

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গোমতী -মেঘনা সেতুর সুরঙ্গ থেকে অস্ত্র, গুলি, ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ।
গতকাল বুধবার (১৫অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের দাউদকান্দি ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল এ অভিযান পরিচালনা করে সেতুর সুরঙ্গ থেকে একটি অস্ত্র, দুটি গুলি, ইয়াবা ট্যাবলেট এবং গাঁজা উদ্ধার করেন।
সেনাবাহিনী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায় , ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি ব্রিজে যানজটের সুযোগে এই অস্ত্র ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ ছিনতাই বা ডাকাতি সংগঠিত করার হয়তো পরিকল্পনা ছিল। পাশাপাশি, গোমতী ও মেঘনা নদীতে ডাকাতির ক্ষেত্রেও এই অস্ত্র ব্যবহার হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।
অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ জুনায়েত চৌধুরী বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও মাদকের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং গ্রেফতারে পুলিশের একটি দল কাজ করছে ।
মন্তব্য করুন


প্রেম
করতে গিয়ে প্রায়ই বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করে বেড়ান প্রেমিক-প্রেমিকা। এবার ভয়ংকর ঝুকিপূর্ণ
কাজ করেছেন এক যুগল। নিরিবিলি স্থান না পেয়ে সরাসরি পণ্যবাহী ট্রেনের নিচে ঘনিষ্ঠ হওয়ার
চরম ঝুঁকি নিলেন ভারতের বিহারের এক যুগল। তাদের সেই বেপরোয়া কাণ্ড চলার সময় হঠাৎ ট্রেন
চলতে শুরু করলে চরম বিপদের সৃষ্টি হয়। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার ভিডিওটি ইতোমধ্যে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
বিহারে
ঘটা এই দৃশ্যে দেখা যায়—রেললাইনে বসে গভীরভাবে একে অপরকে জড়িয়ে
আছেন প্রেমিক-প্রেমিকা। তারা এতটাই প্রেমে মগ্ন ছিলেন যে মাথার ওপর একটি পণ্যবাহী ওয়াগন
দাঁড়িয়ে আছে—সেই কথা যেন ভুলেই গিয়েছিলেন। এমন সময় হঠাৎ ট্রেনের তীক্ষ্ণ
বাঁশি বেজে ওঠে এবং ট্রেনটি ধীরে ধীরে চলতে শুরু করে। দৃশ্যটির পাশেই থাকা কয়েকজন
প্রত্যক্ষদর্শী আতঙ্কে চিৎকার দিতে থাকেন এবং দ্রুত মোবাইলে সেই দৃশ্য ধারণ করতে শুরু
করেন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা টের পেয়ে অনেকটা সিনেমার দৃশ্যের মতোই কোনোমতে ট্র্যাক থেকে
লাফিয়ে পড়ে হামাগুড়ি দিয়ে রেললাইন থেকে সরে আসেন ওই প্রেমিক যুগল।
মন্তব্য করুন


প্রতি সপ্তাহে ২০০ জন শহীদের পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ
সম্পাদক সারজিস আলম।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারকে আর্থিক
সহযোগিতার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’ শিরোনামে ফাউন্ডেশনের
পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা করা শুরু হবে শনিবার। এদিন চারটি সেগমেন্টে চেক হস্তান্তরের
কাজ চলবে। ৮ বিভাগেই শহীদ পরিবারকে সহযোগিতার কাজ করা হবে। প্রথম ধাপে ঢাকা বিভাগ নিয়ে
কাজ চলছে। ভুয়া নম্বর থেকে কল দেয়া হচ্ছে, যা আমাদের নয়। ১৬০০০ নম্বরটি থেকে শহিদ
পরিবারে কল দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক টাকার হিসাব যেন দিতে পারি, সেভাবে কাজ চলছে। আহতদের
তালিকায় রয়েছে ২৪ হাজার। নিহত ১৬শ’র বেশি। তথ্য বারবার যাচাই করা হচ্ছে। আহতদের পুনর্বাসনের
কাজও করা হবে।
নভেম্বরের মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হলে ডিসেম্বরে সবার কাছে সহযোগিতা
পৌঁছে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ এবং আহতদের
পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সার্বিক গুণাবলির প্রতিফলন
ঘটিয়ে বাহিনীর ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে বিজিবির নবীন সৈনিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি
বলেন, ‘সততা, বুদ্ধিমত্তা, নির্ভরযোগ্যতা, আনুগত্য, তেজ ও উদ্দীপনা একটি বাহিনীর শৃঙ্খলা
ও পেশাগত দক্ষতার মাপকাঠি।
নবীন
সৈনিকরা এসব গুণাবলির প্রতিফলন ঘটিয়ে বাহিনীর ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখবে।’
আজ
বুধবার ( ১৪ জানুয়ারি ) সকালে মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, যিনি কৃষি মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বপ্রাপ্ত
উপদেষ্টা, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বিজিবির প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান
'বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজ (বিজিটিসিএন্ডসি)'-এর ‘বীর উত্তম মজিবুর রহমান
প্যারেড গ্রাউন্ডে’ ১০৪তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ২৩০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই বাহিনী কালের পরিক্রমায় আজ একটি সুসংগঠিত,
চৌকস, সুশৃঙ্খল ও পেশাদার দেশপ্রেমিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।
তিনি
বলেন, ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ হিসেবে বিজিবি দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কি.মি.
দীর্ঘ সীমান্ত সুরক্ষার মাধ্যমে দেশমাতৃকার অখণ্ডতা রক্ষা ও সীমান্তের নিরাপত্তা বিধানে
কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।
এছাড়াও
চোরাচালান রোধ, মাদক ও মানবপাচার রোধসহ যে কোনো আন্ত:সীমান্ত অপরাধ দমন, দেশের অভ্যন্তরীণ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বিজিবি
অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে দেশবাসীর আস্থা অর্জনে সক্ষম
হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নবীন
সৈনিকদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘শৃঙ্খলা হচ্ছে সৈনিক জীবনের অলংকার
। আদেশ ও কর্তব্য পালনে যে কখনো পিছপা হয় না সেই প্রকৃত সৈনিক।’
তিনি
বিজিবি’র চারটি মূলনীতি ‘মনোবল, ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও দক্ষতা’-এ
উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত হয়ে বিজিবি’র ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুশৃঙ্খল ও সুচারুরূপে
পালন করে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার সুমহান দায়িত্ব পালনে সদা জাগ্রত থাকতে
নবীন সৈনিকদের আহ্বান জানান।
আসন্ন
সাধারণ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন
করার জন্য প্রায় ৮.১৭ লক্ষ নিরাপত্তা কর্মী নিয়োজিত থাকবেন। তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশের
৪৬৭টি উপজেলায় ৩৭ হাজার ৩৫৩ জন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হবে।’
তিনি
নবীন সৈনিকদের নতুন জীবনে পদার্পণের শুভলগ্নে তাদের স্বাগত জানান। এছাড়া তিনি তাদের
কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন।
বিজিটিসিএন্ডসি
বিগত ৪৪ বছর ধরে বিজিবির নতুন রিক্রুটদের প্রশিক্ষণ দিয়ে 'সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী'
হিসেবে গড়ে তুলছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ৭২টি ব্যাচকে
সফলভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে এই প্রতিষ্ঠান।
প্রায়
চারমাস ব্যাপী ১০৪তম রিক্রুট ব্যাচে ৩ হাজার ২৩ জন (পুরুষ ২ হাজার ৯৫০, মহিলা ৭৩) রিক্রুটকে
মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
বর্তমান
অন্তবর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনায় এবং বিজিবি সদর দপ্তরের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে
প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলে এই চ্যালেঞ্জিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা হয়েছে।
সব
বিষয়ে সেরা নবীন সৈনিক হিসেবে রিক্রুট আল ইমরান (১৫৫) প্রথম স্থান অর্জন করেন। এছাড়া
শারীরিক উৎকর্ষতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন শপিকুল ইসলাম (২৭৬৯) ও লুবনা খাতুন (১৫১৫)
এবং শ্রেষ্ঠ ফায়ারার শফিকুর রহমান তামিম (১৩৪৭) ও
নাহিদা আক্তার (১৫৩১)।
উপদেষ্টা
নবীন রিক্রুটদের নান্দনিক কুচকাওয়াজ ও সফল আয়োজনের জন্য বিজিবি মহাপরিচালক সহ সংশ্লিষ্ট
সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান।
সমাপনী
কুচকাওয়াজে বিজিবি’র প্রশিক্ষিত সদস্যদের অংশগ্রহণে আকর্ষণীয়
ট্রিক ড্রিল এবং বিজিবি’র সুসজ্জিত বাদকদল কর্তৃক মনোজ্ঞ ব্যান্ড
ডিসপ্লে করা হয়।
তিনি
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর অব্যাহত অগ্রযাত্রা এবং নবীন সৈনিকদের সর্বাঙ্গীন সাফল্য
কামনা করেন।
নবীন
রিক্রুটদের নান্দনিক কুচকাওয়াজ ও সফল আয়োজনের জন্য বিজিবি মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে
আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান উপদেষ্টা।
এরপর
নবীন সৈনিকদের চৌকস দল কর্তৃক মাননীয় উপদেষ্টা’কে সশস্ত্র সালাম প্রদানের মাধ্যমে
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপদেষ্টা নবীন সৈনিকদের শপথ গ্রহণ ও প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ
পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।
এ
সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নাসিমুল গনি, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল
মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বিজিটিসিএন্ডসি'র কমান্ড্যান্ট উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন
ফারহানা হাঁস প্রতীক পেয়েছেন। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়
থেকে প্রতীক সংগ্রহ করেন তিনি।
আজ বুধবার দুপুরে
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের
৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রতীক পাওয়ার
পর উচ্ছ্বসিত রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, আমি আমার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের
চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারাই আমাকে আজকের এই জায়গায় এনেছেন। তারা যখন আমাকে দেখেন, ছোট
ছোট বাচ্চারা চিৎকার করে বলে-আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা। তাই এই মার্কাটা
আমার ভোটারদের মার্কা, শুধু আমার নয়।
নিজের পালিত
হাঁস চুরির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি হাঁস পালতাম। আমার হাঁসগুলো যখন চুরি হয়েছিল,
আমি চোরকে ছাড়িনি। মামলা করেছি, জেলেও ভরেছি। আমার এই হাঁস প্রতীক যদি কেউ চুরি করার
চিন্তাও করে, আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২
আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত
করেন, তারা যেভাবে বলবেন, যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই এই এলাকার উন্নয়ন করব।"
রিটার্নিং কর্মকর্তার
কার্যালয় সূত্র জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী তাদের
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এতে চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮ জনে।
এর মধ্যে দলীয়
প্রার্থীরা নিজ নিজ দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক
পেয়েছেন।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬
(বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী
জোনায়েদ সাকি তার দলীয় প্রতীক মাথাল বরাদ্দ পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


দেশে
বর্তমানে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ পরিমাণ খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা
আলী ইমাম মজুমদার। তিনি জানান, সরকারি গুদামগুলোতে এখন প্রায় ২০ লাখ ২৭ হাজার ৪২০ মেট্রিক
টন খাদ্যশস্য জমা রয়েছে।
আজ
রোববার ( ৪ জানুয়ারি ) সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ
তথ্য জানান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত শোকের কারণে ১ জানুয়ারির
নির্ধারিত এই সংবাদ সম্মেলনটি পিছিয়ে আজ ৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।
উপদেষ্টা
জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারিতে খাদ্যশস্যের এই মজুদ গত পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
মজুদের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৭৮৭ মেট্রিক টন
