

মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেলে বাংলাদেশে ২জন নিহত হওয়ার ১২ ঘণ্টা পার না হতেই আবারও বাংলাদেশের ঘুমধুম এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়ির উঠানে মিয়ানমারের মর্টার শেল এসে পড়েছে।
মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মর্টার শেলটি এসে পড়ে ঘুমধুম ইউপির ৪নং ওয়ার্ড মধ্যম পাড়ার সৈয়দ নূরের বাগানে।
ঘুমধুম ইউপির ৫নং ওয়ার্ড সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, গতকাল মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেল বিস্ফোরণে বাংলাদেশে ২জন নিহত হয়। এ ঘটনার পর আজ (মঙ্গলবার) ভোরে মধ্যম পাড়ার সৈয়দ নূরের আম বাগানে বেশ কিছু গুলি ও ১টি মর্টার শেল এসে পড়েছে। এ ঘটনায় নতুন কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান।
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ৫ আগস্ট নিয়ে
আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বরাবরের মতোই সরকার সতর্ক আছে।
সরকারের বিশেষ অভিযান পুরো দেশব্যাপী চলছে, যেটা নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চলবে। আর যেসব
অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হয়নি, সেসব খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা
অব্যাহত রয়েছে।
তিনি
আজ সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত
কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ৫ আগস্ট নিয়ে কোনো ধরনের আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। মহান আল্লাহর রহমতে
সকলের সহযোগিতায় সব ধরনের অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে
সরকারের পক্ষ থেকে সতর্কতাও রয়েছে।
তিনি
বলেন, সরকারকে সব কিছুর বিষয়েই সতর্ক থাকতে হয়। এজন্যই বিভিন্ন ধরনের সভা আয়োজন করা
হয় এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়। বর্তমান সরকারের ক্ষমতা গ্রহনের সময় যে
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল তা ক্রমান্বয়ে উন্নতি হয়েছে। আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে
রয়েছে।
মব
সহিংসতা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মব সহিংসতা
আগের থেকে কমেছে। আস্তে আস্তে আরো কমে যাবে। মবের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দিচ্ছি না।
নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে। নির্বাচনের সময় যেন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
ভালো থাকে সেজন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমরা পুলিশকে প্রশিক্ষণও
দিচ্ছি।
জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর অপরাধ প্রবণতা বেশি। এ বিষয়ে আমাদের
পরিবারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, মাদক আমাদের দেশে একটি বড় সমস্যা। মাদক উদ্ধার অভিযানে রুই-কাতলা ধরা
পড়ছে না, টেংরা-পুটি ধরা পড়ছে। অর্থাৎ মাদকের গডফাদার ধরা পড়ছে না, ক্যারিয়ার ধরা পড়ছে।
তবে আগের চেয়ে মাদক উদ্ধার অভিযান আরও জোরালো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এখন
অনেক মাদকদ্রব্য ধরা পড়ছে।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বাংলাদেশ আনসার ও
গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এই বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
এ বিষয়ে দায়িত্বরত (বিজিবি) কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ০২ প্লাটুন (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। ০১ প্লাটুন হাসপাতালের গেটে দায়িত্ব পালন করছে। আরেক প্লাটুন টহলে রয়েছে।’
গত সোমবার রাতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা ও দলীয় নেতা–কর্মীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ব্যারিকেড বসায়। তারপরও আজ (০৩ ডিসেম্বর) বুধবার সকাল থেকেই হাসপাতালের সামনে নানা এলাকা থেকে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী এসে জড়ো হয়েছেন। ব্যারিকেডের বাইরে নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থান করছেন তারা। হাসপাতালের সামনে উপস্থিত নেতাকর্মীদের অনেকে বলেন, ভিড় এড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু তাদের মন সায় দেয়নি। উদ্বেগ আর টানাপোড়েন সামলে তারা ছুটে এসেছেন হাসপাতালে।
উল্লেখ্য, ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেদিন তার অনেক শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছিল। দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার চিকিৎসা শুরু হয়। অবস্থার অবনতি হলে ০২ দিন আগে তাকে হাসপাতালের কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে মেডিকেল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ০২ মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ০২ বছরের বেশি সময় তিনি কারাবন্দী ছিলেন। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন সরকার নির্বাহী আদেশে তার সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয়। এরপর ০৬ মাস পরপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছিল সরকার। যদিও চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ যেতে দেওয়া হয়নি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান পারস্পরিক প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার আওতায় ভারতে দীর্ঘ সময় আটকে থাকা ১২৮ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী অবশেষে নিজ দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বঙ্গোপসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তাদের গ্রহণ করে।
এই প্রত্যাবাসনের অংশ হিসেবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের মালিকানাধীন পাঁচটি মাছ ধরার ট্রলারও হস্তান্তর করে। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কূটনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে সম্পন্ন এই উদ্যোগকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একই দিনে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক থাকা ২৩ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকেও নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। এ সময় ভারতের মালিকানাধীন দুইটি ফিশিং ট্রলার ভারতীয় কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী সীমান্ত এলাকায় দুই দেশের কোস্ট গার্ড কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এই বিনিময় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন পর নিজ পরিবারের কাছে ফেরার সুযোগ পাওয়ায় উভয় দেশের মৎস্যজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে।
এই বড় পরিসরের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাংলাদেশের একাধিক মন্ত্রণালয় ও সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন আইনগত ও প্রশাসনিক বিষয়গুলো নিষ্পত্তিতে সহায়তা করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মূলত সাগরে মাছ ধরার সময় বৈরী আবহাওয়া ও দিকভ্রান্তির কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে আন্তর্জাতিক সীমা অতিক্রম করায় এসব মৎস্যজীবী আটক হন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে মৎস্যজীবীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে কর্তৃপক্ষ।
ফেরত আসা বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে। উভয় দেশের কোস্ট গার্ডের মতে, এ ধরনের সহযোগিতামূলক উদ্যোগ সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন


আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ এই দিন যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ।এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জারি করা নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, আগামী ৬ জানুয়ারি রাত ১২টা থেকে ৭ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল করতে পারবে না।
আর সেই সঙ্গে ৫ জানুয়ারি রাত বারোটা থেকে ৮ জানুয়ারি রাত বারোটা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, পর্যেবক্ষক দল ও জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন এর আওতামুক্ত থাকবে।
এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভোটের দিন প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। এবার আমরা যে সার্কুলার (বিজ্ঞপ্তি) দিয়েছি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মতামত নিয়ে, সেখানে যানবাহনের ওপর আগে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটা এবার শিথিল করা হয়েছে ।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার
(২৮ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন
মন্ত্রণালয়ের ছুটি ঘোষণার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য
ডিফরেন্স মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশন্স’র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশে ৩৭ নম্বর ক্রমিকে
দেওয়া ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদা মোতাবেক দ্বাদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৭ জানুয়ারি (রোববার) সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত
ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে
সারাদেশে নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
তার আগে ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও চট্টগ্রাম এরিয়া পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নেন এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অতঃপর তিনি আর্মি মেডিকেল কলেজের একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শনসহ বৃক্ষরোপণ করেন। পরে তিনি সকল পদবির সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন। এসময় তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যের শুরুতেই শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর মৃত্যুতে মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি বলেন, দেশমাতৃকার সেবায় তরুণ সাহসী এই সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাঁর জন্য গর্বিত। এরপর সকলের উদ্দেশ্যে দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ ও জনগণের আস্থার প্রতীক। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান বিভিন্ন গুজব সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি সততা, সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি রিজিয়নের নানিয়ারচর জোন সদর পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সাধারণ জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানসহ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন। দুর্গম পাহাড়ি সেনা ক্যাম্পে সেনাবাহিনী প্রধানের আগমন পার্বত্য চট্টগ্রামে মোতায়েনরত সেনাসদস্য এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মনোবল উঁচু করেছে। এছাড়াও তিনি পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের পদস্থ অসামরিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় করেন।
এসময় জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া, সেনাসদরের চিফ কনসালটেন্ট জেনারেল, অ্যাডহক সিএসসি'সহ সেনাসদর ও চট্টগ্রাম এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার ও অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


যারা
জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে এবং ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে
'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত, শিল্প এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
শনিবার
(১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরি ও ইনস্টিটিউটের শহীদ সুভাষ
হলে আয়োজিত 'গণভোট ২০২৬ সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক সভায়' প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি
এ কথা বলেন।
জুলাই
সনদের গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, "আমরা এমন বাংলাদেশ চাই যেখানে জুলাই সনদের
মাধ্যমে আগামী ১০০ বছরের বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাবে। জনতার কাফেলা 'হ্যাঁ'
ভোটের পক্ষে, জুলাই সনদের পক্ষে, নতুন বাংলাদেশের পক্ষে। প্রায় ১৪০০ ছাত্র-জনতা যে
লক্ষ্যে জীবন দিয়েছেন, হাজার হাজার আহত হয়েছেন তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য জুলাই
সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষের সকল রাজনৈতিক দলের উদ্যোগে। সেই সনদের
পক্ষেই এই গণভোট বাংলাদেশকে বদলে দেওয়ার জন্য।"
অতীতের
ধর্মীয় বৈষম্য ও দমন-পীড়নের কথা উল্লেখ করে আদিলুর রহমান খান বলেন, 'আগে একসময় সংখ্যাগরিষ্ঠ
মুসলমানরাই তাদের ধর্মীয় উৎসব পালনে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।' তিনি আরও বলেন, 'শাপলা চত্বরে
সমাবেশের ওপর হামলা, ম্যাসাকার হয়েছে। সেই দিনগুলো আর চাই না। অন্তবর্তী সরকার চায়
সমস্ত ধর্মের মানুষ, সমস্ত নৃগোষ্ঠীর মানুষ যেন তাদের ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক সমস্ত কিছু
চর্চা করতে পারেন।'
সভায়
উপদেষ্টা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে সপরিবারে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে 'হ্যাঁ'
ভোটে সিল দেওয়ার এবং নিজেদের পছন্দের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সংসদে পাঠানোর জন্য নির্বাচিত
করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে
গণভোটের গুরুত্ব নিয়ে একটি জনসচেতনতামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। জেলা প্রশাসক
মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোহাম্মদ রেজাউল মাকছুদ জাহেদী। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
সভা
শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে বেলুন উড়িয়ে জনসচেতনতামূলক 'ভোটের গাড়ি' কার্যক্রমের
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক–সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন যে সরকার এখন প্রবাসীদের নিজস্ব ব্যবহারযোগ্য ফোন ছাড়াও বিদেশ থেকে অতিরিক্ত দুইটি নতুন মোবাইল আনার সুযোগ দিচ্ছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ফোন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে কোনো নতুন আইন করা হয়নি, অথচ সামাজিকমাধ্যমে এ নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। গুজব ও ভিত্তিহীন প্রচারণা থেকে দূরে থাকতে তিনি প্রবাসীদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, বিদেশ থেকে একাধিক ফোন আনলেই ট্যাক্স দিতে হবে—এমন কোনো নতুন নিয়ম চালু হয়নি। পূর্বের সরকার যেখানে প্রবাসীদের ব্যবহৃত ফোনের সঙ্গে মাত্র একটি নতুন সেট আনতে দিত, বর্তমান সরকার সুবিধা বাড়িয়ে দুইটি নতুন সেট আনার অনুমতি দিয়েছে। অর্থাৎ, প্রবাসীরা এখন ব্যক্তিগত ফোনসহ মোট তিনটি ডিভাইস আনতে পারবেন। তবে যদি দুইটির বেশি নতুন ফোন আনা হয়, তাহলে শুধু অতিরিক্ত সেটের জন্যই শুল্ক দিতে হবে। এনবিআর ব্যাগেজ রুল সংশোধনের মাধ্যমেই এই নতুন সুবিধা কার্যকর হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এই সুবিধা কেবল তাদের জন্য যারা বিএমইটি (প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়) থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বিদেশে গেছেন। অন্য যাত্রীদের ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে।
ফোন রেজিস্ট্রেশন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, নতুন কোনো আইন না হলেও ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে যে কেউ নতুন মোবাইল ব্যবহার করলে ৬০ দিনের মধ্যে সেটি নিবন্ধন করতে হবে—এটি দেশের সব নাগরিকের জন্যই প্রযোজ্য। অপহরণ, হুমকি, চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণের মতো অপরাধ ঠেকাতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য কাউকে হয়রানি করা নয়, বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গুজব ও গিবত ইসলামের দৃষ্টিতে মারাত্মক পাপ। কেউ কেউ মিথ্যা প্রচার করছে যে প্রবাসীরা নাকি দেশে সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাকতে পারবেন—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি এসব অসত্য ও কুৎসামূলক প্রচারণা বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিয়াহ।
বৃহস্পতিবার
(১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দফতরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাদের (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট
প্রদানের অগ্রগতি, জনশক্তি রফতানি ও পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি, বাংলাদেশের জাতীয়
নির্বাচনের প্রস্তুতি, সৌদি আরবে অনুষ্ঠিতব্য 'বিশ্ব প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী'-তে বাংলাদেশের
অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্র বিনিময়সহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা
করা হয়।
রাষ্ট্রদূতকে
স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব ঘনিষ্ঠ বন্ধুপ্রতিম দেশ। তিনি বলেন,
সৌদি আরব বাংলাদেশি জনগণের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শুধু ইসলাম ধর্মের
পবিত্র ভূমি হিসেবে নয় বরং আমাদের ৩২ লক্ষেরও বেশি প্রবাসী কর্মীর দ্বিতীয় আবাসস্থল
হিসেবেও এটি বাংলাদেশিদের হৃদয়ের গভীরে আসীন রয়েছে। সৌদি প্রবাসীদের অবদান বাংলাদেশের
অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
উপদেষ্টা
এসময় বাংলাদেশ থেকে আরও অধিক হারে জনশক্তি আমদানির জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন।
এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে
বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত
উপদেষ্টাকে সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাদের (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক)
বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদানের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। এর জবাবে উপদেষ্টা বলেন,
এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন এবং বাংলাদেশের বহিরাগমন
ও পাসপোর্ট অধিদফতর এ বিষয়ে পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছে। এটি ত্বরান্বিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় থেকে কয়েকটি বিশেষ টিমও পাঠানো হয়েছে। তবে মিশনে আসা আবেদনের তুলনায় পাসপোর্টের
এনরোলমেন্টে উপস্থিতির হার অনেক কম রয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সৌদি আরবের
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত
জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন পরিচালনার
মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হাতে। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মূল দায়িত্ব হচ্ছে
জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। আর আমরা এ বিষয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত
রয়েছি। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন
সংক্রান্ত একটি পরিপত্রও জারি করা হয়েছে। অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার অভিযান বেগবান
করা হয়েছে। 'ডেভিল হান্ট ফেইজ-২' সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান চলছে।
রাষ্ট্রদূত
উপদেষ্টাকে আগামী ০৮-১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মেয়াদে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব
প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী-তে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান এবং এ সংক্রান্ত সৌদি স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের একটি আমন্ত্রণপত্র উপদেষ্টার হাতে তুলে দেন। উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২
ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কারণে তিনি
এ ইভেন্টে অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং উপযুক্ত প্রতিনিধি প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত
করেন।
বৈঠকে
আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফয়সল
আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব মু. জসীম উদ্দিন খান।
মন্তব্য করুন