

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় টাকা না পেয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ ছেলেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার লাকসাম পূর্ব ইউনিয়নের উত্তর এলাইস গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন লাকসাম থানার ওসি শাহাবুদ্দিন।
নুরজাহান বেগম (৮০) ওই গ্রামের পশ্চিম পাড়া মিয়াজি বাড়ির মৃত হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। এই দম্পতির সাত ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার বড় আসাদুজ্জামান বাহারের (৫০) বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
লাকসাম পূর্ব ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হানিফ সরকার জানান, বাহার প্রায় ২০ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। বিষয়টি আমরা সবাই জানি। বেকার অবস্থায় নিজ বাড়িতে মায়ের সঙ্গেই থাকত সে। প্রায়ই টাকার জন্য ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করত। শুক্রবার দুপুরে টাকা চেয়ে না পাওয়ায় মাকে হত্যা করেছে সে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. তাজুল ইসলাম জানান, বাহার ছোটকাল থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। এ কারণে বিয়ের পরপরই তার স্ত্রীও তাকে তালাক দিয়ে চলে যায়।“আমরা তাকে ‘পাগলা বাহার’ নামে ডাকি। সবসময় তার মাথা গরম থাকে। একটু এদিক-সেদিক হলেই সে পাগলামী শুরু করে। ”
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) শাহাবুদ্দিন জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত ছেলে আসাদুজ্জামান
বাহারকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের
মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
কুমিল্লা মহেশাঙ্গণ শ্রী শ্রী লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হারাধন ভৌমিক ও কুমিল্লা সরকারি কলেজের প্রাক্তন ভিপি চিত্তরঞ্জন ভৌমিক এর গর্ভধারিনী মাতা এবং চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার আবুতোরাবস্থিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধাম, শিব মন্দির ও কালীমাতা বিগ্রহ বাড়ী পরিচালনা পরিষদের প্রাক্তন উপদেষ্টা স্বর্গীয় গোপাল কৃষ্ণ ভৌমিক এর সহধর্মিণী এবং শ্রী শ্রী মা নয়নমণি শ্রীধাম পরিচালনা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শ্রী মিহির কান্তি নাথের শাশুড়ী মাতা স্বর্গীয় কিরণ বালা ভৌমিক এর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
গত বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) মৃতার নিজ বাসায় শ্রাদ্ধকার্য অনুষ্ঠিত হয়।
তদুপলক্ষে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শেষে পরদিন শুক্রবার দুপুরবেলা কুমিল্লা মহেশাঙ্গণে শাকান্নভোজ এর আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ যে, চলতি বছর ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রয়াত কিরণ বালা ভৌমিক বার্ধক্যজনিত কারণে ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন। তিনি মৃত্যুকালে হারাধন ভৌমিক, চিত্তরঞ্জন ভৌমিক, অমূল্য ধন ভৌমিক, পূর্ণধন ভৌমিক, জর্নাধন ভৌমিককে ০৫ (পাঁচ) পুত্র এবং বর্ণানী ভৌমিক ও জয়ন্ত ভৌমিককে (০২) দুই কন্যা, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনি ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
মন্তব্য করুন


মাদক সেবন করে পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি ও মা–বাবাকে মারধরের অভিযোগে মো. শাকিল (২২) নামে এক যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার মাধবপুর ইউনিয়নের মকিমপুর আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে দণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারেক রহমান। এ সময় ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
স্থানীয়রা জানান, শাকিল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন করে মাতলামি ও আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের শান্তি বিনষ্ট করে আসছিলেন। মাদক কেনার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই মা ও বাবাকে মারধর করতেন। এতে অতিষ্ঠ হয়ে কয়েক দিন আগে তাঁর বাবা শাহাদাত হোসেন বাড়ি ছেড়ে চলে যান।
গত সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে মাদক সেবনের পর মা শাহনাজ বেগমকে মারধর করেন শাকিল। পরদিন দুপুরে আবারও মাদক কেনার টাকার জন্য তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন শাকিলকে আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি মাদক সেবনের কথা স্বীকার করেন।
এ সময় শাকিলের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে বিছানার নিচ থেকে দুই পুরিয়া গাঁজা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শাকিলের মা শাহনাজ বেগম বলেন, আমার ছেলে মাদক সেবন করে আমাদের মারধর করত। তার বাবাও রাগ করে কয়েক দিন আগে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। অবশেষে প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়ায় আমরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারেক রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শাকিলকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে মাদক সেবনের কথা স্বীকার করে। ঘর তল্লাশি করে গাঁজা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়। তাঁকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


আজ বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই কুমিল্লায় ব্যাপটিস্ট ও ক্যাথলিক চার্চগুলোতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উপাসনা, পুঁথি পাঠ, সংগীত পরিবেশন ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় বড়দিন উদযাপন করা হয়।
নগরীর বাদুরতলা রিভাইভ্যাল ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের সম্পাদক মি এন্থনি বিশ্বাসের নেতৃত্বে উপাসনা পাঠ ও সংগীত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে শিশুদের সাথে কেক কাটেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়া, মহানগর বিএনপির আহবায়ক উৎবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা মহানগর নাগরিক কমিটির হাফসা জাহান সহ আরো অনেকে।
এদিকে বড়দিন উপলক্ষে আওয়ার লেডী অফ ফাতিমা ক্যাথলিক চার্চ ও বাদুরতলার রিভাইভ্যাল ব্যাপ্টিস্ট চার্চ বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। আলপনা আঁকা, যিশু জন্ম দৃশ্য, বৃক্ষসহ বড়দিন উদযাপনের নানা সামগ্রী তৈরি করা হয়। বড়দিনের উৎসবে সকলের সম্মিলিত উপাসানলয় থেকে বিশ্ববাসীর জন্য শান্তি প্রার্থনা করা হয়।
বড়দিনকে ঘিরে কুমিল্লায় ব্যাপটিস্ট ও ক্যাথলিক চার্চগুলোতে নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লা নিউমার্কেটে নিত্যপণ্যের বাজারে
তদারকি অভিযান চালিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তর ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালে কুমিল্লা নিউমার্কেটে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মোঃ আছাদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন। চলমান বর্ষা মৌসুমকে কেন্দ্র করে সবজিসহ নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি তদারকি করতে এ মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
এ সময় সহযোগিতা করেন স্যানিটারি
ইন্সপেক্টর একে আজাদ এবং জেলা পুলিশের একটি টিম।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার
সহকারী পরিচালক মোঃ আছাদুল ইসলাম জানান, অভিযানে মসলা, সবজি, কাচামরিচ, ডিম, ফার্মেসী
প্রভৃতি বিষয়ের ওপর তদারকি করা হয়। অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
করা হয়। জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বন্যার পানি কমে এলেও কমেনি মানুষের দুর্ভোগ, মানুষের কষ্ট।
গৃহহীন মানুষগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
এ মানুষগুলোর ঘরবাড়ি পুনর্বাসনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেক।
কুমিল্লায় স্মরণকালের ইতিহাসের ভয়াবহ বন্যায় অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিবেক যেটি হলো মানবতার তরে কাজ করা সামাজিক সংগঠন মানুষদের আশ্রয়স্থল পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে।
এ উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ১১সেপ্টেম্বর বিবেক এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু এর নেতৃত্বে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের নমষোদ পাড়া ও ইন্দ্রবতি গ্রাম এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বালেশ্বর গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তের মাঝে গৃহ পূর্ণনির্মাণের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয় ।
অসহায় মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস নিয়ে বিবেকের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নগরবাসীর জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শাহ আলম নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে পরিদর্শন কালে তিনি সড়কে যান চলাচলের প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো ঘুরে দেখেন। এ সময় অবৈধ পার্কিং, রাস্তার সংকীর্ণতা, যত্রতত্র যানবাহন দাঁড় করানো এবং বিদ্যমান ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক শাহ আলম সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের সঙ্গে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। তিনি যানজট নিরসনে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেন।এ সময় তিনি বলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এলাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ নগরী। এখানে যানজট নিরসন করা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়; বরং নাগরিকদের সম্মিলিত সচেতনতারও প্রয়োজন। নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যান চলাচলকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সিটি কর্পোরেশনের এই উদ্যোগকে নগরবাসী স্বাগত জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রশাসনের সক্রিয় তৎপরতার মাধ্যমে কুমিল্লা নগরীর দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা শিগগিরই অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং নাগরিক জীবনে স্বস্তি ফিরবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
পরে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ান (১০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি জানায়, ২৯ জুলাই সকালে (০৯:৩০টার দিকে) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধীনস্থ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চৌদ্দগ্রাম বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২১০৯/১৪-এস সংলগ্ন “রাধানগর” নামক স্থান দিয়ে তিনজন বাংলাদেশি নাগরিক চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন।
এ সময় বিএসএফ তাদের আটকের চেষ্টা করলে দু’জন পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তবে একজন বিএসএফের হাতে আটক হন। বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরে বিজিবি দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে।
দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে, বেলা ১২টার দিকে সীমান্ত পিলার ২১০৯/১৪-এস এর নিকটবর্তী বৈদ্দ্যেরখীল এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ওই বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় পলাতক দুই ব্যক্তি এবং আটক বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
কুমিল্লা:
প্রাকৃতিক
দুর্যোগের কারণে কুমিল্লা বোর্ডে গত ১০ জুলাই স্থগিত হওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা
আগামী ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।
আজ
রোববার (২০ জুলাই) শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রুনা নাসরিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত
৯ জুলাই কুমিল্লা বোর্ডের অধিনে থাকা জেলাগুলোতে হঠাৎ করে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়।
ফেনী, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় বন্যার পানি বৃদ্ধির কারণে শুধুমাত্র ১০ জুলাইয়ের পরীক্ষা
স্থগিত করা হয়। ওই দিনের স্থগিত পরীক্ষাগুলো হলো পদার্য়বিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান
প্রথম পত্র ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র।
কুমিল্লা
শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রুনা নাসরিন বলেন, কুমিল্লা বোর্ডের অধীনস্থ জেলা
সমূহে বন্যা পরিস্থিতি ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ১০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত
করা হয়। স্থগিত পরীক্ষাটি আগামী ১২ আগস্ট সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থগার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মোঃ ইমাম হোসাইন, শ্রীকাইল সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য, জেলা সরকারী গ্রন্থাগারের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মোঃ নাফিস সাদিক শিশির, বাংলাদেশ গণগ্রন্থগার সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি মোঃ এনায়েত উল্লাহসহ অন্যান্যরা।
আজ রোববার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা সরকারি গ্রন্থাগার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার মুরাদনগরের কড়ইবাড়িতে মা, ছেলে ও মেয়েসহ তিনজনকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার দুই দিন পর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাতে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তাররা হলেন— কড়ইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মো. সবির আহমেদ (৪৮) ও মো. নাজিমউদ্দীন বাবুল (৫৬)।
শুক্রবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাতে নিহতের মেয়ে রিক্তা আক্তার বাদি হয়ে ৬৩ জনকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করেন। বাঙ্গরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে পুলিশ শুক্রবার বিকেল ৫টার পর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গ থেকে লাশ তিনটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর রাত সাড়ে ৮টার পর পুলিশি পাহারায় নিহতদের বাড়ির পশ্চিম পাশে কড়ইবাড়ি কবরস্থানে লাশগুলো দাফন করা হয়। তবে এই সময় হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া তাদের জানাজায় এলাকাবাসী কিংবা আত্মীয়-স্বজন কাউকে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। পরে রাতে নিহত রুবির মেয়ে রিক্তা আক্তার বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বাঙ্গরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, নিহত তিনজনের লাশ দাফনের পর রাতে রুবির মেয়ে রিক্তা আক্তার বাদী হয়ে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় রাতে দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মুরাদনগরের কড়ইবাড়ি গ্রামে এলাকাবাসী একটি মোবাইল ফোন চুরি ও মাদক ‘ব্যবসার’ অভিযোগ তুলে একই পরিবারের তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা করে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- কড়ইবাড়ি গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী রোকসানা আক্তার রুবি (৫৮), তার ছেলে রাসেল মিয়া (৩৫) এবং মেয়ে জোনাকি আক্তার (৩২)। ওই সময় হামলায় আহত হন রুবির আরেক মেয়ে রুমা আক্তার (২৫)। তিনি বর্তমানে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মন্তব্য করুন