চাল, ২ লাখ ৩৩ হাজার ২২৪ মেট্রিক টন গম এবং ৯৭ হাজার ৪০৯ মেট্রিক টন ধান সরকারি সংগ্রহে
রয়েছে।
অতীতের
মজুদের তুলনা করে তিনি জানান, এর আগে ২০২২ সালে সর্বোচ্চ ১৮ লাখ ৮১ হাজার টন মজুদ
ছিল। এছাড়া ২০২৩ সালে ১৮ লাখ ২ হাজার টন, ২০২১ সালে ৭ লাখ ২৬ হাজার টন, ২০২৪ সালে ১৫
লাখ ৫২ হাজার টন এবং ২০২৫ সালে ১১ লাখ ৮৮ হাজার টন খাদ্যশস্য মজুদ ছিল।
খাদ্যশস্য
সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ফুড মনিটরিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
৫শ মেট্রিক টন ধান, ৬ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ৫৭ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের
লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
উপদেষ্টা
বলেন, তবে ইতোমধ্যেই সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩১ হাজার মেট্রিক
টন ধান, ৭ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ৫৭ হাজার ৫৯৬ মেট্রিক টন আতপ চাল
সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।
উপদেষ্টা
বলেন, ‘আমাদের খাদ্য পরিস্থিতি সন্তোষজনক এবং আপনারা জানেন কৃষি অত্যন্ত প্রকৃতি নির্ভর
একটা জিনিস এবং বিশেষ করে আমাদের মত দেশে। এটা অত্যন্ত সংবেদনশীল জিনিস, পরবর্তী ফসল
ভালো হলে আমরা এই বছরটা নিরাপদে কাটাতে পারব।’
বর্তমান
অবস্থা স্বস্তিদায়ক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের পাবলিক ফুড ডিস্ট্রিবিউশন
সিস্টেম অত্যন্ত সচল ও সক্রিয় আছে। এর মাধ্যমে আমরা চলমান কর্মসূচিগুলি পরিচালনা করতে
পারছি এবং পারব।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি অভিযানিক দল চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার আব্দুল্লাহপুর এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আব্দুল হালিম ইমন (৩৮) নামক একজন চিহ্নিত অপরাধীকে আটক করতে সক্ষম হয়। তার নিকট হতে ০১টি শট গান, ০২ রাউন্ড থ্রিনট থ্রি এ্যামোনিশন, ০২ রাউন্ড ৭.৬২ মিঃমিঃ ব্ল্যাংক এ্যামোনিশন, ০৬ রাউন্ড পিস্তলের এ্যামোনিশন, ০৭ রাউন্ড শর্ট গানের এ্যামোনিশন, ১১ রাউন্ড শর্ট গানের ফায়ারকৃত কার্তুজ, ০১টি চাইনিজ কুড়াল এবং ০২টি রাম দাসহ বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। উক্ত ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে স্থানীয় পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের নীরব সঙ্গী গৃহকর্মী
ছিলেন ফাতেমা বেগম। এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছায়ার মতো খালেদা জিয়ার
পাশে ছিলেন তিনি। সেই ছায়াসঙ্গী ফাতেমাকে চিরবিদায় জানালেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
রাজনীতির
ইতিহাসে যেখানে নেতা, আন্দোলন, ক্ষমতা ও কারাগারের গল্প বারবার উঠে আসে। সেখানে অনেক
সময় আড়ালে থেকে যায় কিছু নীরব মুখ। আলোয় না থেকেও যারা ইতিহাসের সাক্ষী হন। বেগম খালেদা
জিয়ার জীবনে সেই নীরব সাক্ষীর নাম ফাতেমা বেগম।
দেড়
দশকেরও বেশি সময় ধরে গৃহকর্মীর পরিচয় ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন খালেদা জিয়ার একান্ত
সঙ্গী। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, গৃহবন্দিত্বের দীর্ঘ সময়, হাসপাতালের নিঃসঙ্গ রাত
কিংবা বিদেশ সফরের নীরব করিডর সবখানেই নিঃশব্দে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
ফাতেমা
বেগমের জন্ম ভোলার সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের শাহ-মাদার গ্রামে। রফিকুল ইসলাম ও মালেকা
বেগম দম্পতির পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন জ্যেষ্ঠ। অল্প বয়সেই সংসারের দায়িত্ব
কাঁধে নিতে হয় তাকে। একই ইউনিয়নের কৃষক মো. হারুন লাহাড়ির সঙ্গে বিয়ের পর মেঘনা নদীর
চরে কৃষিকাজ করেই চলছিল সংসার।
তাদের
সংসারে জন্ম নেয় মেয়ে জাকিয়া ইসলাম রিয়া ও ছেলে মো. রিফাত। তবে ২০০৮ সালে ছেলের বয়স
মাত্র দুই বছর থাকতেই অসুস্থ হয়ে মারা যান তার স্বামী। এক মুহূর্তে বদলে যায় জীবনের
পথচলা। দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি ফিরে যান বাবার বাড়িতে। কিন্তু মুদি দোকানি বাবার সামান্য
আয় সংসারের ব্যয় মেটাতে না পারায় কঠিন সিদ্ধান্ত নেন ফাতেমা। সন্তানদের গ্রামে রেখে
কাজের খোঁজে ঢাকায় পাড়ি জমান।
২০০৯
সালে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি কাজ পান বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে। সেখান
থেকেই শুরু হয় এক দীর্ঘ সহযাত্রা। রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এক নেত্রীর দৈনন্দিন
জীবনের নীরব সাক্ষী হয়ে ওঠেন তিনি। বাথরুমে নেওয়া–আসা, ওষুধ খাওয়ানো, শারীরিক দুর্বলতায়
হাত ধরে রাখা এসব কাজ তার কাছে শুধু দায়িত্ব ছিল না, ছিল সম্পর্কের দায়।
২০১৪
সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচির সময় গুলশানের বাসভবনের সামনে
বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে পথ অবরুদ্ধ করা হয়। গাড়িতে উঠেও বেরোতে না পেরে ফিরোজার দোরগোড়ায়
দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন খালেদা জিয়া। পুলিশের চাপের মধ্যে শরীরের ভার সামলাতে
না পারার মুহূর্তে নীরবে তার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন ফাতেমা। ক্যামেরার ফ্রেমে
ধরা পড়ে যায় সেই মানবিক দৃশ্য।
২০১৮
সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আদালতের রায়ে খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে আইনজীবীরা আবেদন করেন,
তার গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম যেন সঙ্গে থাকতে পারেন। আদালতের অনুমতিতে ছয় দিন পর তিনি
নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াই
স্বেচ্ছায় হয়ে ওঠেন কারাবন্দি।
২০২১
সালের এপ্রিল মাসে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৩ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া।
যখন মহামারির ভয়ে প্রিয়জনের কাছেও যেতে মানুষ দ্বিধায় ছিল, তখন ফাতেমা ছিলেন অবিচল
সেবিকা হয়ে, সাহস হয়ে, ছায়া হয়ে।
সবশেষ
লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার সময়ও খালেদা জিয়ার সঙ্গেই ছিলেন তিনি। আগের বিদেশ সফরগুলোতেও
নীরবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফাতেমা
বেগম কোনো রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন না, কোনো পদও ছিল না। তবু ইতিহাসের কঠিন মুহূর্তগুলোতে
তার উপস্থিতি ছিল অবিচ্ছেদ্য। তিনি প্রমাণ করে গেছেন সব সম্পর্ক ক্ষমতার নয়, কিছু সম্পর্ক
শুধু দায়িত্ব আর মানবিকতার। রাজনীতির কোলাহলের ভিড়ে তিনি ছিলেন এক নীরব নাম। কিন্তু
সেই নীরবতাই তাকে আলাদা করে চিহ্নিত করে।
মন্তব্য করুন


মহান মুক্তিযুদ্ধের
বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা
হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার
বিকেলে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে
তিনি সাভারের পথে রওনা হন। তবে নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে সূর্যাস্তের
আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমানের পক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বিএনপির মিডিয়া
সেলের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, মহান জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে নিয়ম
অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী
দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত
ছিলেন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায়, ড. আব্দুল মঈন খান। বিএনপি চেয়ারপার্সনের
উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, লুৎফুজ্জামান বাবর। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা
জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক এবং সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।
এছাড়া আরও
উপস্থিত ছিলেন ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তমিজউদদীন, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ,
আইয়ুব খান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল
কবির খান।
মন্তব্য করুন


৮০২ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগে ইসির চিঠি
দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে পাঠানো নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে সারাদেশে ২৮ নভেম্বর (মঙ্গলবার) থেকে ৮০২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য বলা হয়েছে।
চিঠিতে জানানো হয়, আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতায় আচরণবিধি প্রতিপালনার্থে প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় প্রয়োজনীয় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে আর এ লক্ষ্যে ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় ২৮ নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা প্রয়োজন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তার নিরিখে বিভাগীয় কমিশনারের পরামর্শক্রমে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা উল্লিখিত সংখ্যার কম-বেশি করতে পারবেন। এছাড়া প্রত্যেক জেলায়, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন ১/২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতিরিক্ত হিসেবে নিয়োজিত রাখতে হবে। যাতে জরুরি প্রয়োজনে যে কোনো স্থানে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
চিঠিতে ইসি আরো জানিয়েছে, ভোট গ্রহণের কয়েকদিন আগে থেকে শুরু করে ভোটগ্রহণের ২ দিন পর পর্যন্ত অথবা কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে বিশেষ করে বিজিবি বা অনুরূপ বাহিনীর প্রতি টিম বা প্লাটুনের সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হবে। ওই সময় আচরণবিধি প্রতিপালন সংক্রান্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সংখ্যা হ্রাস করার প্রয়োজন হবে।
চিঠিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি প্রতিপালনে উপরের বর্ণনা মোতাবেক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসি।
মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ছাড়াও ভোটগ্রহণের কয়েকদিন আগে থেকে ভোটগ্রহণের পর পর্যন্ত কিছু সংখ্যক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্বাচনী এলাকায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজেও নিয়োজিত করার প্রয়োজন হবে।
এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের ধরনের বিষয়ে চিঠিতে ইসি জানায়, প্রতি উপজেলায় ১ জন, তবে ১৫টি ইউনিয়নের অধিক (পৌরসভাসহ) ইউনিয়ন বিশিষ্ট উপজেলায় ২ জন, জেলা সদরের এ ক্যাটাগরির পৌরসভায় ১ জন, তবে ৯ ওয়ার্ডের অধিক হলে ২ জন। আর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১১, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৫, চট্টগ্রাম সিটিতে ১০, খুলনা সিটিতে ৬, গাজীপুর সিটিতে ৪ এবং অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনে ৩ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬৬৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা এ বছর একদিনে ভর্তি রোগীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সংখ্যা। এ সময়ে এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মারা যাওয়া শিশুটি ছেলে (১৩)। সে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোতে ২২৪ জন, বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশন বাদে) ১৩৫ জন, ঢাকা বিভাগে ১২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৯ জন, খুলনা বিভাগে ৬৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৯ জন, রংপুর বিভাগে ১৪ জন ও সিলেট বিভাগে ২ জন ভর্তি হয়েছেন।
এই রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়াদের মধ্যে ৮১ জন পুরুষ ও ৬৬ জন নারী। এছাড়া, এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩৭ হাজার ২০৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মন্তব্য করুন