

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে ১৫ জনকে বাংলাদেশে ঢুকতে না দিয়ে ঠেলে দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী (BSF)। নওগাঁ ব্যাটালিয়ন ১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুদ জানিয়েছেন, শনিবার রাতের এই ঘটনার পর তাদের রোববার ভোরে আটক করা হয়।
আটকদের মধ্যে রয়েছেন দুই শিশু, নয়জন নারী ও চারজন পুরুষ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা যশোর, নড়াইল, খুলনা ও মানিকগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “ভোরে সীমান্তে টহলের সময় বিজিবি সদস্যরা তাদের দেখতে পায়। তাদের আটক করে ক্যাম্পে আনা হয়েছে এবং নিশ্চিতভাবে সকলেই বাংলাদেশি নাগরিক।” পরে তাদের গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গোমস্তাপুর থানার ওসি আব্দুল বারিক বলেন, “পুশইনের শিকার বাংলাদেশি নাগরিকরা থানার হেফাজতে রয়েছেন। ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ,
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মাতৃভাষার গুরুত্ব বুঝতে
পারার মাধ্যমে দেশীয় জাতীয়তাবাদ শক্তিশালী করা গেলে দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব। ভাষার
গুরুত্ব বুঝতে না পারলে দেশপ্রেম জাগ্রত হয় না, আর দেশ উন্নত হয় না।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশ যখনই ক্রান্তিকাল অতিক্রম করেছে, তখনই ৫২’র
চেতনা জাগ্রত হয়েছে। ৫২’র চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে, ২৪-এর ৫ আগস্ট সংঘটিত
হয়েছে, জনগণ আবার ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।
আজ
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে
‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস’-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক
ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিদ্যুৎ
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলেন, মাতৃভাষা দিবসে মাতৃভাষার কদর বুঝতে হবে। ভাষার
উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে দেশ প্রেম বাড়াতে হবে এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটাতে হবে।
তিনি
আরো বলেন, বিদেশি বহু ভাষার বহু শব্দ বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করলেও বর্তমান জেন জি-দের
(জেনারেশন জি) পক্ষ থেকে উচ্চারিত ‘ইনকিলাব’ শব্দ খুঁজে পাওয়া যায় না।
ইনকিলাব
শব্দের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে জেন জি-দের ফিরে আসতে হবে মাতৃভাষার দিকে।
দেশের উন্নয়নের দিকে। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না’ বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।
মন্ত্রী
বলেন, সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পাড়ে শিল্প পার্ক ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা গড়ে তোলা হয়েছে।
কিন্তু প্রতিষ্ঠিতব্য শিল্প কারখানার বর্জ্য শোধনের জন্য সেন্ট্রাল ইটিপি (বর্জ্য পানি
শোধনাগার কারখানা) গড়ে তোলা হয়নি। শিল্প এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে সেন্ট্রাল ইটিপি
গড়ে তুলতে না পারলে আমাদের যমুনা দূষিত হবে। পাশাপাশি কৃষি ও মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
যমুনার
পানি দূষিত হয় এমন শিল্প কারখানা গড়ে তোলা যাবে না উল্লেখ করে পরিবেশের দিকে নজর দেওয়ার
জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
জেলা
প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের
ওপর নিবন্ধ উপস্থাপন করেন সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ভাষাবিজ্ঞানী প্রফেসর
করুণা রানী সাহা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার
সাইফুল ইসলাম শানতু।
এছাড়া
বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম, জেলা চেম্বার অফ কমার্স
এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু
এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান দুলাল।
মন্তব্য করুন


চব্বিশের
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে দেশ গঠনের যে ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজে লাগানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর। তিনি বলেন, ‘দেশপ্রেমিক সকল শক্তিকে এখন এক হয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, যাতে
এই বিজয়ের জন্য দেওয়া আত্মত্যাগ বৃথা না যায় এবং একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠা করা যায়।’
আজ
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান
জানান। অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থ প্রকাশনা উপলক্ষ্যে
এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা
সভায় বিএনপি মহাসচিব অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে
‘এক অসামান্য ব্যক্তিত্ব ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ’ হিসেবে উল্লেখ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
করেন। তিনি বলেন, ‘ড. মাহবুব উল্লাহ শুধু একজন শিক্ষাবিদ নন, তিনি ছিলেন নাগরিক অধিকার,
ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতির জন্য সংগ্রাম করা এক আপসহীন যোদ্ধা।’
অধ্যাপক
ড. মাহবুব উল্লাহ এবং তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্যরা
মির্জা
ফখরুল বিশেষত দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ল্যান্ডস্কেপে ড. মাহবুব উল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ
অবদানের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিএনপির ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’
রূপরেখা প্রণয়নের পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের চিন্তাভাবনা এবং তাত্ত্বিক
অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রকাশিত গ্রন্থাবলীতেও জাতির জন্য তার আদর্শ
ও স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।’অনুষ্ঠানে বক্তৃতার শেষ দিকে মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে
তার ছোট মেয়ের জন্মদিনেও শুভকামনা জানান। এ ছাড়াও, আজ উপমহাদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত
বেগম রোকেয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জিল্লুর রহমান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল
কবির খানসহ দেশের বহু বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে প্রকাশ্যে গুলিতে নিহত ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বলেছেন, ঘটনার নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত না হলে তার মতো আরও অসংখ্য পরিবার চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। তিনি বলেন, “আমার জীবনে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি নেমে এসেছে, এমনটা আর কারও জীবনে যেন না আসে—এইটাই আমার একমাত্র চাওয়া।”বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন। সুরাইয়া বেগম জানান, এ ধরনের সহিংস ঘটনা অতীতেও ঘটেছে, এখনও ঘটছে এবং বিচার না হলে ভবিষ্যতেও ঘটতে থাকবে। সঠিক তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত না হলে বহু পরিবার ধ্বংস হয়ে যাবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঘটনার আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেবে।স্বামীর শেষ মুহূর্তের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত সুরাইয়া বেগম বলেন, “সেদিন সন্ধ্যায় সে শুধু বলেছিল—এক কাপ কফি বানিয়ে দাও, নামাজ পড়ে বের হব। ওই কথাটাই ছিল তার জীবনের শেষ কথা।”তিনি আরও জানান, বাইরে থাকলে মুছাব্বির সাধারণত ফোনে বেশি যোগাযোগ করতেন না কিংবা কার সঙ্গে আছেন, সেটাও জানাতেন না। তার মোবাইল ফোন নজরদারিতে ছিল বলেই এমন সতর্কতা অবলম্বন করতেন বলে ধারণা তার।কাউকে সন্দেহ করছেন কি না—এমন প্রশ্নে সুরাইয়া বেগম বলেন, তিনি নির্দিষ্ট করে কাউকে দায়ী করতে পারছেন না। রাজনীতির সঙ্গে তিনি নিজে জড়িত ছিলেন না; সংসার ও সন্তানদের দেখাশোনাই ছিল তার প্রধান দায়িত্ব।স্বামীর পেশাগত পরিচয় প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রায় দুই দশক ধরে মুছাব্বির পানি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকায় এই ব্যবসার সূচনা তাদের হাতেই। ২০২০ সালে তিনি কাউন্সিলরের দায়িত্বও পালন করেন। কয়েক দিন আগেই মুছাব্বির জানিয়েছিলেন, দল যেভাবে নির্দেশ দেবে, সেভাবেই তিনি চলবেন।সুরাইয়া বেগম জানান, তাদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে। ছোট ছেলে দশম শ্রেণিতে পড়ছে, এক মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং বড় মেয়ে অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৮টার কিছু পর কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের হোটেল সুপারস্টারের পাশের আহসানউল্লাহ টেকনোলজি ইনস্টিটিউট সংলগ্ন গলিতে অজ্ঞাতনামা সশস্ত্র ব্যক্তিরা মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ওই ঘটনায় তেজগাঁও থানার ভ্যানশ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান ব্যাপারী মাসুদও আহত হন।স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে বিআরবি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন।মুছাব্বির জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তার কোনো সাংগঠনিক পদ না থাকলেও আগের সরকারের সময়ে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে তাকে কারাবরণ করতে হয়েছিল।তার ঘনিষ্ঠ পরিচিত মো. শাহিন জানান, দীর্ঘদিন ছাত্রদল ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মুছাব্বির। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শরীয়তপুর সমিতির একটি অনুষ্ঠান শেষে স্টার কাবাবের পাশের গলি দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছোড়ে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেবে সরকার।
তবে
এই সম্মানী কত টাকা তা এখনো নির্ধারণ করেনি সরকার। ঈদের আগেই কয়েকটি এলাকায় এই কার্যক্রম
শুরু করবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আজ
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গেটে প্রধানমন্ত্রীর
উপদেষ্টা মাহদী আমিন এসব কথা জানান।
মাহদী
আমিন জানান, নির্বাচনের আগে বিএনপির অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন,
খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মগুরুকে সম্মানী ভাতা প্রদান করা। ক্ষমতায় এসে সেই ধারাবাহিকতায়
বিএনপি সরকার ঈদুল ফিতরের আগেই প্রাথমিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু করবে। পর্যায়ক্রমে সারা
দেশে তা চালু হবে।
কত
টাকা সম্মানী ভাতা দেওয়া হবে চাইলে মাহদী আমিন বলেন, আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে তা চূড়ান্ত
করা হবে। এ সময় স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
এর
আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, আজ ছিল প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের তৃতীয় কর্মদিবস। নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বেশ কিছু দিকনির্দেশনা
দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আবু
আবদুল্লাহ এম ছালেহ আরো বলেন, আজ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো অফিস করেছেন তারেক
রহমান।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে তার নির্বাচনী এলাকা মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কবলে পড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকাকে এসব অপরাধ থেকে মুক্ত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর শাহজাহানপুর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, গত এক যুগেরও বেশি সময়ে তার এলাকার সামাজিক পরিবেশ ধ্বংসের মুখে পড়েছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, জনগণ তাকে নির্বাচিত করলে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে এলাকাকে নিরাপদ করে তুলবেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ ও সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু মহলের বক্তব্যে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু বক্তব্য শুনে সন্দেহ জাগছে যে ভেতরে ভেতরে অন্য কিছু চলছে। এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মন্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “ঢাকা শহরে তারা আমাদের একটি আসনও ছেড়ে দেবে না—এই কথা বলার অধিকার তাদের কে দিয়েছে? এই দেশের আসনের মালিক আল্লাহ ও জনগণ।”
বিএনপির এই নেতা দাবি করেন, তাকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করতে নানামুখী অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তার ভাষায়, মিথ্যা কাগজপত্র ছড়ানো হচ্ছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ভুয়া কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে এবং সংগঠিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জাতির জন্য কখনোই কল্যাণ বয়ে আনে না।
মির্জা আব্বাস আরও বলেন, প্রতিপক্ষের বক্তব্যে গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব স্পষ্ট। তার মতে, পেছনে কোনো বিশেষ শক্তি সক্রিয় রয়েছে এবং নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, জনগণ এসব অপচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করবে।
মন্তব্য করুন


গণভবনকে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের
জাদুঘর নির্মাণের জন্য উপদেষ্টাদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) গণভবন পরিদর্শনের
সময় এই নির্দেশ দেন তিনি।
‘‘গণভবনে ক্ষমতাচ্যুত ‘স্বৈরশাসক’ শেখ
হাসিনা গত ১৫ বছর ধরে বাস করেছিলেন, যা দমন ও তার নৃশংস শাসনের প্রতীক হয়ে উঠেছে’’
বলে উল্লেখ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
গণভবনের ধ্বংসাবশেষ পরিদর্শনকালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘তার (শেখ হাসিনা) দুঃশাসনের স্মৃতি এবং জনগণ যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল, যখন তারা তাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করেছিল, সেসব জাদুঘরের রাখা উচিত হবে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার কয়েক মুহূর্ত পর ৫ আগস্ট গণভবনে কয়েক লাখ বিক্ষোভকারী হামলা চালায়। বিক্ষোভকারীরা গণভবনের দেয়াল ও কক্ষে গ্রাফিতি এঁকে এবং খুনি হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী নোট লিখে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আয়নাঘর, যেখানে হাসিনার কুখ্যাত নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গোপনে শত শত ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধী কর্মীকে আটক করেছিল, তার একটি রেপ্লিকাও গণভবনের জাদুঘরে নির্মাণ করা উচিত। আয়নাঘরের উচিত দর্শকদের গোপন বন্দিদের নির্যাতনের কথা মনে করিয়ে দেওয়া।
গণভবন পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ।
এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী
মাহফুজ আলমও উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূস উপদেষ্টাদের জাদুঘর বিশেষজ্ঞদের
সঙ্গে পরামর্শ করতে বলেন। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাদুঘরের জন্য প্রস্তাব চূড়ান্ত
করতে বলেন তিনি।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০০৯ সাল
থেকে শুরু হওয়া হাসিনার শাসনের অপকর্মগুলো জাদুঘরে যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮০তম অধিবেশনে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের দায়িত্বশীল বৈশ্বিক
ভূমিকাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এতে গণতান্ত্রিক শাসন, মানবিক সংহতি ও গঠনমূলক আন্তর্জাতিক
সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি নতুনভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে
পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি প্রধান উপদেষ্টার ইউএনজিএ সফরের সাফল্যগুলো তুলে ধরেন।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, অধ্যাপক ড. ইউনূস গত
সপ্তাহে নিউইয়র্কে ইউএনজিএ-র উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব
দেন। সেখানে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্দেশ করে বক্তব্য রাখেন, বিশ্বনেতাদের
সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন এবং গণতন্ত্র, মানবিক নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতা
নিয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন। ইউএনজিএ-র ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে
গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থার প্রতি অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
করেন। তিনি স্বাধীন, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে বৈশ্বিক
মহলকে আশ্বস্ত করেন যে বাংলাদেশ জনগণ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের লালিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
রক্ষায় প্রস্তুত।
শফিকুল আলম আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সফরে
তিন রাজনৈতিক দলের ৬ প্রতিনিধি ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এটাই প্রথমবার এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ
প্রতিনিধিদল একসঙ্গে সফরে যোগ দিল। তারা কূটনীতিক, প্রবাসী নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীদের
সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব যোগাযোগ বিশ্বের কাছে শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিয়েছে যে গোটা
বাংলাদেশই গণতান্ত্রিক, স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে একসঙ্গে এগোচ্ছে।’
বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার কৌশলগত বৈঠক
প্রসঙ্গে আলম বলেন, অধ্যাপক ড. ইউনূস উচ্চপর্যায়ের একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন, যা
বাংলাদেশের বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার ও যৌথ অগ্রাধিকারের প্রসারে ভূমিকা রাখে।
তিনি জানান, ইতালি, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান,
অস্ট্রেলিয়া, আলবেনিয়া, কসোভো ও ভুটানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে গণতান্ত্রিক শাসন, বাণিজ্য,
জলবায়ু সহনশীলতা ও মানব উন্নয়নের বিষয় গুরুত্ব পায়।
আলম আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও
গুতেরেস, ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপো গ্রান্ডি, ইউনিসেফ নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল,
জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল রাবাব ফাতিমা, বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা,
নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা এবং আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার
সঙ্গে বৈঠক করেন।
এছাড়া অধ্যাপক ড. ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নিয়ে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। যুক্তরাষ্ট্রের
বিশেষ দূতের সঙ্গেও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হয়, যেখানে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও বহুপাক্ষিক
কূটনীতিতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ভূমিকা উঠে আসে।
রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক নেতৃত্ব প্রসঙ্গে আলম বলেন,
প্রধান উপদেষ্টার সফরের মূল বিষয় ছিল রোহিঙ্গা ইস্যু। সেখানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া
এক মিলিয়নের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া
যায়। জাতিসংঘ সংস্থা ও দাতা দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা নিরাপদ, স্বেচ্ছায়
ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংকট যেন বৈশ্বিক মনোযোগ থেকে
হারিয়ে না যায় সে আহ্বান জানান। প্রেস সচিব জানান, এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
থেকে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি আনতে সক্ষম হন।
শফিকুল আলম বলেন, জবাবদিহি ও উন্নয়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি
তুলে ধরতে অধ্যাপক ইউনূস জাতিসংঘকে অনুরোধ জানান বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি)
থেকে উত্তরণের অগ্রগতির একটি স্বাধীন মূল্যায়ন পরিচালনা করতে। এ অনুরোধ ঢাকার অর্থনৈতিক
যাত্রাপথে আস্থা ও গঠনমূলক আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের প্রতি উন্মুক্ততা প্রকাশ করে।
প্রেস সচিব জানান, ইউএনজিএ সফরে বিদেশে কর্মসংস্থান
ও শ্রমশক্তি রপ্তানির নতুন সুযোগও উন্মোচিত হয়। কসোভো, আলবেনিয়া ও ইউরোপের আরও কয়েকটি
দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনায় বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য শ্রমবাজার সম্প্রসারণের
বিষয়ে সম্ভাবনা খোঁজা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব সুযোগ প্রবাসী আয় বাড়াতে ও নতুন অংশীদার
দেশের সঙ্গে জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করতে সহায়ক হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের সময় রবিন হোসেন নামে ভারতীয় এক নাগরিককে আটক করা হয়েছে। গত সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের নারায়নপুর সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আটক হওয়া রবিন হোসেন (২৫) ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহীজলা জেলার বক্সনগর থানা এলাকার গৌরাঙ্গলা (আশাবাড়ি) গ্রামের আব্দুল সালামের ছেলে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সুলতানপুর ৬০ বিজিবির শশীদল বিওপির একটি টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। নায়েব সুবেদার আবু বক্করের নেতৃত্বে রাত ৯টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মেইন পিলার ২০৫৮/৬-এস থেকে প্রায় ৩৫০ গজ ভেতরে নারায়ণপুর মাজারের সামনে থেকে রবিন হোসেনকে সীমান্ত অতিক্রমের সময় আটক করে বিজিবি। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে রবিন বৈধ পাসপোর্ট বা ভ্রমণসংক্রান্ত কোনো নথি দেখাতে পারেননি।
শশীদল বিওপির বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার আবু বক্কর জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ (কন্ট্রোল অব এন্ট্রি) অ্যাক্ট ১৯৫২-এর ৪ ধারায় মামলা করে তাকে আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের মধুপুরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত কয়েকজন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় উপজেলার পাহাড়ি বনাঞ্চলের টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের বড়বাইদ এতিমখানা সংলগ্ন এলাকায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে ব্যাটারিচালিত ভ্যান, একটি মাহিন্দ্রা ও পিকআপ ভ্যানের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পিকআপ ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মাহিন্দ্রার ৪ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন আরও অন্তত কয়েকজন।
খবর পেয়ে মধুপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শিমুল মিয়া বলেন, অতিরিক্ত গতিতে চলা মাহিন্দ্রা গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে পিকআপভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৪ জন প্রাণ হারান।
এ বিষয়ে মধুপুর থানার অরনখোলা পুলিশ ফাঁড়ির (এস আই)“ বিমল চন্দ্র পাইন” বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সমগ্র বাংলাদেশ একটা পরিবারের মতো উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘যেখানে সরকারের দায়িত্ব হলো প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা দেওয়া।’
সোমবার জন্মাষ্টমী উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথার পাশাপাশি আরো বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব হলো প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা দেওয়া এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।’
হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে ড. ইউনূস বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান যেখানে নির্ভয়ে সবাই নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে এবং যেখানে কোনো মন্দির পাহারা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
হিন্দু নেতারা জানান, দেশের বন্যা পরিস্থিতির কারণে দুর্গত এলাকাগুলোতে এবার জন্মাষ্টমী উদযাপন স্থগিত করে সেখানে খাদ্য ও ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।
সম্প্রতি রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার ভূয়সী প্রশংসা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বী
নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, এই বক্তব্য দেশে আসম্প্রদায়িক সমাজ গঠন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে ভূমিকা করবে।
সনাতন ধর্মাবলম্বী
নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের দেশে মানুষের মধ্যে কোনো বিভেদ থাকতে পারে না। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের সমান অধিকার। অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষায় দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
হিন্দু নেতৃবৃন্দ প্রধান উপদেষ্টাকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, তারা বাংলাদেশে শান্তি-সম্প্রীতি ও এর সমৃদ্ধি এবং আন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্য কামনা করে শ্রীকৃষ্ণের
আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছেন।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে হিন্দু নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খিস্ট্রান ঐক্য পরিষদের কাজল দেবনাথ ও মনীন্দ্র কুমার নাথ, আন্তর্জাতিক শ্রীকৃষ্ণ ভাবনা সংঘ ইসকনের চারু চরণ ব্রহ্মচারী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের বাসুদেব ধর ও সন্তোষ শর্মা এবং ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কর্নধার প্রীতি চক্রবর্তী।
মন্তব্য করুন