

বাংলাদেশের
১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
সোমবার
(২০ মে) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে ।
আবহাওয়াবিদ
মো: মনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, রাজশাহী,
পাবনা, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার
এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০
কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব
এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্য
এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে,
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।
পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ
সৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তীতে এটি ঘনীভূত হতে পারে।
এতে
মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল পর্যন্ত রংপুর,
রাজশাহী, ময়মনসিংহ
ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী,
ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও
চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ
বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি
হতে পারে।
মঙ্গলবার
সকাল থেকে বুধবার (২২ মে) সকাল পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী,
ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও
সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ
বৃষ্টি হতে পারে, সেইসঙ্গে
কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা
প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবার
সকাল থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকাল পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী,
ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু'এক
জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, কোথাও কোথাও
বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রায়
অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর ও
নীলফামারী জেলাসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের
তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।
রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও
সিলেট বিভাগে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এছাড়া দেশের
অন্যত্র তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
বাজারে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনার দাম
বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম)
সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ
৬২ হাজার ৯০ টাকা।
আজ
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ
জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শনিবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড
প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান
ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত
২৯ জানুয়ারি সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১৬ হাজার ২১৩ টাকা
বাড়িয়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার ০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টি করে।
এটাই ছিল সোনার সর্বোচ্চ দাম।
নতুন
দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা
বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি
সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ
ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা
হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা
বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা। এর আগে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি)
সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২
লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ
৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ২৪১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৮
হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৭৪ টাকা কমিয়ে এক লাখ
৭০ হাজার ৪১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এর
আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১০ হাজার
৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১০ হাজার ৪৩৯ টাকা
বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৮ হাজার ৯২৩ টাকা বাড়িয়ে
২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৭ হাজার ২৯০ টাকা বাড়িয়ে
১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একই
দিন সকালে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে
২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ
৩৯ হাজার ৭৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫ হাজার
৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৮ হাজার
১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তার আগে ২ ফেব্রুয়ারি রাতে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনায় ৫
হাজার ৪২৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৯০
টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা
কমিয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা
কমিয়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একইদিন
সকালে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে ২
লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৬ হাজার ২৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৯
হাজার ৭৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ০৫ হাজার
৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬৮ হাজার
১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
তার
আগে ১ ফেব্রুয়ারি রাতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় এক হাজার
৯২৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় এক হাজার ৮৬৬ টাকা
কমিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় এক হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে
২ লাখ ১০ হাজার ৮৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় এক হাজার ৩১৪ টাকা কমিয়ে
১ লাখ ৭১ হাজার ৫৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একইদিন
সকালে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়িয়ে ২
লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৩ হাজার ৯০৭ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৭
হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৩ হাজার ৩৮২ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১২ হাজার
৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৪১ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার
৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এদিকে
সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম
৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক
ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা
নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পুলিশের
শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সভা শেষে সাংবাদিকদের এক
প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ডাকবেন।
সেই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার চূড়ান্ত হবে। এর পাশাপাশি অন্তর্বতী সরকারের
শাসনামলের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে।
নতুন
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে কি কোনো আলোচনা হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, না—
সে বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার পরে চূড়ান্ত করা হবে বলেও
জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এছাড়া
শনিবার রাতে রাজধানীর আদাবরের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আজ রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। কাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে শুরু হবে ভোট উৎসব। উৎসবের আবহ থাকলেও, একই সঙ্গে নানা শঙ্কা ও উৎকণ্ঠাও বিরাজ করছে নির্বাচনী মাঠে।
কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনসহ সারা দেশের মোট ৩০০টি সংসদীয় আসনে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবার দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় ভোটযজ্ঞে অংশ নেবেন কোটি কোটি ভোটার।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, কাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে: চলবে। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারবেন সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।" কুমিল্লায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, মোতায়েন ৭৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট:
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১১টি সংসদীয় গআসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ
নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী মাঠে সার্বিক তদারকির জন্য মোট ৭৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্বাহী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। নিরাপত্তা জোরদার, মাঠে সব বাহিনী নির্বাচন ঘিরে কুমিল্লায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
কুমিল্লায় ভোটার সংখ্যা লাখে লাখে:
নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনে প্রায় দেড় হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন ৪৮ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটার। ভোটের আগের শেষ দিনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা জমজমাট থাকলেও, ভোটগ্রহণ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহের
পাশাপাশি উদ্বেগও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেষ মুহূর্তের উত্তেজনা ও প্রত্যাশা: ভোটের আগের দিন কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ স্পষ্ট। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের আশঙ্কা ভোটারদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশাড়সব শঙ্কা পেরিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দেবে আগামীকালের ভোট।সব মিলিয়ে, রাত পোহালেই কুমিল্লাসহ সারাদেশে শুরু হচ্ছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব। এখন দেখার বিষয়, ভোটারদের অংশগ্রহণ ও প্রশাসনের ভূমিকার মধ্য দিয়ে এই নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়।
কুমিল্লার ১১টি আসনের ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৩৪টি:
বিগত কয়েকটি জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় নির্বাচনের সময় সহিংসতার বিষয় মাথায় রেখে কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের ১৭টি উপজেলার ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৩৪টি কেন্দ্র। এর মধ্যে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের শতভাগ ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে। এবার সারা দেশে প্রায় ৩২ হাজার মণ্ডপে পূজার আয়োজন হয়েছে।
পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৭১ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি মাসের শুরু থেকে অল্প কয়েকটি স্থানে ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে এসব ঘটনা প্রশমিত বা প্রতিকার করা হচ্ছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সব স্থানে পূজা উদযাপন কমিটি, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। যেসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো মূলত সাধারণ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব বা স্থানীয় বিরোধের ফলাফল।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের এক বিবৃতিতে ২ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উল্লেখিত সংঘটিত নয়টি ঘটনার তিনটিতে জিডি, ছয়টিতে মামলা দায়ের হয়েছে এবং ছয়জন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। এরমধ্যে তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে পুলিশ দৃঢপ্রতিজ্ঞ বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম , কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার সীমান্তে পারাপারের সময় গুলি ছুড়ে মিস্টার আলী নামের বাংলাদেশি এক যুবককে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের খাটিয়ামারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৬২-১০৬৩ নম্বর সীমানা পিলার এলাকা থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় বিএসএফ।
রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক মিস্টার আলী (২৫) উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে।
সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার ভোরে ৮ থেকে ১০ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারিরা সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার ওপর দিয়ে কম্বল পারাপার করছিল। এ সময় ভারতের আসাম রাজ্যের মানকারচর শাহপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহলরত সদস্যরা গেট খুলে তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে বাকিরা পালাতে পারলেও মিস্টার আলীকে ধরে ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিএসএফ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধীন মোল্লাচর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কোমান্ডার ফখরউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশি এক যুবককে ধরে নিয়ে গেছে শুনেছি। তবে আমার এরিয়া থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায়নি। ওই ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে গেছে ১০৬৩ নম্বর পিলার থেকে।
রৌমারী সদর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন, গুলি ছুড়ে বাংলাদেশি কাউকে ধরে নিয়ে গেছে কি না আমাদের বিজিবির টহলরত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যাবে। তবে এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান–শ্রীনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া বিএনপির দুই নেতার আবেদন প্রাথমিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মীর সরাফত আলী সপু এবং শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোমিন আলী।বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, যাচাইয়ের সময় প্রার্থীদের দাখিল করা মনোনয়নপত্রে সমর্থনকারী ভোটারদের স্বাক্ষরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তালিকার তথ্যের মিল পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা সৈয়দা নুরমহল আশরাফী জানান, নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মাদকের গডফাদারদের ধরে আইনের আওতায় আনতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আজ সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, শুধু বাহক নয়, মাদকের সঙ্গে জড়িত বড় বড় গডফাদারদের ধরতে হবে। চলমান যৌথ অভিযানে এ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে এবং দৈনিক অগ্রগতির রিপোর্ট প্রদান করতে হবে। এ বিষয়ে সাফল্যের ওপর নির্ভর করে অধিদপ্তরের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ, দুর্নীতি থেকে দূরে থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, দুর্নীতি না কমাতে পারলে এ সরকারের সাফল্য আসবে না। মাদক ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনে। তাই মাদক নির্মূলে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতার পরিবর্তন করে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ইউনিফর্ম আছে কিন্তু অস্ত্র বা হাতিয়ার নেই। তাই সফল অভিযান পরিচালনার স্বার্থে তাদের অস্ত্র দেয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া যেসব অভিযান পরিচালনার সময় হামলার আশঙ্কা রযেছে, সেসব জায়গায় পুলিশসহ অভিযান পরিচালনার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মশিউর রহমান ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


আজ
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর মধ্যকার ম্যাচটা মাঠে
গড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কট করলে টসই হয়নি। এমনকি ক্রিকেটাররা মাঠেই
যাননি। যার ফলশ্রুতিতে স্টেডিয়ামের ভেতরে থাকা দর্শক ও স্টেডিয়ামের বাহিরে থাকা দর্শক-জনতার
মধ্যে দেখা যায় চরম উত্তেজনা। তবে শুধু উত্তেজনার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকেনি।
একটা
সময় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে কিছু মানুষ। পরে স্টেডিয়ামের
সামনে বিসিবির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। বিপিএলের বিলবোর্ড, ব্যানার ছিড়া
এবং স্টেডিয়ামের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে। পরে সেনাবানিহীর সদস্যরা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে
যার বিপক্ষে ক্রিকেটাররা সোচ্চার, তাকে বোর্ড পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি না দিলেও তার
বিপক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে বিসিবি। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে শোকজ করা
হয়েছে নাজমুল ইসলামকে। পাশাপাশি তাকে বিসিবির অর্থ কমিটি থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
কিন্তু
জানা গেছে এতেও সন্তুষ্ট নয় ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের
দায়িত্বশীল এক কর্তার বরাতে জানা গেছে যে, ক্রিকেটাররা আরও একটি আল্টিমেটাম দিয়েছে।
যদি নাজমুল ইস্যুতে বিপিএল সত্যিই বন্ধ করে দেয়া হয়, তাহলে ক্রিকেটার, কোচ, সাপোর্টিং
স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট সবার পারিশ্রমিক বিসিবিকে দিতে হবে। যার পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা।
মন্তব্য করুন


নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ—এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি সরকারের এবং এর পেছনে রয়েছে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা সংক্রান্ত আশঙ্কা। তিনি জানান, এই বিষয়গুলো সাধারণভাবে ক্রিকেটারদের বিবেচনার বিষয় নয়। তবে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা বৈঠকে খেলোয়াড়দের বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে।
আসিফ নজরুল স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দেশের নাগরিক অন্য দেশে গেলে সেখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে কি না—তা মূল্যায়নের দায়িত্ব সরকারের। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার অন্য কারও নেই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকার মনে করছে, ভারতে বাংলাদেশ দলের জন্য ঝুঁকি রয়েছে।
বিশ্বকাপে অংশ না নিলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ক্ষতি হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, উল্টোভাবে ভাবারও প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি উপেক্ষা করে যদি খেলোয়াড়, দর্শক ও সাংবাদিকদের সম্ভাব্য ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়, তাহলে সেটার ফলাফলও মারাত্মক হতে পারে। শুধুমাত্র খেলার জন্য দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করা যুক্তিযুক্ত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সরকার আশা করছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়সংগতভাবে বিবেচনা করবে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি মাথায় রেখে শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হতে পারে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের অধিকার বলেও উল্লেখ করেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের আলোচনা প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, ওই বৈঠকের বিষয়বস্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ের। ক্রিকেটাররা চাইলে নিজেরাই গণমাধ্যমে কথা বলতে পারেন। সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল—কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটি খেলোয়াড়দের পরিষ্কারভাবে বোঝানো। তার মতে, ক্রিকেটাররা বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছেন।
মন্তব্য করুন


বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপটি
আজ সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত হয়েছে।
শনিবার (২৫ মে) রাত ৭টা ১০ মিনিটের
পর এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।
বিডব্লিউওটি জানায়, ঘূর্ণিঝড় রেমাল
সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি-১ শক্তিমাত্রার ঝড় হিসেবে ২৬ মে দিবাগত রাত থেকে ২৭ মে সকালের
মধ্যে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
বিডব্লিউওটির প্রধান আবহাওয়া গবেষক
খালিদ হোসেনের সই করা এক বার্তায় বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিঘা থেকে
বাংলাদেশের পটুয়াখালীর মাঝামাঝি যে কোনো জায়গা দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে। তবে এর সর্বোচ্চ
ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট।
বার্তায় বলা হয়, এ ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ
শক্তিমাত্রা হতে পারে ক্যাটাগরি-১। তবে আশা করা যায় ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটারের বেশি
এটি গতিবেগ পাবে না। তবে আশঙ্কার ব্যাপার হচ্ছে এটি তার পূর্ণ শক্তিতে উপকূল অতিক্রম
করতে পারে।
এদিকে আবহাওয়াবিদ মো. আজিজুর রহমান
বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল ‘সিভিয়ার সাইক্লোনে’ পরিণত হতে পারে। ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার
বেগে এটি অতি প্রবল আকার ধারণ করে আঘাত হানতে পারে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে।
মন্তব্য করুন