

দেশের
দক্ষিণাঞ্চলের ৫ জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ১০ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩৩ জন আহত হয়েছেন
এবং ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েক শতাধিক ঘরবাড়ি।
রোববার
(৭ এপ্রিল) দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হওয়া ঘূর্ণিঝড়ে এ
তাণ্ডবলীলা ঘটে। ভোলার মনপুরা ও লালমোহন, পিরোজপুর, বাউফল, বাগেরহাট ও ঝালকাঠিতে এ
ঘূর্ণিঝড় বয়ে যায়।
পিরোজপুর:
পিরোজপুরে
সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঝড় শুরু হয়। এ ঝড়ে গাছচাপায় এক নারী ও ঝড়ে উড়ে গিয়ে এক বৃদ্ধের
মৃত্যু হয়েছে। এতে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন।
জেলার
ওপর দিয়ে ১৫ মিনিট ঝড়ো গতিতে বাতাস বয়ে যায়। পুরো জেলার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে
গেছে। শত শত গাছ উপরে পড়ে কয়েকশত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পৌরসভার প্রায় সব সড়কের
যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
পিরোজপুর
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান জানান, হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে গাছপালা উপড়ে পড়ে পিরোজপুরের
সদর উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলা
হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার রমজান আলী জানান, এ ঝড়ে ২ জন নিহত হয়েছেন। আহত ১২ থেকে
১৩ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ভোলা:
ভোলার
মনপুরা ও লালমোহনে দুপুরের দিকে আকস্মিক ঝড় শুরু হয়। এতে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ও গাছপালা
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় নিজ ঘরে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বজ্রপাতেও একজন
মারা গেছেন।
মনপুরার
দুপুর ১২টা দিকে হওয় ঝড়ের তাণ্ডবে দাসের এলাকায় ছয় জেলেসহ একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে
গেছে। যাত্রীদের সবাইকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও ট্রলারটির খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলার
জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, নিহতের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা করে ৫০ হাজার
টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত তিন উপজেলায় ১৬ টন চাল তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বাউফল:
বাউফলে
সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া ৩৫ মিনিট স্থায়ী ঝড়ে ২জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। এদিকে
বাউফলে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতসহ ঝড় হয়েছে। এতে তেতুলিয়া নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে
দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
বাউফল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোণিত কুমার গাইন হতাহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে
বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধার ও অনুসন্ধানে কাজ চলছে।
বাগেরহাট:
বাগেরহাটে
ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ ও বিলবোর্ড পড়ে ১ জন নিহত ও ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সকাল
৯টা ৪০ থেকে ১০ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলা ঝড়ে অন্তত দেড় শতাধিক ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে।
এদিকে
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, কচুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে এক ব্যক্তি
নিহত হয়েছেন। আকস্মিক ঝড়ে বেশকিছু ঘরবাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছপালা উপড়ে পড়েছে।
ক্ষতিপূরণ নিরূপণের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঝালকাঠি:
ঝালকাঠির
২ উপজেলায় ঝড়ের সময় মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে ২ নারী ও এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার শেখেরহাট, পোনাবালিয়া
ইউনিয়ন এবং কাঁঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
মন্তব্য করুন


ধর্মমন্ত্রী
কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, ‘২০২৭ সালের হজযাত্রীদের জন্য বিমানভাড়া
২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে।’
মঙ্গলবার
(২১ জুলাই) সচিবালয়ে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি
এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী
বলেন, ‘সরকার ২০২৭ সালের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর
মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ
৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।
হজযাত্রীদের
ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ বহাল রাখার অনুরোধ ধর্মমন্ত্রীর। এ ছাড়া দ্বিতীয় প্যাকেজের মূল্য
নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা।
২০২৭
সালের হজযাত্রীদের জন্য বিমানভাড়া গত বছরের তুলনায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০
হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের একদিন
আগে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে International Convention for the Protection of
All Persons from Enforced Disappearance (ICPPED) যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) উপদেষ্টা পরিষদের
সভায় গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে সই করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক
সনদটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পর ২০১০ সালে
এ সনদের বাস্তবায়ন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ৭৫টি দেশ এ সনদে যুক্ত হয়েছে।
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদের লক্ষ্য
হলো: গুম বন্ধের পাশাপাশি এ অপরাধের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের
সহায়তা দেওয়া।
মন্তব্য করুন


নেত্রকোনা
শহরের জয়ের বাজার মোড়ে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার
একটি ২৫ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের
সৃষ্টি হয়।
৯
জুন মঙ্গলবার রাতে শহরের মগড়া নদীর মোক্তারপাড়া সেতু সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভটিতে
দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়। ১০ জুন বুধবার সকালে স্মৃতিস্তম্ভের বিভিন্ন স্থানে আগুনে পোড়া
দাগ দেখা গেছে।
স্থানীয়রা
জানান, গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায়
উদ্বেগ ও আলোচনা শুরু হয়।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, রাতের আঁধারে স্মৃতিস্তম্ভে আগুন জ্বলছে।
আগুন লাগানোর পর তিন যুবককে স্মৃতিস্তম্ভের মূল বেদি থেকে নেমে যেতে দেখা যায়। ভিডিওতে
উপস্থিত কয়েকজনকে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দিতেও শোনা যায়।
এ
বিষয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেন, জেলা
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,
কেরোসিনজাতীয় দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে স্মৃতিস্তম্ভে আগুন লাগানো হয়েছিল।
তিনি
আরও জানান, স্মৃতিস্তম্ভটি স্টিল দিয়ে নির্মিত হওয়ায় এতে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
তবে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে
পুলিশ।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবসে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা সাভারের জাতীয় স্মৃতি সৌধে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এ সময় পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ৫৪তম বিজয় দিবস উদযাপন করেন।
উভয় নেতা আজ সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তাঁরা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রর্দশন করে এবং বিউগলে করুণ সুর বেজে উঠে।
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা এবং পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট সেখানে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিক, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজয় দিবস উপলক্ষে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
মন্তব্য করুন


ঈদুল
আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবং কোরবানির পশুর হাটকেন্দ্রিক
যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
এ লক্ষ্যে ২৫-২৭ মে ও ২৯-৩১ মে, মোট ছয় দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল
বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার
(২৪ মে) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
এতে
বলা হয়, ঈদ উপলক্ষে আনুমানিক এক কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়েন এবং প্রায় ৩০ লাখ মানুষ
রাজধানীতে প্রবেশ করেন।
ফলে
ঈদযাত্রা ও পশুর হাটসংলগ্ন এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া
হয়েছে।
ডিএমপির
নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত ছয় দিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ
থাকবে।
পশুবাহী
যানবাহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য, পচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, সার
ও জ্বালানি বহনকারী যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। এ ছাড়া রুট পারমিটবিহীন
বাস চলাচল করতে পারবে না।
আন্তঃজেলা
বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রী নিয়ে বাসগুলোকে সরাসরি গন্তব্যে যেতে হবে। সড়কে দাঁড়িয়ে
যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না। অনুমোদিত কাউন্টার ছাড়া রাস্তা থেকে যাত্রী তোলা-নামানোও
নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ঈদযাত্রার
চাপ সামাল দিতে আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ মে উত্তরার আব্দুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া হয়ে ধউর
ব্রিজ পর্যন্ত সড়ক একমুখী করা হবে। এ সময়ে এই পথে শুধু ঢাকা থেকে বের হওয়া যানবাহন
চলাচল করতে পারবে। ঢাকায় প্রবেশকারী যানবাহনকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
এদিকে
যানজট কমাতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিহারের অনুরোধ জানিয়েছে
ডিএমপি। এর মধ্যে রয়েছে বনানী থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, যাত্রাবাড়ী
থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, শ্যামলী থেকে গাবতলী পর্যন্ত মিরপুর
রোড, ফুলবাড়িয়া থেকে বাবুবাজার ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকা-কেরানীগঞ্জ সড়ক এবং আব্দুল্লাহপুর
থেকে ধউর ব্রিজ সড়ক।
কোরবানির
পশুর হাটকেন্দ্রিক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাটের নির্ধারিত সীমানার বাইরে সড়কের ওপর
পশু কেনা-বেচা, লোড-আনলোড করা যাবে না। পশুবাহী ট্রাক বা ক্রেতাদের গাড়ি হাটসংলগ্ন
সড়কে পার্কিং করলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পশুর হাট সঠিকভাবে পরিচালিত
না হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনারও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি
নগরবাসী, যানবাহনের মালিক-চালক এবং পশুর হাট সংশ্লিষ্ট সবাইকে এসব নির্দেশনা মেনে চলার
আহ্বান জানিয়েছে, যাতে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হয়।
মন্তব্য করুন


বরিশালে
ইয়াবাসহ আটক এক যুবকের গায়ে থাকা আর্জেন্টিনার জার্সি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি
ব্যবহার করে ব্রাজিলের জার্সিতে পরিবর্তন করার অভিযোগ উঠেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের
(বিএমপি) মিডিয়া উইংয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার পাশাপাশি ব্রাজিল
সমর্থকদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
জানা
গেছে, সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে বরিশাল নগরীর পলাশপুর কলোনিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল হাওলাদার
(৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে কাউনিয়া থানা পুলিশ। আটকের সময় তার
গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি ছিল। পরে থানার পক্ষ থেকে তোলা ছবি বিএমপির মিডিয়া সেলে পাঠানো
হলে সেখানে ডিজিটালভাবে জার্সির নকশা পরিবর্তন করে ব্রাজিলের জার্সি যুক্ত করা হয় বলে
অভিযোগ ওঠে।
বিএমপির
মিডিয়া সেল থেকে ওই ছবি প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিতর্কের
সৃষ্টি হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে সংশোধিত ছবি ও তথ্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ
এবং ই-মেইলের মাধ্যমে পুনরায় পাঠানো হয়।
বিএমপির
মিডিয়া সেলের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তানজিল আহমেদ বলছেন, বিষয়টি ‘দুষ্টুমির ছলে’
করা হয়েছিল।
কাউনিয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ গণমাধ্যমকে জানান, গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা
উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরেক অভিযুক্ত আঁখি (৩২) পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলায় আটক রাসেল ও পলাতক আঁখিকে
আসামি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারতের
পুণের ব্যবসায়ী কেতন অগ্রবাল হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সিয়া গয়াল পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে
চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তার ভাষ্য, বিয়ে করতে তিনি রাজি নন—পরিবারের
কাছে এ কথা বলার চেয়ে কেতনকে পথ থেকে সরিয়ে দেওয়াই তার কাছে সহজ কাজ মনে হয়েছিল।
জানা
গেছে, গত ১৮ জুন লোণবলার লোহাগড় দুর্গ থেকে কেতন অগ্রবালকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যার
অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সিয়া গয়াল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।
তদন্ত
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে সিয়া দাবি করেন, কেতন আলগা চুল ব্যবহার
করতেন, যা তার পছন্দ ছিল না। এ বিষয়ে জানার পরও কেন বিয়েতে রাজি হয়েছিলেন—এমন
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিবারের সম্মান ও ভাবমূর্তির কথা ভেবেই বিয়েতে মত দিতে
বাধ্য হয়েছিলেন।
পুলিশের
জিজ্ঞাসাবাদে সিয়া আরও দাবি করেন, তিনি কেতনকে জানিয়েছিলেন যে তাকে বিয়ে করা সম্ভব
নয়। কিন্তু কেতন বিয়ে ভাঙতে রাজি হননি। এরপরই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে তদন্ত
সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে
কেতনের বাবা বিশাল অগ্রবাল দাবি করেছেন, তার ছেলে আলগা চুল ব্যবহার করতেন—এ
তথ্য সিয়ার পরিবার আগে থেকেই জানত। এ নিয়ে সিয়া বা তার পরিবারের কোনো আপত্তিও ছিল না।
তাই আগলা চুলের কারণে হত্যার দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে
তদন্তে আরও জানা গেছে, সিয়া ও চেতনের সম্পর্কের বিষয়ে তার পরিবার আগে থেকেই জানত। তবে
আর্থিক অবস্থার পার্থক্যের কারণে পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। তদন্তকারীদের ধারণা,
চেতনের কাছ থেকে সিয়াকে দূরে রাখতে কেতন অগ্রবালের সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু
শেষ পর্যন্ত সেই ঘটনার পরিণতি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে গড়ায়।
পুলিশ
জানিয়েছে, মামলার প্রকৃত কারণ জানতে সিয়া ও চেতনকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি
সিয়ার ভাই সাহিল গয়ালকেও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
মন্তব্য করুন


পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, ঈদে মহাসড়কে বিশেষ নজরদারিতে থাকবে পুলিশ। এ সময় সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ দৃষ্টি থাকবে তাদের। মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও ভটভটি অথবা এ ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। একই সঙ্গে চলাচল করতে পারবে না ফিটনেসবিহীন কোনো যান।
পুলিশ সদর দপ্তরে ঈদুল ফিতর এবং বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বৈঠকে ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।
এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে ব্যক্তিগত তদারকির কথা বলেন আইজিপি। সড়কপথ, রেলপথ ও নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন তিনি।
ঈদে শহর ছেড়ে যাওয়া মানুষের বাসা-বাড়ি, মার্কেট, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য পুলিশের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ। আনন্দমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের লক্ষ্যে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
এ ছাড়া নৌ দুর্ঘটনা ও নৌ ডাকাতি রোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌ পুলিশকে নির্দেশনা দেন তিনি।দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে আইজিপি বলেন, ‘গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ নিয়ে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি না হয় সে জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশকে তৎপর থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
সভায় অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলামসহ অন্যান্য অতিরিক্ত আইজিপি, বিশেষায়িত ইউনিটের প্রধান, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং রেঞ্জ ডিআইজি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ থেকে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরেছে দেশের সব সরকারি ও
বেসরকারি অফিস-আদালত। ফলে রাজধানীসহ সারা দেশের প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোতে কর্মচাঞ্চল্য
ফিরতে শুরু করেছে।
সোমবার
(১ জুন) সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি
লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত হয়ে
পড়েন তারা।
ঈদুল
আজহা উপলক্ষে গত ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সরকারি ছুটি ছিল। ঈদ উদ্যাপন শেষে প্রথম
কর্মদিবসে আজ সকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সকাল
৯টার কিছু পরেই তিনি সচিবালয়ে প্রবেশ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
পাশাপাশি প্রথম কর্মদিবসেই সকালে সচিবালয়ে নিজ নিজ দপ্তরে উপস্থিত হন স্বাস্থ্য ও
পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির,
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের
খান চৌধুরীসহ মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্য।
দীর্ঘ
ছুটির পর সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় সকাল থেকেই সচিবালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে ঈদের শুভেচ্ছা
বিনিময় ও কোলাকুলির এক উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। তবে প্রথম কর্মদিবসে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনেক কক্ষেই কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি তুলনামূলক কিছুটা
কম ছিল।
সংশ্লিষ্টরা
জানিয়েছেন, দূরপাল্লার যাত্রা ও যানজটের কারণে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এখনো কর্মস্থলে
পৌঁছাতে পারেননি, যা আগামী দু-এক দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
সরকারি
অফিস খোলার পাশাপাশি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজার ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানেও
স্বাভাবিক লেনদেন ও কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ছুটির পর প্রথম দিনেই বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে
সাধারণ মানুষের সেবাগ্রহণ কার্যক্রমও স্বাভাবিক হতে দেখা গেছে। অনেক দিন পর সেবা নিতে
আসা মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
উল্লেখ্য,
ঈদের দীর্ঘ ছুটির সময়ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ফায়ার সার্ভিস,
জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও হাসপাতাল, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট এবং
ডাক বিভাগের মতো জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবাগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মন্তব্য করুন


২৮
বছর পর বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। সোমবার (৩০ জুন) আইভরি কোস্টকে
২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ইউরোপের দলটি। এর আগের দিন একই ব্যবধানে জাপানকে
হারিয়ে শেষ ১৬ নিশ্চিত করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।
কোয়ার্টার
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নরওয়ের মতো প্রতিপক্ষকে পেয়ে স্বস্তিতে থাকার কথা ব্রাজিলের। তবে
পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। ফুটবল ইতিহাসে নরওয়েই একমাত্র দল, যাদের বিপক্ষে একাধিক
ম্যাচ খেলেও এখন পর্যন্ত কোনো জয় পায়নি ব্রাজিল।
বর্তমান
নরওয়ে দলে রয়েছেন আর্লিং হলান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড, আলেক্সান্ডার শরলথ ও আন্তোনিও নুসার
মতো তারকা ফুটবলার। শক্তিশালী এই স্কোয়াডের কারণেই এবারের বিশ্বকাপে ডার্ক হর্স হিসেবে
বিবেচিত হচ্ছে দলটি। অন্যদিকে ব্রাজিল বরাবরের মতোই শিরোপার অন্যতম দাবিদার। তবে ইতিহাসের
বিচারে নরওয়ের বিপক্ষে তাদের রেকর্ড মোটেও আশাব্যঞ্জক নয়।
দুই
দলের মধ্যে এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে নরওয়ে জিতেছে দুটি ম্যাচ এবং
বাকি দুটি ড্র হয়েছে। অর্থাৎ চার ম্যাচে একবারও জয় পায়নি ব্রাজিল।
ব্রাজিল-নরওয়ে
মুখোমুখি পরিসংখ্যান:
২৭
জুলাই ১৯৮৮ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ১-১ ব্রাজিল
২৯
মে ১৯৯৭ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ৪-২ ব্রাজিল
২৩
জুন ১৯৯৮ (বিশ্বকাপ): ব্রাজিল ১-২ নরওয়ে
১৬
আগস্ট ২০০৬ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ১-১ ব্রাজিল
দুই
দলের সবচেয়ে স্মরণীয় লড়াইটি হয়েছিল ১৯৯৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। বেবেতোর গোলে এগিয়ে
গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হেরে যায় ব্রাজিল। নরওয়ের হয়ে গোল করেছিলেন তোরে আন্দ্রে
ফ্লো ও শেতিল রেকথাল। যদিও সেই পরাজয়ের পরও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউট পর্বে উঠেছিল
সেলেসাওরা।
এর
আগে ব্রাজিলের বিপক্ষে অপরাজিত থাকার তালিকায় ছিল সেনেগালও। তবে গত বছরের নভেম্বরে
প্রীতি ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে জিতে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটায় ব্রাজিল। এখন ইতিহাসের সেই
অনন্য রেকর্ড ধরে রেখেছে শুধু নরওয়ে।
তাই
এবার শেষ ষোলোর ম্যাচটি শুধুই কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, ব্রাজিলের জন্য এটি
ইতিহাস বদলেরও মঞ্চ। প্রথমবারের মতো নরওয়েকে হারিয়ে দীর্ঘদিনের হতাশার ইতি টানতে চাইবে
কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। অন্যদিকে ব্রাজিলের বিপক্ষে নিজেদের অপরাজিত থাকার রেকর্ড
আরও দীর্ঘ করতে মাঠে নামবে নরওয়ে।
আগামী
রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নিউজার্সি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
ও নরওয়ে। এখন দেখার বিষয়, ইতিহাস বদলাবে ব্রাজিল, নাকি নিজেদের 'অভিশাপ' আরও দীর্ঘ
করবে নরওয়ে।
মন্তব্য করুন