

খুলনায় ১০ম শ্রেণির ছাত্রী সাথী আক্তার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
শনিবার (১৫ জুন) রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
তবে এ ঘটনার ৪ দিন আগে সাথী আক্তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয় ‘আমারে দেখিবার আইসো শেষ জানাজার আগে, যেন পরকালে তোমায় দেখার একটু স্বাদ জাগে’।
নিহত সাথী আক্তার খুলনা জেলার হরিণটানা থানার ঠিকরাবাদ পিপড়ামারী এলাকার বালু ব্যবসায়ী ইউসুফ শেখের বড় মেয়ে। সে প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।
পুলিশ ও নিহত সাথীর পরিবারের সদস্যরা জানান, সাথী আক্তারের সঙ্গে দেড় বছর আগে স্থানীয় একটি এনজিও’র হিসাবরক্ষক রাজ বিশ্বাসের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সস্প্রতি তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। এর জেরে শনিবার রাত ১২টার দিকে রাজ বিশ্বাসের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার পর নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে সাথী।
খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ রোববার (১৬জুন) দুপুরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিকেলে জানাজা শেষে মরদেহ দাফন করা হয়।
হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় সাথীর বাবা বাদী হয়ে রোববার দুপুরে থানায় অপমৃত্যু মামলা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানাধীন শ্রী বল্লভপুর এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ।
শুক্রবার
( ৮/১২/২৩) রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই(নিরস্ত্র) মোঃ আহসান হাবিব, সঙ্গীয়
অফিসার এএসআই(নিঃ) মোঃ হারুন-অর-রশিদ, এএসআই(নিঃ) মাসুদ রানা, মুর্শিদ আলম, হানিফ মিয়া,
ফয়সাল আকন্দ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটিতে নিয়োজিত থাকা অবস্থায়
সংবাদ পান সদর দক্ষিণ মডেল থানার একাধিক মামলায় অভিযুক্ত (সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা
নং- ২৩) ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী মোঃ সবুজ সদর দক্ষিণ থানাধীন শ্রী বল্লভপুর এলাকায় তার
নিজ বসত ঘরে অবস্থান করিতেছে। অবৈধ অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: মোঃ সবুজ (২৪), পিতা- মোঃ আবুল হোসেন মিয়া, মাতা- মোছাঃ পারভীন, সাং- শ্রী
বল্লভপুর (পূর্ব পাড়া), পোঃ- আহাম্মদনগর, ২২নং ওয়ার্ড, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, থানা-
সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
তার কাছ থেকে একটি ছয় চেম্বার বিশিষ্ট রিভলবার, একটি স্টীলের সুইস গিয়ার, একটি লোহার চাপাতি,
একটি স্টীলের তৈরী তলোয়ার সদৃশ সামুরাই উদ্ধার করেন।
উক্ত
আসামীর বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারে যুদ্ধের জেরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রটি এবার বাতিল করা হয়েছে।
ওই কেন্দ্রে যাদের এসএসসি পরীক্ষায় বসার কথা ছিল তাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে ১ নম্বর উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২ নম্বর উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে।
সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফাইল ইসলাম ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্ত পরির্দশন শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এ এম এম মুজিবুর রহমান সোমবার এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিয়ে বলেন, আমাদের একটি দল ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা পরীক্ষার ভেন্যু পরিবর্তন করেছি। নতুন দুটি ভেন্যু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল। সেই অনুমোদন পাওয়ার পর বিকল্প ভেন্যু ঘোষণা করা হল।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মিয়নামারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের কারণে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি থাকায় বিকল্প ভেন্যু করা হল।স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয় দুটিতে আসন বিন্যাস করবেন বলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ এম এম মুজিবুর রহমান জানান।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। দেশের ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৭০০টি কেন্দ্রে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশ নেবে।
ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৬১ জন। নতুন পরীক্ষা কেন্দ্র ১ নম্বর উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ধারণ ক্ষমতা ৪২৫ জন এবং ২ নম্বর উত্তর ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ধারণ ক্ষমতা ২০০ জন।
গত দুই সপ্তাহ ধরে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে দেশটির সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের লড়াই চলছে । এই যুদ্ধের মধ্যে গুলি ও মর্টার শেল এপাড়ে এসে পড়ছে। এরকম ঘটনায় অন্তত দুজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন কয়েকজন। এদিকে বিদ্রোহীরা সীমান্ত চৌকি দখল করে নেওয়ায় মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের সোয়া তিনশ সদস্য গত সপ্তাহে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে ঢোকে। তাদের একটি অংশকে নিরস্ত্র করে বিজিবি হেফাজতে ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের একটি ভবনে রাখা হয়।
এসব কারণে ওই বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি অনিশ্চয়তায় পড়ে যায় আর এ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতেই শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিদল কেন্দ্রটি পরিদর্শন করে বিকল্প কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়ার সুপারিশ করেন।
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার, বরুড়া:
কুমিল্লার বরুড়ায় আমড়াতলী চেরাগ আলী
উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে আমড়াতলী
চেরাগ আলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ
সেবক মোঃ সাইফুল ইসলাম (দুদু) এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা দঃ জেলা
আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও এস কিউ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের
সংসদ সদস্য আবু জাফর মোহাম্মদ শফিউদ্দিন শামীম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা মাধ্যমিক
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ নিজামুল করিম, স্থানীয় সরকার,
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ সাইফুল ইসলাম মজুমদার, বরুড়া উপজেলা
পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজ আহমেদ, বরুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র বাহাদুরুজ্জামান
বাহাদুর, বরুড়া উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিনুয়ারা বেগম, বরুড়া উপজেলা মাধ্যমিক
শিক্ষা অফিসার রতন কুমার সাহা, বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী।
বেগম জিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রুহুল
কুদ্দুছ সুমন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শিলমুড়ি উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ আবদুস সালাম,
শিলমুড়ি দঃ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ ফারুক হোসেন ভুইয়া, বরুড়া উপজেলা আওয়ামী
যুবলীগের আহবায়ক জিয়াউল কায়সার, আগানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাজহারুল ইসলাম
মিঠু, ঝলম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম, আদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের
চেয়ারম্যান রাকিবুল হাসান লিমন, আমড়াতলী সি আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীলিপ
চন্দ্র ঘোষ, আমড়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান মোঃ সোলেমান মিয়াসহ অভিভাবক,
সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বার্ষিক
ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ কারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার
বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


বাগেরহাটের মোংলায় যাত্রীবাহী একটি
নৌকা ডুবে গেছে।জানা গেছে নৌকায় ৫০-৬০ জন যাত্রী ছিল।
রোববার (২৬ মে) সকালে মোংলা নদীর ঘাটে
অতিরিক্ত যাত্রী তোলার কারণে নৌকাটি ডুবে যায়।
মোংলা উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)
নিশাত তামান্না বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন।
ইউএনও নিশাত তামান্না
বলেন, অতিরিক্ত যাত্রী তোলার জন্য এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
সবসময় সতর্ক করা হয় তারা যেন নৌকায় ২৫ জনের বেশি যাত্রী না তোলেন। কিন্তু এটিতে ৫০-৬০
জন যাত্রী ছিল বলে শুনেছি। এ ঘটনায় অনেককে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই খোঁজখবর
রাখছি। নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৪ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার উপজেলার গুলবাহার এলাকা থেকে কচুয়া থনার এসআই মো. এনামুল হক ও এএসআই মফিজুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে গাঁজাসহ আটক করে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন মাছিমপুর গ্রামের মৃত. হোসেন আহম্মেদের ছেলে।
কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাসি চালিয়ে গাঁজাসহ আটকে করা হয়। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী আলমীর হোসেনের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় মামলা দায়েরের পর চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


খাদিজা আক্তার (১৪) গত মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ চৌয়ারা ধনপুর হাজী সরবত আলী মুন্সী বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়। খাদিজা আক্তার কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার ২১ নং ওয়ার্ডের শাকতলা উওরপাড়া এলাকার মো. খোরশেদ এর মেয়ে।
নিখোঁজ এর ঘটনায় বুধবার ( ৬/১২/২৩) সদর দক্ষিণ থানায় জিডি করা হয়। উক্ত নিখোঁজ এর ঘটনায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ইনচার্জ মোঃ আলমগীর হোসেন ভূইয়ার সার্বিক সহযোগীতায় কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির এস আই নিয়াজ মোঃ খান এর নেতৃত্বে আজ (৭/১২/২৩) সন্ধ্যায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে বুড়িচং থানা এলাকা থেকে খাদিজা আক্তারকে উদ্ধার করা হয়।
খাদিজা আক্তার এর পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশ প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী সীমান্ত থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ছয়টি স্বর্ণের বারসহ মনোর উদ্দিন (৩১) নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
মনোর উদ্দিন বেনাপোল পোর্ট থানাধীন পুটখালি গ্রামের কদর আলীর ছেলে।
শুক্রবার (২৯ মার্চ) ভোরে সীমান্তের পুটখালি মসজিদবাড়ি বিজিবি চেকপোস্টের সামনে থেকে তাকে আটক করে বিজিবি।
বিজিবি জানান, রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি পুটখালি গ্রামে দিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্য বিপুল পরিমাণ একটি স্বর্ণের চালান যাবে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন একটি ইজিবাইক আরোহীকে গতিরোধ করা হয়। এ সময় ইজিবাইক ও তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে কিছু পাওয়া যায়নি। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান তার পায়ুপথে ছয় পিচ স্বর্ণের বার আছে। পরে তাকে একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে স্ক্যানিং করলে তার সত্তাতা পাওয়া যায়। এবং স্বর্ণের বার গুলো উদ্ধার করে তাকে আটক করা হয়। এছাড়া উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য ৭০ লাখ টাকা বলে তারা জানায়।
খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খুরশিদ আনোয়ার জানান, জব্দ করা স্বর্ণের চালানটি যশোর ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হয়েছে এবং আসামিকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বরিশালে টিসিবির গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত ৫১ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের টিসিবির সিল তুলে বাইরে অতিরিক্ত দামে বিক্রির চেষ্টাকালে ১ ডিলারকে হাতেনাতে ধরে সেইসঙ্গে টিসিবির ওই ৫১ লিটার তেল জব্দের পাশাপাশি ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
জানা যায়, তেলের বোতলগুলো টিসিবির কার্ডধারি গ্রাহকদের মধ্যে বিক্রির কথা ছিল। কিন্তু সেই টিসিবির তেল গ্রাহকদের না দিয়ে উল্টো টিসিবির সিল তুলে বেশি দামে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়।
শনিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরিশাল নগরের বিএম কলেজ এলাকার টিপু এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় বিভিন্ন ব্রান্ডের বোতলজাত ৫১ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয় টিসিবির সিল কাটা অবস্থায়।
অভিযুক্ত দোকান মালিক ও টিসিবির ডিলার আরিফুর রহমান বলেন, নগরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের টিসিবির ডিলার তিনি। যে তেলের বোতলগুলো বিক্রি হয়নি সেগুলোর সিল ভুল বসত কেটেছে তার কর্মচারী। বাইরে বেশিদামে বিক্রির জন্য এমন কাণ্ড ঘটানো হয়নি বলেও দাবি তার।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী জানান, অতিরিক্ত মুনাফার আশায় এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে দোকানদার। বিভিন্ন ব্রান্ডের ৫১ লিটার সয়াবিন তেল জব্দের পাশাপাশি ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এছাড়া টিসিবির সঙ্গে কথা বলে ডিলারের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে নগরীর রাজগঞ্জ বাজার ও চকবাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দ্রব্যমূল্যের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে চালের খুচরা ও পাইকারী বাজার মনিটরিং করা হয়। এ সময় মুদি দোকান ও ফার্মেসি দোকানেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৭২হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় জেলা টাস্কফোর্স নগরীর রাজগঞ্জ বাজার ও চকবাজারে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বাজার স্থিতিশাল ও দ্রব্যমূল্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে টাস্কফোর্সের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি এনামুল হক, ছাত্র প্রতিনিধি আদনান ফারসি ও ইকরাম হোসেন, জেলা পুলিশের এএসআই নাবিল আহমেদসহ সঙ্গীয় ফোর্স।
মন্তব্য করুন


এসএসসি পরীক্ষার বাকি আর মাত্র ছয় দিন আর কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার সীমান্তবর্তী দুটি উপজেলার ৪৬৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন। তারা নির্ধারিত কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারবে কি না, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তা জানে না।
নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের ১৫৯ জন, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং উচ্চবিদ্যালয়ের ২৩৩ জন ও বালুখালী কাসেমিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের ৭১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। দুশ্চিন্তায় রয়েছে কক্সবাজারের উখিয়া ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী তিনটি বিদ্যালয়ের ৪৬৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের ১৫৯ জন, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং উচ্চবিদ্যালয়ের ২৩৩ জন ও বালুখালী কাসেমিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের ৭১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে এসব পরীক্ষার। তাদের পরীক্ষার কেন্দ্র ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়। ঘুমধুমের মণ্ডলপাড়া সীমান্ত থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে বিদ্যালয়টির অবস্থান।
এদিকে কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্ত এলাকায় গতকাল দু-একটি ছাড়া আর কোনো গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাননি স্থানীয় লোকজন। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন তাঁরা। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা লোকজনও ফিরেছেন বাড়ি।
তবে এরই মধ্যে গতকাল রাত আটটা থেকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং, নয়াপাড়া, লম্বারবিল এলাকায় থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় মৎস্যচাষি মাহফুজুর রহমান রাতে প্রথম আলোকে বলেন, সীমান্তের নাফ নদীর সংলগ্ন এলাকায় তাঁর মাছের খামার রয়েছে। কিন্তু রাত আটটার পর থেকে গোলাগুলির শব্দ বেড়ে গেছে, যার কারণে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। গতকাল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার একটি জলাশয়ে একটি মর্টার শেল পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধারণা করছে, এটি অবিস্ফোরিত। স্থানীয় শিশুরা লাকড়ি কুড়াতে গিয়ে এটি খুঁজে পায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম জানান, অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটি বিজিবি তাদের হেফাজতে নিয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে এটি লোকালয় থেকে দূরে রাখা হয়েছে। বোমাবিশেষজ্ঞ দল এসে পরবর্তী কাজ করবে। অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটি বিজিবি তাদের হেফাজতে নিয়েছে।
গতকাল আরাকান আর্মিসহ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলার মুখে নতুন করে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) দুজন সদস্য টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছেন। এই নিয়ে বাংলাদেশে আসা মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সেনাবাহিনী, শুল্ক কর্মকর্তাসহ মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০। তাঁরা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের উড়োজাহাজে নাকি নৌপথে মিয়ানমার নেওয়া হবে, সে আলোচনা চলছে। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু থেকে ১০১ জনকে গতকাল বিকেলে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে টেকনাফের হ্নীলায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ চলছে। ইতিমধ্যে বিজিপিকে হটিয়ে তুমব্রু রাইট ক্যাম্প ও ঢেঁকিবনিয়া সীমান্তচৌকি আরাকান আর্মি দখলে নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। রোববার দিবাগত রাত তিনটা থেকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গোলাগুলি ও মর্টার শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে। সোমবার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপাইতলী গ্রামের একটি রান্নাঘরের ওপর মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে দুজন নিহত হন। নিহত দুজনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নারী, অন্যজন রোহিঙ্গা পুরুষ।
ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাইরুল বশর গতকাল বলেন, এখন পর্যন্ত যে পরিস্থিতি, তাতে পরীক্ষা এই কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে বিকল্প হিসেবে অন্য কেন্দ্রের কথাও ভাবা হচ্ছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ সোহেল মিয়া গতকাল বলেন, পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে আমরা বিকল্প হিসেবে চারটি বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করার প্রস্তাব জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠিয়েছি। আশা করি, কেন্দ্রের বিষয়টি শিগগিরই নির্ধারিত হয়ে যাবে।
তবে উখিয়া সীমান্ত এলাকার ছয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গতকাল উপস্থিতি ছিল অনেক কম। সীমান্ত থেকে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের রহমতের বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজ উল্লাহ বলেন, গোলাগুলির শব্দ বৃহস্পতিবার শোনা যায়নি। তারপরও শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসছে না।
তবে নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু-ঘুমধুম সীমান্তঘেঁষা সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে।
মন্তব্য করুন