

স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে ১২০ ফুট উঁচু
মোবাইল টাওয়ারে উঠে বসে থাকলেন স্বামী। আর সেখানেই বসে থাকলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
শনিবার ভারতের বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের পাত্রগাতি
গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।
জানা গিয়েছে, গ্রামবাসীদের হাজার অনুরোধও
কাজে দেয়নি। রাগে ঠায় মোবাইল টাওয়ারের মাথাতেই বসে ছিলেন বছর আঠাশের ওই যুবক। খবর পেয়ে
ঘটনাস্থলে হাজির হয় দমকলের দু’টি
ইঞ্জিন। কিন্তু তাও নামিয়ে আনা যায়নি যুবককে। শেষ পর্যন্ত খবর দিতে হয় বিপর্যয় মোকাবিলা
বাহিনীকে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, পেশায় ক্ষেতমজুর
সীমন্ত মাঝি মাঝেমধ্যেই মত্ত অবস্থায় বাড়ি ফেরেন। স্ত্রী মিঠু মাঝি প্রতিবাদ করলেই
তাদের মধ্যে শুরু হয় ঝগড়া। শনিবার সীমন্তের সঙ্গে মিঠুর ঝগড়ার কারণ ছিল অন্য। মিঠু
জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরে স্বামী বাড়ি ফেরার সময় মিঠু গ্রামে এক সাপুড়ের কাছে সাপ খেলা
দেখতে গিয়েছিলেন। সাপুড়ে তাকে বিভিন্ন দোষ কাটাতে কবচ-মাদুলি পরার নিদান দেন। কবচ-মাদুলির
প্রতি স্ত্রীর আগ্রহের কথা জানতে পেরে ঝগড়া শুরু করেন সীমন্ত। তিনি সাপুড়েকেও গালিগালাজ
করেন বলে অভিযোগ। এমনকি, তা নিয়ে গ্রামের একাংশের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়েও পড়েন সীমন্ত।
মিঠুর দাবি, এর পরেই সীমন্ত ছুটে গিয়ে
গ্রামের এক প্রান্তে থাকা ১২০ ফুট উঁচু একটি মোবাইল টাওয়ারের উপর উঠতে শুরু করেন। গ্রামবাসীরা
সীমন্তকে বারবার নেমে আসতে বললেও তিনি ক্রমশ টাওয়ারের চূড়ায় উঠে যান। শেষ অবধি টাওয়ারের
প্রায় ১২০ ফুট উচ্চতায় থাকা ল্যান্ডিংয়ে গিয়ে থামেন সীমন্ত। সীমন্তের এমন কাণ্ড দেখে
বিপদের আশঙ্কায় দমকলে খবর দেন স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ইন্দাস থানার পুলিশও।
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, দমকল ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সীমন্তকে
নামিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। এই ঘটনার
খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার আশপাশের বেশ কিছু গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের ভিড় জড়ো হয় টাওয়ারটির
নীচে। ভিড় সামাল দিতে পুলিশকেও হিমসিম খেতে হয়।
সীমন্তের স্ত্রী মিঠু বলেন, আমার স্বামী
প্রায় দিনই মদ খেয়ে বাড়িতে বসে থাকেন। বারবার প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু কোনও ভাবেই মদের
আসক্তি কমানো যায়নি। আজ এমন কাণ্ড করে বসবে ভাবতে পারিনি।
মোবাইল টাওয়ার সংস্থার আধিকারিক পীযূষ
কুমার মণ্ডল বলেন, টাওয়ারের নীচের অংশ ব্যারিকেড করে ঘেরা রয়েছে। ব্যারিকেডের দরজাতেও
তালা লাগানো ছিল। কিন্তু ওই যুবক ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢুকে এমন কাণ্ড করেছেন।
মন্তব্য করুন


আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.
মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টার নির্ধারিত কর্মসূচি
অনুযায়ী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে স্থানীয় সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে জাতিসংঘ
সচিবালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান
উপদেষ্টা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। একই দিন
তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ
আল-সাবাহর সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।
এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা ২৫ সেপ্টেম্বর
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ ও নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা
এবং ২৬ সেপ্টেম্বর নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ডিক স্কুফের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয়
কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন, জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার
তুর্ক, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি
জেনারেল এবং এলডিসি, এলএলডিসি এবং সিআইডিএসের উচ্চ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা, জাতিসংঘের
শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার মহাপরিচালক
গিলবার্ট এফ হাউংবো, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, ইউএনডিপি প্রশাসক
আচিম স্টেইনার এবং ইউএসএআইডি প্রশাসক সামান্থা পাওয়ার নিউইয়র্কে অবস্থানকালে ড. ইউনূসের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
ইউএনজিএর ৭৯তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য
প্রধান উপদেষ্টা এবং তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট
সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১০ মিনিটে নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
অবতরণ করে।
এর আগে ভোর ৫টা ৫ মিনিটে (বাংলাদেশ
সময়) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটি ছেড়ে যায়।
মন্তব্য করুন


গত সপ্তাহে ধূসর রঙের স্কচটেপ লাগানো
একটি ‘কলার শিল্পকর্ম’ ৬ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য
ছিল ৭২ কোটি টাকারও বেশি। অবাক করা তথ্য হলো নিউইয়র্কের ম্যানহাটন শহরের এক বাংলাদেশি
ফল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মাত্র ৩৫ সেন্ট (৪২ টাকায়) কলাটি কেনা হয়। এরপর দেওয়ালে স্কচটেপের
মাধ্যমে সেঁটে দিয়ে এটিকে দেওয়া হয় ‘শিল্পকর্মের’ খেতাব।
নিলামের মাধ্যমে এই ‘শিল্পকর্ম কলাটি’
কেনেন চীনা বংশোদ্ভূত ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসায়ী জাস্টিন মুন। ওই সময় তিনি জানান কলাটি
তিনি খেয়ে ফেলবেন। নিজের দেওয়া সেই কথা রেখেছেন জাস্টিন মুন। তিনি ৭২ কোটি টাকায় কেনা
সেই কলাটি সত্যিই খেয়ে ফেলেছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি আজ শুক্রবার
(২৯ নভেম্বর) জানিয়েছে, তিনি হংকংয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকে সাংবাদিকদের সামনে কলাটি খেয়েছেন।
২০১৯ সালে সর্বপ্রথম এই অদ্ভুত শিল্পকর্মটি
সামনে আসে। এটি তৈরি করেন মারিজিও ক্যাটেলান।
যখনই কোনো প্রদর্শনীতে এই ‘শিল্পকর্মটি’
নিয়ে যাওয়া হয় তার আগে কলাটি পরিবর্তন করা হয়। চীনা বংশোদ্ভূত জাস্টিন সান মূলত এই
অদ্ভুত শিল্পকর্মটির প্রদর্শনীর স্বত্ব কিনেছেন। কীভাবে এটি প্রদর্শন করতে হবে সেই
ব্যাপারেও তাকে একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে শিল্পকর্মটি নিলামে তোলার আগে
সেখানে নতুন কলা নেওয়া হয়। আর এই কলাটি এক বাংলাদেশির কাছ থেকে ৪২ টাকায় কেনা হয়।
এর আগেই এই শিল্পকর্মের প্রদর্শনীতে
রাখা কলা খেয়ে ফেলার ঘটনা ঘটেছিল। প্রথমবার ২০১৯ সালে একজন পারফরমেন্স আর্টিস্ট। দ্বিতীয়বার
২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার এক শিক্ষার্থী কলাটি দেওয়াল থেকে খুলে খেয়ে ফেলেন। তবে এরজন্য
৭২ কোটি টাকা তো দূরের কথা এক টাকাও তাদের দিতে হয়নি।
জাস্টিন সান একটি প্রতিষ্ঠান চালান
যেটির ব্যবহারকারীরা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ব্যবসা করতে পারেন। ধারণা করা হচ্ছে নিজের
প্রতিষ্ঠানের প্রচার-প্রচারণার স্বার্থে তিনি হয়ত কলাটি এত দাম দিয়ে কিনেছেন।
সূত্র:
বিবিসি
মন্তব্য করুন


সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বনাম চেন্নাই
সুপার কিংস ম্যাচে গ্যালারিতে বসে মহেন্দ্র সিং ধোনির স্ত্রী চেন্নাইয়ের ক্রিকেটারদের
কাছে আর্জি জানান তাড়াতাড়ি খেলা শেষ করতে। কারণ, বাচ্চার জন্মানোর সময় কাছে এসে পড়েছে।
এই কথা লিখে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন ধোনির স্ত্রী। তার পরেই এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।
হায়দরাবাদ-চেন্নাই ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংস চলাকালীন সাক্ষীর ইনস্টাগ্রাম স্টোরি ভাইরাল হয়। সেখানে ম্যাচের একটি দৃশ্যের ছবি দিয়ে তিনি লেখেন, “দয়া করে এই ম্যাচটা তাড়াতাড়ি শেষ করো। বাচ্চার জন্মানোর সময় চলে এল। হবু পিসির কাছ থেকে একটা ছোট্ট অনুরোধ।”
সাক্ষীর এই পোস্ট দেখে স্পষ্ট, পিসি
হতে চলেছেন তিনি। সেই কারণে, মাঠে থাকতে আর মন চাইছে না তাঁর। খেলা শেষ হলে দ্রুত ফিরতে
চাইছেন তিনি। সেই আবদারই তিনি করেছেন ধোনিদের কাছে। তবে পরিবারের কার সন্তানের জন্ম
হতে চলেছে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
সূত্র: আনন্দ বাজার
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার
দায়িত্ব আমাদের। তা নিয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
বিবিসি হিন্দিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি
এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) প্রকাশিত
ওই সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানকার সংখ্যালঘুরা আমাদের নাগরিক। তাদের
নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। এ বিষয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই। যেটা নিয়ে ভারতের
বলা প্রয়োজন সেটা হলো, গত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা।
এই প্রশ্ন করা যেতে পারে, বাংলাদেশের
বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত কী ধরনের সাহায্য করতে পারে? এ বিষয়ে কথা বলা প্রয়োজন।
আরও বলতে চাই, ভারতের গণমাধ্যম আমাদের সরকারকে নিয়ে ভুল সংবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। ভারতের
উচিত এ বিষয়ে একটা সীমা টানা। আমরা চাই, তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনা হোক এবং সম্পর্ক উন্নয়নের
প্রশ্নেও আলোচনা হোক।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আওয়ামী
লীগ জুলাই-আগস্টে যে গণহত্যা ঘটিয়েছে, সেটাকে ভারত কীভাবে দেখে, তা ভারত এখনো স্পষ্ট
করেনি। কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে। কিন্তু ভারত এ বিষয়ে
কোন কথা বলেনি। উপরন্তু, যার (শেখ হাসিনা) ওপরে এ ঘটনার দায় বর্তায়, ভারত তাকে আশ্রয়
দিয়েছে। যে ব্যক্তি তার স্বজনকে হারিয়েছে, ভারত যদি তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়, তাহলে
বাংলাদেশের জনগণ সেটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবে। আমি চাই, ভারত আমাদের সহায়তা করুক,
যাতে যারা গণহত্যা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এখানে যা কিছু
হয়েছে তা আমাদের নজরে আছে। মানুষের যে কষ্ট হয়েছে, সে সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল। এটাও
মনে রাখতে হবে, যদি সময়মতো (গণঅভ্যুত্থানের পরপর) ব্যবস্থা না নেওয়া হতো, তাহলে পরিস্থিতি
আরও খারাপ হতো। দুর্গাপূজার কথাই ধরেন। বলা হচ্ছিল, আরও সহিংসতা হবে। আমরা আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করেছি। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হয়েছে।
আমাদের সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কথা বলেছে, আশ্বস্ত করেছে। তারাও এতে আশ্বস্ত হয়েছেন।
আমি তো বলব, অন্য কোনো সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেনি, যা আমরা
গত তিন মাসে করেছি। আগের সরকারগুলো এ বিষয়ে শুধু রাজনৈতিক ফায়দা নিয়েছে। তাদের ওপর
থেকে সংখ্যালঘুদের আস্থা কমে গিয়েছিল। আমাদের এসব ঠিক করতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি,
তাদের কিছু বিষয় আছে, যা এখনই সমাধান হওয়ার নয়। এজন্য আমাদের সময় দিতে হবে। আওয়ামী
লীগ সরকারের বিদায়ের পর কিছু উগ্র ও কট্টরপন্থি সংগঠনের তৎপরতা বাড়তে পারে। এ কারণে
শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতের নিরাপত্তারও সমস্যা হতে পারে—এ প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনো কোনো সহিংসতা বা উগ্রবাদী সংগঠনকে সমর্থন করে না। বাংলাদেশের
মানুষ গণতান্ত্রিক সরকার চায়। আপনি যা বলছেন সেটা আওয়ামী লীগের প্রচার করা অসত্য বয়ান।
তারা বলত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর তৎপরতা বেড়ে যাবে। এসব
বলে বলে তারা এত বছর বাংলাদেশ শাসন করেছে। ভারতও এই বয়ান সমর্থন করে। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশে
আওয়ামী লীগ সরকারে থাক বা না থাক, এটা দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে কেন প্রভাব পড়বে?
এর মানে হলো, ভারত এ দেশের মানুষের সঙ্গে নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছিল।
বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে এ প্রশ্ন উঠত না। যেমন- আমরা দেখি না ভারতে
কে ক্ষমতায়, বিজেপি না কংগ্রেস। সে রকমই এখানেও এটাই হওয়া উচিত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
আছে না নেই, সে প্রশ্ন থাকা উচিত নয়। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আমি শুধু এটাই বলব, বিষয়গুলো
আওয়ামী লীগের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখাই উচিত। আমরা দুই দেশ একে অপরকে সঙ্গ দিলে উভয়ের
কল্যাণকর কাজ করা সম্ভব। আমরা কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করিনি। কোনো প্রকল্পও
বন্ধ করিনি। সবকিছু আগের মতোই চলছে।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ইলিশ ভারতে উপহার হিসেবে যাচ্ছে
না, রপ্তানি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, যারা ইলিশ চাচ্ছেন, তারাও
কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ওপার থেকে অনেক সমর্থন দিয়েছেন। ইলিশ রপ্তানি করা
হচ্ছে, রপ্তানির টাকা বাংলাদেশ সরকার পাবে। সেটা খুব ছোট করে দেখার মতো টাকা না।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার
দিকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর রেগুলেটর এলাকা পরিদর্শন শেষে সুইডেন
প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী একে জুয়েলের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা
বলেন।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন,
বাংলাদেশ থেকে ইলিশ এখনো যায়নি। শুধু একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে। তার আগেই তো দাম বেড়ে গেছে।
কাজেই রপ্তানি হলে দাম বাড়বে এ কথাটা ঠিক না। যেটা সরকারের বিবেচনায় আছে। যারা ইলিশটা
চাচ্ছে, তারাও কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ওপার থেকে অনেক সমর্থন দিয়েছে। সেটা
আমরা সবাই দেখেছি। আমরা খুব সহজে কথা বলে ফেলি। সব সময় মনে রাখতে হবে, প্রতিবেশীর সঙ্গে
অনেক বিষয়ে আমাদের আলাপ আলোচনা করতে হবে। সেই আলোচনার ধারাটা ছোট ছোট বিষয়ে বন্ধ হয়ে
যাক, সেটা আমরা চাই না।
রেগুলেটর এলাকা পরিদর্শনের সময় উপদেষ্টার
সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান, নোয়াখালী জেলা
প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার
হোসেন পাটোয়ারীসহ অনেকে।
উল্লেখ্য, দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিন হাজার
মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সোমবার বাংলাদেশের কর্মকর্তা, এনজিও এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দকে
বাকুতে কপ২৯ সম্মেলনে দেশের জলবায়ু সংকটের উদ্বেগ তুলে ধরতে অতিরিক্ত প্রচেষ্টা চালাতে
বলেছেন।
জাতিসংঘের
বার্ষিক জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিতে আজারবাইজানের রাজধানীতে
পৌঁছার পরপরই বাকুতে তিনি এ আহ্বান জানান।
তিনি
বাকুর একটি হোটেলে সমন্বয় সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে বলেন, আমাদের প্রধান প্রচেষ্টা
হবে আমাদের উদ্বেগ ও দাবিগুলি কপ২৯-এর চূড়ান্ত ঘোষণায় অন্তর্ভুক্ত করা’।
বৈঠকে
পরিবেশ সচিব ফারহিনা আহমেদ সম্মেলনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান
সম্পর্কে কর্মকর্তাদের অবহিত করেন।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশ শীর্ষ সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়ন, ক্ষতি ও প্রশমন এবং শুধু রূপান্তর ও
অভিযোজন প্রক্রিয়াসহ সকল প্রধান ক্ষেত্রে আলোচনার জন্য নয়টি দল গঠন করেছে। বাংলাদেশের
অন্তত ২৯টি এনজিও এবং সুশীল সমাজ গোষ্ঠী কপ২৯-এ যোগ দিচ্ছে। গ্লোবাল নর্থের ধনী দেশগুলোর
আশ্বাস সত্ত্বেও বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৩৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান এবং ২৫০ মিলিয়ন
মার্কিন ডলার ঋণ জলবায়ু অর্থায়ন হিসেবে পেয়েছে।
এর
আগে বিকেল ৫.১৫ মিনিটে স্থানীয় সময় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
বাকু পৌঁছান।
তিনি
আগামীকাল (মঙ্গলবার) কপ২৯-এর মূল শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন।
মন্তব্য করুন


সৌদি
আরবের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই আগামীকাল (মঙ্গলবার) ৩০ রমজান
পূর্ণ হবে। তাই দেশটিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে বুধবার।
আজ
সোমবার (৮ এপ্রিল) ইনসাইড দ্য হারামাইনের ফেসবুক পেজে চাঁদ উঠার এই তথ্য জানানো হয়।
তবে
আগেই সৌদি আরবের চাঁদ দেখার দায়িত্বে থাকা প্রধান জ্যোতির্বিদ আব্দুল্লাহ আল খুদাইরি
জানিয়েছিলেন, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় চাঁদ দেখা খুব কঠিন হয়ে যাবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে পাঁচটি কূটনৈতিক দলিলে স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর
মধ্যে একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক এবং একটি লেটার অব ইনটেন্ট বা অভিপ্রায়পত্র
রয়েছে।
শুক্রবার থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা তাভিসিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ব্যাংককে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল হাই এবং থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. প্রাণপ্রী বাহিদ্ধা নুকারাসহ প্রমুখ।
বৈঠকের আগে থাই প্রধানমন্ত্রী জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে
স্বাগত জানান। এরপর থাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গভর্নমেন্ট হাউসে দেশটির প্রধানমন্ত্রী
স্রেথা থাভিসিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এসব দলিলে স্বাক্ষর করেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত চুক্তি, জ্বালানি,
পর্যটন ও শুল্ক সংক্রান্ত পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ক তিনটি সমঝোতা স্মারক এবং মুক্তবাণিজ্য
চুক্তির আলোচনা শুরুর জন্য একটি লেটার অব ইন্টেন্ট সই হয়।
দুপুরে থাইল্যান্ডের রাজধানীর গভর্নমেন্ট হাউজে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসকল
তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
বৈঠক নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা তাভিসিনের অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ
পরিবেশে বৈঠক হয়েছে। প্রথমে তারা একান্তে কথা বলেন, এরপর দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক
বৈঠক হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যাসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি
বর্ণনা করার পাশাপাশি বাংলাদেশের ১০০টি ইকোনমিক জোন ও আইটি ভিলেজে থাই বিনিয়োগের আহ্বান
জানান। থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা চাইলে প্রয়োজনে বাংলাদেশে তাদের জন্য বিশেষ ইকোনমিক
জোন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে আসা প্রায় ১.৩ মিলিয়ন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ
আশ্রয় দিয়েছে। তাদের জন্য বাংলাদেশে যেসব সমস্যা হচ্ছে বৈঠকে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে
বলে জানান ড. হাছান।
তিনি বলেন, থাইল্যান্ডেও অনেক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছেন। এখনো অনেকে আসছেন। থাইল্যান্ডও
এই পালিয়ে আসা মানুষদের ভারে জর্জরিত। এ সমস্যা সমাধানে উভয় প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের
একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বুধবার ব্যাংককে পৌঁছান। বৃহস্পতিবার ব্যাংককে জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে
জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনএসকাপ)
৮০তম অধিবেশনে যোগ দেন শেখ হাসিনা। সফর শেষে ২৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা
রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সোমবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এ সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। ড. ইউনূস গত ৮ আগস্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জ্যাক সুলিভান বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং রাজনৈতিক, নির্বাচন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার উদ্যোগের জন্য অধ্যাপক ড. ইউনূসের প্রশংসা করেন।
এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করায় অধ্যাপক ইউনুসকে ধন্যবাদ জানান তিনি এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অব্যাহত মার্কিন সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন।
ফোনালাপের সময় তারা বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বাংলাদেশে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা কাটিয়ে উঠতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সুলিভান অধ্যাপক ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য মার্কিন সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক সফরের সময় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, আগামী জানুয়ারির মধ্যে ছয়টি প্রধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট পাওয়ার প্রত্যাশা করছি। এরপর সংস্কার ও নির্বাচনের জন্য জাতিকে প্রস্তুত করতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন


ব্রাজিলের তরুণ গায়ক
ডার্লিন মোরাইস মাকড়সার কামড়ে মুখমণ্ডলে আহত হয়ে মারা গেছেন।
তার স্ত্রী জুলেনি
লিসবোয়ার বরাতে জানিয়েছে সোমবার মোরাইসের মৃত্যু হয়েছে। পরে গায়কের পরিবার
মোরাইসের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকেও তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ।
গায়কের স্ত্রী জুলেনি
লিসবোয়ার জানিয়েছেন, শনিবার মোরাইস ক্লান্তি অনুভব করেন, তার চোখমুখ দ্রুত কালো
হতে থাকে। রোববার তাকে জেনারেল হাসপাতাল অব পালমাসে ভর্তি করা হয়। তবে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়েছে ।
ব্রাজিলের জনস্বাস্থ্য
বিভাগ মৃত্যুর কারণ খুঁজতে তদন্ত করছে। মোরাইসের সঙ্গে তার ১৮ বছর বয়সী সৎমেয়েও
মাকড়সার কামড়ে আহত হয়েছেন। তিনিও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে,মেয়ের অবস্থা
স্থিতিশীল।
মন্তব্য করুন