

রফিকুল
ইসলাম বাবু, চাঁদপুর :
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার কিশোর অটোচালক মহিন মিয়াজী (১৭) হত্যা মামলায় ৩ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটককৃতরা প্রাথমিকভাবে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে।
আসামীরা হলেন- মতলব দক্ষিণ উপজেলার বাসিন্দা মো. রাব্বি (২৬), মো. জসিম (২৬) ও মো. ইসমাইল হোসেন (৪৪)।
আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে তাদেরকে চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়। তবে প্রধান আসামী সুজন এখন পর্যন্ত পলাতক রয়েছে।
হত্যার শিকার কিশোর অটোচালক মহিন মিজি উপজেলার উপাদি উত্তর ইউনিয়নের ডিঙাভাঙা গ্রামের নাছিল উদ্দিন মিয়াজীর ছেলে।
মঙ্গলবার চাঁদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভা কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব।
চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার বলেন, অটোচালক মহিন
হত্যার ঘটনায় ১ ডিসেম্বর থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়। ওই মামলার সূত্রধরে মতলব
দক্ষিণ থানার ওসি পুলিশের একটি বিশেষ দল গঠন করেন। ওই দলটি তদন্ত করে হত্যায় জড়িত
আসামী মো. রাব্বি ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করে। তার তথ্যের ভিত্তিতে ২ ডিসেম্বর
অভিযান চালিয়ে আসামী জসিম ও ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে এবং ইসমাইলের হেফাজতে
থাকা অটোবাইকের ৪টি ব্যাটারী উদ্ধার করে। তবে ঘটনায় জড়িত পলাতক আসামী সুজনকে
গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান পুলিশ সুপার।
এর আগে গত ২৯ নভেম্বর দুপুরে পূর্ব পরিকল্পার আলোকে আসামী সুজন মোবাইল ফোনে কিশোর চালক মহিনকে মতলব ধনারপাড় আসার জন্য। ওই চালক তাদের কথামত বাড়ি থেকে ধনার পাড় চলে আসে। সেখানে আসলে সুজনসহ সকল আসমী তার ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা করে নাগদা, আশ্বিনপুর, নারায়নপুরসহ বিভিন্নস্থানে ঘুরাঘুরি করে। সন্ধ্যার পরে তারা ঘটনাস্থল উপজেলার খাদেরগাঁও ইউনিয়নের বেলুতি গ্রামের গোলগেইল্যা খালের পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তারা কৌশল করে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং অটোরিকশাটি চালিয়ে আসামী ইসমাইলের গ্যারেজে নিয়ে আসে। পরে তারা ব্যাটারীগুলো ২৩ হাজার ৫০০ টাকা বিক্রি করে টাকা ভাগাভাগি করে নিয়ে যায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ধর্মপুর এলাকায় সেনাবাহিনী
২৩ বীর এর নেতৃত্বে সোমবার রাত দেড় টায় যৌথবাহিনীর একটি অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ছাদের ট্যাঙ্ক থেকে ১
টি ওপেন বোল্ট শটগান, ২টি দা, ৬ টি ধারালো ছুরি এবং ১ টি স্মার্ট ফোনসহ অবৈধ অস্ত্রধারী
মোঃ সাইফুল ইসলাম আরিফ (২৬) কে তার নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে উক্ত অবৈধ অস্ত্রধারীকে কুমিল্লা
কোতয়ালী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
জানা যায়, অস্ত্রধারী আসামী বিভিন্ন
সময়ে সহিংস কর্মকান্ড সহ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলি চালায়।
উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ
হতে যৌথবাহিনীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং আইন শৃংখলা
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় জুলাই পুনর্জাগরণে অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে আলোচনা সভা, রক্তদাতাদের ডাটাবেস তৈরি ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প।
সোমবার (২৮ জুলাই) কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা.আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ড্যাব কুমিল্লার সভাপতি ডা.এম এম হাসান, কুমিল্লা মহানগর ড্যাব সভাপতি ডাঃ এস এম তৌহিদুর রহমান, কুমিল্লা বি পি এম পি সভাপতি ডাঃ আবু তাহের মুহিত, কুমিল্লা এন ভি এফ সভাপতি ডাঃ জহিরুদ্দিন মোঃ বাবরসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা,কচুয়া প্রতিনিধিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের পাঁচ উপজেলার অর্ধশত গ্রামে ঈদুল ফিতর নামাজ আদায় হচ্ছে। বুধবার (১০ এপ্রিল) পবিত্র ঈদুল উদযাপন করার লক্ষে ওই সব গ্রামের মুসল্লিরা নানা প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
মূলত বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে। হাজীগঞ্জের পীরের অনুসারী হিসেবে ১৯২৮ সাল থেকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা নির্ধারিত তারিখের এক দিন আগেই ঈদ উদযাপন করছেন। বুধবার হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফ জামে মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই ঈদ জামাতে ইমামতি করবেন বর্তমান পীর মুফতি আল্লামা যাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।
ঈদের নামাজ পড়তে আসা ৯৫ বয়সি আব্দুল হামিদ বলেন, আমি জন্মের পড় থেকে সাদ্রা দরবার শরীফে ঈদের নামাজ করছি। আমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখি, আবার চাঁদ দেখে ঈদের নামাজ আদায় করি।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, জাকনী, প্রতাপপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুরের মুসল্লিরা এক দিন আগে ঈদ পালন করেন।
এ ছাড়া মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলার মতলব উত্তর উপজেলার সাড়ে পাঁচানী, দেওয়ানকান্দি পাঁচানী, সাতানী, লতুরদী, মোহাম্মদপুর, মোহনপুর, এখলাশপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলীসহ শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামে এক দিন আগে ঈদ উদযাপন করেন মুসল্লিরা।
মন্তব্য করুন


ঝালকাঠিতে
প্রেমিকার রান্না করা নুডুলস খাওয়ার পর সজল দেবনাথ (১৯) নামে এক কলেজছাত্রের রহস্যজনক
মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার
(১১ নভেম্বর) সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজলের মৃত্যু হয়। সজল
দেবনাথ ঝালকাঠি সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও ঝালকাঠি সদরের জেলেপাড়া এলাকার
বাসিন্দা সনাতন দেবনাথের ছোট ছেলে।
সজলের
পরিবার জানায়, রবিবার রাতে জগদ্ধাত্রী পূজার উৎসবে অংশ নিয়ে সজল বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন।
রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ অস্বাভাবিক আওয়াজ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তার কক্ষে গিয়ে
দেখেন, সজলের পা বাঁধা অবস্থায় এবং তার কথিত প্রেমিকা তিথি খাটের নিচে লুকিয়ে আছেন।
দ্রুত তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও
তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সজলের
বড় বোন অভিযোগ করেন, তিথি তার বাসা থেকে সজলের জন্য নুডুলস নিয়ে আসেন, যা খাওয়ার পরই
সজলের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবারের ধারণা, নুডুলসে কোনো বিষাক্ত পদার্থ থাকতে
পারে, যা সজলের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
এ
বিষয়ে প্রেমিকা তিথি জানান, তাদের দু’বছরের সম্পর্ক রয়েছে এবং জগদ্ধাত্রী পূজার দিন
তারা কিছুক্ষণ সময় কাটান। তবে সজলের আচরণ নিয়ে মতবিরোধের কারণে তাদের মধ্যে তর্ক হয়
এবং তিথি অভিযোগ করেন, সজল তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। ঘটনার দিন রাতে সজলের সঙ্গে
কাটালেও তিনি ঘটনাটি আড়াল করেন।
ঝালকাঠি
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এটিএম মেহেদী হাসান সামি বলেন, গভীর রাতে হাসপাতালে
আনার পর দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসা করা হলেও সজলকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর
সঠিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
ঝালকাঠি
সদর থানার পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করেছেন।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহে বিশেষ অভিযানে আন্ত:জেলা চোরচক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতা করেছে পুলিশ। এ সময় ৫টি মোবাইল ও ৪টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয় তাদের কাছ থেকে।
রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে ময়মনসিংহ চিফ জুডিসিয়াল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় তাদের।
এর আগে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিনভর গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকার জয়দেবপুর সিঁড়ির চালা কাইয়াপাড়া এলাকায় এবং ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলার কসবা থানাধীন গোপীনাথপুর বংশীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চোরদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত চোরচক্রের সদস্যরা হলো- ময়মনসিংহ নগরীর বলাশপুর বাঘমারা এলাকার মো. পিয়াল হাসান (২৫), বড়বাড়ী এলাকার মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ (৩০), বলাশপুর পাওয়ার হাউজ কলোনি এলাকার মো. আসাদুল ইসলাম (৩০) এবং ব্রাহ্মনবাড়ীয়া সদর উপজেলার মূছা মিয়া (৩৫)।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, এই চোরচক্রের সন্ধান পাওয়া যায় চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার অভিযানে নেমে। তারা আন্ত:জেলা চোরচক্রের সদস্য। দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন নাম ঠিকানা ব্যবহার করে ভাসমান অবস্থায় বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে মোটরসাইকেল চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছেন এ চক্রটি। এই চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারের অভিযান চলমান রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ, জামালপুর ও ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলায় অসংখ্য মামলা চলমান আছে বলেও জানান কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাঈন উদ্দিন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কুমিল্লা সেক্টর এর উদ্যোগে কুমিল্লায় গোমতী নদী তীরবর্তী বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের উদ্ধার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে ।
২২ আগস্ট ২০২৪, বৃহস্পতিবার কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীন এ বিবির বাজার বিওপির দায়িত্বপূর্ণ গোমতী নদীর তীরবর্তী বন্যাদুর্গত এলাকার অসহায় মানুষদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপদে পৌঁছে দেয়ার কাজ করছে বিজিবি।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আরাফাত হোসেন অনি এ ব্যাপারে জানানোর পাশাপাশি আরো বলেন, বিজিবির উদ্যোগে বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে।
এছাড়া গোমতী নদীর তীরে ফাটল দেখা দিলে নদীর ভাঙ্গন রোধে স্থানীয় জনসাধারণকে সাথে নিয়ে বালুর বস্তা ফেলে বাঁধ নির্মাণ করছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আকানিয়া আলোর দিশারী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ঘূর্নিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ঘর নির্মানে ঢেউটিন প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সংগঠনের আয়োজনে আকানিয়া গ্রামের নয়াবাড়ির ইউনুছ মিয়ার ছেলে আবুল কাশেমকে ঘর নির্মানে টিন প্রদান করা হয়। বিশিষ্ট সমাজসেবক এইচ এম হাবিব উল্লাহ ফকিরের আর্থিক সহযোগিতায় এসব টিন প্রদান করা হয়।
এসময় আলোর দিশারী সংগঠনের সভাপতি হাজী হারুন রশীদ,সাধারন সম্পাদক প্রভাষক মো. ফারুক হোসেন,ভূঁইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মানিক সরকার,মফিজুল ইসলাম,ইউসুফ আলী,আলমগীর হোসেন,সেলিম বাঙ্গালী,সেলিম মিয়া ও শহীদ উল্যাহ সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সামাজিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি গরীব অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা,দরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান সহ নানান মুখী কর্মকান্ড করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ সংগঠনের মাধ্যমে আরো সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করার প্রতিশ্রুতি দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনায় পৃথক অভিযানে আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। তাদেরকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতের বিভিন্ন সময় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতারকৃতরা হলো- চান্দিয়ারা ভূইয়া বাড়ির মৃত তৈয়ব আলী ভূইয়ার ছেলে ফারুকুল ইসলাম ভূইয়া, সে চান্দিনা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি। বেলাশ্বর কচুয়ারপাড় গ্রামের মৃত জলফু মিয়ার ছেলে চান্দিনা পৌর তাঁতী লীগ সভাপতি মো. মাহাবুব আলম, হাসিমপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেম এর ছেলে বাতাঘাসি ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম লিটন। এদিকে মাধাইয়া ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা নাওতলা গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে কামরুল হাসান (কুট্টি) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ২টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপরদিকে বেলাশ্বর গ্রামের কুটু মিয়ার ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম কে বিস্ফোরক আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ মো. জাবেদ উল ইসলাম জানান, আটককৃতদের মধ্যে ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। অপর ৩ জনকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১ টি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে তিনজনকে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে কুমিল্লার ১১ টি আসনের বিএনপির প্রার্থী দেওয়া হবে । কুমিল্লা- ৭ (চান্দিনা) রেদোয়ান আহমেদকে বিএনপি'র দলীয় প্রার্থী ঘোষণা ।
বিএনপি'র চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি'র কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা ৪ (দেবিদ্বার) সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা -৬ আসনে (আদর্শ সদর উপজেলা ,সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস) বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ।
বিএনপি'র চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি'র কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া দৈনিক আমার দেশ কে বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। আমি খুবই আনন্দিত। এই আসনটি আমি বিএনপি উপহার দেব। বাকি আসনগুলোতে আজকে দেওয়া হবে।
কুমিল্লা সদর আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমি ধানের শীষের বিজয় দলকে উপহার দেব।
কুমিল্লা সদর আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে। বুধবার এগারোটায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন তিনি।
মন্তব্য করুন


ইলিশ মাছের প্রজনন মৌসুমে ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৫’ বাস্তবায়নে দেশের সমুদ্র, নদী ও উপকূলীয় এলাকায় কঠোর নজরদারি ও অভিযান চালাচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনব্যাপী চলবে এ অভিযান। এ সময় সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।
সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে “ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার” এর আওতায় নৌবাহিনীর ১৭টি যুদ্ধজাহাজ দেশের ৯টি জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযানে চাঁদপুর, কক্সবাজার, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
এ অভিযানের অংশ হিসেবে চাঁদপুর এলাকায় বানৌজা ধানসিঁড়ি, শহীদ ফরিদ ও বিএনডিবি গাংচিল অভিযানে রয়েছে। কক্সবাজার এলাকায় রয়েছে বানৌজা অতন্দ্র, শহীদ মহিবুল্লাহ, দুর্জয়, সাগর ও শহীদ দৌলত। খুলনা এলাকায় বানৌজা মেঘনা, চিত্রা ও তিতাস, বাগেরহাট এলাকায় বানৌজা করতোয়া, আবু বকর, দুর্গম, পিরোজপুর ও বরগুনা এলাকায় বানৌজা সালাম ও কুশিয়ারা রয়েছে। বরিশাল এলাকায় বানৌজা পদ্মা, চিত্রা ও তিতাস এবং পটুয়াখালী এলাকায় এলসিভিপি-০১৩ বিশেষভাবে টহল প্রদান করছে।
নৌবাহিনী জানায়, অভিযানে নৌবাহিনীর জাহাজ, ক্রাফট ও বোটসমূহ সার্বক্ষণিক টহলে নিয়োজিত রয়েছে। পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে দেশি-বিদেশি সকল ধরনের অবৈধ মাছ শিকার প্রতিরোধে যুদ্ধজাহাজ ও অত্যাধুনিক মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট দ্বারা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
নৌবাহিনী স্থানীয় প্রশাসন, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে কাজ করছে। এ সময় অবৈধ মাছ ধরায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।- জানায় নৌবাহিনীর ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে তারা সদা প্রস্তুত রয়েছে। এ অভিযান দেশের জাতীয় মাছ ইলিশের প্রাচুর্য বৃদ্ধি ও সামগ্রিক মৎস্য সম্পদের সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন