়েছে।
হালনাগাদ
তালিকা অনুযায়ী আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও
হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক,
ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর
কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মায়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিসর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল,
নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া,
কোট দিভোয়ার এবং মন্টেনেগ্রো থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
এ
ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক,
রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইন, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া এবং গণতান্ত্রিক
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নির্দিষ্ট কিছু রাজ্য বা শহরের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য।
এ
নিষেধাজ্ঞাকে সাময়িক বলে আখ্যা দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে,
এ নিষেধাজ্ঞা তাপ প্রক্রিয়াজাত পোলট্রি মুরগির মাংস ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
নয়।
এ
ধরনের পণ্যের সঙ্গে অবশ্যই সরকারি সনদ থাকতে হবে, যেখানে উল্লেখ থাকবে যে সেগুলো এমনভাবে
প্রক্রিয়াজাত করা হয়েছে যাতে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (বার্ড ফ্লু) ও নিউক্যাসল রোগের
ভাইরাস সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়। পাশাপাশি পণ্যগুলো রপ্তানিকারক দেশের অনুমোদিত স্থাপনা
থেকে উৎপাদিত হতে হবে।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর থেকে পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান কার্যক্রম শুরু হবে।
বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আপনি যে দোকানে যান
সে দোকান থেকে পলিথিন ব্যাগ কিনে আনেন। আমি আপনিও বলি না পলিথিন ব্যাগ
দিচ্ছেন কেন, এটা তো নিষিদ্ধ। আমরাও
তো হাতে করে নিয়ে আসি। মার্কেটগুলোতে গিয়ে পলিথিন ব্যাগগুলো প্রথমে আমরা বলব ১৫ থেকে ২০
দিন তারপর আমরা অভিযানে যাব। এগুলো আপাতত সিদ্ধান্ত। এটি তারিখ নির্ধারিত হয়নি। কারণ এর সঙ্গে আরো
কয়েকটি সংস্থা সম্পৃক্ত। এখন সবাই একটা আন্দোলনের মুডে আছে। সবাই সবার দাবি পেশ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ওইদিকে ব্যস্ত আছে। তবে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই আপনারা কার্যক্রমের শুরু দেখতে পারবেন। বায়ু দূষণ একদিনে সমাধান হবে না, কিন্তু এই শীতের আগে
যেন বায়ু দূষণের কয়েকটি উৎসকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেজন্য বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা করছি। এখানে মেগা পরিকল্পনা চলছে কিন্তু বায়ুদূষণের ব্যবস্থা নেই, সেই জায়গাটা আমরা ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব। কনস্ট্রাকশন হবে, কিন্তু বায়ুদূষণ করে কনস্ট্রাকশন হতে পারবে না। স্বল্প ব্যয়েই এটি করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাংক পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরকে কিছু কিছু প্রকল্প সহায়তা দিচ্ছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হলো। তাদের প্রত্যাশাটা কি, এবং এই প্রত্যাশাটা আমরা যত তাড়াতাড়ি পূরণ করতে পারব ততো তাদের পক্ষে সম্ভব হবে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে আমাদের এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে বাজেট সহায়তা দেওয়ার। আমরা বলেছি বাংলাদেশে আইনকানুন, নীতি ভালো আছে। এগুলোকে আরো ভালো করা যায়। কিন্তু সক্ষমতা না বাড়ালে এগুলোর বাস্তবায়নের জন্য তাহলে দূরত্বটা বেড়ে যাবে। মানুষের প্রত্যাশার জায়গাটা পূরণ হবে না। আইনকানুন, নীতি আমরা আরও সময়োপযোগী করব, আরও শক্ত করব। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের কাজে নেমে যেতে হবে। যেমন মানুষকে আমাদের দেখাতে হবে দূষণকারী কয়জন শাস্তি পাচ্ছে, ময়লা আবর্জনা নদীর পাড় থেকে সরছে, কিছু কিছু নদী পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন করে তাদের (বিশ্বব্যাংক) কাছে নতুন করে প্লাস্টিক, পলিথিন, শব্দ দূষণ ও কয়েকটা নদীতে দূষণ নিয়ে কথা বলেছি, বলেন পরিবেশ উপদেষ্টা।
বিশ্বব্যাংক কী ধরনের সহায়তা দেবে -এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরকে সবচেয়ে দূষিত নদী ও দূষণকারীদের তালিকা করতে বলা হয়েছে। সেগুলো যখন আমরা পাব তখন একটি মনিটরিং প্ল্যান করে ফেলতে পারব। ফলে বিস্তারিত রূপরেখা তৈরি হয়নি। তবে একটি রূপরেখা তো আছেই, সেখানে নতুন নতুন কম্পোনেন্ট যদি যুক্ত করতে পারি সেটি নিয়ে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে সর্বাত্মক সহায়তা করার চেষ্টা করবেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি খুবই ভালো বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট
জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি
চলমান। উৎসবমুখর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোটের প্রেক্ষাপটে সব ধরনের পূর্বপ্রস্তুতিই
এগোচ্ছে।
আজ
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এ কথা
বলেন তিনি।
জাহাঙ্গীর
আলম বলেন, জানুয়ারির মধ্যেই সব বাহিনীর প্রশিক্ষণ শেষ হবে। সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচনের
জন্য সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ভোটের সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বডি ক্যামেরা থাকবে।
যাতে প্রতিটি কেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবারহ থাকে, তা নিশ্চিত করা হবে। এই উপদেষ্টা
বলেন, নির্বাচনের আগে খুন-অপরাধ বন্ধ হয়ে যাবে না। আমার কাছে তো ম্যাজিক নেই, বলব যে
লাইট অফ বন্ধ হয়ে যাবে আর তা হয়ে গেল। ব্যাপারটা এমন না।
জাতীয়
পার্টি ইস্যুতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সব রাজনৈতিক দল এখন মাঠে। অনেকে বের হতে
চায় না, ঘরে বসে রাজনীতি করতে চায়। তাদের পার্টি অফিস নিয়ে সমস্যা আছে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক ট্যারিফ আলোচনায় ২০ শতাংশ শুল্ক নিশ্চিত করাকে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব বলেছেন, এই আলোচনা ছিল সরকারের সবচেয়ে বড় পররাষ্ট্রনীতি-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ, কিন্তু সঠিক প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করেছে।
আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর ফার্মগেটের ডেইলি স্টার ভবনে ‘বাংলাদেশ ও ট্রাম্পের শুল্ক: বাণিজ্য ব্যবস্থা পরবর্তী বিশ্বের অর্থনৈতিক কূটনীতি’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, ইটভাটা জনিত
বায়ুদূষণ রোধে আর কোনো নতুন ইটভাটার ছাড়পত্র দেয়া হবে না। পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন ৩,৪৯১
টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করা হবে। অবৈধভাবে পার্বত্য এলাকায় নির্মিত সব ইটভাটা স্থানান্তর
করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ
সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ ব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং
ওনার্স এসোসিয়েশন (বিবিএমওএ)-এর নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় পরিবেশ উপদেষ্টা এসব
কথা বলেন।
সভায় পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদন, ইটভাটার
আধুনিকায়ন, এবং কার্বন নির্গমন কমানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ইটভাটার
পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, শুধু ভবন নির্মাণই যথেষ্ট নয়, আমাদের
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বায়ুদূষণের কারণে মানুষের
গড় আয়ু ৫-৭ বছর কমে যাচ্ছে। তাই, লাইসেন্স এবং ছাড়পত্র ছাড়া কোনো ইটভাটা পরিচালনা করা
যাবে না। তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়ার
কথাও জানান।
বিবিএমওএ-এর নেতৃবৃন্দ ইটভাটা শিল্পের
চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণের প্রস্তাব দেন। ইটভাটায় সবুজ প্রযুক্তির
ব্যবহার উৎসাহিত করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন এবং উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি প্রদান
করেন।
সভায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত
সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স এসোসিয়েশনের
কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান-সহ কেন্দ্রীয় এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আগত
নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আজ (১৪ মার্চ) সকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
রাজধানীর তেজগাঁও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের পর জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস দুইজন কক্সবাজার সফরে যাবেন। সেখানে তারা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করার পাশাপাশি আরো কিছু কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন
খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) ও প্রেসিডেন্ট
গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ভিভিআইপি
প্রটোকলের অংশ হিসেবে , আজ (০২ নভেম্বর ) মঙ্গলবার দুপুর থেকে তারা দায়িত্ব পালন শুরু
করেছেন।
হাসপাতাল ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে এসএসএফের ৭ জন কর্মকর্তা নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝে নেন।
এ সময় তাদের সঙ্গে পিজিআরের ডেপুটি কমান্ডার কর্নেল ইমতিয়াজ ও মেজর আহনাফ উপস্থিত ছিলেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পিজিআরের সদস্যরা হাসপাতালের গাড়ি পার্কিং এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন।
এ ছাড়া ইউনিটের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা হাসপাতালের ৪ র্থ তলায় খালেদা জিয়ার কেবিনের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছেন।
হাসপাতালে মোট কতজন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বা কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কেমন হবে,
সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
মন্তব্য করুন