

এখন থেকে পাসপোর্ট পেতে আর পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হবে না। জাতীয় পরিচয় পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে পাসপোর্ট পাওয়া যাবে।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো এ সংক্রান্ত নির্দেশনার সারসংক্ষেপ এ বলা হয়, পুলিশ ভেরিফিকেশন যথাসময়ে না পাবার কারণে বা পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় অনাবশ্যক কাগজপত্র যাচাইয়ের কারণে আবেদনকারীরা প্রায়শই ভোগান্তিতে পরার অভিযোগ পাওয়া যায়।
মূলত পাসপোর্টের আবেদনকারীর ভোগান্তি হ্রাস এবং যথাসময়ে পাসপোর্ট প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা তুলে দেয়ার জন্য অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এ অনুশাসন দিয়েছেন।
এতে আরও বলা হয়, নতুন পাসপোর্ট এর আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য যাচাই করে আবেদনকারীকে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই পাসপোর্ট প্রদান করতে হবে।
এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য পাসপোর্টের নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্যে যাচাই করে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই পাসপোর্ট প্রদান করতে হবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারো
নেই।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মব জাস্টিসের ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। কাল দেখলাম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হত্যা হয়েছে। তারা তো সবচেয়ে শিক্ষিত, তাদের সচেতনতা আসতে
হবে। একজন অন্যায় করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার
কারও নেই। একজন অন্যায় করলে আইনের হাতে তাকে তুলে দেন। নিরপরাধ লোক যেন কোনো অবস্থায়
হেনস্তা না হয় জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে দায়ের করা মামলাগুলোয়
বিপুল সংখ্যক আসামি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, এখন পুলিশ মামলা করছে না, করছে সাধারণ জনগণ। আগে পুলিশ মামলা দিতো,
এই সময়ে কোনো পুলিশ একটা মামলা দিয়েছে? আগে পুলিশ ১০ জনের নাম দিয়ে ১০০ জনের নাম দিতো
অজ্ঞাত। আজ পর্যন্ত কিন্তু পুলিশ (মামলা) দিচ্ছে না। এটা কিন্তু সাধারণ পাবলিকরা দিচ্ছে।
মিডিয়াতেও বলছি, পেপারে দিয়েছি যে সাধারণ লোক যেন হেনস্তা না হয়। তদন্ত ছাড়া কাউকে
এরেস্ট করা হবে না। ডিবিকে আজকেই নির্দেশনা দিয়েছি। পরিচয় তারা নিজেরা দেবে, তারপর
ধরবে। এখানে ধরার কথা শুধু অপরাধীদের সাধারণ মানুষদেরকে তো ধরবে না। বাংলাদেশ পুলিশকে
পুরোনো রূপে মানবিক পুলিশ হতে উজ্জীবিত করে কীভাবে তাদের পুরোনো গৌরব ফিরে পাওয়া যায়
এবং জনবান্ধব পুলিশ যেন বাস্তবে হয় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। থানা পর্যায়ে লোকজনকে অনেক
সময় বিভিন্ন কাজের জন্য গিয়ে তাদের যে সমস্যা সেটা সমাধান করতে পারে না, সবসময় সমাধান
সম্ভবও নয়। কিন্তু তারপরেও কীভাবে সমাধান করা যায় এটা বলা হয়েছে। প্রধানত আলোচনা হয়েছে
তাদের যে পুরোনো ফর্মে যেন পুলিশ যতো তাড়াতাড়ি ফিরে যেতে পারে। তারা যেন জনবান্ধব পুলিশ
হতে পারে। জনগণের একটা আশা, তারা যেন জনবান্ধব পুলিশ হতে পারে। সবার একটা আশা জনবান্ধব
পুলিশ। ট্রাফিকে যে একটা সমস্যা হচ্ছে, এই ট্রাফিকটা কীভাবে উন্নত করা যায়, চাঁদাবাজি
কীভাবে বন্ধ করা যায় এ সম্পর্কে বলা হয়েছে। চাঁদাবাজিটা যদি বন্ধ হয় জিনিসপত্রের দামটা
একটু সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। এই চাঁদাবাজি যেন না হয়, প্লাস এই ঘুষ এবং দুর্নীতিতে
আমাদের সমাজটাকে গ্রাস করে নিছে। এটাকে কীভাবে বন্ধ করা যায় এগুলো সম্পর্কে তাদের সঙ্গে
আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে আজ রবিবার ( ০৮ ফেব্রুয়ারি ) সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে
নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। এ সময় দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট
বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।
ক্রিস্টেনসেনকে
উদ্ধৃত করে মার্কিন দূতাবাস জানায়, ‘পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে চমৎকার
বৈঠক হয়েছে। আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে ফলপ্রসূ
আলোচনা করেছি।’
সূত্র
জানায়, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সোমবার একটি বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারে।
মন্তব্য করুন


বন্ধ হয়ে গেছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। জানা যায় যান্ত্রিক ত্রুটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।
আজ সকাল ৬ .১৫ মিনিটের দিকে কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ ইন্ডিয়া পার্টনারশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাঈদ আকরামুল্লাহ ।
তিনি বলেন, উৎপাদন বন্ধ হওয়ার খবর পেয়েছি। আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আবারও উৎপাদন শুরু করা হবে।
২০১০ সালে ভারত ও বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতের এনটিপিসি লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) নামে কোম্পানি গঠিত হয়। এই কোম্পানির অধীনে ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল) নামে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


পরিকল্পনা
প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, মানুষকে স্বস্তি দেওয়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
নেতৃত্বে সরকার নানামুখী কাজ করছে।
তিনি
বলেন, দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিপর্যয় রোধ, অর্থনীতির উন্নয়ন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার
নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি
কার্ড চালু এবং কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন অঙ্গীকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার
(৭ মার্চ ) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ শহরের একটি কনভেনশন হলে গণসংহতি আন্দোলনের জেলা ও মহানগর
শাখার আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি
বলেন, ‘বাংলাদেশের ব্যাংকসহ পুরো আর্থিক ব্যবস্থার উপরে কিভাবে মানুষের আস্থা তৈরি
হবে এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণের মাধ্যমে মানুষের জীবনে সত্যিকার
উন্নতি তৈরি হবে সেই লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমান সরকার, ফ্যামিলি কার্ড,
কৃষি কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষার প্রশ্নে যেসব প্রতিশ্রুতি করেছিলো, সবার আগে সেগুলো
বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’
বর্তমান
বৈরি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেল আমদানি-রপ্তানিসহ বিভিন্ন খাতে নতুন চ্যালেঞ্জ
ও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এসব সংকট মোকাবিলায়
সবার ধৈর্য ও ঐক্য প্রয়োজন। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার ও বিরোধী
দলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’
তিনি
আরও বলেন, দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের পর বাংলাদেশ এখন নতুন একটা যাত্রা শুরুর সন্ধিক্ষণে।
বিগত জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক যাত্রার উল্লেখযোগ্য একটা মাইলস্টোন আমরা
পার করেছি। দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে এই দেশের মানুষ লড়াই করেছেন এবং
আমরা রাজনৈতিক লড়াইয়ে বিশেষকরে বিএনপির নেতৃত্বে গণসংহতি আন্দোলনসহ ৩৯ টি রাজনৈতিক
দল আন্দোলনে থেকেছি।
পরিকল্পনা
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিক এক গণঅভ্যুত্থানে দেশের হাজারো তরুণ, নারী, শিশু, বৃদ্ধ,
বাঙালি, চাকমা, হিন্দু ও মুসলমানসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ জীবন দিয়ে বাংলাদেশকে
নতুনভাবে গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন।
তিনি
বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের
নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করেছে এবং তার নেতৃত্বেই দেশ গড়ে তোলার কাজ চলছে।
অনুষ্ঠানে
আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-৪
আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক
অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি জমি বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া তিন পৃথক মামলায় শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ৪৭ আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ ২৭ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে আদালত।
রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে এই দিন ঠিক করেন বলে জানিয়েছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ সালাম।
প্রথম মামলাটি করা হয় গত ১৪ জানুয়ারি। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচল এলাকায় ১০ কাঠার সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার ঘটনায় দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
শেখ হাসিনার পাশাপাশি এই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—পুরবী গোলদার, আনিছুর রহমান মিঞা, শফি উল হক, খুরশীদ আলম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, নায়েব আলী শরীফ, সাইফুল ইসলাম সরকার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
একই ধরনের অভিযোগে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। ১৪ জানুয়ারির ওই মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এ মামলাতেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও রাজউকের একাধিক কর্মকর্তা এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে আসামি করা হয়েছে।
তৃতীয় মামলাটি করা হয় ১২ জানুয়ারি। পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ১৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে আসামির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ জনে। এখানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তার পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদও চার্জশিটভুক্ত।
গত ৩১ জুলাই বিশেষ জজ আদালত-৫ তিন মামলার সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছিল। এখন ২৭ নভেম্বর এসব মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনে দেশের বাইরে একটি বিরাট সংখ্যক ভোটার অবস্থান করে। তারা প্রতি সংসদ নির্বাচনেই ভোটদান কার্যক্রমের বাইরেই থেকে যায়। তবে এবার তাদেরকে ভোটদানে উৎসাহী করতে চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসকে কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।
আজ আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানিয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, অর্থ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের (সমন্বয় ও সংস্কার) ২৯ জন কর্মকর্তা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া অন্য নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এতে উপস্থিত ছিলেন।
মো. জাহাংগীর আলম জানান, আইনের আলোকে পোস্টাল ব্যালটে শুধু এবার নয়, সব সময় ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। এবারও ভোট দিতে পারবেন। এই ব্যাপারে আইনের বাধ্যবাধকতাও রয়েছে- কমিশন এই বার্তাটি সংশ্লিষ্টদের দিয়েছে।
তিনি বলেন, বিদেশে যে বাংলাদেশি মিশনগুলো রয়েছে তার মাধ্যমে নোটিশ আকারে যেন দেওয়া হয়, এজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। প্রবাসে বাংলাদেশি যারা দেশের ভোটার তালিকাভূক্ত নাগরিক রয়েছে, তারা যদি ভোট দিতে উৎসাহিত হয়, কী পদ্ধতিতে ভোট দেবে সে বার্তাটা যেন জানিয়ে দেওয়া হয়।
গণপ্রতিনিধিত্ব অ্যাক্ট অনুযায়ী, নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত ভোটার, প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটার, সরকারি চাকরিজীবী যিনি চাকরিসূত্রে নিজ এলাকার বাইরে বাস করেন ও কারাবন্দিরা পোস্টাল ব্যালটে ভোটের আবেদন করতে পারেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক নেমে এসেছে তার পৈতৃক জেলা ফেনীতে। শোকাচ্ছন্ন পরিবেশে স্তব্ধ হয়ে আছে ফুলগাজীর পৈতৃক জনপদ।মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোররাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুরে তার পৈতৃক বাড়িতে ভিড় করতে থাকেন স্বজন, দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।পৈতৃক বাড়িতে মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনায় কুরআন খতম ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। শোকে নীরব হয়ে পড়েছে পুরো এলাকা।স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, ফেনীর সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার সম্পর্ক ছিল আবেগঘন ও গভীর। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ফেনীতে এলে তিনি নিয়মিতই ফুলগাজীর পৈতৃক বাড়িতে সময় কাটাতেন। তার প্রয়াণে একজন অভিভাবককে হারানোর বেদনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।খালেদা জিয়ার চাচাতো ভাই শামীম হোসেন মজুমদার বলেন, এই বাড়ির সঙ্গে তার অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আমরা সবাই আশা করেছিলাম, তিনি আবার সুস্থ হয়ে এই আঙিনায় ফিরবেন। কিন্তু হঠাৎ পাওয়া দুঃসংবাদ আমাদের সেই আশাকে চিরতরে নিভিয়ে দিয়েছে।উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া ফেনী-১ আসন থেকে পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি ওই আসনের প্রার্থী ছিলেন। তার পক্ষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সম্প্রতি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন দলের নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে জাপানি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের
একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছে। উচ্চপর্যায়ের এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে দেন বাংলাদেশে
জাপানের রাষ্ট্রদূত ও জাপানি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনপ্রধান মাসাতো ওয়াতানাবে।
আজ
বুধবার ( ১১ ফেব্রুয়ারি ) বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও
হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই মিশনের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সাধারণ
নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা
এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে সহযোগিতা করা।
বৈঠকে
আশা প্রকাশ করা হয়, জাপানি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে
আরও সুসংহত করবে এবং বাংলাদেশে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা
রাখবে। ভবিষ্যতে উভয় দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে
আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে
আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ
হোসেন মাসুদ ও জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা সাত দিনের ছুটি শুরু হচ্ছে আগামীকাল। আজ সোমবার (১৬ মার্চ)
ছিল শেষ কর্মদিবস।
চাঁদ
দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ দেশে পালিত হবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব
পবিত্র ঈদুল ফিতর।
স্বাভাবিক
নিয়মে আগামীকাল মঙ্গলবার পবিত্র শবে কদরের সরকারি ছুটি। ১৯ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ টানা
৫ দিন থাকবে ঈদের ছুটি। মাঝখানে একদিন ১৮ মার্চ বুধবার অফিস খোলা ছিল। মন্ত্রিসভা বৈঠকে
১৮ মার্চ ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নির্বাহী
আদেশে ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
চলতি
বছরের নির্ধারিত সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদের দিন সাধারণ ছুটি। ১৯ ও
২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদের আগে-পরে দুদিন করে মোট চারদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি
থাকবে। সেই হিসাবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা পাঁচদিন
ঈদের ছুটি আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল।
১৮
মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটির মাধ্যমে টানা সাত দিনের ছুটির ব্যবস্থা করেছে সরকার। তাই
সরকারি চাকরিজীবীরা ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন ছুটি কাটাবেন। ২৪ মার্চ
খুলবে সরকারি অফিস, আদালত, ব্যাংক- বিমাসহ সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদকে তিনি
সকল যুক্তি, তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান।
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের
শুরুতে তিনি ভাষণ দেন।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ফ্যাসিবাদের নির্মমতার শিকার অসংখ্য মানুষের কান্না ও হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের
মধ্য দিয়ে আবারও জনগণের ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সত্যিকারের জনপ্রতিনিধিত্বশীল
জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হচ্ছে।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের রাজনীতির এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে
শুকরিয়া আদায় করছেন, যার অশেষ রহমতে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ
প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন যাত্রা শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা
রক্ষার সংগ্রাম পর্যন্ত গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রালগ্নে তিনি তাঁদের কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি
বলেন, এসব আন্দোলন-সংগ্রামে যেসব মায়েরা সন্তান হারিয়েছেন, যেসব সন্তান তাঁদের প্রিয়জন
হারিয়েছেন, যেসব পরিবার স্বজন হারিয়েছে এবং যেসব আহত মানুষ স্বাভাবিক জীবন হারিয়েছেন,
তাঁদের অবদান তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি
আরও বলেন, নির্যাতন, নিপীড়ন, রাজনৈতিক হয়রানি কিংবা মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে যারা সর্বস্ব
হারিয়েছেন, দেশের ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিকিৎসক,
প্রকৌশলী, আইনজীবী, কামার-কুমার, জেলে-তাঁতি, গাড়িচালক, ব্যবসায়ী, সরকারি-বেসরকারি
চাকরিজীবী, গৃহিণীসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষ যারা গুম, খুন, হত্যা, নির্যাতন, নিপীড়ন
এবং মিথ্যা হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন কিংবা জীবন্ত মানুষ কবরস্থানের মতো বর্বর বন্দিশালা
‘আয়নাঘর’-এর মতো পরিস্থিতির মধ্যেও যাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে
রুখে দেওয়া যায়নি, তাদের সাহসী ভূমিকায় দেশে পুনরায় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই যাত্রালগ্নে দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় গণতান্ত্রিক বীর ছাত্র-জনতাকে
অভিনন্দন জানান।
ভাষণে
তিনি বলেন, দেশনেত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র
প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে সেই গণতন্ত্রকে
প্রহসনে পরিণত করে জাতীয় সংসদকে হাস্যরসের খোরাকে পরিণত এবং দেশে তাঁবেদারি শাসন-শোষণ
কায়েম করা হয়।তিনি বলেন, দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য
বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করেছেন এবং জীবনে কখনো স্বৈরাচার কিংবা
ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি। আজ থেকে দেশে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত সংসদীয় গণতন্ত্রের
যাত্রা শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, সংসদীয় রাজনীতির প্রতিষ্ঠাতা বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও জনগণের এই সাফল্যের মুহূর্তটি
দেখে যেতে পারেননি। তাই জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থে আপসহীন নেতৃত্বের
অধিকারী, স্মরণীয় ও অনুকরণীয় রাজনীতিবিদ মরহুমা খালেদা জিয়াকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে
স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমান বলেছিলেন—‘জনগণই যদি রাজনৈতিক দল হয়, তাহলে আমি
সেই দলেই আছি’। অর্থাৎ ব্যক্তি বা দলের স্বার্থ নয়, জনগণের স্বার্থই
সবচেয়ে বড়—এটাই বিএনপির রাজনীতি।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, তিনি প্রথমবারের মতো বিএনপি থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য এবং সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত
হয়েছেন। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে দলের প্রতিনিধিত্ব করলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি
দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব
করছেন।
তিনি
বলেন, তাঁর রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার রাজনীতি। বিএনপির রাজনীতি জনগণের জীবনমান
উন্নয়ন এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রাজনীতি। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই তাঁদের
রাজনীতির লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমেই বিএনপি একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, নিরাপদ
ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গণতান্ত্রিক জনগণের
সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা এবং জাতীয় সংসদের সকল দলের নির্বাচিত সদস্যদের সমর্থন প্রত্যাশা
করেন।
তিনি
বলেন, দল বা মত কিংবা কর্মসূচি ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু তাঁবেদারমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত,
স্বাধীন, সার্বভৌম, নিরাপদ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো বিরোধ থাকতে
পারে না।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, জাতীয় সংসদকে জাতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু না করে বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকার
সংসদকে অকার্যকর করে ফেলেছিল।
তিনি
বলেন, নতুন সংসদের যাত্রা শুরু করার সময় সংসদের সাবেক স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকার
উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও পতিত ও পরাজিত সরকারের জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে সৃষ্ট
জনরোষের ফলে তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের কেউ কারাগারে, কেউ নিখোঁজ কিংবা কেউ পলাতক
রয়েছে।
তিনি
বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী ও তাঁবেদারি শাসন-শোষণের পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত
প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বিশেষ পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
এমন
পরিস্থিতিতে সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির বিধান অনুসরণ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে
সভাপতিত্ব করার জন্য তিনি প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও পাঁচবারের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য
খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন।
তিনি
বলেন, সংসদীয় রীতিনীতির ইতিহাসে এ ধরনের পরিস্থিতি নজিরবিহীন নয়। ১৯৭৩ সালে তৎকালীন
প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ওই সংসদের সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের
নাম প্রস্তাব করেছিলেন এবং তার সভাপতিত্বে বাংলাদেশের প্রথম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু
হয়েছিল।
মন্তব্য করুন