

বন্ধু অনুপম রায়ের প্রাক্তন স্ত্রী পিয়া চক্রবর্তীকে বিয়ে করার পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চ্যাটার্জি। দীর্ঘদিন এ বিষয়ে নীরব থাকলেও এবার প্রথমবার প্রকাশ্যে সেই বিতর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান জানালেন তিনি।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অতিথি হয়ে ক্যারিয়ারের নানা দিকের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনের প্রসঙ্গেও কথা বলেন পরমব্রত। সেখানেই উঠে আসে ‘বন্ধুর স্ত্রীকে বিয়ে’—এই বিতর্ক। অভিনেতা জানান, বিয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ও পিয়াকে নিয়ে যে ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে, তা তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।
পরমব্রত বলেন, “আমি বিয়ের সময় থেকেই নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেছি। সমাজ, রাজনীতি বা ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করলে তা নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি হয়—এটা বুঝে গেছি। তাই এখন লিখলেও মন্তব্য বন্ধ করে দিই, দেখিও না।”
তিনি আরও বলেন, “বিয়ের পর হঠাৎ দেখলাম ভয়ংকর এক পরিস্থিতি তৈরি হলো। প্রথম ৪-৫ দিন বিষয়টা আমাকে প্রভাবিত করেছিল। মানুষ যে প্রকাশ্যে এতটা নিচে নামতে পারে, সেটা ভাবিনি। আমাকে উদ্দেশ করে নয়, যেভাবে কথাগুলো লেখা হচ্ছিল—সেটাই সবচেয়ে কষ্টের ছিল। কিন্তু বুঝলাম, আমার কিছু করার নেই। তাই ধীরে ধীরে গণ্ডারের চামড়া তৈরি করেছি।”
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের সঙ্গে পিয়া চক্রবর্তীর বিয়ে হয়। ছয় বছর পর, ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর পরমব্রতের সঙ্গে পিয়ার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে, যা নিয়ে দীর্ঘদিন গুঞ্জন চলতে থাকে। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ২০২৩ সালের নভেম্বরে আইনিভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পরমব্রত ও পিয়া।
পরবর্তীতে অনুপম রায়ও গায়িকা প্রশ্মিতা পালের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনজনের জীবনই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে।
মন্তব্য করুন


নভেম্বরে গণভোট চায় জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার
(২৮ অক্টোবর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম
নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে একথা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়।
তিনি বলেন, সকল রাজনৈতিক দল যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পায়-সেটি আমাদের দাবি।
এই নেতা বলেন, আমরা বলেছি যে সংস্কার এবং জাতীয় সনদের বিষয়গুলো ইলেকশন কমিশনকে পাবলিক করতে হবে। তারা ওয়েবসাইটে দেবেন জনগণ জানবে এবং সেটা নভেম্বরই হচ্ছে উপযুক্ত সময়।
জামায়াতের
সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমাদের যে গণপ্রতিত্ব আদেশ
সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে যেটা সংশোধন হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটা বিধান হচ্ছে যেটা ইলেক্টোরাল প্রসেস। যে রিফর্ম কমিশন
তারাও সুপারিশ করেছিল যে, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল তার জন্য
নির্ধারিত প্রতীকেই তিনি নির্বাচন করবেন। কিন্তু বাংলাদেশের পলিটিক্যাল কালচারের কারণে জোটবদ্ধ রাজনীতির একটা কালচার রেওয়াজ আমাদের আছে সেটা করার ক্ষেত্রেও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন বলেছে যে জোট হতে
পারবে কিন্তু প্রতীক হবে জোটবদ্ধ, প্রত্যেক দলের স্ব স্ব দলের নির্ধারিত প্রতীকে তাদের ভোট করতে হবে। তার প্রতীক বাদ দিয়ে অন্য কোনো দলের প্রতীকে ভোট করা যাবে না। এটা লাস্ট ইলেকশন ইলেক্টোরাল প্রসেস, রিফান্ড কমিশন তারা এই সুপারিশটা করেছে
এবং উপদেষ্টা পরিষদে এই সংশোধনটা অনুমোদিত
হয়েছে। এটা হওয়ার পরেও আমরা দেখলাম গত সম্ভবত ২৫
তারিখে একটি দলের পক্ষ থেকে এসে এটাকে আবার সংশোধন করার জন্য বলা হয়েছে। এটাকে আপত্তি জানানো হয়েছে। ইভেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড লঙ্ঘন করে খুবই দুঃখজনকভাবে একটি তথ্য ওনারাই এখানে প্রকাশ করেছেন। ওনারা বলেছেন যে এই সংশোধনটা
পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের দাবি মানতে হবে। আজকে চিফ কমিশনারকে বলেছি যে লেভেল প্লেয়িং
ফিল্ড ভঙ্গ হওয়ার এর চেয়ে নেকেড
উদাহরণ আর কি হতে
পারে। আমরা এটার ওপরে ঘোর আপত্তি দিয়েছি যে এটা কোনো
ক্রমেই সংশোধন করা যাবে না। সংশোধিত যে বিধান আছে
সে বিধানের ভিত্তিতে নির্বাচন হতে হবে।
গোলাম
পরওয়ার আরও বলেন, প্রবাসী ভোটারদের ভোট প্রক্রিয়া যাতে সহজ হয়, সে বিষয়েও আমরা
নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রস্তাব দিয়েছি। নির্বাচন যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হয়, সেটিও জোর দিয়ে বলেছি। একই সঙ্গে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়টিও আমরা উল্লেখ করেছি।
জামায়াতের
এই নেতা বলেন, আমরা সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং এই সংবিধানের আওতায়
থেকেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক-এটাই চাই।
এদিকে
ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে বিএনপির আপত্তির মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
ইসলামী
ব্যাংক হাসপাতাল ও ইবনে সিনা
হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেবামূলক ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনী দায়িত্ব না দেওয়ার আহ্বান
জানিয়েছে-যা নিয়ে আমরা
উদ্বেগ প্রকাশ করছি।
মন্তব্য করুন


জয়পুরহাট জেলা পুলিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা জালিয়াতি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ।
আগামীকাল দ্বিতীয় ধাপের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের (খুলনা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ বিভাগ) লিখিত পরীক্ষায় ২০-২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে টিকিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেন তারা।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন-জয়পুরহাটের পাঁচবিবি কৃষি কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুস্তম আলী, মো. ইশান ইমতিয়াজ, গোকুল, বগুড়া সদর এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের রোকনুজ্জামান। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত লিখিত পরীক্ষার প্রাক্কালে জালিয়াতিচক্রের এ ধরনের প্রলোভনে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। জালিয়াতি চক্রের কোনো তৎপরতার সন্ধান পাওয়া গেলে নিকটস্থ থানায় অভিযোগের পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, প্রথম পর্বের পরীক্ষার সময়ও এ ধরনের চক্র সক্রিয় ছিল। আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সজাগ ও সতর্ক ভূমিকার কারণে তাদের অপপ্রয়াস ব্যর্থ হয়েছে। সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় যেকোনো ধরনের অনিয়ম ঠেকানোর জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামীকালের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,কুমিল্লা:
১৯৭১ সালের ১৮ অক্টোবর কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় দেউশ মন্দভাগ বাজারে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে।
১৯৭১ সালের ১৪ অক্টোবর সালদা নদীতে প্রথম আক্রমণের পর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘সি’ কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ওহাবের ৭ নং প্লাটুনকে দেউশ-মন্দভাগ এলাকায় প্রতিরক্ষা অবস্থান নিতে নির্দেশ দেন। এলাকাটি দক্ষিণ-পশ্চিমে চান্দলা খাল ও দক্ষিণ-পূর্বে সালদা নদী ঘিরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সুবেদার ওহাবের নেতৃত্বে প্রায় ৬০ জন মুক্তিযোদ্ধা, ২টি এমজি, ৭-৮টি এলএমজি এবং ৬০ মি.মি. মর্টারসহ দৃঢ় প্রতিরক্ষা অবস্থান গ্রহণ করেন।
শত্রুপক্ষ ৩৩ বালুচ রেজিমেন্টের একটি কোম্পানি ১৭ অক্টোবর রাতে সালদা নদী পথে অগ্রসর হয়। ১৮ অক্টোবর ভোরে চান্দলা খালে মাছ ধরায় নিয়োজিত আবু মিঞা প্রথমে শত্রুর নৌবহরের শব্দ শুনে মুক্তিযোদ্ধাদের সতর্ক করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই শত্রুর প্রথম নৌকাটি প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশ করলে নায়েক আতাউর রহমান গুলি চালিয়ে আক্রমণ শুরু করেন। মুহূর্তেই মুক্তিবাহিনীর সব পোস্ট সক্রিয় হয় এবং সুবেদার ওহাব নিজে এমজি পজিশনে থেকে ফায়ার নিয়ন্ত্রণ করেন। ভয়াবহ গুলিবর্ষণে পাকিস্তানি সেনাদের ৭-৮টি নৌকা ধ্বংস হয়, বহু সেনা নিহত ও আহত হয়। ভোরের আলো ফোটার পর সুবেদার ওহাব ও তাঁর সহযোদ্ধারা লে. সীমাসহ প্রায় ১৫-২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেন। নিহত এক হাবিলদারের পকেট থেকে উদ্ধারকৃত চিঠিতে লেখা ছিল- “এখানে মুক্তিবাহিনী নামক বাহিনী আচমকা এসে আক্রমণ করে পালিয়ে যায়, এদের দেখা যায় না।”
এই চিঠি মুক্তিবাহিনীর গেরিলা কৌশলের সার্থকতা প্রকাশ করে।
আহতদের মধ্যে হাবিলদার আকরাম নামের এক সৈনিক জানায়, তাদের নৌকায় মেজর আফ্রিদি ছিলেন যিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিখোঁজ হন। সুবেদার ওহাব আহত আকরামকে হত্যা না করে চিকিৎসার জন্য ক্যাম্পে পাঠান—যা মুক্তিবাহিনীর মানবিক আচরণের উদাহরণ।
অতঃপর সকাল ৯টার দিকে পাকিস্তানি বাহিনী পশ্চিম ও দক্ষিণ দিক থেকে প্রতিআক্রমণ শুরু করে। সুবেদার ওহাবের এমজি ও এলএমজি পোস্ট থেকে গুলি ও মর্টার বর্ষণে শত্রু ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে পিছু হটে যায়। এরপর শুরু হয় আধাঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আর্টিলারি গোলাবর্ষণ, যা অধিকাংশই খাল ও বিলের পানিতে গিয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ হতাহত না হলেও তাদের দৃঢ় অবস্থান শত্রুকে হতাশ করে।
দুপুরে শত্রু ৪টি হেলিকপ্টার নিয়ে আকাশ থেকে গুলি বর্ষণ করে। এই হামলায় কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হলেও মুক্তিযোদ্ধারা অক্ষত থাকে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও সুবেদার ওহাব পরে হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করে যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাঠান।
এই অভিযানে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৫০-৫২ জন নিহত ও ৫০-৫৫ জন আহত হয়, যার মধ্যে ২ জন অফিসারও ছিলেন। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একক অভিযানে শত্রুপক্ষের সর্বাধিক হতাহতের অন্যতম নজির। পাকিস্তানি সেনারা পরবর্তীতে সুবেদার ওহাবকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় ধরিয়ে দিলে ৫০,০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে।
দেউশ-মন্দভাগ অভিযান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়—যেখানে সুবেদার ওহাবের নেতৃত্ব, মুক্তিযোদ্ধাদের কৌশল, সাহস ও আত্মত্যাগ প্রমাণ করেছিল যে আধুনিক অস্ত্র নয়, স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষাই বিজয়ের মূল শক্তি।
মন্তব্য করুন


গুরুতর
অসুস্থ মায়ের দেখাশোনার জন্য ছুটি না পাওয়ায় ছেড়ে দিয়েছেন চাকরি এক নারী কর্মী। ভারতের
একটি বেসরকারি ব্যাংকে এই ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডিটে করা একটি পোস্টে
সেই কর্মী অফিসের ম্যানেজারের উপর একটি অভিযোগ তুলেছেন।
তিনি
লিখেছেন, ছুটি চাওয়ায় ম্যানেজার তাকে বলেন তার মা যদি ‘অসুস্থ হন, তাহলে তাকে কোনো
মেডিক্যাল বা শেল্টার হোমে রেখে অফিসে চলে আসুন।
ম্যানেজারের
এই মন্তব্য ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে, একই সঙ্গে করপোরেটের কঠিন কর্মপরিবেশ ও ব্যক্তিগত
জীবনের ‘ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্স’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
পোস্টে
বলেন, ভুল ওষুধের কারণে তার মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে, তিনি কয়েক দিনের ছুটি চেয়েছিলেন।
তবে বসের কথা অমান্য করে অফিসে না গিয়ে থাকে মায়ের পাশে থাকেন তিনি। তাই কম্পানিতে
তিনি বহু বছর কাজ করলেও ছুটি না দেওয়ায় তাকে পদত্যাগ পথ বেছে নিতে হয়। পোস্টে
তিনি আরও বলেন, এমন কর্মক্ষেত্রে ‘সঠিক’ প্রতিক্রিয়া আসলে কী হওয়া উচিত,
সেটাই বুঝতে পারছি না, সে জন্যই আমি এখানে পোস্ট করছি।
পোস্টটি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডিটে দ্রুতই ছড়িয়ে পরে, ৬০০-এর বেশি আপভোট এবং অসংখ্য মন্তব্য,
সব মিলিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে করপোরেট সংস্কৃতি, ছুটি নীতি আর ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্স
আদৌ কতটা বাস্তব।
একজন
মন্তব্য করেন, এটা শুধু অসংবেদনশীল নয় বরং নিষ্ঠুরও। তার ভেতর দিয়ে কী কষ্ট গেছে,
আমি তা বুঝতে পারছি। এ ধরনের অমানবিক শোষণের বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষা থাকা উচিত।’
অন্য আরেকজন লেখেন, ‘এটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।
মন্তব্য করুন


দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও প্রাণ গেল ৩ জন । একই সময়ে নতুন করে ৯২৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক দৈনিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ভর্তি হওয়াদের মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ৩৪৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ৫৮৩ জন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৯ হাজার ৩৫৬ জন। তাদের মধ্যে ৬৬ হাজার ২৩৪ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়েন, আর মারা গেছেন ২৭৮ জন।
ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরাও। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক অধ্যাপক আতিকুর রহমান বলেন, “এখন সারা বছরই ডেঙ্গুর সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলেই রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। তাই শুধু চিকিৎসা নয়, প্রতিরোধেই জোর দিতে হবে।”
কীটতত্ত্ববিদ “ড. মনজুর চৌধুরী” বলেন, “মশা নিয়ন্ত্রণে শুধু জরিমানা বা সচেতনতা যথেষ্ট নয়। নিয়মিত জরিপ, পরিকল্পিত ব্যবস্থা আর প্রশিক্ষিত জনবল দরকার।” উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন রেকর্ড ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন, মারা গিয়েছিলেন ১ হাজার ৭০৫ জন- যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রূপগঞ্জ থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল্লাহ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রাকিব মোল্লা, আওয়ামী লীগ কর্মী লিটন মিয়া, মোহর আলী, ফয়সাল আহাম্মেদ এবং যুবলীগ কর্মী দীন ইসলাম।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাবজেল হোসেন জানান, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে এই ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের
গুলিতে শহীদ হওয়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শহীদ আবু
সাঈদের স্নাতক চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে।
তিনি সিজিপিএ ৩.৩০ পেয়ে সম্মিলিত মেধাতালিকায়
১৪তম স্থান অধিকার করেছেন।
আজ রোববার (২০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর অনুমোদনে ফলাফল প্রকাশিত হয়।
এসময় উপাচার্য বলেন, আমাদের মেধাবী
শিক্ষার্থী আবু সাঈদ আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তার স্নাতক চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ
করা হয়েছে। ৬৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে আবু সাঈদ মেধাতালিকায় ১৪তম স্থান অধিকার করেছে।
এটি আমাদের ভালো লাগার বিষয়। কিন্তু তার অনুপস্থিতিতে আমরা শোকাহত। তার আত্মার মাগফিরাত
কামনা করি।
ফলাফল প্রকাশের সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের
রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে থাকা প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের
ডিন প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা ড. ইলিয়াছ হোসেন ও অতিরিক্ত পরীক্ষা
নিয়ন্ত্রক মো. ফিরোজুল ইসলাম।
আবু সাঈদের বন্ধুরা জানান, আবু সাঈদ
শিক্ষার্থী হিসেবে অনেক ভালো ছিলেন। আবু সাঈদ রেজাল্ট দেখলে কত খুশি হতেন। আবু সাঈদ
আজ নেই।
আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন কান্নজড়িত
কণ্ঠে জানান, আমার ভাই প্রতিবছর ভালো রেজাল্ট করে। আজ আমার ভাই নাই। এ রেজাল্ট দিয়ে
কী করব?
মন্তব্য করুন


অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনতে বিট্রিশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
বুধবার (২১ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিট্রিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এসময় ড. ইউনূস পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চান।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আমরা বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানি যে শেখ হাসিনা সরকারের সময় বাংলাদেশ থেকে প্রচুর টাকা পাচার হয়ে গেছে। যুক্তরাজ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ বড়িঘর করেছেন। পাচার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কিভাবে ফেরত আনা যায় সে বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ড. ইউনূস।’
তিনি বলেন, সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফেরত এনে দেশ পুর্নগঠনের কাজে লাগাতে চায়।
বুধবার বিট্রিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক ছাড়াও জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী।শনিবার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে অনুষ্ঠিত একটি সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।এ সময় ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গ উঠে আসে। প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নির্বাচনী প্রার্থীদের সুরক্ষায় পুলিশ সক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।হামলাকারীদের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল সন্দেহভাজনকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, শিগগিরই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, ঘটনার পর এখনো ২৪ ঘণ্টা সম্পূর্ণ না হলেও তদন্ত দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই হত্যাচেষ্টা মামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।গুলির ঘটনায় একজনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে আপাতত ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না, তবে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট সড়কে গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি। গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে বর্তমানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কারিগরিভাবে বৈধ হলেও এটি কার্যত অনিরাপদ এলাকায় অবস্থিত। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ার মধ্যে পড়েছে। বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ায় থাকা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ জনসমাগম হয়— এমন সব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া উচিত।
আজ
শুক্রবার (২৫ জুলাই) বাংলামটরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের কনফারেন্স রুমে ‘মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনা : জননিরাপত্তা এবং উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের দায় ও করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ায় থাকা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ জনসমাগম হয়, এমন সব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া উচিত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন বিআইপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানবন্দরের রানওয়ের পর ৫০০ ফুট এলাকায় কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যায় না। এর পরের ১৩ হাজার ফুট বা প্রায় ৪ কিলোমিটার অঞ্চলকে অ্যাপ্রোচ এরিয়া বলা হয়, যেখান দিয়ে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ করে। বিআইপির প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপ্রোচ এলাকায় ১৫০ ফুট উচ্চতার স্থাপনা নির্মাণে সরকারের নগর কর্তৃপক্ষ ও বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দিক থেকে কোনো বাধা নেই। সেসব স্থাপনার কী ধরনের ব্যবহার হবে, সে বিষয়েও কোনো নির্দেশনা নেই সরকারের সংস্থাগুলোর।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপ্রোচ এলাকায় এ ধরনের স্থাপনা কারিগরিভাবে বৈধ হলেও কার্যত অনিরাপদ। প্রতিবেদনে পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা বা ড্যাপে অ্যাপ্রোচ এলাকার স্থাপনার উচ্চতা নিয়ন্ত্রণের কথা বলা আছে। কিন্তু সেখানকার ভূমির কী ধরনের ব্যবহার হবে তা উল্লেখ নেই। গণজমায়েত হয় এ রকম কোনো স্থাপনার জন্য সেখানকার ভূমি ব্যবহার করা উচিত নয়। কৃষিজমি ও সবুজায়ন করা যেতে পারে, তবে এমন কিছু করা যাবে না, যাতে সেখানে পাখি আসে।
সংবাদ সম্মেলনে বিআইপির সভাপতি পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, অ্যাপ্রোচ এরিয়া থেকে স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসার মতো জনসমাগম হয়, এমন সব স্থাপনা সরাতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা ঘটলে মৃত্যুর মিছিল ঠেকানো সম্ভব হবে না। বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের জায়গা তদন্ত করে যত ধরনের ব্যত্যয় হয়েছে, সেগুলো অনুসন্ধান করতে হবে। স্থাপনার উচ্চতায় ব্যত্যয় থাকলেও বাড়তি অংশ ভেঙে ফেলতে হবে। ঢাকা থেকে বিমানবন্দর দূরে ছিল। ঢাকাকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ বলে যে একটা জিনিস আছে তা ভুলে যাওয়া হয়েছে। তা না হলে বিমানবন্দরের উড্ডয়ন-অবতরণের পাশে স্কুল-কলেজের মতো অবকাঠামো হওয়ারই কথা নয়। মৌলিক ব্যাকরণ ভুলে যাওয়া হয়েছে। জনবহুল এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমান উড়ানোর সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিআইপির সহ-সভাপতি পরিকল্পনাবিদ শাহরিয়ার আমিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পরিকল্পনাবিদ ড. মোসলেহ উদ্দীন হাসান, বোর্ড সদস্য আবু নাঈম সোহাগ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন