

আসন্ন রমজানকে
সামনে রেখে ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের দ্রুত বুকিং দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ভ্রমণসেবা সংশ্লিষ্টরা।
দেরি করলে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ দুই থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠানগুলো।
আজ রোববার এক
প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদেন
বলা হয়েছে, রমজান মাসে মক্কা ও মদিনায় লাখ লাখ মুসল্লির আগমনের কারণে পরিবহন ও আবাসন
ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।
ওমরাহ অপারেটরদের
তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাসে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ প্রায় এক হাজার ২০০ দিরহাম হলেও আগামী
কয়েক দিনের মধ্যেই তা বেড়ে ১ হাজার ৪০০ দিরহামে পৌঁছাতে পারে। রমজান যত ঘনিয়ে আসবে,
এই ব্যয় দুই হাজার দিরহামেরও বেশি হয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্টরা
জানান, অনেকেই শেষ মুহূর্তে সস্তা প্যাকেজের আশায় বুকিং পিছিয়ে দেন, কিন্তু রমজানের
মতো ব্যস্ত সময়ে আসন ও হোটেল সীমিত হয়ে পড়ায় উল্টো বেশি দাম গুনতে হয়।
আকাশপথে ওমরাহর
ক্ষেত্রে খরচ আরও বেশি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বিমানযাত্রাসহ ওমরাহ প্যাকেজ শুরু
হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ দিরহাম থেকে। তবে রমজান শুরু হলে এই প্যাকেজের দাম ৫ হাজার
২০০ দিরহাম ছাড়িয়ে ৮ হাজার দিরহাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে
খরচ সবচেয়ে বেশি হবে বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ট্যুর অপারেটররা।
বিশ্লেষণে দেখা
গেছে, উড়োজাহাজের টিকিটের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও হোটেল ভাড়াই ব্যয় বৃদ্ধির
প্রধান কারণ। মসজিদুল হারাম থেকে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত হোটেলগুলোর ভাড়া রমজানে দ্বিগুণ
এবং শেষ দশ দিনে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়।
এছাড়া, হজের
প্রস্তুতির কারণে ওমরাহ ভিসার সময়সীমাও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১৭ মার্চের পর ওমরাহ ভিসা
আবেদন বন্ধ হবে এবং ২ এপ্রিলের মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হবে। ১৮ এপ্রিলের মধ্যে
দেশ ছাড়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।
তাই খরচ ও সময়-দুটো বিষয় মাথায় রেখে আগেভাগে পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


মোবাইল ফোন আমদানির ওপর আরোপিত শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আমদানিকৃত মোবাইল ফোনে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের ওপর করহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।
প্রেস সচিব বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের মোবাইল ফোন শিল্প আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের বাজার শক্তিশালী হবে এবং ভোক্তারাও উপকৃত হবেন।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বিপুল পরিমাণ ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বিদেশ থেকে দেশে আনা হচ্ছে, যা সামান্য সংস্কার করে পুনরায় বাজারে বিক্রি করা হয়। এতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন এবং সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কর কমানোর ফলে দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের চাহিদা বাড়বে এবং বাজারে ফোনের দামও তুলনামূলকভাবে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই সব বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে ইতোমধ্যে ১২৩টি পাঠ্যবইয়ের ভুল সংশোধন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, এ পর্যন্ত মোট পাঠ্যপুস্তকের প্রায় ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি বইগুলো পৌঁছে দিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
চাঁদপুরে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
রবিবার সকালে রেলী শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রধান অতিথি বক্তব্য প্রদান করেন, জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট একরামুল ছিদ্দিক ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান।
পরে চিত্রাঙ্গন ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতা, ক্ষোভ ও
বিচারপ্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে।
রোববার
(১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির এক মতবিনিময়
সভায় তারা রাষ্ট্রীয় বিচারহীনতা, অবহেলা এবং পুনর্বাসনের অভাবের চিত্র তুলে ধরেন।
সভায়
নারায়ণগঞ্জের শহীদ আবুল হাসান সজলের ভাই রনি বলেন, আমার ভাইকে আমার চোখের সামনে গুলি
করা হয়েছে। আমাকে সে হাসপাতালে শুয়ে জিজ্ঞেস করেছে, হাসিনার পতন হইছে কি না? আমি বলছি,
পালাইছে। সে বলছে, আলহামদুলিল্লাহ। ভবিষ্যতে যে সরকারই আসুক, আমরা যেন বিচার পাই।
শহীদ
মিরাজের বাবা আব্দুর রব বলেন, আমার সন্তান মিরাজের বয়স ২৯ ছিল। মোবাইলে ভিডিও করে সে
সবাইকে দেখাতে চেয়েছিল। তাকে মেরে ফেলেছে। আমার আহ্বান, আগামীতে যারা পার্লামেন্টে
যাবে, সে সময় জুলাই সনদ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে বাস্তবায়ন করবেন।
সংক্ষিপ্ত
কিন্তু গভীর বেদনার ভাষায় শহীদ পরিবারের সদস্য তামান্না বলেন, আমার দুইটা সন্তান বাবা
বলে ডাকতে পারে না। আনোয়ারুল ইসলাম জীবন নামে একজন শহীদের ভাই অভিযোগ করে বলেন, আমার
ভাইকে আমার চোখের সামনে ৫ আগস্ট মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
আন্তর্জাতিক
ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে গিয়েছিলাম, সেখানে তামিম নামে একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছে,
আমার ভাই কোন দল করত। আমি বলেছি, সে বিএনপি করত। আমার মামলা নেওয়া হয়নি, বরং আমাকে
লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি তারেক রহমান স্যারকে বলি, আমার ভাই বিএনপি করত, এটা কি অপরাধ?
আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন, বাংলাদেশের সব শহীদের বিচার দৃশ্যমান করবেন। শহীদ পরিবারগুলো
যেন হেনস্তা না হয়। এই ইন্টেরিম সরকার কোনো বিচার করতে পারেনি। ছাত্রদের রক্তের ওপর
দিয়ে তারা ক্ষমতায় এসেছে। শহীদদের জন্য তারা কিছুই দৃশ্যমান করতে পারেনি।
জুলাইয়ে
গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ শাহিন বলেন, রাজপথে যখন আমরা আন্দোলনে নেমেছিলাম, জনাব তারেক রহমান
বলেছিলেন, ‘দফা এক, দাবি এক: খুনি হাসিনার পদত্যাগ’। হাসিনা যদি আমাদের দাবি মেনে নিত,
পদত্যাগ করত, এত রক্ত কখনোই ঝরত না। আহত ও নিহত পরিবারদের জন্য জনাব তারেক রহমান ছাড়া
আর কেউ কিছু দিতে পারবে না।
শহীদ
আহনাফের মা বলেন, আমার ছেলে ৪ আগস্ট মিরপুরে আন্দোলনরত অবস্থায় ডান বুকে গুলি লেগে
মারা যায়। তার স্বপ্ন ছিল ব্যান্ড শিল্পী হবে। তার কোনো স্বপ্নই পূরণ হলো না। জনাব
তারেক রহমান, আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন তাহলে আমাদের সব শহীদের হত্যার বিচার করবেন। আমার
ছেলের খুনি তার নিজের ঘরে বসবাস করছে, তার কোনো বিচার হচ্ছে না। আজ আমাদের সন্তানের
রক্তের ওপর বসে যারা আমাদের সঙ্গে বেইমানি করছে, আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার যে
শহীদদের হত্যার বিচার করবে, সেটা আমরা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। অনেকেই বলে, বিএনপি
ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হবে। আপনিও তো অনেক নির্যাতিত হয়েছেন। আপনি ক্ষমতায়
এলে যেন এই বিচার হয়। আপনার কাছে সব শহীদ যেন সমান থাকে শুধু নিজের দলের না। আমরা কোনো
দল করি না।
শহীদ
আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা বলেন, আমার ছেলে জীবিত থাকলে এবার ইন্টার পরীক্ষা দিত। আমার
ছেলে শহীদ হওয়ার ১৪ দিন পর আমার ছোট ছেলের ব্রেন ক্যানসার ধরা পড়ে। আমরা বিএনপি পরিবার
আমার ছেলের পুরো ক্যানসারের খরচ বহন করেছে। আমি কোনো রাজনীতি করি না। আমার ছেলে মারা
যাওয়ার সাত মাসের মাথায় আমার স্বামী স্ট্রোক করে মারা যায়। তারেক রহমান আমাকে ফোন করে
বলেছেন, তিনি আমার পাশে আছেন। গত ১৭ মাসে তাদের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি, কৃতজ্ঞতা
থেকে তা স্বীকার করতেই হবে বিএনপির পরিবার আমাদের পাশে ছিল। কিন্তু এই ইন্টেরিম সরকার
কী করেছে? আমি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে তিন দিন গিয়েছি। আমার ছেলে চিকিৎসা পায় না,
অথচ উনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিতে যান এটা কীভাবে হয়? আমাদের পরিবার পাশে না থাকলে আমার
ছেলের চিকিৎসা করতে পারতাম না। আমি তারেক রহমান স্যারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।
শহীদ
শাহরিয়ার হাসান আলভির বাবা বলেন, আলভি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ৪ আগস্ট মিরপুরে
গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। রাষ্ট্রের জন্য আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি। কিন্তু
এই ১৮ মাসে একটি হত্যার বিচারও আমরা দেখিনি। ট্রাইব্যুনালের নামে সেখানে বাণিজ্য চলছে,
বিচার হচ্ছে না। তারেক রহমানের কাছে আমার দাবি, আমাদের শহীদ পরিবার কীভাবে ভালো থাকবে
সেটা উনি নিশ্চিত করবেন।
শহীদ
ইমাম হাসান তাইমের ভাই বলেন, যাত্রাবাড়িতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল,
সেটা ছিল আমার ভাই। আমার বাবা একটা কথা বলেছিল, একটা মানুষকে হত্যা করতে কয়টা গুলি
লাগে, স্যার? গুলি করে পাখির মতো মানুষ মারা হয়েছে। আমাদের শহীদ পরিবারকে মনে হয় ইন্টেরিম
সরকারকে বলতে হবে, বিচার দাও, না হলে মানচিত্র খাবো। আমরা বিচারের জন্য প্রতিটি দ্বারে
দ্বারে গিয়েছি। আমি নাহিদ ভাইয়ের কাছে গিয়েছি, উনার কারণে আমার ভাইয়ের তিন খুনি পালিয়ে
গেছে। আমি আসিফ ভাইয়ের কাছেও গিয়েছি। তারেক রহমানের কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ, আপনি যখন
ক্ষমতায় যাবেন, শহীদদের হত্যার বিচার করবেন। অনেক শহীদের সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে
গেছে। আমি বহুবার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছি। আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা যেন আমাদের সঙ্গে
অবিচার না করেন। আল্লাহ তায়ালা ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না।
রংপুরে
শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, আমার ছোট ভাই আবু সাঈদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের
মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার হত্যার বিচার এখনো হয়নি। যেসব হত্যা মানুষ চোখে দেখেনি,
সেগুলোর বিচার কীভাবে হবে? জনাব তারেক রহমানের কাছে আমার আবেদন, আহত ও নিহত পরিবারগুলোকে
যেন পুনর্বাসন করা হয়।
সবশেষে
মীর মুগ্ধের বাবা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে দানব-নরপিশাচ মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত করতে
চাই। আগামী দিনে যে সরকার আসবে, যারা আহত হয়েছে, শহীদ হয়েছে, শহীদ পরিবারের মধ্যে যারা
আর্থিক সংকটে আছে, তাদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানাব। মতবিনিময় সভাজুড়ে
শহীদ পরিবারগুলোর বক্তব্যে উঠে আসে বিচারহীনতার ক্ষোভ, রাষ্ট্রীয় অবহেলার বেদনা এবং
ভবিষ্যতে একটি দায়বদ্ধ সরকারের প্রতি তাদের প্রত্যাশা।
মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব
করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও মঞ্চে না বসে অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের
সঙ্গে বসেন।
এ
সময় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার তারেক রহমানের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে নিজেদের দুর্দশার
কথা জানান। তিনি নিজেও অনেককে ডেকে নিয়ে কথা বলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার ( ১৭ ফেব্রুয়ারি ) ঢাকায় রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।
সাক্ষাৎকালে
তোবগে একটি সংকটময় সময়ে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য
প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান।
বিএনপি
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী আজ ঢাকায় এসে পৌঁছান। তাকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
স্বাগত জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম. তৌহিদ হোসেন।
মন্তব্য করুন


বেশ
কয়েকটি বিস্ফোরক মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)
পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তার পদত্যাগের দাবিতে সবধরনের খেলা বয়কটের ডাক দিয়েছে ক্রিকেটার্স
ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। তাদের দাবির মুখে এবার অর্থ কমিটির প্রধানের
পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে এই বোর্ড পরিচালককে।
বিসিবির
একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে, ক্রিকেটারদের তীব্র আপত্তি ও কোয়াবের আল্টিমেটামের
প্রেক্ষিতে বোর্ড জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়।
নাজমুল
ইসলামের সাম্প্রতিক মন্তব্য ক্রিকেটারদের সম্মানহানিকর ও পেশাদারিত্ববিরোধী বলে বিবেচিত
হওয়ায় তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে
নিজ থেকে পদত্যাগ না করলে বোর্ড পরিচালকের পদ থেকে নাজমুলকে সরাতে পারবে না বিসিবি।
বিসিবির গঠণতন্ত্র অনুযায়ী শুধুমাত্র মৃত্যু হলে, মানসিক ভারসাম্য হারালে, শৃঙ্খলাজনিত
শাস্তি হলে, অর্থনৈতিভাবে দেওলিয়া হলে, পরপর তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকলে অথবা
নিজ থেকে পদত্যাগ না করলে কারো পরিচালক পদ শুন্য হয় না। এখানে প্রথম পাঁচটি কারণ নাজমুলের
ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
তবে
তিনি নিজ থেকে পদত্যাগ করলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।
এর
আগে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের মন্তব্য ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ
দল না গেলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না, বরং খেলোয়াড়দের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।
এমন মন্তব্যে ক্রিকেটারদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়। পাশাপাশি কোটি কোটি টাকা
খরচের প্রসঙ্গ টেনে খেলোয়াড়দের দায়ী করার বক্তব্য এবং সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভারতীয় দালাল’ বলেও আখ্যা দেওয়ার ঘটনা পরিস্থিতিকে
আরও জটিল করে তোলে।
এই
ঘটনার জেরে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) সরাসরি নাজমুল
ইসলামের পদত্যাগ দাবি করে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাধান না এলে বিপিএলের ম্যাচ
বর্জনের আল্টিমেটাম দেয়। আজ দুপুরে ম্যাচ শুরুর নির্ধারিত সময়েই কোয়াব সংবাদ সম্মেলনের
ডাক দেয়, যা মাঠে খেলা না গড়ানোর স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিল।
পরিস্থিতি
সামাল দিতে গভীর রাতে বিসিবি ও কোয়াব নেতাদের মধ্যে বৈঠক হলেও সেখানে কোনো সমাধান আসেনি।
শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের অবস্থান ও লিগের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় নিয়ে বিসিবি নাজমুলকে ফিন্যান্স
কমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়।
মন্তব্য করুন


ভুয়া মামলা দায়ের এবং মামলায় নিরপরাধ
ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করার চেষ্টা রোধে ফৌজদারি কার্যবিধিতে নতুন বিধি সংযোজিত হয়েছে
বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ রবিবার (২৯ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস
একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি
এ কথা জানান।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, অ্যাডভাইজার
কাউন্সিলের আজকের বৈঠকের খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে- ফৌজদারি কার্যবিধির একটি সংশোধন।
আমাদের সরকারের আমলে কিছু জিনিস নিয়ে আমরা নিজেরাই খুব বিব্রত, এবং এ বিষয়েগুলো নিয়ে
আমরা কাজ করার চেষ্টা করি। তেমনই একটি বিষয় হচ্ছে ভুয়া মামলা, এবং আরেকটি হচ্ছে মামলায়
অকারণে নির্দোষ ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করে মামলা বাণিজ্য করা। এ বিষয়টি থেকে পরিত্রাণ
পেতে এটি নিয়ে আমরা ভেবে দেখেছি। বাংলাদেশের ক্রিমিনাল ল' এক্সপার্ট ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
সাথে আলোচনা, বৈঠক করে আমরা ফৌজদারি কার্যবিধির একটি বিধানে বড় একটি সংশোধনী এনেছি।
১ফৌজদারি কার্যবিধিতে যখন একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয় তখন ইনভেস্টিগেশন করতে তিন-চার
বছর লাগে, এখানে শত শত আসামি থাকেন, কিছু ক্ষেত্রে এখানে মামলা বাণিজ্যও হয়। এ থেকে
পরিত্রাণ পেতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩(ক)/১৭৩(অ) এই নতুন বিধানটি যুক্ত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে- পুলিশ কমিশনার, এসপি বা কোনো জেলার এসপি পদমর্যাদার কোনো পুলিশ কর্মকর্তার
এখতিয়ারাধীন কোনো মামলার বিষয়ে তিনি যৌক্তিক মনে করলে ইনভেস্টিগেশন অফিসার/তদন্ত কর্মকর্তাকে
ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর সেই মামলার তদন্তের ব্যাপারে প্রাথমিক বা প্রিলিমিনারি ইনভেস্টিগেশন
রিপোর্ট দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারবেন। ম্যাজিস্ট্রেট তার বিবেচনাবলে নিরপরাধ ও যার
বিরুদ্ধে উক্ত অপরাধের কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ নেই, তাদের প্রি ট্রায়াল বা বিচার পূর্ববর্তী
স্টেজেই মামলা থেকে রেহাই দিতে পারবেন।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানান,
আমরা আশা করছি এটি কার্যকর হলে পুলিশ ও আদালত প্রশাসন একসাথে কাজ করে এসমস্ত মামলায়
গ্রেফতার বাণিজ্য, মামলা বাণিজ্য এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এর ফলে নিরপরাধ
ব্যক্তিরা ভুয়া মামলা থেকে রেহাই পাবেন। এর ফলে তদন্ত কিন্তু থেমে যাবেনা, যাদের বিরুদ্ধে
অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্টতার যথাযথ প্রমাণ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা চলমান
থাকবে।
আগামীকাল গেজেট প্রকাশিত হলেই আইনটি
কার্যকর হবে বলে জানান তিনি।
এসময় আইন উপদেষ্টা আরও জানান, আজ আরেকটি
গুরুত্বপূর্ণ আইনগত অগ্রগতি হয়েছে। একটি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা ইউএনওএইচসিএইচআর
এর প্রধান ফলকার তুর্ক আমাদের দেশে সফর করেছিলেন। সংস্থাটি তাদের কার্যালয়ের একটি মিশন
শাখা বাংলাদেশে খুলতে চেয়েছেন, এ লক্ষ্যে আলোচনা হয়েছে। তাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
আজকে এ বিষয়ে একটি খসড়া সমঝোতা স্মারকের ব্যাপারে আজকের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সভায় নীতিগতভাবে
অনুমোদিত হয়েছে। এটি নিয়ে আরো কিছু আলোচনার পর চূড়ান্ত খসড়াটি ফলকার তুর্ককে পাঠানো
হবে, তিনি তার মতামত দিলে দ্রুততম সময়ে এটি স্বাক্ষরিত হবে। এই স্মারক স্বাক্ষরিত হলে
প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য অফিস স্থাপিত হবে। বাংলাদেশে যদি কোন ধরনের গুরুতর মানবাধিকার
ঘটনা ঘটে তাহলে আমাদের মানবাধিকার বিষয়ক রাষ্ট্রীয় এজেন্সিগুলোর পাশাপাশি এই সংস্থাটিও
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।
সম্প্রতি কুমিল্লার মুরাদনগরে সংঘটিত
একটি ধর্ষণের বিষয়ে তিনি বরেন, মুরাদনগরে যে জঘন্য ঘটনা ঘটেছে, তাতে বাংলাদেশের যে
কোন সাধারণ নাগরিকের মত আমরা মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ। আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ের
সাথে সাথেই ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রধান আসামি এর সাথে সাথে যারা এই ছবি বা ভিডিও গুলো
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মতন অত্যন্ত দায়িত্বহীন ও অপরাধমূলক কাজ করেছে
তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ধর্ষণ বিষয়ক আইনে
সময়োপোযোগী সংশোধন এনেছি সেটার প্রমাণ আপনারা মাগুরার ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে দেখেছেন।
এই ঘটনাটির ক্ষেত্রেও আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার করব,
সে বিষয়ে আমরা বদ্ধপরিকর।
মন্তব্য করুন


কাল অনুষ্ঠিত হবে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা।
আজ সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। এক ঘণ্টাব্যাপী দেশের ১৯টি পরীক্ষা কেন্দ্রের ৪৪টি ভেন্যুতে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে যার মোট আসন ৫৩৮০ টি। এছাড়াও বেসরকারি পর্যায়ে অনুমোদিত ৬৭টি মেডিকেল কলেজ রয়েছে যার মোট আসন ৬২৯৫ টি।
তিনি আরও বলেন, এমবিবিএস ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনয়ন, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বিগত কয়েক বছর অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন এবং ডিজিটালাইজেশনের ফলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ
পরিক্ষার্থীরা প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি নিয়ে আসবেন।
পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রকার অসদাচরণ, প্রতারণা, গুজব ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত কাউকে চিহ্নিত করা গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


ধানের
শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপি কখনো দেশের মাটি ও মানুষকে ছেড়ে যায়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আজ
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজ নির্বাচনী এলাকার (ঢাকা-১৭) বনানী কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ
খেলার মাঠে এক নির্বাচনী পথসভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির
চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপির দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে।
সেই
অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজে হাত দিতে চায়। বিএনপির কাছে
সারা বাংলাদেশের মানুষের অনেক প্রত্যাশা আছে। আমরাও সেভাবেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চেষ্টা
করেছি।
খালেদা
জিয়াকে স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারের সময় দেশত্যাগের প্রস্তাব দেওয়া হলেও খালেদা
জিয়া দেশ ছেড়ে কোথাও যাননি।
খালেদা
জিয়া জীবনের শেষ পর্যন্ত এ দেশের মাটিতে ছিলেন। মানুষ ছেড়ে যাননি। সে জন্য আমাদেরও
শেষ ঠিকানা এই দেশ।
তিনি
আরো বলেন, বিএনপি সব সময় বিশ্বাস করে, জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।
বিএনপি
সৃষ্টি থেকে সব সময় জনগণের সমর্থন ছিল। জনগণের সমর্থন ছিল বলে, বিএনপি জনগণকে রেখে
চলে যায়নি।
এ
সময় বিদেশগামীদের যেন জমিজমা বিক্রি করতে না হয়, সে জন্য সরকারিভাবে দ্রুত ব্যাংক ঋণের
ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, এই ঋণের মাধ্যমে তারা সহজেই বিদেশের যাওয়ার খরচ
মেটাতে পারবেন এবং বিদেশে গিয়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরবর্তী সময়ে তা পরিশোধ করতে পারবেন।
তিনি
বলেন, দেশের তরুণদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে দেশজুড়ে আধুনিক
প্রশিক্ষণ সেন্টার গড়ে তোলা হবে।
এর
মাধ্যমে তারা যেন দেশে এবং বিদেশে সম্মানজনক কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারে এবং দেশের
বেকারত্ব ঘুচাতে পারে।
মন্তব্য করুন


বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেছেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণে ব্যাপক অর্থ ব্যয় করার কারণে চালের বাজারে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, যদি এ অর্থ সেচ খাতে বিনিয়োগ করা হতো, তাহলে চালের দাম কমপক্ষে ৫ টাকা কমতে পারত। কিন্তু আজ পদ্মা সেতুর ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
শেখ বশির উদ্দীন আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের উদ্বৃত্ত তৈরি করতে ব্যর্থ হলে তা টিউমারের মতো সমস্যার সৃষ্টি করে, যা কোনো সরকার দীর্ঘমেয়াদে বহন করতে পারবে না। তিনি বলেন, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, নাগরিকদের দাবির সময় জানতে হবে—রাষ্ট্রের ব্যয়ের উদ্বৃত্ত আছে কি না। তা না হলে সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা সরকার অহেতুক বড় প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। অধিকাংশ স্থলবন্দরের কোনো বাস্তব প্রয়োজন ছিল না, এবং সেগুলোর কার্যকারিতা সীমিত। তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, যার প্রায় ৯০ শতাংশ ইতোমধ্যে ব্যবহার হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, সরকার প্রকল্প গ্রহণের মূল লক্ষ্য ছিল ব্যয়ের বৃদ্ধি, আয়ের প্রবৃদ্ধি নয়। এ কারণে বড় প্রকল্পের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ব্যয় বেড়ে গেছে। অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য হবে আয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরায় ফিরে আসবে, যা নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ সুগম করবে। তিনি আরও বলেন, আগের তিন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপিরা পদে থেকেও নির্বাচন করেছেন। ভোটাররা ভোটে যাইনি বা যায়নি, তা সরকারের জন্য কোনো প্রভাব ফেলেনি। তাই তারা মূলত নামধারী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় রয়ে গেছে। এমন অব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি রোধে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন