

আগামী সপ্তাহে সারা দেশ থেকে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বা বর্ষা বিদায় নিতে পারে।
বুধবার (৯ অক্টোবর) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানায়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
বর্ধিত ৫ দিনে দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) সারা দেশ থেকে বিদায় নিতে পারে এবং বৃষ্টিপাতের প্রবণতা হ্রাস পেতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


সরকারি
চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই লম্বা ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র
শবেবরাত পালিত হবে। সে উপলক্ষে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি
ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরের দিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)।
এ
অবস্থায় কেবল এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি কাটানো যাবে। কেননা এর পরের
দুদিন যথাক্রমে ৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ও ৭ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। সুতরাং
মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই সরকারি চাকরিজীবীরা টানা চার দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন।
এদিকে,
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ক্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সে
উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর পরের দুদিন ১৩ ও ১৪
ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। অর্থাৎ এখানে মিলছে টানা চার দিনের
ছুটি।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী
১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আর
১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের
দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষণা করা হয়।’
অন্যদিকে,
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে
মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র
ও শনিবারে পড়েছে। এ ছাড়া ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটি নির্ধারিত হয়েছে।
সে
অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান
ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর
সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।
মন্তব্য করুন


১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন পরিচালক (উপসচিব) মো. আবদুর রহমান।
সকালে স্কুল-২ ও স্কুল পর্যায় এবং বিকেলে কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ মার্চ (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১০টা পর্যন্ত স্কুল-২ ও স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, কয়েক বছর ধরে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা পৃথক পৃথক দিনে অনুষ্ঠিত হলেও এবারই প্রথম একইদিনে নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ঠিক করেছে এনটিআরসিএ।
এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসএসসি পরীক্ষা, বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, সিটি করপোরেশন ও উপজেলা নির্বাচনসহ নানা কারণে এবার একদিনে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রিলিমিনারিতে ১০০ নম্বরের বহু নির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে প্রার্থীদের। এ ধাপে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানে ২৫ করে মোট ১০০ নম্বর। পাস নম্বর ৪০। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর করে কাটা পড়বে। তিনটি পর্যায়ে অর্থাৎ স্কুল পর্যায়, স্কুল পর্যায়-২ ও কলেজ পর্যায়ে পৃথক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার্থীদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


আগামী রোববার
থেকে শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক
কার্যক্রম শুরু
হতে যাচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা মুহাম্মদ
ইউনূস আগামী
১৮ অগাস্ট
থেকে স্বাভাবিক
শিক্ষা কার্যক্রম
শুরু করার
নির্দেশ দিযেছেন বলে বৃহস্পতিবার
মাধ্যমিক ও
উচ্চশিক্ষা বিভাগের
এক অফিস
আদেশে জানানো
হয়।
এর আগে
গত মঙ্গলবার
প্রাথমিক ও
গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
বুধবার থেকে
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
শ্রেণি কার্যক্রম
পুরোদমে চালুর
নির্দেশনা দিয়েছিল।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাঁচ দিনের মাথায় সরকার গঠন করছে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার
সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন
রাষ্ট্রপতি।
মহিলা
বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন আবু জাফর মো.
জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার
গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপি ও সচিবালয়ের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র।
মন্তব্য করুন


দেশের
গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ দ্বিতীয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
পালিত হচ্ছে।
গতকাল
বুধবার থেকে সারাদেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন শুরু হয়। গতকাল ৩১ ডিসেম্বর থেকে
শুরু হওয়া এই শোক চলবে আগামীকাল ২ জানুয়ারি, ২০২৬ (শুক্রবার) পর্যন্ত।
রাষ্ট্রীয়
শোকের দ্বিতীয় দিনে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ
সকল সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা
হয়েছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই শোক কর্মসূচির
ঘোষণা দেওয়া হয়।
সেখানে
বলা হয়, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে
সরকার গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর মৃত্যুতে বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ হতে শুক্রবার, ২ জানুয়ারি
২০২৬ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
বেগম
খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য আগামীকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দেশের সকল মসজিদে
বিশেষ দোয়া ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনারও আয়োজন করা হবে। এর আগে,
গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও গতকাল বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন।
বিরল
রাষ্ট্রীয় সম্মান ও মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়ে স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের
কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে মরহুমের ছেলে তারেক রহমান মাকে
কবরে শায়িত করেন। রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব
অনার প্রদান করা হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি।
দাফনের
আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, মানিক মিয়া এভিনিউ ও আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা
জুড়ে অনুষ্ঠিত হয় বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক জানাজা। তাঁর এই জানাজায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। শোক আর শ্রদ্ধায় আপসহীন এই নেত্রীকে
শেষ বিদায় জানান কোটি মানুষ।
এই
জানাজাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ জানাজা বলে উল্লেখ করছেন অনেকেই।
বেগম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার
মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন। ঐতিহাসিক এ জানাজায় বিশ্বের
বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ ও কুটনৈতিকগণ অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম শুক্রবার এ কথা পুনরায় নিশ্চিত করেছেন।
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার প্রখ্যাত কবি ফররুখ আহমদের পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শনকালে শফিকুল আলম আসন্ন সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
তার মতে, রাজনৈতিক বৈচিত্র্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক দিক। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকা খুবই স্বাভাবিক। যদি না থাকত, তাহলে আলাদা দল থাকত না।
এসময় তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন যে, নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন স্থগিত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বলেও আশ্বস্ত করেন শফিকুল আলম।
পাশপাশি নির্বাচনী প্রক্রিয়া ব্যাহত করার যেকোনো প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি দেন।
প্রেস সচিব বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অঙ্গীকার অনুযায়ী নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে। এ প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।
আসন্ন নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রেস সচিব এটিকে ‘ভিত্তিপ্রস্তর নির্বাচন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
স্টারলিংক সফলভাবে চালু করার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রশংসা
করেছেন স্পেসএক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার।
আজ
শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনুসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
লরেন
ড্রেয়ার বলেন, আমরা ১৫০টি দেশ ও অঞ্চলে কাজ করি। আমরা এত দক্ষতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত
গ্রহণ আগে কখনও দেখিনি। স্পেসএক্স-এর সব সহকর্মীর পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।
আমরা আপনার লোকজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বাংলাদেশ সফরের জন্য ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,
এখন বর্ষাকাল, দেশের এক মনোরম সময়। সুন্দর পরিবেশ। চারদিকে সবুজ আর পানি। কিন্তু বন্যা
ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির বাস্তবতাও আছে। সেজন্য আমাদের ভালো কানেক্টিভিটির স্বার্থে
নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তির প্রয়োজন।
তিনি
আরও বলেন, আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের দূরবর্তী এলাকাগুলোতে উন্নত কানেক্টিভিটির বিশেষ
প্রয়োজন। এসব অঞ্চলে ভালো স্কুল শিক্ষক ও ডাক্তার নেই। আমরা ১০০টি স্কুলে অনলাইন শিক্ষা
চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছি, যা বিচ্ছিন্ন এলাকার শিক্ষার্থীদের উপকারে আসবে।
অন্তর্ভুক্তিমূলক
স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবাকে
অগ্রাধিকার দিচ্ছি, যাতে দূরবর্তী এলাকার মানুষ অনলাইনে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারে।
তাদের চিকিৎসার ইতিহাস ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকবে, এর ফলে ভবিষ্যতে পরামর্শ দেয়া সহজ
হবে।
তিনি
বলেন, এটি প্রেগনেন্সি পিরিয়ডে খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। নারীদের এ সময় ডাক্তারের কাছে
যাওয়ার জন্য আরেকজন সহযোগীর প্রয়োজন হয়। ডিজিটাল হেলথ সেবা হলে তারা ঘরে বসেই ডাক্তার
দেখাতে পারবেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখ
করেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ডিজিটাল হেলথ সেবা থেকে উপকৃত হবেন।
তিনি
বলেন, প্রবাসীরা ভাষার কারণে অনেক সময় ডাক্তারের কাছে যেতে অস্বস্তিতে ভোগেন। কী বলবেন-এটা
নিয়ে ভাবেন। তবে ডিজিটাল হেলসথ সেবা হয়ে গেলে বিদেশ থেকেই বাংলাদেশের ডাক্তারের সাথে
তারা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শের জন্য কথা বলতে পারবেন।
প্রধান
উপদেষ্টা লরেন ড্রেয়ারের উদ্দেশে বলেন, আমরা এখানে ছোট ছোট যে উদ্যোগ নিচ্ছি, আপনারা
এগুলোকে বৈশ্বিক পরিসরে নিয়ে যেতে পারেন।
লরেন
ড্রেয়ার অধ্যাপক ইউনুসের আইডিয়ার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আপনি যে দৃষ্টান্ত তৈরি
করছেন, তা নিয়ে অন্য নেতাদের সঙ্গে আমরা কথা বলতে পারি। আমরা বলবো-অধ্যাপক ইউনূস যদি
নিজের দেশে এগুলো করতে পারেন, তাহলে আপনারাও আপনার দেশে করতে পারেন।
তিনি
দুর্নীতির বিরুদ্ধে অধ্যাপক ড. ইউনূসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
স্পেসএক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, সরকারি সেবাগুলো দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আপনি যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি প্রায়ই বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করি, তাই জানি দুর্নীতি কীভাবে একটি গুরুতর সমস্যা হতে পারে। প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা বিকেন্দ্রীকরণ এবং সুশাসন নিশ্চিত করা একটি অর্থবহ দৃষ্টিভঙ্গি।
বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন, স্পেসএক্সের গ্লোবাল এনগেজমেন্ট কনসালট্যান্ট রিচার্ড গ্রিফিথস, বাংলাদেশের
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি
বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী
আশিক মাহমুদ বিন হারুন প্রমুখ।
(সূত্র-
বাসস)
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে সকলের
মানবাধিকার নিশ্চিত করতে গোটা বিশ্বের সম্মিলিত অঙ্গীকারের সঙ্গে বাংলাদেশের একাত্মতা
জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমন একটি বিশ্ব
গড়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যেখানে ন্যায়বিচার, সমতা এবং মানবিক মর্যাদা সবার
জন্য সমুন্নত থাকবে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে
আজ বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ অঙ্গীকার করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের অধিকার,
আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই’
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বছর মানবাধিকার দিবস পালিত হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে মৌলিক
স্বাধীনতার অবক্ষয়, ক্রমাগত বাড়তে থাকা অসমতা, অসহিষ্ণুতা, জলবায়ু সংকট, কর্তৃত্ববাদ
এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উত্থানের চ্যালেঞ্জের মুখে এই প্রতিপাদ্য অত্যন্ত সময়োপযোগী
এবং প্রাসঙ্গিক।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র মর্যাদা,
সমতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে একটি মৌলিক দলিল, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় মানবাধিকার
সার্বজনীন, অবিচ্ছেদ্য এবং সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য।
৭৬ বছর আগে মানবাধিকারের সার্বজনীন
ঘোষণাপত্র গৃহীত হওয়ার পর থেকে বিশ্বে নাগরিক মর্যাদার অগ্রগতি ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি
বলেন, ‘তবে, বিশ্বের বিভিন্ন অংশের দীর্ঘস্থায়ী সংকট নির্দেশ করে যে বিশ্বমানবতা সৃষ্টির
জন্য আমাদের এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া বাকি।’
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এটি অত্যন্ত
দুঃখজনক যে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুর্দশার দিকে খুব কমই দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে
ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে চলমান বর্বর নিপীড়নের অর্থ হলো আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে
ব্যর্থ। ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য একটি ন্যায্য, দীর্ঘস্থায়ী এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের
জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি।
তিনি বলেন, আমরা গর্বিত যে, নয়টি মূল
মানবাধিকার চুক্তিতে সই করা দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মানবাধিকারের
সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে নিহিত মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে অদম্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্বাধীনতা
ও মর্যাদার জন্য আমাদের জনগণের আকাঙ্ক্ষা কতটা দৃঢ় তা প্রমাণ করে উল্লেখ করে ড. ইউনূস
বলেন, ন্যায্য অধিকারের জন্য আমাদের জনগণ তাদের দৃঢ় প্রত্যয়কে পুনর্ব্যক্ত করেছে। আমাদের
তরুণ সমাজ যে সাহস নিয়ে মানুষের অধিকার রক্ষায় ব্রত হয়েছে তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা
আমাদের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্কার করার যাত্রা শুরু করেছি।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের
সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ সর্বত্র মানবাধিকার রক্ষা ও প্রচারে অবদান রাখবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার ব্যবস্থার সঙ্গে আমাদের গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে থাকবে।
জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সুশাসন
সুনিশ্চিত করতে বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকারের সেই ঐকান্তিক প্রত্যাশার ভিত্তিতে সার্বিক কার্যক্রমে
সহায়তা করতে ২৯-৩০ অক্টোবর ঢাকা সফরকালে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার বাংলাদেশে
মানবাধিকার সংক্রান্ত একটি মিশন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সাংস্কৃতিক
ও ধর্মীয় মূল্যবোধ, আর্থ-সামাজিক কাঠামো এবং বিদ্যমান বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকার
প্রস্তাবিত ধারণাটিকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সরকারের
সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে কারিগরি সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রস্তাবিত এই মিশনের
লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কর্ম-পরিধি, গঠন কাঠামো ও পরিচালনা পদ্ধতি নির্ধারণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের অংশগ্রহণে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
প্রস্তাবিত মিশনটি স্থাপনপূর্বক এটিকে কার্যকরী করার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকার আশাবাদী বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিকভাবে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার এ রুটে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে এবং সকাল ৮টার পর থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে গত মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) থেকে এ রুটে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির কথা থাকলেও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ চলমান থাকায় তা হয়নি।এ ব্যাপারে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার শাহাদত আলী বলেছিলেন, আমাদের সফটওয়্যারের কাজ চলছে। বুধবার বা বৃহস্পতিবার টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) এসিওপিএস মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,বাংলাদেশ রেলওয়ে এ রুটে ট্রেন চলাচলের নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ নামে ট্রেনটি চলবে। ট্রেনটির নম্বর ৮১৩/৮১৪। এতে ৭৮০টি সিট থাকবে। ১৬/৩২ লোডের ট্রেনটি ঢাকা থেকে সোমবার ও কক্সবাজার থেকে মঙ্গলবার বন্ধ থাকবে।
‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ঢাকা থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে ঢাকা বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়ে কক্সবাজারে পৌঁছাবে ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে।
আর কক্সবাজার থেকে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়ে ঢাকা (কমলাপুর) রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাবে রাত ৯টা ১০ মিনিটে।
রেলওয়ে সূত্র আরো জানিয়েছে, ঢাকা-কক্সবাজার রুটে শোভন চেয়ার (নন-এসি সিট) শ্রেণিতে প্রতিটি সিটের ভাড়া ৫০০ টাকা ও এবং স্নিগ্ধা (এসি সিট) শ্রেণিতে প্রতিটি সিটের ভাড়া ৯৬১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রথম শ্রেণি চেয়ার ৬৭০ টাকা, প্রথম শ্রেণির বার্থ/সিট ১ হাজার ১৫০ টাকা এবং এসি বার্থের টিকিটের দাম জনপ্রতি ১ হাজার ৭২৫ টাকা।
তবে ননস্টপ ট্রেনের ক্ষেত্রে শোভন চেয়ার ৫০ টাকা ভাড়া বাড়বে। একই সঙ্গে স্নিগ্ধা, প্রথম শ্রেণি, এসি বার্থের ভাড়াও ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়বে।
মন্তব্য করুন


সমগ্র বাংলাদেশ একটা পরিবারের মতো উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘যেখানে সরকারের দায়িত্ব হলো প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা দেওয়া।’
সোমবার জন্মাষ্টমী উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথার পাশাপাশি আরো বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব হলো প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা দেওয়া এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।’
হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে ড. ইউনূস বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান যেখানে নির্ভয়ে সবাই নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে এবং যেখানে কোনো মন্দির পাহারা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
হিন্দু নেতারা জানান, দেশের বন্যা পরিস্থিতির কারণে দুর্গত এলাকাগুলোতে এবার জন্মাষ্টমী উদযাপন স্থগিত করে সেখানে খাদ্য ও ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।
সম্প্রতি রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার ভূয়সী প্রশংসা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বী
নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, এই বক্তব্য দেশে আসম্প্রদায়িক সমাজ গঠন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে ভূমিকা করবে।
সনাতন ধর্মাবলম্বী
নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের দেশে মানুষের মধ্যে কোনো বিভেদ থাকতে পারে না। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের সমান অধিকার। অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষায় দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
হিন্দু নেতৃবৃন্দ প্রধান উপদেষ্টাকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, তারা বাংলাদেশে শান্তি-সম্প্রীতি ও এর সমৃদ্ধি এবং আন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্য কামনা করে শ্রীকৃষ্ণের
আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছেন।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে হিন্দু নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খিস্ট্রান ঐক্য পরিষদের কাজল দেবনাথ ও মনীন্দ্র কুমার নাথ, আন্তর্জাতিক শ্রীকৃষ্ণ ভাবনা সংঘ ইসকনের চারু চরণ ব্রহ্মচারী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের বাসুদেব ধর ও সন্তোষ শর্মা এবং ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কর্নধার প্রীতি চক্রবর্তী।
মন্তব্য করুন