

বগুড়ার সদর উপজেলায় রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৫ জন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ২৫ জন। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রোববার (৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে
উপজেলা শহরের সেউজগাড়ী আমতলী মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের নাম- অলোক, আতশী, নরেশ, রনজিতা
এবং একজন নারী হাসপাতালে মারা গেছেন, তার নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনায় গুরুতর আহতরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর
রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা
যায়, সেউজগাড়ী ইসকন মন্দির থেকে রথযাত্রাটি বিকেল ৫টার দিকে বের হয়। পথে সেউজগাড়ী
আমতলা মোড় এলাকায় পৌঁছালে আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে রথের চূড়া রাস্তার ওপর থাকা হাইভোল্টেজের
বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসে। রথের চূড়া স্টিলের হওয়ায় বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে
আসার সঙ্গে সঙ্গে তারে আগুন লেগে যায়। এ সময় রথে থাকা এবং আশপাশের অন্তত ২৫ জন আহত
হন। পরে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে
নেওয়া হয় এবং ৪ জন মারা যান। অন্যদিকে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে একজনের মৃত্যু
হয়েছে ৷ গুরুতর আহতরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালসহ বিভিন্ন
ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) সাইহান ওলিউল্লাহ বলেন, রথযাত্রার সময় রথের চূড়াটি বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে
এলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শজিমের হাসপাতালে ৪ জন এবং মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ১
জন মারা গেছেন।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে বগুড়ার পুলিশ
সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজার শহরের বাদশাঘোনা এলাকায় পাহাড়
ধসে মাটি চাপায় স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২১ জুন) ভোরে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহত দুজন হলেন- ওই এলাকার নজির হোসেনের
ছেলে মো: আনোয়ার হোসেন (২৬) ও তার স্ত্রী মাইমুনা আক্তার (২০)।
আনোয়ার হোসেন স্থানীয় ওমর ফারুক জামে
মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। তার স্ত্রী মাইমুনা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন
বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কক্সবাজার শহরে থেমে থেমে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি হচ্ছিল।
রাত ৩টার দিকে মুষলধারে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এ সময় ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের ঘরের ওপর পাহাড়
ধ্বসে পড়ে। এতে স্বামী-স্ত্রী দুইজনই মাটি চাপা পড়ে মারা যান।
ঘটনার পর তাদের মায়ের চিৎকারে স্থানীয়রা
এগিয়ে এসে মাটি চাপা অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে। পরে তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে
নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তাদের মরদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল
মর্গে রয়েছে বলে জানান হেলাল উদ্দিন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রাজশাহীগামী বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের
‘শ্লীলতাহানি’র ঘটনার আন্তঃজেলার তিন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার
সাভার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত হওয়া তিনটি মোবাইল
ফোন, একটি ছুরি ও ২৯ হাজার ৩৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মানিকগঞ্জের দৌলতপুর সদর উপজেলার লাউতারা গ্রামের মো. বদর উদ্দিন শেখের ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম ওরফে মুহিত (৩০), শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মো. ইসমাইল মোল্লার ছেলে মো. সবুজ (৩০) এবং ঢাকার সাভার উপজেলার টানগেন্ডা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মো. শরীফুজ্জামান (২৮)।
এ বিষয়ে শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো.
মিজানুর রহমান তার কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংএর মাধ্যমে তিনি জানান, এ ঘটনায় দায়িত্ব
অবহেলার কারণে মির্জাপুর থানার এএসআই আতিকুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে বাসে ডাকাতির ঘটনায় বাসের যাত্রী ওমর আলী বাদী হয়ে শুক্রবার ভোর রাতে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইউনিক রোড রয়েলস্
পরিবহনের ঢাকা কোচটি (ময়মনসিংহ-ব-১১-০০৬১) ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে
রাজশাহীর নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এসময় বাসটিতে ৩০ থেকে
৩৫ জন যাত্রী ছিল। পরে রাত ১২টার দিকে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছার সেখানে
থেকে আরও ১০ থেকে ১২জন যাত্রী নিয়ে বাসটি পুনরায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা করে। পরে
বাসটি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দ্রা বাইপাসে পৌঁছালে চা-বিরতির জন্য
থামে। সেখান ১০ থেকে ১৫ মিনিট চা বিরতির সময় চন্দ্রা বাইপাস থেকে আরও তিন থেকে চার
জন নতুন যাত্রী নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা করে বাসটি। বাসটি ওইদিন রাত দেড়টার
দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন হাইটেক সিটি পার্ক সংলগ্ন খাড়াজোড়া
ফ্লাইওভার ব্রিজ অতিক্রম করার ৫ থেকে ৬ মিনিট পর হঠাৎ যাত্রীবেশে থাকা বাসে ৮ থেকে
৯ জন ডাকাত এক সঙ্গে দাঁড়িয়ে যায় এবং ধারালো চাকু ও চাপাতি দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার
ভয় দেখিয়ে সবাইকে চুপ থাকতে বলে। এসময় তাদের মধ্যে তিনজন অজ্ঞাতনামা ডাকাত
গাড়িচালকের গলায় ধারালো চাকু ধরে টানা হেঁচড়া করে কিলঘুষি মেরে তাকে উঠিয়ে নিয়ে
পেছনে উল্টা করে রাখে। ডাকাতদের মধ্যে থেকে একজন চালকের আসনে বসে বাসটি নিয়ন্ত্রণ
নেয় এবং বাসটি চালিয়ে টাঙ্গাইলের দিকে রওনা হয়। পরে মির্জাপুর উপজেলার সোহাগপাড়া
সাকিনস্থ ফুটওভার ব্রিজের প্রায় ১০০ গজ পশ্চিম পার্শ্বে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের
ওপর পৌঁছালে ডাকাতদলের ৬ থেকে ৭ জন সদস্য গাড়িতে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের ধারালো
চাকু ও চাপাতি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এসময় যাত্রীদের বলে, ‘তোদের সঙ্গের টাকা
পয়সাসহ যার যা কিছু আছে সব দিয়ে দে’। এসময় যাত্রীদের কাছে থাকা টাকা, মোবাইল ফোন,
স্বর্ণালংকার ও রূপাসহ সব মালামাল ছিনিয়ে নেয়। পরে ডাকাতদলের সদস্যরা মির্জাপুরের
নাটিয়াপাড়া নাছির গ্লাসের সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা করে। তারা দুই
থেকে আড়াই ঘণ্টা গাজীপুরের কালিয়াকৈর, কোনাবাড়ীসহ গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরায়
এবং এই সময়ের মধ্যে যাত্রীদের ধারালো চাকু ও চাপাতি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
একপর্যায়ে দুই নারীর ‘শ্লীলতাহানি’ করা হয়।
এজহারে আরও বলা হয়েছে- সব যাত্রীদের টাকাসহ অন্যান্য মালামাল লুট
করে রাত ৪টার দিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাড়ইপাড়া এলাকার নন্দন পার্কের
সামনে গাড়িটি টাঙ্গাইল অভিমুখে থামিয়ে চালককে ভয় দেখিয়ে বলে, ‘১০ কিলোমিটারের
মধ্যে গাড়িটি কোথাও থামালে তোকে জানে মেরে ফেলবো, আমরা তোদের গাড়ির পেছনে পেছনে
আছি’ এই বলে ডাকাতদলের সদস্যরা মালামাল ও টাকা পয়সাসহ গাড়ি থেকে নেমে চলে যায়।
পরে চালক গাড়ি নিয়ে চন্দ্রা মোড়ে গেলে গাড়িতে থাকা যাত্রীরা জাতীয়
জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে ঘটনার বিষয়ে পুলিশকে জানালে কিছুক্ষণের মধ্যে টহল পুলিশ
সেখানে উপস্থিত হয়। তখন গাড়িতে থাকা যাত্রীরা ডাকাতির বিষয়ে বিস্তারিত জানালে
কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দ্রা এলাকার টহলরত পুলিশ মির্জাপুর থানায় যাওয়ার পরামর্শ
দিলে চালক গাড়ি নিয়ে মির্জাপুর বাসস্ট্যান্ডে যায়। তখন কয়েকজন যাত্রী ও গাড়ির
সুপারভাইজার মির্জাপুর থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি মৌখিকভাবে অবগত করলে
মামলা না নেওয়ায় তারা পুনরায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে নাটোর জেলার
বড়াইগ্রাম থানা মোড়ে গেলে গাড়ি থেকে তিন থেকে চার যাত্রী নেমে স্থানীয় লোকজনের
সহায়তায় গাড়ির চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছে সন্দেহে
গাড়িটি আটক করে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, ডাকাতির ঘটনায় মামলা হওয়ার
১৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা ডাকাতদলের তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার
করেছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালতে হাজির করে
পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এছাড়া দায়িত্ব অবহেলায় মির্জাপুর থানার ডিউটি
অফিসার উপ পরিদর্শক (এএসআই) আতিকুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দলের ক্ষমতায় আসার পর দেশের নেতৃত্ব এককভাবে নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, বিভেদের রাজনীতি নয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি হবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশের ভিত্তি।
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে ১০ দলের সমন্বয়ে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জামায়াতের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিগত সরকারগুলোর কর্মকাণ্ডকে সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একসময় একদল বলেছিল, ১০ টাকা দরে চাল দেবেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ কি তা পেয়েছে? তিনি বলেন, জনগণ আর এমন রাজনৈতিক প্রতারণা দেখতে চায় না। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে নারীদের নিরাপদ চলাচল ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী সম্মানজনক চাকরি এবং যুবকদের জন্য কার্যকর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেন, বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনা হবে। এছাড়া বগুড়া সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তরের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল বৈষম্যহীন ও ন্যায়সঙ্গত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যেই নতুন বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কোনো স্থান থাকবে না।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আব্দুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা।
সঙ্গে বক্তব্য রাখেন—বগুড়া-১ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ আসনের প্রার্থী নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ আসনের প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, বগুড়া-৫ আসনের প্রার্থী দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল, বগুড়া-৭ আসনের প্রার্থী গোলাম রব্বানী এবং বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বিশেষ অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নামা শ্রীপুর দক্ষিণ রামপুর এলাকা হতে ২৫,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত বুধবার (৮ নভেম্বর) রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নামা শ্রীপুর দক্ষিণ রামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২৫,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলোঃ ১। কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দক্ষিণ বাগালপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের এর ছেলে মোঃ নুর ইসলাম (৪২) এবং ২। একই থানার টংগীর পাড় গ্রামের মৃত ছফি আলী এর ছেলে মোঃ ফারুক হোসেন (২৬)।
র্যাব জানান,তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে।গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নরসিংদীতে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায়
চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার
দিকে সদর উপজেলার আলোকবালী উত্তরপাড়া এবং শহরতলীর হাজীপুরে মা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যুর
এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো আলোকবালী উত্তরপাড়ার
কামাল মিয়ার স্ত্রী শরিফা বেগম (৫০), তার ছেলে ইকবাল হোসেন (১২) এবং করম আলীর ছেলে
কাইয়ুম মিয়া (২২)।
বজ্রপাতের এ ঘটনায় কামাল মিয়া
নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়। নিহত এবং আহত সবাই আলোকবালী উত্তরপাড়ার বাসিন্দা।
তারা তখন মাঠে ধান কাটছিল।
এ ছাড়া সদর উপজেলার হাজীপুর
ইউনিয়নের চকপাড়ায় মোছলেহউদ্দিন (৫০) নামে আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে।
বজ্রপাতের ঘটনায় চারজনের মৃত্যু
নিয়ে নরসিংদী সদর মডেল থানার ওসি তানভীর আহমেদ
জানান, নিহতরা সবাই ধান কাটার জন্য কৃষি জমিতে ছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে শরিফা বেগম এবং
তার ছেলে ইকবাল ঘটনাস্থলেই মারা যায়। গুরুতর আহত আবস্থায় সদর হাসপাতালে আনার পথে
মারা যায় কাইয়ুম নামের অপরজন। এতে কামাল হোসেন নামে আহত আরেকজনকে চিকিৎসা দেওয়া
হচ্ছে। তাছাড়া হাজীপুরে বজ্রপাতে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফেনী সদর উপজেলার গোবিন্দপুরের ফেনী-সোনাগাজী সড়কে
আজ রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাসের ধাক্কায় ইশতিয়াক আহমেদ শান্ত (২৭) নামে এক
যুবক নিহত হয়েছেন।
নিহত শান্ত গোবিন্দপুর এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
শিক্ষক কবির আহম্মদের ছোট ছেলে। শান্ত ফেনী সরকারি কলেজ থেকে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ইংরেজি
বিভাগে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে ইশতিয়াক
আহমেদ শান্ত তার এক বন্ধুর নানির জানাজায় অংশ নিতে বাড়ি থেকে বের হন। পথিমধ্যে বটতলা
এলাকায় হেঁটে রাস্তা পার হওয়ার সময় সোনাগাজীগামী একটি দ্রুতগতির বাস শান্তকে ধাক্কা
দেয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে
গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
ফেনী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, বিষয়টি অবগত হয়ে পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। নিহতের
মরদেহ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘাতক বাস বা চালক সম্পর্কে এখনো কিছু
জানা যায়নি।
মন্তব্য করুন


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরের বাউন্ডারি ভেঙে একটি বাস ঢুকে যাওয়ার ঘটনায় সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র একজন
ইঞ্জিনিয়ার নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সামনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নিরাপত্তা বাইন্ডারিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম মাইদুল ইসলাম
সিদ্দিকী। তিনি সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র সাব-অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র দাস জানান, আজ সকাল ১০টার দিকে রাইদা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তৃতীয় টার্মিনালের নিরাপত্তা বাউন্ডারি ভেঙে ঢুকে যায়। এসময় রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন সিভিল এভিশনের সিনিয়র সাব অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মাইদুল ইসলাম। তার মোটরসাইকেলটি রাইদা পরিবহনের বাসটির নিচে চলে যায়। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই সুমন চন্দ্র দাস আরও
বলেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল শেষে তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো
হবে ময়নাতদন্তের জন্য।
দুর্ঘটনায় জড়িত বাসচালক,
হেলপার পলাতক। তবে বাসটি জব্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া
চলমান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
২০১৫ সালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রোল বোমা হামলা ও কাভার্ডভ্যানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হত্যাসহ তিনটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া তৎকালীন সরকারের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক মামলা বিবেচনায় প্রত্যাহারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বাকি আসামিদের মামলাও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৭ জুলাই) বিকেলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. কাইমুল হক রিংকু।
তিনি জানান, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুরে একটি বাসে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনায় আট যাত্রী নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা করে পুলিশ। মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ মামলায় বাদী ছিলেন চৌদ্দগ্রাম থানার তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা নুরুজ্জামান হাওলাদার। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দুই মামলার শুনানিতে বেগম খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততা প্রমাণ না হওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক সফিকুল ইসলাম তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। কারণ সে সময় বেগম খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় বালুর ট্রাক দ্বারা অবরুদ্ধ ছিলেন।
অপরদিকে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রামের হায়দারপুর এলাকায় কাভার্ডভ্যান পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নাশকতার মামলায়ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৩২ জনকে আসামি করা হয়। পরে এ মামলায় আরও ১০ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। এ মামলারও বাদী চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান হাওলাদার। এ মামলাতেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততা না পাওয়া যাওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আফরোজা শিউলি তাকে অব্যাহতি দেন।
কাইমুল হক রিংকু আরও জানান, মামলা তিনটি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা বিবেচনায় প্রত্যাহারের জন্য আইন মন্ত্রণালয় আবেদন করা হয়। মন্ত্রণালয় সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলা তিনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এখন থেকে খালেদা জিয়া ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় কোনো মামলা নেই।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা দাউদকান্দির গৌরীপুরে লাইসেন্স বিহীন চালক, ফিটনেস বিহীন গাড়ী, অধিক গতিতে গাড়ি চালানো, হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেল চালানো এবং মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথবাহিনী।
আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে মহাসড়কের গৌরীপুর এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন হাইওয়ে পুলিশ ও মিলিটারি পুলিশের যৌথ দল।
যানজট নিরসন, মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ ও যৌথবাহিনী। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে ট্রাফিক আইনের পরিপন্থী সকল প্রকার অবৈধ কার্যক্রম দমনসহ আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ওসি রাশেদ খান চৌধুরী বলেন, মহাসড়কের গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড কয়েকটি জেলা উপজেলার সংযোগ জংশন। প্রতিনিয়তই মহাসড়কে এলোপাতাড়ি গাড়ী উঠানামা এবং সড়কের মাঝখানে যাত্রী উঠানামা বন্ধ করতে এই অভিযান। সেইসাথে ফিটনেস এবং কাগজপত্রবিহীন গাড়ী, লাইসেন্স বিহীন চালক ও হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেলকে কয়েকটি মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযান চলমান থাকবে।
সেনা ক্যাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাউদকান্দি গৌরিপুর এলাকায় মহাসড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে হাইওয়ে পুলিশ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের মিলিটারি পুলিশের যৌথ দল। এতে মহাসড়কে যানজটমুক্ত স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত হওয়ায় জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে। যানজট নিরসন, হাইওয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে ইউনিটের অধিনায়ক লে. কর্নেল মুন্তাজার রাশেদীন এর নির্দেশনায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


শনিবার (০১ জুন) রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (০২ জুন) সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
শনিবার (০১ জুন) রাতে সানারপাড় এলাকার ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: সানারপাড় এলাকার নবী হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩০) ও কুমিল্লা জেলার আ. বাতেনের ছেলে কাউছার (২৭)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের জানাযায় সানারপাড় এলাকায় মাদকের বেচাকেনা হবে। এমন খবরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা পলিথিনের মোড়ানো ১০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
আসামিরা পেশাদার মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক।
মন্তব্য করুন