

বলিউডের এই সময়ের অভিনেত্রী দিশা পাটানির বাড়িতে গুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) উত্তর প্রদেশে অভিনেত্রীর বাড়িতে এই হামলা চালানো হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
হামলার দায় স্বীকার করেছে রোহিত গোদারা ও গোল্ডি ব্রার চক্র।
ঘটনার সময় বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন দিশার পরিবারের সদস্যরা। অভিনেত্রীর বোন খুশবু পাটানি (সাবেক সেনা কর্মকর্তা), বাবা জগদীশ পাটানি (অবসরপ্রাপ্ত ডিএসপি) ও মা পদ্মা পাটানি বাড়িতেই ছিলেন। অভিনেত্রী দিশা তখন মুম্বাইয়ে ছিলেন।
এই ঘটনায় দিশার বাবা জগদিশ পাটানি মামলা দায়ের করেছেন। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে পাঁচটি দল গঠন করেছে পুলিশ। বাড়ির নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে ঘটনা সম্পর্কে দিশা পাটানির মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী হুমায়রা হিমু আর নেই। জানা গেছে,তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রওনক হাসান। বর্তমানে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে রয়েছে অভিনেত্রীর মরদেহ।
লক্ষ্মীপুরের মেয়ে হুমায়রা হিমু অভিনয় জগতে পা রাখেন মঞ্চনাটকের মাধ্যমে ।
২০০৬ সালে টেলিভিশন নাটক ছায়াবীথি-তে প্রথম অভিনয় করেন। একই বছর পিআই (প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর) নামে একটি টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেন। তারপর বাড়ি বাড়ি সারি সারি, হাউজফুল, গুলশান এভিনিউ সহ অনেক জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি।
ছোট পর্দার পাশাপাশি হিমু নাম লিখিয়েছেন চলচ্চিত্রেও। ২০১১ সালে আমার বন্ধু রাশেদ সিনেমার মাধ্যমে এই ভুবনে তার অভিষেক হয়। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ চলচ্চিত্রে অরু চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ প্রশংসা কুড়ান তিনি।
দেওয়ান নাজমুল পরিচালিত তোরে কত ভালোবাসি শিরোনামে একটি চলচ্চিত্রের কাজ শেষ করেছেন হিমু। সাওতালদের নিয়ে গড়ে উঠেছে এর গল্প। এ চলচ্চিত্র এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
মন্তব্য করুন


গতকাল
(৩ ডিসেম্বর) বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তার জিম ট্রেনার প্রেমিক
নূপুর শিখরে। মুম্বাইয়েই বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।
আমিরের
প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ৪ হাত এক হলো। ইরা
বিয়েতে সাবেকি সাজই বেছে নিয়েছিলেন।
যদিও
আর ৫জন কনের মতো লেহেঙ্গা বা শাড়ি পরেননি আমিরকন্যা। ইরার পরনে ছিল নীল ও গোলাপির
কম্বিনেশনে তৈরি ডিজাইনার পোশাক।
তবে
ইরার স্বামী নূপুর শিখরের সাজে ছিল অন্য চমক। শেরওয়ানি, পঞ্জাবি নয় কালো রঙের গেঞ্জি
ও সাদা হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের মঞ্চে এসে উঠলেন জামাই!
ইরা
ও নূপুরের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নূপুরের সাজপোশাক
নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। নূপুরের এই সাজ দেখে অবাক সবাই। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে
পারে, কেন কালো টি-শার্ট আর হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের আসরে এসেছিলেন বর। আসলে প্রায় ৮ কিলোমিটার
দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে আসেন নুপূর। রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে তাদের। আর স্বাক্ষর করার
সময় স্যান্ডো গেঞ্জিই পরে ছিলেন নুপূর।
আপাতত
রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে করেছেন এই জুটি। আগামী ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হবে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


’ডোডোর
গল্প’র শুটিংয়ে মাধ্যমে অভিনয়ে ফিরেন অভিনেত্রী পরীমণি। তবে হঠাৎ রেগে আগুন পরীমণি।
সম্প্রতি
ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্য
চলচ্চিত্র ‘বুকিং’। হাতে রয়েছে আরও বেশ কিছু কাজ।
রোববার
(২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সামাজিকমাধ্যমে পরীমণি লেখেন, ‘মিথ্যুক, ভণ্ড, প্রতারক,.. বাচ্চাদের
জন্যে সিনেমার... মারা হচ্ছে। শবে বরাতের দিনে কলিজার মধ্যে কষ্ট দিয়ে দিল। এই কষ্ট
তাদের না হোক। আল্লাহ তাদের মাফ করে দিক।
যদিও
এই পোস্টের রহস্য এখনও জানা যায়নি। কোনো কিছু খোলাসা করেননি নায়িকা পরীমণি।
প্রসঙ্গত,
শিগগিরই ‘রঙিলা কিতাব’ নামে অনম বিশ্বাসের একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার কথা
রয়েছে পরীমণির। এ ছাড়াও টলিউডে ‘খেলা হবে’ নামে একটি সিনেমাও রয়েছে তার হাতে।
মন্তব্য করুন


বলিউডের এই সময়ের অভিনেত্রী দিশা পাটানির বাড়িতে গুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) উত্তর প্রদেশে অভিনেত্রীর বাড়িতে এই হামলা চালানো হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
হামলার দায় স্বীকার করেছে রোহিত গোদারা ও গোল্ডি ব্রার চক্র।
ঘটনার সময় বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন দিশার পরিবারের সদস্যরা। অভিনেত্রীর বোন খুশবু পাটানি (সাবেক সেনা কর্মকর্তা), বাবা জগদীশ পাটানি (অবসরপ্রাপ্ত ডিএসপি) ও মা পদ্মা পাটানি বাড়িতেই ছিলেন। অভিনেত্রী দিশা তখন মুম্বাইয়ে ছিলেন।
এই ঘটনায় দিশার বাবা জগদিশ পাটানি মামলা দায়ের করেছেন। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে পাঁচটি দল গঠন করেছে পুলিশ। বাড়ির নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে ঘটনা সম্পর্কে দিশা পাটানির মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


রিমানন্ড ও জামিনা না মঞ্জুর করে
টিকটকার মামুন মামুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১১ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশিদ এ আদেশ দেন।
টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের
(২৫)
বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
করেন বান্ধবী লায়লা আক্তার ফারহাদের (৪৮)।
এর আগে সোমবার (১০ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দাউদকান্দি থানা পুলিশ। এরপর তাকে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আজ (মঙ্গলবার) তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ক্যান্টনমেন্ট থানার উপ-পরিদর্শক মো: শাহজাহান। আসামিপক্ষে বেশ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন লায়লা।
মামলার অভিযোগে লায়লা উল্লেখ করেন, মামলার বিবাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে তার গত তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন তাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা ছিল না। তাই প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হওয়ায় এবং মামুন লায়লাকে বিয়ে করবে জানালে তাকে নিজ বাসায় থাকার অনুমতি দেন তিনি (লায়লা)।
পরে ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতে থাকেন। সেখানে লায়লার বাসায় তার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন মামুন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সর্ম্পক করেন তিনি। মামুন তার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই ওই বাসায় গিয়ে থাকতেন। লায়লা মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মামুনকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।
মন্তব্য করুন


বিয়ে
করেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাব এবং আলোচিত সংগীতশিল্পী জেফার
রহমান। দীর্ঘদিনের ‘ওপেন সিক্রেট’ প্রেমের সম্পর্ক এবার আনুষ্ঠানিকভাবে
পরিণয়ে রূপ নিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের খবরটি নিজেই নিশ্চিত করেছেন রাফসান সাবাব।
বিয়ের
একটি বিশেষ মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে রাফসান সাবাব লেখেন, “পরিবার ও ভালোবাসার মানুষদের
পাশে নিয়ে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ আমাদের কাম্য।
আজ আমাদের দুই জীবন এক হলো, শুরু হলো একসাথে পথচলার এক সুন্দর গল্প।”
এই
খবরে অভিনন্দনের জোয়ার বইছে শোবিজ অঙ্গনে। সহকর্মী ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভরে উঠেছে নবদম্পতির
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের টাইমলাইন। এর মধ্যে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবিরের
আবেগঘন মন্তব্যটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের।
সাফা
কবির লিখেছেন, “দৃশ্যটি কী যে চমৎকার! আমি চোখ ফেরাতে পারছি না। আনন্দে আমার বুক ভরে
উঠছে, চোখ যেন খুশির অশ্রুতে ভরে উঠেছে। এই দুই সুন্দর মানুষ যখন এক হতে যাচ্ছে, সৃষ্টিকর্তার
আশীর্বাদ থাকুক। আল্লাহ আপনাদের জীবন সীমাহীন ভালোবাসা আর নিয়ামতে ভরিয়ে দিন।”
উল্লেখ্য,
রাফসান সাবাব দীর্ঘদিন ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ইভেন্ট ও শো উপস্থাপনার মাধ্যমে
নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অন্যদিকে, জেফার রহমান তার গায়কী ও ফ্যাশন সেন্স দিয়ে তরুণ
প্রজন্মের মধ্যে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন। দুই ভিন্ন ভুবনের দুই সফল মানুষের এই নতুন
পথচলা বিনোদন জগতে যোগ করলো নতুন এক মাত্রা।
মন্তব্য করুন


সংসদ সদস্য পদ থেকে ‘পদত্যাগ’ করেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিধানসভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন তিনি। যদিও মমতা এখনও সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। বিষয়টি জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী নিজেই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, আজ বিধানসভায় মমতা বক্তব্য দেওয়ার সময় তার কক্ষে ঢোকেন মিমি। কিছুক্ষণ পর ওই কক্ষে ঢোকেন তৃণমূলের দুই তারকা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী এবং জুন মালিয়া। বক্তব্য শেষ হলে নিজের কক্ষে যান মমতা। তারপর তিনি মিমি এবং বাকিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক থেকে বের হয়ে মিমি বলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে এমপি পদ থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। তবে মমতা এখনো সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে তিনি ভারতীয় লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র দিয়ে আসবেন।
সম্প্রতি সংসদের দুটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছে মিমি। সংসদের শিল্পবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। ছিলেন কেন্দ্রীয় শক্তি মন্ত্রণালয় এবং নবীন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটির সদস্যও। এই দুটি পদ থেকেই তিনি পদত্যাগ করেন।
এরপর জানা যায়, যাদবপুর লোকসভার অধীন নলমুড়ি এবং জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপারসন পদও ছেড়ে দিয়েছেন মিমি। তারপর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে জল্পনা শুরু হয়।
প্রশ্ন উঠেছে, ২০২৪ সালে যাদবপুর থেকে আবারও কি প্রার্থী হবেন মিমি? নিজের ধারাবাহিক পদত্যাগ প্রসঙ্গে অবশ্য এর আগে তিনি মুখ খোলেননি। আজ জানিয়ে দিলেন, আর এমপি থাকতে চান না তিনি। মিমি বলেন, আমার যা বলার ছিল, দিদিকে (মমতা) বলেছি। অনেকে বলছিলেন, আমি পরবর্তী টিকিট পাকা করার জন্য এটা করছি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি আমার জন্য নয়।
এর ব্যাখ্যা দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, রাজনীতি করলে আমার মতো মানুষকে গালাগালি দেওয়ার লাইসেন্স পেয়ে যায় লোকে। মিমি চক্রবর্তী যদি খারাপ কিছু করত, সবার আগে শিরোনামে উঠে আসত। আমি জেনে জীবনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। আমি রাজনীতিক নই। কখনো রাজনীতিক হবো না। সবসময় আমি মানুষের জন্য কর্মী হিসাবে কাজ করতে চেয়েছি। আমি অন্য দলের কারও বিরুদ্ধেও কখনো খারাপ কথা বলিনি।
মন্তব্য করুন


ফুটবল ইতিহাসের
প্রথম বিশ্বকাপের ট্রফিটি নিয়ে বছরের পর বছর কম আলোচনা হয়নি। বারবার এটি চুরির চেষ্টা
হয়েছে। একবার জানা গিয়েছিল, ট্রফিটি গলিয়ে সেটি থেকে প্রাপ্ত সোনা নাকি বিক্রি করা
হয়েছে। ৬০ বছর পর ফিফা মিউজিয়ামে এর অংশবিশেষ পাওয়া গেছে।
ফরাসি শিল্পী
আবেল লাফ্লুরে তৈরি করেছিলেন জুলে রিমে ট্রফি। এটাকে গ্রিক দেবী নায়ক ‘নিকি’কে আকারে
ফুটিয়ে তোলা ছিল। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে
এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্বাগতিকরা। ট্রফিটির উচ্চতা ছিল প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার, ওজন প্রায়
চার কেজি এবং এটি সোনা দিয়ে মোড়ানো ছিল। বিশ্বকাপের পর থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এই ট্রফি
নিয়ে নাটকীয়তা কম হয়নি।
বিশ্বযুদ্ধের
সময় নাৎসীদের হাত থেকে বিশ্বকাপ ট্রফি রক্ষা করতে ফিফার কর্মকর্তা এটিকে একটি পরিত্যক্ত
জুতার বাক্সে লুকিয়ে রেখেছিলেন। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রদর্শনীর সময় এটি চুরি হয়েছিল।
পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি এবং তার কুকুর পিকলস ট্রফি উদ্ধার করে। ১৯৮৩ সালে ব্রাজিলের
রিও দে জেনেরিওতে এটি চুরি হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয় যে ট্রফিটি গলিয়ে স্বর্ণ বিক্রি
করা হয়েছে। যদিও ওই বিবৃতিতে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।
যাই হোক, ফিফা
মিউজিয়ামের সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে। ট্রফির মূল চার-পাশের
লাপিস লাজুলি বেসটি ফিফার আর্কাইভে বহু বছর ধরে সংরক্ষিত ছিল! এটিকে কেউ চুরি করতে
পারেনি। আসলে ১৯৫৮ সালে ট্রফির বেস বদলানো হয়েছিল, এবং নতুন বেসে আটটি সাইড রাখা হয়েছিল
যাতে ভবিষ্যতের বিজয়ীদের নাম লেখা যায়। মূল বেসটি তখনই আর্কাইভে রাখা হয়েছিল, কিন্তু
সেটা দীর্ঘ সময় কারও নজরেই আসেনি।
এই মুহূর্তে
জুলে রিমে ট্রফির এই চার-পাশের বেসটি ফিফা মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে, যা ফুটবল ইতিহাসের
এক অমূল্য স্মারক। এটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্বকাপের প্রাথমিক দিনগুলির উত্তেজনা,
চমক এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার স্মৃতি। সময়ের সাথে বিশ্বকাপ ট্রফি আরও আধুনিক হয়েছে, আরও
মূল্যবান হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের এই নিদর্শন মনে করিয়ে দেবে কিভাবে একটি বিশ্বকাপ
ট্রফি কীভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।
মন্তব্য করুন


ছোট পর্দার এই সময়ের অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি । ইতোমধ্যে শোবিজে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এ অভিনেত্রী। বিভিন্ন সময় ব্যক্তিজীবন ও কাজ নিয়ে আলোচোনায় এসেছেন তিনি। নতুন বছরে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন মাহি।
তবে এবার আলোচনা কাজ দিয়ে নয়, মেকাপ ছাড়া তার একটি ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এ নিয়েই চলছে বিভিন্ন প্রকার মন্তব্য।
ফেসবুকে মাহির নো-মেকআপ লুক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে । তারপর থেকে তার গায়ের রং নিয়ে ট্রল করছেন নেটজনতা। চলছে বর্ণবৈষম্য। ভিডিওটি দেখে বোঝা যাচ্ছে কোন একটি নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে মেকাপ ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এই অভিনেত্রী। আর সে সময় তার এক সহকর্মী মজার ছলেই ভিডিও করে। পরে যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। যেখানে অনেকেই মাহির গায়ের রঙ নিয়ে বিভিন্ন প্রকার কটূক্তি করছেন।
সোশ্যাল সাইটে নাতিদীর্ঘ এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে সেই অনুভূতির কথা জানিয়েছেন মাহি।গায়ের রঙ নিয়ে ট্রল করায় কষ্ট পেয়েছেন তিনি। মাহি লিখেছেন, প্রায়ই অভিনেত্রীদের স্কিন কালার নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য শোনা যায়। নিজের বাইরেও অনেকের পোস্টেই এসব মন্তব্য চোখে পড়ে। কিন্তু একজন অভিনেতার ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটে না। এর কারণ আসলেই অজানা। হয়ত আমরা অনেকেই মধ্যযুগীয় চিন্তা-চিতনা নিয়েই চলছি।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকে কাজকে গুরুত্ব দিয়েছেন জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বরাবরই কাজকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। বর্তমান যে জায়গায় দাঁড়িয়ে সেখানেও অনেক চেষ্টা, কষ্ট, পরিশ্রম আছে। মানুষের ভালোবাসা রয়েছে। কিন্তু তারপরও মাঝে মধ্যে রঙ নিয়ে মানুষের এমন ট্রল করা আমাকে ভীষণ ভাবায়। যদিও কিছু মানুষই কেবল এমনটা করে থাকে। অথচ একজন মানুষকে, একজন অভিনেত্রীকে তার কাজের মাধ্যমে বিচার করা উচিত। অন্য কোনো কিছু দিয়ে বিচার করা নয়।আমার কাজের সমালোচনা করুন, আমি মাথা পেতে নেব। নিজেকে আরও শুধরানোর জন্য চেষ্টা করব। কিন্তু এভাবে গায়ের রঙ নিয়ে মন্তব্য করে নিজের পরিচয় দেবেন না। আমি আপনাদের জন্যই কাজ করছি, আর করে যাব। আপনাদের সবার ভালোবাসায় থাকতে চাই এবং বাঁচতে চাই।
এর আগে গত বছর মাহি তার সোশ্যাল মাধ্যমে এক যুবকের সাথে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। প্রেমিক হিসেবে ঘোষণা না দিলেও তাদের অন্তরঙ্গতা প্রেমের আভাসই দিচ্ছিল যেন। মাহি অবশেষে প্রেমের কথাও স্বীকার করেন।
প্রেমের বিষয়টি স্বীকার করে মাহি জানান ,কোভিডের আগে, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। কোভিডের সময় যোগাযোগ বাড়ে, সেখানে থেকেই আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ওর নাম সাদাত শাফি নাবিল। আর পারিবারিকভাবেই ওদের গাড়ির ব্যবসা আছে।
মন্তব্য করুন


পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি-ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরী জামিন পেয়েছেন।
আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই।
এর আগে পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে ২৭ লাখ টাকা নেয়ার পর তা আত্মসাৎ ছাড়াও ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়ার অভিযোগে বাদী আমিরুল ইসলামের করা মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার নির্ধারিত তারিখে আসামিরা হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া মেহজাবীন ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একইসঙ্গে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদী আমিরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন তাকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার করার কথা বলেন। এ প্রতিশ্রুতিতে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন অভিনেত্রী ও তার ভাই। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তারা কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। পাওনা টাকা চাইতে গেলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি টাকা ফেরত চাইতে গেলে ১৬ মার্চ বাদীকে হাতিরঝিল রোডের পাশের একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলা হয়। ওইদিন সেখানে গেলে মেহজাবীন, তার ভাই এবং আরও কয়েকজন তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। সেই সঙ্গে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, টাকা চাইতে আর বাসার সামনে দেখা গেলে মেরে ফেলব। এতে বাদী চরম আতঙ্কে পড়েন।
ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় গেলে থানার পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়। পরে আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন