

আজ (১৪ নভেম্বর ২০২৪) জাহানাবাদ সেনানিবাসস্থ এএসসি সেন্টার এন্ড স্কুল এ আর্মি সার্ভিস কোরের ৪৩তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান এএসসি সেন্টার এন্ড স্কুল এ পৌছালে তাকে এএসসি কোরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অভ্যর্থনা জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত এএসসি কোরের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। একই সাথে তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এএসসি কোরের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। সেনাবাহিনী প্রধান এএসসি কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এএসসি কোরের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান। এছাড়াও, তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে এই কোরের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।
উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সদর দপ্তর আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড এর কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল এএসসি ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, শহীদ মিনার আমাদের প্রতিরোধ ও বিজয়ের
প্রতীক। এখান থেকেই শুরু করেছিলাম এবং এখানে এসেই আমরা বিজয় উদযাপন করতে পেরেছিলাম।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শেষ পর্যায়ে শিক্ষক, সমাজকর্মী ও সংস্কৃতি কর্মীরা রাজপথে নেমে
কারফিউ ভেঙে শহীদ মিনারে প্রোগ্রাম করেন, যা আমাদের ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করে। সবদিক
বিবেচনায় শহীদ মিনার আমাদের প্রতিরোধ ও বিজয়ের অনুষঙ্গ। এখান থেকেই ৩ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে
এক দফা ঘোষিত হয়েছিল।
আজ
শনিবার (২ আগস্ট) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই পুনর্জাগরণ র্যালী-
২০২৫ এর শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
র্যালীটি
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন চত্বর থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, গত বছরের অভ্যুত্থানে প্রায় দুই হাজার মানুষ শহীদ হন, ২০
থেকে ২৫ হাজার মানুষ আহত হন। এই আত্মত্যাগ স্মরণেই আমাদের কার্যক্রম। যতদিন আমরা শহীদদের
স্মরণে রাখবো, আহতদের মর্মপীড়া আমরা যতদিন অনুভব করবো, ততদিন আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠনের
প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবো। শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে যেহেতু একটা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি,
বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ার একটা সুযোগ পেয়েছি, সেই সুযোগটা আমাদের কাজে লাগাতে হবে। আমরা অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, যার একটি
বড় অংশ বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। অনেক কিছু পরিবর্তিত হয়েছে। হয়তো বাংলাদেশের সাধারণ
মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এক বছরে সম্ভব হয়নি। তবে আমাদের চেষ্টা ছিল, এই চেষ্টা অব্যাহত
থাকবে। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার কারণে অনেকে ন্যায্য অধিকার পাননি, বৈষম্যের শিকার হয়েছিলেন,
এখন ১৬ বছর পর তারা সেই অধিকার ও ন্যায্যতার দেখা পেয়েছেন। বৈষম্যহীনতার দেখা পেয়েছেন।
২০২৪
এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ১৭ জুলাই গায়েবানা জানাজায় হামলার পর আমরা
আর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারিনি। ক্যাম্পাস থেকে আন্দোলন তখন ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলাদেশে,
বিশেষ করে ঢাকার প্রবেশপথের অন্তত আটটি পয়েন্টে তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল। মানুষ
দলমত নির্বিশেষে অংশগ্রহণ করে, অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছিল এই আন্দোলনে।
তথ্য
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটা পরিবর্তনের শুরু মাত্র। কিন্তু
এক বছর-দুই বছর অথবা একটা সরকার বা দুইটা সরকারের এটা বিষয় না। সরকার আসবে-যাবে, কিন্তু
জুলাই অভ্যুত্থানের কারণে পুরাতন ব্যবস্থা ও পুরাতন বন্দোবস্তে ছেদ পড়েছে। আমরা একটা
পর্ব পেরিয়ে নতুন পর্বে রওয়ানা দিয়েছি। আমি মনে করি এই পর্বে সকল গণতান্ত্রিক ও বহুমাত্রিক
প্রকাশ এক বা দুই বছরে দেখা যাবে না। আমি মনে করি, আমাদের যেই প্রজন্ম এই গণতন্ত্রের
অভিযাত্রা সূচনা করেছে, তাদের যদি দেশের সকল সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠান স্মরণ রাখবে, যখন জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের
অবিরত চেষ্টা চালিয়ে যাবে, আমরা আশা রাখি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রূপান্তরিত
হবে।
(সূত্র-
বাসস)
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে বিশ্বের ১০৪টি দেশে ৭ লাখ ২৮ হাজার
২৩ জন প্রবাসী ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
প্রবাসী
ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন’
(ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বাসসকে এ তথ্য জানান।
তিনি
বলেন, নিবন্ধিত বাকি প্রবাসীদের কাছেও দ্রুততম সময়ে পোস্টাল ব্যালট পৌঁছে দেওয়া হবে।
তবে ব্যালটের গোপনীয়তা রক্ষা করা সংশ্লিষ্ট ভোটারের দায়িত্ব। কেউ যদি গোপনীয়তা ভঙ্গ
করেন, তবে তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক করা হতে পারে।
ইসি
কর্মকর্তারা জানান, সর্বোচ্চ ব্যালট পাঠানো হয়েছে সৌদি আরবে ২ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৩ জন
প্রবাসীর কাছে। এ ছাড়া মালয়েশিয়ায় ৮৩ হাজার ৮২৭ জন এবং কাতারে ৭৪ হাজার প্রবাসীর কাছে
ব্যালট পৌঁছেছে।
নির্বাচন
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’
অ্যাপে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে দেশের ভেতরে (ইন-কান্ট্রি)
৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪১ জন এবং প্রবাস থেকে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪২ জন নিবন্ধন করেছেন ।
ইসি
সূত্রে আরও জানা যায়, গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৫০ হাজার ৭৯০ জন
প্রবাসীর কাছে ব্যালট পাঠানো হয়। এর মধ্যে সৌদি আরবে ১৭ হাজার, মালয়েশিয়ায় ১১ হাজার
৭৫০, ওমানে ১০ হাজার ২০০ জন প্রবাসী ব্যালট পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম
বলেছেন, ‘একটি দল সারা দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের
ওপর হামলা করছে এবং ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করছে, যা আওয়ামী লীগের অতীত কর্মকাণ্ডেরই
পুনরাবৃত্তি।’
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় মৌলভীবাজারের
শ্রীমঙ্গল স্টেশন রোডে এনসিপির পদযাত্রা শেষে এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘একটি দল
সারা দেশে ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে গণহারে মামলা দিয়েছিল, এখন নির্বাচনে এসে বলছে, মামলা
তুলে নেবে, এটা তাদের কূটকৌশল, এতে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না।
তারা ৩১ দফা থেকেও সরে এসেছে। একতরফা হামলা চলতে থাকলে
জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে।’
জনসভায় মৌলভীবাজার-৪ আসনে এনসিপির প্রার্থী প্রীতম
দাসকে বিজয়ী করার আহ্বান জানানো দলটির আহ্বায়ক।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা–১৭ সংসদীয় আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে তার পক্ষে মনোনয়নপত্র
সংগ্রহ করা হয়েছে।
বিএনপি
চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সকাল ১১টার দিকে সেগুনবাগিচায় অবস্থিত
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
বিএনপির মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর
আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদ জানান, তারেক রহমান বগুড়া–৬
আসনের পাশাপাশি ঢাকা–১৭ আসন থেকেও নির্বাচনে অংশ নেবেন।
একই সময়ে ঢাকা–১৭ আসন ছেড়ে ভোলা–১ আসন থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ।
বিএনপি
সূত্রে জানা গেছে, দেশে ফেরার পর ঢাকা–১৭ আসনের ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন
তারেক রহমান। পরবর্তীতে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা তাকে এই আসন থেকে নির্বাচন করার অনুরোধ
জানান। এ সিদ্ধান্তের কথা জানার পর তারেক রহমানকে সম্মান জানিয়ে ঢাকা–১৭
আসন ছেড়ে ভোলা–১ আসন থেকে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আন্দালিব রহমান
পার্থ।
উল্লেখ্য,
২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা–১ আসন থেকে বিএনপির সমর্থনে সংসদ সদস্য
নির্বাচিত হয়েছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। তার বাবা সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত নাজিউর রহমান
মঞ্জুও এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
এদিকে
এর আগে বগুড়া–৬ আসন থেকে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা
হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসন—বগুড়া–৭,
ফেনী–১ ও দিনাজপুর–৩—থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে দলীয়
সূত্রে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


১১ দলীয় জোটের
প্রার্থীদের দেশ ও জাতির মুক্তির প্রতীক হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ
মাহমুদ। তিনি বলেন, দলীয় প্রতীক নয়, বরং কোন প্রার্থী ও কোন জোট দেশকে মুক্তির
পথে এগিয়ে নিতে পারবে সেটিই বিবেচ্য হওয়া উচিত।
আজ সোমবার দুপুরে
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা সদরে এনসিপির নির্বাচনী পদযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে
তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ
বলেন, ইতোমধ্যে ৩০০
আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। জনগণকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “কার কী
মার্কা তা দেখার সময় নেই। দেশ ও জাতির মুক্তি যে প্রার্থী এনে দিতে পারবে, চোখ বন্ধ
করে তাকেই ভোট দিতে হবে। এই ভোটের মাধ্যমেই বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাধীনতা
ও মুক্তি নিশ্চিত হবে।”
বোয়ালখালী আসনে
শাপলাকলি প্রতীকের প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,
১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুশাসন, সংস্কার ও সার্বভৌমত্বের
পথে এগিয়ে যাবে।
গণভোট প্রসঙ্গে
আসিফ মাহমুদ বলেন, “একটি রাজনৈতিক দল দীর্ঘদিন সংস্কারের কথা বললেও বাস্তব সময় এলে
তারা নীরব থাকে। আমরা শুধু নির্বাচনের জন্য ভোট চাইছি না। ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’
ভোট শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও সুফল বয়ে আনবে।”
তিনি আরও বলেন,
পরাজিত ও নতুনভাবে মাথাচাড়া দেওয়া ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলো গণভোটে ‘না’ ভোটকে জয়যুক্ত
করতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। “৫ আগস্ট যেভাবে তাদের প্রতিহত করা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট
বিপ্লবের মাধ্যমেও সেই অপচেষ্টা নস্যাৎ করা হবে,” বলেন তিনি।
সমাবেশে আরও
উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম, এনসিপির চট্টগ্রাম
বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজা উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক মো. জোবাইরুল
হাসান আরিফ।
এর আগে সকালে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ইশমামুল হকের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে
এনসিপির নির্বাচনী পদযাত্রা শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অর্থ আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরানোর কাজ শুরু করেছে সরকার।
এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বিএফআইইউ, পুলিশের সিআইডি ও দুদকের সহায়তায় আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশে পাচার করা অর্থ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ পুনরুদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে।
সরকার খুব শিগগির একটি ব্যাংকিং কমিশন গঠন করবে, যারা সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ব্যাংকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করবে এবং ব্যাংকগুলোর
পুনর্গঠনের জন্য ছয় মাসের মধ্যে একটি বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করবে।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও প্রতারণার মাধ্যমে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং বিদেশে পাচার করেছেন। এর সঠিক পরিমাণ নির্ণয়ের কাজ চলমান আছে। এই আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ লক্ষাধিক কোটি টাকার ওপরে বলে ধারণা করা যায়।
অর্থ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার সহায়তা চেয়ে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু করা হয়েছে।
এ ধরনের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইতিমধ্যে সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে
সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হবে।
নতুন ব্যবস্থাপনা
কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা এসব অর্থের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং তাদের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ নির্ণয়ে অডিট কার্যক্রম শুরু করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের লক্ষ্য হলো সব আন্তর্জাতিক
মানদণ্ড পরিপালনে সক্ষম একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং খাত গড়ে তোলা। তবে এই উদ্দেশ্য অর্জনের কার্যক্রম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কারিগরি সহায়তা ও অর্থের প্রয়োজন হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার অর্থ আত্মসাৎকারীদের দেশি-বিদেশি সম্পদ অধিগ্রহণ ও বিদেশ থেকে ফেরত এনে ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে। ব্যাংকগুলোর এই পুনর্গঠন ও আর্থিক খাতের কাঠামোগত সংস্কার সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে সরকার বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আন্তর্জাতিক
মানের করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে
নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাৎ
অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা
করা হয়।
এ সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনের সেকেন্ড
সেক্রেটারি এলি বুট উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ
অনুযায়ী বেশ কিছু সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত
অধ্যাদেশ প্রণয়নের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনা প্রবাহের তথ্য প্রচারে তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
ওপর বেশ কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর কয়েকটি প্রকাশনাও তৈরি করা হয়েছে।
সাক্ষাতকালে তথ্য উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম জানান, আগামী ৫ই আগস্ট উদ্যাপন
উপলক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও কিছু প্রামাণ্যচিত্র ও প্রকাশনা তৈরি করা হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, দেশের
গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী
সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, এ বছর বিশ্ব মুক্ত
গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে।
এ সাফল্যের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় ব্রিটিশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়ে হাইকমিশনার
তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
তিনি বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
করেন।
সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা
হয়।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইরান।
মঙ্গলবার
(৩০ ডিসেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের দূতাবাস এক শোকবার্তায় জানায়, বেগম খালেদা জিয়া
ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নেত্রী। এ দেশের রাজনৈতিক
ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। বেগম জিয়া গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা
ও বাংলাদেশের জনজীবনে রেখেছেন উল্লেখযোগ্য অবদানও।
‘বেগম খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রীত্বকালে
বাংলাদেশ ও ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে
বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় ছিল।’
শোকবার্তায়
আরও বলা হয়, খালেদা জিয়ার পরিবার-পরিজন, বিশেষ করে তার পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান, পাশাপাশি তার সহকর্মী ও অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা। একইসঙ্গে তার
বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি। এর আগে, ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ৬টায় খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বেগম
জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা
গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি।
উল্লেখ্য,
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া,
কারাভোগ করেছেন। চিকিৎসার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেগম জিয়া।
এরপর করোনার কারণে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিলেও গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য়
বন্দি রাখা হয়।
আওয়ামী
লীগের শাসনামলে চিকিৎসা না পাওয়ায় ধীরে ধীরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার
সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় খালেদা জিয়ার।
এরমধ্যে
২০২৪ সালের জুলাইতে কোটা সংস্কার আন্দোলন দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন, যা শেষ পর্যন্ত
সরকার পতনের আন্দোলনে গড়ায়। টানা ৩৫ দিনের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে পর ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে
ভারতে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি মো.
সাহাবুদ্দিন।
এরপর
উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। ১১৭ দিন লন্ডনে
অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। তার স্বাস্থ্যের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। তবে
নানা রোগে জটিলতা ও শরীর–মনে ধকল সহ্য করে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন।
বয়সও ছিল প্রতিকূল। প্রায়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো।
সবশেষে
গত ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক মাসের কিছু বেশি সময়
তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কাভার্ডভ্যানে ফেনসিডিল পাচারকালে ২ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্য জানানো হয় র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ফারুক মিয়া (৩৬) এবং শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার শাহআলীর ছেলে বিপ্লব হোসেন (২৬)। তাদের কাছে থেকে ৮৬ বোতল ফেনসিডিলসহ কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়।
র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদে শনিবার (২০ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টায় পৌরশহরের খলসী নামক স্থানে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের ওপর চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায় র্যাব। এ সময় ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান থেকে ৮৬ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ জনকে আটক করা হয়। সেইসঙ্গে জব্দ করা হয় কাভার্ডভ্যানটি।
বিভিন্ন কৌশলে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিলেন তারা।
র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, আসামিদের গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে
‘ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের বীর সেনাপতি’ আখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)
আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে মিরপুরে ঢাকা-১৫
আসনের নির্বাচনী প্রচারণার জনসমাবেশে বক্তৃতার সময় তিনি এ আখ্যা দেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর সংগ্রামী আমির। তবে এটুকু পরিচয় উনার জন্য বর্তমান বাংলাদেশের যথেষ্ট নয়।
তিনি দশ দলীয় নির্বাচনে ঐক্যের প্রধান কাণ্ডরি ও
ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের বীর সেনাপতি।
তিনি বলেন, জামায়াতের আমির এই বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে
নির্যাতিত হয়েছেন। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে গিয়েছেন, কারাবরণ করেছেন, মজলুম জননেতা
হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আজ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের
প্রচারণা শুরু হলো।
সারা বাংলাদেশে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের যারা
প্রার্থী রয়েছে তাদের পক্ষে যেই জনজোয়ার নেমে এসেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সেটার ফল বাংলাদেশের
জনগণ দেখতে পাবে।
মন্তব্য করুন