

হঠাৎ ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হলে শুক্রবার (১৪ মার্চ) ভোরে কর্মস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলার অবনতি ছাড়াও তার নানা ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছিল।
এদিকে ওসির কর্মস্থল ত্যাগের খবর দেরিতে পেয়ে কমপক্ষে ৩০ জন পাওনাদার বিচ্ছিন্নভাবে থানায় এসে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা জানান, নান্দাইল থানায় ওসি হিসেবে গত ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর যোগ দিয়েছিলেন ফরিদ আহম্মেদ। এর পর থেকে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক রাতেই তুচ্ছ ঘটনায় পাঁচটি অভিযোগ মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে রেকর্ডভুক্ত করার অভিযোগ ওঠে এ ওসির বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি চুরি ছিনতাইসহ আইনশৃঙ্খলার
মারাত্মক অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে পুরো উপজেলার আনাচে-কানাচে ইয়াবার কারবার, গ্রেপ্তার
বাণিজ্য চলছিল নির্বিঘ্নে।
বিভেদপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিলেন না নান্দাইল থানার ওসি ফরিদ আহম্মেদ। অন্যদিকে মামলা নেওয়ার নামে বিচার প্রার্থীদের হয়রানি করা হচ্ছিল নিয়মিত।
এমন অবস্থায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সকালে তাকে প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠি পেয়ে ওসি ফরিদ সবকিছু গুছিয়ে আজ শুক্রবার ভোরে চলে যান জেলা শহর ময়মনসিংহে।
এসব বিষয়ে জানতে প্রত্যাহার হওয়া ওসি ফরিদ আহম্মেদের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।
জানতে চাইলে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার বলেন, ‘ওসির কাছে সাধারণ লোকজন টাকা পায়, এটি খুবই দুঃখজনক।’ এ বিষয়ে ওসির সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
আর এক রাতে ৫টি মামলা রেকর্ডভুক্ত
হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাকে তো দুটির কথা বলা হয়েছিল। বাকিগুলো তো
জানাননি।’
মন্তব্য করুন


মেট্রোরেল নির্বাচনের দিনেও যথা নিয়মে চলবে বলে জানিয়েছেন মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল)।
শনিবার(৬ জানুয়ারি) সকালে ডিএমটিসিএল জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মোহাম্মদ ইফতিখার হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মোহাম্মদ ইফতিখার হোসেন বলেন, আমরা এই বিষয়ে কোনো ঘোষণা দিইনি। যেহেতু দিইনি, সেহেতু মেট্রোরেল চলবে। যদি না চলতো, তহালে আমরা নোটিশ দিতাম, ঘোষণা দিতাম। শুক্রবার মেট্রোরেলের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ছাড়া প্রতিদিন নিময় অনুযায়ী মেট্রোরেল সাভাবিক ভাবে চলাচল করবে।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের
রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের দেড়াগাঁতী মধ্যপাড়া এলাকায় এক নারীর বাড়ি থেকে
স্থানীয় একটি মসজিদের ইমামকে আটক করেছে এলাকাবাসী। শনিবার (২৭ জুন) দিবাগত রাত প্রায়
১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, দেড়াগাঁতী মধ্যপাড়া জামে মসজিদ (টাঙ্গাইল পাড়া)-এর ইমাম মো. সেলিমকে
মৃত আল আমিনের স্ত্রী মোছা. শানু বেগমের ঘরে দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন। পরে বিষয়টি
ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী সেখানে জড়ো হন এবং তাকে আটক করেন।
এলাকাবাসী
জানান, প্রায় এক দশক ধরে মো. সেলিম ওই মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
মো.
সেলিম বলেন, ‘গত প্রায় দেড় মাস ধরে আমাদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল। সেই সূত্রেই আমি
রাতে তার বাড়িতে যাই। পরে স্থানীয় লোকজন এসে আমাকে আটক করেন।’
শানু
বেগম বলেন, ‘আমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে।
আমি
তাকে বিয়ে করতে চাই।’
রায়গঞ্জ
থানার ওসি মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত
থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
উজানের পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর চরাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। এতে আগাম জাতের বিভিন্ন সবজি ও কৃষি ফসল তলিয়ে গিয়ে সহস্রাধিক কৃষক চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কমাতে কৃষকরা কোমর সমান পানিতে নেমে যতটুকু সম্ভব অপরিপক্ব ফসল তুলে আনার চেষ্টা করছেন।
ভান্তি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবদুল হক বলেন, প্রায় ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি আগাম জাতের মূলা ও লাউ চাষ করেছিলেন। হঠাৎ গোমতীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তার পুরো ক্ষেত এখন পানির নিচে।
আরেক কৃষক আবদুল জলিল বলেন, তার ডাঁটা শাক, পুঁইশাক ও চালকুমড়ার ক্ষেত পানিতে ভেসে গেছে। তাদের মতো ভান্তি, কামারখাড়া, বালিখাড়া ও আশপাশের এলাকার অন্তত শতাধিক কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কৃষক সোহেল মিয়া বলেন, লাউ, চিচিঙ্গা, ডাঁটা শাক, চালকুমড়া, মূলাসহ বিভিন্ন সবজি পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আগে যতটুকু সম্ভব উদ্ধার করে বাজারে বিক্রির চেষ্টা করছেন তারা। তবে বাজারে অপরিপক্ব সবজির সঠিক দাম না পাওয়ায় লাখ লাখ টাকার ফসল ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢলে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের হাজারো কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে আমি নিজেও মাঠে অবস্থান করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলছি। মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জরিপ করা হচ্ছে; তা শেষ হলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মাদারীপুরে
পানিছত্র এলাকায় মানিকগঞ্জ আদালতের সিনিয়র সিভিল জজ আতিক জামান এবং তার স্ত্রী মানিকগঞ্জ
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মায়িশা মালিহা অদ্রির গ্রামের
বাড়িতে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রায় ৩২ লাখ টাকার
সম্পদ চুরি হয়েছে।
সোমবার
(৬ জুলাই) শেষ রাতে শহরের পানিছত্র ভূঁইয়া বাড়ি মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার
সূত্রে জানা যায়, জজ আতিক জামানের বাবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মো. আলিমুজ্জামান
অসুস্থতার কারণে পরিবারসহ ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকায় বাড়িটি তালাবদ্ধ ছিল। এই সুযোগে
গভীর রাতে চোরচক্র কোলাপসিবল গেট ও একাধিক দরজার তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। পরে শয়নকক্ষে
থাকা স্টিলের আলমারির লকার ভেঙে প্রায় ১১ ভরি স্বর্ণালংকার, ৪ লাখ ৮০ হাজার নগদ টাকা,
একাধিক মূল্যবান হাতঘড়ি এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ
ছাড়া নির্মাণাধীন ভবনে রাখা বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীও চুরি হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।সোমবার
সকাল ৭টার দিকে বাড়ির ভাড়াটিয়ারা তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পেয়ে মো. আলিমুজ্জামানকে
মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান। পরে তিনি ঢাকা থেকে মাদারীপুরে এসে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষের
তালা ভাঙা, আলমারি তছনছ এবং মালামাল খোয়া যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।খবর পেয়ে
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন
করেন।
তিনি
বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত, গ্রেপ্তার
এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এ
ঘটনায় মো. আলিমুজ্জামান বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা চোরচক্রের বিরুদ্ধে মাদারীপুর সদর মডেল
থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ
জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে
তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার গ্রামের বাড়িতে সংঘটিত
এই চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত চোরচক্রকে
গ্রেপ্তার এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, রাজধানীসহ সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারি
কর্মকমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৫ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অতিরিক্ত দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি
বলেন, গ্রামগঞ্জে মানুষ চিকিৎসা পায় না। তাদের তাদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক
নিশ্চিত করার অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য।
সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান বলেন, পিএসসির মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগের
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটার অতিরিক্ত হিসেবে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস
সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, ডেপুটি প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এবং সহকারী
প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে সকলের
মানবাধিকার নিশ্চিত করতে গোটা বিশ্বের সম্মিলিত অঙ্গীকারের সঙ্গে বাংলাদেশের একাত্মতা
জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমন একটি বিশ্ব
গড়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যেখানে ন্যায়বিচার, সমতা এবং মানবিক মর্যাদা সবার
জন্য সমুন্নত থাকবে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে
আজ বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ অঙ্গীকার করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের অধিকার,
আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই’
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বছর মানবাধিকার দিবস পালিত হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে মৌলিক
স্বাধীনতার অবক্ষয়, ক্রমাগত বাড়তে থাকা অসমতা, অসহিষ্ণুতা, জলবায়ু সংকট, কর্তৃত্ববাদ
এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উত্থানের চ্যালেঞ্জের মুখে এই প্রতিপাদ্য অত্যন্ত সময়োপযোগী
এবং প্রাসঙ্গিক।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র মর্যাদা,
সমতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে একটি মৌলিক দলিল, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় মানবাধিকার
সার্বজনীন, অবিচ্ছেদ্য এবং সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য।
৭৬ বছর আগে মানবাধিকারের সার্বজনীন
ঘোষণাপত্র গৃহীত হওয়ার পর থেকে বিশ্বে নাগরিক মর্যাদার অগ্রগতি ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি
বলেন, ‘তবে, বিশ্বের বিভিন্ন অংশের দীর্ঘস্থায়ী সংকট নির্দেশ করে যে বিশ্বমানবতা সৃষ্টির
জন্য আমাদের এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া বাকি।’
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এটি অত্যন্ত
দুঃখজনক যে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুর্দশার দিকে খুব কমই দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে
ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে চলমান বর্বর নিপীড়নের অর্থ হলো আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে
ব্যর্থ। ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য একটি ন্যায্য, দীর্ঘস্থায়ী এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের
জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি।
তিনি বলেন, আমরা গর্বিত যে, নয়টি মূল
মানবাধিকার চুক্তিতে সই করা দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মানবাধিকারের
সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে নিহিত মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে অদম্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্বাধীনতা
ও মর্যাদার জন্য আমাদের জনগণের আকাঙ্ক্ষা কতটা দৃঢ় তা প্রমাণ করে উল্লেখ করে ড. ইউনূস
বলেন, ন্যায্য অধিকারের জন্য আমাদের জনগণ তাদের দৃঢ় প্রত্যয়কে পুনর্ব্যক্ত করেছে। আমাদের
তরুণ সমাজ যে সাহস নিয়ে মানুষের অধিকার রক্ষায় ব্রত হয়েছে তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা
আমাদের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্কার করার যাত্রা শুরু করেছি।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের
সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ সর্বত্র মানবাধিকার রক্ষা ও প্রচারে অবদান রাখবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার ব্যবস্থার সঙ্গে আমাদের গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে থাকবে।
জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সুশাসন
সুনিশ্চিত করতে বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকারের সেই ঐকান্তিক প্রত্যাশার ভিত্তিতে সার্বিক কার্যক্রমে
সহায়তা করতে ২৯-৩০ অক্টোবর ঢাকা সফরকালে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার বাংলাদেশে
মানবাধিকার সংক্রান্ত একটি মিশন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সাংস্কৃতিক
ও ধর্মীয় মূল্যবোধ, আর্থ-সামাজিক কাঠামো এবং বিদ্যমান বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকার
প্রস্তাবিত ধারণাটিকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সরকারের
সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে কারিগরি সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রস্তাবিত এই মিশনের
লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কর্ম-পরিধি, গঠন কাঠামো ও পরিচালনা পদ্ধতি নির্ধারণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের অংশগ্রহণে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
প্রস্তাবিত মিশনটি স্থাপনপূর্বক এটিকে কার্যকরী করার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকার আশাবাদী বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আমার ওপর ভরসা রাখুন, দেশের কোথাও কারও ওপর হামলা হবে না ।
দুপুর ২টার পর ড. ইউনূসকে বহনকারী বিমানটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
দেশে ফেরার পর তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। এ ছাড়াও সেখানে উচ্চপদস্থ অনেক কর্মকর্তারা ছিলেন।
এ সময় শুরুতেই কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে স্বরণ করেন ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, নতুন এই বাংলাদেশ যাতে দ্রুত গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে সেদিকে আমাদের কাজ করতে হবে।
নোবেলবিজয়ী আরো বলেন, এই স্বাধীনতাটা আমাদের রক্ষা করতেই হবে। শুধু রক্ষা না এর সুফল প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তা নাহলে এই স্বাধীনতার কোনো দাম নেই।
তিনি আরও বলেন, আজকের এই দেশ তরুণ প্রজন্মের হাতে। তোমরা যেভাবে এটা স্বাধীন করেছো, তোমরাই এটা গড়ে তুলবে।
এর আগে বুধবার (৭ আগস্ট) তিনি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের চার্লস দ্য গল বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন তিনি। বিমানবন্দরে তাকে কড়া নিরাপত্তা দেন ফ্রান্সের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার ইউনূস সেন্টার থেকে বলা হয়েছিল, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশে ফিরবেন। এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।
অলিম্পিক কমিটির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্যারিসে গিয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন, তার একটি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে।
জানা গেছে, ড. ইউনূস সরকারপ্রধান হিসেবে আজ রাত ৮টায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধরের পাশাপাশি চাইনিজ কুড়াল দিয়ে পায়ে আঘাত করলে কুড়ালটি তার পায়ে বিদ্ধ হয়ে আটকে যায়। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জগন্নাথপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত জাহাঙ্গীর হোসেন জগন্নাথপুর এলাকার বাবা শাহ বাড়ির মৃত সাজু সরদারের ছেলে।
জানা যায়, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার ছিলেন জাহাঙ্গীর। ঘটনার দিন তিনি কথিত কিশোর গ্যাং সদস্য বাদলকে মাদক ব্যবসা না করার জন্য নিষেধ করেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাদল, স্বাধীন, সৌরভসহ ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল জাহাঙ্গীরের ওপর হামলা চালায়।।পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার পায়ে বিদ্ধ থাকা কুড়াল অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা তার অবস্থা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল জানান, হামলাকারীরা প্রথমে তাকে মারধর করে। পরে ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে তার পায়ে আঘাত করলে কুড়ালটি পায়ের ভেতরে বিদ্ধ হয়ে আটকে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আহত জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছি। আজও মাদক ব্যবসা না করার জন্য নিষেধ করেছিলাম। এর জের ধরে তারা দলবদ্ধভাবে আমার ওপর হামলা চালায় এবং কুড়াল দিয়ে আঘাত করে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


যশোরের
চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি সাইদ সরদার ওরফে ‘চশমা সাইদ’কে
গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার
(২৪ জুন) সকালে যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের নিজ বাড়ির পাশের
একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সাইদ সরদার রঘুরামপুর গ্রামের নয়া সরদারের
ছেলে।
পুলিশ
ও স্থানীয়রা জানায়, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা ও মাদকসহ একাধিক মামলা
রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ‘বুধবার সকালে বাড়ির পাশের ঝোপের মধ্যে রক্ত দেখতে পান।
পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইদের গলাকাটা মরদেহ দেখেন। মরদেহের পাশেই একটি ধারালো চাকু
দেখা যায়। এরপর স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।’
স্থানীয়দের
ধারণা, মাদক ব্যবসা বা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে
পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যশোর
কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মমিনুল হক বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল
হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদ্ঘাটন
এবং জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য পুলিশ কাজ করছে।’
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে প্রবাসী ছেলের নতুন বিল্ডিংয়ে ঠাঁই হয়নি ৯৬ বছর বয়সি
বৃদ্ধা মায়ের। ছেলে প্রবাসে থাকার সুযোগে বৃদ্ধা মাকে বাাড়ি থেকে বেড় করে দিয়েছে পুত্রবধু। বর্তমানে বৃদ্ধার ঠাঁই হয়েছে রাস্তায়।এবং নিজ মেয়ের জরাজীর্ণ ঘরে।
উপজেলার
আলকরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ছামেনা খাতুনের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম ১৯৩১ সালের ২২ নভেম্বর। তার
স্বামী আবদুল হক ২০০৮ সালে
মারা যান। তিন মেয়ে ও এক ছেলের
মধ্যে একমাত্র ছেলে ফয়েজ আহমেদ ২০০৬ সাল থেকে সৌদি আরবে কর্মরত।
স্থানীয়
সূত্র জানায়, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই ছামেনা
খাতুনের দুর্দশা শুরু হয়। ২০১১ সালে ছেলে ফয়েজ আহমেদ তাকে নিজের বাড়ি থেকে পাশের বাড়িতে থাকা মেয়ে রোকেয়া বেগমের কাছে পাঠিয়ে দেন। এরপর থেকে মেয়ের বাড়িতেই বসবাস করছেন তিনি। রোকেয়া বেগম নিজেও স্বামীহারা। দুই ছেলে ও এক মেয়েকে
নিয়ে অভাবের সংসার চালালেও মায়ের দেখভাল করে আসছেন।
চলতি
বছরের জানুয়ারিতে দেশে ফিরে ফয়েজ আহমেদ নতুন একটি বিল্ডিং ঘর নির্মাণ করেন।
গ্রামবাসীর অনুরোধে তিনি মাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু গত ৪ মে
সৌদি আরবে ফিরে যাওয়ার পরপরই পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ রয়েছে, ফয়েজ আহমেদের স্ত্রী রুমা বেগম গভীর রাতে ছামেনা খাতুনের মালামালসহ তাকে আবার মেয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
ছামেনা
খাতুনের মেয়ে রোকেয়া বেগম বলেন, আমার ভাই ও ভাবি দীর্ঘদিন
ধরে মায়ের প্রতি অবহেলা করে আসছেন। আমার অভাবের সংসার হলেও আমরা মায়ের ভরণপোষণ চালিয়ে যাচ্ছি। ভাই দেশে এসে মাকে নতুন ঘরে তুলেছিলেন। কিন্তু তিনি বিদেশে যাওয়ার পরদিনই ভাবি মাকে ঘর থেকে বের
করে দেন।
ছামেনা
খাতুন বলেন, আমাকে অনেক বছর আগে ছেলে ঘর থেকে বের
করে দিয়েছে। তারা আমার কোনো খোঁজখবর রাখে না। আমার মেয়েরাই আমাকে দেখাশোনা করে।লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান বলেন, গ্রামবাসীর অনুরোধে ফয়েজ আহমেদ তার মাকে নতুন ঘরে তুলেছিলেন। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার পরদিনই তার স্ত্রী বৃদ্ধাকে ঘর থেকে বের
করে দেন। বর্তমানে যে মেয়ের বাড়িতে
তিনি থাকছেন, সেই পরিবারও খুবই অসচ্ছল।
অভিযোগের
বিষয়ে জানতে চাইলে রুমা বেগম সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর মুঠোফোনের সংযোগ
বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আলকরা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল বশর বলেন, বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। খোঁজখবর নিয়ে গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।
চৌদ্দগ্রাম
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। স্থানীয় চেয়ারম্যানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ছামেনা খাতুনের ভরণপোষণের বিষয়েও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন