

ঢাকা
দক্ষিণ ও উত্তরসহ দেশের ১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে অপসারণ করা হয়েছে।
স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত
এক প্রজ্ঞাপনে আজ (১৯ আগস্ট) এ কথা জানানো হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ১৩ক প্রয়োগ করে এসব সিটি
কর্পোরেশনের মেয়রদের স্ব স্ব পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয়েছে।
যে
১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়েছে এগুলো হলো- ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর,
চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর ও
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
এ
ছাড়া অন্য এক প্রজ্ঞাপনে ১২টি সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর
ও ঢাকা দক্ষিণ এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অতিরিক্ত সচিব ও সমমর্যাদার চার কর্মকর্তাকে
প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম,
খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বিভাগীয় কমিশনারদের
প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) প্রয়োগ
করে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রশাসকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে
উল্লেখ করা হয়েছে।
এদের
মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব
ড. মো. শের আলীকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় সরকার বিভাগের মহাপরিচালক
(অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহমুদুল হাসানকে ঢাকা
উত্তর সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রামের বিভাগীয়
কমিশনারকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, খুলনার বিভাগীয় কমিশনারকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন,
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারকে সিলেট
সিটি কর্পোরেশনে, বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে, স্থানীয়
সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ. এইচ. এম কামরুজ্জামানকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,
কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)কে
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, রংপুরের বিভাগীয়
কমিশনারকে রংপুর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
এবং ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ
দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের
কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন। আগামী ১৩
মে তাঁর বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।বাংলাদেশ সংবাদ
বিশেষ
সূত্রে জানা যায়, ডাকসু নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আকদের
অনুষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে রাজধানীর
একটি কনভেনশন সেন্টারে বিয়ের মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ডাকসু
ভিপির হবু স্ত্রীর নাম আনিকা ফরায়েজি। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক (এমবিবিএস)। তাঁর গ্রামের
বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। আনিকা ফরায়েজির বাবা রিলায়েন্স গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান
এবং প্রবাসীবাংলা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও
তিনি আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
সাদিক
কায়েমের বিয়ের খবরটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
বিশেষ করে ডাকসুর বিভিন্ন নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফেসবুকে এই খবর
শেয়ার করছেন। ডাকসু নেতা মাজহারুল ইসলামের তৈরি করা একটি ডিজিটাল বিয়ের কার্ড ফেসবুকে
ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়।
সংশ্লিষ্ট
সূত্রে আরও জানা গেছে, বিয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের
দাওয়াত দেওয়া শুরু হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ডাকসুর সাবেক প্রতিনিধিদের
বড় একটি অংশ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে সাদিক কায়েমের পক্ষ থেকে
সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিয়ের কার্ড
ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তাঁর অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
ডেমরা পুলিশ লাইন্সের বহুতল ভবন থেকে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক কনস্টেবলের ঝুলন্ত
মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সাইদুলের এমন মৃত্যুর খবরে তার গ্রামের বাড়ি ফেনীতে চলছে শোকের
মাতম। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার মা।
আত্মহত্যার
আগে ফেসবুকে স্ত্রীর উদ্দেশ্যে একটি আবেগঘন দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছিলেন সাইদুল ইসলাম।
সাইদুল
ইসলাম ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মো. সাদেকের ছেলে। তিনি
প্রায় ৯ মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগদান করেছিলেন। কর্মসূত্রে তিনি
ডেমরা পুলিশ লাইন্সে থাকতেন।
সাইদুলের
মৃত্যুর খবর ফেনীর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিবারের
একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় তার মা। প্রতিবেশীরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা
করলেও তার কান্নায় পুরো এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
কাঁদতে
কাঁদতে সাইদুলের মা বলেন, ‘মাগরিবের নামাজের পরও ছেলের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। ভালোবাসা
আর পরিবারের অমতে গিয়ে করা বিয়েই যেন ছেলের জন্য কাল হলো।’
সাইদুল
ইসলামের চাচা মো. সোহাগ জানান, কিছুদিন আগে প্রেমের সম্পর্কের জেরে ফেনীর সোনাগাজী
উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ে করেন সাইদুল। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক
কলহ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে তাদের বিয়ে বিচ্ছেদও ঘটে। বিয়ের মাত্র দেড়
মাসের মাথায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিচ্ছেদ মেনে নিতে পারেননি সাইদুল। বিচ্ছেদের পর থেকেই
সাইদুল চরম মানসিক বিষণ্নতায় ভুগছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত বিরহ সইতে না পেরেই এ অবস্থা।
লেমুয়ার
উত্তর চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা এম. এমরান পাটোয়ারী জানান, পুলিশ লাইন্স থেকে ফোন
করে মৃত্যুর খবরটি পরিবারকে জানানো হয়। শুক্রবার বিকেলে নিহতের বাবা মো. সাদেক ডেমরা
থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।
ফেনী
মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, ডেমরায় সাইদুল
ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন বলে লোকজনের মুখে শুনেছি। তার বাড়ি ফেনীতে।
এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডেমরা পুলিশ লাইন্সের নিজ কক্ষে
ফাঁস দেন সাইদুল। পরে সহকর্মীরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি
হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল
কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা
তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আত্মহত্যার
প্রায় ১৬ ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক আইডিতে স্ত্রীর সঙ্গে পুরোনো কিছু ছবি ও ভিডিও সংযুক্ত
করে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন সাইদুল। সেখানে বৈবাহিক জীবনের তীব্র মানসিক কষ্ট, হতাশা
ও স্ত্রীর প্রতি ক্ষোভের কথা তুলে ধরেন তিনি।
ফেসবুক
পোস্টে সাইদুল লিখেছিলেন- ‘তোমায় কেন্দ্র করে আমি যে জগৎ সাজিয়ে গুছিয়ে গড়ে তুলেছিলাম
একটু একটু করে, হঠাৎ যেন সে জগৎটাকে দুদিনেই চোখের সামনে ভেঙেচুরে চুরমার করে দিলে...
সমুদ্রের মাঝখানে তরী ডোবা মানুষ অনেকক্ষণ সাঁতার কাটার পর যেমন কূলের দেখা না পেয়ে
শেষমেষ নিয়তিকে মেনে নেয়, সাদরে গ্রহণ করে মৃত্যুকে, তেমনি আমারও যেন কিছুই করার নেই।’
সম্পর্কের
ইতি টানা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও লেখেন, ‘তোমারে ভালোবাসাটা অপরাধ? নাকি সবকিছু
উপেক্ষা করে তোমাকে বিয়ে করাটা অপরাধ? তুমি না বলছিলা, মৃত্যু ছাড়া তুমি কখনোই আমাকে
ছেড়ে যাবে না? এখন কই তুমি?’
স্ত্রীকে
বারবার সুযোগ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘মানুষকে এতটাও বিশ্বাস করতে হয় না
যে বিশ্বাস করলে নিজেরই আর বাঁচার সুযোগ থাকে না।’
পোস্টের
শেষ অংশে নিজের বাবা-মায়ের প্রতি ক্ষমা চেয়ে অত্যন্ত আবেগতাড়িত হয়ে তিনি লেখেন- ‘দুঃখিত
আম্মু-আব্বু, আপনাদের ছেলে আর নিতে পারতেছে না আম্মু, আর পারতেছে না। আর তিলে তিলে
মরার শক্তি আমার নাই। মাফ করবেন আপনাদের অযোগ্য ছেলেকে।’
মন্তব্য করুন


আজ
পর্যন্ত জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব জামায়াতে ইসলামী নেয়নি। এমনকি দলের কেউ আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিল বলেও দাবি করেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা
ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা বলিনি, আমাদের দলের এতজন শহীদ হয়েছেন। সেটা জনগণই তার সাক্ষী।
বৃহস্পতিবার
(৩০ জুলাই) দুপুরের দিকে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ
পরিবার ও আহত জুলাই
যোদ্ধাদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াতের
আমির বলেন, আন্দোলনের শুরু থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিল জামায়াত। জাতির প্রয়োজনেই দলটি বারবার মাঠে নেমেছে। আন্দোলনে আহত যোদ্ধারা আহত হওয়ার পরও পিছু হটেননি। কিন্তু জুলাই শহীদদের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে; বরং তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
তিনি
আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করেছিল। অথচ এখন রাষ্ট্রের প্রায় সবখানেই দলীয়করণ চলছে। প্রশাসনের এই নির্লজ্জ দলীয়করণ
জাতির জন্য লজ্জাজনক। বর্তমান সরকারও বৈষম্যমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে এবং আগের সরকারের পথেই হাঁটছে।
জামায়াতের
আমির বলেন, গণভোট নিয়ে জামায়াতকে আপসের জন্য নানা ধরনের প্রলোভন দেখানো হয়েছে। তবে দলটি কোনো প্রলোভনে পা দেয়নি। গণভোটের
গণরায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত
সংসদ ও রাজপথ, উভয়
জায়গায়ই জামায়াত সোচ্চার থাকবে। অন্যায়ের কাছে জামায়াত কখনও মাথানত করবে না। জনরায় উপেক্ষা করে সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। সরকারকে সেই পথ থেকে সরে
এসে জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তা বাস্তবায়নের আহ্বান
জানান তিনি।
তিনি
আরও বলেন, জনগণের অধিকার এবং সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করায় দেশের বিভিন্ন স্থানে জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। তবে যত নির্যাতন ও
হামলাই হোক না কেন, জনগণের
অধিকার আদায়ে জুলাই যোদ্ধা ও বিরোধীদলগুলো সোচ্চার
থাকবে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বেড়াতে নিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার ফুফাতো ভাই সাকিব
উদ্দিনকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১।
রোববার
(৫ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার
ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত।
এর
আগে, শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার মাইজদী বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
গ্রেপ্তার
সাকিব হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম সোনাদিয়া গ্রামের মো.
সফিকের ছেলে।
র্যাব
সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত পরস্পরের মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন। গত ৫ জুন ভুক্তভোগী
তার মায়ের সঙ্গে বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান। সেদিন ফুফাতো ভাই সাকিব তাকে গ্রাম দেখানোর
কথা বলে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি থেকে নিয়ে যান।
ঘোরাঘুরি
শেষে সন্ধ্যার দিকে সোনাদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চরচেঙ্গা বেড়িবাঁধ সংলগ্ন একটি নির্জন
স্থানে নিয়ে গিয়ে তাকে প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এরপর ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি
দেখিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান সাকিব।
স্বজনরা
পরে তাকে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে ভুক্তভোগী স্বজনদের
কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানান।
র্যাব-১১,
সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত জানান, গ্রেপ্তার
আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
সোনারগাঁয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে চলার পথে উত্ত্যক্ত ও লাথি মারার ভিডিও সামাজিকযোগাযোগ
মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। স্কুল চলাকালীন বাইরে ঘোরাফেরা করায় ওই ছাত্রীসহ দুজনকে টিসি
দিয়ে বের করে দিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এক
মাস আগের ওই ঘটনার ভিডিও গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্ত বখাটের যথাযথ শাস্তির দাবি তোলেন জনতা। নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রী
ও বখাটে কিশোরের বাড়ি সোনারগাঁর কাঁচপুর ইউনিয়নে।
খোঁজ
নিয়ে জানা গেছে, এক মাস আগে কাঁচপুরের একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ ও সপ্তম শ্রেণির দুই
ছাত্রী শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়ের পাশে
হাঁটছিল। এ সময় বখাটে এক কিশোর পেছন থেকে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে পরপর দুইবার লাথি
মারে। ছেলেটির সঙ্গে থাকা কেউ একজন সেটি মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করে। গত বৃহস্পতিবার সেটি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
এদিকে
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওই কিশোরকে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে কান ধরে উঠবস করানোর আরেকটি
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ওই ছেলেকে বলতে শোনা যায়, ‘একটি মেয়েকে আমি লাথি মেরেছি, সেই
ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেজন্য আমি মাফ চাচ্ছি। এই ভুল আমার দ্বারা আর হবে না, আমি কাঁচপুর
ছেড়ে চলে যাচ্ছি।’
এ
বিষয়ে স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়েকে লাথি মারার ভাইরাল ভিডিওটি আরও এক মাস
আগের। স্কুল চলাকালীন বাইরে ঘোরাফেরা করায় স্কুলের স্যাররা বিচার করে আমার মেয়েকে টিসি
দিয়ে বের করে দিয়েছে। তবে বখাটে ছেলের কী বিচার করেছে তা আমার জানা নেই।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। অল্প উপার্জনে কর্ম করে খাই। এখন এই স্কুলে পড়তে পারবে না।
মেয়েকে অন্য স্কুলে ভর্তি করতে হবে।’
কাঁচপুরের
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন সরকারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,
স্কুল কমিটির সিদ্ধান্তে ওই দুই ছাত্রীকে টিসি দেওয়া হয়েছে। যেহেতু ঘটনাটি স্কুলের
বাইরে তাই স্থানীয় লোকজন ছেলে ও ছাত্রীদের বিচার করেছে।
সোনারগাঁও
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, ভাইরাল ভিডিও আমাদের নজরে এসেছে। তবে পরিবারের
পক্ষ থেকে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।
মন্তব্য করুন


রপ্তানি বন্ধের নিষেধাজ্ঞার আগে সরকার ভারত থেকে আমদানির জন্য খোলা ঋণপত্রের (এলসি) ৫২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।
দ্রুত পেঁয়াজ আনতে ভারতে বাংলাদেশ দূতবাসকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রোববার চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
এ ছাড়া দেশে যৌক্তিক মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি নিশ্চিত করতে কঠোর মনিটারিং করার জন্য সব জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। তবে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে সেখান থেকে বাংলাদেশে ৫২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়। এখন এ পেঁয়াজ দ্রুত দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ভারত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগেই সেখান থেকে আমদানির জন্য ৫২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের এলসি খোলা হয়। এ পেঁয়াজ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আমরা বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। কীভাবে বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজের আমদানি বাড়ানো যায়, সে চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে টিসিবির মাধ্যমে স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে পেঁয়াজ বিক্রি অব্যাহত থাকবে।
দেশের সর্বত্র যৌক্তিক মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান বাণিজ্য সচিব।
দেশের মানুষ কষ্ট পায় এমন কিছু করা ঠিক হবে না উল্লেখ করে ব্যবসায়ীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের এ জ্যেষ্ঠ সচিব ।
তিনি বলেন, ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলো আর দেশে একদিনের ব্যবধানে পণ্যটির দাম হঠাৎ বেড়ে গেল, এটা ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল আচরণ নয়।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে অভিনেত্রী ও মডেল রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে
নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি
গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম।
পুলিশের
প্রাথমিক ধারণা, রিধির মৃত্যুর ঘটনাটি আত্মহত্যা হতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ
নিশ্চিত হতে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
ভাটারা
থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, শনিবার সকাল ৬টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি
বাসা থেকে রিধিকে উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা
জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাজহারুল
ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা কুর্মিটোলা হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ পাই। বর্তমানে তার মা
ও পরিবারের সদস্যরা থানায় আছেন। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একজনের সঙ্গে রিধির প্রেমের
সম্পর্ক ছিল। আজ ভোরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভিডিও
কলে থাকা অবস্থাতেই রিধি আত্মহত্যা করে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা মামলা নিচ্ছি।’
পুলিশ
জানিয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রিধির পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া
হচ্ছে। একই সঙ্গে তার সঙ্গে ওই ব্যক্তির সম্পর্ক ও মৃত্যুর আগে তাদের মধ্যে কী ঘটেছিল,
সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
রিধিকা
রিধি মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজে পরিচিতি পান। পরবর্তী সময়ে অভিনয়েও নিয়মিত কাজ করেন
তিনি। বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের নজরে আসেন এই অভিনেত্রী।
রিধির
অভিনীত নাটকের মধ্যে ‘এখানে মানুষ বিক্রি হয়’, ‘বহুরূপী’,
‘ডাবল হানিমুন’ ও ‘সুন্দরী’ উল্লেখযোগ্য। মডেলিংয়ের পাশাপাশি অভিনয়ে
নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের
জান- মাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে
দেশব্যাপী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ অক্টোবর ২০২৪
(শনিবার) আনুমানিক রাত ১০টার দিকে মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র
ব্রিগেড,র্যাব এবং পুলিশের সমন্বয়ে এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানে সেনাবাহিনী,র্যাব
এবং পুলিশের একাধিক দল অংশগ্রহণ করে।
নিরাপত্তাহীনতায় নিমজ্জিত মোহাম্মদপুরবাসীর জীবনে স্বস্তি আনয়নের লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর এ অভিযান সুপরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়। এই অভিযানে মোহাম্মদপুর এলাকা হতে ৪৫ জন অপরাধী (০৯ টি দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ) গ্রেপ্তার হয়। ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাপ্রাপ্তির পর থেকে মোহাম্মদপুর, আদাবর এবং শের-ই-বাংলানগর থানাধীন ১৫২ জন অপরাধী, ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৭১ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১৭২ ধরনের বিভিন্ন দেশী বিদেশী অস্ত্র, ১টি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ নেশাজাত দ্রব্য উদ্ধার হয়। সন্ত্রাস দমন এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারের পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী
লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, একটা মাফিয়া পার্টি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ (শনিবার, ২০ জুন) সকালে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ
ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা
বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে অস্থিরতা বন্ধে
পুলিশকে এলার্ট করা হয়েছে।’
সম্প্রতি
নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেয়ায় ঢাকা মহানগরের ট্রাফিক পুলিশ মো. কামরুজ্জামানের
গৃহীত পদক্ষেপ, আদাবর থানা এলাকায় বিকাশের দোকানিকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আসামি
গ্রেপ্তার, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি
গ্রেপ্তার এবং কক্সবাজারের চকরিয়া থানার আলোচিত ডাকাতি ও গণধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতারের
ঘটনায় তাদের পুরস্কার ও সম্মাননা দেয়া হয়।
তিনি
আরও বলেন, ‘সরকার গঠনের পর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ বাহিনী। জীবনের
ঝুঁকি নিয়ে যারা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছে তাদের স্বীকৃতি দেয়া হবে।’
এসময়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘অপরাধীদের অভয়ারণ্য মোহাম্মদপুর এলাকায়
ওভারনাইট অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে মোহাম্মদপুরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে
নিয়ে আসব।
মন্তব্য করুন


মাঠের
লড়াই শেষ হলেও ফুটবলের গল্প থেমে থাকে না। অনেক সময় ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে
আলোচিত। কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার জন্যও তেমনই এক স্মরণীয় মুহূর্ত এনে দিয়েছেন
আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
ম্যাচ
শেষ হওয়ার পর লিওনেল মেসির সঙ্গে কয়েক মুহূর্ত কথা বলার আশায় তার কাছে এগিয়ে যান কেপ
ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। তবে নিজের কথা বলার আগেই আর্জেন্টাইন অধিনায়কের আচরণে মুগ্ধ
হয়ে যান তিনি।
ভোজিনিয়ার
ভাষ্য, তিনি কাছে যেতেই মেসি তাকে জড়িয়ে ধরেন। এরপর আর্জেন্টাইন তারকা বলেন, ‘তুমি
খুব প্রতিভাবান। তুমি একজন অসাধারণ গোলকিপার। তোমার দেশের মানুষের তোমার জন্য গর্ব
করা উচিত।’
মেসির
প্রশংসাকে নিজের ফুটবল ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন ভোজিনিয়া। তিনি
বলেন, এমন একজন ফুটবলারের মুখে নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক কথা শোনা সত্যিই বিশেষ অনুভূতি,
যা তিনি কখনো ভুলবেন না।
মেসির
প্রশংসার জবাবে ভোজিনিয়াও তাকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে বলেন, ‘ধন্যবাদ, লিও। আপনিই
সেরা।’
এরপর
তিনি মেসির কাছে একটি বিশেষ অনুরোধ করেন জার্সি বদল করা যাবে কি না। ভোজিনিয়ার দাবি,
মেসি হাসিমুখেই সেই অনুরোধে সাড়া দেন। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই। টানেলের ভেতরে তোমাকে এটা
দেব।
একজন
ফুটবলারের কাছে প্রিয় তারকার সঙ্গে জার্সি বিনিময় নিঃসন্দেহে স্মরণীয় অর্জন। আর
তার সঙ্গে যদি যোগ হয় প্রশংসা ও আন্তরিক আলিঙ্গন, তাহলে সেই মুহূর্ত আরও বিশেষ হয়ে
ওঠে। ভোজিনিয়ার কাছেও ঘটনাটি তেমনই। তার ভাষায়, এই ধরনের মুহূর্ত হৃদয়ে আজীবন খোদাই
হয়ে থাকে।
জয়-পরাজয়ের
হিসাবের বাইরে ভোজিনিয়ার জন্য এই ম্যাচটি ছিল স্বপ্নপূরণের উপলক্ষ। ছোটবেলা থেকে যাকে
অনুসরণ করে বড় হয়েছেন, সেই লিওনেল মেসির প্রশংসা পাওয়ার পাশাপাশি তার জার্সিও উপহার
হিসেবে পেয়েছেন তিনি। একজন নিবেদিত মেসি-ভক্তের কাছে এর চেয়ে মূল্যবান স্মৃতি খুব কমই
হতে পারে।
মন্তব্য করুন