

বিভিন্ন
সময়ে হারিয়ে যাওয়া ৫০টি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দিয়েছে ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশের পল্টন মডেল থানা পুলিশ।
পল্টন মডেল থানা সূত্রে জানানো হয়, বিভিন্ন কারণে
মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মোবাইল মালিকদের সাধারণ ডায়েরির প্রেক্ষিতে পল্টন মডেল
থানা পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় গত ০১ ফেব্রুয়ারি হতে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০
টি মোবাইল ফোনসেট দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে
হারানো মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধারে মতিঝিল জোনের এসি হুসাইন মুহাম্মাদ ফারাবী ও পল্টন মডেল
থানার এএসআই ইকবাল হোসেন সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
গত সোমবার (০২ মার্চ) পল্টন মডেল থানার সম্মেলন কক্ষে
মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হুসাইন মুহাম্মাদ ফারাবী ও পল্টন মডেল থানার অফিসার
ইনচার্জসহ অন্যান্য অফিসারদের উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত ৫০টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের
নিকট হস্তান্তর করা হয়।
থানা সূত্রে আরো জানা যায়, ইতিপূর্বেও বিগত প্রায়
০১ বছরে পল্টন মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক প্রায় ৭০০টির অধিক হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারপূর্বক
প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনসেটগুলো দ্রুততম সময়ে ফিরে
পেয়ে আনন্দিত মোবাইল ফোন মালিকরা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও
কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ (ন্যাশনাল
চার্টার) বিষয়ে গণভোট পর্যবেক্ষণে এখন পর্যন্ত ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক আসার
বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
আজ
শনিবার ( ৩১ জানুয়ারি ) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা
(ওআইসি)-সহ ছয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থা অন্তত ৬৩ জন পর্যবেক্ষক পাঠাতে সম্মত হয়েছে। এর
পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ১৬টি দেশ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ৩২
জন ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
এ
নিয়ে আসন্ন নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০ জন, যা ২০২৪ সালের
৭ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ওই নির্বাচনে আন্তর্জাতিক
পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
এর
আগে ১২তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৮ জন, ১১তম জাতীয় নির্বাচনে ১২৫ জন এবং ১০ম নির্বাচনে
মাত্র চারজন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ছিলেন।
ওআইসি’র
দুই সদস্যের পর্যবেক্ষক দলটির নেতৃত্ব দেবেন সংস্থাটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ইউনিটের
প্রধান শাকির মাহমুদ বান্দার। এছাড়া এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল) থেকে
২৮ জন, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট থেকে ২৫ জন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান
ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে সাতজন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) থেকে
একজন পর্যবেক্ষক আসবেন।
পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভয়েস ফর জাস্টিস, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল,
এসএনএএস আফ্রিকা, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এবং পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল
অ্যাফেয়ার্স-এর মতো সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী ৩২ জন ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হিসেবেও নির্বাচনী
কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।
আন্তর্জাতিক
পর্যবেক্ষকদের সফর সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ
বলেন, আমরা আশা করছি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরো বাড়বে। আমন্ত্রণ জানানো কয়েকটি
দেশ এখনো তাদের প্রতিনিধিদের নাম নিশ্চিত করেনি।
যেসব
দেশ এখনো প্রতিনিধি চূড়ান্ত করেনি— তাদের মধ্যে রয়েছে ভারত, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া,
ব্রাজিল, কানাডা, মিসর, ফ্রান্স, কুয়েত, মরক্কো, নাইজেরিয়া ও রোমানিয়া। এছাড়া দক্ষিণ
এশিয়ার নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর ফোরাম ফেমবোসা শিগগিরই তাদের পর্যবেক্ষকদের
নাম ঘোষণা করতে পারে।
এবারের
নির্বাচনে ৫০টির বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার প্রার্থী
৩০০টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে
অনুষ্ঠিত হবে জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন ।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব সদর
দপ্তরে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দিয়ে
বলেন, র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। র্যাব গঠনের সময় বলা
হয়েছিল, বাহিনীটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু পরবর্তীকালে তা
মানা হয়নি।
তিনি আরো বলেন, র্যাব গঠনের শুরুর দিকে এটি একটি সুশৃঙ্খল ও
সুসংগঠিত বাহিনী হিসেবে মানুষের সম্মান, আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে। পুলিশ ও
সশস্ত্র বাহিনীর সেরা অফিসারদের এখানে পদায়ন করা হতো। যখনই রাজনৈতিক বিবেচনায় এ
বাহিনীতে নিয়োগ ও পদায়ন শুরু হয়, তখন থেকে এতে পচন ধরতে শুরু করে। সাধারণ মানুষের
মনে বদ্ধমূল ধারণা এই যে, যখন থেকে র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা শুরু
হয়, তখন থেকেই র্যাব গুম, খুনসহ বিভিন্ন বেআইনি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হতে শুরু
করে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ভালোবাসা, ব্যবহার ও পারফরম্যান্সের
মাধ্যমে র্যাবের হারানো গৌরব ও সম্মান পুনরুদ্ধার সম্ভব উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, সেজন্য আইনের মধ্যে থেকে র্যাবকে কাজ করে যেতে হবে। ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষের বেআইনি আদেশ মানা যাবে না। অননুমোদিত ও বেআইনিভাবে কাউকে আটক রাখা
যাবে না। ক্রসফায়ার, গুম, খুন থেকে র্যাবকে দূরে থাকতে হবে।
সভায় র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানসহ বাহিনীর বিভিন্ন
পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
পরে অনুষ্ঠানে র্যাবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উপদেষ্টাকে
অবহিত করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা র্যাবের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন
এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে; প্রতিটি ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে তিনি বিশ্ব মানবতার জন্য অনিন্দ্য সুন্দর অনুসরণীয় শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন; যা প্রতিটি যুগ ও শতাব্দীর মানুষের জন্য মুক্তির দিশারি হিসেবে পথ দেখাবে।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)’ উপলক্ষে রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারি, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাতের পবিত্র স্মৃতিবিজড়িত ১২ রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) বিশ্ববাসী বিশেষত মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত দিন। এ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে বিশ্বজগতের হেদায়েত ও নাজাতের জন্য ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’ তথা সারা জাহানের রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছেন। নবী করিম (সা.) সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে নবী, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য কেবল রহমতরূপে প্রেরণ করেছি’ (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)। মুহাম্মদ (সা.) এসেছিলেন তওহিদের মহান বাণী নিয়ে। সব ধরনের কুসংস্কার, অন্যায়, অবিচার, পাপাচার ও দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে মানবসত্তার চিরমুক্তি, শান্তি, প্রগতি ও সামগ্রিক কল্যাণের বার্তা নিয়ে এসেছিলেন তিনি। বিশ্ববাসীকে তিনি মুক্তি ও শান্তির পথে আসার আহ্বান জানিয়ে অন্ধকার যুগের অবসান ঘটিয়েছিলেন এবং সত্যের আলো জ্বালিয়েছেন। আজকের দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় বিশ্বে মহানবীর (সা.) অনুপম জীবনাদর্শ, তার সর্বজনীন শিক্ষা ও সুন্নাহর অনুসরণ এবং ইবাদতের মাধ্যমেই বিশ্বের শান্তি, ন্যায় এবং কল্যাণ নিশ্চিত হতে পারে বলে আমি মনে করি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর সুমহান আদর্শ ও সুন্নাহ বিশ্ববাসীর জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্টতম অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় এবং এর মধ্যেই মুসলমানদের অফুরন্ত কল্যাণ, সফলতা ও শান্তি নিহিত রয়েছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)’ উপলক্ষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহ তথা বিশ্ববাসীর শান্তি, মঙ্গল ও সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী (সা.) এর সুমহান আদর্শ ও সুন্নাহ যথাযথভাবে অনুসরণের মাধ্যমে দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
মন্তব্য করুন


আজ ৭ জানুয়ারি (বুধবার) বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ (সাবেক এমপি) এবং এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
নির্বাচন কমিশনের সাথে সাক্ষাৎ পরবর্তী এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের দলের কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বলেন, এক দেশে দুই রকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিছু কিছু রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই আইনে দুই রকম সিদ্ধান্ত, আমরা এটার প্রতিবাদ জানিয়েছি। তিনি উল্লেখ করেন, একই ঘটনায় দুইজনের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছে, একই ধরনের ঘটনা একই কোর্ট একই মামলা, কিন্তু আমাদের সিনিয়র নেতা- হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এটা যে কারণে হয়েছে তা হলো- বিভিন্ন জায়গায় দলীয় ডিসি নিয়োগ করা হয়েছে এবং তারা দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখেছেন, আইনকে দেখেননি। আমরা বলেছি- এ ধরনের ডিসি, এসপি যারা আছে তাদের অপসারণ করতে হবে। নিরপেক্ষ ডিসি, এসপি সেখানে নিয়োগ করতে হবে, তা না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকার কারণে একটি দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ করা হলেও কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। এটি আমরা কমিশনকে জানিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা বলেছি যে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। অন্য একটা দলকে ব্যাপক প্রচারণার সুযোগ দিচ্ছে। বিটিভি নিরপেক্ষ হয়নি- আমার এমন প্রশ্নে তথ্য উপদেষ্টা নিজের অসহায়ত্বের কথা জানান। অনতিবিলম্বে সকল দলের প্রচারণায় সমান সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছি আমরা।
রাজনৈতিক দল ও দলীয় প্রধানের প্রটেকশনে প্রটোকলের বিষয়ে বৈষম্যের কথা উল্লেখ করে ডা. তাহের বলেন, কোন কোন ব্যক্তিকে অনেক প্রটেকশন দেয়া হচ্ছে। আবার একই পর্যায়ের অন্য নেতাদেরকে সেরকম প্রটেকশন দেয়া হচ্ছে না। এখানে প্রটেকশন কাউকে বেশি দিবেন, কম দিবেন এটা আমাদের ইস্যু নয়। আমাদের ইস্যু হচ্ছে নির্বাচনের সময় একটা পাবলিক ইম্প্রেশনের প্রশ্ন আছে। এখন নির্বাচনের সময় এটা একটা ইস্যু, কারণ মানুষ দেখবে যে একজনকে অনেক প্রটোকল দেয়া হচ্ছে। তার প্রতি মানুষের ইম্প্রেশন হতে পারে। কারণ মানুষ বুঝবে সে ভবিষ্যৎ নেতা। যেটা লেভেল প্লেয়িংকে সাংঘাতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একটা রঙ ম্যাসেজ জনগণকে দেয়ার চেষ্টা করছে।
আচরণবিধি লঙ্ঘণের বিষয়ে তিনি বলেন, একটি দলের পক্ষ থেকে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। এটা সুস্পষ্টভাবে আচরণবিধির লঙ্ঘন। নির্বাচন কমিশন আমাদেরকে এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ফেয়ার ইলেকশনের জন্য ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি থাকা দরকার। তারা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছেন এবং আমাদের বলেছেন, এটা তারা ৯০ ভাগ কেন্দ্রে করবেন। আমরা চাচ্ছি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক। যদি আগামী নির্বাচনটি পাতানো নির্বাচন হয়, তাহলে বাংলাদেশ অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। দেশ আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে চলে যাবে। একটি দল এটা করতে গিয়ে নির্বাসনে আছে।
মন্তব্য করুন


সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তিনি এ সংবর্ধনা প্রদান করেন।
এ সময় নারী ফুটবল দলের সদস্যরা তাঁদের স্বপ্ন ও খেলোয়াড় জীবনের প্রতিদিনের সংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টার সামনে তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বিজয়ী খেলোয়াড়দের বিভিন্ন দাবি ও কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অগ্রাধিকারভিত্তিতে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
গত ৩০ অক্টোবর কাঠমান্ডুতে সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে পরাজিত করে শিরোপ জিতে নেয় বাংলাদেশ দল।
নারী ফুটবলারদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই সাফল্যের জন্য আমি পুরো জাতির পক্ষ থেকে তোমাদেরকে অভিনন্দন জানাই। জাতি তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের দেশের মানুষ সাফল্য চায়, আর তোমরা সেই সাফল্য এনে দিয়েছ।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি।
তিনি বলেন, অনেক বাধা পেরিয়ে আমরা এই পর্যায়ে পৌঁছেছি। শুধু নারী ফুটবল দলই নয়, বাংলাদেশের নারীদের সামগ্রিকভাবে নানা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
২০০৯ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করা সাবিনা তাঁর আগের প্রজন্মের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, আগের প্রজন্ম
ফুটবলকে তাঁদের ভালবাসা হিসেবে বেছে নেওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন।
সাবিনা আরো বলেন, আমাদের অনেকে সাধারণ পরিবার থেকে এসেছে এবং তার পরিবারকে আর্থিকভাবে
সাহায্য করতে হয়।
তিনি বলেন, আমাদের বেতন খুব বেশি নয়। এই বেতন দিয়ে পরিবারকে তেমন কোন সাহায্য করতে পারি না।
এই তারকা স্ট্রাইকার তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধার সংগ্রামের গল্প, যেমন মারিয়া মান্দারের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
ময়মনসিংহের বিখ্যাত কলসিন্দুর গ্রামের মারিয়া, যেখান থেকে সাফ বিজয়ী দলের ছয়জন খেলোয়াড় এসেছেন, ছোটবেলায় তাঁর বাবাকে হারান এবং মা তাকে বড় করেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা রানী সরকার ঢাকায় তাঁদের আবাসন সমস্যার কথা উল্লেখ করেন, আর মিডফিল্ডার মানিকা চাকমা খাগড়াছড়ি জেলার দূরবর্তী লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ফুটবলার হিসেবে উঠে আসার সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন।
মিডফিল্ডার স্বপ্না রানী তাঁর নিজ জেলা দিনাজপুরের রানীশংকৈল উপজেলায় তার গ্রামের দূর্বল অবকাঠামোর কথা বলেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেন যেন তাঁদের জন্য এশিয়ার বাইরে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়, বিশেষ করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বিজয়ী বার্সেলোনার সঙ্গে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তাদের ব্যক্তিগত আশা-আকাঙ্ক্ষা, সংগ্রাম ও তাদের বিভিন্ন দাবি আলাদাভাবে কাগজে লিখে তাঁর কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য বলেন।
অধ্যাপক ইউনুস বলেন, ‘তোমরা যা কিছু চাও তা লিখতে দ্বিধা করো না আমরা তোমাদের দাবিগুলো পূরণ করার চেষ্টা করব। যদি কিছু এখনই করা সম্ভব হয়, আমরা তা করব’।
কোচ পিটার বাটলার এবং ম্যানেজার মাহমুদা আক্তারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, সুপ্রদীপ চাকমা, অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এবং নূরজাহান বেগম।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীকে না পেয়ে
আধা ঘণ্টা বারান্দায় বসেছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বুধবার
(০৪ মার্চ) সকাল ৯টার পর ওই সরকারি দপ্তরে পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী।
তখন
ভূমি অফিসের মূল প্রধান ফটকটি খোলা থাকলেও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থলে ছিলেন
না। তাদের কক্ষগুলো তালাবদ্ধ পান তিনি।
ঘটনাস্থলে
থাকা সাংবাদিকরা জানান, সরকার নির্ধারিত অফিস সময়ের পাঁচ মিনিট পরে প্রতিমন্ত্রী কায়সার
কামাল ওই কার্যালয়ে উপস্থিত হন। কিন্তু তখনো কার্যালয়ের কেউ কর্মস্থলে আসেননি।
পরে
প্রায় আধ ঘণ্টা অফিসের বারান্দায় রাখা একটি চেয়ারে বসে অপেক্ষা করেন তিনি। এমনকি, ভূমি
সেবা নিতে আসা গ্রাহকদেরও সেখানে অপেক্ষমান দেখা যায়।
পরে
খবর পেয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
একটি
ভিডিওতে দেখা যায়, এ ধরনের দায়িত্বহীন আচরণের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতার
মুখেও পড়তে হয়। ভূমি প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল কর্মকর্তাদের দেরিতে আসার কারণ জানতে
চাইলে তারা অসংলগ্ন উত্তরও দেন।
পরে
প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, “এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। যারা দায়িত্বে
অবহেলা করবেন তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
“জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার জনগণের
জন্য কাজ করবে। এতে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।”
সরকারি
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন অন্যান্য অফিসগুলোতেও
চালানো হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
এ
বিষয়ে জানতে সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনের মোবাইলে একাধিকবার
কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
তবে,
সিদ্ধিরগঞ্জ অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবযানি কর বলেন, “আমি ব্যক্তিগত কারণে
অফিসিয়ালি অর্ধেকবেলা ছুটিতে ছিলাম। ফলে সরাসরি সেখানে যেতে পারিনি। তবে, আমি যতদূর
জেনেছি, প্রতিমন্ত্রী গিয়েছিলেন এবং সেখানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাননি। প্রতিমন্ত্রী
স্যার অনেকক্ষণ অপেক্ষাও করেছেন।”
বিষয়টি
জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অবগত হয়েছেন এবং তারাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা
নেবেন বলে জানান দেবযানি।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী শহিদুল ইসলাম ওরফে বুইস্যাকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাতে নগরের দুই নম্বর গেট এলাকা থেকে র্যাব-৭–এর একটি বিশেষ দল তাকে আটক করে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফফর হোসাইন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।
র্যাব ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চুরি ও ছিনতাইয়ের মাধ্যমে অপরাধ জগতে প্রবেশ করেন শহিদুল। ভিড়ের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা লাগিয়ে মানুষের কাছ থেকে মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়াই ছিল তার প্রাথমিক কৌশল। পরবর্তী সময়ে মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েন তিনি এবং প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে গড়ে তোলেন একটি সশস্ত্র বাহিনী।
চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত শহিদুলের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও মাদকসহ কমপক্ষে ২০টি মামলা রয়েছে। চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে গুলি চালানোর একাধিক অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যে উঠে এসেছে, তার একটি নিজস্ব *‘টর্চার সেল’*ও ছিল।
চাঁদা না দিলে গুলি
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, চাঁদার টাকা না পেলে শহিদুল ও তার সহযোগীরা প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার করত। গত ৪ অক্টোবর পাঁচলাইশের বাদুড়তলা এলাকায় একটি গ্যারেজের সামনে তার সহযোগী মুন্নার গুলি চালানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
এর আগেও গত বছরের ১০ নভেম্বর চান্দগাঁও থানার কাছাকাছি একটি মোটর গ্যারেজে চাঁদা না পেয়ে শহিদুল নিজেই গুলি চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সময় গ্যারেজ মালিকের কাছে প্রথমে ২০ লাখ টাকা এবং পরে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল বলে জানান ভুক্তভোগীরা। একই বছরের ১৯ অক্টোবর এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনাতেও শহিদুল ও তার সহযোগীদের নাম উঠে আসে।
৩০ সদস্যের বাহিনী, রয়েছে বিদেশি অস্ত্র
পুলিশ ও র্যাব জানায়, শহিদুল প্রায় ৩০ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন, যারা মাদক ব্যবসা, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে সক্রিয় ছিল। তার একাধিক সহযোগী বিভিন্ন মামলার আসামি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চিত করতে পারেনি শহিদুলের কাছে মোট কত অস্ত্র রয়েছে। তবে গত অক্টোবর মাসে তার সহযোগীদের কাছ থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধারের তথ্য রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তার বাহিনীর হাতে অস্ত্র দেখা যায়।
‘টর্চার সেলে’ পাওয়া যায় লুট হওয়া গুলি
চান্দগাঁও ও বহদ্দারহাট এলাকার একটি ভবনকে শহিদুল তার নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সেখানে অভিযান চালিয়ে আগেও তার বেশ কয়েকজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে উদ্ধার হওয়া কিছু গুলি ও খোসা থানার কাছ থেকে লুট হওয়া বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
সেসময় পুলিশ জানায়, যারা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানাত, তাদের ওই নির্যাতন কেন্দ্রে নিয়ে শারীরিকভাবে নিপীড়ন করা হতো। সেখানে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও নজরদারির সরঞ্জাম পাওয়া যায়।
মেশিনে গণনা হতো চাঁদার টাকা
আরও জানা গেছে, শহিদুলের বাহিনী চাঁদাবাজি ও মাদক বিক্রির টাকা দ্রুত হিসাব করতে ব্যাংকে ব্যবহৃত টাকা গণনার যন্ত্র ব্যবহার করত। এক অভিযানে ওই যন্ত্রসহ নগদ অর্থ ও মাদক উদ্ধার করে পুলিশ।
শহিদুল ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা। পড়াশোনা তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ছবি ও ভিডিও থাকলেও কোনো আনুষ্ঠানিক পদে ছিলেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি নিয়ে চট্টগ্রামে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, তার সহযোগীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তান সামরিক একাডেমি (পিএমএ) থেকে প্রশিক্ষণ শেষে মর্যাদাপূর্ণ কমান্ড্যান্টস ওভারসিজ মেডেল অর্জন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাডেট “ জান্নাতুল মাওয় ” । প্রশিক্ষণে অসাধারণ সাফল্যের জন্য তার হাতে এ পদক তুলে দেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির।
গতকাল শনিবার (১৮ অক্টোবর) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।
পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের কাকুলে অনুষ্ঠিত পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেন ১৫২তম পিএমএ লং কোর্স, ৭১তম ইন্টিগ্রেটেড কোর্স, ২৬তম লেডি ক্যাডেট কোর্স এবং ৩৭তম টেকনিক্যাল গ্র্যাজুয়েট কোর্সের ক্যাডেটরা। জান্নাতুল মাওয়া অংশ নিয়েছিলেন ২৬তম লেডি ক্যাডেট কোর্সে। এই আয়োজনে বাংলাদেশসহ ইরাক, ফিলিস্তিন, কাতার, মালি, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ইয়েমেন ও নাইজেরিয়ার মতো বন্ধুপ্রতিম দেশের প্রশিক্ষণার্থীরাও অংশগ্রহণ করেন। পাকিস্তানে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জান্নাতুল মাওয়া
প্যারেড শেষে সেনাপ্রধান কৃতিত্বপূর্ণ ক্যাডেটদের হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেন। ১৫২তম পিএমএ লং কোর্স থেকে একাডেমি সিনিয়র আন্ডার অফিসার আহমেদ মুজতবা আরিফ রাজা সোর্ড অব অনার এবং ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার জোহাইর হোসেন রাষ্ট্রপতির স্বর্ণপদক লাভ করেন।
মন্তব্য করুন


কেনিয়ার ২২ বছর বয়সি পরিবেশকর্মী ট্রুফেনা মুথোনি
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘকাল ধরে একটানা বৃক্ষআলিঙ্গনের
মাধ্যমে।
ট্রুফেনা একটি গাছের গায়ে ৭২ ঘণ্টা ধরে আলিঙ্গন করে
রেকর্ড স্থাপন করেছেন। পূর্বের রেকর্ডধারী ঘানার ফ্রেডেরিক বোয়াকি ছিলেন, যিনি ৫০
ঘণ্টা ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ড ধরে গাছ আলিঙ্গন করেছিলেন।
মুথোনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৪৮ ঘণ্টার একটি আলিঙ্গন
সম্পন্ন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, প্রথম চেষ্টার মাধ্যমে তিনি মানুষকে পৃথিবীর সঙ্গে
সংযোগ স্থাপনের একটি বার্তা দিতে চেয়েছিলেন।
দ্বিতীয় চেষ্টার বিষয়ে তিনি জানান, এটি ছিল একটি
প্রতিজ্ঞা। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, পৃথিবীর যত্ন নেওয়া কেবল প্রতীকী নয়; এটি ধৈর্য,
অধ্যবসায় এবং প্রমাণের মাধ্যমে দেখাতে হবে যে এটি একটি স্থায়ী দায়িত্ব। এই চ্যালেঞ্জ
পুনরায় করার উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশের জন্য সচেতনতা একবারের নয়, দীর্ঘমেয়াদি কর্তব্য
হিসেবে প্রদর্শন করা।
মন্তব্য করুন


যাত্রীদের জিম্মি করে বাংলাদেশ রেলওয়ের
রানিং স্টাফদের কর্মসূচি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ট্রেন চলাচল
বন্ধের পর সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করতে এসে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
বলেন, স্টাফদের দাবির বিষয়ে আমাদের আলোচনার দরজা সব সময় খোলা রয়েছে। প্রয়োজনে আমরা
তাদের সঙ্গে আবারও আলোচনা করব এবং অর্থ বিভাগেও তাদের এ দাবি দাওয়া নিয়ে আলোচনা করব।
যাত্রীদের ভোগান্তি যাতে কম হয় সেজন্য ইতোমধ্যে গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছি।
এরপরও কোনো যাত্রী যদি স্টেশনে আসেন তাদের সুবিধা বিবেচনা করে আমরা বিআরটিসি বাসের
ব্যবস্থা করে দিয়েছি। যাতে রেলের যে রুটগুলো আছে সেখানে যাত্রীরা যেতে পারেন।
রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির
খান বলেন, স্টাফদের যে দাবি মাইলেজ অ্যালাউন্সের দাবি, তা দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে।
তাদের এ দাবির অনেক অংশ আমরা ইতোমধ্যে পূরণ করেছি। বাকি দাবিগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা
করতে প্রস্তুত আছি। রেলতো কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি না, এখানে আলোচনার সুযোগ আছে। রেল
বন্ধের ফলে কিন্তু সরকারের অসুবিধা হচ্ছে না, অসুবিধা সাধারণ যাত্রীদের হচ্ছে। আমরা
চাই এর সমাধান দ্রুত হোক। কারণ সামনে ইজতেমা আছে।
পরিদর্শনকালে বিআরটিসির চেয়ারম্যান
তাজুল ইসলাম বলেন, কমলাপুর ও এয়ারপোর্ট স্টেশনে যাত্রীদের জন্য ১০টি করে মোট ২০টি গাড়ি
প্রস্তুত আছে। প্রয়োজন হলে বাস আরও বাড়ানো হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ সচিব মো.
ফাহিমুল ইসলাম, রেলওয়ে ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আরিফ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন