

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় আহলে হাদীসের উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিনভর উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে বন্যার্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া চাঁদপুর জেলা আহলে হাদীসের পক্ষ থেকে নোয়াখালী,ফেনী,লক্ষীপুর,কুমিল্লা,চাঁদপুরের কচুয়া,ফরিদগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রান সমাগ্রী বিতরন করেন নেতৃবৃন্দ। এদিকে আহলে হাদীসের নেতৃবৃন্দ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাঁধে করে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান সামগ্রী পৌছে দেন।
এসময় বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের চাঁদপুর জেলা জমঈয়তের সেক্রেটারী দুলাল মিয়া,জামিয়া দারুত তাওহীদের সভাপতি মাসুদ রানা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক মো. মাসুদ রানা মিয়াজী,আশ্রাফপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম সহ আহলে হাদীসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
পাওনা টাকা নিয়ে সালিশি বৈঠক চলাকালে ছুরিকাঘাতে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। এসময় আহত
হয়েছে আরও ৩ জন। একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার
(১০ অক্টোবর) রাতে জেলার মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর বাজারে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
নিহত
রাজিব হোসেন উপজেলার রহিমপুর গ্রামের মৃত খলিল মিয়ার ছেলে।
আহতরা
হলেন, নবীপুর গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী মোজাফ্ফর হোসেন (৫০) ও তার ছেলে আক্তার হোসেন (৩০)
ও জসিম উদ্দিন(৫৫)। আহতরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঘটনাস্থল
থেকে মারুফ (১৯) নামের একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। আটক মারুফ উপজেলার
যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
আহত
আক্তার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া জানান, তার ননদ নিলুফা বেগম উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের
শিড়িনা বেগমের থেকে ১০ হাজার টাকা ধার আনেন। ধারের টাকা দিতে না পারায় এই টাকার জন্য
বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হলেও কোন সুরাহা হয়নি। পাওনা টাকা জন্য গতকাল (বৃহস্পতিবার)
রাতে তার ননদ ও স্বামীকে তুলে নেয়ার জন্য শিড়িন ৮/১০ জনের একটি বখাটে দল নিয়ে আমার
শ্বশুর বাড়িতে আসে। এসময় আমাদের সাথে তাদের হাতাহাতি হয়। এরপর স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার
জন্য উভয়পক্ষকে নিয়ে নবীপুর বাজারে কামাল মাষ্টারের অফিসে সালিশ বৈঠক বসে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সালিশ চলাকালে অফিসের বাইরে শিড়িনা বেগমের সাথে আসা মারুফ, মারফতসহ কয়েকজন রাবেয়া বেগমকে লাথি মেরে ফেলে দেয়। এসময় রাবেয়ার স্বামীর বন্ধু রাজিব রাবেয়াকে উঠাতে গেলে মারুফ, মারফত, কোমর থেকে ছুরি বের করে রাজিবের বুকে ও শরীরে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। এসময় রাজিবকে বাঁচাতে আসলে তার বন্ধু আক্তার হোসেন ও তার বাবা মোজাফ্ফর এবং কাকা জসিম উদ্দিনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় স্থানীয়রা মারুফ নামের একজন হামলাকারী আটক করে এবং আহতদের উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিব হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
এ
বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল হক বলেন, হত্যার ঘটনায় একজনকে
আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
হত্যা মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


যৌতুকের
টাকা না পাওয়ায় ৪০ জন বরযাত্রী নিয়ে খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের আসর থেকে বর নিয়ে চলে যাওয়ার
অভিযোগ উঠেছে। বিয়ের বর ছিলেন, নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের বামনগাঁও
গ্রামের মো. শরীফ মিয়ার ছেলে মো: হাসেন মিয়া (২৫)।
এ
ঘটনায় আজ (১/১২/২৩) দুপুরে ভুক্তভোগী কনের বাবা বাদী হয়ে বর ও বরের বাবাসহ ৩ জনকে অভিযুক্ত
করে কলমাকান্দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (১/১২/২৩) বিকেলে নেত্রকোনার
কলমাকান্দায় রংছাতি ইউনিয়নের বটতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ
ও স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ১ সপ্তাহ আগে বামনগাঁও গ্রামের মো: হাসেন মিয়ার বিয়ে ঠিক
হয় পার্শ্ববর্তী রংছাতি ইউনিয়নের বটতলা গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে। বিয়ে ঠিক হওয়ার সময়
কনের বাবা বিয়ের খরচ বাবদ বরের পরিবারকে ৪০ হাজার টাকা দেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে
এ বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। বর তার আত্মীয়-স্বজনসহ ৪০ জন বরযাত্রী নিয়ে আসেন। খাওয়া-দাওয়া
শেষে বিয়ের কার্যক্রম শুরু হলে বরের পক্ষ থেকে আরো ৭০ হাজার টাকা যৌতুক চাওয়া হয়। কনের
পরিবার যৌতুকের টাকা দিতে রাজি না হলে বিয়ের আসর থেকে বরের লোকজন বরকে নিয়ে চলে যান।
এ
বিয়ে উপলক্ষে দুই লাখ টাকা খাওয়া-দাওয়া ও ডেকোরেশন বাবদ খরচ হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ
করেন কনের বাবা।
কলমাকান্দা থানার ওসি আবুল
কালাম গণমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার দুপুরে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


আজ
(২ ফেব্রুয়ারি) কমলাপুরের বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সাফ
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকলো
বাংলাদেশ। সাগরীকা দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন।
ম্যাচপূর্ববর্তী
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ সাইফুল বারী টিটু বলেছিলেন, ১ম ম্যাচে জয় নিশ্চিত
করে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকতে চান। পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করেছেন মাঠে।
ম্যাচের
শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে নেপালের বিপক্ষে আধিপত্য
বিস্তার করে খেলে পুরোটা সময়। এই ম্যাচে সাগরীকা নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন।
ম্যাচের
৫ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। স্বপ্না রানির ফ্রি-কিক গোলরক্ষক ঝাপিয়ে রক্ষা
করেন। নেপালের গোলরক্ষক সুজাতাতামাংয়ের হাতে লেগে দিক বদলে বারে প্রতিহত হয়। ফিরতি
বলে মুনকি আক্তার বল জালে জড়াতে চেষ্টা করলেও তার শট ডিফেন্ডাররা আটকে দেন।
২
মিনিট বাদেই আবারও আক্রমণ শানায় বাংলাদেশ। বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মুনকি আক্তার। তবে
নেপালের গোলরক্ষক এগিয়ে এসে তাকে থামান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে বল পান পূজা
দাস। তার মাটি কামড়ানো শট অল্পের জন্য পোষ্ট ঘেঁষে বেড়িয়ে গেলে এগিয়ে যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের।
১৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেয়া পূজার বা পায়ের
শট ক্রসবার ঘেষে বেড়িয়ে যায়।
৩৮
মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। গোলকিক থেকে বল পান স্বপ্ন রানী। তার হেডে বক্সের
কাছাকাছি ২ ডিফেন্ডারের মাঝে বল পান সাগরীকা।
২ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের উপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে জড়ান সাগরীকা।
ব্যবধান
২গুন করতে সময় নেয়নি বাংলাদেশ ৪২ মিনিটে মুনকি আক্তারের দর্শনীয় গোলে ২-০ গোলের লিড
নেয় বাংলাদেশ। বক্সের ভেতর বল ক্লিয়ার করতে এগিয়ে আসেন নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা। তবে
তার ক্লিয়ার করা বল পান ইতি খাতুন; ক্রস দেন মুনকি আক্তারকে। তিনি বুদ্বিদীপ্ত শটে
গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান। প্রথমার্ধে
ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো বাংলাদেশের। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ।
বক্সের ভেতর সাগরীকাকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল
করতে পারেননি আফঈদা খন্দকার। তার শট পোস্টে লাগে। তবে ফিরতি বলে শট নেন সাগরিকা। তবে
নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা গ্লাভস বন্দী করেন। শেষ পর্যন্ত ২ গোলের লিড নিয়েই বিরতীতে
যেতে হয় সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যদের।
দ্বিতীয়ার্ধে
আক্রমণের ধার বাড়ায় ২ দলই। ৫২ মিনিটেই এক গোল শোধ করে ম্যাচে ঘুড়ে দাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়
নেপাল। সুকরিয়া মিয়ার গোলে ব্যবধান কমায় নেপাল। তবে লিড বাড়িয়ে নিতে খুব বেশি সময় নেয়নি
বাংলাদেশ। ৫৬ মিনিটে সাগরিকার গোলে ব্যবধান ৩-১ করে সাইফুর বারী টিটুর শিষ্যরা।
পরের
ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত।
মন্তব্য করুন


মাহাবুব আলম বাবু:
৩১ জানুয়ারি শুক্রবার কুমিল্লা ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ(২০২৫-২৬) এর নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে কুমিল্লা ক্লাব। শেষ মূহুর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা। অপরদিকে ভোটারগন ক্লাবের অগ্রগতির স্বার্থে দক্ষ ও অসীর আগ্রহে ভোট প্রদানের জন্য অভিজ্ঞ প্রার্থীদের বেছে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। ইতিমধ্যে কুমিল্লার স্থানীয় ভোটাগণে পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রামে বসবাসরত ভোটারগণ কুমিল্লায় আসতে শুরু করেছেন। কুমিল্লা ক্লাবের আঙ্গিনা এখন আগত ভোটারদের উপস্থিতিতে মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে।
শুক্রবার নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে আছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। ক্লাবের এডহক কমিটির ২০১ সদস্য ফরহাদ আখতার, মো শাহরিয়ার এবং দেলোয়ার হোসেন মানিক সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯১৭ সালে তৎকালীন ত্রিপুরার মহারাজা বীর বাহাদুর মানিক্য এ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা।
নির্বাচন শুরুর আগে সকাল ১০টা থেকে ১ম অধিবেশনে কুমিল্লা ক্লাবের ১০৮ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভাপতিত্ব করবেন কুমিল্লা ক্লাবের সভাপতি জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার।
এবারের নির্বাচনে ভোট ভোটার হচ্ছেন ৫৬১ জন। বিভিন্ন পরে প্রার্থী রয়েছেন ৩১ জন। উল্লেখ্য কুমিল্লা ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য মোট ১৯ তন্মধ্যে ২ জন নির্বাচন ছাড়াই প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হন। একজন হচ্ছেন ক্লাব সভাপতি পদে জেলা প্রশাসক এবং অপরজন হচ্ছেন টাউন হলের প্রতিনিধি। বাকি ১৭ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কমিটিতে আসেন। ১৭ জনের পদগুলো হচ্ছে- সভাপতি পদে (৩ জন), সাধারণ সম্পাদক পদে (১জন), সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে (১ জন), কোষাধ্যক্ষ পথে (১জন), ক্রীড়া সম্পাদক পদে (১ জন), অতিথিশালা ও আপ্যায়ন সম্পাদক পদে (১জন), কল্যান সম্পাদক পদে (১ জন) এবং নির্বাহী সদস্য পদে (৮ জন)।
নির্বাচনে বিভিন্ন পদের প্রার্থীরা হচ্ছেন- সহ-সভাপতি পদে মোঃ জামাল খন্দকার, কাজী এনামুল হক বাবুল, মহিউদ্দিন আহমেদ, মো. আমিরুজ্জামান ভূঁইয়া, আলহাজ্ব মোঃ জসিম উদ্দিন, ডা. মো. আবদুল লতিফ,অধ্যাপক আলহাজ ফারুক আহমেদ।
সাধারন সম্পাদক পদে রইস আবদুর রব, আহমেদ শোয়ের সোহেল, সহ- সাধারন পদে-মেহেদী হোসেন (শাকিল), মো. মাহাবুব আলম চৌধুরী,
কোষাধ্যক্ষ পদে - মো. হুমায়ুন কবির, এম এ তাহের, মো. আতিকুল ইসলাম। ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. মনিরুল ইসলাম বাচ্চু, মোহাম্মদ জহিরুল হক।
অতিথিশালা ও আপ্যায়ন সম্পাদক পদে মোঃ ওমর ফারুক শাহীন, মোঃ তারিক ওবাইদুল্লাহ। কল্যাণ সম্পাদক পদে মাহাবুব আলম বাবু, মোহাম্মদ নামির উদ্দিন (সুমন)।
নির্বাহী সদস্য পদে- গোলাম ইউসুফ চৌধুরী, মো. ফোরকান উদ্দিন হেলাল, মাসুদ আহমেদ, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মো মাহবুবুর রশিদ (তুহিন), প্রকৌশলী মো. . সাইফুল ইসলাম, মো. জিয়াউল হক (লিটু), মোঃ মামুনুর রশিদ ভূঁইয়া, ডা. মো. সফিকুর রহমান, মোঃ রেজাউনুর রহমান , ডা. মো. রাসেল আহমেদ চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


শেরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাশুরা নোকাদ্দেস তানাজ এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। মেয়ের ভালো ফলাফলের পরও তার বাড়িতে যেনো বিষাদের ছায়া নেমে এসেছে। বিষাদের কারণ যাকে নিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠার কথা ছিল, সেই মাশুরা নোকাদ্দেস তানাজই আজ বেঁচে নেই।
জানা গেছে, শ্রীবরদী উপজেলার চরশিমুলচুড়া গ্রামের বাসিন্দা কুয়েত প্রবাসী মোকাদ্দেসুর রহমান তোরাব ও মোছা. মনিরা বেগম দম্পতির মেয়ে মাশুরা নোকাদ্দেস তানাজ। গত ৩১ মার্চ ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় তানাজ।
রোববার (১২ মে) এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা যায়, তানাজ জিপিএ-৫ পেয়েছে। শুধুমাত্র বাংলা বিষয়ে এ গ্রেড ছাড়া বাকি সব বিষয়েই এ প্লাস পেয়েছে সে। এ সংবাদ শোনার পর শোক আরও দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিল তার মা-বাবার।
উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ তানাজের মামা কুয়েতপ্রবাসী সোহাবুর রহমান বাপ্পীকে বিমানবন্দর থেকে আনতে সপরিবারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। পথে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার জামান ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় এসএসসি পরীক্ষার্থী তানাজ ও তার ছোট ভাই আড়াই বছর বয়সী শিশু আনাছ। তাদের মা-বাবাসহ তিনজন আহত হয়।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেশের চলমান বন্যা নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এখন পর্যন্ত দুইজন নারীসহ ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৪৮ লাখের বেশি মানুষ।
নিহতদের মধ্যে কুমিল্লায় চারজন, ফেনীতে একজন, চট্টগ্রামে চারজন, নোয়াখালীতে একজন, ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় একজন, লক্ষ্মীপুর একজন এবং কক্সবাজারে তিনজন।
এদিকে শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি বেশ ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যায় একটি শিশু পাতিলের মধ্যে কাপড় দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে।
পাতিলের ভেতর বন্যার পানিতে ভাসতে দেখে সেখানে থেকে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা হয়। অনেকেই ছবিটি শেয়ার করছেন নানা আবেগঘন ক্যাপশন দিয়ে। আবার অনেকেই বলছেন পরিবারের সব সদস্য মৃত।
তবে অনুসন্ধান করে জানা গেছে ভাইরাল হওয়া ছবিটি কুমিল্লার খারাতাইয়া, বুড়িচং এলাকার। ছবিটি তুলেছেন নাজমুল হাসান তপন নামের এক ব্যক্তি।
তিনি জানিয়েছেন, শিশুটির পরিবারের সবাই জীবিত এবং নিরাপদে আছেন।
এর আগে গত বুধবার (২১ আগস্ট) আরেকটি শিশুর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে দেখা গেছে, শিশুটি গলা পর্যন্ত পানির নিচে ডুবে আছে। তার কপালে ভাঁজ এবং অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাও ওই ছবি শেয়ার করে বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। তবে রিউমর স্ক্যানারের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি ছিল। রিউমর স্ক্যানারের ফেসবুক পেজ থেকে শিশুর ভাইরাল হওয়া ছবিটিসহ দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, বন্যার বাস্তব দৃশ্য প্রকৃতপক্ষে আরও করুণ। তবে, আমাদের বিশ্লেষণে ভাইরাল ছবিটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি।
পোস্টে
আরও বলা হয়, আলোর প্রতিফলন, শিশুটির চোখের অভিব্যক্তি, কপালের ভাঁজ ও ঠোঁটের অস্বাভাবিকতা
ইত্যাদি অসংগতি অনুযায়ী আপাতদৃষ্টিতে অনেকেই ভাইরাল ছবিটিকে এআই জেনারেটেড বলেই ধারণা
করেছেন। তা ছাড়া, এআই ছবি যাচাইয়ের বিভিন্ন ওয়েবসাইটও ছবিটিকে ৬০% থেকে ৯১% পর্যন্ত
এআই বলে ফলাফল দিয়েছে। রিউমর স্ক্যানার টিম হতে MidJourney AI ব্যবহার করে এই একই ধরনের
ছবি পুনরায় তৈরি করার চেষ্টায়ও প্রায় একই ফলাফল পেয়েছি আমরা।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে গরিব ও অসচ্ছল মানুষের মধ্যে ৭ টাকায় ব্যাগ ভর্তি সবজি বিক্রি করছে ফাইট আনটিল লাইট নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
মঙ্গলবার২০ ফেব্রুয়ারী সকালে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ।
জেলার সদর উপজেলা, ফুলবাড়ী উপজেলা এবং রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে এই ৭ টাকার সবজি বিক্রির কার্যক্রম চালানো হবে বলে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের জানান।
উদ্বোধনী দিনে ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক দরিদ্র মানুষের মধ্যে ১ কেজি করে শিম, ১ কেজি আলু, ১ কেজি বেগুন, ১টি ফুলকপি,২ আঁটি করে ধনে পাতা, পালংশাক এবং ১টি করে ডিম দেওয়া হয়।পুরো প্যাকেজটির বাজার মূল্য তিন শ টাকার বেশি হলেও দরিদ্র মানুষেরা পেয়েছেন মাত্র ৭ টাকায়।
৭ টাকার বাজার কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সোহেলী পারভীন, ফুলবাড়ী উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুব হোসেন লিটু এবং ফুল সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের।
৭ টাকার বাজারে সবজি কিনতে আসা রানী আক্তার জানান, দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত দাম বাড়ায় কৃষক স্বামীর পক্ষে এক সাথে এতো বাজার করা অসম্ভব। মাত্র ৭ টাকায় তিনশত টাকার কাঁচা বাজার পেলাম।পরিবারে চারজন সদস্য নিয়ে এই বাজার দিয়ে পাঁচ দিন নিশ্চিন্তে খাইতে পারবো। তিনি আরও বলেন, 'ফুল সংগঠন রিলিফ দেয় নাই, তারা কম দামে বিক্রি করলো আর হামরা কিনি নিলাম। কমদামে এতো বাজার পেয়ে আমার খুব উপকার হইল।
ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ জানান, বেসরকারি সংগঠন ফুল এর অর্থায়নে উপজেলার অভাবী মানুষের মাঝে মাত্র ৭ টাকায় ব্যাগ ভর্তি বাজার করার সুযোগ পেলো।ফুল সংগঠন ত্রাণ না দিয়ে নামমাত্র টাকায় গরীব মানুষের বাজারের সুযোগ দিয়েছে। ফুল সংগঠনের এই মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের বলেন, দীর্ঘদিন থেকে ফাইট আনটিল লাইট(ফুল) সংগঠন গরীব মানুষের জন্য বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে আসছে। আমরা ত্রাণ প্রথা থেকে মানুষকে বেড়িয়ে এসে সম্মানের সাথে বাঁচবার জন্য ৭ টাকা করে নিচ্ছি। এছাড়াও আমাদের সংগঠন থেকে নাগেশ্বরী উপজেলা, ফুলবাড়ী উপজেলা, রাজারহাট উপজেলায় গরীব ও অসহায় মানুষদের মাঝে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ২৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদক ট্যাপেন ট্যাডল ট্যাবলেট আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ গোলাবাড়ী পোষ্টের টহলদল সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানে সীমান্ত পিলার ২০৮১/৮-এস থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেরানীনগর এলাকায় চোরাচালানকৃত মাদকদ্রব্যগুলো জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আটককৃত মাদকদ্রব্যের সংখ্যা ২,৪০০ পিস এবং বাজারমূল্য প্রায় ২৪ লাখ টাকা। এগুলো সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হচ্ছিল।
উল্লেখ্য, বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে, যা সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আটককৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় শীতের শুরু থেকেই লেপ-তোষকের দোকানে কারিগরদের ব্যস্ততা বেড়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে অনেক রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী লেপ-তোষক তৈরি করছেন তারা। রেডিমেড লেপ-তোষক-ম্যাট্রেসের কদর বৃদ্ধি, উপকরণের মূল্য ও মজুরি বৃদ্ধির কারণে এবার কমেছে চাহিদার পরিমাণ। সে কারণে কারিগরদের ব্যস্ততাও আগের থেকে একটু কম। তীব্র শীত শুরু হতে এখনো বাকি কিছুদিন। কনকনে শীতের আগে তাই লেপ-তোষকের দোকানে আসছেন ক্রেতারা। নতুনের পাশাপাশি কেউ কেউ আবার পুরনো লেপ-তোষকই নতুন করে গড়িয়ে নিচ্ছেন।
জানা যায়,কচুয়া পৌর বাজার, রহিমানগর, সাচার, পালাখাল ও জগতপুর বাজারে কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। এসকল দোকানে বানানো লেপ-তোষকের পাশাপাশি রেডিমেড লেপ-তোষকও বিক্রি হচ্ছে। এবারে তুলা ও কাপড়ের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে লেপ, তোষক তৈরিতে খরচও বেড়েছে। উপকরণ ও মজুরি মিলিয়ে গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর খরচ কিছুটা বেশি বলে জানিয়েছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। তাই কমেছে অর্ডারের সংখ্যা। সেই সাথে কম্বল, ফোম ও ম্যাট্রেসের ব্যবহার বেড়ে যাবার কারণে লেপ তোষকের কারিগরদের ব্যস্ততাও আগের চেয়ে কমেছে। এ কাজের সাথে জড়িত কারিগররা ঝুঁকছেন অন্য পেশায়।
পালাখাল বাজারের লেপ-তোষক কারিগর লোকমান হোসেন বলেন, প্রায় ৩৮ বছর ধরে এ কাজের সাথে রয়েছি। দিনে ৫শ থেকে ৬শ টাকা মজুরি পাই। আগে দিনে এক হাজার টাকাও মজুরি পেয়েছি। কম কাজ ও কম মজুরির জন্য এখন লেপ-তোষকের কারিগররা অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।
অন্য কারিগর আবু সুফিয়ান বলেন, কয়েক বছর আগেও কাস্টমার বেশি ছিল। বর্তমানে ম্যাট্রেস আর ফোমের ব্যবহার বেড়ে যাবার কারণে কাস্টমার কমেছে। তাছাড়া, কাপড় ও তুলার দামও বেড়েছে আগের চেয়ে। তাই এ পেশাকে টিকে রাখতে সরকারি-বেসরকারি ভাবে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন কারিগর ও ব্যবসায়ীরা।
মন্তব্য করুন